• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • লৌন্ডা নাচ

    প্রতিভা সরকার
    বিভাগ : আলোচনা | ০৮ মার্চ ২০২০ | ১০৯০ বার পঠিত
  • ওপরের শিরোনামটি ধার করা। একটা বিখ্যাত ডকুমেন্টারি আছে এই নামে। কিন্তু কাহিনীটা অরিজিন্যাল। কারণ লৌন্ডা নাচে বিহারে বা উত্তরপ্রদেশে সাধারণত অল্পবয়েসী ছেলেরা মেয়ে সেজে কনের বাড়িতে গমনেচ্ছু বারাতিদের সামনে নেচে নেচে আনন্দ বর্ধন করে। কিন্তু প্রত্যেক বছর মূলত উত্তরবঙ্গ থেকে দেহে পুরুষ, কিন্তু মনে নারী যে বিপুলসংখ্যক অর্ধনারীশ্বররা লৌন্ডা নাচতে যায় তাদের কথা বড় কেউ জানে না। তাদের একজনই বসে আছে এ গল্পের কেন্দ্রে। মনেপ্রাণে নারী সেই হিয়া দাসের কথা এবারের নারীদিবসে।

    মালদায় নিম্ন মধ্যবিত্ত বাড়িতে বড় হলেও নিজের রোখে কলেজের পড়া শেষ করেছিল সে। সহপাঠি এবং অন্যান্যদের ঠাট্টাবিদ্রুপের শিকার হয়েও। কিন্তু চাকরির কোনো ব্যবস্থা তো সমাজ এবং রাষ্ট্র করে রাখেনি, রাখেও না। বাধ্য হয়ে দুটো অপশন থাকে সামনে - হয় হাতে তালি দিয়ে রাস্তায় নামা অথবা আদিম পেশার হাতছানি।

    কোনটাই করবে না জেদি হিয়া, তাই সে একদিন ট্রেনে চাপলো বিহারে যাবে বলে।

    তখন বিয়ের সিজন। কপাল ভালো থাকলে দিনে দু তিন হাজার টাকা, কী আরো বেশি রেট যাবে লৌন্ডা নাচের। কোনো প্রথাগত তালিমের দরকার নেই। শুধু আদিম ভঙ্গীতে শরীরে অশ্লীল মোচড় যতো ভালো দিতে পারবে নাচিয়ে, ততোই হাততালি, ততোই উত্তেজনা। সবাই একটু ছোঁবার জন্য ধাক্কাধাক্কি করবে, টাকার মালা ছিটকে পড়বে গলায়, আর চারপাশে শুধু মুগ্ধ লোলুপ পুরুষদৃষ্টি। এমনকি যার বিয়ে সেই বরও চুপি চুপি এসে লৌন্ডা নাচিয়ের শরীর চায়। বরের ভাই, জেঠা, বন্ধু, সবাই, সবাই ! এ এক আদিম পৃথিবী, যেখানে, কাম ছাড়া আর কোন আবেগ নেই ! কোনো পুরুষ যদি বিবাহিত স্ত্রী ছাড়াও লৌন্ডা নাচনীকে রক্ষিতা হিসেবে রাখতে পারে, পৌরুষের সঙ্গে স্টাটাস সিম্বল মিলেজুলে সে হয়ে উঠবে এক বিরাট পুরুষ।



    কেন রূপান্তরকামীদেরই রক্ষিতা হিসেবে চায় এরা ? এর পেছনে রয়েছে সহজ হিসেব। রক্ষিতা পুরোপুরি নারী হলে সন্তান, সন্তানের পেছনে সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদি নানান ল্যাঠা। সামাজিক বিধিনিষেধ অব্দি গড়ায় ব্যাপারটা। উল্টোদিকে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে কোনো রূপান্তরকামীকে জড়িয়ে রাখা গেলে টাকাপয়সার ব্যাপারটাও অনেকটা হিল্লে হয়। সেইই তখন 'নাচানিয়া'-র পেশা থেকে আনা রূপাইয়ার ভাগ দেবে তার বাবুকে। সেক্স তো সেক্স, পয়সা, প্রেস্টিজ সব উশুল।

    পিতৃতন্ত্রের হিসেবের কড়ি বাঘেও খায় না !

    একজন নাচানিয়াকে 'বড়া লগনে' ( গ্রীষ্মকালের তুলনায় বড় দিনগুলোতে যে বিয়ের লগ্ন) শীতকালের 'ছোটা লগনে'র থেকে নাচতে হয় অনেক বেশি সময়, তার উপার্জনও হয় অনেক বেশি। কিন্তু প্রাণ বেরিয়ে গেলেও সে নাচের সময় কোন বিশ্রাম নিতে পারবে না। ক্ষিধে পেলে খাওয়া তো দূরের কথা, দশ বার ঘন্টা প্রকৃতির ডাকে সাড়া না দিয়েও থাকতে হতে পারে তাকে। বেশ কয়েক কিলোমিটার তাকে নাচতে নাচতে যেতে হয় যতোক্ষণ না গন্তব্য আসে। এই রাস্তাটুকু, হিয়ার অভিজ্ঞতা বলে, নরকে যাবার রাস্তার মতোই। তুমুল বাজনার ভ্যাপ্পরভ্যাঁপোতে নাচানিয়ার কোনো প্রতিবাদ, কোনো আর্তনাদ শোনা যাবে না এই বিবেচনায় বরযাত্রীরা তাকে ক্রমাগত উত্যক্ত করতে থাকে। লোভী হাত ঘুরে বেড়ায় সারা শরীরে, কেউ এসে কোলেই তুলে নিল হয়ত বা, নখের আঘাতে ফালা ফালা হয়ে যেতে পারে গলা, বুকের দৃশ্যমান অংশটুকু।

    সেটুকু হলেও কথা ছিল। হিয়া বলতে বলতে সলজ্জ হাসে। তবু সে সব কথা খুলেই বলে। বরাত পৌঁছে গেলে একজায়গায় বরের ভাই এসে তার চোখ, ঠোঁটের বেজায় প্রশংসা করতে থাকে। ব্যাপার বেগতিক দেখে হিয়া তাকে শুরুতেই নিরস্ত করার চেষ্টা শুরু করে, কারণ অবাধ্যতার শাস্তি এখানে বন্দুকের গুলি। কদিন আগেই খবরের কাগজে এমন খবর আমরা দেখেছি। তাই সে বলে, -ইসব মেকাপ কা কামাল বাবুজি। মেকাপ উতার দুঙ্গি, তো দেখোগে...

    কিন্তু ভবি ভোলবার নয়। পুরুষটি বলে মেকাপ তুলে দিতে পারো, চোখ তো একই থাকবে, ঠোঁটের গড়ন কী আর পাল্টায়, মেরি জান, মেরি বুলবুল!

    ট্রাকের মাথায় সারা রাত লুকিয়ে থেকে সে যাত্রায় রক্ষা পায় হিয়া।

    লৌন্ডা নাচিয়েকে এইসব খপ্পর থেকে অটুট বেরোতে হয় অনেক বুদ্ধি খাটিয়ে। কেউ পারে কেউ পারে না। যে নাচিয়েরা হারিয়ে যায় তাদের নাম আর কখনো কেউ নেয় না। যারা অত্যাচার, বিশ্রী যৌনরোগের শিকার হয় তাদের কপালে অশেষ দুর্ভোগ। আর যারা মোটামুটি অক্ষত বেরিয়ে আসতে পারে, আর কখনো যাব না, এই প্রতিজ্ঞা তিনশ তেত্রিশ বার করেও আবার তারা রেলগাড়ি ঝমাঝম চাপে। কারণ চারপাশের ঘৃণা আর কর্মহীনতা।

    একটা মানুষকে বেঁচে থাকতে হবে তো ! তাই শিলিগুড়ির একটি এনজিও থেকে নাচতে যাবার সময় রূপান্তরকামীদের মধ্যে দেদার বিলি করা হয় কন্ডোম আর নানা ওষুধবিষুধ। বেঁচেবর্তে ফিরে এসো তো বাপু, তারপর দেখা যাবে।

    তবে হিয়ার গল্প যদি এখানেই শেষ হতো, তাহলে নারীদিবসে আলাদা করে তার কাহিনী ফেঁদে বসতাম না।

    গ্র‍্যাজুয়েশন তো আগেই কমপ্লিট করেছিল সে, নাচানিয়ার জীবন ভালো না লাগায় সে চলে আসে কলকাতায়। তার পাশে দাঁড়ায় প্রান্তকথা, বাপ্পাদিত্য মুখোপাধ্যায় যে এনজিও-র কর্ণধার। প্রয়োজনীয় ট্রেণিং শেষ করে সে এখন একটি কর্পোরেট হাসপাতালে ওটি এটেন্ড্যান্ট। ভারতে প্রথম রূপান্তরকামী যে এখানে পৌঁছতে পেরেছে। হিয়াকে খুব সুখী লাগে যখন সে বলে, -এই হাতে কতো বাচ্চা জন্ম নিচ্ছে। নিজে তো কখনো মা হতে পারব না। সন্তানকোলে মায়েদের হাসিমুখ দেখলে সার্থক লাগে।

    কিন্তু আমরা তো পাল্টাইনি, সমাজও পাল্টায়নি। তাই অনেক আগে যে শিশু মাথায় গামছার বিনুনি পাকিয়ে, লিপস্টিক পরে মেয়ে সাজতে চাইতো বলে অনেক নিগ্রহ সহ্য করতে হয়েছে, তাকে এখনো সারাদিনের পরিশ্রমের পর অনেক কষ্টে জোটানো চিলতে ভাড়া বাড়িতে ফিরে জামাকাপড় পাল্টাবার সময় চমকে উঠতে হয়। ঘুলঘুলিতে উঁকি মারছে কারো উৎসুক চকচকে চোখ।

    সারা জীবনভোর এই নিগ্রহের মাঝে হতাশ লাগে, ওর খুব হতাশ লাগে। এই মাইনেতে চলে নাকি মালদায় বাবার অতো বড় সংসার ! আর প্রেম ? নিজের সংসার ? অসুখবিসুখ ?

    হিয়া মুখে বলে না, কিন্তু ওর অন্যমনস্ক চোখ দেখে মনে হয় লৌন্ডা নাচের প্রচুর কাঁচা পয়সা, পুরুষের চোখে কাঙখিত হয়ে ওঠার ঝলমলে কিন্তু বিপদসংকুল দিন আর বর্তমানের এই কৃচ্ছসাধন, হীনমন্যতা আর সমাজের একচোখোমির মধ্যে যে বৈপরীত্য তা ওকে পীড়া দেয়।

    হিয়া নাচানিয়া আর হিয়া ওটি টেকনিশিয়ানের নীরব দ্বন্দ্বের কোনো আসান নেই জেনে ওর মধ্যেকার লড়াকু নারীসত্ত্বাটিকে কুর্ণিশ করে আমি বিদায় নিই।

    বেঁচে থাকো হিয়া ! এই লড়াইতেও জয়ী হও !

    নাম পরিবর্তিত, ছবিটি হিয়ার অনুমতিক্রমে দেওয়া।

  • বিভাগ : আলোচনা | ০৮ মার্চ ২০২০ | ১০৯০ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • খাতাঞ্চী | 172.68.146.91 | ০৮ মার্চ ২০২০ ১৯:২৭91296
  • নতুন লজিকে নতুন লেখা সময়ানুক্রমিক না চাপলে বুবুভার লিস্টে আসছে না। তাই তুলে দিই।
  • দ্যুতি | 172.69.135.129 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২০:০৩91302
  • শেয়ার করছি।
  • প্রতিভা | 162.158.166.160 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২০:০৭91303
  • হ্যাঁ দ্যুতি। লৌন্ডা নাচ নিয়ে প্রথম গুরুতে লেখে ঈপ্সিতা ও শুচিস্মিতা।
  • বিপ্লব রহমান | 172.69.135.111 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২১:১১91310
  • “কেন রূপান্তরকামীদেরই রক্ষিতা হিসেবে চায় এরা ? এর পেছনে রয়েছে সহজ হিসেব। রক্ষিতা পুরোপুরি নারী হলে সন্তান, সন্তানের পেছনে সম্পত্তির অধিকার ইত্যাদি নানান ল্যাঠা। সামাজিক বিধিনিষেধ অব্দি গড়ায় ব্যাপারটা। উল্টোদিকে বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে কোনো রূপান্তরকামীকে জড়িয়ে রাখা গেলে টাকাপয়সার ব্যাপারটাও অনেকটা হিল্লে হয়। সেইই তখন 'নাচানিয়া'-র পেশা থেকে আনা রূপাইয়ার ভাগ দেবে তার বাবুকে। সেক্স তো সেক্স, পয়সা, প্রেস্টিজ সব উশুল।“

    প্রতিভা দি,

    আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট বোধহয় বাদ পড়েছে। এটি হচ্ছে, উভকামীতা। সমাজে এই শ্রেণী নিছক কম নেই, যারা বৈচিত্রতার সন্ধানে রূপান্তরকামীদের কামনা করেন।

    ওপারে যা “লৌন্ডা“ এপারে বৃহত্তর ময়নসিংহ-সিলেট হাওরাঞ্চলে তাই-ই “ঘেঁটু“ বা “ঘাঁটু“  নাচগান হিসেবে পরিচিত একটি প্রাচীন সামন্ত সংস্কৃতি ছিল, যা এক-দেড়শ বছর আগে বিলুপ্ত হয়েছে বলে জানা যায়। জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক হুমায়ুন আহমেদের লেখা ও পরিচালনায় এই নিয়ে একটি সিনেমাও আছে, নাম – “ঘেটুপুত্র কমলা“। সেই সিনেমা থেকে এই ভিডিও ক্লিপিং দেখতে পারো :

    হিয়াদের কথা আর কে ভাবে, তোমার মতো, এমন করে দিদি? আরো লেখ।  

  • একলহমা | 162.158.187.184 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২১:৩৬91311
  • কুর্নিশ - হিয়াকে, আপনাকে।
  • প্রতিভা | 162.158.167.53 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২১:৪৪91313
  • বিপ্লব ঘেটুপুত্র কমলা আমি অনেকবার দেখেছি। তুমি ধরেছ ঠিক। এটা লিখতে গিয়ে বার বার ঘেটুপুত্রের কথাই মনে হচ্ছিল।
  • প্রতিভা | 162.158.167.53 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২১:৪৫91314
  • উভকামিতার কথাটিও একেবারে ঠিক।
  • পারমিতা দত্ত। | 162.158.166.160 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২২:৪৭91319
  • OT এটেন্ডেন্ট হয়েছেন এটা একটা পোস্ট পড়েছিলাম, কিন্তু পেছনে এত অপমান জানতামনা।
  • অলক বসুচৌধুরী | 172.68.146.187 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২৩:২৯91321
  • জন্মাবধি বিহারে থাকার সুবাদে এই নাচের সঙ্গে ছোটবেলা থেকেই পরিচিত হয়েও মনে হল এদের কথা এভাবে লেখার দরকার আছে। কারণ প্রদীপের নীচে বসবাসকারী এদের কথা অনেকেই জানেন না, বা ভাসাভাসা জানলেও এদের নিয়ে ভাবেন না। এদের সঙ্গে সমতুল্য বৃত্তি নিয়ে দিন গুজরান করে, এমন আর একটি শ্রেণীর মানুষের কথাও এই সূত্রে মনে পড়ে আমার। এরা পুরোদস্তুর নারী, বিয়ের বরযাত্রীদের শোভাযাত্রার সঙ্গে বৈদ্যুতিক আলোর স্তম্ভ মাথায় বহন করে সারে সারে চলতে থাকে এরা, অর্থাৎ চলতে হয় অবিশ্রাম। শোভাযাত্রায় চলে উদ্দাম নাচাগানা, বাজি পটকার বিস্ফোরণ চলে এদের কানের পাশেই, এদের সরে যাবার বা কানে হাত চাপা দেবারও উপায় নেই, ক্ষুৎপিপাসা মেটানো বা অন্যান্য প্রাকৃতিক প্রয়োজন মেটানো তো দূরের কথা। আমাদের এ অঞ্চলে বারাতির মিছিলে এদের প্রত্যেকের মাথার বাতিস্তম্ভগুলি একটির সঙ্গে আর একটি বাঁধা থাকে একটি বৈদ্যুতিক তার দিয়ে। কতটা দূরত্ব যেতে হবে বা কতক্ষণ এভাবে এদের চলতে হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। উচ্চশক্তির বিজলী বাতির নিচের অন্ধকারে নিরুপায় স্বেদ গড়িয়ে নামে এই দীপধারিণীদের মাথা থেকে!
  • শিবাংশু | 162.158.227.25 | ০৯ মার্চ ২০২০ ০০:৩৩91323
  • দক্ষিণবিহারের লোক হলেও দীর্ঘদিন উত্তরবিহারে থাকার অভিজ্ঞতা থেকে আমি এঁদের দেখেছি নানাভাবে। সবার সুযোগ হয়না হিয়ার মতো জিতে যাবার। বড্ডো অন্ধকার সেখানে। এঁদের আলোর সামনে নিয়ে আসাটাই একটা পুণ্য।অমিত আশ্বাস...
  • শর্মিষ্ঠা দাস | 162.158.167.53 | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২৩91324
  • আপনার সব লেখাই ব্যতিক্রমী । আয়াম্মার দেবদাসী অথবা লৌন্ডা নাচ । আলোআঁধারির গল্পেরও এক গতানুগতিকতা আছে । সেই ছক ভেঙি এগুলো একদম সপাটে চাবুক লেখা ।
  • শর্মিষ্ঠা দাস | 162.158.167.53 | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:২৩91325
  • আপনার সব লেখাই ব্যতিক্রমী । আয়াম্মার দেবদাসী অথবা লৌন্ডা নাচ । আলোআঁধারির গল্পেরও এক গতানুগতিকতা আছে । সেই ছক ভেঙি এগুলো একদম সপাটে চাবুক লেখা ।
  • একলহমা | 162.158.187.84 | ০৯ মার্চ ২০২০ ০১:৪০91326
  • অলক বসুচৌধুরী | 172.68.146.187 | ০৮ মার্চ ২০২০ ২৩:২৯
    কল্পনা করতেও দম-আটকা লাগে‌।
  • শামীম আহমেদ | 172.68.146.187 | ০৯ মার্চ ২০২০ ০৬:৩২91331
  • বেঁচে থাকুক হিয়ারা ! সব লড়াইতেও জয়ী হোক !
    পৃথিবীটা বড্ড খারাপ। আর মহিলাদের জন্য আরও ঢের খারাপ। প্রিভিলেজড না হলে তো আস্ত নরক-ই!
  • Du | 172.69.70.130 | ০৯ মার্চ ২০২০ ০৭:১১91332
  • কি অত্যাচার মানুষ করতে পারে!! প্রতিভাদির কলমের দয়ায় কত দুনিয়ার কথাই যে জানতে পারি।ওটি টেকনিশিয়ান হবার কথা শুনে ভালো লাগলো। আমার তো মনে হয় হোম বা জেরিয়াট্রিক কেয়ারেও এইরকম মানুষদের খুবই চাহিদা হওয়া উচিত। পুরুষ সেবাকর্মী তো দেখাই যায় না। কিন্তু প্রয়োজন কি নেই? হয়তো যারা মনে নারী তারা অত্যন্ত দক্ষতা ও মমতার সঙ্গে মেটাতে পারবেন।
  • অর্পন বোস | 162.158.167.193 | ০৯ মার্চ ২০২০ ১৪:০৬91346
  • দিদি, খুব বাদ পড়েছিলাম কয়েকদিন আওঅঅনার লেখা না পাওয়ায়। মোবাইল চুরি গিয়ে খুব অনাথ লাগছিল।
    এমন লেখায় হৃদয় মোচড় দিয়ে ওঠে। খুব ইচ্ছে করে আপনার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এমন সব প্রান্তিক মানুষদের কথা ভাবি স্মভব হলে কিছু করি। খুব হীন মনে হয় নিজের অক্ষমতায়। হিয়ার কথা পড়ে খুব কষ্ট হচ্ছে। হয়ত ঐটুকুই কিন্তু কি আর করতে পারি ভাবা ছাড়া। বড্ড জড়িয়ে আছি সংসার সমুদ্রে এটাই অসহায় করে তোলে আমায়।
  • প্রতিভা | 162.158.166.86 | ১০ মার্চ ২০২০ ১৫:৩৩91370
  • সবাইকে অনেক ধন্যবাদ, পড়া এবং আলোচনার জন্য। অলক বসুরায়চৌধুরীর দীপধারিণীদের সঙ্গে পরিচিত হবার খুব ইচ্ছে থাকল, ওদের লড়াইয়ের সঙ্গে পরিচিত হবার।
  • অঙ্কুর | 162.158.22.147 | ১৫ মার্চ ২০২০ ১১:৫৪91462
  • অসাধারণ লেখা। কুর্নিশ আপনাকে
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত