এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ভ্রমণ  দেখেছি পথে যেতে

  • সান্দাকফু- পথ চলার গল্প - ৩

    সুদীপ্ত লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | দেখেছি পথে যেতে | ১১ জানুয়ারি ২০২৩ | ২৭৭ বার পঠিত
  • সকাল ৬ টায় উঠে দেখি বাইরে ততক্ষণে রোদ উঠে গেছে বেশ, আলোয় আলোকময় চারদিক! তার সঙ্গে ভয়ানক ঠান্ডা, সুতরাং স্নানের প্রশ্ন-ই নেই। তখন কি আর জানি যে পরের তিন দিন হাতে জল দিলেও ইলেকট্রিক শকের অনুভূতি হবে, স্নান তো দূর অস্ত! ফুলহাতা টিশার্টের উপর একটা হালকা উইন্ড চিটার চাপিয়ে নিলাম, কারণ যতই ঠান্ডা থাক বাইরে, ছোটোখাটো ট্রেকের অভিজ্ঞতা থেকে জানি যে এরপরেই পাহাড়ে ওঠা শুরু হলে গরম হবেই আর রোদ-ও বেরিয়েছে বেশ তেড়ে-ফুঁড়ে। এখানে বলে দিই, আমরা আসার দিন পনেরো আগে থেকে আবহাওয়ার খবর রাখছিলাম সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের, তাতে মোটামুট সব দিন-ই দেখাচ্ছিল মেঘলা আকাশ, বৃষ্টি ইত্যাদি। এবার আমরা রেনকোট আনিনি, এনেছি পঞ্চো, যেটা ঝটপট গলিয়ে নেওয়ার সুবিধে আর সেটা পিঠের ব্যাগ সমেত। এই পঞ্চো আমরা প্রথম পরেছিলাম ভেগাস থেকে গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন যাওয়ার পথে। সাউথ রিম পৌঁছনোর কিছু আগে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সেন্টারে পৌঁছে দেখি অঝোর বৃষ্টি, বৃষ্টিতে যাতে বেড়ানো মাটি না হয়, আমরা ঐ ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সেন্টারেই স্টোরে রেনকোট খুঁজতে গিয়ে এই জিনিসটা দেখি, বেশ ইউনিক আর খুব-ই সহজে ব্যবহার-যোগ্য, উপরন্তু একেবারেই হালকা (এর আগে পঞ্চোর কথা পড়েছিলাম শুকতারায় অনিল ভৌমিকের ফ্রান্সিসের গল্পে - ফ্রান্সিসরা মাঝে মধ্যেই ঘাসের তৈরী পঞ্চো পরত)। আমাদের সবার মিলিয়ে তিনটে বড় রুকস্যাক, সেগুলো পোর্টারকে দেওয়া হবে, ওজন (সর্বোচ্চ ৯ কেজি বা তার কম, পরে দেখেছিলাম বড় ট্রেকিং কোম্পানি-গুলোও এরকম-ই ওজন নির্দিষ্ট করে দেয়) আর পিঠে নেওয়ার সুবিধের ক্ষেত্রে আমরা সতর্ক ছিলাম, যাতে পোর্টারদের-ও কোনো অসুবিধে না হয়। ব্যাগ-পত্র গুছিয়ে সবাই মিলে নীচে নেমে ব্রেকফাস্ট করে নিলাম, পাহাড়ে হাঁটা-চলা থাকলে, পুরি বা কোন তেলের জিনিস সযত্নে এড়িয়ে চলি, সুতরাং ম্যাগি আর কফি শেষ করে বেরিয়ে দেখি নিত্যম আর তার দল হাজির। আমরাও দেরী না করে বেরিয়ে পড়লাম। শ’খানেক মিটার এগিয়ে রাস্তার ডানপাশে ভিজিটর সেন্টার, সেখানে কাগজপত্র যাচাই করে গাইডের পাস দেখে আমাদের সিঙ্গালিলা জাতীয় উদ্যানের পারমিট দেবে, যে কদিন আমরা থাকব এই এলাকায়। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখি, সব ভোঁ-ভাঁ! লোক-জন নেই, ভেতরে একটা ঝাঁকড়া লোমওলা কুকুর গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে। নিত্যম আর তার সঙ্গীরা হাঁকডাক জুড়ে দিল, আমরাও সেই ফাঁকে একটু ছবি তুলে নিলাম। ভিজিটর সেন্টারের ঠিক বাঁদিক থেকে একটা রাস্তা সোজা উপরে উঠে গেছে, আমরা ভেবেছিলাম ওটা কোনো বাইপাস হবে। পরে শুনি ওটাই চিত্রে যাওয়ার রাস্তা আর আমাদের ট্রেক শুরু ওখান থেকেই! রাস্তার খাড়াই দেখে তো আমরা থ! এই ষাট ডিগ্রি নতির খাড়াই রাস্তা উঠতে হবে! এবার একেবারে মোক্ষম ‘চোলায় চোলায় বাজবে জোয়ের বেরী’! ইতিমধ্যে নিত্যম ভিজিটর সেন্টারের কাউকে খুঁজে না পেয়ে শেষে ঠিক করল সব পারমিট পরে টুমলিং চেকপোস্টে পরের দিন হবে, আপাততঃ টোংলু যাওয়া যাক।
     
    চিত্রের পথে - লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট


    বড় করে শ্বাস নিয়ে আমরা শুরু করলাম সেই চড়াই ভাঙা। মানেভঞ্জং থেকে চিত্রে মোটামুটি তিন থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তা। গড়পড়তা দেড় থেকে দু’ঘন্টা লাগবে শুনলাম। চিত্রে অবধি এই রাস্তার শো-স্টপার প্রার্থনা, শুরুতে সেই যে একবার ওঠা শুরু করল, আমরা বাঁক ঘুরেও আর দেখতে পাই না, চলছে তো চলছে। আমরা একবারে দুটো করে বাঁক পার হয়ে দশ সেকেন্ড দাঁড়িয়ে আবার চলছি। যেহেতু সবে হাঁটা শুরু করেছি, প্রথমদিকটা একটু কষ্ট থাকবে কারণ হাত-পা তখনো সচল হয়নি ভালো করে। প্রথম দুটো বাঁক নেওয়ার পরে রাস্তা ঘিরে ওক, ফার্ণ আর বাঁশের ঝাড়, নানা ধরণের অর্কিড আর রডোডেনড্রনের জঙ্গল শুরু হল, ছায়া ঘেরা রাস্তা আর সকালের দিকে গাড়ি কম থাকায়, ঐ চড়াই-টুকু বাদ দিলে বেশ ভালোই লাগছিল। রাস্তার উপরে গাছের ফাঁক দিয়ে আসা রোদ আর ছায়ার কাটাকুটি দেখতে দেখতে চলেছি। ইতিমধ্যে আমাদের আগে-পেছনে আর-ও দুটো ট্রেকার-দের দল চলেছে। কখনো তারা আগে এগিয়ে যাচ্ছে, আবার কিছুক্ষণ পর রাস্তায় তাদের বিশ্রাম নিতে দেখে আমরা এগিয়ে চলেছি। দু-এক জায়গায় দাঁড়িয়ে ছবিও তোলা হল কিছু। প্রায় পৌনে দু’ঘণ্টা বাদে পাহাড়ের শেষ মাথা দেখা গেল, মানে রাস্তা এবার অন্য কোনো পাহাড়ে মোড় নেবে, সুতরাং চিত্রে এসে গেছি প্রায়! দুটো বাঁক ঘুরতেই সামনে দেখি চিত্রে মনাস্টেরির গেট, যাক প্রথম লক্ষ্য সফল তবে! আরও অবাক, এমন চড়াই ভেঙেও তেমন কিছুই ক্লান্ত হই নি আমরা, যাক, মাস তিন-চারের প্রস্তুতি কাজে লেগেছে তবে।
     
    চিত্রে মনাস্টেরির গেট আর পিছনে মনাস্টেরি


    চিত্রের উচ্চতা প্রায় আট হাজার তিনশো ফুট।  চিত্রের মনাস্টেরিটা ছোটোখাটো, কিন্তু এটা পাহাড়ের মাথায় একটা ছোট ভ্যালির উপর দাঁড়িয়ে, যেটা খুবই সুন্দর। মনাস্টেরির পিছন দিকটায় ভ্যালির যে প্রান্তেই গিয়ে দাঁড়াই, দূরে শুধু সবুজ পাহাড়ের সারি চোখে পড়ে, একটা-দুটো বরফের চূড়াও বাদ যায় না। ভ্যালি জুড়ে সবুজ ঘাস আর মাঝে মধ্যে ফুলের ঝোপ। আশেপাশে মনাস্টেরির গাঁ ঘেঁষে কিছু ঘর-বাড়ি। তার একটার উঠোনে দেখি এক দাজু বেশ জমিয়ে বসেছে টুলের ওপর রোদে পিঠ দিয়ে, আর তার দাজুনী কাঁচি-চিরুনি নিয়ে তার চুল কেটে দিচ্ছে! চোখাচুখি হতেই দুজনে হেসেই খুন, প্রায় সব দম্পতির কোভিড-কালের এই এক পাওয়া। আমরাও একে অপরের দিকে চেয়ে হাসি। একটু এগিয়ে এসে আমরা এখানে বসার আয়োজন করলাম ভ্যালির উপর পড়ে থাকা কিছু পাথরের উপর। সঙ্গে আনা চকোলেট কিছু খাওয়া গেল। মিনিট দশেক যেতে না যেতেই গাঁক গাঁক করে একটা ল্যান্ড রোভার ধুলো উড়িয়ে, ডিজেলের গন্ধে ভরিয়ে চারিদিকের নিরিবিলিকে ধ্বংস করে দিয়ে সোজা নীচের রাস্তা ছেড়ে ভ্যালির উপর উঠে এল। তিন-চারজন নেমে পড়ে লোকেশন দেখে নিয়ে মুভি ক্যামেরা বার করে নিল। একটি মেয়ে, বুঝলাম সে মডেল, নেমে এসে ফটোশুট শুরু করে দিল আর তার সঙ্গী-সাথীদের হৈ-চৈ একেবারে তিতিবিরক্ত করে ছাড়ল। আমরা অগত্যা এগিয়ে চলাই শ্রেয় মনে করলাম।

    তাহাদের কথা


    অনেক দূরে পাহাড়ের গায়ে সুখিয়াপোখরি আর দার্জিলিং


    যতদূরে চোখ যায়! 


    আমাদের পরের গন্তব্য লামেধুরা বা লামাধুরা হয়ে মেঘমা। চিত্রে থেকে বেরিয়ে একটা মেঠো পথ খাড়া উপরে উঠে গেছে, পায়ে চলা পথ, দুপাশ সবুজ ঘাসে ছেয়ে আছে, মনে হল যেন এই ঘাসের গদিতেই শুয়ে পড়ি! আকাশের নীলে সবুজ উপত্যকা এমনভাবে মিশে গেছে, দেখলে মরীচিকা বলে ভ্রম হয়! এত নীল, এত সবুজ আর এত আলোয় ভরে আছে চারদিক! পথের ধারে বুনো ফুল ফুটে রয়েছে জায়গায় জায়গায়, অনেক দূরে পাহাড়ের গায়ে লেগে থাকা দু-চারটে বাড়ি-ঘর, চতুর্দিক কেমন নির্জন, শান্ত, শুধু পাখির ডাক ইতি-উতি। স্বপ্নেও বুঝি কখনো এমন পথে হাঁটার সু্যোগ আসেনি, মাথাতেই বা আসবে কি করে, এমন-ও হয়! এই পথটা শেষ হতে উপরে এসে দেখি গাড়ির রাস্তা, সেটা পার হয়ে আবার ঐ মাঠ-জঙ্গলের মাটির রাস্তা ধরলাম। দু-তিন কিলোমিটার এভাবে চলার পর, নীচে থেকে হু হু করে হঠাৎ মেঘ উঠে আসতে শুরু করল। প্রথমে খানিক ছেঁড়া ছেঁড়া মেঘ, তারপর ঘন মেঘের আস্তরণ, এমন অবস্থা দাঁড়াল, দু-হাত দূরেও দেখা যায় না কাউকে। আমরা একে অন্যের কাছাকাছি চলতে থাকলাম। কিছুক্ষণ পর মেঘ একটু পাতলা হল, দেখি আমরা একটা রডোডেনড্রনের জঙ্গল পার হচ্ছি, ফুল নেই যদিও এই সময়, তবে সবুজের অন্ত নেই, অলি-গলি পথে চলেছি আমরা, কখনো টুকটাক গল্প, কখনো শুধুই প্রকৃতির শোভায় মুগ্ধ বিমূঢ় হয়ে পথ চলা!
     
    ঐ যে দূরে লামেধুরা


    হঠাৎই পাহাড়ের উপর থেকে সটান আবার নীচে নামা শুরু হল ঘাসজমি বেয়ে। দূর থেকে কিছু ঘরের লাল-সবুজ চালা দেখা গেল। নামার সময় দেখি পাশ থেকে উঠে আসা গাড়ির রাস্তা দিয়ে বেশ কিছু ট্রেকারও আসছে। তারা তো আমাদের ঐভাবে উপর থেকে নামতে দেখে অবাক! এসে পৌঁছোলাম লামেধুরা-তে। খুব ছোটো একটা গ্রাম, দু-চার ঘর বসতি চোখে পড়ল, দু-তিনটে চা-কফির দোকান, ব্যস। কফি আর রোহিতের আনা নিমকি-গজা দিয়ে এনার্জি বাড়িয়ে নেওয়া হল। একটা ল্যান্ড্রোভার-ও এসে থামল ইতিমধ্যে, আবার হৈ হৈ, চিৎকার, তারস্বরে (যেটা আস্তে বললেও চলে) একে অপরকে প্রশ্ন করা ‘তুই ম্যাগি নিবি, আমি বাবা মোমো নেব অথবা চা না কফি, চিনি ছাড়া? ক’চামচ, মাফলার, জ্যাকেটের খোঁজ’ ইত্যাদি প্রভৃতি। আপত্তি কিছু নেই, শুধু মনের মুগ্ধতার রেশটায় ছেদ পড়ে গেল। উঠে পড়লাম আবার, এবং আবার গাড়ির রাস্তা ছেড়ে মেঠো পথে নামলাম মেঘমার উদ্দেশ্যে।
     
    নীচে গাড়ির রাস্তা - মেঘমার পথে


    তবে মেঠো পথ মাটির নয়, শুধুই নরম ঘাসের পথ। এক জায়গায় হঠাৎ জঙ্গলের মাঝে ছোট্টো একটা জলাশয়, এই অঞ্চলের মানুষ এখানে কিছু পুজো ইত্যাদি করে রেখেছে দেখলাম, কিছু প্রেয়ার ফ্ল্যাগ ঝুলছে এদিক-ওদিক। এত সুন্দর হয়ে উঠেছে জায়গাটা, একটা জলাশয়-কে কেন্দ্র করে, মেঘ আর কুয়াশা তো আছেই, আর আছে আদিগন্ত সবুজ। ছবি তোলা হল বেশ কিছু, এগোতে থাকলাম পাহাড়ের গায়ে গায়ে আঁকা বাঁকা পথে। মেঘমা – কে যে রেখেছিল এই নাম, সার্থক! শুধুই মেঘেদের ওড়াউড়ি এই ছোট্টো পাহাড়ি গ্রামকে ঘিরে, কখনো সাদা চাদরে মুড়ে ফেলে, আবার পরক্ষণেই উঁকি দেয়, মেঘ আর কুয়াশার লুকোচুরি চলতেই থাকে। মেঘমা পৌঁছনোর ঠিক মুহূর্তে একরাশ মেঘ যেন দৌড়ে এলো কোথা থেকে আমাদের অভ্যর্থনা জানাতে!
     
    এই সেই বনস্থল-মধ্যবর্তী জলাশয় 

     
    মেঘমা - ছুটে আসা মেঘেদের অভ্যর্থনা - মেঘপিওনের ব্যাগের ভেতর মন-খুশীর দিস্তাও থাকে বৈকি! 

     
    আমরা তো অবাক! মেঘ সরে গেলে নেমে এসে সামনেই পেলাম মেঘমা মনাস্টেরি, বহু পুরনো, বেশ কিছু চোর্তেন-ও রয়েছে। আর বেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। আমরা মনাস্টেরি ঘুরে এখানেই দুপুরের খাওয়াটা সেরে নেব ঠিক করলাম। ঘড়িতে প্রায় দুটো। মোমো, ম্যাগি আর কফি, কুয়াশা-ঘেরা ঠান্ডায় দোকানের ঘেরাটোপে বসে খেয়ে নেওয়া গেল। পরের গন্তব্য টোংলু।
  • ভ্রমণ | ১১ জানুয়ারি ২০২৩ | ২৭৭ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১১ জানুয়ারি ২০২৩ ২১:৪৬515166
  • আহা আহা। 
    ওরে পঞ্চো বা পঞ্চু মেয়েরা পরে লাশ্মিরী কাজের, শীতের দিনে। রেনপঞ্চু অবশ্য ভাল আইডিয়া।
  • | ১২ জানুয়ারি ২০২৩ ০৮:৩০515187
  • *কাশ্মিরী কাজের
  • সুদীপ্ত | ১২ জানুয়ারি ২০২৩ ০৯:২৮515188
  • দমদি, এটা জানতাম না; পঞ্চো, বা রেনপঞ্চো (নামটা দারুণ হয়েছে) কিন্তু এখন বেশ পপুলার। 
     
    দীপাঞ্জন - হ্যাঁ দেখা যাক, আশা করি শেষ করতে পারব, লিখতে লিখতে মনে হচ্ছে আর একবার ঐ পথে হেঁটে চলেছি, পড়তে থাকুন।
  • Nirmalya Nag | ১২ জানুয়ারি ২০২৩ ২৩:৪৫515212
  • উত্তরে থেকে ট্রেক শুরু করে চিত্রে পৌঁছবার পর দলের এক জন বলেছিলেন ওই হণ্টনের পর সবাই নাকি "চিৎ রে" বলে চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ে। তাই ওই নাম।
  • সুদীপ্ত | ১৩ জানুয়ারি ২০২৩ ১৭:১৩515238
  • নির্মাল্য - উত্তরে থেকে চিত্রে? হিলে, বার্সে হয়ে গিয়েছিলেন? অফবিট ট্রেকিং রুট, তাই জানতে চাইছি, ভবিষ্যতে যদি যাই।
  • Nirmalya Nag | ১৩ জানুয়ারি ২০২৩ ২৩:৪৯515252
  • হ্যাঁ, বার্সে দিয়ে গেছিলাম। তবে হিলে পেয়েছিলাম কি না মনে পড়ছে না। আমরা লক্ষ্য ছিল ফোকতেদাড়া - উত্তরে - চিত্রে - কালিঝার হয়ে। তবে খারাপ আবহাওয়ার জন্য কালিঝার থেকেই নেমে এসেছিলাম। এই গেটটা ছিল আমাদের পথে - উত্তরে আর চিত্রের মাঝামাঝি একটা জায়গায়। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:b96b:1e11:235:be92 | ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ ০৭:২২515266
  • দারুণ, দারুণ এবং দারুণ 
    আমায় ৩৬ বছর আগে ১৯৮৬ তে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে এই লেখা। সত্যি, পাহাড়, জঙ্গলে পথ চলা, ঘোরাঘুরির কোন বিকল্প নেই 
    ধন্যবাদ, সুদীপ্ত 
  • সুদীপ্ত | ১৪ জানুয়ারি ২০২৩ ২৩:৫১515322
  • থ্যাঙ্কু অরণ্যদা! শুনে খুব ভালো লাগল! এই লেখাটা আমাকেও আর একবার মানসভ্রমণ করাচ্ছে ঐ পথে,চোখ বন্ধ করলেই যেন ভেসে উঠছে ছবিগুলো! 
  • সুদীপ্ত | ১৫ জানুয়ারি ২০২৩ ০০:২০515323
  • ধন্যবাদ নির্মাল্য - জেনে রাখলাম এই রুট-টা! 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন