এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  ভ্রমণ

  • গন্তব্য চড়িদা 

    Sara Man লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ভ্রমণ | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ | ৪৪৫ বার পঠিত
  • পরের দিন সকাল থেকে শুরু হল ঘরে ঘরে গিয়ে প্রশ্নোত্তরের মাধ‍্যমে তথ‍্য সংগ্রহ। সূত্রধরদের বাড়ি আর মুখোশের দোকান একসঙ্গেই রয়েছে। পাশাপাশি ঘেঁষাঘেঁষি বাড়ি। এইধরণের জনপদকে আমরা বলি নিউক্লিয়েটেড সেটলমেন্ট। কিন্তু "চড়িদা কি লাল" গম্ভীর সিং মুঢ়ার বাড়িটা কোথায়? লোকজনকে জিজ্ঞাসা করে খোঁজখবর শুরু করলাম। আর তখনই চোখে ভেসে উঠল আর এক নতুন সত‍্য। সূত্রধরদের বাড়িঘরের পরে চাষজমি। বেশ খানিকটা পরে বনের কাছে আবার একটি ছোট জনপদ, চড়িদার মধ‍্যেই। আগের জনপদটির চেয়ে বন‍্য পরিবেশ, নিরিবিলি। সূত্রধরদের মতো পাকা দালান কোঠা নয়, বরং কাঁচা বাড়ি, লাগোয়া গোয়াল আছে। পথের মোড়ে একটি ছৌ নাচের ক্লাব, আর তার সামনে গম্ভীর সিং মুঢ়ার মূর্তি বসানো। এখানেই মুঢ়া পরিবারগুলির বাস। এঁরা আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষ। সূত্রধরেরা ছৌনাচের মুখোশ তৈরি করেন আর মুঢ়ারা নাচেন। একে অপরের পরিপূরক। কিন্তু বসবাস আলাদা। বাড়ি দেখেই বোঝা যায়, জীবনযাপনেও আকাশ পাতাল পার্থক্য। মনে প্রশ্ন জাগে কেন এই ফারাক? জিজ্ঞাসাবাদ করতে করতে চোখের সামনে থেকে ধীরে ধীরে পর্দা উঠতে থাকে। 
    আদিবাসী সমাজের প্রভাবে পড়শি সমাজে মেয়েদের সম্মান যেমন বেড়েছে, তেমন আবার
    আদিবাসী সমাজে মহিলাদের ওপরে কিছু বিরূপ প্রভাব পড়েছে। শিকার উৎসবে মেয়েদের অংশগ্রহণ চিরকালই বারণ ছিল তবে সমরশিক্ষা বা যুদ্ধে অংশগ্রহণ বারণ ছিলনা। গ্রামের মানুষদের কাছে শুনলাম, বর্তমানে হুল উৎসব পালনের ঘটা বেড়েছে কিন্তু সিধু, কানু, চাঁদ, ভৈরব-এর সঙ্গে উল্লেখ করা হচ্ছে না তাঁদের বোন অসীম সাহসিনী ফুলু, ঝুনুর কথা। এছাড়াও অনাদিবাসী সমাজের অনুকরণে কন্যাপণ-এর বদলে বরপণ, রুপোর বদলে সোনার গয়না - এইসব চালু হয়েছে। অরণ্য মাকে ভুলে অনাদিবাসীদের অনুকরণে গাছ বাঁধানো, গাছ কেটে মন্দির, মূর্তি, প্রণামী, ধর্মব্যবসা, পণ ও বিবাহ-ব্যবসা বাড়ছে। যাই হোক এবার ছৌয়ের প্রসঙ্গে আসা যাক। 
    পথের ধারে মুখোশ বিপণিগুলিতে ছৌনাচের ঐতিহ্যবাহী মুখোশের সংখ্যা কম। বরং দেওয়াল সাজানোর মুখোশের সংখ্যা বেশি। কোনটি নাচের উপযোগী এবং কোনটি ঘরসজ্জার দেখেই বোঝা যায়, কারণ প্রকৃত মুখোশের দুটো চোখ আর নাকের জায়গায় গরম লোহার শিক দিয়ে ফুটো করা হয়, ওয়াল আর্টের জন‍্য তৈরি মুখোশগুলিতে ফুটো থাকেনা। দোকানে মানুষের মুখের আয়তনের মুখোশ কম, বরং ছোট ছোট মিনিয়েচার মুখোশে দোকান ভরা। জরি পুঁতির পরিবর্তে নিওন পেন্টের ব‍্যবহার অনেক বেশি। বজরংবলী থেকে স্পাইডারম্যান- সব চরিত্রই মিনিয়েচার ফর্মে হাজির। বোঝাই যাচ্ছে সব বয়সের ক্রেতার মনপসন্দ জিনিস বানাচ্ছেন মুখোশ শিল্পীরা। এমনকি কুঁড়েঘর, গাছ, গাছের নীচে পূর্ণাবয়ব রাধাকৃষ্ণ সবই আছে। অর্থাৎ শুধু নাচের অর্ডারের ওপরে মুখোশ শিল্পীরা বসে নেই। সারা বছরের বাজারের চাহিদা অনুযায়ী জিনিস বানানো তাঁরা করায়ত্ত করেছেন। নিওন পেন্টের কাজ বেশিদিন ভালো থাকে। উল্টো দিকে পুরোন হলেই জরি চুমকির চমক মরে যায়, খাঁজে খাঁজে ধুলো জমে বেশি। তাই ঐতিহ্যবাহী পণ‍্যগুলি ঘরে বেশিদিন ভালো রাখা মুশকিল হয়ে যায়। 
    আর একটা জিনিস খেয়াল করলাম মুখোশ ছোট হোক বা বড় আগুন দাম। কোনো জরি চুমকি ছাড়া সাদা রঙের ওপরে করা একটি দেড়ফুট উঁচু দুর্গা মূর্তির দাম সাতহাজার টাকা। আর ছৌনাচের মুখোশ চার হাজার টাকা থেকে শুরু - যত সাজ তত দাম বাড়ে পাল্লা দিয়ে। কুড়িবছর আগে যখন এসেছিলাম, মনে পড়ে বড় প‍্যাকিং বাক্স বোঝাই মুখোশ কিনে নিয়ে গিয়েছিলাম সকলকে উপহার দেব বলে - মুখোশের দাম ছিল এতটাই কম।  কিন্তু মুখোশের দাম এত বাড়ল কীকরে? শিল্পীরা বলছেন প্লাস্টিকের ফুল, পাতা, তার, চুমকি, পুঁতি এইসবই আসে কলকাতা থেকে। লকডাউনের পর সব উপকরণের দাম বেড়েছে লাগামছাড়া। তাছাড়া ২০১৮ সালে ছৌয়ের মুখোশ জি আই ট‍্যাগ পাওয়ার পরে আন্তর্জাতিক বাজার পেয়েছে। ঐ বাজারের চাহিদাও দেশীয় বাজারে মুখোশের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। এতে মুখোশ শিল্প যেমন লকডাউনের ধাক্কা স‍রিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে, মুখোশ শিল্পীরাও দুটো পয়সার মুখ দেখতে পেয়েছেন। পুরুলিয়ার বাইরে উড়িষ‍্যার ময়ূরভঞ্জ আর ঝাড়খন্ডের সরাইকেল্লাতেও ছৌনাচ হয়। কিন্তু সেখানে এইধরণের মুখোশের তেমন চল আগে ছিলনা। এখন কিন্তু ঐ দলগুলোও চড়িদা থেকে এসে মুখোশ কিনছে এবং নাচে ব‍্যবহার করছে। কারণ নাচের জমক ঐ বিশাল তিন চার কেজি ওজনের ঝলমলে মুখোশগুলির ব‍্যবহারে অনেকটাই বেড়ে যায়। এটাও মুখোশের চাহিদা আর দাম বাড়ার কারণ। 

    তবে মুখোশ শিল্পের পৌষমাস আসতে চললেও কপাল পুড়েছে নৃত্যশিল্পীদের। এক একটি দলে পোষাকের পিছনেই কয়েক লাখ টাকা খরচ হয়ে যাচ্ছে। আগে পুরুলিয়ার গ্রামে গ্রামে দুই থেকে তিনটি করে নাচের দল থাকত। কিন্তু এখন কয়েকটি গ্রাম মিলিয়ে একটি করে নাচের দল থাকে। আবার শুধু ছৌনাচ নেচে পেট চলেনা। প্রত‍্যেককেই কিছু আলাদা কাজ করে গ্রাসাচ্ছাদন যোগাড় করতে হয়। কেউ করেন চাষাবাদ, কেউ করেন পশুপালন বা পর্যটকদের  ড্রাইভারি। সেই কারণে ছৌ নৃত‍্যশিল্পে আজও পেশাদারিত্ব এলনা। পেশাদার শিল্পী থাকলে নাচেরও উন্নতি হত। যেমন হয়েছিল গম্ভীর সিং মুঢ়ার হাত ধরে। এখন কাহিনীতে নতুনত্ব আসছেনা, মুখোশ ছাড়া বাকি ধুতি ও গায়ের পোশাক মলিন। এক এক সেট পোষাকে বড়জোর তিরিশটি অনুষ্ঠান করা যায়, ছৌনাচের লাফঝাঁপ, ডিগবাজি দিতে দিতে এরপর পোষাকের সেটটি নষ্ট হয়ে যায়। আবার পুরো দলের জন্য কয়েক লাখটাকা খরচ। গাড়ির খরচ কমানোর জন‍্য অনেক সময়ে শিল্পীরা ছোট গাড়িতে মালপত্র বোঝাই করে বায়নার নাচ করতে যান। কিন্তু গাড়ি ওভারলোড হয়ে দুর্ঘটনা হয়েছে, ছৌশিল্পী মারা গেছেন এমন ঘটনাও ঘটেছে। লকডাউনের আগে ছৌনাচের যত বায়না হত সারাবছর, লকডাউনের পরে সেই পরিমাণ বায়না এখনও হচ্ছে না। কারণ সর্বস্তরের মানুষের হাতে টাকা কমে গেছে। তাছাড়া ছৌয়ের মুখোশ এখন অনলাইনেও কিছু বিক্রি হয়, কিন্তু নৃত্যের তো আর অনলাইন হয়না। একথা অস্বীকারের কোন উপায় নেই যে টাকা আর সচ্ছলতা আত্মবিশ্বাস তৈরি করে। টাকার অভাব, সুযোগ সুবিধের অভাব - সব মিলিয়ে ছৌশিল্পীদের আত্মবিশ্বাসের অভাব হয়। অনেক জায়গাতেই মলিন পোষাকের আদিবাসী ছৌশিল্পী প্রাপ‍্য সম্মান পাননা, গ্ল‍্যামার জগতের আলো যা ত়াঁদের প্রাপ‍্য ছিল, তা কোনদিনও জোটেনা। অথচ ছৌনাচ অত‍্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ, অ্যাকশন নির্ভর এই নাচের লাইভ প্রদর্শনে দর্শক মাতোয়ারা হয়ে যায়। 

    উইকিপিডিয়া বলছে, "রাজেশ্বর মিত্রের মতে, তিব্বতী সংস্কৃতির ছাম নৃত্য থেকে ছৌ নাচের উদ্ভব ঘটেছে। ডঃ সুকুমার সেনের মতে শৌভিক বা মুখোশ থেকে নাচটির নামকরণ ছৌ হয়েছে। কুড়মালী ভাষায় ছুয়া বা ছেলে থেকে এই নাচের নামকরণ হয়েছে বলে অনেকে মনে করেন, কারণ ছৌ প্রধানত ছেলেদের নাচ। ডঃ সুধীর করণের মতে ছু-অ শব্দের অর্থ ছলনা ও সং। কোনো কোনো আধুনিক গবেষক মনে করেন, ছৌ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ছায়া থেকে। কিন্তু সীতাকান্ত মহাপাত্র মনে করেন, এই শব্দটি ছাউনি শব্দ থেকে এসেছে।" এই মতের প্রবক্তারা মনে করেন, 
     যুদ্ধের সময়ে সেনা ছাউনিতে সৈন্যদের অবসর বিনোদনের সময় যে যুদ্ধ নৃত্য আনন্দের জোয়ার এনে দিত তাই হল ছৌনাচ। নাকাড়া ও ঢাকের আওয়াজে বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি সহকারে এই নাচকে কৌতুকাবহ করে তোলা হয়। এখন অবশ‍্য ইলেকট্রনিক বাদ‍্যযন্ত্র ব‍্যবহার করা হচ্ছে। রামায়ণ, মহাভারত, পুরাণ ভাগবতের বিভিন্ন কাহিনি এই নাচের মূল বিষয়বস্তু। 
    ১৯৭২ সালে লন্ডনের আন্তর্জাতিক ময়দানে ছৌনাচের পদার্পণ কিন্তু ছিল যথেষ্ট গ্ল‍্যামারাস। যাঁর হাত ধরে ঘটনাটি ঘটে ছিল তিনিই হলেন গম্ভীর সিং মুড়া (জন্ম ১৮ই ফাল্গুন, ১৩৩২/ইং ১৯২৫ - মৃত‍্যু ২৩শা কার্তিক, ১৪০৯/ ইং ২০০২)। ডঃ আশুতোষ ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে ছৌ দলের মধ্যমণি গম্ভীর সিং মুড়ার বীরত্বব্যাঞ্জক নৃত্য প্রদর্শনীর মাধ্যমে রাঢ় মাটির শিল্পভাবনা বিশ্বজনীন হয়ে ওঠে। এক লাফে গম্ভীরের গ্রাম চড়িদাও প্রচারের আলোয় উঠে আসে। তাঁর বাবা জীপা সিং মুঢ়াও নৃত্যশিল্পী ছিলেন। কিন্তু গম্ভীরের একেবারে শৈশবেই পিতৃবিয়োগ হয়, তাই বাবার তালিম তিনি পাননি। তবে যত বড় হলেন নাচের নেশা লেগে যায় গম্ভীরের। বাবার শিষ‍্য মধুভাট রায়ের কাছে নাড়া বাঁধেন। তারপর নিবিড় অনুশীলনে ডুবে নিজেকেই অতিক্রম করতে থাকেন তিনি। জগৎ অবাক হয়ে তাকিয়ে দেখে কীভাবে একক নৃত‍্যে একশ ভল্ট দিচ্ছেন শিল্পী, ফ্রন্ট, রিভার্স দুটোতেই সমান পটু। লোকমুখে এখনও শোনা যায় কংস, মহিষাসুর, রাবণ প্রভৃতি অ্যান্টি হিরোর চরিত্রে কীভাবে গম্ভীরের নাচ ও অভিনয় জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিল। একক কীরাত নৃত‍্যের সময়ে নাকি শরীরের একদিক তিনি যখন কম্পিত করছেন, অন‍্যদিক থাকত স্থির। নাচের সময়ে ঘুঙুরের আওয়াজও তিনি ইচ্ছামতো নিয়ন্ত্রণ ক‍রতে পারতেন। ১৯৮১ সালের ২৮ শে মার্চ গম্ভীরের হাতে পদ্মশ্রী পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রপতি নীলম সঞ্জীব রেড্ডি। ১৯৮২ সালে আসে সঙ্গীত নাটক আকাদেমি পুরষ্কার, গম্ভীর সেবার পুরষ্কার গ্রহণ করেন রাষ্ট্রপতি জ্ঞানী জৈল সিংয়ের হাত থেকে। ১৯৭২ থেকে ১৯৯১ ইংল্যান্ড, হল‍্যান্ড, স্পেন, ফ্রান্স, জাপান, উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন শহর, কোথায় না যাননি গম্ভীর। কিন্তু প্রতিকূল পরিস্থিতি আজ আর একটা গম্ভীরের জন্ম হওয়ার পথে বাধা সৃষ্টি করছে। কৈশোরে গম্ভীর স্থানীয় রাজার পৃষ্ঠপোষকতা পেয়েছিলেন। একজন শিল্পীর বড় হওয়ার পিছনে ভাত কাপড় যোগানোর একটা হাত খুব জরুরী, যেটা আজকের শিল্পীরা পাচ্ছেন না। ছৌনাচ যিনিই সামনে থেকে দেখেছেন, তিনিই বুঝবেন, এ আসলে একধরণের প্রাচীন সিনক্রোনাইজড  জিমন‍্যাসটিকস। কোন আধুনিক প্রযুক্তি ছাড়া ছৌ নৃত‍্যশিল্পীরা কীভাবে এই বিদ‍্যা করায়ত্ব করেন সে এক বিস্ময়। 
     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ | ৪৪৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 2607:fb90:ea0c:cd31:7a6a:9d53:7567:cde4 | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২০:৪৩525119
  • ওহো, এই তো দ্বিতীয় পর্ব। টই এর সূচীপত্রে দেখে ঠিক বুঝতে পারিনি। শিরোনামে একটু পর্বগুলো লিখে দিলে সুবিধা হয়। লেখাটা ভালো লাগছে। ইন্টারেস্টিং লাগছে।
  • Sara Man | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২১:১৪525123
  • ধন‍্যবাদ KK। আমি গুরুর অ্যাডমিনের শরণাপন্ন হয়েছি, লিঙ্কটা ঠিক করার জন্য। 
  • গুরুর রোবট ১৭ | 165.1.172.197 | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২১:১৫525124
  • ঠিক করে দিলাম। মাস্টার টপিক নং হবে 28508।
  • Sara Man | ২৪ অক্টোবর ২০২৩ ২১:১৬525125
  • অনেক ধন‍্যবাদ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে মতামত দিন