
করোনা ভাইরাসের একটা অদ্ভূত ফিচার আছে। আমাদের ইমিউন সিস্টেম খুব তাড়াতাড়ি এদের ভুলে যায়। মিসলস যদি একবার হয় আর জীবনেও হবে না। লাইফলং ইমিউনিটি। করোনাভাইরাস ঠিক সেরকম নয়। এস আর এস কোভ টুর জন্য মানব ইমিউনিটি শর্ট লিভড কতোটা এখনো ঠিক পরিষ্কার নয়। অ্যান্টিবডিগুলো খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়, লাইফ লং ইমিউনিটি গ্রো করার কোনো সম্ভাবনা নেই। ভাইরাস অ্যাডাপটিভ ইমিউনিটি সেলের অ্যাক্টিভিটি নষ্ট করে দেয়। ভ্যাকসিন ইজ হাইলি টেইলর্ড। স্পেসিফিক প্যাথোজেনকে কিক অন করতে কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। ... ...

মানুষ সবসময়ই আমাদের ওপর এক্সপেরিমেন্ট করে কেন বলো তো? টিকটিকি। আরশোলা। অ্যালপাকা। লামা। আমাদের প্রাণের কী কোনো দাম নেই? মানুষই সব? ইরফান চেয়ে রইলেন। নেই। কোনো দাম নেই। মানুষ যাইই করুক না কেন। ... ...

আমি রুমে ফিরে যাব। কারণ এই ভেজা শরীরে অন্য কোথাও যাওয়ার প্রশ্নই উঠে না। কিন্তু এমন একটা প্রস্তাব আসল যে আমি বললাম চলুন, যাওয়া যাক। আমাদের মানে আমরা পাঁচজন ছিলাম তখন। আমাদের এই পাঁচজনের মধ্যে একজন একটু সিনিয়র। তিনি বেশ দুনিয়া ভেজে খাওয়া লোক। দুবাই থেকে এসেছেন কত বছর। এখন এখানেও হয়ে গেছে কয়েক বছর। তিনি বললেন তিনি ক্যাসিনতে যাবেন। এই জায়গাটা কেমন তা আমার দেখার খুব ইচ্ছা ছিল। এর আগের অভিজ্ঞতা তো সব বইপত্র আর পর্দায় যা দেখছি তা। তবুও আমি হয়ত রাজিই হতাম না। আমাকে বলা হল ৫০ রোন দিয়ে ঢুকতে হবে। এরপরে সারারাত থাকা যাবে। এতে লাভ? লাভ হচ্ছে সারা রাতই খাওয়ার ব্যবস্থা থাকবে! আপনি যত খুশি যা ইচ্ছা খান! আমি জানি না, সত্য মিথ্যা। হয়ত একটা মাত্রা আছে, এর বেশি গেলে হয়ত কেউ এসে না করবে। কিন্তু আমার কথা হচ্ছে তার আগ পর্যন্ত আমাকে ফেরায় কে? আমি বললাম রাজি। ... ...

ট্রাইবাল স্টেটাস নিয়ে একটা বড় আর একটা ছোটখাটো সংঘাত দেশে চলছে। সমস্যাটা হল ট্রাইবালের সংজ্ঞা নির্ধারণে। ট্রাইবাল স্টেটাস শুধু চাকরি আর উচ্চশিক্ষায় সংরক্ষণ নয় সেখানে জমির অধিকারের প্রসঙ্গও আসে ... ...

এখনও আমি জানি না, দুপুরে খিচুড়ি হবে না ফিনাইল। কিচ্ছু ভাল্লাগছে না। ... ...

সে নিজেও আর পারছে না। এত পোস্ট কোভিড ট্রমার পেশেন্ট হবে সে ভাবতেই পারেনি। এখন মাঝেমাঝেই তার মনে হয় তার নিজের থেরাপি দরকার। কিন্ত ডাক্তারকে কে থেরাপি দেবে? ... ...

ইশতাহার অনেকেরই হয় ... ...

ভারতীয় এবং পাশ্চাত্য মতে, শুদ্ধ সুর সাতটি। কোমল ধরলে বারোটি। সুর এই বারোটিই কেন, এ নিয়ে ফেসবুকের একটি গ্রুপে একটি প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছিলাম। সেখানে সংক্ষেপে লিখেছি। পুরো জিনিসটি এখানে লিখে রাখলাম, যদি কারো আগ্রহ থাকে তো পড়বেন। আঁক-টাক কষা আছে। অঙ্ক অপছন্দ হলে এর পরে আর এগোবেননা। আরও একটি কথা এখানে বলে রাখা দরকার। এই পুরো জিনিসটিই মূলত পাশ্চাত্য সঙ্গীততত্ত্বের নানা জায়গায় টুকরো-টাকরা করে পড়েছি। কিন্তু সেখানে অঙ্ক ছিলনা। হয়তো উচ্চতর শাস্ত্রে আছে। কিন্তু আমার বিদ্যে ততদূর গড়ায়নি। এছাড়া সঙ্গীত প্রযুক্তিতেও থাকা উচিত, কিন্তু তার তত্ত্বও আমার খুব কিছু পড়া আছে এমন না। ফলে এখানে যে অঙ্ক কষা হয়েছে, সবটাই আমার নিজের কষা। নিশ্চয়ই এর আগে কেউ কষে ফেলেছেন, কিন্তু জানা না থাকায় কৃতিত্ব দেওয়া গেলনা। আর যদি বাইচান্স না কষে থাকেন, তো আমি নিউটন। ... ...

মা জানে না বিদেশে এখন হিউম্যান চ্যালেঞ্জ ট্রায়াল চলছে। খুব সাবধানে। অতি যত্নে। বৈজ্ঞানিকরা কোভিড সারভাইভারদের ওপর রি ইনফেকশন টেস্ট করছেন ওরিজিনাল এস এ আর এস কোভ টু, খোদ উহানের ভাইরাস দিয়ে। মা জানলে কী বলবে? ভয় পাবে? শোভনা বালাসিংগম। ওয়েলকাম ট্রাস্টের ভ্যাকসিন সিনিয়র রিসার্চ অ্যাডভাইসর। ওরা কাল ভার্চুয়ালি মিট করেছে তাঁকে। ... ...

আমাদের শান্ত বাড়ি সময়ে সময়ে আত্মীয়-পরিজনদের মুক্তমঞ্চ হয়ে ওঠে। তাঁরা আসেন, কুশল বিনিময়ের পর তেড়ে কিছুটা ঝগড়া করেন একে অন্যের সঙ্গে। কিন্তু ওটা ঝগড়া নয়, খেজুর। বুঝতে হবে। ... ...

ঈশ্বর !! ... ...

উন্মাদ না হলে কেউ কি উন্মাদকে অনুবাদ করে ! ... ...

একটা বয়স ছিল, যখন ট্রেনে উঠলেই মনে হত, আহা উল্টোদিকের সিটে যদি কোনও সুন্দরী এসে বসে! তখন এসে বসতো পাকা বাচ্চা, কানে ট্রানজিস্টর লাগানো দাদু, এরা। দু’এক বার আমাকে পরিহাস করতে সন্ন্যাসীও এসে বসেছে। তারপর ট্রেনে যাওয়া-আসা বাড়তে লাগলো, আর আমিও বুঝলাম, সুন্দরী মেয়ে আসলে ইয়েতির মতো একটা ব্যাপার। স্লীপার ক্লাসে তাকে খোঁজা বৃথা; তার চেয়ে পিএইচডি করা ভালো। ... ...

আমাদের এই ছোটখাটো এই ক্যাম্পে বাস করি চল্লিশ পঞ্চাশজন। টয়লেট আছে দশটা বারোটা। ইউরেনাল আছে পাঁচ ছয়টা। গোসলের ব্যবস্থা আলাদা। একটা রান্নাঘর আছে, চুলা আছে বেশ কিছু, অনেক গুলাই নষ্ট। চল্লিশ পঞ্চাশ জন্য এই ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না। এত জন এক সাথে থাকে, কোন পরিচ্ছন্নতা কর্মী কোম্পানি দেয় নাই। উল্টো আমরা কেন পরিষ্কার রাখি না, তাই সবার দুইশ রোন করে জরিমানা করেছে বেতনের সময়। সবাই কঠোর পরিশ্রম করে, তারপর আবার এখানে এই সব কাজে সময় দেওয়া কঠিন হয়ে যায়। অথচ জরমানা দিতে হয়েছে সবাইকে। দেখার কেউ নাই! ... ...

খিদে পায় ... ...

জীবন চলিয়া যায় ... ...

কারা যেন রাতের বেলা কথা বলে বারান্দায় কাঁচের ঠোকাঠুকি শুনি মাঝে মাঝে ক্লান্ত হাসি সকালের অপেক্ষা করে চোখের কোণের কালি তবু চাঁদের আলো শুধু প্রেমের গানই শোনায় ... ...

মোদী এসেছেন মার্কিন মুলুকে। এই আমেরিকাই গুজরাট গণহত্যার পর মোদীর ভিসা নাকচ করে দিয়েছিলো। গোদি মিডিয়ার বাইরে যে সভ্য জগৎ, তার মিডিয়া রিপোর্ট সঙ্কলন। ... ...

এটুকু পর্যন্ত গল্পটি যা ছিল, তা অসাধারণ অবশ্যই, কিন্তু একজন ডুবুরি পাঠককে ভেঙে তস্নস্ করার মত যথেষ্ট না। তার জন্য তাকে গল্পটি শেষ পর্যন্ত পড়ে যেতে হবে যেখানে সে দেখবে মন্নু গল্পের উত্তম চরিত্রের ভাবনার সাথে সঙ্গত না করে, লাল ঝান্ডার গোলযোগে রক্তে-ধোঁয়া-জেল-জুলুমে নিমজ্জিত না হয়ে, পরেরদিন পার্কে উপবিষ্ট একটি ‘সিন্দুর গোলাপি আভায়’ রঞ্জিত মহিলার সাথে ভ্রমন করতে আসা একটি জমকালো কুকুরের গলার বেল্টটা বাঁ হাতে চেপে ধরে এত জোরে জোরে ঘষতে থাকে যে স্নিগ্ধ সহানুভূতির হাসিতে মহিলাটিকে বলতে হয়, “এক জায়গায় অত মেহনত করলে দোস্রা জায়গায় কাজ করবি কি করে?” ... ...

কতো গল্প যে মগজে ঘুরঘুর করে ... ...