ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  বই

  • ফেসবুকের রিভিউ কাহিনী

    AritraSudan Sengupta লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বই | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১৩৭২৪ বার পঠিত
  • কয়েক বছর ধরে প্রচুর লোকজনকে দেখলাম বইয়ের রিভিউ লিখতে। কিন্তু কেউই ঠিক যুত করে লিখতে পারে না বলে দেখলাম।
     
    তাই রিভিউ লিখে জ্ঞানপীঠ, সাহিত্য অ্যাকাডেমি এবং নোবেল একসাথে পাওয়ার পরে আজ এসেছি রিভিউ কেমন ভাবে লিখলে বিখ্যাত হওয়া যায় সেই নিয়ে আলোচনা করতে। একজন বাঙালি হয়ে আরেক বাঙালির সাহায্য না করলে কি চলে মশাই? চলে না।
     
    ১) যে বইয়ের রিভিউ লিখবেন তার লেখককে অবশ্যই পোস্টে tag করবেন। আপনি রিভিউ লিখছেন সেটা লেখক যদি না জানে তাহলে তো রিভিউ লেখাই বৃথা।
     
    ২) লেখক ফেসবুকে না থাকলে ঘাবড়ে যাবেন না। তাঁর কিছু চাটুকার বা ভক্ত নিশ্চয়ই থাকবেন। তাদের Tag করে লিখবেন। তার মধ্যেই আবার ফেক প্রোফাইল থেকে লেখক নিজেই থাকতে পারেন, অতএব মাভৈঃ।
    পোস্টে tag না করলে রিভিউ লেখাই বেকার। মন্তব্যে mention অনেকে করে বটে, কিন্তু লাভ নেই।
     
    ৩) রিভিউর সাথে বইয়ের ছবি দিন আর নাই দিন, নিজের ছবি অবশ্যই দেবেন। মনে রাখবেন, রিভিউ লেখা কিন্তু অন্য পাঠকদের বইয়ের ব্যাপারে জানানোর জন্য নয়, নিজের ঢাক পেটানোর জন্য।
     
    ৪) লেখার শুরুতে একটা ন্যাকামি অবশ্যই করবেন, নাহলে লোকে আপনার বাঙালিয়ানা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দেবে।
    সেটা হচ্ছে, রিভিউয়ের শুরুতেই লিখবেন — "এই বইয়ের রিভিউ করার যোগ্যতা আমার নেই, কিন্তু..." এরপরে চার পাতা ধরে রিভিউ লিখে হ্যাজাবেন।
     
    ৫) এই বারে আসি রিভিউয়ের মূল মন্ত্রে।
    রিভিউ লেখার সময় সবর্দা মনে রাখবেন —
     
    কুপাঠক যদ্যপি হয়,
    কুলেখক কদ্যপি নয়।
     
    কাজেই কোনো বই তো দূরের কথা, বইয়ের কোনো অংশ খারাপ হতেই পারে না। কোনো বই খারাপ লাগলে আপনি সেটা নিয়ে কখনই লিখবেন না।
     
    ৬) মাথায় রাখবেন যে খারাপ দূরের কথা, মাঝারি মানের লেখাকেও ভালো বলে তোল্লাই দিতে হবে। কারণ, বাঙালি মধ্যমেধার চাষ করে না।
     
    ৭) যদি খারাপ কিছু লেখার কথা মাথায় আসে, তবে জেনে রাখবেন যে বাংলা সাহিত্য বিশ্বের সেরা সাহিত্য এবং সর্বোধিক মূল্যবান তথা বিক্রিত সাহিত্য। এক মাসে চারটে এডিশন একমাত্র এই ভাষাতেই সম্ভব। এই ভাষাতেই একটা এডিশনে পঞ্চাশ থেকে এক হাজার কপি, যেকোনো সংখ্যার বই ছাপা হতে পারে। এখানেই পাঠকের থেকে লেখক বেশী, লেখকের থেকে সম্পাদক বেশী এবং সম্পাদকের থেকে প্রকাশক সংখ্যায় আরো বেশী।
     
    তাই, এই বিস্ময়কর ব্যবসায় প্রফিট মার্জিন থাকে না বলেই সবাই দাবী করেন, অথচ প্রতি বছর অন্তত খান (আমির নয়) পনেরোটি প্রকাশনা খুলে যায়।
     
    কিন্তু এই সুবিশাল বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে আপনার মাত্র একখানা ফেসবুকে পোস্টের জোরেই। সেই পোস্ট পৌঁছে যেতে পারে বিশ্বের সমস্ত পড়ুয়ার কাছে; এমনকি যাদের কাছে মোবাইল নেই কিন্তু বই আছে, তাদের কাছেও।
    তাই বাংলা ভাষা এবং বাংলা সাহিত্যকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে কোনোমতেই কোনো বইয়ের নিন্দা করা যাবে না।
     
    ৮) এরপরেও যদি সমালোচনা করেন তাহলেও একটা কথা মাথায় রাখবেন।
     
    কারোর কবিতা খারাপ লাগলেই তার চাটুকার থুড়ি ভক্ত থুড়ি সাহিত্য বোদ্ধারা এসে বলবেন —
     
    ওহে, তুমি... 
    শেলি পড়েছ?
    কীটস্ পড়েছ?
    হোমার?
    রবীন্দ্র-নজরুল-শক্তি - সুনীল নিদেনপক্ষে সুকান্ত?
     
    ও, এখনো পড়া হয়নি?
    তাহলে কোন আক্কেলে লেখার সমালোচনা করছো?
    ওহে ছোকরা, কাকে সাহিত্য বলে সেটা আদৌ বোঝ?
     
    কিন্তু কারোর লেখা গদ্যকে যদি দুর্দান্ত, কালজয়ী, আপনার শ্রেষ্ঠ লেখা এটিই আর লেখার দরকার নেই, বাংলা সাহিত্য তো বটেই এমনকি বিশ্বসাহিত্যও আপনার কাছে ঋণী হয়ে থাকবে ইত্যাদি লিখে পোস্ট দেন, তাহলে তখন কিন্তু কেউ এসে বলবে না —
     
    ওহে, তুমি... 
    জয়েস পড়েছ?
    অ্যাসিমভ পড়েছ?
    টলস্টয়?
    মানিক — বিভূতি, কমপক্ষে রবীন্দ্র-শরৎ?
     
    ও, এখনো পড়া হয়নি?
    তাহলে কোন আক্কেলে লেখার প্রশংসা করছো হে বোনটি?
    ওহে, কাকে সাহিত্য বলে তার ধারণা আছে আদৌ ?
     
    অতএব, কষে প্রশংসা করে যান।
     
    ৯) এবার প্রশংসা কীভাবে করবেন সেটাও জানাই। একটা স্যাম্পেল না পেলে টুকবেন কীভাবে। সেটাও নিয়ে এসেছি। 
    চলুন কয়েকটি নমুনা দিই।
     
    1] প্রচ্ছদ অসাধারণ। এই কালারের বিভিন্ন ডিজাইনের প্রচ্ছদ এর আগে দেখলেও এমনটা দেখিনি, আর এই ডিজাইনের অনেক কালারের প্রচ্ছদ দেখলেও এমনটা আগে দেখিনি। এই প্রথম তোমায় দেখেছি, এই প্রথম কাছে এসেছি... ইত্যাদি।
     
    2] অলংকরণ অত্যন্ত সুন্দর।
     
    আমার note — ভাবছেন ভেতরে আঁকা ছবি না থাকলে কী লিখবেন? সেটাও বলছি।
    তখন লিখবেন — ভালো জিনিস কম হলেই ভালো কবিগুরু বলেছেন, তাই এই বইতে অলংকরণের অনুপস্থিতিই একটা অলংকরণ।
     
    3] বাঁধাই অত্যন্ত সুন্দর।
     
    এবার আপনার নিশ্চয়ই বলবেন যে এমন বই তো থাকে যেগুলো ছেড়ে দিলে নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে কী লিখবো?
     
    দেখুন, এমনি এমনি রিভিউ লিখে নোবেল পাইনি। এরও উপায় আছে।
     
    সেক্ষেত্রে লিখবেন — মজবুত বাঁধাই। শক্তপোক্ত বাঁধাইয়ের উপস্থিতি বইতে বুকমার্কের প্রয়োজনীয়তাকে বাঙ্ময় করেছে।
     
    4] আরামদায়ক / শক্তিদায়ক / তৃপ্তিদায়ক ফন্ট।
     
    এমন লিখবেন যেন লোকে ভাবে আপনি ফন্টটা দেখছেন না, চা-কফি খাচ্ছেন।
     
    ১০) এত কিছু লেখার পরে লোকে বইয়ের কন্টেন্ট নিয়ে আর মাথা ঘামাবে না। তাও না লিখলে দুষ্ট লোকেরা মন্তব্য করবে — "বিশদে লিখলে ভালো হত।"। কাজেই এখানেও ঢালাও প্রশংসা করে যেতে হবে।
     
    1] ধরুন, বইতে অকারণে যৌনতা বা খিস্তি এসেছে। লিখবেন — এই বইটি দিয়েই বাংলা ভাষায় প্রাপ্তমনস্ক বইয়ের সূচনা হলো।
     
    2] আবার ধরুন, প্রয়োজন থাকলেও যৌনতা বা গালি নেই। তখন লিখবেন — এই বইটি বাংলা সাহিত্যের চিরকালীন ভদ্রতাকে ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছে।
     
    3] আবার ধরুন, পিরিয়ড নিয়ে কবিতা লেখা হয়েছে, তখন লিখবেন — জীবনশৈলীর পাঠক্রমে এই বইটি পড়ানো অবশ্যই দরকার।
     
    ইত্যাদি।
     
    ১১) রিভিউতে লেখক/লেখিকাকে নোবেল অন্তত পাইয়ে দেবেন। বাংলা ভাষায় লেখেন বলেই যে তিনি নোবেল পেলেন না এইটা লেখার শেষে একদম মাস্ট - মাস্ট - মাস্ট। এর থেকেই লোকজন বুঝে যাবে যে সাম্প্রতিক কালের বিশ্বসাহিত্য আপনার মর্মস্থ, পুরো বিশ্বের সমস্ত ভাষার সাহিত্য পড়েই আপনি সেই লেখক/লেখিকাকে নোবেল দিচ্ছেন।
     
    ১২) রিভিউ লেখার সময় নিজের ওপিনিয়নগুলি বিনা ব্যাখ্যায় ফ্যাক্ট বলে চালিয়ে দেবেন। এইটা করলে রিভিউতে লাইকের থেকে কমেন্ট বেশী আসবে।
     
    যেমন — রবীন্দ্রনাথ উপন্যাস লিখতে পারতেন না।
    শুধু এইটুকুই লিখবেন। কেন তার উপন্যাসগুলি আদপেই উপন্যাস হলো না, সেই ব্যাখ্যা লেখার ভুল করবেন না।
     
    ১৩) রিভিউতে একটি জিনিস অবশ্যই লিখবেন। প্রথমে যদি নাও লেখেন, শেষে অবশ্যই লিখবেন।
     
    "এই বইটি পড়ে বোঝা যায় যে লেখক/লেখিকা প্রচুর রিসার্চ করে এই বইটি লিখেছেন।"
     
    কারণ, বাকি সব লেখকরা কোনো পড়াশোনা না করেই লিখতে বসে যান, আর শুধুমাত্র আপনার লেখকই প্রচুর রিসার্চ করে বই লেখেন এইটা পাঠককে বোঝাতে হবে তো।
     
    ১৪) উপরের জিনিসটি নন-ফিকশন বইয়ের ক্ষেত্রে একবার লিখলেও চলে কিন্তু ফিকশনের ক্ষেত্রে ক্ষেত্রে এইটি একাধিকবার লেখা জরুরী। নাহলে অশিক্ষিত লোকজন সেটাকে থিসিস পেপার বলে ভুল করতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলা সাহিত্যের নোবেলটা আবার ফিজিক্স, কেমিস্ট্রি ইত্যাদিতে চলে যেতে পারে। সেটা তো আর হতে দেওয়া যায় না।
     
    এই বাক্যটি না থাকলে রিভিউ লিখে কোনোদিন বড় রিভিউয়ার হতে পারবেন না।
     
    ১৫) এই প্রসঙ্গেই আরেকটি কায়দা মাথায় রাখবেন। সাম্যবাদী হতে হবে।
     
    না, না, লাল পতাকা ধরে মিছিল করতে বলিনি।
     
    নন-ফিকশন আর ফিকশনের ভেদাভেদ মুছে দিতে হবে। এমনভাবে রিভিউ লিখবেন যাতে পড়ে বোঝাই না যায় যে বইটি ফিকশন না নন-ফিকশন।
     
    আর এরপরে, লোকে ফিকশন চাইলে সেখানে নন-ফিকশন বই আর নন-ফিকশন চাইলে সেখানে ফিকশনের রেকমেন্ডেশন মেরে দিতে ভক্তরা তো আছেনই।
     
    এমনি এমনি কি সাতদিনে তিনটে এডিশন হয় মশাই! হয় না, হয় না, হতে পারে না।
     
    ১৬) মাথায় রাখবেন, রিভিউ লিখতে গিয়ে লেখকের ব্যক্তিগত জীবনের কোনো কাজের নিন্দা করলে মানহানির মামলার ভয় আছে, কিন্তু প্রশংসা করলে তো মানহানির মামলার ভয় নেই। কবিগুরু বলে গেছেন — বড়বাবুকে হনুমান বললে মানহানি হতেও পারে, কিন্তু হনুমানকে বড়বাবু বললে মানহানি হয় না।
     
    কাজেই বইয়ের সাথে তথা সাহিত্যের সাথে সর্ম্পক না থাকলেও লেখক ব্যক্তিগত জীবনে কোথায় কী করে বেড়াচ্ছেন সেটার প্রশংসা করে রিভিউতে লিখতেই হবে।
     
    বিশেষত যেকোনো একটা চাকরী করতে করতে যদি লেখেন তাহলে তো আর কথাই নেই। এইটা করা যে কত কঠিন সেটা বার বার লিখবেন।
     
    তবে ব্যবসা করতে করতে লিখলে একটু নরম করে বকে দেবেন। বাঙালি ব্যবসা অপছন্দ করে তো।
     
    আর এই সব অপ্রাসঙ্গিক জিনিস লিখলে রিভিউটা একটু লম্বাও হবে। কাজেই উইন-উইন সিচুয়েশন।
     
    ১৭) ইস্পেশাল নোট — নিজে লেখক হলে যে প্রকাশনা থেকে আপনার বই বেরিয়েছে বা বেরোতে চলেছে রিভিউতে তার ঢাক ভালোভাবে পেটাতে হবে।
     
    এরই সাথে সেই প্রকাশনা থেকে প্রকাশিত অন্য বই এবং তার লেখক/লেখিকাদের প্রশংসা করাও আপনার কর্তব্য। মাথায় রাখবেন, শুধুমাত্র প্রশংসা করবেন। কারণ —
    কুপাঠক যদ্যপি হয়,
    কুলেখক কদ্যপি নয়।
     
    ১৮) বই কেনার জন্য রিভিউতে বার বার পাঠকদের উস্কানি দিতে হবে, সেন্টিমেন্টাল সুড়সুড়ি দিতে হবে, "এই বই না কিনলে জীবন বৃথা" মার্কা ভয় দেখাতে হবে।
     
    রিভিউ না, বইয়ের প্রমোশন, সেটা যেন পাবলিক বুঝতেই না পারে।
     
    এইসব না করলে বাংলা বইয়ের দুর্দিন ঘনিয়ে আসবে।
     
    আর কারোর বই কিনে খারাপ লাগলে রিভিউয়ার তো খিস্তি খাবে না, খাবে লেখক। কাজেই, নির্লজ্জের মতো, থুড়ি ভয় না পেয়ে লিখুন। 
     
    ১৯) রেটিং দিলে সর্বোচ্চ মান পাঁচ হবে। দশে বা একশততে দিতে যাবেন না। অন্য লবির লেখকরা যদি জিজ্ঞেস করে —
    প্লট কেমন ছিল?
    ক্যারেক্টারাইজেশন কেমন ছিল?
    ডায়লগে ডায়ালেক্ট কতটা ঠিকঠাক আছে?
    উপন্যাস হলে তাতে সাব-প্লটগুলো গোটানো হয়েছে?
     
    একশ নাম্বারে এইসব ব্যাখ্যা করতে গেলে বাংলা সাহিত্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ সাহিত্য হতে পারবে না, কাজেই এই রকম পাকামি নৈব নৈব চ।
     
    পাঁচে পাঁচ দিতে থাকুন। রিভিউ তে লেখার প্রচুর ভুল ধরে দিলেও পাঁচে পাঁচ। 
     
    ২০) দেখুন, এমনিতে এমন রিভিউ লিখতে হয় যার ভাষা বইয়ের লেখার থেকেও ভালো। কিন্তু সবার তো অত ভাষার উপর দখল নেই, এই যা, নিন্দা করে ফেললাম।
     
    দুঃখিত। আবার লিখছি। 
    দেখুন, এমনিতে এমন রিভিউ লিখতে হয় যার ভাষা বইয়ের লেখার থেকেও ভালো। কিন্তু, সবাই তো একইভাবে প্রশংসা করতে চান না।
     
    সেক্ষেত্রে বই থেকে টানা এক-দুই পাতা লেখা পোস্টে নামিয়ে দিন আর সাথে নেখক/লেখিকার একটা মনোরম ফটো। আর ঐ রিসার্চ, নোবেল ইত্যাদি জিনিসগুলো গুঁজে দিতে হবে।
     
    এটাও রিভিউ।
     
    ২১) বইয়ের রিভিউ লেখার সাথে বই বিক্রিও শুরু করুন। নিজেই বইয়ের প্রশংসা করবেন, আর নিজেই সেই বই বিক্রি করবেন।
     
    না, এতে conflict of interest একেবারেই হবে না।
     
    ২২) এইসব করে-টরে একটু জনপ্রিয় হলে ইউটিউব, ইনস্টাগ্রাম, পেট্রিয়ন, ওনলিফ্যানস ইত্যাদি জায়গায় আসুন। আগে নিজের খরচে বই কিনে রিভিউ করতেন, এবার টাকা ও বই দুটোই নিয়ে প্রমোশনাল ভিডিও করুন, তবে সেটার নাম রিভিউ লিখে ভিউয়ারদের কাছেও টাকা নিতে থাকুন, নিজের লেভেল মেন্টেন করতে বিনা পয়সায় রিভিউ করবেন না।
     
    অস্কার কে আটকায়!
     
    আমিও টুইচে আসবো ভাবছি।
     
    কী বললেন? টুইচে লোকে খেলা দেখায়?
    আরে, এই রিভিউ লেখাটা তার থেকে আলাদা কিছু নাকি!!
    —————————————————————————————————————————————
    আপনারা আরো কোনো পয়েন্ট-ফয়েন্ট পেলে জানাবেন। আমিও রিভিউ লেখা শিখবো। আরো একটা নোবেল পেতে হবে তো।
  • আলোচনা | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ | ১৩৭২৪ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ০৯:৫৯504110
  • কুপাঠক যদ্যপি হয়,
    কুলেখক কদ্যপি নয়।
    হা হা হা হা এই লাইনটা সেরা 
     
    আর একটা লাইন থাকে সাধারণত যে আমি এমনিতে খুব ব্যস্ত বই পড়ার সময় একদমই পাই না, আগে যদিও দিনে পাঁচটা করে বই শেষ করতাম -- এখানে খানিক হ্যাজ থাকতে পারে। তাপ্পর কিন্তুউউ এই বইটা ধরে আর ছাড়তে পারি নি। 
  • Abhyu | 47.39.151.164 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১০:৪৫504111
  • খাসা লেখা!
    এটা পড়তে পড়তে যা মনে হচ্ছিল সেটা লেখা যাবে না :)
  • AritraSudan Sengupta | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১১:৩১504112
  • @দ
    ঐরকম আরো আছে। পঞ্চাশ শব্দের বই, এদিকে পোস্ট হচ্ছে — এক নিশ্বাসে পড়ে ফেললাম।
     
    এদের নাম গিনেস বুকে আসে না কেন কে জানে!
  • AritraSudan Sengupta | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১১:৩২504113
  • @Abhyu
    লিখে ফেলুন।
    "ভয় পেও না, ভয় পেও না, তোমায় আমি মারব না"!
  • dc | 122.164.46.212 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১২:১৪504115
  • খাসা লেখা। এই লেখা পড়ে গুরুতেই পড়া অনেক রিভিউ এর কথা মনে পড়লো। তবে লেখক ​​​​​​​বোধায় ​​​​​​​দুয়েকটা ​​​​​​​শর্ট ​​​​​​​রিভিউএর ​​​​​​​ডেসক্রিপশান বলেন ​​​​​​​নি। যেমনঃ 
     
    ছুঁয়ে গেলো।
    ঋদ্ধ হলাম। 
     
    আর গুরুর কিছু লেখার কমেন্টে আবার দেখেছি কারা যেন কাদের স্যর বলে সম্বোধন করে - "আপনার লেখা কি ভালো হয়েছে স্যর!" সে আবার আরেক বকচ্ছপ! 
  • Abhyu | 47.39.151.164 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১২:৪৮504119
  • আহা না না আপনি মারবেন না, সে কথা নয় - আমার মনে হচ্ছিল কিছু পরিচিত লেখক, প্রকাশক ও রিভিউকের কথা!
  • AritraSudan Sengupta | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ১২:৫৫504120
  • @dc
    ওগুলো ক্ষমা করেছি।
    ওর মধ্যে সেরা এইটা মনে হয়। প্রথমে মন্তব্য আসে — লেখাটা নিলাম।
     
    তারপরে দেখি তিনি শেয়ারও করেননি, আবার কপি-পেস্ট করে পোস্টও করেননি।
     
    নিয়ে কোথায় গুঁজে রাখেন এরা কে জানে!
  • ঝর্না বিশ্বাস | ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ২০:৫৫504158
  • এটা কিন্তু তুমুল হলো অরিত্র :)
    পয়েন্টগুলো প্রত্যেকটা জাস্টিফাইড।.. 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন