• হরিদাস পাল  অপার বাংলা

  • রাখাইনরা কেন দেশ ছেড়ে যান?

    বিপ্লব রহমান লেখকের গ্রাহক হোন
    অপার বাংলা | ২৬ এপ্রিল ২০২০ | ১০০৭ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার

  • বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্বে সাগরপাড়ের জেলা কক্সবাজারের চকোরিয়া। আরেকটু ভেতরে এক চিলতে রাখাইন আদিবাসী পাহাড়ি নদী- হারবাং। এই নদীর পাড়েই ছবির মতো সুন্দর, পুরনো রাখাইন গ্রামের নামও হারবাং। সুশৃংখলভাবে বিশাল সব গাছের গুড়ির ওপর বসানো সার সার প্রমাণাকৃতির দোতলা কাঠের বাড়ি। কোনো কোনোটির বয়স পঞ্চাশ ছাড়িয়েছে। আলকাতরায় কালো কালো বাড়িগুলো অনেক বঞ্চনার যেন সাক্ষী।

    রাখাইন বর্ষবরণের ঐতিহ্যবাহী ‘সাংগ্রাং’ উৎসবে যোগ দিতে একদা হারবাং গ্রামে আগমন। গাইড বন্ধুবরেষু রাখাইন স্টুডেন্টস অর্গানাইজেশন অব বাংলাদেশ (আরএসওবি)-র সভানেত্রি ক’চিন ঠে ডলি, সে তখনো বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকের ছাত্রী।

    বাই লাইনে বলা ভালো, আগেই লেখকের কক্সবাজার, বাঁশখালি, চৌফলদণ্ডি, টেকনাফ ইত্যাদি রাখাইন গ্রাম বা পাড়া ঘোরার একাধিক অভিজ্ঞতা হয়েছে। তবে সেবার হারবাং-এর অভিজ্ঞতা সব অতীতকে ছাপিয়ে যায়।

    ওই গ্রামটিতে ঢোকার মুখেই ঝুপড়ি এক চায়ের দোকানে ডলি হেসে হেসে জটিল রাখাইনে কথা বলেন আমুদে এক বাঙালি বুড়োর সঙ্গে। পরে জানা যায়, হারবাং-এর আশেপাশের পুরনো অনেক বাঙালিই কাজ চালানোর মতো রাখাইন ভাষা জানেন। তবে উভয় জনগোষ্ঠীর কমন ভাববিনিময়ের ভাষা চট্টগ্রামের আঞ্চলিক বাংলা-- চাঁটগাইয়া। সেও প্রমিতের কাছে দুর্বোধ্যই (উদাহরণ, চাঁটগাইয়া- পুয়া এগ্গো ঘাটেত্থন গইড়গে গইড়গে দইজ্জাত পইজ্জে, প্রমিত-একটি ছেলে ঘাট থেকে গড়াতে গড়াতে নদীতে গিয়ে পড়েছে!)

    কথা প্রসঙ্গে পারিবারিক আলাপ ওঠে। ডলির বাবা দীর্ঘদিন অসুখে ভুগে গত হয়েছেন মাত্র। ওর মা ছোট ছোট ছেলেমেয়ে নিয়ে পড়েছেন এক অনিশ্চিত জীবনে। তিনি দুঃখর সাথে বলেন, শাল-সেগুনের বাগান, জায়গা-জমি ইত্যাদি নানান মিথ্যে মোকদ্দমায় স্থানীয় সংখ্যাগুরু বাঙালিদের কাছে বেহাত হওয়ার ইতিকথা।…

    ডলিদের বাড়িটি বেশ সুন্দর শক্তপোক্ত কাঠের। মোটা মোটা গাছের গুঁড়ির ওপর মাচাং করে বিশাল বাড়িটি বসানো। অনেকগুলো বড় বড় কামরা। দোতলায় ওঠার জন্য রয়েছে একাধিক কাঠের সিঁড়ি। বাড়ির উত্তর ও পূর্ব দিকে চওড়া দুটি ঝুল-বারান্দা। সেখানের একাধিক বর্মি ইজি চেয়ারের একটি দখলে নিলে চোখে পড়ে গ্রামের নিত্যদিনের আটপৌরে নানা দৃশ্যপট। আর সূর্যোদয়ের দৃশ্য অতি মনোহর।

    ওই ভ্রমণ বেলার এক বিকেলে ডলির সঙ্গে পুরো গ্রাম ঘুরে দেখা হয়। রাখাইন ছাত্র সহকর্মী, কিছু আত্নীয়-স্বজন, বন্ধু বান্ধবের কাছে সন্ধান সমাজের ধরণ, গতি-প্রকৃতি। মাতৃতান্ত্রিক না হয়েও অন্য রাখাইন গ্রামের মতোই, হারবাং-এও পড়াশুনা, চাকরি বা ব্যবসায় ছেলেদের রাখাইন মেয়েরাই এগিয়ে। তাই রাখাইন নারী কথাবার্তায় সহজ, সবকিছুতে অগ্রণী। বেটাগিরির বালাই সেখানে নাই।

    ভাষা বা অর্থনৈতিক বিপন্নতার পাশাপাশি জানা যায় বিলুপ্ত প্রায় ঐতিহ্যবাহী রাখাইন তাঁত সম্পর্কে। আগে অধিকংশ রাখাইন মেয়েই জানতের তাঁতের কাজ। তবে ক্রমেই সুতা আর ক্রেতার অভাবে শিল্পটি হারায় কালের গর্ভে। মিলের সস্তা দরের কাপড়ের সঙ্গে রাখাইন তাঁতের কাপড়ও মার খায় তীব্র প্রতিযোগিতায়।

    তুলনামূলক বিচারে প্রযুক্তিগতভাবে রাখাইন তাঁত বেশ উন্নত। পার্বত্য চট্টগ্রামের আদিবাসী পাহাড়িদের সরল কোমড়-তাঁতের চেয়ে এর গঠনশৈলি ভিন্ন ও জটিল। পাহাড়ি তাঁতে শুধুই সরল রেখা বোনা গেলও রাখাইন তাঁতে নানা বাহারি নকশা, ফুল, লতাপাতা, কল্কে ইত্যাদি ফোটানো সম্ভব। বিলুপ্ত এ শিল্প-নৈপুন্যে যেন প্রচ্ছন্ন ইঙ্গিত মেলে, হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী এক জাতিগোষ্ঠীর রাজ্য হারানোর বেদনার্ত ইতিহাস।

    কথা প্রসঙ্গে এক রাখাইন মেয়ে মাচাং ঘরের নীচের ঝুপড়ি থেকে ভাঙাচোরা আসবাবপত্র, বাতিল মালামাল ইত্যাদি ঘেঁটে বের করেন পরিত্যাক্ত দুটি জ্যাক-আর্ট তাঁত, তার একটিতে এরইমধ্যে ঘুঁনে ধরেছে!

    পরদিন দিনমান সাংগ্রাং উৎসবে বুদ্ধ পূজা, আনন্দ-হাসি-গান, ছেলেমেয়েদের ঐতিহ্যবাহী পানি খেলা, অবিরাম বরাহ-শামুক-ঝিনুক-কাঁকড়ার মাংস আর নানান রকম আদিবাসী সব্জি সহযোগে ‘রা’ নামক কড়া চোলাই পান। আস্তে আস্তে যেন পৌঁছানো যায় অন্য এক অলৌকিক জগতে। প্রাচীন রাখাইন প্রবাদ বলছে, ‘যখন তুমি মদ খাও, তখন তোমার ভেতরে প্রবেশ করেন এক ছোট মানুষ!’

    সাংগ্রেং-এর হট্টোগোলের ভেতর রাখাইন নেত্রীর জনৈক প্রেমপ্রার্থী যুবক ওয়াই মং-এর মদো-প্রলাপও ক্রমে অস্পষ্ট হয়ে আসে। …

    ওই গোধূলি বেলায় ‘ওয়ান ফর দা রোড’, ডলিদের বাসার ঝুল বারান্দার ইজি চেয়ারে হারবাং নদীমুখো হয়ে বসা। ছোট মাপের কাঁচের গেলাসে রা’ খেতে খেতে অস্তগামী সূর্যের মায়াবী কাজ। পড়ন্ত রোদের লাল আভায় নদীর ওপাড়ের রাখাইন ঘরগুলো যেন আগুনে পুড়ছে।

    এক ছিমছাম ছোট্ট দোতলা বাড়ির মালিকানার প্রশ্নে ডলির বয়ান, সেটা তাদেরই আত্নীয়র ঘর ছিল। কিন্তু জীবনের তাগিদে তারা স্বপরিবারে এখন ওপারে মিয়ানমারে। হারবাং ছেড়ে অনেকেই ভিটেমাটি বেচে যাচ্ছেন ওপারে। গ্রামের অনেক ঘরই তাই পরিত্যাক্ত, খাঁ খাঁ। আবার কোনো কোনোটি সদ্য মালিকানাসূত্রে বাঙালিদের বাস। রাখাইন গ্রামের ভেতরেই ভিনভাষীদের ধীর বসতি নির্মান।

    শেষ বিকেলের আলোয় ডলির ফর্সা কচিপানা মুখে লালচে আভা। বন্ধুর কণ্ঠস্বর বাস্পরূদ্ধ, যেন অস্পষ্ট থেকে অস্পষ্ট হতে থাকে, আচ্ছা, বিপ্লব দা, আপনার তো ঢাকায় অনেক টাকার চাকরি! এ রকম একটা বাড়ি সস্তায় কিনতে পারেন? মানবিক লোকজন এসবের দখল নিলে রাখাইন মালিকটি দেশান্তরে গিয়েও অন্তত নিশ্চিন্ত যে, যাক, পূর্বপুরুষের ভিটেমাটির নিশানাটুকু তো টিকে থাকবে, সেটুকু তো আর একেবারে নিশ্চিহ্ন হচ্ছে না! …

    সাংগ্রাং-এর পরে গ্রামটিতে রাখাইনদের ধীর দেশান্তরের বিষয়ে আরো সরেজমিন অনুসন্ধানে চালানো হয় তথ্য-উপাত্তের চিরুনি তল্লাসি। পরে ঢাকায় ফিরে তখনকার কর্মস্থল দৈনিক ভোরের কাগজের সাপ্তাহিক প্রকাশনা ‘অবসর’ এ করা হয় সচিত্র প্রচ্ছদ প্রতিবেদন, ‘রাখাইনরা কেন দেশ ছেড়ে যান?’

    সেটি ২০০০ সালের এপ্রিল-মে মাসের কথা। প্রতিবেদনে জানান হয়, প্রায় চারশ বছর আগে মিয়ানমারের (বার্মা) রাজ্যহারা রাখাইন জাতিগোষ্ঠীর নির্মম পরিনতি। তারাই এক সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে কক্সবাজারের বিস্তৃর্ণ অঞ্চলজুড়ে ছিলেন সমৃদ্ধশাী। পাশার দান উল্টে বৃহত্তর বাঙালি জনগোষ্ঠির কাছে ক্রমেই কিভাবে হার হচ্ছে প্রতিযোগিতায়। কিভাবে জীবনের তাগিদে অতি নিরবে একটি-দুটি করে রাখাইন পরিবার দেশান্তরী হচ্ছেন ফের মিয়ানমারেই। আবার কোনো কোনো পরিবারের একাংশ এপারে রয়ে গেলেও আরেকাংশ ভাগ্যান্বেষনে যাচ্ছেন ওপারে।

    সে সময় কোনো গণমাধ্যমে এ বিষয়ে প্রকাশিত সেটিই ছিল প্রথম প্রতিবেদন। তাই এর প্রতিক্রিয়াও ছিল ব্যপক ঝাঁঝালো।

    প্রতিবেদন প্রকাশের পর কক্সবাজারের রাখাইনরাই দেশান্তরের প্রশ্নে বিতর্কে জড়ান। এ নিয়ে ‘অবসর’ এর পরবর্তী সংখ্যাতেও চলে তীব্র বাদানুবাদ।

    এ সময়ই এক সকালে তখনকার একমাত্র বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল একুশে টিভির এক বিশেষ প্রতিনিধি টেলিফোন। তার মতে, প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনটি নাকি আদৌ সত্য নয়। তিনি নিজেই নাকি কক্সবাজারে ঘুরে রাখাইনদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছেন. দেশান্তরের কোনো ঘটনাই নাকি সেখানে ঘটছে না!

    বলাই বাহুল্য, তখন সদ্য আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায়। তাই মিডিয়া থেকে মিডিয়ায় বদল হতে থাকে সত্য এবং অর্ধ সত্য। কে আর হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগাতে ভালবাসে?

    তাই অনেক তড়িৎ জবাব তৈরি থাকলেও বলা হয়নি কিছুই। তাছাড়া উগ্র জাত্যাভিমানের কাছে সব যুক্তিতর্কই কানা।

    --

    সংযুক্ত: খসড়া নোটে রাখাইন ছাত্রনেত্রী ক’চিন ঠে ডলির প্রাসঙ্গিক মন্তব্য:

    kyaw Sein Thay Dolly: …I would like to emphasize is that we are the son of this land and we have right to live in this land as many others. peacefully… we will alwyas voice out to raise public awareness to have the right as a country men.. this will always go on….

    --

    ছবি: সাংগ্রাং-এর জলোৎসবে রাখাইন নারী, কক্সবাজার, মং থেন হ্লা।

    (পুনর্লিখিত)
  • বিভাগ : অপার বাংলা | ২৬ এপ্রিল ২০২০ | ১০০৭ বার পঠিত
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ইশরাত তানিয়া | 162.158.207.137 | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ০৪:১৩92679
  • রাখাইনদের দেশান্তরী হবার কথা জানলাম। ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যাওয়ার অনুভব সমস্ত তর্কাতর্কির উর্ধ্বে। এই অনুভবের মীমাংসা হয় না। লেখককে ধন্যবাদ!  

  • শক্তি | 172.69.135.45 | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ০৭:০১92681
  • বিপ্লব রহমানের মরমী লেখাটি নিয়ে গেল বাংলাদেশের দক্ষিণ প্রান্তে মায়াবী জনপদে, যেখানে পাহাড়ের সবুজের মধ্যে মনোরম কালো রঙ কাঠের বিশাল বাড়ি গাছের গুঁড়ির স্তম্ভে বসানো ।গোলাপ ফুলের মতো সুন্দর, সপ্রতিভ শিক্ষিত মেয়ে ডলি এবং তার স্বজাতি প্রাচীন ঐতিহ্য , সংস্কৃতির উত্তরাধিকার নিয়ে বিপন্ন ।আসন্ন দেশত্যাগ কল্পনা করে কাতর ।অতুল সহমর্মিতা নিয়ে বিপ্লব পর্যবেক্ষণ করতে চেয়েছেন এদের সংকট ।ঝরঝরে প্রকাশ ভঙ্গি ।খুব প্রসাদ গুণ ।ভালো লাগলো 

  • বিপ্লব রহমান | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ০৮:১০92687
  • অনেক ধন্যবাদ ইশরাত। আগামীতেও সাথে থাকুন। 

    শক্তি দি,  তোমার পাঠ ও পর্যবেক্ষণ সব সময়েই ঋদ্ধ করে। কৃতজ্ঞতা জেন।            

  • b | 172.68.146.97 | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ০৮:৪২92688
  • সীমান্তরেখা নিপাত যাক।
  • সৈকত ভট্টাচার্য | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ১৩:০১92700
  • "Imagine there's no countries
    It isn't hard to do..." ভাল লেখা। ভাল থাকবেন। 

  • বিপ্লব রহমান | ২৬ এপ্রিল ২০২০ ১৬:২৯92704
  • ব, সৈকত দা, 

    অবশ্যই একদিন সব কাঁটাতার ঘুচে যাবে। অমর একুশে বইমেলা হবে আন্তর্জাতিক,  বিশ্বজুড়ে উদযাপন হবে একটিই স্বাধীনতা দিবস।  অনেক ধন্যবাদ               

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু প্রতিক্রিয়া দিন