• হরিদাস পাল  বইপত্তর

  • গল্পালোচোনা — ডিজাইন বায়াস — অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    AritraSudan Sengupta লেখকের গ্রাহক হোন
    বইপত্তর | ২৩ অক্টোবর ২০২১ | ১৯৯৫ বার পঠিত
  • #গল্পালোচনা
    #কল্পবিশ্ব_শারদীয়া_১৪২৮
    #ডিজাইন_বায়াস #অভিজ্ঞান_রায়চৌধুরী
     
     
    বই = শারদীয়া কল্পবিশ্ব ১৪২৮
    মুদ্রিত মূল্য = ১৪৯ টাকা
    মোট পৃষ্ঠাসংখ্যা = ১৩৩৯
    গল্প = ডিজাইন বায়াস
    লেখক = অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী

    ———————————————————————————————————————
    প্রায় দুই সপ্তাহ আগেই কল্পবিশ্বের শারদীয়া ১৪২৮ সংখ্যাটি প্রকাশিত হয়েছে, এতে থাকা একটি গল্প "ডিজাইন বায়াস" নিয়ে আজকে আলোচনা করছি। গল্পটি আগে পড়া না থাকলে কল্পবিশ্বের ওয়েবসাইটেও গিয়ে পড়ে নিতে পারেন, পড়তে পাঁচ মিনিটের বেশী সময় লাগেনি আমার।
    বাংলাভাষায় এমন কাহিনি সম্ভবত প্রথম পড়লাম।
    গল্পের বিষয় — সায়কা মুরাটা নামে এক তিরিশ বছরের মতো বয়স্কা লেখিকার প্রথম বইটি গোটা পৃথিবী জুড়ে প্রচুর পরিমাণে বিক্রি হওয়ার পরে সে তার দ্বিতীয় বইটি প্রকাশ করছে, কিন্তু এমন সময় সে ব্যক্তিগত কারণে আসতে না পারায় তার জায়গায় সেই বইটির প্রকাশনা সংস্থার প্রধান তার হয়ে উত্তর দিতে থাকে। তার উত্তর থেকে জানা যায় যে প্রথম বইটির মতো দ্বিতীয় বইটিতেও প্রধান নায়ক চরিত্রদুটি শ্বেতাঙ্গ এবং সন্ত্রাসবাদী খলনায়ক চরিত্রটি কৃষ্ণাঙ্গ এবং মুসলিম। এছাড়া সাংবাদিকদের থেকে আরো জানা যায় যে প্রথম বইয়ের গল্পে শ্বেতাঙ্গ মানেই ভালো মানুষ অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গ বা মুসলমান হলেই সেটি দুষ্ট প্রকৃতির; কাহিনীতে মহিলার ভূমিকা নগন্য, এমনকি এলজিবিটি গোষ্ঠীর একটি চরিত্র ড্রাগ বিক্রি করে। ফলে সাংবাদিকদের তরফে অভিযোগ আসে যে পক্ষপাতদুষ্ট লেখার মাধ্যমে লেখক সায়াকা মুরাটা পাঠকদের মধ্যে একটা পক্ষপাত গড়ে তুলতে চান, যেটার প্রভাব সমাজে ইতোমধ্যেই পড়ে গেছে। এছাড়া প্রকাশনা সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে যে ঐ নামে কোনো মানুষ আসলেই নেই, সেটি একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম যেটা ক্রেতাদের দাবি অনুযায়ী লেখে এবং তার বেশীরভাগ ক্রেতাদের দিকে লক্ষ্য রেখে তাদের চাহিদা তো লিখছে এবং সমাজে সমস্যা তৈরী করছে; আর এই পুরো ব্যাপারটার জন্য দায়ী প্রকাশনা সংস্থাটি। এতকিছু ঝামেলার ফলে প্রকাশনা সংস্থা জানাতে বাধ্য হয় যে সায়াকা মুরাটা বাস্তবেই একটি প্রোগ্রাম ও তাতে কোনো ডিজাইন বায়াস নেই, এরপরে সাংবাদিকদের চাপে বাধ্য হয়ে সায়াকা মুরাটাকে সাংবাদিকদের সামনে আনা হয় যেখানে তাকে প্রশ্ন করা হয় যে তার মধ্যে বিশেষ কোনো ধরণের মানুষের প্রতি পক্ষপাত আছে কি না।
    এর উত্তরে সে জানায় যে তার কাছে সব মানুষ সমান নয়, সে বাস্তব ঘটনা থেকে পাওয়া তথ্য এবং পরিসংখ্যানের উপর ভিত্তি করে গল্প লেখে, কিন্তু তথ্যের বিপরীতে গিয়ে সে কোনো পক্ষপাত দেখায় না। এখন তথ্যে যদি কৃষ্ণাঙ্গ বা মুসলিমরা যতটা অপরাধপ্রবণ হবে, তার গল্পে থাকা চরিত্রগুলিও তেমনই অপরাধ প্রবণ হবে। সে আরো জানায় যে মানুষ তথ্য থাকলেও যে সেই অনুযায়ী লিখতে পারে না এটা তাদের ভুল বা ভন্ডামি, যেটা তার মধ্যে নেই। তার কাছে এইরকম উত্তর শোনার পরে প্রচন্ড গোলমাল শুরু হয় ফলে প্রকাশনা সংস্থাটি অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেয়।
    (গল্পটি এখানেই শেষ।)
     

    এই ছোট গল্পে একাধিক theme এসেছে যেগুলো নিজেই এক একটি আলাদা বিষয় হিসেবে আলোচনার দাবী রাখে। যেমন —
    ১) মানুষের জায়গায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) -এর ব্যবহার করে কাহিনী রচনা করা।
    ২) লেখকের নিজের কোনো ইচ্ছা না রেখে শুধু পাঠকের চাহিদা অনুযায়ীই গল্প তৈরী করা। (সাম্প্রতিককালে প্রতিলিপি বা Wattpad জাতীয় জায়গায় লেখালেখি অনেকটাই পাঠকের feedback দ্বারা প্রভাবিত হওয়ার জায়গা রাখে। ফেসবুকেও লাইক, কমেন্ট, শেয়ার দ্বারা লেখার বিষয় বা ধরণ প্রভাবিত হতে পারে। রাজশেখর বসু ওরফে পরশুরামের লেখা "বটেশ্বরের অবদান" গল্পেও একই ঘটনা দেখেছি তার বহু আগেই, যদিও গল্পটি হাস্যরসাত্মক ছিল।)
    ৩) লেখার মাধ্যমে পাঠকের কাছে সামাজিক বার্তা পাঠিয়ে তার চিন্তাকে প্রভাবিত করা। (আজকের Post-truth যুগে যার উদাহরণ আমরা বিভিন্ন fake news-এর মাধ্যমে বার বার দেখি যেখানে বিজ্ঞানের জায়গায় অপবিজ্ঞান এবং ছদ্মবিজ্ঞানের প্রচার অথবা ইতিহাসের জায়গায় fictionalized alternative fiction-এর প্রচার।)
    ৪) জোর করে নিজেকে পক্ষপাতহীন প্রমাণ করতে গিয়ে মানুষের পক্ষপাতদুষ্ট কাজ করা। (ধর্মীয় বা জাতিগত বিদ্বেষজনিত অপরাধের ক্ষেত্রে এর উদাহরণ মাঝেমাঝেই দেখা যায়, যেমন কৃষ্ণাঙ্গদের সাথে হওয়া অবিচারের বিরুদ্ধে "BlackLivesMatters" স্লোগানের বিপরীতে "AllLiveMatters"-এর প্রচার।)
    কোনো কোনো পাঠক আবার গল্পে সায়াকা মুরাটার জবাব দেওয়ার ঘটনাটির সাথে সীতার অগ্নিপরীক্ষার মিলও পেতে পারেন।

    তবে সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে খোলাখুলি ভাবে মুসলিম, কৃষ্ণাঙ্গ বা এলজিবিটি চরিত্রদের negative shade-এ দেখানোর কথা লিখে লেখক অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী বেশ সাহসের পরিচয় দিয়েছেন, কারণ এখানে স্বয়ং লেখকের বিরুদ্ধেই পক্ষপাতের অভিযোগ আসতে পারে!
    এই লেখাটি বোধহয় খুব বেশী সংখ্যক মানুষের নজরে আসেনি, নাহলে অহেতুক বিতর্ক তৈরী হতে বেশী সময় লাগত না।

    এছাড়া জানি না যে লেখক সচেতনভাবে এই প্রয়োগটি করেছেন কি না। কিন্তু গল্পে যখন প্রকাশনার প্রধান জানায় যে লেখিকা পক্ষপাতী নন, তখন থাকা এক সাংবাদিক পল বলে - "সেটা রক্তমাংসের লেখিকা হলে আমি মেনে নিতে পারতাম।"; অর্থাৎ চরিত্রটি ধরে নিয়েছে যে মানুষ হলে সে পক্ষপাতহীন হতে পারে কিন্তু যন্ত্র বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পক্ষপাতদুষ্ট হতেও পারে — এই ধারণাটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রতি একটি পক্ষপাত কারণ মানুষ নিজেই সবসময়ে যে পক্ষপাতশূণ্য আচরণ করতে পারে এমনটা নয়। অর্থাৎ পক্ষপাতদুষ্টতার অভিযোগ যে আনছে এবং তার বিচার করতে চাইছে, সে নিজেই নিরপেক্ষ নয়। এই বিষয়টি আমার বেশ ভালো লেগেছে।

    তবে, কিছু বিষয়ের পরিবর্তন হলে গল্পটি আরো ভালো হতো বলে আমার মনে হয়েছে।
    ১) কাহিনীতে একটি বইয়ের বিক্রির জায়গায় একাধিক বইয়ের বিক্রির ফলাফল হিসেবে মানুষের আচরণ পরিবর্তন হচ্ছে দেখালে আরো বেশী বাস্তবসম্মত হতো। যদিও লেখক বই বিক্রির সংখ্যা যথেষ্ট দেখিয়েছেন, কিন্তু শুধুমাত্র একটি বইয়ে থাকা একটি উপন্যাসের উপর ভিত্তি করে কোনো লেখককে পক্ষপাতদুষ্ট বলা কঠিন, একাধিক বইয়ে বার বার ঐ জিনিসটির উল্লেখ হয়েছে দেখালে আরো বিশ্বাসযোগ্য হতো।

    ২) ‘আচ্ছা কেসলার সিনড্রোম কী?’ — এই প্রশ্নটি সাংবাদিকদের কেউ না করে যদি গল্পে উল্লিখিত ফ্যানক্লাবের কেউ করত তাহলে আরো ভালো হত। কারণ গল্পে ফ্যানক্লাবের সদস্যদের ভূমিকা খুব একটা দেখা যায় না, আর কল্পবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে সাংবাদিকদের জ্ঞান গড়পড়তা ফ্যানদের থেকে বেশী হওয়ার কথা।
    এছাড়া সাংবাদিকদের দ্বারা ঝামেলা দেখানোর জায়গায় সাংবাদিকদের সাথে ফ্যানক্লাবের সদস্যদের ঝামেলা দেখলে গল্পে তাদের অবদান থাকত, যেটা বর্তমান কাহিনিতে যৎসামান্য।

    ৩) গল্পে বায়াস দেখানোর ক্ষেত্রে সংঘাত বা সঙ্কটটি অনেক কম লেগেছে, যেখানে এক পক্ষের অনুকূলে ৯৮ বা ৯৯ বা ৯৩ শতাংশের বেশী তথ্য আসছে, সেখানে সাধারণ মানুষও সেই পক্ষের অনুকূলে যাবে।
    কিন্তু ধরা যাক, ৫০ কোটি মানুষের মধ্যে দুটি পক্ষের পার্থক্য মাত্র দুই জনের কম বেশী, অর্থাৎ এক পক্ষের ২৫ কোটি ২ জন মানুষ আছে। গল্প অনুযায়ী, এই ক্ষেত্রেও যন্ত্র স্বাভাবিকভাবেই সংখ্যাগুরুর পক্ষে যাবে কিন্তু যেখানে ২/৫০০০০০০০০ অর্থাৎ ০.০০০০০০৪ শতাংশ পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে সেখানে মানুষের মন যথেষ্ট দোনামনায় পড়বে এবং দুটি মতবাদের সমর্থকের সংখ্যা অত্যন্ত কাছাকাছি হওয়ায় মানুষ একটা balance করে সিদ্ধান্ত নিতে পারে যাতে দুই পক্ষই খুশি থাকে।
     
    ৪) গল্পটি যেহেতু কল্পবিজ্ঞানের তাই মুসলিম ধর্মের জায়গায় কোনো কাল্পনিক ধর্ম অথবা কৃষ্ণাঙ্গ-শ্বেতাঙ্গের জায়গায় গায়ের কোনো কাল্পনিক বর্ণের মানুষ ব্যবহার করে গল্পটি বললে হয়তো আরো ভালো হত। যদিও লেখক এখানে বাস্তব থেকে উপাদান তুলে এনেছেন হয়ত বার্তাটি সরাসরি পাঠকের কাছে পৌঁছে দিতে। তবে আমার মনে হয়েছে কল্পনার পরিমাণ আর একটু বেশী হলেও গল্পের মর্ম অনেকেই অনুধাবন করতে পারতেন।
    এই ক্ষেত্রে অহেতুক বিতর্কের সম্ভবনা থেকেই যায়।
    এখানে আমিও একটু পক্ষপাত দেখাচ্ছি, কল্পবিজ্ঞান না হয়ে সাধারণ সামাজিক গল্প হলে হয়ত এমন লিখতাম না!
     
    ৫) গল্পে পল চরিত্রটি "বায়াস" বলতে যেটা উল্লেখ করেছে সেটা কিছুটা ক্ষেত্রে ক্রেতার উপর নির্ভরশীল যেটা প্রকৃতপক্ষে প্রস্তুতকারকের নিজের পক্ষপাতদুষ্টতা নয়।
    যেমন ধরুন — শতকরা হিসেবে সাড়ে ছয় ফুটের কম উচ্চতার মানুষেরা ভারতবর্ষে সংখ্যালঘু, এবার এই জনসংখ্যা উপর ভিত্তি করে বাস বা মিনিবাসের design করলে সেটা ঐ উচ্চতার থেকে বেশী লম্বা লোকদের জন্য অসুবিধার সৃষ্টি করবে, কিন্তু অন্যদিকে বেশী লম্বা লোকদের কথা মাথায় রেখে ডিজাইন করলে বাসের আকার-আয়তন বেড়ে যাবে ফলে পরিবহনের খরচও বেড়ে যাবে। তাই এক্ষেত্রে অল্প কিছু মানুষের সমস্যা হতে পারে ধরেই বহুসংখ্যক মানুষের চাহিদা মেটানোর বাস্তববাদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এটার মানে এই নয় যে বাস যারা বানাচ্ছেন তাদের সাথে লম্বা মানুষের কোনো ঝামেলা আছে।
    এটাকে "necessary evil" বলা যেতেও পারে।
     
    সবমিলিয়ে, নিরপেক্ষতা দেখাতে গিয়ে জোর করে (তথ্য অগ্রাহ্য করে) নিজেকে নিরপেক্ষ প্রমাণ করতে যাওয়াটা যে আসলে পক্ষপাতিত্ব করা, সেটা এই কাহিনিতে দেখানো হয়েছে। বাকি পাঠকদের প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় থাকলাম।
    (পুনশ্চ — এই গল্পে অ্যাসিমভের তিনটি আইনের ব্যতয় ঘটেছে, আগ্রহী পাঠক একটু খুঁটিয়ে দেখলে ধরতে পারবেন। যদিও কাহিনীর সাথে এর বিশেষ সম্পর্ক নেই।)

     

  • বিভাগ : বইপত্তর | ২৩ অক্টোবর ২০২১ | ১৯৯৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন