• হরিদাস পাল  বইপত্তর

  • পুস্তকালোচনা — রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি — মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন

    AritraSudan Sengupta লেখকের গ্রাহক হোন
    বইপত্তর | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ২৯৩২ বার পঠিত | ২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • দ্বিতীয় পর্ব

    #পুস্তকালোচনা -- #রবীন্দ্রনাথ_এখানে_কখনও_খেতে_আসেননি -- #মোহাম্মদ_নাজিম_উদ্দিন



    বই = রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি।


    লেখক = মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন।


    প্রকাশক = অভিযান পাবলিশার্স।


    পৃষ্ঠা সংখ্যা = ২৭১


    মুদ্রিত মূল্য = ৩৪০ টাকা


    ———————————————————————————————————————


    বাংলা সাহিত্যে সাম্প্রতিককালে সাড়া জাগানো বইটি নিয়ে আলোচনার দ্বিতীয় অংশ শুরু করি।


    ২১) পঞ্চম অধ্যায়ে নুরে আতরের কাছে ফালু নামে একজন ব্যক্তির কথা জানতে পারে যে কারোর মৃত্যুর আগেই কবর খুঁড়ে রাখে।
    যে নুরে গ্রামের কাছে থাকা রেস্টুরেন্ট থেকে মানুষ হারিয়ে যাওয়ার তদন্ত করতে এসেছে, তার এই ঘটনা শুনে মনে কোনো সন্দেহ তৈরী হয় না। উল্টে লেখক জানান — "এইসব তারছেঁড়া লোকজনের ব্যাপারে তার কোনো আগ্রহ নাই", "এইসব কথায় সে বিরক্ত হয়ে ওঠে"।
    যদিও আতর একটু প্রগলভ হয়ে বাড়তি কথা বলছিলো, আর নুরে অন্য কাজে যাচ্ছিল বলে সেই মুহূর্তে এই কথাগুলি তার কাছে ভিন্ন প্রসঙ্গের হলেও, নুরের সন্দেহের তালিকায় ফালুর নামটা এইখান থেকেই ঢুকে যায়নি দেখে আশ্চর্য হতে হয়। এমনকি তাকে একবারে উপেক্ষা করাটাও ভারী অবাক করে দেয়।
    ২২) পঞ্চম অধ্যায়ে লেখক জানান যে মানুষ — "শব্দকে ছয়টি সুরে-সা-রে-গা-মা-পা-ধা-নি-বেঁধেছে।", সাতটি সুরের নাম উল্লেখ করে সেটাকে ছয়টা বলার মতো বালখিল্য ভুল কেমন করে হয়, কে জানে।
    ২৩) এছাড়া পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার মানুষের কাছে সুরের সংখ্যা বিভিন্ন এবং সেটা সাত নয় (শুদ্ধ সুর হিসেবে সাতটি ধরা হয় অনেক ক্ষেত্রেই, এছাড়া আরো সুর আছে)।
    ২৪) সপ্তম অধ্যায়ে আতর জানায় যে, ২০০৮ খ্রীষ্টাব্দের দিকে মুশকান সম্পত্তিগুলো নিজের দখলে নেয় যেটা ২০০৯ খ্রীষ্টাব্দের দিকে তার হাতছাড়া হতে শুরু করে; এরপরে স্থানীয় এমপির সাথে আপস করে নিয়ে কিছু সম্পত্তি সে দখলে নেয়; মুশকান ২০০৮ খ্রীষ্টাব্দে সুন্দরপুরের জমিদার বাড়িতে এসে ওঠে এবং অলোকনাথ বসুর বাকি সম্পত্তিগুলি নিজের দখলে নিয়ে দেখভাল করতে শুরু করে।
    আতরের বক্তব্য সত্যি হলে পুরো সময়রেখার হিসেবটাই গুলিয়ে যায় কারণ তার বক্তব্য পরষ্পরবিরোধী। লেখক এটা বাজেরকম গোলমাল করেছেন।
    ২৫) ষষ্ঠ অধ্যায়ে মাষ্টার চরিত্রের বক্তব্য অনুযায়ী, ২০১০ খ্রীষ্টাব্দে রাশেদ জুবেরিকে দেখাশোনা করার মতো কেউ ছিলো না এবং তার সাত-আট মাস পরে (যার এক-দুই মাস আগে রাশেদ মারা গেছিলো) মুশকান সুন্দরপুরে এসে নিজেকে রাশেদের স্ত্রী বলে দাবী করে।
    কিন্তু আগেই বলা অংশে সপ্তম অধ্যায়ে আতরের বক্তব্যের সাথে মাস্টার চরিত্রের বক্তব্যের সংঘাত হচ্ছে। লেখক এটা ঘেঁটে ঘ করেছেন।
    ২৬) সপ্তম অধ্যায়ে দেখি, "রমাকান্তকামার" শব্দটি দেখে নুরের খেয়াল হয় যে নামটি উল্টে বললে বা লিখলে একই থাকে এবং সেটি Ambigram বলে তার সন্দেহ হয় (বাস্তবে ওটি Palindrome)।
    সাধারণ মানুষের পক্ষে এই ভুল করা এমন কিছু সমস্যার নয়, তবে নুরের যা খ্যাতি তাতে এতো কাঁচা ভুল করলে সেটা বেশ বেমানান লাগে।
    ২৭) চতুর্থ অধ্যায়ে নুরে ফোনে একজনকে জানায় — "কমপক্ষে সপ্তাহখানেক লাগতে পারে... তবে আমি শিউর না..." এবং তারপরেই বলে — "হোমরাচোমরা লোকজনের সাথে মহিলার খাতির... সাবধানে কাজ করতে হবে...টের পেয়ে গেলে কাজটা করা কঠিন হয়ে যাবে..."। আর সেই সময় অবধি নুরের কাছে যা তথ্য ছিলো তাতে এই সিদ্ধান্ত যুক্তিযুক্ত।
    কিন্তু নবম অধ্যায়ে দেখি যে সে সেদিনেই হঠাৎই রাত এগারোটার সময় নিজে তদন্ত করতে চলে যায়। ঐ দুইটি অধ্যায়ের মাঝে ঘটা বিভিন্ন ঘটনা এবং তাতে পাওয়া তথ্য থেকে নুরের আচমকা সিদ্ধান্ত বদলের পিছনে কোনও কারণ পাওয়া যায় না, এমনকি লেখক নিজেও কোনো কারণ জানাননি।
    ২৮) দশম অধ্যায়ে দেখি, নুরে সাইকেলে চড়ে কানটুপি পরে কালো জিন্স-প্যান্ট এবং মরচে-পড়া রঙের গ্যাবাডিনের জ্যাকেট পরে ভাবছে যে এই পোষাক রাতের জন্য নিঁখুত ক্যামোফ্লাজ সৃষ্টি করবে। যার পরেই লেখক জানাচ্ছেন যে এর পরেও একজন ঠিকই তাকে দেখে চিনতে পেরেছে।
    সেটাই স্বাভাবিক, কারণ মুখ যদি ঢাকা না থাকে তাহলে মুখ দেখে চিনতে পারাটা এমন কঠিন কিছু নয়। এ কেমন জাঁদরেল গোয়েন্দা যে মুখ না ঢেকে নিখুঁত ক্যামোফ্লাজ নেওয়ার কথা ভাবে।
    ২৯) দশম অধ্যায়ে এরপরেই দেখি, নুরে জমিদার বাড়ির দিকে যাওয়ার সময়ে "রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনও খেতে আসেননি" হোটেলের সামনে দিয়েই যায়।
    রেস্টুরেন্ট থেকে জমিদার বাড়ির যাওয়ার পথে যে লক্ষ্য রাখা হতে পারে এটা তার একবারও মনে হয় নি। বুদ্ধি বটে!
    ৩০) দশম অধ্যায়ে তারপরে দেখি, নুরে ভাবছে — "বোবা তার ঢিলের শব্দ কি করে শুনবে, সে তো কানেই শোনেই না।"
    কিন্তু বাস্তবে, বোবা হলেই যে কেউ কানে শুনতেই পাবে না, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। এমনকি আতরও এটা তাকে জানায়নি যে বোবা দারোয়ান শুনতে পায় না। যদিও, ঊনত্রিংশ অধ্যায় থেকে জানতে পারি যে, ঐ ইয়াকুব নামের দারোয়ান সত্যিই কানে শোনে না। তবে এটা পরের ঘটনা।
    ৩১) এছাড়া একজন বোবাকে যেহেতু দারোয়ান হিসেবে রাখা হয়েছে তাই গোয়েন্দা হিসেবে নুরের এটা বোঝা বা নিদেনপক্ষে সন্দেহ করা উচিৎ যে জমিদার বাড়িতে দারোয়ান ছাড়াও তার ভেতরে নজর রাখার জন্য আরো ব্যবস্থা থাকা সম্ভব।
    ৩২) দশম অধ্যায়েই দেখি, জমিদার বাড়িতে কতজন আছে সেটা নিজে না জেনেই নুরে পাঁচিল টপকে ঢুকে পড়ে। আতর নিজে যেদিন ঢুকেছে তারপরে মুশকান জমিদার বাড়ির ভেতরে আরো লোক লুকিয়ে ঢোকাতে পারে। তাই সে যতজন বলেছে তার থেকেও বেশী জন মানুষ সেখানে লুকিয়ে কাজ করতে পারতো এবং সেক্ষেত্রে নুরের বিপদ হতে পারতো।
    ৩৩) দশম অধ্যায়ে এরপরে নুর দেখে — "উজ্জ্বল আলোয় পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে খালি গায়ের গোরখোদক ফালু ময়লা জিন্স প্যান্ট হাঁটু পর্যন্ত গুটিয়ে রেখেছে।"। কিন্তু নুরের পক্ষে ফালুকে শনাক্ত কথা কঠিন, কারণ এর আগে আতরের সাথে সে তার "আবছা অবয়ব" দেখেছে মাত্র বা অন্য কেউ তার কাছে ফালুর চেহারার বর্ণনা দেয়নি। ফালুকে জমিদার বাড়তে ঢুকতেও তারা দেখেনি, তারা আন্দাজ করেছে যে সে জমিদার বাড়িতে ঢুকবে।
    ৩৪) একাদশ অধ্যায়ে লেখক জানাচ্ছেন — "সম্ভবত এটাই বোবা দারোয়ান। মুশকান জুবেরি মাথা নেড়ে সায় দিয়ে কী যেনো বললো তাকে। সঙ্গে সঙ্গে গোরখাদক ছেলেটাকে নিয়ে চটের ছালাটা মেলে ধরল সে," এবং এর একটু আগেই তিনি লিখেছেন — "মুশকান জুবেরি তাদের সামনে দাঁড়িয়ে কী যেনো বলছে।"।
    কাজেই, এর থেকে বোঝা যায় যে বোবা চরিত্রটি কানে শুনতে পায়।
    যদিও, ঊনত্রিংশ অধ্যায় থেকে জানতে পারি যে, ঐ ইয়াকুব নামের দারোয়ান সত্যিই কানে শোনে না।
    ৩৫) চতুর্দশ অধ্যায়ে দেখি আতরের মন বলে — "ঐ সাংবাদিককে মাত্র দু-দিন ধরে চেনে।", কিন্তু বাস্তবে সে যেদিন রাতে এই কথাটি ভাবছে সেদিন বিকেলের শেষে তার আর সাংবাদিকের পরিচয় হয়েছে। অর্থাৎ সে সাংবাদিককে গোটা একদিনেরও কম সময়ে ধরে চেনে।
    ৩৬) পঞ্চদশ অধ্যায়ে আমরা দেখি যে, ফালু জমিদার বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসছে দেখে আতরের মনে প্রশ্ন জাগে যে ফালু এতক্ষণ জমিদার বাড়িতে থাকলে একটু আগে আতর যখন ফালুর ঘরে ঢুকেছিলো তারপর তাকে সেখান থেকে কবরস্তান অবধি কে ধাওয়া করেছিলো। কারণ তখন সে ফালুর গলায় গালাগালি শুনেছিলো।
    কিন্তু, এই প্রশ্নের উত্তর কাহিনীতেই নেই।
    ৩৭) পঞ্চদশ অধ্যায়ে লেখক জানান — "
    "আপনেরে ওরা কেউ দেহে নাই? কেউ কিচ্ছু টের পাই নাই?!" ইনফর্মার খুবই অবাক।
    গভীর করে দম নিলো ছফা। "অনেক ঘটনা আছে। সবই বলবো, তবে এখন না।"
    "
    এরপরেই ষোড়শ অধ্যায়ে আবার লেখক জানান — "
    "হ্যা, হ্যা, আছি," তড়িঘড়ি বললো ছফা, "কিন্তু ঐ মহিলা আর কাজের মেয়েটা... ওরা তো দেখে ফেলতে পারে?"
    "আপনে না কইলেন, হেরা আপনেরে দেখেছে?"
    "
    কিন্তু এই কথাটা নুরে আতরকে এখনো বলেই নি (যেটার পঞ্চদশ অধ্যায়ের কথোপকথন থেকেই বোঝা যায়)। কাজেই এটা তার জানার কথাই নয়।
    ৩৮) পঞ্চদশ অধ্যায়ে দেখি যে, নুরে জমিদার বাড়িতে পাঁচিল টপকে ঢোকে কিন্তু সেই একইভাবে বেরোতে পারে না। এমনকি কাহিনী থেকে বোঝা যায় যে বেরানোর ব্যাপারে পরিকল্পনা না করেই সে ঢুকে যায়।
    আবার জানাই — চরিত্রটি ডিটেক্টিভ ব্রাঞ্চের জাঁদরেল গোয়েন্দা!
    ৩৯) এর পরেই দেখি যে আতর নুরেকে ফোন করেছে, তখন সে বেরোনোর জন্য সাহায্য না চেয়ে আতরকে জিজ্ঞেস করতে ব্যগ্র হয়ে পড়ে যে, আতর তার ফোন নাম্বার পেলো কেমন করে।
    এরপর উল্টে আতর তাকে বলে যে, সে কীভাবে জানলো সেটা জরুরী নয়, নুরে এখন ঠিকঠাক আছে কি না সেটা যেন সে সুনিশ্চিত করে জানায়।
    উপস্থিত বুদ্ধি দেখে বোঝা ভার যে, কে জাঁদরেল গোয়েন্দা আর কে খোচড়!
    ৪০) ষোড়শ অধ্যায়ে জানতে পারি যে নুরে তার মোবাইল ফোনটি খুব একটা Charge না করেই হোটেল থেকে বেরিয়ে গেছিলো, কারণ সে বুঝতে পারে নি যে তার এত দেরী হয়ে যাবে।
    জমিদার বাড়িতে তার আরো বেশী সময়ও লাগতে পারতো, যদি ভেতরে মুশকানের তরফে আরো লোকজন লুকিয়ে থাকতো। অর্থাৎ তার ওখানে গিয়ে কোনও কাজের জন্য আরো বেশী সময় লাগতেই পারতো, তাই যতটা সম্ভব প্রস্তুতি নিয়ে যাওয়াটাই বুদ্ধিমানের কাজ হতো।
    নুরের বোধহয় মনে হয়েছিল যে, সে জমিদার বাড়িতে যাবে, যেখানে সমস্ত তথ্য তার জন্য কোনো বইয়ে লিখে দেওয়া থাকবে, সে গিয়েই বইটি নিয়ে চলে আসবে!
    বার বার একটাই কথা মনে আসে — জাঁদরেল গোয়েন্দা। এমনকি সে case solve করতে পারে বলে তাকে নাকি case দেওয়া হয় না। বাপরে!


    ———————————————————————————————————————
    অনেকেই, আগের অংশে থাকা মাত্র কুড়িটি অসঙ্গতি দেখেই লাফালাফি করছেন বলে আবার জানিয়ে রাখি যে আমি অনেক ক্ষেত্রেই ছোটখাটো অসঙ্গতিগুলো উপেক্ষা করি। নাহলে ভুলের সংখ্যা আরও অনেক বেশী হয়ে যেত।
    উদাহরণ স্বরূপ জানাই - পঞ্চম অধ্যায়ে লেখক জানান — "জগতের সকল রঙকে সাতটি ভাগে ভাগ করেছে মানুষ।", কিন্তু তিনটি রঙ ব্যবহার করেই সমস্ত রঙকে মোটামুটিভাবে প্রকাশ করা যায়। এছাড়া মানুষের চোখ প্রায় এক কোটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের মধ্যে দেখে পার্থক্য করতে সক্ষম।
    এইরকম বেশ কিছু ক্ষেত্রে আমি ছোটখাটো অসঙ্গতিগুলোকে উপেক্ষা করেছি।
    যাই হোক, সময় পেলে পরবর্তী অংশ নিয়ে আবার আসবো আলোচনা করতে। আর চিন্তার কোনো কারণ নেই, পরে এই বইটির ভালো দিক নিয়েও আলোচনা করা হবে।


    দ্বিতীয় পর্ব
  • বিভাগ : বইপত্তর | ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২১ | ২৯৩২ বার পঠিত | ২ জন)
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • R | 184.148.172.234 | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ০১:৩৮103105
  • শেষ লাইনটা পড়ে একটু ঘাবড়ে গেলাম - এই বইয়ের ভালো দিকও আছে নাকি? 


    চেয়ার পেতে বসলাম। 

  • Ramit Chatterjee | ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১ ২০:৪৭103114
  • বইটায় জোর করে রহস্য বানিয়েছে লেখক। শেষটা একটু ঘাঁটা লেগেছে আমার। পড়ে বেশ খানিকটা সময় নষ্ট আর কি। এটা নাকি আবার বেস্ট সেলার। পাঠকের হাল দেখে কান্না পাচ্ছে। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন