এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  স্মৃতিচারণ  স্মৃতিকথা

  • গণগায়ক প্রতুল মুখোপাধ্যায়

    Eman Bhasha লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | স্মৃতিকথা | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ৬৫১ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • কিংবদন্তি গণগায়ক চারণকবি প্রতুল মুখোপাধ্যায়

    ইমানুল হক

    ২৮ জানুয়ারি বার্তাটা এল--২৯ জানুয়ারি টিউমার মেধ যজ্ঞ SSKMএ।
    সঙ্গে হাসপাতালের পোশাকে হাস্যোজ্জ্বল ছবি।
    কখন?
    জানতে চাইতেই লিখলেন, আসার দরকার নেই।
    একবার যাবো দাদা।
    বইমেলা চলছে। আমি জানিয়ে দেবো।

    জানাবার অবস্থায় আর ফিরলেন না।

    আর অসুস্থতাসহ সবকিছু নিয়ে রসিকতা করা বার্তা আর পাঠাবেন না।
    চলে গেলেন কিংবদন্তি গণগায়ক বাংলার ঐতিহ্যবাহী ও নতুন ঐতিহ্য সৃষ্টি করা চারণ কবি প্রতুল মুখোপাধ্যায়।

    কত কত স্মৃতি তাঁর সঙ্গে।
    সে-সব বলার আগে সংক্ষেপে জানিয়ে রাখা দরকার তাঁর ইতিহাস।
    জন্ম বর্তমান বাংলাদেশের বরিশালে।
    ছোটবেলাতেই বাবা ও মায়ের সঙ্গে চলে আসেন অধুনা পশ্চিম বঙ্গে।
    পড়াশোনা করেছেন প্রেসিডেন্সি কলেজে। কৃতী ছাত্র। চাকরি করেছেন ইউনাইটেড ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়ায়। উঁচু পদে। পরিসংখ্যানবিদ হিসেবে খ্যাতিমান ছিলেন ব্যাঙ্ক শিল্পে।
    আজীবন বামপন্থায় বিশ্বাসী মানুষ।

    মানুষের, বিশেষত সুবিধাবঞ্চিত মানুষের কল্যাণ ছিল তাঁর লক্ষ্য।
    বাংলা, বাঙালি সংস্কৃতি, বাংলার জনজীবন ছিল তাঁর অন্বিষ্ট। একই সঙ্গে ছিলেন প্রবলভাবে আন্তর্জাতিক।
    সামান্যতম সংকীর্ণ তা ছিল না তাঁর মধ্যে।
    আজকাল অনেকের মধ্যেই সাম্প্রদায়িক মনোভাব, জাতি বিদ্বেষী মনোভাব চাগাড় দিচ্ছে, প্রতুল মুখোপাধ্যায় ছিলেন বিরল ব্যতিক্রম।
    কোনও ধর্মীয় জাতিগত বা প্রাদেশিক সংকীর্ণতা বোধ ছিল না তাঁর মধ্যে।
    বিচিত্র বিষয়ে পড়াশোনা করতেন।
    সাহিত্য বিজ্ঞান অর্থনীতি রাজনীতি সব বিষয়ে খোঁজ রাখতেন।
    সঙ্গীতের বিশাল জগতে তাঁর ছিল অনায়াস যাতায়াত।
    যদিও মুখে বলতেন, আমি তো সেভাবে গান শিখিনি।
    তাঁর সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের নানা জায়গায় গিয়েছি।
    তিনি বলতেন তুমি আমার ভিসা।
    মানে?
    কোথাও যাওয়ার কথা বললে,
    সর্বাণী তুমি গেলে যেতে দেবে, তুমি সঙ্গে গেলে ও নিশ্চিন্ত।

    কৃষ্ণনগর, আসানসোল, রানিগঞ্জ, দুর্গাপুর, বর্ধমান, রাণাঘাট, ডায়মন্ডহারবার, কাঁথি -- বহু জায়গায় গিয়েছি একসঙ্গে।
    তাঁর সঙ্গে যাওয়া মানে শিক্ষিত হওয়া।
    একবার রানিগঞ্জ বইমেলায় যাচ্ছি।
    অনেকে জানেন কিনা জানি না, অন্য কিছু গায়কদের মতো ছিলেন না। যেখানে থাকতেন সেখানটাই গানে সুরে কথায় মাতিয়ে রাখতেন।
    যেতে যেতে বললেন, আমি গানের জগতে এসেছি মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায় সতীনাথ মুখোপাধ্যায়দের প্রভাবে।
    শুনে অবাক।
    গণসঙ্গীত গায়ক হিসেবেই তাঁর প্রাথমিক পরিচিতি।
    তবে কোনও দিন বাদ্যযন্ত্র ব্যবহার করেননি। দেশি বা বিদেশি।
    যাঁরা তাঁর গান সামনে বসে বা ভিডিও মারফৎ শুনেছেন, খেয়াল করেছেন, তিনিই নিজেই একটা গান হয়ে উঠতেন।

    কথা সুর শরীর সবমিলিয়ে গানের গাছ। গান বৃক্ষ যেন।
    ফুল ফলে চিরবসন্ত।

    একটা গণসঙ্গীতের পংক্তি গেয়ে বললেন, এটা এবার কীর্তনের সুরে গাইছি।
    তারপর গাইলেন রবীন্দ্রসঙ্গীতের সুরে।
    একে একে ওই পংক্তিটি নজরুল সঙ্গীত, শ্যামাসঙ্গীত, ইসলামি সঙ্গীত, ভজন এবং চীনা, কিউবান ও আফ্রিকান সঙ্গীতের সুরে গাইলেন।
    আমি এটা ফেসবুকে লাইভ করেছেন। কেউ কেউ খেয়াল করে থাকবেন।
    চীনা গণসঙ্গীতের মূল সুর যে দেশজ, মাটি থেকে নেওয়া সে-কথা বলে বললেন, আমার গানে, যে রোমান্টিকতা আছে, তা চীনা গানেও পাবে।
    এরপর মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, শ্যামল মিত্র, সতীনাথ মুখোপাধ্যায়দের গান একটার পর একটা গাইতে লাগলেন।
    আমরা ছোটবেলায় শ্যামল মিত্র, মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়, সতীনাথ মুখোপাধ্যায়দের গান শুনেছি।
    ভাবতাম, বিপ্লবের জগতে এঁদের ঠাঁই নেই।
    প্রতুলদা বললেন, বিপ্লবী হলে রোমান্টিক তো হবেই।
    তবে অ্যাডভেঞ্চারিস্ট হবে না।
    অ্যাডভেঞ্চারিজম, হঠকারিতার ফলে বহু মূল্যবান প্রাণ গেছে।

    প্রায় চার ঘন্টা চলল কথা ও গান।
    রানিগঞ্জ পৌঁছে গিয়েছি। উদ্যোক্তা নুরুল হক, আমার ভাই জইনুল, কবি আশরাফুল ইসলাম এসেছেন।
    ওঁদের দেখে হাত মুখ একটু ধুয়েই আবার গান শুরু করলেন।
    আমি ভাবছি, উনি বিশ্রাম নেবেন।
    বললেন, না, এটা ওয়ার্ম আপ হচ্ছে।
    খেতেন খুব সামান্য। মূলত সব্জি।
    খাবার পরিবেশন যিনি করছিলেন তাঁকে বললেন, আপনিও খান আমাদের সঙ্গে।
    তিনিও নিরামিষ খান।
    এবার গানের পালা।
    আমার বক্তৃতার পর তাঁর গান। বললেন, বেশিক্ষণ গাইবো না।
    তারপর মঞ্চে উঠে যেন একটা ক্লাস নিলেন।
    আমার একটা জরুরি ফোন এসেছিল, ধরতে বাইরে যাব, প্রতুলদার পরোক্ষ ধমক।
    প্রথম সারিতে বসে ফোন?
    আমি খুব লজ্জায় পড়ে গেলাম।
    মঞ্চ থেকেই বললেন, ইমানুলকে একটু ধমকে দিলুম, ও আমাদের দাদা ভাইয়ের ব্যাপার।

    উদ্যোক্তারা একটা শোলার তৈরি বিরাট দুর্গামূর্তি দিয়েছিলেন, বললেন, ও নিয়ে কী করবো?

    আমার সেজ ভাইয়ের বৌ সীমা খুব ধর্ম মানে। ওঁর বাড়িতে যখন গিয়েছিলেন কালী ঠাকুরের ঘর দেখাতে চেয়েছিল, দেখেননি।
    ও দেখে কী করবো?

    ভাইয়ের নাতনির সঙ্গে ইংরেজি বাংলা নানা ছড়ার গান গেয়েছিলেন সেদিন।
    সীমাকে বললেন, ওটা তুমি নাও। দুর্গামূর্তি গেল সীমার সঙ্গে।

    এটা ২০২৩ এর ঘটনা।
    প্রেসিডেন্সি কলেজে নিয়ে গিয়ে ২০০১এ। 'ভাবনার আকাশ' নামে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে একটা সংগঠন গড়ে ছিলাম।
    প্রতি শনিবার হতো। ছাত্র ছাত্রীরাই বিতর্ক তাৎক্ষণিক বক্তৃতা করতেন। কবিতার আসর বসাতেন। মুখে মুখে কবিতা। এই কবিতার আসর থেকেই প্রেসিডেন্সি কলেজে মুখচোরা দ্বৈপায়ন চেনা মুখ হয়ে ওঠে।

    মাসের শেষে একজন অতিথি আসতেন।
    এভাবেই এসেছেন ঔপন্যাসিক সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়, সাংবাদিক অশোক দাশগুপ্তসহ বহু মানুষ।
    প্রতুল মুখোপাধ্যায় এলেন।
    বললেন, আমার গান নয়, আমি সুকুমার রায়ের 'হযবরল' পড়বো।
    পড়লেন। ঘন্টাখানেক ধরে।
    আরও অনেক কথা লেখার আছে।

    পরে লেখা যাবে।

    গত বছর সারাদিন বসন্ত উৎসবে গেলেন রাণাঘাট।
    শুভেন্দু মাইতি ও প্রতুল মুখোপাধ্যায়। দুই কিংবদন্তি।
    ২০০৭ এর কথা মনে পড়ছে।
    সিঙ্গুর নন্দীগ্রাম নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের লেখক শিল্পী সাহিত্যিক সাংবাদিক সব বিভক্ত।
    এইসময় একুশে ফেব্রুয়ারির ভাষা শহিদ স্মরণে সারারাত বাংলাভাষা উৎসব।

    শুভেন্দু মাইতি ও প্রতুল মুখোপাধ্যায় মুখোমুখি।
    দুইজন দুই মতের মানুষ।

    আমি ব্যক্তিগতভাবে মানুষের শিবির বিভাজনে বিশ্বাস করি না।
    মতান্তর আর মতান্তর এক হবে কেন?

    একটু দ্বিধা, একটু সংকোচ।
    তারপর দুজনেই বললেন, ইমানুল দুজনকেই একসঙ্গে মঞ্চে তুলে ছাড়লে।
    বলেই হা হা হাসি।

    ২০২২ এ ২০ ফেব্রুয়ারি দেবজ্যোতি মিশ্র ও প্রতুল মুখোপাধ্যায় একসঙ্গে গান গাইলেন সারারাত বাংলাভাষা উৎসবে।
    ভাষা আন্দোলনের শহিদ স্মরণে আমাদের সংগঠন ভাষা ও চেতনা সমিতি ১৯৯৯ থেকে সারারাত বাংলাভাষা উৎসব পালন করে আসছে।
    গত ২৬ বছর গান গেয়েছেন প্রতুল মুখোপাধ্যায়।
    এবার তিনি থাকবেন না।
    থাকবে তাঁর গান।

    আমি বাংলায় গান গাই...
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • স্মৃতিচারণ | ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ৬৫১ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • তৌহিদ হোসেন | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১২:০১541192
  • অনবদ্য❤
    স্মৃতি রয়ে গেল
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন