এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  পর্যালোচনা (রিভিউ)  সিনেমা

  • সিনেমার নাম কলা, ইংরিজিতে QALA

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    পর্যালোচনা (রিভিউ) | সিনেমা | ১১ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৮৬৯ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৪ জন)
  • এই ফুটবলের বাজারে আমি লোভে পড়ে একটা সিনেমা দেখে ফেললাম। কলকাতার সিনেমাজগতের পুরাযুগ নিয়ে সিনেমা, জিনিসটায় আমার আগ্রহ আছে, সেই লোভে। সিনেমার নাম কলা। ইংরিজিতে QALA। তাই থেকেই বোঝা উচিত ছিল কেসটা। কিন্তু আমি আবার ঠেকে শিখি। খুলে দেখি একেবারে কাঁচQALA । যেমন মিস্টিসিজম, তেমনই ডার্ক, কিন্তু সিনেমাটা কীসের প্রেক্ষাপটে, সুইজারল্যান্ড না কলকাতা, বোঝার উপায় নেই (ভাষা হিন্দি, তাতে অসুবিধে নেই, কারণ,হিন্দি সিনেমার প্রেমিক-প্রেমিকাদের প্রায়ই সুইজারল্যান্ডে দেখা যায়।) কলকাতার সিনেমা নিয়ে ছবি, কিন্তু সারাক্ষণ দেখে গেলাম সিমলারও উত্তরে কোন এক জায়গায় ধাঁইধপাধপ বরফ পড়ছে। কেদার-বদ্রীতেও সারাবছর বরফ পড়েনা, আলাস্কাতেও না, কিন্তু এখানে পড়ে, হয়তো উত্তরমেরুর কাছাকাছি, কে জানে। সেখানে এক সঙ্গীতশিল্পী মহিলা তাঁর মেয়ের উপর হেবি অত্যাচার করেন, আর বেপাড়ার একটা পাঞ্জাবি ছেলেকে ধরে এনে গান শেখান। সেই জাল ভেদ করে মেয়ে একদিন কলকাতায় গানের জগতে সুপারস্টার হয়, এই হল গপ্পের একটা অংশ। শুরুর পাঁচ মিনিটেই এটা বুঝতে পারবেন, কাজেই স্পয়লার নয়।

    তা, এই কলকাতার তিরিশ বা চল্লিশের দশকের সিনেমা এবং গান, এইটা আমার আগ্রহের জায়গা। এক আধটা লেখাও লিখেছি। তখন, কলকাতা, যাকে বলে, ভারতীয় সিনেমার উৎকর্ষের কেন্দ্র।  শিল্পীরা সর্বভারতীয় স্বীকৃতি পেতে কলকাতায় আসতেন, সায়গলই যেমন এসেছিলেন। নিউ থিয়েটার্স তখন ফাটিয়ে চলছে। রবীন্দ্রনাথ থেকে সুভাষ বসু, সবাই তার সঙ্গে আছেন। নীতিন-মুকুল বসুরা শব্দগ্রহণ ইত্যাদিতে  নতুন যুগ এনে প্লেব্যাক চালু করছেন। গানের বিভাগের দায়িত্বে স্বয়ং পঙ্কজ মল্লিক। গাইছেন সাইগল। নজরুল গান লিখছেন, তাকে লোকে তখন কাজির-গান বলে জানে, বা জানেইনা। প্রমথেশ বড়ুয়া রাজত্ব করছেন, বোম্বে ডাকলে সেই অফার মাছি তাড়ানোর মতো উড়িয়ে দিয়ে বলছেন, "ওই বাজারের মধ্যে কে যাবে"। তৈরি হচ্ছেন ভারতীয় সিনেমার প্রথম স্টাইল আইকন কানন দেবী। এই হল সংক্ষেপে তিরিশ এবং চল্লিশের দশকের শুরুর কলকাতা-সিনেমার চালচিত্র। কিন্তু বললে বিশ্বাস করবেন না, গোটা সিনেমায় এই একটা জলজ্যান্ত কলকাতার কোনো চিহ্ন দেখা গেলনা। একটি কামুক-ধরণের সঙ্গীত-পরিচালক, আর উদঘুটে দাঁত-কেলানো এক গীতিকারকে দেখা গেল কেবল, যিনি স্বচ্ছন্দে নজরুলের এক ক্যারিকেচার হতে পারেন (প্রসঙ্গত এন-টি অর্থাৎ নিউ থিয়েটার্সের শৃঙ্খলা ছিল সর্বজনবিদিত, পরিচালকদের হিন্দিভাষীদের প্রতি দুর্ব্যবহার, সবকিছুরই ডকুমেন্টেশন আছে, কামুক-পরিচালকের নেই। গল্পের প্রয়োজনে চরিত্র তৈরি হতেই পারে, কিন্তু তথ্যটা দিয়ে রাখলাম)। অন্য সব ছাড়ুন। গোটা সিনেমায় কলকাতায় একটা ধুতি-পরা লোক দেখলামনা। সবাই টিপটপ কোটপ্যান্ট পরা হার্বার্ট স্পেন্সর। হয় বিলেত, নয় সুইজারল্যান্ড থেকে নেমে এসেছে। মেয়েদের অদ্ভুত পোশাক, সেটা ইউরোপের, নাকি ব্রাহ্মদের, কিছু রেফারেন্স আছে কিনা, অশিক্ষার কারণে, বুঝতে পারিনি। কেবল এক জায়গায়, একটা পাঁচ সেকেন্ডের মতো দৃশ্যে, অবশ্য সিনেমার দর্শকরা হালফ্যাশানের ব্লাউজ দিয়ে তাঁতের শাড়ি পরেছিলেন। 

    এর উপরে আছে গান। গানের শব্দ যেন ঠিকঠাক পুরোনো হয়, সে নিয়ে প্রচুর শ্রম দেওয়া হয়েছে, যা বোঝা গেল। কিন্তু গানগুলো? তিরিশ এবং চল্লিশে কলকাতার সিনেমায় এরকম গান হত? একেবারেই না। তখন গান কেমন হত? এক, রবীন্দ্রনাথের তীব্র প্রভাব ছিল। থাকাই স্বাভাবিক। দুটো রবীন্দ্রসঙ্গীত এখনই মনে পড়ছে। "আজ সবার রঙে রঙ মিশাতে হবে" আর পঙ্কজ মল্লিকের অবিস্মরণীয় "দিনের শেষে ঘুমের দেশে" (এইটার চেয়ে ভালো ঘুমের দেশে আর কখনও শুনিনি, আজ পর্যন্ত)। দুই, রাগভিত্তিক গান। উদাহরণ, সায়গলের অতুলনীয় "বাবুল মোরা"। তিন, নজরুলের গান, সে, ঝুমুর থেকে রাগপ্রধান হয়ে যা খুশি হতে পারে, যাকে পরবর্তীতে আমরা নজরুলগীতি বলে চিনব। এবং চার, বাংলা "আধুনিক গান"এর একটা ঘরানা, যেটা তখন তৈরি হচ্ছে। কিন্তু এই বঙ্গীয় যে ঘরানা, তার কোনো ছাপ, আস্ত সিনেমার কোত্থাও নেই, একটা গানের অর্ধেক বাদ দিলে। গানের শব্দ এবং সুর শুনলে মনে হচ্ছে ষাট-টাটের বা আরও পরের বোম্বের গান শুনছি। শুরুর দিকের পাঞ্জাবি গানটার ট্রিটমেন্ট তো আরও পরের, নব্বই-টব্বইয়ের পরের। পরিচালক মহোদয়া, তিরিশের কলকাতার গান অত সোজা ছিলনা। তখন অটো-টিউন ছিলনা, গান গাইতে না জানলে সুযোগ মিলতনা। শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে দক্ষতা ছিল আবশ্যিক। নায়িকা যা অখাদ্য "বাবুল মোরা" গাইলেন শুরুতে, ওই স্তরের শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে দক্ষতা দেখালে তিরিশের কলকাতায় স্রেফ দরজা দেখিয়ে দেওয়া হত।

    আর বেশি নিন্দে করবনা। এর আগেও এরকম একটা সিনেমা দেখেছিলাম। বুলবুল। এই জাতীয় সিনেমাগুলি যাঁরা বানাচ্ছেন, তাঁরা যেখানেই থাকুন, যদি কোনো কারণে এই লেখা পড়েন, তো তাঁদের প্রতি আমার সনির্বন্ধ অনুরোধ, দয়া করে ইতিহাস নিয়ে বানাবেননা। ঐতিহাসিক উপন্যাসে একটা সংলাপ লিখতেও গবেষণা করে পশ্চাদ্দেশ ফেটে যাবার কথা। ধরুন, "দে তো লাইটার, একটু বিড়িটা ধরাই" -- এইটুকুও নির্দ্বিধায় লেখা যায়না। লাইটার কি এসে গেছে তখন? এইটা আগে জানতে হবে। অত পুরোনো কেন, ১৯৭০ নিয়েও লেখা যায়না। লাইটার তখন আবিষ্কার হয়ে গেছে। কিন্তু কাদের হাতে ছিল লাইটার? দেশলাইয়ে কী মার্কা ছিল? এইসব নানা প্রশ্ন-টশ্ন থাকবে (সত্যজিৎ রায়ের শতরঞ্জ-কি-খিলাড়ি সংক্রান্ত একটা গপ্পো আছে, এই প্রসঙ্গে, সে পরে লেখা যাবে)। স্রেফ লাইটার নিয়েই এত, আর আপনারা বানাচ্ছেন কলকাতার সিনেমা এবং তার গান নিয়ে একটা সিনেমা। লম্বা গবেষণা না করে এটায় হাত দেওয়া যায়না। হাত দিলে কলকাতা বা তার সিনেমা, বা তার গান, কিছুর প্রতিই সুবিচার হয়না, বরং যাকে বলে কেলেঙ্কারি হয়, যেটা আপনারা করেছেন। যদি মিস্টিক, ডার্ক, এইসব জিনিস বানাতে হয়, সেটাও এই সিনেমায় একেবারেই ভালো কিছু হয়নি, কিন্তু সেইসব সমালোচনায় ঢুকছিইনা, তাহলে, ইতিহাসকে ছেড়ে দিন না। মেয়ে এবং মা-য়ের টানাপোড়েন, আজও আছে। সিমলা আজও আছে, উবে যায়নি। সেইসব নিয়ে বানাননা। আমরাও রেহাই পাই, রবীন্দ্রনাথ, নজরুল, বীরেন সরকার, প্রমথেশ বড়ুয়া, এঁরাও সক্কলে কবরে শান্তিতে ঘুমোতে পারেন।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • পর্যালোচনা (রিভিউ) | ১১ ডিসেম্বর ২০২২ | ১৮৬৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 174.251.162.15 | ১১ ডিসেম্বর ২০২২ ০৮:৪৮514478
  • সিনিমাটা দেখিনি। মতামত শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ। তবে কিনা এক নজরুল ছাড়া আর তো কারও কবর আছে বলে জানিনা। শেষ লাইনে লেখাটা লাইটার হয়ে গেলো :)
  • ষষ্ঠ পাণ্ডব | 103.98.204.123 | ১১ ডিসেম্বর ২০২২ ১২:১৪514486
  • আচ্ছা নামটা কি 'প্রমথেশ বরুয়া' (বৰুৱা) হলে ঠিক হয় না? 
    যত দূর জানি, 'বড়ুয়া' = বাঙালী বৌদ্ধ, 'বরুয়া' = অসমীয়া ব্রাহ্মণ।
  • লোপামুদ্রা সরকার | 203.171.246.65 | ১১ ডিসেম্বর ২০২২ ২৩:০৫514504
  • আমার কেমন যেন মনে হলো Qala ছবিতে ওই সঙ্গীত পরিচালক দুজন , " সানিয়াল " আর "সুমন্ত কুমার" ..... এই চরিত্র দুটো সায়গল আর হেমন্ত কুমারের আদলে তৈরি করা হয়েছে  । Atleast নাম দুটো । সেক্ষেত্রে খুবই আপত্তিকর ভাবে উপস্থাপিত । ভালো লাগেনি ব্যাপারটা । ছবিটা নিয়ে আর কিছু বলছি না । 
  • S | 103.251.167.21 | ১১ ডিসেম্বর ২০২২ ২৩:৪৬514506
  • লেখাটা পছন্দ হয়েছে।

    আমি ভেবেছিলাম QALA বোধয় কেজিএফ টাইপের তেলুগু ঝাড়পিটের সিনেমা। যাক দিদি না পারলেও, পরিচালক কোলকাতাকে ইয়োরোপ বানিয়ে দিয়েছেন। গুগলে দেখলাম (যদিও সিনেমাদুটোর কোনওটাই দেখিনি, ইচ্ছাও নাই) বুলবুল আর কাঁচকলা দুটই অনভিতা দতের পরিচালনা। ভদ্রমহিলার বোধয় কোনও কারণে পুরানো কোলকাতা ফেটিস আছে। সঙ্গে অনুষ্কা শর্মাকে পেয়েছে প্রোডিউসার হিসাবে। পয়সার অভাব নাই। এখন কয়েকদিন এই অত্যাচার সহ্য করতেই হবে আনটিল দে মুভ অন টু দেয়ার নিউ ফেটিশ। সারা বিশ্বজুড়ে (এইটা না জেনেই বলছি) সিনেমার মান এমনিতেই নিম্নগামী। নইলে আরারার নাকি অস্কার পেতে চলেছে।
  • &/ | 151.141.85.8 | ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ০০:১৮514507
  • হয়তো ওটা প্রতীকী বরফ, সবসময় পড়ছে । অথবা মানুষের মনের প্রান্তরে বরফ পড়ছে । কিছুতেই আর বরফ গলছে না, শীত কাটছে না, বসন্ত আসছে না । সেই সেলফিশ জায়েন্টের গল্পের বাগানের মতন । তারপরে একদিন হাসিখুশিরা দেওয়ালের ভাঙা দিয়ে ভেতরে যেই ঢুকেছে একটা গাছের কাছে, অমনি সেখানে বসন্ত। ঃ-)
  • একক | ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ০৩:০৪514508
  • এই এথনিক  ডিজাইনার  মার্কা কাজগুলো দেখলে ঝাঁট জ্বলে যায়। এটা দেখতে গিয়েও হাফের আগে কাটিয়ে দিয়েচি। ডার্ক মুভি না ছাই,  প্রচুর খরচ করে বানানো কাঁচা কাজ একটা।  আবার ব্ল্যাক সোয়ান থেকে ইমেজারি ধার করেচে দুএক জায়গায়। এদিক নেই ওদিক আচে!! 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ০৬:০২514509
  • দর্শকদের একেবারে কাঁচকলা ভর্তা খাইয়ে ছেড়েছে। ঃ-)
  • Dipankar Dasgupta | ১২ ডিসেম্বর ২০২২ ১২:৪১514517
  • জম্পেশ হয়েছে। ঝেড়ে গাল একেই বলে!
  • Ranjan Roy | ১৫ ডিসেম্বর ২০২২ ২০:২৯514571
  • সৈকত এবং একককে ক।
  • :|: | 174.251.162.15 | ১৬ ডিসেম্বর ২০২২ ০৮:২৪514586
  • দেখুন দুশ্চিন্তা কৈরেন্না। এই তো বত্তমানের আশার কতা লেকা আচে -- ইস্ক্রীন শট দেবার ​​​​​​​ইচ্ছে ​​​​​​​ছিলো ​​​​​​​কিন্তু ​​​​​​​এতো ​​​​​​​ভালো ​​​​​​​কথা ​​​​​​​একসঙ্গে ​​​​​​​একটা ​​​​​​​স্ক্রিনে ​​​​​​​জাস্ট ​​​​​​​আঁটলো ​​​​​​​না
    বাংলা কখনও মাথানত করে না: মুখ্যমন্ত্রী
    2022-12-15 18:58:44
    বাংলা একদিন হলিউড-বলিউড দখল করবে: মুখ্যমন্ত্রী
    2022-12-15 18:57:29
    আগামী কয়েকদিনে ৪২ টি দেশের ১৮৩ টি সিনেমা দেখানো হবে: মুখ্যমন্ত্রী
    2022-12-15 18:56:55
    বাংলা কখনও ভিক্ষা চায় না: মুখ্যমন্ত্রী
    2022-12-15 18:54:51
    বাংলা সবসময় লড়াই করে মানবিকতা ও একতার জন্য: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
    2022-12-15 18:52:22
    অমিতাভকে ভারতরত্ন দেওয়ার দাবি জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় প্রতিক্রিয়া দিন