• বুলবুলভাজা  খ্যাঁটন  খানাবন্দনা  খাই দাই ঘুরি ফিরি

  • খিচড়ি ও জাহাঙ্গিরি ফরমান রহস্য!

    নীলাঞ্জন হাজরা
    খ্যাঁটন | খানাবন্দনা | ০১ অক্টোবর ২০২০ | ২৬৪০ বার পঠিত | ৪ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • ধন্য খিচুড়ি। চাল-ডালের কিংবা বাজরার, নাকি তিলের? নিরামিষ বা আমিষ, হিন্দু নৈবেদ্য, জৈন মহাপণ্ডিতের শাস্ত্র, বৌদ্ধ মঠের অনুশাসন, মুসলমান বাদশাহি মহল-ই-খুরাক পাজ়ি, চিকিৎসকের ভেষজালয়, অকিঞ্চনের হেঁশেল, ভোজের একান্ন পাত—সর্বত্র বিরাজমান এ পাকোয়ানে কী বিপুল বৈচিত্র্যে আমরা ভারতবাসীরা যুগে যুগে একাত্ম হলাম! সে এক মহারহস্য বটে… কম রঙিন নয় কালাপানি পার করে তার বিলেত মায় মিশর পাড়ির কিস্‌সা। শুরু হল খিচুড়ি মহারহস্য অ্যাডভেঞ্চারনীলাঞ্জন হাজরা


    ১৬১৭। ৩০ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার। খমভট উপসাগর তীরবর্তী গুজরাটের ছোট্ট শহর খমভটের ঠিক বাইরে ভোর থেকেই সে কী সাজসাজ রব। তুমুল হট্টগোল। মানুষের চিৎকার। থেকে থেকে হাতি, ঘোড়া, উট, খচ্চরের ডাক, গোরুর হাম্বা। মানুষ আর পশুর পায়ের চাপে কাঁচা রাস্তার থেকে ওঠা ধুলোর মেঘ উড়িয়ে সবার আগে চলেছে বলদগাড়িতে বসানো বিভিন্ন মাপের কামান। রঙিন ঝালর লাগানো উটের সারি। কমসেকম শ-তিনেক উট, পিঠে বোঝাই মালপত্তর। হরেক কিসিমের ঠেলাগাড়ি আর টানা-গাড়ির লম্বা লাইন—দু-চাকা, তিনচাকা, চারচাকা—শেষ দেখা যায় না। সেসবের ওপর ডাঁই করা কাঠের গুঁড়ি থেকে আরম্ভ করে যতরকমের আসবাবপত্তর কল্পনা করা যায়, মালাক্কা মখমলের বস্তায় বাসনকোশন, জাজিম, বিরাট বিরাট বস্তা। শত শত তাঁবুর ভাঁজ করা তিরপল, সেগুলো খাঁচানোর সরঞ্জাম। খানকুড়ি টানাগাড়ি বোঝাই শুধু দলিল-দস্তাবেজ। সঙ্গে শত শত লোক-লস্কর। এরপরে সার সার উটে-টানা ঢাকা-দেওয়া গাড়ি, পালকি, ডোলিতে চেপে মহিলার দল। ফের একদফা ঘোড়া আর হাতির সারি, তাতে সওয়ার বিচিত্র পোশাক পরা সিপাহি-সালার। সেদলের মাঝখান থেকে উড়ছে রঙিন ঝলমলে চারকোনা, তিনকোনা অসংখ্য পতাকা, বড়ো বড়ো ডাণ্ডার মাথায়, এই দফায় চলেছেন গণ্যমান্য আমির-ওমরা। আরও একদফা ঘোড়সওয়ারের সারি, এবারে যেন কাতারে কাতারে। ঘোড়ার সারির পিছনে, সবশেষে, শত শত ভৃত্যের দল, যাদের সঙ্গে খানপঞ্চাশেক তাগড়াই দুধেল গাই—কারণ বাদশাহের চাই তাজা দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার। আর এই হাজার হাজার ঘোড়সওয়ারের বিন্যাসের ঠিক মাঝখানে চলমান পাহাড়ের মতো খানকুড়ি হাতি—একেবারে ঐরাবৎ। অধিকাংশই মখমলের ওপর সোনার জরির কাজ করা কাপড়ে ঢাকা, পিঠে মহার্ঘ্য আসবাব। এই জায়গাটা থেকেই ধুলোর মেঘ ভেদ করে অনেক ওপরে শীতের ঝকঝকে নীল আকাশে উড়ছে শত শত বাদশাহি অলম—দূর্বাঘাস-সবুজ রেশমের জমিনে আঁকা ঝলমলে সোনালি ডান-থাবা-তোলা সিংহ, তার কেশরের পিছন থেকে শাণিত রশ্মির ছটা ছড়িয়ে উদয় হচ্ছে সূর্য—‘শের ও খুরশিদ’ পতাকা। আজ খমভট ছেড়ে আহমেদাবাদের পথে রওনা হলেন আলম পনাহ্ অস্‌-সুলতান-উল-আজ়ম জন্নত মকানি নুর-উদ্দিন মহম্মদ সালিম জাহাঙ্গির


    জাহাঙ্গিরি অলম-এর নাটকীয় পুনর্নিমাণের ভিডিও

    খমভট থেকে আহমেদাবাদ বাইশ কোশেরও একটু বেশি পথ। ৬.২৫ কোশ পার করে কোসালা গ্রামের কাছে গিয়ে থামল এই মহাকারোয়াঁ। বাদশাকে ঘিরে রয়েছে যে বিন্যাস, নিমেষে তার মধ্যে দেখা গেল তড়িৎ-গতি তৎপরতা। এই বিন্যাসেই আছে খানদশেক খচ্চর, যাদের পিঠে রঙিন ছোটো ছোটো তাঁবুর সরঞ্জাম, দুটো খচ্চরের পিঠে বাদশাহি পোশাক, একটা খচ্চরের পিঠে হরেক কিসিমের আতর আবার আর-একটার পিঠে বোঝাই তাজা সুগন্ধী ফুল— ক্লান্ত বাদশা পথিমধ্যে কোথাও একটু জিরিয়ে নিতে চাইলে, বা ঘেমে গিয়ে পোশাক বদল করতে চাইলে ঝপাঝপ খাঁচিয়ে দেওয়া যাবে এইসব ছোটো তাঁবু, সাজিয়ে দেওয়া যাবে ফুলে, ছড়িয়ে দেওয়া যাবে আতর। কান-ও-কান খবর হয়ে গেছে এইখানে থামতে চান বাদশা। কোসালা গ্রামে পড়ল বাদশাহের শিবির। আর বেলা গড়িয়ে দুপুর হতে এই শিবিরেই পড়েছে তাঁর দস্তরখওয়াঁ, মানে যে মহার্ঘ্য বস্ত্র মাটিতে পেতে খানা পরিবেশিত হয়। দস্তরখওয়াঁ জুড়ে থরে থরে সাজানো সোনা, রুপো, সূক্ষ্ম কারুকাজ করা পাথর আর চিনামাটির থালা, বাটি, হাতলহীন পেয়ালায় পরিবেশিত শ-খানেক ব্যঞ্জন। তার একপাশে উদ্‌বিগ্ন মুখে বসে মীর বকাওয়ল, যিনি বাদশাহি মহল-ই-খুরাকপাজ়ি, মানে হেঁশেলের, সর্বেসর্বা। একটু পিছনে দ্বিগুণ উদ্‌বিগ্ন মুখে নিথর পরিবেশনকারী ভৃত্যের সারি। আর দস্তরখওয়ানের অন্য পাশে উপবিষ্ট আলম পনাহ্‌।

    বাদশাহের জন্য এলাকার সেরা আরবিয়াৎ মাছ ধরিয়ে পাঠিয়ে দিয়েছেন স্থানীয় গুজরাটি লালাজিরা। শুধু আজই, এখানেই নয়, গুজরাটের এ অঞ্চলে আসা ইস্তক সর্বত্রই তাঁর দস্তরখওয়ানে জায়গা করে নিয়েছে এই মাছ। মন্দ নয়। তবে রুইমাছের মতো তত সুস্বাদু মনে হয়নি বাদশাহের। ‘মানদণ্ডে রুই যদি হয় ১০, এটা হবে ৯, কিংবা ৮-ও হতে পারে।’ জাহাঙ্গির বাদশা যে রুইমাছের এমন শওকিন তা জেনে একঝলক কল্পনা করি মাটিতে অনেকটা বজ্রাসনের ভঙ্গিতে বসে একমনে কাঁটা বাছছেন তুর্কি বংশীয় মুঘল সম্রাট! বজ্রাসনের ভঙ্গিতে? আসনপিঁড়ি, মানে বাবু হয়ে বসে নয়? বিলকুল। তেমনই ছিল মুঘল রাজন্যের খেতে বসার তরিকা—হাঁটু মুড়ে, কতকটা বজ্রাসনের ভঙ্গিতেই। সেটা মালুম চলবে সঙ্গের এই অপূর্ব ছবিটা দেখলেই।



    জাহাঙ্গির বাদশা ও যুবরাজ খুররমকে ভোজনে নিমন্ত্রণ করেছেন নুরজাহান (সৌজন্য ফ্রিয়ার গ্যালারি অফ আর্ট: এফ ১৯০৭.২৫৮।)


    এছবি মুঘল মিনিয়েচার চিত্রকলার সেরা নিদর্শন। পেন্টিংয়ের পরিভাষায়—Opaque water colour ink and gold on paper! বর্তমানে ওয়াশিংটন ডিসি-র স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরের চোখ টেরিয়ে দেওয়া এশীয় চিত্রকলার সংগ্রহ ফ্রিয়ার আর্ট গ্যালারিতে সযত্নে সংরক্ষিত। এছবি আঁকা আনুমানিক ১৬৪০-৫০ সাধারণাব্দে, মানে খুররম বাদশাহের জমানাতে। আর এ ছবির লেবেলে লেখা আছে—Jahangir and Prince Khurram Entertained by Noor Jahan! ছবির বিষয়বস্তু ভেঙে বলার দরকার নেই। মন দিয়ে দেখলেই দেখা যাবে বহু কিছু। যেমন, এ ছবিতে ‘এন্টারটেন’ শব্দের অর্থ নিঃসন্দেহে ভূরিভোজে নিমন্ত্রণ—‘to invite people to eat or drink’ (অক্সফোর্ড অভিধান)। শুধু একটাই কথা, এ ছবি বিরল—নুরজাহান আর জাহাঙ্গিরের একত্রে আর দ্বিতীয় কোনো ছবি নেই। আমার মতো খানা-কলমচির এ ভারী পরিতোষের বিষয় যে এমন একটি বিরল মিলনকে ধরে রাখতে কোনো ডাকসাইটে অজানা মুঘল শিল্পী তাঁদের পানাহারের মুহূর্তটিকেই বেছে নিয়েছিলেন!

    কিন্তু ওইসব আরবিয়াৎ মাছ-টাছ নয়, আজকের ভোজে বাদশা আটকে গিয়েছেন সম্পূর্ণ নতুন এক খানা খেয়ে। যা তাঁর দস্তরখওয়ানে কদাচ পড়েনি এর আগে। কয়েক গরস মুখে দিয়ে থেমে গিয়েছেন, মৃদু মৃদু দুলছেন, মুখে একটা রহস্যময় হাসির আভাস। মীর বকাওয়াল জানেন, খাদ্যটিকে কয়েক গরস চেখে সমস্ত অস্তিত্ব দিয়ে তার স্বাদ পরখ করছেন গজ়া-শওকিন আলমপনাহ্‌। জাত খাদ্যরসিক জাহাঙ্গির বাদশাহের এ পুরোনো অভ্যেস, এবারে রায় উচ্চারিত হবে— রুই আর আরবিয়াৎ মাছের স্বাদের মতোই সূক্ষ্ম তুল্যমূল্য বিচার। এই নতুন খানাটি আজ যে পড়েছে বাদশাহি দস্তখওয়ানে তা অবশ্য আলমপনার হুকুমেই। কিন্তু তাতে কী? খানা যদি অখাদ্য হয়ে থাকে কী ঘটতে পারে আল্লা-তালাই জানেন। জাহাঙ্গিরি ক্রোধ যে ইতিহাস ছাপিয়ে কিংবদন্তি হয়ে আছে! আর তাই মীর বকাওয়লের কলজেটা গলার কাছে এসে লাফাচ্ছে।

    হেঁশেল-সর্বাধিকারীর গর্দান অবশ্য সেদিন যায়নি। তার প্রমাণ জাহাঙ্গির বাদশার নিজের হাতে লেখা পরবর্তী বাক্যগুলি—‘গুজরাটের মানুষের একটি বিশেষ খানা বাজরা খিচড়ি। ওরা একে লাদরাও বলে। অতিক্ষুদ্র এই শস্যদানা হিন্দুস্তান ছাড়া আর কোথাও মেলে না। গুজরাটে এর যেমন ফলন হয় ভারতে আর কোত্থাও তেমনটি হয় না, এবং এ শস্য সবথেকে সস্তা। কখনও এ খানা না খাওয়ায় আমি হুকুম করেছি, কিছু তৈয়ার করে আমাকে দিতে। মোটেই বিস্বাদ নয়। দিব্যি লাগল আমার। হুকুম দিলাম, সুফিয়ানা দিনে, যেদিন আমি মাংস খাওয়া থেকে নিবৃত্ত থাকি, মাংসহীন খানাই খাই কেবল, ওরা যেন প্রায়শই আমাকে এই খিচড়ি দেয়।’

    মীর বকাওয়লের গর্দানটাই সেদিন শুধু যে বেঁচে গেল তাই নয়, আমরা প্রামাণ্যভাবে একেবারে একটি নির্দিষ্ট দিনের হদিশ পেয়ে গেলাম যেদিন সর-জ়মিন-এ-হিন্দ-এর দোর্দণ্ড প্রতাপ এক মুঘল বাদশা স্বয়ং ‘সবথেকে সস্তা’ শস্যদানা দিয়ে তৈরি, কাজেই ধরে নেওয়া যেতে পারে একেবারেই আম আদমির, বাজরার খিচুড়ি নামক খানাটির প্রশংসা করে সরকারি ভাবে তাকে নিজের দস্তরখওয়ানে জায়গা করেদিলেন—১৬১৭ সালের ৩০ ডিসেম্বর! ডায়ারির মতো করে লেখা জাহাঙ্গিরনামা-তে ওই তারিখের এন্ট্রিতেই এ কথা লিখেছেন বাদশা। খিচুড়ির ক্যালেন্ডারে লাল তারিখ বইকি। কারণ, আমরা ক্রমে ক্রমে দেখব, বহু সুলতান বাদশা রাজারাজড়া নবাব জমিদারের পাতেই ঘটা করে নানা কিসিমের খিচুড়ি পড়ত বটে, কিন্তু কোনো বাদশাহের স্বজিহ্বা দিয়ে খিচুড়ির এ হেন প্রশংসা উচ্চারিত হওয়ার আর কোনো প্রামাণ্য উদাহরণ এই আদ্যোপান্ত ভারতীয় খানাটির দীর্ঘ ইতিহাসে আর দ্বিতীয়টি নেই!

    জাহাঙ্গির বাদশার এই ফরমানটির কথা পড়ে প্রথমেই আমার মনে ব্যাপারটা বেশ রহস্যজনক মনে হয়েছিল একটা কারণে—এ কেমন হল? এই প্রথম মুঘল বাদশাহি দস্তরখওয়ানে জায়গা পেল খিচুড়ি? কিন্তু সে তো অসম্ভব। কেন অসম্ভব শুধু সেরহস্যই নয়, জাহাঙ্গির বাদশার এই পসন্দিদা খিচড়ি ঘিরে রয়েছে তার থেকেও গভীরতর অনেক রহস্য। এই জাহাঙ্গিরি খিচড়ির খোঁজ এক রুদ্ধশ্বাস অ্যাডভেঞ্চার। সে খোঁজে বেরিয়ে পড়ব… পরের সপ্তাহের বিষ্যুদবারের এমন বারবেলাতেই…




    ১) জাহাঙ্গির বাদশাহের কারওয়াঁ-র আমার দেওয়া এই বর্ণনা The Jahangirnama: Memoirs of Jahangir, Emperor of India নামের বইয়ের মুখবন্ধে উদ্ধৃত পিটার মান্ডি-র ১৬৩২ সালের ১ জুন বুরহানপুর শহরের ঠিক বাইরে দেখা শাহজাহান বাদশাহের কারোয়াঁ-র বর্ণনা এবং নিকোলাই মানুচ্চির দেওয়া অওরঙ্গজ়েব বাদশার কারোয়াঁ-র বর্ণনার অনুসারী। Translated, edited and annotated by Wheeler M. Thackston. OUP, New York. 1999. পৃষ্ঠা XiX।
    Manucci, Niccolao. A Pepys of Mongul India, 1653-1708: being an abridged edition of the "Storia do Mogor" of Niccolao Manucci. New York: E. P. Dutton. Kindle Edition. Location 1711.
    ২) জাহাঙ্গির বাদশার পতাকার এই বর্ণনা এডোয়ার্ড টেরির সফরনামা থেকে নেওয়া। ১৬১৬ সালে, জাহাঙ্গিরের আমলে, ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি তাঁকে ভারতে পাঠায় মুঘল দরবারে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত টমাস রো-এর চ্যাপলেন করে। সেই সফরনামার নাম—A voyage to East-India wherein some things are taken notice of, in our passage thither, but many more in our abode there, within that rich and most spacious empire of the Great Mogul: mixt with some Parallel Observations and Inferences upon the Story, to profit as well as delight the Reader। তাতে রয়েছে এই বর্ণনা — ‘I have set up the royal standard of the great Mogul, which is a couchant lion shadowing part of the body of the sun’. P 347. London. 1777 Edition
    ৩) The Jahangirnama: Memoirs of Jahangir, Emperor of India. Translated, edited and annotated by Wheeler M. Thackston. OUP, New York. 1999. পৃষ্ঠা ২৪২
    ৪) আকবরি কোশ = ২ মাইল চার ফার্লং, অর্থাৎ প্রায় আড়াই মাইল, এই হিসেব অনুযায়ী। সূত্র: http://en.banglapedia.org/index.php?title=Krosh. Accessed 20.8.2020. 10:14 a.m.
    ৫) এর উচ্চারণের বিষয়ে আমি ১০০ ভাগ নিশ্চিত নই। ইংরেজি বানান—Arabiyat.
    ৬) The Jahangirnama: Memoirs of Jahangir, Emperor of India. Translated, edited and annotated by Wheeler M. Thackston. OUP, New York. 1999. পৃষ্ঠা ২৪২
    ৭) স্মিথসোনিয়ান জাদুঘরের ক্যাটালগে এ ছবিটি খোঁজা যেতে পারে ‘eating’ শব্দটি লিখে। সূত্র— https://asia.si.edu/object/F1907.258/ Accessed 19.8.2020. 11.20 a.m.
    ৮) The Jahangirnama.ibid


    (ক্রমশ। পরের কিস্তি পড়ুন ৮ অক্টোবর…)


    গ্রাফিক্স: স্মিতা দাশগুপ্ত
  • বিভাগ : খ্যাঁটন | ০১ অক্টোবর ২০২০ | ২৬৪০ বার পঠিত | ৪ জন
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রা ন্দি ই | 122.163.102.141 | ০১ অক্টোবর ২০২০ ১৪:০৩97890
  • ব্যাপক গল্প। খিচুড়ি নিয়ে  এত গল্প জানা ছিল না। চলুক খিচুড়ি কিসসা-কাহিন।   

  • | ০১ অক্টোবর ২০২০ ১৫:৫০97896
  • দারুণ 

  • দীপঙ্কর দাশগুপ্ত | 202.142.75.160 | ০১ অক্টোবর ২০২০ ১৮:২৫97908
  • অসাধারণ। রোমহর্ষক খিচুড়ি বৃত্তান্ত।

  • নীহাররঞ্জন। | 2409:4060:2e08:856:4705:f6c:ce33:31db | ০২ অক্টোবর ২০২০ ১২:০২97947
  • প্রাণি জগতে তৎক্ষণাৎ  খাদ‍্যবসতু উপভুক্ত করিবার নিয়ম নাই। মার্জার গোষ্ঠীর শিকার এবং শিকারীর মধে যে কৌতুক কাল, মনুষ‍্য প্রজাতিতে তাহাই রন্ধন শিল্প। খিচড়ি এভাবে ইতিহাস রসে পরিসিক্ত হইয়া পরিবেশিত। শতাধিক পাচকের শিল্প রস অতিক্রম করিয়া তবে সম্রাটের ভোজ‍্য পাত্র।উপকূল অতিক্রম করিলে মহাদেশ।লেখক একটি রাজতব দান করিয়াছেন, রাজকন্যার অপেক্ষা।

  • Tamaghna Adhikari | ০২ অক্টোবর ২০২০ ১৯:৪৯97956
  • কিন্তু arabiayat মাছ টা আসলে কি মাছ ? বাংলা বা অন্য ভারতীয় ভাষায় একে কি বলে ?


    জানতে পারলে ভেজে খেতে মুঞ্চায় .

  • Nilanjan Hajra | 223.191.53.237 | ০২ অক্টোবর ২০২০ ২০:৫৭97958
  • Arabiyat  আমার আন্দাজ কোনো মাছের নাম নয়। জাহাঙ্গির নামটা ব্যবহার করেছেন আরব সাগরের মাছ বোঝাতে।

  • সিদ্ধার্থ মুখোপাধ্যায় | 2402:3a80:a7c:d2d7:0:5d:e04f:f901 | ০৩ অক্টোবর ২০২০ ২২:১৮98011
  • অনাস্বাদিতপূর্ব ! 

  • শক্তি | 2405:201:8005:9050:2d22:569d:b628:cf75 | ০৪ অক্টোবর ২০২০ ০৭:২৮98020
  • নূতন কিছু জানলাম ।জাহাঙ্গীর প্রথম খিচুড়ি খেলেছিলেন 1617র17th December ।খুব নূতন জানার আনন্দ পেলাম 

  • Rajarshi Raychaudhuri | ০৪ অক্টোবর ২০২০ ২২:১২98060
  • ভাগ্যে আছিল খিচুড়ি জগৎ সংসারে ,


    তাই  লোকে পারে খেতে কব্জি ডুবায়ে এবারে! 


    সাহেবরা কেজরি বলে মাছ - ভাতের একটি সংমিশ্রণ খায় - অখাদ্য !!

  • শঙ্খ | 2402:3a80:a76:28a6:e543:5b9a:712f:860b | ০৬ অক্টোবর ২০২০ ১০:৫৪98116
  • ওহ দারুণ লেখা। কোন কথা হবে না।

  • Masood Shafi M | ০৪ ডিসেম্বর ২০২০ ১০:০০100918
  • দারুণ লাগছে লেখাটি...

  • Saptam | ০৮ ডিসেম্বর ২০২০ ১৫:১৮101011
  • খিচুড়ি আমার খুব প্রিয়  

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন