• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • হোক্কলরব - ম্যাডক্স ও লাবণি নিয়ে যে দু চারকথা আমি জানি

    π
    বিভাগ : ব্লগ | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ | ৬৬ বার পঠিত
  • ওরা ভয় পেয়েছে। তাই ভয় পাওয়ানোর চেষ্টা শুরু হয়েছে। ভয় পেলেও তো কামড় দেয়।মরশুম পুজোর। ওরা ভেবে নিয়েছিল, পুজোর স্রোতে হোককলরব ভেসে যাবে। পুজোর হুজুগ দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়ে যাবে, হোককলরবের , হ্যাঁ, হুজুগ। হুজুগমাত্রই ভেবে নিতে শুরু করেছিল বোধহয়। আর সেই ভাবনাতেই চিড় পড়ে গেল অষ্টমীর সন্ধের হোককলরবের গর্জনে। গর্জনের আগে থেকেই। হবার সম্ভাবনার খবর পেয়েই। কাল বাইরের গেটে জমায়েত হয়ে পোস্টার আঁকাআকি হতেহতেই জনতা চেগে গেল, ম্যাডক্স স্কোয়ারের ভিতরে বসে আঁকা লেখা করা হোক, গানবাজনা করা হোক। লিখে ফেলা পোস্টারগুলো হাতে করে মাঠে ঢুকতেই চার দিক থেকে হোক কলরবের আওয়াজ। হোক কলরব ধ্বনি উঠতেই তার প্রতিধ্বনি। আশেপাশেই ক্যামেরা নিয়ে হাজির ম্যাডক্স স্কোয়ারে বসে থাকা অনেক জনতা। হাজির হয়ে গেলেন উদ্যোক্তারাও। বললেন কাল মাঝরাতে নাকি লালবাজার থেকে চিঠি পেয়েছেন, হোককলরবকে ওঁরা স্পেস দিচ্ছেন, এন্টারটেইন করছেন, কেন করছেন, যেন না করেন ই ইঃ। বললেন, আমাদের অনুরোধ করছেন আমরা যেন ওঁদের পুজো নষ্ট না করি। তো আমরা বললাম, নষ্ট করার কোন পরিকল্পনাই নেই আমাদের। ম্যাডক্সে যেমন নানা গ্রুপ বসে থাকে, আড্ডা মারতেই, তেমনি হবে। আমরা গান বাজলা করবো,ছবি আঁকবো। উদ্যোক্তারা বললেন এটা যদি অনেকের মহ্যে ছড়িয়ে পড়ে তাহলে পুজো নষ্ট যাবে। সেই ভত পাচ্ছেন। আর লালবাজারে ভয় তো আছেই। অনুরোধ করলে মাঠে না করতে যদিও সেই দুরটা মাঝে মধ্যেই আদেশে রূপান্তরির হয়ে যাচ্ছিল। তো যাই হোক, ঠিক হল গেটের বাইরে কলরব হবে। এই সব কিচুই করা হবে। পোস্টার গুলো দেখাতে দেখাতে মাঠ থেকে বেরোনো হল। গেটের সামনের ফুটপথাএ জমায়েত শুরু হল, স্লোগানিং , গানবাজনা। লোক ছিলোই, আস্তে আস্তে আরো জড়ো হতে শুরু করলো। দাঁড়িয়ে পড়তে শুরু করলেন গেট দিয়ে ঢোকা বেরোনো মানুষজন। ছবি তুলতে লাগলেন। ভিসি তুমি দুশ্টু লোক/তোমার মাথায় উকুন হোক পড়তে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন অনেকেই , পড়তে লাগলেন অন্য পোস্টারগুলোও। জানতে চাইলেন কী হয়েছিল। বললেন পাশে আছি। জানতে চাইলেন, হোক কলরব তাঁদের ছেলেমেয়েদের জন্যেও কিনা, যারা অন্য কলেজে পড়ে। অন্য কলেজে পড়া ছেলেমেয়্রাও দাঁড়িয়ে গেল ভিড়ে।বিকেল সন্ধে হতে থাকলো, কলরব বাড়তে লাগল। স্লোগানের কলরব, গানের কলরব। উদ্যোক্তারা বাইরে চলে এলেন। উল্টোদিকের ফুটপাথে দাঁড়িয়ে রইলেন, পাশে পুলিশ। না, আমরা ঠিক করেছিলাম, কোনোরকম ডিসরাপশন আমাদের দিক থেকে নয়। তার রাস্তা আটকানো হয়নি। কয়েকজন ছেলেপুলে সমানে সেটা এনশিওর করে গেছে, রাস্তা দিয়ে যাতে ঠিকভাবে গাড়ি চলতে পারে, মানুষজন চলতে পারেন। মানুষজন যাতায়াত করছিলো, গাড়িও চলছিল । আর সেই মানুষাজন আমাদের স্লোগানিং শুনছিলেন, গান শুনছিলেন। যেতে যেতে কেউ কেউ গলা মেলাচ্ছিলেন, স্লোগানে, গানে। বলে উঠছিলেন হোক কলরব। কেউ কেউ থেমে দাঁড়িয়ে পড়ছিলেন। গাড়ি থেকে নেমেও। মিশে যাচ্ছিলেন আমাদেরই একজন হয়ে। বক্তব্য রাখলেন তাঁরাও। কীভাবে 'বহিরাগত' হয়েও তাঁরা পাশে থাকতে চান। আন্দোলনে শামিল হতে চান। হয়ে গেলেনও । এমনিতেই সেই জমায়েতে কম 'বহিরাগত' তো নেই। তখন স্লোগান উঠছে , আমরা হলাম বহিরাগত/থাকবো পাশে মারবে যত। ব্যারিকেড গড়ে তোলার স্লোগান উঠলো শুধু যাদবপুরের কমরেডদের জন্যই নয়, বিশ্বভারতী থেকে বর্ধমান থেকে কৃষ্ণনগর, কল্যাণী, নিউ ইয়র্র্ক , মানেসর, হিমাচল .. সব কমরেডদের নিয়েই। পুলিশ যখন সামনে দিয়ে যাচ্ছে, স্লোগান উঠে গেছে, পুলিশ তুমি মারলে এত, মাইনে তোমার বাড়লো কত ?পুলিশের গাড়ি যখন যাচ্ছে , সমস্বরে, পুলিশ তোমায় জাপটে ধরে, গান শোনাবো বিশ্রি সুরে।হ্যাঁ, পুলিশ চেয়ে চেয়ে দেখেছিলই। এই এত জনতার মোকাবিলা করার সাহস তাদের হয়নি। আর ভয় পেয়েছিল। এবং বোধহয় সুযোগের অপেক্ষায় ছিল। নবমীর সন্ধ্যায় লাবণির প্রোগ্রামের জন্য, প্রোগ্রাম বলতে সেই আঁকা আর গানের কথাই ছিল।পাঁচটা চল্লিশ নাগাদ যখন লাবণির সামনে গেলাম, কিছু ছেলেপুলে লাবণির গেটের সামনের রাস্তার ডিভাইডারের ঘাসে বসে পোস্টার লিখছে। সবাই ঐ ডিভাইডারেই। আমি যেতেই বললো তোমার খোঁজ হচ্ছে বেশ কিছুক্ষণ ধরে। স্পেশাল ব্রান্চের লোক। বলতে না বলতেই তিনি হাজির। বললেন আমি স্পেশাল ব্রান্চ থেকে আসছি। আপনার নাম অমুক। আপনার ইনফরমেশন আমাদের কাছে আছে। আপনাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাই। কালকের প্রোগ্রাম , আজকের প্রোগ্রাম নিয়ে জানতে চাই। লোকজনের নাম ধাম ইনফো চাই। পরে দেখা যাবে বলে অনদিকে গিয়ে আমি ফোন করতে শুরু করলাম, এ নিয়ে কীভাবে কী ডিল করা উচিত। কথা বলতে বলতেই দেখি দু গাড়ি পুলিশ, গাড়ি থেকে নামছে। এবং চলে এল ডিভাইডারে। যারা পোস্টারিং করছিলো তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করতে শুরু করলো। জিজ্ঞাসার থেকেও বেশি হুমকি, আপনারা এসব করতে পারেন না। আগে থেকে অনুমতি না নিয়ে। জিগেশ করা হল কী করা হয়েছে। ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকা যাবেনা। শুরু হল তর্ক, পুলিশ বললো আপনাদের যেতে হবে। এগুলো সব ই ফোন করার ফাঁকে ফাঁকে শুনছি। তখন পাগলের মত ফোন করতে শুরু করেছি একের পর এক মিডিয়ায়। লোকজনকে।Madhumita দি, Tapas দাকে, আরো অনেককে । ফোন শেষ হতে হতে দেখি ওদের তুলে নিয়েছে। এমনি কপাল যে ক্যামেরার চার্জার নেই, কদিন চার্জ দিতে পারছিনা। ফোনে কথা বলবো না ছবি তুলবো। আর ফোনে আগে কখনো তুলিওনি। খুঁজে পেতে তুলতে শুরু করতে করতে গাড়ি চলে গেল, তার পরের কিছু ভিডিও আর সেই স্ময়ের কিছু ঝাপসা ছবি এল। এবার পুলিশ আমার কাছে। ডিভাইডারে তখন আমি আর আরেকজন। আশ্চর্যজনকভাবে আমাকে অপশন দিল, গাড়িতে উঠবো কিনা। কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানালাম, উঠবো না। ডিভাইডার থেকে নেমে রাস্তায় গিয়ে দাঁড়ালাম। এসে গেল আরো কয়েকজন। Ratul থানায় গেল। বর এল। থানায় গেল, সুচেতনাদি করলো। এল। আসতে থাকলো অনেক ফোন। নানা মিডিয়া থেকে। যা ঘটেছে, জানালাম। বললো নিউজ করবে। খবর পেতে থাকলাম, করছেও। খবর এল ওদের ১৫১ দিয়েছে।ওরা তেরো জন ছেলেমেয়ে। Manmatha Roy, Prasun Chakraborty ,Aritra Majumder , Amlan Agun Jole Uthuk , Arnab Ghosh , Madhurima Ghosh , Jayati Pal , Koushik Mukherjii , Bandana Mondal , Chandak Guha , Kushal Sen .
    বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে ছিলাম আমরা। আবার পুলিশ এল। আমার সাথে কথা বলতে চাইলো। বললো, এখানে কোন জমায়েত করবেন না।কোন কিছু করবেন না। বল্লাম, কী আশ্চর্য, বাস স্ট্যাণ্ডে কয়েকজন মিলে দাঁড়িয়েও থাকতে পারি না ? তো, পুলিশ অফিসার বললেন, ম্যাডাম, আপনার সাথে কোন খারাপ ব্যবহার করছিনা, করছি কি ? এটাই বলে যেতে থাকলেন। তো বল্লাম, খারাপ ব্যবহার করার কথা তো বলিনি, কিন্তু আমরা এখানে থাকতে পারবো না, সেটা হয়না , সেটাই বলছি। সেটা ঠিক কিনা বলুন। চুপ করে গেলেন। মারুনাদি প্রশ্ন করলেন, ওদের ধরা হল কোন অপরাধে ? উত্তর এল, সেটাও এখনো বোঝেন নি ? থানায় আসুন, বুঝিয়ে দিচ্ছি।
    ঘণ্টা দেড়েক বাদে ওদের ছাড়া পাবার খবর এল। কিছু লোকজন ছাড়া পেয়ে লাবণিতে চলে এল। অতঃপর কী, এসব নিয়ে কথার মাঝেই গান ধরা হল। পুলিশের সামনেই। বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে। উই শ্যাল ওভারকাম। ওরা আমাদের গান গাইতে দেয় না। আমার প্রতিবাদের ভাষা, আমার প্রতিরোধের আগুন। বাঁধ ভেঙ্গে দাও ..
    হ্যাঁ , ওরা ভয় পেয়েছে। আমরা পাইনি।খুব আবেগাপ্লুত শোনাচ্ছে বটে। এই নিয়ে এখন চাট্টি খিল্লিও হয়ে যাবে হয়তো। আর হ্যাঁ, ন্যাপরটা বেশ আবেগদগদ ইস্কুলের রচনা মার্কাই দাঁড়াবে বটে, এখন যদি গানের এই কলিগুলো লিখি। কিন্তু এই কলিগুলোই তখন ঘুরিয়ে ফিরিয়ে গাইতে ইচ্ছে করছিল, গাইছিলাম ও । এটাও যে সত্যিই। We are not afraid We are not afraid We are not afraid some day Oh, deep in my heart I do believe We shall overcome some day
    পঃ হ্যাঁ, আমরা বুঝিনি। পুলিশ এসে অন্ধকারে ছাত্র পিটিয়ে গেলে, মেয়েদের যৌন হেনস্থা করে গেলে সেটা কোন অপরাধ হয়না, কিন্তু ডিভাইডারে বসে পোস্টার আঁকলে কেন অপরাধ হয়। বুঝিনি রাস্তায় দাঁড়িয়ে কতটুকু বলার অধিকার আমাদের আছে আর দেওয়া হবে। প্রশাসনের বিরুদ্ধে, ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরুদ্ধে , অত্যাচার , অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের কতটুকু বলার অধিকার আছে আর দেওয়া হবে। তবে বুঝে নিতে চাই। বুঝিয়ে দিতেও।
    ফিরে এসে দেখি Somnath Roy লিখেছে, পুলিশ তোমার এত্ত ভয়; তোমার জন্য চিন্তা হয়। Saikat Bandyopadhyay পোস্টার বানিয়েছেঃ
    এসেছে অজস্র লোকজনের ফোন। সবার নাম আলাদা করে আর নিলাম না। এসেছে পাশে থাকার আশ্বাস। কলরবের আশ্বাস। আবেগের হদ্দমুদ্দ করে লিখেই ফেলি, হোক হোক হোক্কলরব !

    -----
    এটা লিখেছিলাম দিন পাঁচেক আগে। এর মধ্যে জমায়েত হয়ে গেছে যাদবপুরে। আগে থেকেই অনেক মিডিয়া ঘিরে থাকায় থাকায় পুলিশ এবারে নীরব দর্শকের ভূমিকাতেই ছিল। আজ দুপুর আড়াইটেতে বিধাননগর কমিশনারেটের সামনে লাবণির ঘটনা নিয়ে প্রতিবাদ জমায়েত, ভিসির স্থায়ীকরণ ও অন্যান্য ইস্যুও আছে। স্পেশাল ব্রাঞ্চের খোঁচাখুঁচি, লোকজনের নাম , তথ্য জানার জন্য জোরাজুরি জারি আছে। জারি আছে কলরবও ।
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ | ৬৬ বার পঠিত
আরও পড়ুন
সুর অ-সুর - π
আরও পড়ুন
ইমন - π
আরও পড়ুন
'The market...' - Jhuma Samadder
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • | 24.97.53.148 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৩৭75111
  • আজকে কী হল একটু লিখো সময় করে।
  • সিকি | 132.177.82.111 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৫৮75112
  • পাইয়ের কাছে আজকের গল্প শুনলাম এট্টু আগে। কিন্তু পাইই লিখুক। আমি কিসু কমু না।
  • π | 127.194.14.37 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১২75113
  • আজ ডেপুটেশন দেওয়া হল, বিধাননগর কমিশনারেটে।লাবণির গ্রেপ্তারের বিরুদ্ধে আর তার আগে ঐ কমিশনারেটের তরফ থেকে মেয়েদের জন্য জারি করা নানা আচরণবিধির ফতোয়ার প্রতিবাদ জানিয়ে। সাধারণভাবে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি করায় পুলিশের ভূমিকার প্রতিবাদ ছিল। তার আগে পোস্টার প্রদর্শন, স্লোগান আর গান চলছিল ( দেওয়ার সময়ও চলেছে)।
    কমিশনার রাজীব কুমার সব পড়লেন, ভাল করেই কথা বললেন। একটু বেশি ভাল করেই। বললেন, সেদিনের ঘটনা অনভিপ্রেত। গ্রেপ্তার করা আর ওভাবে হ্যান্ডেল করা ঠিক হয়নি। ওঁদের তরফ থেকে গণ্ডগোল হয়েছে, এই নিয়ে ওঁরা ইন্টারন্যাল রিভ্যু করবেন, কেন এমন হল, কার নির্দেশে ইঃ। বলেছেন, শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার সম্পূর্ণ অধিকার আমদের আছে আর তার জন্য গ্রেপ্তার করা ঠিক হয়নি। আমাদের একটু নং দিলেন, এবার থেকে যেখানে জানিয়ে কোন প্রোগ্রাম নিতে বললেন। আর বললেন, বিধাননগরে এরকম ধরণের জমায়েতে আর এরকম কিছু হবেনা।
    ঐ ফতোয়া প্রসঙ্গে বললেন, ঐ নিয়ে আগেই ওঁরা নাকি ওঁদের ওয়েবপেজে ক্ষমা চেয়ে প্রত্যাহার করেছেন। ওটা নাকি কোন ওয়বেসাইট থেকে তাড়াহুড়োতে কপি করতে গিয়ে অমনি ভুল হয়ে গেছিল ঃ)

    যাহোক, আজও প্রচুর মিডিয়া ছিল, তাদেরকে এসবই জানানো হয়েছে।
  • a | 11.39.26.224 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:২০75114
  • সব I holo kintu rajyapal o paler goda r moto উল্টো সুরে গাইল । অর পদত্যাগ চাওয়া হবে না কেন?
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত