• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • রহস্য রোমাঞ্চ 

    Siddhartha Mukherjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৫ জুন ২০২১ | ১৩৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • রহস্য রোমাঞ্চ © সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায়


    শুরুটা ঠিক কেমন করে হয়েছিল -- মনে নেই। বোধহয়, কে জি ওয়ানের ছবি আঁকার ক্লাসে My Family ড্রইং করার মধ্যেই লুকিয়ে ছিল দু-দু'টি চরিত্র।

    রাত্তিরে বাড়ি ফেরার সঙ্গে সঙ্গে সে এসে খুব গম্ভীর মুখে বলল -- "ছেলেটা খুব দুষ্টু হয়েছে কিন্তু। আগেই বলে দিলাম তোমায়। আজকে ওই আলমারির সব ড্রেস, শাড়ি - স ও ব - নামিয়ে, ওর ভেতর লুকিয়ে ছিল। তুমি আর একদম আদর করবে না ওকে।"

    ঠিক ঠাওরাতে পারলাম না কথাগুলো। তবে তাকে আশ্বস্ত করলাম সাধ্যমতো। উলটে তারই 'থোপনা গাল' টিপে আদর করলাম। প্রতিদিনের মতো সুকুমার রায়ের ছড়া শোনালাম তাকে।

    "যাদুরে আমার আদুরে গোপাল, নাকটি নাদুস থোপ্‌না গাল,
    ঝিকিমিকি চোখ মিট্‌মিটি চায়, ঠোঁট দুটি তায় টাট্‌কা লাল মোমের পুতুল ঘুমিয়ে থাকুক্‌ দাঁত মেলে আর চুল খুলে -
    টিনের পুতুল চীনের পুতুল কেউ কি এমন তুলতুলে?
    গোব্‌দা গড়ন এমনি ধরন আব্‌দারে কেউ ঠোঁট ফুলোয়?
    মখমলি রং মিষ্টি নরম - দেখ্‌ছ কেমন হাত বুলোয়!
    বল্‌বি কি বল্‌ হাব্‌লা পাগল আবোল তাবোল কান ঘেঁষে,
    ফোক্‌লা গদাই যা বলবি তাই ছাপিয়ে পাঠাই 'সন্দেশে'।"

    সে খুশি হয়ে ঘুমোতে চলে গেল।



    পরদিন, আমার ফিরতে বেশ রাত হয়েছিল। সে কিন্তু ঘুমোয় নি। আজ যেন বেশ উত্তেজিত।

    -- "না না, ওকে এবার পানিশমেন্ট দিতেই হবে। ওকে 'থোপনা গাল' বলেছিলাম তো, তাই সারা বাড়িতে একটা গাল ফোলা বাচ্চার ছবি এঁকে রেখেছে। তার হাতে আবার একটা ললিপপ! বাজে বাচ্চা। স্কুলে কেন যে কিছু বলে না?"

    আমি নাক গলাই এবার।

    -- " ওর নাম কি ? "

    -- "ওর নাম... নাম আমি জানি না। ও তো কিছু বলে নি। দাঁড়াও, ক্লাস টিচার কে জিজ্ঞেস করলে বলে দেবে।"

    -- "এটা কি ঠিক হবে? ওরা তো আমাদের আত্মীয়। আমাদেরই তো জানা উচিত -- তাই না? তুমি বরং ওর মা 'কে জিজ্ঞেস করে জেনে নিও কাল।"

    -- " মা! ওর আবার মা কেন হবে? মাম্মাম তো আমার।"

    -- "তা কি হয়! ওর-ও মাম্মাম আছে। তুমি তার নামটাও জেনে রাখবে, বাবু।"

    - "তাহলে তুমিই বলে দাও, বাবা। আমি অতো নাম জানতে গেলে খেলবো কখন?"

    -- "তাও তো বটে। তাহলে চলো ওদের নাম ঠিক করি। আচ্ছা, তোমার তো একটা টক নাম আছে -- ঋক, তাহলে ওদের নাম..."

    -- "হ্যা বাবা, ওদের নামও 'R' দিয়ে রাখো। মিষ্টি নাম লাগবে না আর। টক নামটাই রাখো তো -- যা 'নটি' ও।"

    -- "তাহলে ওর নাম থাক 'রহস্য' আর ওর মাম্মাম হলো গিয়ে - 'রোমাঞ্চ'। কেমন নাম দিলাম!"

    -- "রহস্য নামটা বেশ ভাল বাবা। আর ওই যে আরেকটা নাম..."

    -- "হ্যাঁ। রোমাঞ্চ। ওর মা।"

    -- "ওই নামটা কেমন যেন। সেই চাইনিজ খাবারের নামের মতন। ঠিক আছে রাখো।"

    বুঝলাম 'মাঞ্চুরিয়ান' ব্যাপারটা ব্যাটার মনে ধরেছে। তা ধরুক, রোমাঞ্চও মনে ধরবে একদিন। পাক্কা।

    এরপর, ঘুমে জড়িয়ে আসা চোখের পাতা ডলতে ডলতে বলে ওঠে

    -- "বাবা, 'এক যে ছিল রাজা' গানটা গাও। আমি ঘুমবো।"

    -- "ওই গান? না কি 'আয় আয় যতো মিষ্টি.. এলো বৃষ্টি...এলো বৃষ্টি ' সেইটা?"

    -- "না বাবা, আমার তো পেট ভর্তি। মাম্মাম এই অ্যাততো খাইয়ে দিয়েছে। এখন আর মিষ্টির গান শুনবো না। তুমি রাজার গানই গাও।"

    অগত্যা, এক তালকানা সুরহারা পুরুষ কন্ঠের ঘুমপাড়ানি গান তার কানের কাছে বাজলো আর সে হয়ত না দেখা রহস্য রোমাঞ্চ আর দুঃখী রাজার ঝাপসা মুখের স্বপ্নে এলিয়ে দিল নিজেকে।

    নরম মুঠো থেকে আঙুল আলগা করে নিয়ে রাতের খাবার নিয়ে বসলাম আমিও।



    বলে রাখি, ব্যাটা-র মা এই ব্যাপারটিকে একেবারেই প্রশ্রয় দিতেন না। স্কুলের প্রিন্সিপাল এবং অন্যান্যরা খুব গুরুত্ব সহকারে তাকে বলেছিলেন - এমন উদ্ভুট্টে ব্যাপার জুভেনাইল স্কিৎজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন, হিস্টিরিয়া ইত্যাদি ও প্রভৃতির দ্যোতক হতে পারে। তাই ছেলের এসব কথায় একেবারেই পাত্তা দেওয়া চলবে না।

    কাজে কাজেই, আমি ছিলাম তার একমাত্র শ্রোতা এবং গুণগ্রাহী।



  • -- "বাবা, রহস্যকে তুমি কিছু বলো না, মাম্মাম তো বলেই না -- ও তো খুব খুউব পচা ছেলে হয়ে যাচ্ছে।"

    -- "ওর মা, রোমাঞ্চ, বকে টকে না?"

    -- "রোমাঞ্চ কে তো দেখাই যায় না, বাবা। ওকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। তুমি ওর নাম আর রোল-কল খাতায় রেখো না তো। আমার মাম্মামই রহস্যর মা হয়ে যাবে।"

    -- "তা কি হয়, বাবু! যাক, তুমি বল আজ কি হয়েছে।"

    -- "তুমি যদি আমার ড্রইং খাতা আজ দেখো! একটা 'ফ্লাওয়ারপটে' ফুল আঁকলাম আমি। যেই একটু জানলা দিয়ে খেলার মাঠের দিকে তাকিয়েছি আর শিবুর (ওর শ্রেণীবান্ধবী - শিবপ্রিয়া। নামের সরলীকরণ করেছে ক্লাস ওয়ানের লোকজন) সঙ্গে একটু কথা বলেছি.... দেখি সব প্যাস্টেল ট্যাস্টেল ভেঙে ভুল কালার করে পালিয়েছে।"

    -- "কে?"

    -- "উফফ! কে আবার? রহস্য।"

    -- "আর রোমাঞ্চ?"

    -- "সে তো টিচারের পেছনে দাঁড়িয়ে রহস্যকে আদর করছে আর আমাকে মুখ ভ্যাঙাচ্ছে! না বাবা এমন রোমাঞ্চ আমার চাই না।"

    বুঝিয়ে সুঝিয়ে শান্ত করা হল তাকে।

    -- "বাবু, এবার তো তুমি অন্য স্কুলে যাবে। বড় মাঠওয়ালা স্কুল। একদিন দেখিয়ে আনবো তোমায়।"

    -- "আচ্ছা বাবা, নতুন স্কুলটা হাল্লা-তে না শুন্ডি-তে?"

    এর জবাব আমার কাছে থাকে কখনও?

    -- "বাবা, ওই বড় স্কুলে গেলে রহস্য আর রোমাঞ্চ সব্বাই চলে যাবে আমায় ছেড়ে?"

    -- "তুমি তখন একটু একটু করে বড় হয়ে উঠবে যে। ওরা তোমার কাছে আসতে ভয় পাবে হয়ত।"

    -- "না বাবা ! তুমি যে বলতে রহস্য আমার ছেলে। আর ওই যে... মাঞ্চুরি... না না... রোমাঞ্চ সেও তো বাড়ির একজন -- তাহলে ভয় পাবে কেন আমাকে? আমি কি হাল্লার মন্ত্রী মশাই, বাবা? আমি যাব না নতুন স্কুলে।"

    সেদিন কোন গান শুনতে চায় নি সে। চোখের কোলে জলের দাগ নিয়ে আমার দিকে পিছু ফিরে ঘুমিয়ে পড়েছিল।



    তারপর বেশ কয়েকদিন 'রহস্য রোমাঞ্চ সংবাদ' নেই। হঠাৎ একদিন, বাড়ি ফিরতেই সে ঘোষণা করল
    -- "বাবা, রহস্যটা না খুব ভাল হয়ে গেছে। আজ আলমারির পাশে লুকিয়ে থেকে শুধু আমাকে দেখছিল। দুষ্টুটা আবার হাসল একবার। তারপর কি বলল জানো?"

    -- "কি বলল রে?"

    -- "বলল, টা টা বাই বাই... আবার যেন দেখা পাই! তারপর, এক্কেবারে ভ্যানিশ!"

    আর তার কথা কোনদিন বলেনি ছেলেটা।

    কি কান্ড!



    আজ সন্ধ্যার ঝোঁকে মেঘ করে এসেছিল। চৈতালী মেঘ। সঙ্গে এক পশলা ভিজে বাতাস। গ্রীন-ভার্জের আধা শুকনো নারকেল গাছের টঙে বাসা বেঁধেছিল এক গর্ভিণী চিল। ডিম ফুটে কয়েকটা বাচ্চা বেরিয়েছে কিছুদিন হলো । সন্ধ্যেবেলা মা ফিরে না আসা অবধি উদগ্রীব হয়ে থাকে তারা। জীবনের প্রথম ঝোড়ো বাতাসের ছোঁয়া আজ লেগেছিল তাদের ছোট্ট পাঁজরাগুলিতে। ভয়ে জড়সড় হয়ে ক্রমাগত ডেকে যাচ্ছিল সোনালী কিংবা কালো কিংবা বাদামী ডানার মা-চিলটিকে।

    কেন জানি রহস্য-রোমাঞ্চর কথা মনে পড়ল আজ।

    বোয়িং না কি কোন প্লেনের ইঞ্জিনের ড্রয়িং করছিল সে। জিজ্ঞেস করলাম -
    -- " হ্যাঁ রে, তোর রহস্য আর রোমাঞ্চের কথা মনে পড়ে?"

    ইরেজার দিয়ে একটা সরলরেখার কিছুটা মুছে দিতে দিতে ঝাপসা আকাশের দিকে খানিক তাকিয়ে রইল ছোকরা।

    ছোটবেলার সেই প্রগলভতা কবেই উধাও হয়েছে। ছোট ছোট বাক্য (কখনও শুধুই শব্দ) দিয়ে কথা এগিয়ে নিতে শিখেছে।

    তাকাল একবার। হাসল। তারপর বলল - "মনে পড়ল। খানিকটা। খুব দুষ্টু ছিল ও। আর... আর রোমাঞ্চ তো কখনো আসেই নি।"

    আবার হাসল।

    -- "তারা এখন কোথায় রে?"

    -- "তোমার ফোনের কি-বোর্ডে। কোথাও ওরা অপেক্ষা করছে, বাবা। তুমি বলেছিলে না, ওরা আমাদের নিজের লোক। প্লিজ, আজ তাদের কথা লেখো।"



    বুঝলাম ছোকরা আর ছোকরার বাবা দুজনেই অপত্য স্নেহে মজেছে।
    আর ছাড়ান নেই ।

  • বিভাগ : ব্লগ | ০৫ জুন ২০২১ | ১৩৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Shampa Shuchismita Ray | ০৫ জুন ২০২১ ১৬:৫০494591
  • রহস্য রোমাঞ্চের কথা এখন আনন্দ আর বেদনার মত মধুরবিধুর! 


    চমৎকার! 


  • Siddhartha Mukherjee | ০৫ জুন ২০২১ ১৭:১৯494592
  • অনেকটা ধন্যবাদ রইল । 

  • Ranjan Roy | ০৫ জুন ২০২১ ১৯:২৮494596
  • একটা অন্য ধরনের অনুভূতি-- ঠিক শব্দেতে বাঁধা যাচ্ছেনা। আমাদেরও বা আমার মেয়েদেরও কিছু না কিছু ছিল। সময়ের অবহেলায় সব ঝাপসা হলদেটে অ্যালবাম। খুব ভাল লেগেছে লেখাটি।

  • | ০৫ জুন ২০২১ ২০:০৭494600
  • আহা আমার ছিল বোবো আর ঘাঁতুন। বোবো একটা  গরিলাছানা আর ঘাঁতুন হাতি। কতসব গল্প বলত ওরা দূর দূর সব জঙ্গলের গল্প, সোঁদা গন্ধওলা। 


    দেখি আজ রাতে একবার খুঁজতে হবে ওদের।

  • kk | 97.91.195.43 | ০৬ জুন ২০২১ ০২:২৮494616
  • খুব ভালো লাগলো এই লেখাটা। আমারও ছিলো এমনি তারা। এখনও আছে।

  • π | ০৬ জুন ২০২১ ২০:৩৮494669
  • আমারো দারুণ লাগল।


    এরকম রহস্য আর রোমাঞ্চ রা ছোট থেকে বড় হলে উবে যায় কেন কেউ জানেন?  অভি?  

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : gu[email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে মতামত দিন