এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  গপ্পো

  • আগস্টের সন্ধ্যা - ২

    Nirmalya Nag লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | গপ্পো | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৯৪০ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  •  
     

    মূল ছবিঃ ডেভিড ম্যাকেচান, পেক্সেলস 
     
     [দুই]
     
    হুড়মুড়িয়ে বাস থেকে নামলাম। সাবওয়ে দিয়ে ভিআইপি রোড পেরিয়ে ওপারে যেতে হবে। আমার বেশ টেনশন হচ্ছে, হার্টবিট বেড়ে গেছে মনে হচ্ছে, পেটটাও গুড়গুড় করছে। তিনজনে দৌড়ে মাটির তলা দিয়ে গিয়ে ওপারে উঠে এলাম।
     
    বাঙুর এভিনিউ। ভিআইপি রোডের লাগোয়া খালের ওপর একটা কালভার্ট। সেটা পেরিয়ে চওড়া রাস্তা চলে গেছে যশোর রোডের দিকে। সন্ধ্যা হয়ে এল। রাস্তার, দোকানপাটের আলো জ্বলে গেছে। কালভার্টটা পেরিয়ে ডানদিকে রিক্সা স্ট্যান্ড, একটা স্কুলও। আর বাঁদিকে একটা ব্যাংক। অভিষেকের দাঁড়ানোর কথা ছিল ব্যাংকের সামনে। নেই। ও কি আন্টিকে ফলো করছে?  কিন্তু আন্টি হেঁটে গেলে ও বাইক নিয়ে ফলো করবে কী করে? আর যদি হেঁটেই যায়, তাহলে বাইক রাখল কোথায়?
     
    "ফোন করব অভিষেককে?" ফিসফিসিয়ে জিজ্ঞেস করলাম।
    "কর," তৃষা বলল।
    ফোন করলাম। কানেকশন হচ্ছে না। চারদিকে লোকজন হেঁটে, গাড়িতে, টু-হুইলারে, রিক্সায় যে যার কাজে চলেছে। এদিকে যে সাংঘাতিক কান্ড ঘটে যাচ্ছে কেউ কি টের পাচ্ছে? ট্রাফিকের শব্দ, রিক্সার হর্ন... এই তো অভিষেকের ফোন বাজছে। নাহ, বেজে বেজে থেমে গেল।
    "ধরল না?" খোঁচার কথায় মাথা নাড়লাম।
    "সাইলেন্ট থাকতে পারে," তৃষা বলল, "রিং ব্যাক করবে নিশ্চয়। ততক্ষণ চ এগোই।"
     
    ব্যাংকের গা দিয়ে একটা গলি ঢুকেছে। তেমন লোক চলাচল নেই। আমরা কয়েক পা এগিয়েই তৃষা থেমে গেল। "বেশি ভেতরে না যাওয়াই ভাল। অভিষেকের ফোন এসে গেলে প্রবলেম হবে, যদি ভুল গলি হয়।"
     
    আমরা ফের মেন রাস্তায় ফিরে এলাম। ব্যাংকটাকে পাশে রেখে এগোলাম ধীরে ধীরে। একটু দূরেই একটা মিষ্টির দোকান, তার আগেই আর একটা গলি। তার গায়ে একটা বাড়ি, বিয়ে টিয়ে উপলক্ষে ভাড়া দেওয়া হয়। তবে এখন কোনও অনুষ্ঠান হচ্ছে না। আন্টি কোথায়? অভিষেকই বা গেল কোন চুলোয়?
     
    "ওই দেখ।" খোঁচা গলির ভেতরের দিকে আঙুল তুলেছে। আমার বুকটা ধ্বক করে উঠল, ভাবলাম নির্ঘাত আন্টি দাঁড়িয়ে আছেন। কিন্তু চেনা কাউকে দেখলাম না।
    "কে?"
    "ওই দেখ না," এবার দেখতে পেলাম। অনুষ্ঠান বাড়ির দরজার পাশেই একটা বাইক রাখা। অভিষেকের বাইকটা। তৃষা এগোল, আমরাও। বুক ঢিপঢিপ করছে আমার, আর তার মধ্যেই বুকপকেট থেকে ক্যাড়ক্যাড় করে শব্দ। ফোন বেজেছে -- অভিষেক।
    "কোথায় তোরা?"
    "এই তো তোর বাইকের সামনে।"
    "গলি ধরে এগিয়ে আয়। আমিও আসছি।"
    "এগোতে বলল," ওদেরকে বললাম। তারপর নিজেই এগিয়ে গেলাম সবার আগে। অভিষেকের ফোনটা আমার সাহস বাড়িয়ে দিয়েছে।
     
    সূর্য পুরো ডুবে গেছে, গলিটাতেও তেমন জোরালো আলো নেই। এ গলিটা আগেরটার চেয়ে চওড়া, তবে বাঁদিকে গাড়ি পার্ক করা থাকায় একটু সরু হয়ে গেছে। দুদিকে ফ্ল্যাটবাড়ি, তাদেরই কোনও একটা থেকে জুড়ুয়া-টু-র "ট্যান ট্যানা ট্যান ট্যান ট্যান তারা" গানটা গাঁকগাঁক করে বাজছে। ঠান্ডা হাওয়া দিচ্ছে, কাছেই কোথাও বৃষ্টি হয়েছে মনে হয়। হঠাৎ দেখি অভিষেক আসছে, চোখ যথারীতি মোবাইলে, ঠোঁট সিগারেটে।
    "কী রে, কী হল?" জিজ্ঞেস করলাম।
     
    যেটা জানা গেল তা এই রকম -- তেঘরিয়া থেকে বাইকে করে এসে সরাসরি বাঙুরে ঢোকা যায় না। লেকটাউনে ইউ-টার্ন নিয়ে আসতে হয়। ওই ভাবে এসে ব্যাংকের সামনে বাইক দাঁড় করিয়ে ও সিগারেট ধরিয়েছিল। হঠাৎ দেখে আন্টি সামনে দিয়ে চলে গেলেন। রিফ্লেক্সে ও সিগারেট লুকিয়েছে। আণ্টি ওকে দেখেছেন কি না ও জানে না। খোঁচাকে ফোন করতে করতে দেখে আন্টি এই গলিতে ঢুকলেন। মিনিট খানেক অপেক্ষা করে ও বাইক ঠেলে গলির মুখে আসে, দেখে কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে উনি এক ভদ্রলোকের সঙ্গে কথা বলছেন। অভিষেক একটু আড়াল নেয়। সেই সময়েই নাকি আমি ফোন করেছিলাম। একটু পরে দেখে ভদ্রলোক মেন রাস্তায় চলে গেলেন। আন্টিকে একটা পার্কে ঢুকতে দেখেছে ও। কিন্তু পার্কের ভেতরে গিয়ে আর দেখতে পায়নি।
     
    "পাবি কী করে? শালা নির্ঘাত মোবাইল দেখছিলি,” আমার রাগ হল।
    তৃষা বলল, "চ পার্কটা দেখি।"
     
    নামেই পার্ক, আসলে একটা পুঁচকে বাঁধানো লেক ঘিরে হাঁটার জায়গা। লেকের জলে লাল-নীল আলো জ্বলছে। মাঠ-টাঠ নেই, তবে গাছপালা আছে, আর রয়েছে অনেক বসার জায়গা। কয়েক জন বসেও আছে, বেশিরভাগই বয়স্ক। তিন জোড়া প্রেমিক-প্রেমিকাও রয়েছে। কিছু লোক হনহনিয়ে হাঁটছে। বাচ্চাদের নিয়ে মা-রা এসেছে। টিপ টিপ করে বৃষ্টি শুরু হল। আমরা তার মধ্যেই পার্কটা এক পাক ঘুরে এলাম। পার্কে দুটো গেট, দুটোর মুখেই অদ্ভুত গণেশমূর্তি। কিন্তু যাকে খুঁজতে আসা, তাঁর দেখা নেই।
     
    "এখান দিয়ে বেরিয়ে গেছেন মনে হয়।" সামনের গেটটা দেখিয়ে বলল অভিষেক। আমরা যে গেট দিয়ে ঢুকেছি, এটা তার ঠিক উল্টো দিকে।
    আমরা সে গেটটা দিয়ে বেরিয়ে একটা রাস্তায় এসে পড়লাম। পার্কের বাউণ্ডারি ওয়াল ঘেঁষে কয়েকটা গাড়ি আর মোটরবাইক দাঁড় করানো। সামনের বাড়িগুলোর মধ্যে দেখলাম ডাক্তারের চেম্বার, প্রাইভেটে পড়ানোর জায়গা, একটা বড়সড় পান-সিগারেটের দোকান। বৃষ্টিটা একটু বাড়ল দেখে আমরা পানের দোকানটার শেডের নিচে আশ্রয় নিলাম। এর পর কী করব কিছুই বুঝছি না।
     
    "চার জন আলাদা হয়ে খুঁজতে হবে, এক সাথে না," খোঁচা বলল। বলে একটু সরে দাঁড়াল, দোকানে আসা এক ভদ্রলোককে জায়গা করে দিতে। বছর ৫৫-র ভদ্রলোকের গায়ে ব্রাইট নীল রঙের শার্ট আর ফেডেড জিন্স, স্পোর্টস জুতোটা বেশ নামী কোম্পানির। পান কিনে ভদ্রলোক দোকান থেকে বেরিয়ে গেলেন।
    "সেই লোকটা," অভিষেক ফিসফিস করে বলল।
    "কোন লোকটা?" তিন জন প্রায় এক সঙ্গে জিজ্ঞেস করলাম।
    "আন্টির সঙ্গে যে লোকটা কথা বলছিল।"
    "তুই সিওর?" বলল তৃষা।
    "তাই তো মনে হচ্ছে, এই রকম ব্লু শার্টই ছিল ওনার গায়ে, প্যান্টটাও তো সে রকমই।"
    ভদ্রলোক হেঁটে যাচ্ছেন সামনে। একটা তিন তলা সাদা বাড়ির গায়ে একটা গ্যারাজ, সেখানেই ঢুকে গেলেন।
     
    "চল," বলে বৃষ্টির মধ্যেই বেরিয়ে পড়ল খোঁচা। পিছন পিছন আমরাও। পার্কের গেটটা বাঁহাতে রেখে দু পা যেতেই ডানদিকে গ্যারাজের দরজা চোখে পড়ল। ফোল্ডিং মেটাল গেট - পাশের দিকে ভাঁজ হয়ে খোলে। খোঁচা ওদিকে এগোল। গেটের ওপরে একটা শেড, সেটার নিচে দাঁড়িয়ে খোঁচা ইসারায় ডাকল আমাদের।
    ভয় লাগছে বেশ, তবু গিয়ে ওর পাশে গিয়ে শেডের নিচে দাঁড়ালাম, অন্যরাও। গেটের ভিতরের দিকে মাথার ওপরে পুরোটাই শেড দেওয়া, বাইরের আলো না ঢোকায় অন্ধকার হয়ে আছে। একটা হালকা আলোর ছটা বাড়ির ভেতর থেকে আসছে। গেটটায় সামান্য ফাঁক। একটা হন্ডা সিটি গাড়ি দাঁড়িয়ে। একটা পুরনো লেডিস সাইকেলও দেওয়ালে ঠেশ দেওয়া আছে। ভেতর থেকে আবছা কথাবার্তা ভেসে এলেও বোঝা যাচ্ছে না। গেটের দুই পাল্লার ফাঁকটা এমনই যে বেশি কিছু দেখা যাচ্ছে না। হঠাৎ দেখি খোঁচা গেটের ফাঁকে মাথা গলিয়ে ভেতরটা দেখার চেষ্টা করছে। শালা করে কী! টের পেলে তো পিটিয়ে ভূত বানিয়ে দেবে! খোঁচাকে টেনে সরাতে যাব, ওর মাথাটা দড়াম করে ঠুকে গেল গেটের পাল্লা দুটোয়। লোহার গেট খ্যানখ্যান করে বেজে উঠল, সেই সঙ্গে খোঁচা 'উফফফ' করে আর্তনাদ করে উঠল।
     
    কেলো করেছে! কী হবে এবার! অভিষেক আর তৃষা প্রচন্ড ক্ষার খেয়ে আমার দিকে তাকিয়ে। খোঁচা মাথায় হাত চেপে বসে পড়েছে। ভেতর থেকে শব্দ পাচ্ছি কেউ এদিকে আসছে। গ্যারাজের গাড়িটার মাথার ওপর আলো জ্বলে উঠলো। গেটটা পুরো খুলে বেরিয়ে এলেন সেই পান কেনা ভদ্রলোক। "কেয়া বাত হ্যায় ভাই?"
     "বারিষকে লিয়ে ইঁহা রোখা থা আঙ্কল। অচানক লাগ গয়া উসকো," বলল তৃষা। ব্যাগ থেকে বোতল বার করে খোঁচার মাথায় জলের ঝাপটা দিতে লাগল।
     "কী হয়েছে" বলে এবার যিনি ভেতর থেকে এলেন তাঁকে আমরা সবাই চিনি। "একি! তৃষা না!... তোমরাও আছ! এখানে কী করছ সবাই?" জিজ্ঞেস করলেন আন্টি। (ক্রমশঃ)
     
    (সানন্দা ২ আগস্ট ২০১৯ সংখ্যায় প্রকাশিত)

    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ধারাবাহিক | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ | ৯৪০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পলিটিশিয়ান | 2603:8001:b102:14fa:fbe:d950:9833:9a3a | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:১২523193
  • উফ! একেবারে নখ কামড়ানো উত্তেজনা। তারপর?
  • | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২২:৪৪523217
  • দিব্বি টানটান
  • Ranjan Roy | ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ২৩:১৬523223
  • একেবারে  ধক ধক করনে লগা!
     
  • :|: | 174.251.162.88 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৩:৩২523228
  • আন্টি নিশ্চয়ই ওখানে বিনা বেতনে গরীব মানুষদের পড়াতে বা কোনও সেবা কাজ করতে যান। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ০৪:২৮523231
  • বা কোনো অনাথ-আশ্রমের শিশুদের পড়ানো বা অন্য কোনো সেবামূলক কাজ করতে যান।
  • Nirmalya Nag | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩ ১৬:৩৫523261
  • সবাইকে অনেক ধন্যবাদ। দেখা যাক আন্টি কেন ওখানে যান। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে মতামত দিন