এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  সমাজ  শনিবারবেলা

  • লেবারের বিদেশ যাত্রা ১৩

    মঞ্জীরা সাহা
    ধারাবাহিক | সমাজ | ৩০ অক্টোবর ২০২২ | ৪৭২ বার পঠিত

  • বড়বড়িয়া থেকে দুবাই


    এ চাকরি করতে ছেলেটির ইস্কুলে শেখা বিদ্যা বুদ্ধি কি কতটা কাজে লাগবে তখনও জানিনা তবে যেটুকু বুঝলাম এই অচেনা একখানা বিদেশে এমপ্লয়মেন্ট ভিসার বদলে একখানা ট্যুরিস্ট ভিসা দেখিয়ে নিজের গন্তব্যে পৌঁছাতে সামীম নিজের বুদ্ধিটুকু কাজে লাগিয়েছিল বেশ ভালোভাবেই।

    এয়ারপোর্টে ইন্ডিয়ার একটা মানুষকে রিকোয়েস্ট করলাম। ছেলেটা ভালো। ওর ফোনখানা দিল কল করতে। এইখানের এজেন্টকে ফোন করলাম তার ফোন থেকেই। বলল, এয়ারপোর্টের বাইরে বেরিয়ে যা। দেখবি তোর জন্য মানুষ দাঁড়িয়ে আছে। ওই দেশের একখানা মোবাইল নম্বর দিল। ব্যাস এটুকুই। ফোন কেটে দিল। সেই ইন্ডিয়ার মানুষ তো আর যাবে না আমার সাথে। তার তাড়া ছিল। সে বেরিয়ে গেল। আমার ফোনও চলছে না। তাহলে যোগাযোগ করব কীভাবে সে মানুষের সাথে! যদি না খুঁজে পাই তখন! বুঝতে পারছি ফোনটা চালু হওয়া দরকার সবার আগে।

    মানুষটাকে খোঁজার আগে সিম কার্ড খুঁজেছিল সামীম। বিদেশের দোকানে ইংরাজী বাংলা হিন্দি মিলিয়ে মিশিয়ে কোনও রকমে বুঝিয়ে সুঝিয়ে পাসপোর্ট ভিসা দেখিয়ে জোগাড় করল বিদেশের সিম। চালু হল ফোন। রিং বাজল সেই নম্বরে। ফোনে পাওয়া গেল সেই লোককে। খুঁজতে খুঁজতে দু চারবার ভুলভাল স্পটে ধাক্কা খেল। অনেক খুঁজতে খুঁজতে দেখা পেল তার। এয়ারপোর্ট থেকে বেরিয়ে এসেছে তার আগেই। তারপর সেই লোকের সাথে হাঁটতে হাঁটতে মেইন রোড। সামিমকে দাঁড় করিয়ে রেখে ট্যাক্সি আনতে গেল সে। মুখে বিশেষ কিছু কথা নেই। নিজে বলে যা যতটুকু দরকার। উত্তর দেয় না প্রশ্নের।

    আমি জিজ্ঞাসা করলাম, সে তোমার ভাষা বুঝতে পারছিল? হ্যাঁ। মাথা নাড়ল সামীম। ইন্ডিয়ারই লোক সে। ট্যাক্সি এনেই উঠিয়ে নিল আমাকে। আর কোনও কথা নেই। লাগেজ তুললাম। ট্যাক্সি চলতে লাগল। চুপ। কোথায় ট্যাক্সি চলেছে জায়গাটার নাম কী জানিনা। জেনেছিলাম সব পরে। দেখুন দুবাইতে তো সবই বড় বড় বিল্ডিং। হেব্বি সুন্দর লাইটিং। যেমন আমরা সিনেমায় দেখি। কিন্তু যেখানে যাচ্ছিলাম সেটা তেমন না। যেদিকে যাচ্ছিলাম সেটা দুবাইয়ের গরীবদের জায়গা। যেমন সিনেমায় দেখেছিলাম তেমন না। জায়গার নামটাতো পরে জেনেছি। তখন কিচ্ছু জানিনা। একলা। কোথায় নিয়ে যাচ্ছে, কী ব্যাপার কিচ্ছু জানিনা।

    সামীমের ট্যাক্সি ছুটছে। রাত বাড়ছে।

    আবুধাবি এয়ারপোর্ট থেকে চলেছে নাম না জানা কোনও গন্তব্যের দিকে। অচেন একটা দেশে অচেনা কোনও রোড দিয়ে সাঁ সাঁ চলেছে ট্যাক্সি। এই যাত্রাপথে সামীমের মনে কতটা ভয় ভীতি রহস্য মাখা অনুভূতি মাথাচারা দিয়ে উঠছিল সবটা আন্দাজ করতে পারিনি। কারণ আমাকে কোনওদিন ওর মতো হারা উদ্দেশ্যে একা একা দেশ ছেড়ে অন্য দেশে উপার্জনের আশায় যেতে হয়নি। তবে নিজের রাজ্যের আম কাঁঠাল গাছের ছায়া ঢাকা কোনো এক বাড়ির বারান্দায় বসে সংযুক্ত আরব আমিরাতে সদ্য পৌছোনো এই আগন্তুক ছেলেটির রহস্যমাখা চাকরির যাত্রাপথ নিয়ে কৌতূহল বাড়তে লাগল ক্রমশ। সামীম বলে চলেছে যতটা ডিটেইলে পারা যায়। ও বর্ণনা দিয়ে চলেছে খুব মন দিয়ে। যাতে একজন শ্রোতাকে বোঝানো যায় তার না-দেখা অভিজ্ঞতার কথা। কথার টানে নদীয়ার এ অঞ্চলের টান। অন্যরকম কয়েকটা শব্দের ব্যবহার। সেসব আমার পক্ষে ঠিকঠাক লেখা সম্ভব নয়। সেই টান শব্দ ঠিকমতো বুঝতে হলে ওর মুখের কথাগুলো শুনতে হবে ওর সামনে বসে। সামীমের চৌকির পিছনের দেওয়ালে ড্যাম্প ধরেছে। ছাত অনেক উঁচু। কড়িকাঠগুলোতে কালো আলকাতরা করা। দেওয়ালের রংটা বেশিদিন হয়নি বোঝা যাচ্ছে। ড্যাম্পের উপর দিয়েই মিস্ত্রী রঙ বুলিয়ে দিয়েছে। হলুদ রঙ। তাতে কোনও রঙ-মিস্ত্রীকে দিয়ে আঁকানো হয়েছে কালো রঙের লন্ডনের রাস্তার ধারের ল্যাম্প পোস্টের মতো ছবি। ব্র্যান্ডেড কোনও রঙের কোম্পানির নীল নীল ইউনিফর্ম পরা মিস্ত্রীরা এসে যেরকম নকশা করে দিয়ে যায় অনেকটা সেরকম চেষ্টা। তবে সামান্য বাঁকা ত্যাড়া হয়ে গেছে ল্যাম্পপোস্টের স্ট্যান্ড। তুলির টান দিতে গিয়ে বেঁকে গেছে হাতের কাঁপুনিতে। দেখে বোঝা যাচ্ছে বড়বড়িয়ার লোকাল মিস্ত্রী দিয়ে আঁকানো লন্ডনের ল্যাম্পপোস্ট।

    আমাদের গাড়ি যাচ্ছে খুব স্পিডে। যখন পৌছোলাম অনেক রাত। একটা বাড়ির সামনে দাঁড় করিয়ে দিল ট্যাক্সিটা। নামতে বলল। চুপচাপ নেমে পড়লাম। দেখিয়ে দিল ঘরের দরজা। আর কোনও কথা নেই।
    কতক্ষণ লেগেছিল পৌঁছোতে?
    দু আড়াই ঘন্টা হবে। সে দেখিয়ে দিয়েই চলে গেল। আমি ব্যাগ কাঁধে দরজা খুললাম। দরজা খুলেই হাঁ হয়ে গেলাম।
    দেখি গাদাগাদি করে মানুষ ঘুমোনো। কেমন বলেন তো! যেদিকে একজনের মাথা সেইদিকে আরেক মানুষের পা। মানে অল্প জায়গায় বেশি মানুষ আঁটাতে গেলে যেমন ভাবে শুতে হয় তেমন। প্রায় দেড়শ লোক এক ঘরে।
    কত বড় ঘর!
    ছোট। ওইটা আসলে একখানা ফ্ল্যাট। এই আমাদের এখানে যেমন ফ্ল্যাট বাড়ি দেখেছেন সেই রকম। হাসব্যান্ড ওয়াইফ একটা কী দুটো বাচ্চা নিয়ে থাকার যে ফ্ল্যাটবাড়ির ঘর হয় সেইরকম। দুটো রুম। কিচেন।

    আর পায়খানা বাথরুম কটা?

    একটা। একটা ফ্যামিলি থাকার জন্য যেমন থাকে। সেখানে দেড়শ লোকের জন্য একখানাই। ওইভাবেই ওইখানে সবাই আছে। আমি যাওয়ার অনেক আগে থেকেই থাকছে ওরা সব ওখানে। মাঝরাত থেকে সব বাথরুম পায়খানা যাওয়া শুরু করে। নাইলে লাইন পাবে কী ভাবে! সকাল বেলা লম্বা লাইন পড়ে যায়। খায় সব লাইন দিয়ে। ওই ডাল আর ভাত। কোনও দিন আলু জুটলে আলু। কোনও দিন যদি সোয়াবিন জুটলে সোয়াবিন। সেসব জুটতোই না বলা যায়। হলেও সে জলের মতো ঝোল। তেল নেই। মশলা নেই কিচ্ছু নেই। ফ্যানা ফ্যানা ভাত। সেই ঢুকে দেখি রুমটাতে গিজগিজ করছে মানুষ শোয়া। প্রথমে মনে হল মানুষগুলো ঘুমিয়ে আছে। পা মাথা হাত ডিঙিয়ে ডিঙিয়ে ভিতরে ঢুকলাম। দেখি টিমটিম করে আলো জ্বলছে মোবাইলগুলোয়। এদিক ওদিক ছেলেরা জেগে আছে। কেউ মোবাইল নাড়াঘাঁটা করছে। কেউ এমনি দু চোখ মেলে ছাদের দিকে তাকিয়ে আছে। কেউ ঘুমায় না।
    কেন ঘুমোয় না?

    ঘুমাবে কি! পায়খানায় লাইন দিতে হবে না। আর তারচেয়ে বড় কথা কারুর কাজ আছে নাকি! সবথেকে মজার ব্যাপার কী জানেন ওই রুমে আমি ইন্ডিয়ার সব স্টেটের ছেলে দেখেছি। সব স্টেটের। এই আমারই মতো সবাইকে কাজে নিয়ে গেছে। সব ইন্ডিয়ারই ছেলে। পরে তো সবার সাথে আলাপ করলাম। জানলাম, একজনের বাড়ি বিহার, কারুর ঝাড়খন্ড, কারুর রাজস্তান, কেউ বাঙালী কেউ আসামের। এইরকম সব। যাইহোক, সে রাতে তো খুব ক্লান্ত। খিদেও পেয়েছে খুব। সেই রাত্তির বেলা গিয়ে একটু ভাত আর ডাল ছিল। সেই খেলাম। সে যে কী ডাল! শুধু ফ্যান!

    “চা খান দিদি!” পাশ থেকে মহিলা কন্ঠ। পাশে তাকিয়ে দেখলাম এক মাথা ঘোমটা দিয়ে সামীমের মা চা বিস্কুট মিষ্টি নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন হাসি মুখে। ভদ্রমহিলা সারাদিন সেলাই মেশিন চালান। ছেলেটির কথার মাঝে সারাক্ষণ সেলাই মেশিনের আওয়াজ আসছিল। আওয়াজটা কখন যে থেমে গেছে টেড় পাইনি। অর্ডারি মালের কাজ ছেড়ে কখন যেন অতিথি আপ্যায়নের ব্যবস্থা করে ফেলেছেন। বঙ্গের শেষ বিকেলের মিঠে রোদের আলোয় আরব আমিরাতের গরীব কোনও এলাকার মাঝরাতের কথা চলছে। কড়া লিকার চায়ে চুমুক দিতে দিতে তীব্র দাবদাহের শহর দুবাইয়ের ওই গিজগিজে মানুষ ভর্তি রুম কল্পনা করার চেষ্টা করছি। পাশেই এক মাথা ঘোমটা দেওয়া ছাপা শাড়ি দু কানের পাশে গোঁজা এই সামীমের মা হাসি মুখে আমার দিকে তাকিয়ে দাঁরিয়ে আছেন। ইনি সেই ভদ্রলোকের পুত্রবধূ যিনি একদিন অন্য দেশ থেকে আসা দেশ ছাড়া ঠিকানা ছাড়া মানুষদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য নিজের বাড়ি ছেড়ে দিয়েছিলেন। আটকে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়াতে বারবার দেশের সীমা পার করেছিলেন। মনে হতে লাগল যেখান থেকে সামীমের বিদেশ যাত্রা শুরু হয়েছিল সে এলাকাতেই এদেরই বাড়িটি এক সময়ে হয়ে উঠেছিল শরণার্থীদের ক্যাম্প। কত পরিবারের ছেলে মেয়ে বর বৌ শালী জামাইবাবু জেঠা জেঠি ননদ জা বোনাই বেয়াই বাড়ির কর্তা তাদের সমস্ত আইডেন্টিটি ত্যাগ করে ওদের বাড়িতে শুধুমাত্র শরনার্থীর দল পরিচয়ে দিনের পর দিন রাত কাটিয়ে গেছে। সেসব দেশভাগ সময়ের কথা। কাটা দেশদুটোর ইতিহাসে সেগুলো বড্ড গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হয়ে থেকে গেছে। ছেলে মেয়েরা ইতিহাস বইতে পড়ে এখন। কেউ স্মৃতিকথা লেখে সাহিত্য পত্রিকায়। এ সবের অর্দ্ধ-শতকের চেয়েও অনেক বেশি সময় পার হয়ে গেছে। ইন্ডিয়ার নাম দিয়েছে ডিজিটাল ইন্ডিয়া। এ বাড়িরই উত্তর পুরুষ হাতে মোবাইল নিয়ে পাড়ি দিয়েছে বিদেশে চাকরি করতে। তারপর সেই বিদেশের কোনও এক রুমে গিজগিজ করা মানুষের ভেতর দেড়শ জনে একখানা বাথরুম পায়খানা ভাগ করে নিয়ে ফ্যানের মতো ডাল ভাত খেয়ে কাটিয়ে দিয়েছে বন্দীদশার মতো জীবন। নামটা আর শরনার্থী না। এবার নিজের দেশ ছেড়ে যাওয়া বিদেশের লেবার। চাকরি প্রার্থী।

    ওসব চাকরি বাকরি কিচ্ছু না। কথাটা বলতে গিয়ে সামীমের গলার স্বরটা উঠছে। বুঝতে পারছিলাম উত্তেজনা বাড়ছে ওর ভেতরে ভেতরে।
    সেই রাতেই একটা ছেলে সব খোলসা করে দিল আমায়। এরা কারা! ছেলেদের কেন আনে! সব। রাতেই আমার পাসপোর্ট ভিসা সব নিয়ে নিল আমার থেকে। পরের দিন সকালে বাবাকে ফোন করলাম। আই এস ডি কল। বাবা ফেঁসে গেছি। এরা পুরো ফাঁসিয়ে দিয়েছে আমাকে …
  • ধারাবাহিক | ৩০ অক্টোবর ২০২২ | ৪৭২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ৩০ অক্টোবর ২০২২ ১৪:৫৯513315
  • যাহ এখানে শেষ হল!? 
  • Manjira Saha | ৩০ অক্টোবর ২০২২ ২১:৫৭513333
  • না যাত্রা এখনই শেষ নয়। সামিমের বাকি বিদেশ যাত্রার অভিজ্ঞতা রইল পরের পর্বে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন