• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক

  • #ফেলুদা ফাইল (পর্ব ১) #বেরসিক

    প্রলয় বসু লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ৩০ জুলাই ২০২০ | ২৭৯ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • ১। ফেলুদার গোয়েন্দাগিরি
    রচনাকাল: ১৯৬৫
    প্রথম প্রকাশ: সন্দেশ। অগ্রহায়ণ-পৌষ-মাঘ ১৩৭২। নভেম্বর-ডিসেম্বর ১৯৬৫, জানুয়ারী ১৯৬৬
    গ্রন্থাকারে প্রকাশ: একডজন গপপো। প্রথম সংস্করণ ২৫ বৈশাখ ১৩৭৭। আনন্দ পা প্রা লি।
    পরে সংকলিত: পাহাড়ে ফেলুদা।

    ১। কেমন করে এলাম
    তোপসের কাছে ঘটনা শুনে ফেলুদা সরাসরি রাজেনবাবুর কাছে গিয়ে জানায়, সে এই ব্যপারে রাজেনবাবুকে সাহায্য করতে চায়।

    ২। মক্কেল (ও তার খুঁটিনাটি)
    রাজেন মজুমদার। ৬৫ বছর। মাথার সব চুল পাকা, গায়ের রং ফরসা, মুখের ভাব হাসিখুশি। অবসরপ্রাপ্ত উকিল। দশ বছর আগে অবসর নেন। নাম-করা উকিল ছিলেন কলকাতায়। জলাপাহাড়ে নিজের, পুরনো প্যাটার্নের কাঠের বাড়িতে থাকেন। সঙ্গে থাকে বিশ্বস্ত নেপালি চাকর। শখ - প্রাচীন তিব্বতি ও নেপালি জিনিস জমানো, সম্প্রতি (ছ'মাস)। বাঁকুড়া মিশনারি স্কুলে পড়তেন। বাবা ছিলেন বাঁকুড়ার ম্যাজিস্ট্রেট। ছোটবেলাতে প্রচন্ড দুরন্ত ছিলেন।
    ফেলুদার বাবা, জয়কৃষ্ণ মিত্রকে চিনতেন। একটি মামলার ব্যাপারে খুব সাহায্য করেছিলেন।

    ৩। অপরাধী (এবং তার স্বভাব-চরিত্র)
    তিনকড়ি মুখোপাধ্যায়। ৬৪ বছর। তিনকড়িবাবু 'গুপ্তচর' ছদ্মনামে রহস্য গল্প লেখেন। ফেলুদার ভীষণ প্রিয় লেখক। রাজেনবাবুর বন্ধু অ্যাডভোকেট জ্ঞানেশ সেনের প্রতিবেশী। ছুটি কাটাতে দার্জিলিংয়ে, রাজেনবাবুর বাড়িতে পেয়িং গেস্ট (?) হিসেবে এসেছেন। নেশা - চুরুট। ভাল শ্যামা সঙ্গীত গাইতে পারেন। রাজেনবাবুর স্কুলেই পড়তেন, পঞ্চাশ বছর আগে। রাজেনবাবুর ক্লাস ফ্রেন্ড (আদৌ বন্ধু ছিলেন কী?)। রাজেনবাবু স্কুলের হান্ড্রেড মিটার স্পোর্টসে ল্যাং মেরে, তিনকড়িবাবুর পা ভেঙে দিয়েছিলেন। বহুদিন পর তাকে চিনতে পেরে, তার শান্তিপূর্ণ জীবনে অশান্তি টেনে আনতে ভয় দেখান।

    ৪। অপরাধ
    *ভয় দেখানো (চিঠি লিখে, মুখোশ পরে)
    *নীল কাগজে বিভিন্ন বই আর কাগজ (শাস্তি আর প্রস্তুত - আনন্দবাজার) থেকে শব্দ কেটে নিয়ে আঠা (গ্রিপেক্স) দিয়ে সেঁটে চিঠি লেখা হয়েছে। ডাকে এসেছে।

    ক খুনখারাপি ×

    খ চুরি ×

    ৫। ক জায়গা, ঠিকানা ও বাড়ি
    *জলাপাহাড়। তিনকড়িবাবুর বাড়ি। ম্যাল থেকে ওঠা পথে একশো পা (তোপসের হিসেবে), নামার সময় সাতাত্তর পা।
    *লেডেন লা রোড।

    ৫। খ ভ্রমণ ও হোটেল
    *দার্জিলিং
    *স্যানাটোরিয়াম। তোপসেরা এখানেই আছে
    *সেন্ট্রাল হোটেল।
    *মাউন্ট এভারেস্ট হোটেল। প্রবীর মজুমদার আছেন

    ৬। ফেলুদা
    *বয়স সাতাশ।
    *ডিটেকটিভ গল্প পড়ে।
    *বাবার নাম জয়কৃষ্ণ মিত্র। একটি মামলার সময় রাজেনবাবুর সাথে পরিচয়।
    *ফেলুদা, তোপসেকে রাজেনবাবুর সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার সময় কী পরিচয় দিয়েছিল জানা নেই, মাসতুত না খুড়তুতো ভাই (অবশ্য সবকটা গল্প পড়া না থাকলে তোপসেকে সন্দেহ করার কোন কারণ নেই)।
    *তোপসে মাসতুত দাদা হিসেবে বর্ণনা করেছে।
    *ফেলুদাকে সিগারেট খেতে দেখা গেলেও ব্র্যান্ডের নাম বলা নেই।
    ফেলুদা যা পেলো।
    এই 'কেস' এ ফেলুদার পকেটে কিছু না ঢুকলেও, দুটো জিনিস পেয়েছিল। একটির কথা ফেলুদা নিজেই স্বীকার করেছিলো, আর সেটি হলো, তিনকড়িবাবুর সাথে আলাপ হওয়া, একটা বড় প্রাপ্তি। অন্যটি হলো, কনফিডেন্স। এটা আমাদেরও প্রাপ্তি বলা যেতে পারে।

    ৭। তোপসে
    *তোপসে এই বইতে নিজের পরিচয় তপেস রঞ্জন বোস বলে দিয়েছে।
    *তোপসের বয়স সাড়ে তেরো বছর।
    *তোপসে ফুটবল ভক্ত (?), উঁকি মেরে ফুটবলের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করছে।
    *গুনগুন করে গান গাইতে দেখা যায় (কোন গান, জানা যায় না)
    *তোপসের বাবা, চল্লিশ-বিয়াল্লিশ বছর বয়স, তাস খেলেই সময় কাটাচ্ছে স্যানাটোরিয়ামে।

    ৮। লালমোহনবাবু ×

    ৯। সিধুজ্যাঠা
    সিধু জ্যাঠা না থেকেও আছেন। কেন? পরে বলবো, আরেকটা গল্পে।

    ১০। ক পার্শ্বচরিত্র (গল্পে বর্তমান)
    *ডাঃ ফনি মিত্র। ডাক্তার। চার টাকা ভিজিট। রাজেনবাবুর গুরুতুতো ভাই। সেই গুরুর সাথে ফণিবাবুই পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন।

    *অবনীমোহন ঘোষাল। ফর্সা, মাঝারি হাইট, স্যুট। ব্যবসায়ী। কিউরিও সংগ্রহ করেন। ঘোড়েল।

    *তোপসের বাবা। চল্লিশ বিয়াল্লিশ বছর বয়স। সারাক্ষণ তাস খেলেই সময় কাটাচ্ছে স্যানাটোরিয়ামে

    *প্রবীর মজুমদার। রাজেনবাবুর ছেলে। বয়স আন্দাজ চল্লিশ-বেয়াল্লিশ। ষোল বছর দেশ ছাড়া। চব্বিশ বছর বয়সে বাবার সিন্দুক থেকে টাকা চুরি করার জন্যে রাজেনবাবু ত্যাজ্যপুত্র করেন। দশ-বারো বছর আগে তাকে বিদেশে দেখতে পেয়েছিলেন, রাজেনবাবুর এক আত্মীয়। এখন যথেষ্ট বড়লোক। পরনের পোষাক আসাক দেখে সেটাই মনে হয়। নেশা - পাইপ, মদ ।

    *নেপাল কিউরিও শপের দোকানদার। নাম নেই।

    ১০। খ পার্শ্বচরিত্র (গল্পে উল্লেখ আছে)
    *অ্যাডভোকেট জ্ঞানেশ সেন
    *মি. গিলমোর। চা বাগানের ম্যানেজার।
    *মি নাওলাখা। সম্ভবত ইনিও একজন, প্রাচীন জিনিসের সংগ্রাহক।

    ১০। গ মহিলা চরিত্র ×

    ১০। ঘ শিশু চরিত্র ×

    ১০। ঙ পুলিশ
    *পুলিশের উল্লেখ আছে, তবে কোন পুলিশের নাম নেই।

    ১০। চ ডাক্তার
    *ডাঃ ফনি মিত্র।

    ১০। ছ উকিল
    *রাজেন মজুমদার।
    *জ্ঞানেশ সেন, অ্যাডভোকেট।

    ১০। জ চাকর, বেয়ারা, ড্রাইভার, মালি, বাবুর্চি
    *নেপালি চাকর। রাজেনবাবুর চাকর, বহুদিনের এবং বিশ্বস্ত। নাম দেওয়া নেই।

    ১০। ঝ সংগ্রাহক (ও সংগ্রহ)
    *রাজেনবাবু। (পুরনো তিব্বতি ও নেপালি জিনিস জমানোর শখ)
    *অবনীমোহন ঘোষাল। (কিউরিও সংগ্রাহক - দুষ্প্রাপ্য প্রাচীন জিনিস)
    *গিলমোর সাহেব। (ইনিও প্রাচীণ দুষ্প্রাপ্য জিনিসের সংগ্রাহক সম্ভবত। লামার প্রাসাদের আসল ঘন্টাটা গিলমোর সাহেবের কাছেই আছে)

    ১১। শখ ও নেশা
    চুরুট। তিনকড়ি মুখোপাধ্যায়
    পাইপ। প্রবীর মজুমদার
    সিগারেট। ফেলুদা (ব্র্যান্ড বলা নেই)
    মদ। অবনীমোহন ঘোষাল এবং প্রবীর মজুমদার

    ১২। মূর্তি-পাথর আর বিশিষ্ট দ্রব্য
    বাকি সব কিছু বাদ দিয়েও, রাজেনবাবুর একটি পিতলের ঘন্টা খানিকটা প্রাথমিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেই থিতিয়ে গেছে। কারণ? ওটি নকল। আসলটি আছে গিলমোর সাহেবের কাছে।

    ১৩। পোষ্য, জন্তু-জানোয়ার ও পাখি ×

    ১৪। ক খাবার ও খাবার দোকান
    *লেমন-ড্রপ লজেঞ্চুস (রাজেনবাবু তোপসেকে দিয়েছিলেন),
    *চা (তোপসে, স্যানাটোরিয়াম)
    *কফি, হট চকলেট (কেভেন্টার্স)
    *মুরগির মাংস (রাজেনবাবুর বাড়িতে)

    *কেভেন্টার্স রেস্টুরেন্ট।
    *রাধা রেস্টুরেন্ট।

    ১৪। খ দোকান, ক্লাব আর ব্র্যান্ড
    দোকান।
    *নেপাল কিউরিও শপ।
    ক্লাব।
    *প্লান্টার্স ক্লাব।

    ১৫। ক বই-কাগজপত্র আর ম্যাগাজিন
    *আনন্দবাজার। তিনকড়িবাবুকে পড়তে দেখা গেছে।
    *তিনকড়িবাবুর উপহার দেওয়া, লেখা বইটির নাম দেওয়া নেই। তবে তোপসেকে পড়তে দেখা গেছে।

    ১৫। খ গান, কবিতা আর বাদ্যযন্ত্র
    *তিনকড়িবাবু শ্যামা সঙ্গীত গাইতে পারেন বলে জানা গেছে, তবে গাইতে দেখা যায়নি।

    ১৫। গ ধাঁধা, হেঁয়ালি ও প্রবাদবাক্য ×

    ১৬। ক সিনেমা ও থিয়েটার ×

    ১৬। খ ম্যাজিক ও সার্কাস ×

    ১৭। গাড়ি আর যানবাহন ×

    ১৮। অস্ত্র ও হাতিয়ার
    *যদিও ব্যবহার করা হয়নি, তবু রাজেনবাবুর বাড়িতে তরোয়াল, ভোজালির উল্লেখ আছে।

    ১৯। ক ছদ্মবেশ ×

    ১৯।খ ছদ্মনাম
    তিনকড়িবাবু 'গুপ্তচর' ছদ্মনাম নিয়ে রহস্য রোমাঞ্চ গল্প লেখেন।

    ২০। জ্যোতিষ, তন্ত্রচর্চা আর অতিপ্রাকৃতিক
    *ফণিবাবুর হদিশ দেওয়া এক গুরুর শিষ্য হয়েছেন রাজেনবাবু। এরা দুজন গুরু ভাই।

    ২১। বিচার
    *ফেলুদা দোষীকে ধরতে পারলেও সাজা দিতে পারেনি। চায়ও নি। ফেলুদার মক্কেল রাজেনবাবুও বোধহয় চাইতেন না তিলুবাবুর শাস্তি হোক। কারণ তিনকড়িবাবু (তিলু) নিজেই একটি লিঠি লিখে, সরাসরি এর কারণ দর্শিয়ে রাজেনবাবুকে (রাজু) একটি চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন।

    ২২। অজানা কেস ×

    ২৩। জেনেছি ও শিখেছি
    *বয়স্করা ঢালুতে ছোট চোট পা ফেলে নামে, ছোটরা নামার সময় বড় বড় পা ফেলে নামে।
    *কিউরিও মানে প্রাচীন দুষ্প্রাপ্য জিনিস।
    *থাঙ্কা শব্দটা নতুন শুনলাম।
    তাহলে থাঙ্কা (Thangka) কী? এর উত্তর আলাদা করে দেওয়া হবে। পরে
    *হরেনডাস শব্দটা কী ফেলুদার তৈরি? ট্রিমেনডাস আর হরিবল মিলিয়ে।

    ২৪। গল্পের টুকটাক
    *গরমের ছুটির ঘটনা।
    *রাজেনবাবুর সংগ্রহের মধ্যে মুখোশ, পুরনো ঢালঘন্টা, তরোয়াল, থালা, ফুলদানি, ভোজালি, তিব্বতি (হাতলটা তামা আর পিতল মেশানো, তার উপরে লাল, নীল পাথর বসানো। নীচের অংশটা রূপোর তৈরি), কাপড়ের উপর রং করা বুদ্ধের ছবি (থাঙ্কা) উল্লেখ আছে।
    *রাজেনবাবুর স্ত্রী বিয়ের চার বছর পর মারা যান।
    *রাজেনবাবুর ছেলে প্রবীরবাবু ষোল বছর দেশ ছাড়া।
    *দার্জিলিংয়ের নীচে রঙ্গিত উপত্যকা।
    *তিনকড়িবাবু 'গুপ্তচর' ছদ্মনামে রহস্য গল্প লেখেন। ফেলুদার ভীষণ প্রিয় লেখক।
    *যাবার আগে তিনকড়িবাবু একটি চমৎকার বুদ্ধ মূর্তি উপহার দিয়ে যান রাজেনবাবুকে।
    *ফেলুদাকে সিগারেট খেতে দেখার আগেই, তিনকড়িবাবু জানিয়ে দেন, যে ফেলুদা সিগারেট খায়। হাতের হলুদ ছোপ দেখেই উনি বুঝতে পেরেছিলেন।

    ২৫। অলঙ্করণ
    সত্যজিত রায়

    ২৬। প্রশ্ন এবং সমালোচনা
    আমার পড়া প্রথম ফেলুদার গল্প। যদিও এটাকে খুব ভালো, গোয়েন্দা গল্প বলা যায় না। যায় কী?

    ২৭। ঘটনাক্রম
    ফেলুদা আর তোপসে, তোপসের বাবার সাথে দার্জিলিং ঘুরতে আসে। মূল ঘটনাটি অন্তত সাতদিন পরের।

    দিন১।
    তোপসের মুখে শুনতে পায়, সেইদিন রাজেনবাবুর কাছে একটি হুমকি চিঠি এসেছে।

    দিন২।
    পরেরদিন তোপসেকে সঙ্গে নিয়ে ফেলুদা, রাজেনবাবুর সাথে দেখা করে। নিজের পরিচয় জানায় এবং রাজেনবাবুর সাথে তোপসের পরিচয় করিয়ে দেয় (যদিও সেটা আমরা জানতে পারিনা। ফেলুদা কী বলেছিল? মাসতুতো ভাই না খুড়তুতো ভাই? জানা নেই)। হুমকি চিঠি দেখে। আলাপ হয় তিনকড়িবাবু আর অবনী ঘোষালের সঙ্গে। প্রবীর মজুমদারকেও পথে দেখতে পায় ফেলুদা।

    দিন৩।
    ফেলুদার সাথে আমাদের প্রত্যক্ষ পরিচয় করিয়ে দেয় তোপসে। জানায় ফেলুদা তার মাসতুতো দাদা। ফেলুদা, ফনি ডাক্তারের সাথে দেখা করে। তোপসেকে একটা মুখোশ কিনে দেয় 'নেপাল কিউরিও শপ' থেকে। প্রবীর মজুমদারের সাথে দেখা হয়, তার মুখ থেকে তার হোটেলের খবর বের করে নেয়। তিনকড়িবাবুর আসল পরিচয় জানতে পারা যায়। তিনকড়িবাবুও ডঃ ফনি মিত্রের কাছে গেছিলেন। এবং তাঁর বয়ান থেকেই প্রথম জানা যায় ফেলুদার সিগারেটের নেশা আছে। এর আগে ফেলুদাকে সিগারেট ধরাতে দেখা যায়নি। এরপরে আছে। এই রাতেই রাজেনবাবুকে মুখোশ পরে ভয় দেখায়, অপরাধী।

    দিন৪।
    সকালেই রাজেনবাবুর বাড়িতে যেতে হয়, আগের রাতের খবর পেয়ে। তিনকড়িবাবুকে কলকাতা (?) ফিরতে হয়। তিনকড়িবাবুর
    বাড়ি কোথায় বলা নেই। তাঁকে খুড়িয়ে হাঁটতে দেখা যায়। তিনকড়িবাবু, রাজেনবাবুর জন্যে একটি উপহার পাঠিয়ে দেন, ফেলুদার হাত দিয়ে। রাতটা ফেলুদা রাজেনবাবুর বাড়িতেই থাকবার প্রস্তাব দেন। এবং স্বাভাবিক ভাবেই রাজেনবাবু রাজি হয়ে যান। এখানেই ফেলুদাকে প্রথম সিগারেট ধরাতে দেখা যায়। প্রত্যেক সন্দেহভাজন সম্পর্কে জানা যায়। এরপর, একটা সময় রহস্যের উপর থেকে যবনিকা ওঠে। কে? জানা যায়। বাকি থেকে যায় কেন?

    দিন৫।
    কেন-র উত্তর পাওয়া যায়। সমস্ত উত্তর মেলে রাজেনবাবুর চিঠিতে।

    জমার খাতা।
    'কিউরিও' 'থাঙ্কা' আর 'হরেনডাস' জমা পড়লো খাতায়। বাকি চৌত্রিশটা গল্পের আলোচনা আগে শেষ করবো। তারপর খাতায় জমা পড়া শব্দ গুলো নিয়ে বসবো। একটা একটা করে আলোচনা করবো, আমার নিজের ভাষায়।
    আজানা সেই সব শব্দ বা জিনিস, যার নাম আগে শুনিনি বা যা শুনে থাকলেও সে সম্পর্কে আগ্রহ হয়নি, সেই সব শব্দ। আপাতত তিন।
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ৩০ জুলাই ২০২০ | ২৭৯ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত