এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ভ্রমণ

  • গন্তব্য চড়িদা

    Sara Man লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ভ্রমণ | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ | ৫০৩ বার পঠিত
  • বাংলার পশ্চিম পারে পুরুলিয়ার বাগমুন্ডিতে ছোট্ট গ্রাম চড়িদা। ছোট হলেও গ্রামটি জগদ্বিখ্যাত, কারণ এটি হল ছৌ শিল্পীদের গ্রাম। এখানে ছৌনাচের মুখোশ তৈরি হয়। দুর্গাপুজো শুরুর কয়েকদিন আগে চড়িদায় সার্ভে করার উদ্দেশ্যে ভূগোল অনার্সের ফিফ্থ সেমেস্টারের আটত্রিশ জন ছাত্রছাত্রীকে নিয়ে এবারে আমরা পাড়ি দিলাম বাগমুন্ডি। হাওড়া স্টেশন থেকে রাত বারোটা পাঁচে ট্রেন - আদ্রা চক্রধরপুর এক্সপ্রেস। রাত পেরোলে সকাল সাতটা নাগাদ নামতে হবে ঝালদা মহকুমার বরাভূম স্টেশনে। বরাভূম থেকে ছোট ছোট পাঁচটি জিপ ধরণের গাড়িতে আমরা পৌঁছে গেলাম বাগমুন্ডি বাজারের এক হোটেলে। কলেজের ছেলেমেয়েদের অনেকেই এই প্রথম ট্রেনে রাত কাটালো। বাবা মাকে ছেড়ে বাইরে নিজেকে সামলে চলা বেশিরভাগেরই প্রথম। ভূগোল বিষয়টা প্রকৃতিতে এখানেই অন‍্য অনেক বিষয়ের থেকে আলাদা। অজানাকে জানা, অচেনাকে চেনার সঙ্কোচটা কাটিয়ে দেয়। ছাত্রাবস্থায় এই আড় ভেঙে যাওয়ার সুফল ওরা পায় বড় বয়সে। 
    উঁচু নীচু রাস্তা, মালভূমির চড়াই উৎরাই পেরিয়ে আমাদের গাড়িগুলো চলেছে সার বেঁধে। মালভূমির এ অংশটা আসলে ছোটনাগপুর মালভূমির এক অংশ - রাঁচি মালভূমির পুব- সীমানা। অযোধ‍্যা পাহাড়ের নানা শ্রেণী চলেছে আমাদের সঙ্গে। ভারতের পূর্বঘাট পর্বতমালার এক অংশ দলমা পাহাড়। সেই দলমা পাহাড়ের পুবদিকে বেরিয়ে পড়া একটা শাখাই হল অযোধ‍্যা পাহাড়। পাহাড়ের গায়ে ঘন সবুজ জঙ্গল আর মাথায় মেঘের প্রাসাদ। আকাশের নীল, রোদের হলুদ, বনের সবুজ আর মেঘের ছাই ছাই সাদা ধো়ঁয়া রং মিলেমিশে এক অদ্ভুত দৃশ‍্যপট গাড়ির কাচের জানলার দুপাশে।  এবছর লেট মনসুন হওয়ার কারণে বৃষ্টি মাথায় নিয়ে আমরা বাড়ি থেকে বেরিয়েছি। কিন্তু অনেকেই ভরসা দিয়েছিল যে রুখুসুখু পুরুলিয়া বর্ষায় মোহিনী হয়। এখন সত‍্যিসত‍্যি দেখছি ভুল তারা বলেনি। গাড়ি চলেছে একে একে গোর্গাবুরু, মাঠা পাহাড়, ময়ূর পাহাড়, পাখি পাহাড়ের পাশ দিয়ে। মাঝে মাঝে ছোট ছোট গ্রাম - নামগুলোর শেষে জোড়া আছে ডিহি। আর ফাঁকে ফাঁকে সাইনবোর্ড - সেখানে সতর্কতার বার্তা লেখা - কারণ দলমার দামালরা সে পথে যাতায়াত করেন। 

    যাই হোক হোটেলে পৌঁছে দেখলাম জানলা দিয়ে পাহাড়ের শ্রেণি দূরে দেখা গেলেও পুরুলিয়ার নানা পাম্পড স্টোরেজ প্রকল্পের কল্যাণে শহুরে মেদ বেড়েছে বাগমুন্ডির। চারপাশে বড় বড় বাড়ি, হোটেল,  আধুনিক গাড়ির সারি নিয়ে বাগমুন্ডি খুব না হলেও মাঝারি ঝকমকে বলা যায়। হোটেলের গায়েই বিশাল সরকারি জায়গা, সেখানে প্রতি বুধ ও শনিবারে হাট বসে। হাটও দেখেছি। এমাথা ওমাথা ঘুরতে বেশ সময় লাগে। কাঁচা আনাজ, মশলাপাতি, গাছের বীজ, সার, বাবুই ঘাসের দড়ি, মই, ঝাঁটা, ঝুড়ি, রেডিমেড পোষাক, শাড়ি গামছা, বাসন কোসন, খেলনাপাতি, সাজগোজের হরেক জিনিস, সঙ্গে পাহাড়ি বীজ, মিলেট, ঝিরিঝিরি করে কাটা বাঁশের কোঁড়, মহুয়া ফল - কী নেই? আর আছে পুরুষদের সঙ্গে বিক্রেতা মেয়েদের আত্মবিশ্বাসী উপস্থিতি। সব মিলিয়ে এই হাটে জীবনের রং যেন রামধনু। যেদিন আমরা হাটে গেলাম, তার তিনদিন পরে ছিল জিহুড় বা নবান্ন উৎসব। সেইজন্য হাটে বাঁশের ঝুড়ি আর বাবুই ঘাসের ঝাঁটা বিক্রি হচ্ছিল। স্থানীয় মানুষের মুখে ঐ ঘাসের নাম কড়াং ঘাস। জিজ্ঞাসা করে জানলাম আশ্বিন মাসের সংক্রান্তির দিন নতুন ধান ঘরে আনার উপলক্ষে জিহুড় উৎসব পালিত হয়ে থাকে। সবার প্রথমে খামারের ঘাস কোদাল দিয়ে চেঁছে পরিষ্কার করে জলে ভিজিয়ে মই দিয়ে সমতল করা হয়। উৎসবের এই অংশকে খামার বাঁধা বলে। এরপর গরুর শিঙে সর্ষের তেল মালিশ করা হয়। গৃহকর্তা স্নান করে ভেজা কাপড়ে খামারের মধ্যে একটি জল ভর্তি মাটির ভাঁড়, একটি তামার পয়সা, একটি নতুন ঝাঁটা ও এক মুঠো ডাল রেখে দেন। পরে নবান্ন মুখে দিয়ে উৎসব সম্পন্ন হয়। উৎসব, পরব, মেলা ইত‍্যাদি পুরুলিয়ার সংস্কৃতির অঙ্গ। শুনলাম চড়িদা গ্রামেই দুটো মেলা হয় - একটা বাংলা নাটক ডট কম থেকে ছৌ মুখোশের মেলা, সেটা ডিসেম্বরে হয়। আর একটা হল ছৌ সম্রাট পদ্মশ্রী গম্ভীর সিং মুড়ার স্মৃতি মেলা।

    আমাদের হোটেলটি বেশ বড়সড়। কাচের জানলা, অ্যাটাচড ওয়াশরুমে গিজার, শাওয়ার, বেসিন, তোয়ালে। ঘরে কাবার্ড, আয়না, এসি, বেডসাইড টেবিল, দুটো চেয়ার - ব‍্যবস্থা ভালোই। করিডোরের দুমাথায় দুটি লম্বা বারান্দা। সকাল সওয়া সাতটায় রেলগাড়ি থেকে নেমেছি আমরা। মালপত্র গুছিয়ে জিপগাড়ি ছাড়তে পৌনে আটটা, হোটেলে পৌঁছতে সকাল নটা বাজল। নটাতেই চেক ইন টাইম। বুঝলাম রেলের সময় মিলিয়ে চেক ইন চেক আউট ঠিক করা আছে। গরম গরম লুচি আলুর তরকারি, মিষ্টি দিয়ে জলযোগ সেরে কাজ শুরু করার ছক কষে নিলাম আমরা। তখুনি না বেরিয়ে ঠিক হল দুপুরের খাওয়ার পর প্রথম পর্যায়ের কাজ শুরু হবে। কারণ রাতে রেলগাড়িতে কারোরই ঠিকঠাক ঘুম হয়নি। এখন একটু বিশ্রামের প্রয়োজন। ফ্রেশ হয়ে, স্নান সেরে দুপুরে ভুরিভোজ হল - ভাত, ডাল, সব্জি, মাছের কালিয়া, চাটনি, পাঁপড়, খাবারের মান ভালোই। আজকের খাবার হোটেল থেকে নেওয়া হল। রাত থেকে আমাদের টুর অপারেটরের কিচেনেই রান্না হবে। 

    চড়িদা গ্রামটি হোটেল থেকে বেশি দূরে নয় - আন্দাজ তিন কিলোমিটার দূরে হবে। রাস্তার ধারে ধারে ছৌ মুখোশ বিক্রির দোকান। পথে কয়েকটি বিদ‍্যালয়ও চোখে পড়ল। কুড়ি বছর আগেও একবার এ গ্রামে এসেছিলাম, তখনকার থেকে এখনকার দৃশ‍্যপট আমূল পরিবর্তিত হয়ে গেছে। তখন এমন রাস্তা ছিলনা। হেঁটে উঠতে হয়েছিল। ইতিউতি বাড়িঘরের মধ‍্যে দোকানঘর ছিল অল্প। এখন পাকা রাস্তায় হু হু করে গাড়ি করেই এসে পড়লাম। সামনে অগুন্তি দোকানঘর। আজ অবশ‍্য প্রশ্নমালা নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ নয়। বিকেলবেলা এসেছি। সিলেবাস ধরে সার্ভে ইন্সট্রুমেন্টের কাজগুলি সমাধা করতে হবে। একে একে ছোট ছোট দলে ভাগ হয়ে ছেলেমেয়েরা রোড মর্ফোলজি, ট্রাফিক ফ্লো সার্ভে, স্থানীয় পুকুর থেকে জলের নমুনা সংগ্রহ, চাষের ক্ষেত থেকে মাটির নমুনা সংগ্রহ ইত‍্যাদি করতে লাগল। কিছু জন ব‍্যাস্ত হয়ে পড়ল অ্যাবনি লেভেল, ডাম্পি লেভেল, প্রিসম‍্যাটিক কম্পাস, ক্লাইনোমিটার ইত‍্যাদি যন্ত্রপাতি সহযোগে ল‍্যান্ডস্কেপের নানারকম সার্ভে করতে। গ্রামের পথ ধরে একটু এগিয়ে গেলেই জঙ্গল - শাল, সেগুন, পলাশের বন। আর বন পেরোলেই অনুচ্চ পাহাড়ের শ্রেণী। স্থানীয় ভাষায় ঐ পাহাড়ের নাম উসুল ডুংরি। পাহাড়ের পাদদেশে চড়িদা গ্রামের নিকাশি সমস‍্যা রয়েছে। বর্ষার কারণে চারিদিকে জল জমে রয়েছে। পুকুরের জল কানায় কানায় ভরা আর কুয়োর জলও মাটির লেভেলেই টলমল করছে। হাওয়া আপিস থেকে বৃষ্টিপাতের হিসেব নিলে বোঝা যায়, পুরুলিয়াতে কলকাতার থেকে বেশি বৃষ্টি হয়। কিন্তু বেসিন আকৃতি গঠনের জন‍্য স্বাভাবিক ভাবে কলকাতার জল বেরোনোর উপায় নেই আর ঢালু ভূপ্রকৃতির জন‍্য পুরুলিয়ার জল গড়িয়ে দূরে সমতলের দিকে পালায়। তাই রুখুসুখু হয়ে থাকে। তবে স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে বোঝা গেল যে চড়িদাতে পানীয় জল বা অন‍্যান‍্য প্রয়োজনে জলের অভাব নেই। 

    গ্রামে একটি ছৌ মুখোশের মিউজিয়াম গড়ে উঠেছে দেখলাম। জিজ্ঞাসা করে জানলাম স্থানীয় মুখোশ শিল্পীদের সংগঠন জাদুঘরটির উদ‍্যোক্তা। একটি বাড়ির একতলার বড় ঘরে মিউজিয়াম। দশটাকা দিয়ে ওয়াশরুম ব‍্যবহার করা যায়। পর্যটকদের কাছে এই সুবিধেটুকু অনেক। মিউজিয়াম থেকে মুখোশের ছরকম প্রকারভেদ জানা গেল - ১। বাবু মুখোশ - (কার্তিক, গণেশ, কৃষ্ণ, নারায়ণ, শিবঠাকুর প্রভৃতি দেবতার মুখোশ - এই মুখোশ সুন্দর কমনীয়, কোন দাড়ি গোঁফ থাকেনা।) 
    ২। বীর মুখোশ - (রাবণ, মহিষাসুর, তারকাসুর, শুম্ভ নিশুম্ভ প্রভৃতি রাক্ষস বা অসুরের মুখোশ - এই মুখোশের মোটা পাকানো গোঁফ থাকে। দন্তপাটি বিকশিত আর চোখ থাকে বিস্ফারিত), 
    ৩। নারী মুখোশ (দুর্গা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, সীতা প্রভৃতি দেবী ও সতীর মুখোশ - বাবু মুখোশের তুলনায় এই মুখোশের আকৃতি অনেকটা গোলাকার, থুতনির দিক পানপাতার মতো নামানো। আর বাবু মুখোশের সঙ্গে পার্থক্য দেখা যায় চুলের স্টাইলে।), 
    ৪। ভূত মুখোশ (শিব ঠাকুরের শ্মশান অনুচর, নন্দী ভৃঙ্গী প্রভৃতির মুখোশ - এই মুখোশ ভীষণ দর্শন, দাড়ি গোঁফ দুইই থাকে।), 
    ৫। পশু মুখোশ (বাঘ, সিংহ, বরাহ, মহিষ, বালি, সুগ্রীব, বীর হনুমান প্রভৃতির মুখোশ) 
    ৬। পাখি মুখোশ (পেঁচা, ময়ূর, রাজহংস, বক রাক্ষস, জটায়ু প্রভৃতির মুখোশ) 

    এই মুখোশ তৈরির উপাদান গুলি স্থানীয় ভাবেই সংগ্রহ করেন শিল্পীরা - যেমন পুরোনো সুতির কাপড়, তেঁতুল বীজের গুঁড়ো, কলাপাতার মিহি ছাই, কাগজ, ময়দার আঠা, হলুদ আর খড়িমাটির রং, বার্নিশ ইত‍্যাদি। তবে খবরের কাগজ ব‍্যবহার করা হয় না। এই মুখোশ নির্মাণের পদ্ধতিটি বেশ চমকপ্রদ এবং কাজের অনেকগুলি ধাপ আছে। প্রথমে কাদা মাটিকে মূর্তি গড়ার উপযুক্ত করে তুলতে হয়, তার পর সেই মাটি দিয়ে কাঠের পাটাতনের ওপর মূর্তি তথা ছ্যাঁচা বা ছাঁচ বানাতে হয়। এই ছাঁচগুলি রোদে আধশুকনো করে নিয়ে এর ওপর মিহি ছাই বা পাউডার ছড়িয়ে একে একে আট / দশ পরতে কাগজ চিটানো হয় আঠা দিয়ে। কাগজের ওপর কাদামাটির প্রলেপ দিয়ে তার ওপর টুকরো কাপড়ের আস্তরণ দেওয়া হয়। তারপর আবার কাদামাটি লেপে দেওয়া হয়। মাটি একটু শুকোলে কর্নিকের মতো কাঠের সরঞ্জাম ‘থাপি’ দিয়ে মূর্তির চোখ, নাক, কান ইত্যাদি স্পষ্ট করে চাঁছা করা হয়। আঞ্চলিক ভাষায় এই পদ্ধতিটিকে 'চিকণ করা' বলা হয়। পোড়ামাটির ছাঁচের মধ‍্যে কাগজ আর কাপড়ের পর পর প্রলেপে তৈরি হয় মুখোশের কাঠামো। এই কাজ মূলত পুরুষ শিল্পীরা করেন। কাঠামো তৈরির পর মুখোশ ছাঁচ থেকে বের করে, রং করে সাজানো হয়। বাড়ির মেয়ে বৌরা, কিশোর কিশোরীরা রং তুলি দিয়ে চোখ মুখ, অন‍্যান‍্য সাজসজ্জা এঁকে দেন, তারপর পুঁতি, জরি, চুমকি, ধাতব তার, প্লাস্টিকের ফুল, পাতা, ময়ূর পালক, অন‍্য পাখির পালক, চুল, দাড়ি, গোঁফ ইত‍্যাদি যেখানে যেমন দরকার বসিয়ে এক একটি চরিত্র ফুটিয়ে তোলেন। দক্ষিণ বঙ্গে ঠাকুর গড়ায় মেয়েদের অংশগ্রহণের ব‍্যাপারে যেমন বিধিনিষেধ আছে, এখানে তেমন নেই। যদিও মুখোশ শিল্পীরা আদিবাসী নন, ও বি সি সম্প্রদায় ভুক্ত এবং এঁদের বেশিরভাগেরই পদবী সূত্রধর - তবুও দেবদেবীর বা পৌরাণিক চরিত্রের মুখোশ তৈরিতে মহিলাদের এই সহজ যোগদান আদিবাসী মাতৃতান্ত্রিক সমাজের প্রভাব বলেই মনে হয়। এই সূত্রধর শিল্পীদের আদি নিবাস ছিল বর্ধমানে। স্থানীয় রাজবংশ কোনকালে ঠাকুর গড়ার জন্য বর্ধমান থেকে শিল্পী এনে এখানে বসিয়েছিলেন। আলেকালে ছৌ নাচের চাহিদার প্রভাবে এই শিল্পীরাই মুখোশ তৈরি শুরু করেন। আর চড়িদার মুখোশের জয়যাত্রা শুরু হয়। 
    অন্ধকার নেমে আসাতে সেদিনের মতো কাজের সমাপ্তি ঘোষণা হল। আবার পরের দিন সকালে নতুন উদ‍্যমে কাজ শুরু করতে হবে।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ | ৫০৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2607:fb90:ea0c:cd31:7a6a:9d53:7567:cde4 | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৩৭525118
  • ভালো লাগলো লেখাটা। এত রকম মুখোসের কথা তো জানতামইনা। কিন্তু লেখাটা বোধহয় কিছু অন্য অন্য লেখকদের লেখার সাথে লিংক হয়ে গেছে। একটু দেখবেন নাকি?
  • Sara Man | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২১:০৩525121
  • হ‍্যাঁ KK, চার পর্বে লিখব ভাবছি, অন‍্য লেখাটি লিঙ্ক হয়ে গেছে, ঠিক করতে পারছিনা। আর আমার পরের পর্বটাও এটার সঙ্গে লিঙ্ক হচ্ছে না। 
  • | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২১:২১525126
  • ইন্টারেস্টিং তো। 
     
    আমি বোধয় বুঝতে পেরেছি কোথায় ঘেঁটেছে।  সম্পাদনা করুন এ গিয়ে নামটা গন্তব্য চড়িদা - ১ করে তারপর এরকম ভাবে দিতে হবে। প্রথম পর্বের নাম্বার হল 28058.  এটাই লিঙ্ক করবে।
     
     
    এবার দ্বিতীয়টায় গিয়ে সম্পাদনা করে নামটা গন্তব্য চড়িদা - ২ করে নীচের বাক্স এভাবে ভরতে হবে। 
     
  • Sara Man | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২১:৫৪525128
  • অনেক ধন্যবাদ দময়ন্তীদি। 
  • Sara Man | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২১:৫৫525129
  • চেষ্টা করছি পরের পর্বটা ঠিক ভাবে করার। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন