এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  সমাজ  শনিবারবেলা

  • লেবারের বিদেশ যাত্রা ১৭

    মঞ্জীরা সাহা
    ধারাবাহিক | সমাজ | ১৩ মে ২০২৩ | ৭১৯ বার পঠিত

  • মঞ্চের লাশ
    পর্ব ১


    ফাল্গুনের আকাশে সূর্য তখন মাঝখানে। শীত যে কেটে গেছে—মালদার গাছগুলো জানান দিচ্ছে। কুয়াশা কেটে সবে রোদ চড়তে শুরু করেছে। মঞ্চ বাঁধা প্রায় কমপ্লিট। মঞ্চের পেছন দিকে ঢেউ খেলানো প্যান্ডেল। গোলাপি ঢেউ-এর নীচে আকাশি ঢেউ। চারদিকে বাঁশগুলোতে মোড়ানো সবুজ সাটিনের কাপড়। মঞ্চের ছাতে সেলাই দিয়ে জোড়া জোড়া রঙিন কাপড়। মঞ্চের দু-দিকে চোঙ। দু-পাশে দুটো করে। একটু দূরে, সামনে, বাঁশে গোটা ছয়েক ফোকাস বাঁধা। ফোকাস লাইট ফেলা হবে সামনের দিক থেকে। পেছনে টাঙানোর ফ্লেক্সটা গুটিয়ে পড়ে আছে। প্যান্ডেল বাঁধা শেষ হলে ফ্লেক্সটা টাঙানো হবে পেরেক মেরে। ফ্রেমে বাঁধানো হোর্ডিংগুলো একপাশে দাঁড় করিয়ে রাখা। সামনের হোর্ডিংটায় নমস্কার করা হাত সমেত মাথাটা উলটে আছে। হোর্ডিং-এর ছবির মানুষটা সাদা ফটফটে পাঞ্চাবি—তার উপর তিনরঙা উত্তরীয়—পরে ছবিটা তুলেছে। সামনে, বাঁ-পাশে, আরও একখানা মঞ্চ। সেখানে রাখা লাল ভেলভেটে মোড়া সিটের সোনালি চেয়ার। সিটগুলো সাজানো হবে পরপর ডান থেকে বাঁয়ে। সে মঞ্চে বাঁ-দিকে মাইক্রোফোনের স্ট্যান্ড করা হয়েছে চৌকোমতো। যেখানে দাঁড়িয়ে পড়বে একে একে বক্তা। এখন দাঁড়িয়ে আছে ডেকোরেটারের ছেলেরা। ডেকোরেটরের ছেলেগুলো ভীষণ ব্যস্ত। কাপড় খুলছে, মই সরাচ্ছে, পেরেক ঠুকছে। মাইক্রোফোন টেস্টিং… হ্যালো হ্যালো হ্যালো হ্যালো… ওয়ান, টু, থ্রি…। চোঙে বাজছে কিশোর কুমারের গলায়, ‘একটুকু ছোঁয়া লাগে’। একটুকু ছোঁয়া লাগে থেমে থেমে গিয়ে, ‘আর কিছুক্ষণ পর এ মঞ্চে আনা…’ ঘোষণা হচ্ছে দূর থেকে। ঘোষক আছে আড়ালে।

    সামনের সরুমতো পিচের রাস্তাটা জুড়ে কিছুক্ষণ আগে থাকতে দাঁড়িয়ে আছে অনেকগুলো গাড়ি। একখানা বড় ট্রাক। ট্রাকের পিছনে নাম্বার প্লেটে ইউ পি দিয়ে শুরু হয়েছে গাড়ির নম্বর। ট্রাকটা রাস্তা জুড়ে দাঁড়ানোর ফলে সাইকেল-টোটো-অটোর হর্নের আওয়াজে ব্যস্ত হয়ে উঠছে ওখানটা। ভিড়, জ্যাম, চ্যাঁচামেচি। দু-চারজন করে লোকজন অটো-সাইকেল-ভ্যান-রিকশো মানুষের ভিড়ের ভেতর দিয়ে বেশ কিছুটা চিৎকার করে, একে সরিয়ে, তাকে সরিয়ে সাইকেলের চাকাটা একটু ঠেলে দিয়ে, ঢুকে পড়ছে ভিড়ের ভেতর। ট্রাকটার মোটামুটি কাছে পৌঁছোতে পারলেই উঁকি দেওয়ার চেষ্টা করে চলেছে। ট্রাকের পেছনের ডানা তোলা। নীচ থেকে দেখা যাচ্ছে না ট্রাকের ভেতরের তলা। প্রসঙ্গ বদলে যাচ্ছে কথাবার্তার। মালদা জেলার এনায়েত পুরের এই রোডের জ্যামের প্রসঙ্গ থেকে সোজা উত্তরপ্রদেশ।

    পেছনের বড় মঞ্চের প্যান্ডেল কমপ্লিট। পিছনের মঞ্চে পরপর চৌকি পাতা হয়ে গেল। লাইন দিয়ে। ন-খানা। নীচে ডাঁই করে রাখা ভাঁজ করা সাদা চাদর। সাদা চাদরগুলো পাতছে এবার। এক, দুই, তিন, চার – এভাবে পর পর সাদা বেডের লাইন। চিলতে টাইপের সিঙ্গেল বেডশিট। তিন ফুট বাই সাড়ে পাঁচ ফুটের। একজন লোক শোয়া যায় তাতে। মঞ্চে ওই একটা একটা চাদরে শোয়ানো হবে এক একটা লাশ। এসেছে দূর থেকে। সেই উত্তরপ্রদেশ। ট্রাকের ভেতর লাশগুলো রওনা হওয়ার সময়ে যেভাবে ছিল, এখন আর সে অর্ডারে নেই। লাশের লাইনগুলো ডানে-বাঁয়ে সরে গেছে ঝাঁকুনিতে। কোনও লাশ উঠে পড়েছে অন্য লাশের উপর। কোনওটার ঘাড়-মাথা-পা আরেকটার উপর। সূর্য সামান্য ঢলে আসছে। মাঠের আশেপাশের বাড়িতে দুপুরের খাওয়া শেষ। ট্রাক থেকে আরও একটু দূরে দাঁড়ানো গাড়িগুলো সাদা-কালো-নীল গাড়ি। কলকাতা থেকে এসেছে বেশ কয়েকটা। ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়কে ছিল বেশ রোদ। গাড়ির বাইরেগুলো হয়ে উঠছিল গরম। ভেতরগুলো ছিল ঠান্ডা।

    ওই ট্রাকখানা যাত্রা করেছিল উত্তরপ্রদেশের ভাদোহি থেকে। লাশগুলো রওনা দিয়েছিল তিনদিন আগে। নো এন্ট্রিতে দাঁড়িয়ে পড়েছে বারবার। ড্রাইভার, খালাসি ভাত-রুটি-মদ খেতে, পেচ্ছাপ-পায়খানা করতে, নেমে চলে গেছে। লাশগুলো শুয়ে থেকেছে একইভাবে। তারপর আবার নড়ে চড়ে উঠেছে খানাখন্দ, ভাঙাচোরা বাম্পার, রেললাইনে। নড়ে উঠেছে মৃতদেহের মাথা-পা-হাত দড়ির ভেতর। জিটি রোডের পিচের উপর দিয়ে কখনও স্পিডে, কখনও স্লো-তে, কখনও জ্যামে আটকে পড়ে থেমে থেকে শ-য়ে শ-য়ে কিলোমিটার ওই একদল লাশের যাত্রা চলেছে। কালো প্লাস্টিকের কাঁধ-মাথা-বুক-পেটের উঁচুনীচু ঢেউতে পড়েছে ধুলো। ফাঁক-ফোকর দিয়ে ঢুকেছে নানা রাজ্যের ধুলো-ময়লা। পোড়া হাড়, চামড়া, মাংসের ছাইয়ের উপর ডিজেল-পেট্রলের ধূসর কালো কালো ছাই এসে মিশে গেছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খন্ড, পশ্চিমবঙ্গের আকাশে লাশগুলোর ওপর ভোর থেকে বিকেলে তিনদিন ধরে সূর্য ছিল নানা পজিশনে। কালো প্লাস্টিকের ভেতর শুয়ে থাকা আধপোড়া, বেশি পোড়া, ঠান্ডা ঠান্ডা লাশগুলোর শরীর হয়ে উঠছিল গরম। কখনও রাতের অন্ধকারে কালো-কালো, উঁচু-নীচু, রোগা-মোটা প্লাস্টিকের উপর আধ-খাওয়া চাঁদের আলো এসে পড়ছিল। ভোররাতের দিকে আবার কিছুটা তাপ ছাড়ছিল ওই স্থবির শরীরগুলো। ঠান্ডা আস্তে আস্তে আরও বেড়েছিল।
    কালো প্লাস্টিকের ভেতর ভেপসে উঠতে উঠতে পচে উঠছিল নাক-চোখ-কান-ঠোঁট। সঙ্গে সঙ্গে বেশ কতগুলো জ্যান্ত মাছি এসেছে এনায়েতপুরের ইস্কুল মাঠ পর্যন্ত। কতগুলো পোকামাকড়। এনায়েতপুর এসে পৌঁছেছে বেলা বারোটা নাগাদ। সঙ্গের আধার কার্ডগুলোর ঠিকানার জায়গায় লেখা আছে—জেলা: মালদা। ডেথ সার্টিফিকেট সহজে মেলেনি উত্তরপ্রদেশ থেকে। মালদার বিরোধী পক্ষের শ্রমিক ইউনিয়নের লোকেরা অনেক চেষ্টাচরিত্র করে ভাদোহি থেকে জোগাড় করে এনেছে। ওই সার্টিফিকেট যাবে বাড়ি অবধি। লাশগুলো যাবে না। গন্তব্য ছিল এই এনায়েতপুরের স্কুল-মাঠ। পৌঁছে গেছে। এই গন্তব্যটা ওদের বাড়ির লোক ঠিক করেনি। বাবা-মা-স্ত্রী-ছেলের নয়, রুলিং পার্টির উঁচু-উঁচু মাথার খেলেছে এই গন্তব্যখানার কথা।

    নামানো হচ্ছে পরপর লাশ। নাকের ওপর মোটা গামছা বাঁধা। লাশবাহক গামছা সরিয়ে বার বার থুতু ফেলছে। থুতু মাড়িয়ে চলে যাচ্ছে হাওয়াই চটি, বুট, চামড়ার জুতো, স্যান্ডাল। পা আর মাথা-ঘাড়ের মাঝখানের অংশগুলো প্লাস্টিকের ভেতর ঝুলে পড়ছে নৌকোর মতো। কেউ ওই ভিড়ের ভেতর উঁকি দিচ্ছে। কেউ কাপড়ের আঁচল দিয়ে চোখ মুছতে মুছতে ভিড়ের ভেতর ঢুকে পড়ছে। চোখ মুছতে মুছতেই ধাক্কা খাচ্ছে। ডানে-বাঁয়ে। পাড়ার লোক, রাস্তার লোক, বে-পাড়ার লোক। নিজের লোক, দূরের লোক। বাড়ির লোক, বাইরের লোক। চলেছে একসাথে। লাইনে, বে-লাইনে। ভিড় করে, ধাক্কা খেয়ে।

    ওই বড় মঞ্চে দেখানো হবে এই লাশেদের। বডি দেখানোর অনুষ্ঠানসূচী খাতায় লিখে ঠিক করেছে এখানকার লোকজন। লোকে তাদের লোকাল নেতা বলে। আর ছোট মঞ্চে দেখা যাবে কলকাতা থেকে আসা জীবন্ত সব নেতাদের। খবরের কাগজে তাদের নামের সঙ্গে লেখা থাকে ‘হেভিওয়েট’। লাশগুলোর নামের সঙ্গে এখন সবাই জোড়ে ‘পরিযায়ী শ্রমিক’। এ নামটা আগে ছিল না। যখন লাশগুলো অন্য রাজ্য থেকে এসেছিল, তখনও ছিল না এ নাম। তখন লোকে বলত—বিদেশে কাজে যাওয়া লেবার। নামকরণ হয়েছে দু-হাজার কুড়িতে। রাতারাতি। মার্চের শেষদিকের কোনও এক রাতে। যখন হঠাৎ করে কাতারে কাতারে লক্ষ লক্ষ মানুষকে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয়হীনভাবে বেরিয়ে আসতে দেখা গিয়েছিল। যাদের কেউ বেঁচে যাচ্ছিল। কেউ বেঘোরে মরেছিল ওভাবেই। এরকম সুন্দর একটা নাম দেওয়া হয়েছিল তখনই। জীবিত, মৃত, নতুন, পুরনো – যে কোনও অন্য রাজ্যে কাজে যাওয়া লেবারদের তারপর থেকে সবাই ওই নামেই ডাকে। পরিযায়ী শ্রমিক।

    ভিড় বাড়ছে। প্লাস্টিকে মোড়া লাশগুলো চলেছে জীবন্ত মানুষের ভিড়ের ভেতর দিয়ে। দুপুরের তাপ কমে এসেছে। এবার হাওয়া বইছে। ঠান্ডা ঠান্ডা হাওয়া। কোনো একটা কালো প্লাস্টিকের একটা ফাটা জায়গা উড়ছে হাওয়ায়। পত্‌পত্‌ পত্‌পত্‌। ভেতরে কী দেখা যাচ্ছে ওটা? পোড়া হাত-পেট-গলা, নাকি অন্য কোনও ঝলসে যাওয়া দগদগে শরীরের অংশ! কী ওটা! যারা ঠিক ফাটা প্লাস্টিকের ফাঁক-ফোকর দিয়ে উঁকি দিতে পেরেছে, চোখ কুচকে অনুমান করে চলেছে। নাক চাপা রুমালে। কী ওটা! হাওয়াটা বেশ ঠান্ডা! বেশ ঠান্ডা! আমার ঘাড়ে এসে লাগছে। এ হাওয়াটা বসন্তের না, এসি-র। সেই বসন্তের বিকেলটা ছিল বছর পাঁচেক আগের। দু-হাজার আঠারোর। সেই ফাল্গুনে পশ্চিমবঙ্গে সামনেই আসছিল বেশ কয়েকটা বিয়ের ডেট, অন্নপ্রাশন, সাধ ভক্ষণ, পাড়ায় পাড়ায় বসন্ত উৎসব, রাতে বিচিত্রা অনুষ্ঠান আর আসছিল লোকসভা ভোট…




    চলবে
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • ধারাবাহিক | ১৩ মে ২০২৩ | ৭১৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | 2402:8100:25d2:9d23:e9ac:a517:f160:1b4a | ১৬ মে ২০২৩ ১৭:০৭519846
  • কি দুঃখ রে বাবা | দুঃখ আর দুঃখ | পুরো দুঃখের দোকান |
     
  • π | ১৬ মে ২০২৩ ২১:৩০519847
  • আর আপনি তার খরিদ্দার, নাকি? 
     
    কী মনে হয়, জীবনটা এরকম কঠিন নয়?  
  • :-) | 2405:8100:8000:5ca1::78:b4e2 | ১৬ মে ২০২৩ ২২:১৮519848
  • এটা সেই মায়েমাসিতে ধর্ষানো মালটা। ছোটবেলার খারাপ এক্সপিরিয়েন্সের জন্য সবসময় খারাপভাবে লেখে। ভেতরটা পুরো বিষিয়ে গেছে ত।
  • | 49.207.195.138 | ১৭ মে ২০২৩ ০০:৩৯519850
  • গরিবের জন্য দুঃখ আর কাল্চার এর আচার |
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন