• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • আমার আরব্যরজনীরা এবং

    π
    বিভাগ : ব্লগ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ | ৩৬ বার পঠিত
  • যখন এই ভিডিওটি আপলোড করেছিলুম, সে অনেককাল আগে, ইউটিউবে অনেক ভয় অনেক দ্বিধা কাটিয়ে আপলোডাবার দিনগুলোর একদম প্রথমদিকে, তখন কীকরে গানের ফাইল থেকে ভিডিও বানাতে হয় তাই জানতাম না, জানার খুব আগ্রহ ছিল, তাও নয়। এক বন্ধু বানিয়ে দিয়েছিল, জিগিয়েছিল, কী ছবি দেবে। আমি নিতান্ত আতান্তরে পড়েছিলুম। গানের কি ছবি হয় ?
    হয়। অন্ততঃ হত, আমার কাছে। তবে সে আরো আরো অনেককাল আগে।
    তবে সে ছবি গানের না, শুধু সুরের। এক একটা সুর, না না, সব সুর না, কিছু কিছু গেঁথে যাওয়া সুরের সাথে এক একটা ছবি জোড়া ছিল। একেকটা সুরের সাথে একেকটা ছবি। জুড়ি।আর সে ভারি বিশ্বস্ত আর গভীর প্রেমের জুটি। কখনো ভাঙত না। কখনো বদল হতনা। একজন এলে অন্যজন আসবেই।
    এসবই শুরু হয়েছিল একটা সুর দিয়ে । অ্যারাবিয়ান নাইটসের সুর। সেটা শুনতে শুরু করলেই পিছু পিছু অদ্ভুত একটা ছবি চলে আসতো। ছবির সিকোয়েন্স। ফিকে জ্যোৎস্না আর মরু হাওয়া বিলি কেটে গেছে বালির উপর। সেই ঢেউ পার হতে হতে, কারুর সাথে ... না:, লিখতে গিয়ে দেখছি, আমার সে মুরোদ নেই, ছবিকে অক্ষরে ফুটিয়ে তুলি| আর মনে হওয়া , তাকে তো পারবই না| কাউকে কি বিশ্বাস করাতে পারব, সে ছবির সাথে আসত আমার এক যৌনতার অনুভূতি, যখন কিনা যৌনতার মানেও বুঝতাম না !
    একই ছবি, বারবার। বারবার ওই ছবি দেখতে পাওয়ার লোভে একই সুর শুনে যাওয়া। টানা আড়াই বছর রোজ চালিয়ে গেছি। রাতে। ও ছিল আমার রাতের নেশা। বাড়ির লোকজন বলেছিল এবার খ্যামা দে মা, পাগল হয়ে যাই !
    সে ক্যাসেট আমার হারিয়ে গেছে। ইউটিউবে খুঁজেও সেই কম্পোজিশন আর পাইনি। খুব যে খুঁজতে চেয়েছি, তাও নয়। কিছুটা ভয় পেয়েই। অনেক তো বদলেছি, বলা যায়না যদি সেই ছবি আর না আসে ?
    তারপর এমনি জুড়ি আরো কিছু তৈরি হয়েছিল। ফরএভার এন্ড এভার এর ইন্স্ট্রুমেন্টাল । সে শুনলেও একটা ছবি হাজির হতো। ধু ধু করা ফাঁকা মাঠে খাঁ খাঁ রোদ্দুরে একটা শুকনো ডালপালা মেলা গাছ। ওই ছবিতে অমন কী ছিল, সে ব্যবচ্ছেদ করিনি, করতে চাইওনা। শুধু মনে আছে, ওই ছবি দেখতে পাবার লোভে ওটা শুনে যেতাম। শুনেই যেতাম। ও ছিল আমার দুপুরের নেশা। তখন জানতামও না, এটা কোন গান। ইন্টারনেটের জমানায় এসে খুঁজলাম, জানলাম। কিন্তু দেমিস রুশোসের গানটা ভাল হলেও গান শুনে আমার সেই ছবিটা এলোনা। কথা শুনেই পালালো বোধহয়। তখন ইন্স্ট্রুমেন্টাল ভারশন গুলো শুনলাম। নাঃ। আমার সেই ক্যাসেটেরটাকে পেলাম না। আর সেই সুরটার সাথে ফাইডেলিটি এতটাই বেশি, অন্য কোন ইন্স্ট্রুমেন্টাল ভার্শনে সেই ছবি আর এলনা। কার ক্যাসেট ছিল, তা আর মনে নেই। হয়তো তেমন চেষ্টা করলে বের করা যেত। কিন্তু,তাতে আবার অন্য ভয় ধরে গেল, অনেক তো বদলেছি। সেই ছবি যদি আর না আসে !
    পরের ফেজ ছিল আমজাদ আলির। কামোদ আর ঠুমরি। তারপর সারেঙ্গি।
    সারেঙ্গির মোচড় আর জাফরি কাটা আলো আঁধারি সেই থেকে আমার এক।
    তারওপরে মোৎজার্টের ৪০ নং সিম্ফনি। শুরু হলেই কোথা থেকে মেঘ ফালা ফালা করে চাঁদ বেরিয়ে পড়ত। আর সে কী ভয় ধরানো ফালা ফালা ক'রা জ্যোৎস্না। আদিমকালের চাঁদিম হিম মার্কা ব্যাপারস্যাপার। আর সেখানে ছুটছি তো ছুটছিই।
    কিন্তু কথা এলেই যে ছবি হারিয়ে যায়, তার প্রমাণ আরেকবার হাতে নাতে পেলাম। সলিল চৌধুরীর ইতনা না মুঝসে কম্পোজিশনটা শুনে।এমনি হয়ত ভালই, আর আমি তো সলিল ভক্তই বলা চলে | কিন্তু ওই গান শুনলে কোথায় চাঁদ, কোথায় কী মেঘ, কোথায় কী তাদের ছোটাছুটি ! গানের কথায় সব ছুটটে পালিয়েছে।
    যাহোক, এদের দেখেশুনেই কেটে যাচ্ছিল কৈশোরের গোড়ার বছরগুলো। তখনো মিউজিক ভিডিওর কনসেপ্ট আসেনি, এসে থাকলেও আমার মফস্বলের চারতলার চারদেওয়ালের মধ্যে তার প্রবেশ ঘটেনি। যখন ঘটলো, তখন কিছুটা চমকেই উঠেছিলাম। না, না, এখানে আবার বলে বসবেন না যেন, সে কী কথা, সিনেমায় গান আগে দেখো নাই নাকি বাছা ? নাঃ, তফাত আছে। সিনেমায় সিচুয়েশনের দাবিতে গান আ্সে। ্মূলতঃ আগে ছবি, পরে গান। গানের জন্য ছবি নয়, যেমনটা কিনা মিউজিক ভিডিও। মানে, আমি অন্তত তখন সেভাবেই ভাবতাম।তো সে যাহোক, যা বলছিলাম, মিউজিক ভিডিও দেখে একটু দুঃখই হয়েছিল। কারণ , এতদিন জানতাম, এটায় আমার কপিরাইট আছে, এ একান্তই আমার ব্যাপার। গোটা বিশ্ব পৃথিবী জুড়ে এমনটি আর কারুর মনে হয়না ভাবাতে সে এক ভারি সুখ ছিল| মিউজিক ভিডিও দেখে তাতে খানিক ঘা লেগেছিল বটে, কিন্তু ব্যথা বেশিক্ষণ থাকেনি। যখন ভেবে দেখলাম, এসবই তো গানের চলচ্ছবি। কথার পিছন দৌড়নো। কথানুসারী ছবিগাঁথা। আমার ছবিরা তেমন নয়, তারা কেবল সুর শুনলে আসে। কথা আসলে কেটে পড়ে। সুরের সাথে ওয়ান টু ওয়ান মোলাকাতে কথার মত তৃতীয় ব্যক্তির কোন স্থানই নেই। বরম বিষম ঝগড়া আছে।
    তো , এসব নিয়েই বেশ চলছিল। বড় হচ্ছিলাম, অনেক কিছু বদলাচ্ছিলো, কিম্বা বদলাচ্ছিলো বলেই বড় হচ্ছিলাম। আর এরকম কোন একদিন পড়ন্ত বিকেলে , আধফালি রোদ্দুর আর অনেকখানি অন্ধকারের মধ্যে দেখলাম প্রথম দেখতে পেলাম ছায়াটাকে। ছায়া ছবি হল। ছায়াছবি। গানের সাথে ছবি। সেই প্রথম বার। ইমনের বন্দিশে। মাস্টারমশাইয়ের কাছে ইমন শিখে বছরের পর বছর বড় খেয়াল ছোট খেয়াল ঘষটেও যা হয়নি, তা হল|
    সেই প্রথম দেখলাম কথার সাথে সুর এক হয়ে যেতে পারে। এতটা এক , যে আর আলাদা করা যায়না। অর্ধনারীশ্বর। আর সেই অর্ধনারীশ্বরই ছবি হয়ে যায়। ছবি আস্তে আস্তে মূর্তি। মূর্তি আস্তে আস্তে মূর্ত। আর ম্যাজিকটা হয়ে যায়। আমার চারতলার ফ্ল্যাটবাড়ির চারদেওয়ালে তখন জাফরি বসে গেছে। জাফরির ফাঁকে ফাঁকে চুঁইয়ে পড়া কনে দেখা আলো। পশ্চিমের আলো। জাফরি কাটা আলোকে আরো কেটে কেটে দেওয়া সেই ছায়া। চাঁদ তখন পুবে। চাঁদ তখনও ছোকরা। চাঁদ তখনো আলো দিতে শেখেনি। আর চলছে সুর তালের শরীরী খেলা, এরি , এরি আলি ।
    গ রে গ গ। পিয়া বিন। তীব্র মধ্যমে যাবার তীব্র আকুতি। মীড়ের আকুতি,পঞ্চম থেকে মধ্যম হয়ে ধৈবতকে পাবার জন্য। সখি কল না পড়ত মোহে ঘড়ি পল ছিন দিন।
    এসবই আগে কখনো লিখেছিলাম।
    লিখিনি, এই ছবি দেখার নেশা কেমন ধরে ফেলেছিল আমাকে। ঘোরে ফেলেছিল আমাকে।
    লিখিনি, সেই নেশা কেমন ইমন ছাড়িয়ে চারিয়ে যাচ্ছিল কামোদে, পিলুতে, ভৈরবীর ছোট খেয়াল, ঠুমরিতে।শুধু সুরে নয়, সুর কথার আমালগামে।ছোটবেলায় শেখা গানের খাতার ঝুরঝুরেপ্রায় পাতা খুলে আঙ্গুল বোলাতাম বন্দিশ বোলে।
    ছুঁতাম।
    গাইতাম। শুনতাম। দেখতাম।ছুঁতাম।
    দেখতাম সেইসব ছায়াছবিদের , সেই সুর তাল মেশা অর্ধনারীশ্বরেদের। খালি চারপাশের চালচিত্তিরটা বদলে বদলে যেত।
    আর এতদিন শুনেছিলাম, এবার দেখতে লাগলাম, ভৈরবীর বারোটা স্বর একেকটা শব্দকে কেমন জিয়ন্ত করে তোলে।
    দেখলাম, হাত ছোড়ো সাঁইয়া মোরি না সতাইও সাঁইয়া...আরোহনের শুদ্ধ নি অবরোহনে কোমল হয়ে আসার আকুতিতে কেমন ক'রে সাঁইয়াকে অবয়ব দেয়। কড়ি মধ্যমকে ছুঁয়ে যাওয়ার তীব্রতা কেমন ক'রে ছদ্ম প্রত্যাখানে ঝটকা দেয়।
    দেখলাম, আমজাদ আলির কামোদের সুর কেমন করে মানত নহি প্যারে বলমার কথায় কথায় শরীর পায়।
    সুন গিন আয়ি রাত রঙ্গিলি তেহারি।
    দেখলাম, কড়ি নিয়ে খেলা রাত কেমন করে রঙ্গিলি করে তোলে, বক্র চলনের ঠুমকিতে কেমন ক'রে বিভঙ্গের ভাঁজে ভাঁজে নেশা ধরে।
    কামোদ, সেই যখন প্রথম শিখি, শুনেছিলাম নশিলি রাগ।
    এতদিনে টের পেলাম।
    টের পেলাম শাম তোরি আঁখিয়া কীভাবে পিলুর কোমল গান্ধারে এমন আজিব রঙ্গিলি হয়ে ওঠে।
    আর সারেঙ্গিতে ঠুমরি, আমি জানতাম কথা বলে, কিন্তু সে কথা, সেই নিংড়ানো আকুতি যে আসলে বলে নদিয়া কিনারে মোরা গাঁও, তুম আইও ঘনশাম রে, সেও সেই টের পেলাম।
    টের পেলাম ললিতা, মেরো নাম।
    টের পেলাম, তুম আইও ঘনশামের লুপে পড়ে গেছি।
    টের পেলাম,বদরার নিয়ে আসা বরসনে পিয়া ঘর না এলে কোমল নিখাদ ছোঁওয়া মীড় বেয়ে কেমন করে বেচইনি নেমে আসে।
    দেশের কোমল নিখাদ।
    দেশের সেই কোমল নিখাদ মেশা চলনেই নন্দকিশোরের বাঁসুরির অপেক্ষায় নিরখত ঠারে রাই।
    বাজত নহি বাঁসুরি জিয়া না লাগেরে।
    ক্যায়সে ছুঁপাউ ব্যাকুল চিত নিরখত সব ঠারে।
    দেশ কখন ভৈরবী হয়ে পিলুতে ট্রান্সফর্মড হয়ে যায়।
    চঞ্চল রাইকিশোরী থেকে বেপথু রাধা হয়ে লাস্যময়ী ললিতায়।

    বাজুবন্ধ খুল খুল যায়,
    সাঁইয়ানে জাদু ডালা রে...

    ললিতা মেরো নাম ,
    তুম আইও ঘনশাম রে।...

    আমি লুপে পড়ে যাই।

    একটা লুপ থেকে পিছলে যাই আরেক লুপে।
    খেয়াল ঠুমরির স্পাইরাল বেয়ে গজলের মেহফিলে। ব্রজবুলির মিঠে বোল বদলে যায় উর্দুর পালিশে।যার অর্ধেকের মানে বুঝিনা। তবু বদলায় না ছবিদের আসা যাওয়া। শব্দের মানে না বুঝলেও গানের মানে বুঝি বোঝা যায় ? বুঝি না। জানিনা। শুধু জানি গানেরা তাদের ছবি নিয়ে চলে আসে।

    এইসব ছবি দেখার নেশা কেমন ধরে ফেলেছিল আমাকে। ঘোরে ফেলেছিল আমাকে।

    কবে যেন গানের সাথে ছবি দেখার নেশা কেটে গিয়ে অন্য নেশার ফাঁদে পড়ে গেলাম | নাকি অন্য নেশাই আগেরটা কাটিয়ে দিল, সে অত ঠাহর করতে পারিনা আর|
    ছবিগুলো ধরে রাখার নেশার। ছবি আঁকতে পারিনা। মনে হয়েছিল, ওই সব ছবিগুলোকে খুঁজলে পেয়ে যাব। কাউকে কাউকে পেয়েওছিলাম। কাউকে পাইনি।সেই ছবি ধরে রাখতে গিয়ে দেখেছি বেবাক ফাঁকি। আবার হয়তোবা ...

    কিন্তু সেসবই অন্য কথা।
    এসব এত কিছু আবেগথরোথরো কথা বলবো বলেও তো আজ লিখতে বসিনি।
    যা বলছিলাম। এসব কিছু খেয়াল, ঠুমরি, গজল ব্যতিক্রম। এবাদে গানের সাথে আমি কখনোই ছবি মেলাতে পারিনি। গান কোন ছবি নিয়ে আসেনি। ার যাদের সাথে এসেছিল, সে ছবিদের খুঁজে পাইনি বলে, পেলেও ক্যামেরা কি ক্যানভাসে ধরে রাখতে পারিনি বলে। এদিকে গেরো। ইউটিউবে গান জোড়ার শখ হলে ভিডিও না বানিয়ে
    উপায় নেই। আর ভিডিওর জন্য চাই ছবি। ছবি লাগিয়েছি। অন্যের আঁকা কি নিজের তোলা। তাদের আলাদা করে ভাল লেগেছে। আমার পছন্দের ছবি,পছন্দের ফোটো। কিন্তু গানের সাথে জুড়তে গেলেই অস্বস্তিতে পড়েছি। মনে হয়েছে এরা মিশ খায়না। মনে হয়েছে, গানের কথা ছবিকে দূরে ঠেলে দিয়েছে, সুরের সাথে জুড়তে দেয়নি। কিম্বা গানের কথা সেভাবে সুরের সাথে জোড়েনি বলেই কোন ছবি আসেনি, কোন ছবি মিশ খায়নি। মোদ্দা কথা, গানের সাথে কোন ছবি খুঁজে পাইনি।
    যাহোক, যা দিয়ে বলতে শুরু করেছিলাম, যা দেখে এসব কথা মনে পড়লো। একদম পুরোনো একটা ভিডিও। যখন নিজে বানাতে জানতাম না। বন্ধুকে বলতে পারিনি কী ছবি চাই। অনেক ভেবে, কিছু ভেবে না পেয়ে বলেছিলাম, কোন ছবি চাইনা। কুচকুচে কালো একটা ছবি থাক,ছবি না থাকলে যেমনটা থাকে। তাই দিয়েছিল।
    আর কী আশ্চর্য , আজ গানটা ফিরে শুনতে গিয়ে মনে হল, প্রথমবারের জন্য, এই মিশকালো ছবিটাই এই গানের ছবি। খাপে খাপ।
    গানকে ক্যামেরা বা ক্যানভাসে ধরা যায় না।



    পুনশ্চ ঃ এ লেখা অনেকদিন আগে লিখে ফেলে রাখা। আজ ধুলো ঝেড়ে বের করলাম। আজ অন্য কিছু খুঁজতে গিয়ে দুম ক'রে সেই আরাবিয়ান নাইটস খুঁজে পেয়ে গেলাম বলে।
    শুনবো কি শুনবোনার দ্বিধা কাটিয়ে সাহস ক'রে প্লে বাটনে মাউস ছুঁইয়েই দিয়েছিলাম। ঘরটাও অন্ধকারই ছিল।
    মাদক সুরের তালে তালে দেখলাম এক এক ক'রে আমার কৈশোরের সেই আরব্য রজনীরা নেমে এল। ঠিক অমনি ভাবেই। ঠিক অম্নি নেশাই হল। ঠিক অম্নি অনুভূতিই।
    ফিরব বললে তাহলে ফেরা যায় !
    সেই নষ্ট লজিকেই কিছু সময় পিছনে হাঁটতে ইচ্ছে করল। এই আর কি।
    যাহোক, আমার আশেপাশের জনগণ সাবধান। আপনাদের আবার পাগল হবার দিন সমাগতপ্রায় ;)
  • বিভাগ : ব্লগ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫ | ৩৬ বার পঠিত
আরও পড়ুন
সুর অ-সুর - π
আরও পড়ুন
ইমন - π
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • phaaltu | 81.162.234.248 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৪৬65807
  • গানটাও
  • π | 122.79.37.64 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৫:২৮65812
  • লিঙ্কটা ফেসবুকে শেয়ার করেছি অন্যদের জন্য। আমার সামান্য তালিম নেওয়া, রেওয়াজ করার দিনগুলোর কথা মনে হচ্ছিল, এসব আবছা আবছা মনে হত, এত স্পষ্ট করে নয়, চেষ্টা করলেও এরকম লিখতে পারতাম না। আমি তালিম নিতে ফাঁকি দিয়েছি, রেওয়াজ করিনি ঠিক মতো, তাই সুরের ছবি ধরা দেয়নি। বড় ভাল লাগলো।
  • π | 233.176.63.113 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৬:২১65808
  • ধন্যবাদ।
    তবে উপরে পাই নামে মন্তব্যটি আমার নয়।
  • পরিচয় | 128.138.50.119 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৬:৫৩65809
  • লেখা বড় মায়াবী, যদিও আমি সমজদার নই। অরসিকেষু রসস্য নিবেদনম যাকে বলে। সংগীতের ভাল শ্রোতা নই। ইন্ডিয়ান ক্লাসিকাল তো একেবারেই নয়। কিন্তু লেখার প্রসাদগুণ অনস্বীকার্য।
  • π | 11.39.32.69 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:১১65805
  • আহ ।
  • Santanu Kumar Das | 127.194.216.149 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:২৯65810
  • screener andhakar theke dheuer mato apani vese vese aasate paren....aamaader chamat krito howa chhara anya upay nei...gaan ta saparibare sunchhilam...chamatkrito shudhu amii nai...
  • sosen | 78.105.152.253 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:৩০65806
  • লেখাটা খুব ভালো লাগল।
  • কাশ কা বেড | 127.203.210.193 (*) | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:৩৭65811
  • চমৎকার লাগল!!! যদিও আমি ব্যাকরণঅজ্ঞ সঙ্গীতভক্ত। নন্দনের প্রতিটা কোণা তো একই বিল্ডিঙয়ের , এরকমই তো হওয়ার।
  • | 11.39.12.204 (*) | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১০:৫০65813
  • বাহ বাহ।
  • ds | 122.79.38.155 (*) | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:১৪65817
  • চমৎকার লেখা
  • Du | 107.79.230.34 (*) | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০২:৪৪65814
  • খুব ভালো লাগলো
  • Born Free | 113.251.48.46 (*) | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৩:১০65818
  • তোমার এই গানটা অনেকদিন বাদে শুনলাম। গান হিসেবেও তোমার গলাতেও । অসাধারণ লাগলো।
    লেখাটাও খুব অদ্ভূত। অদ্ভুতের বাইরে অন্য কোনো বিশেষণ পেলাম না।
    অনেকবার ভেবেছি যদি তুলি হাতে কান্ভাসের সামনে দাড়াতে পারতাম, পেছনে চলত কোনো চেনা বা অচেনা সুর আর আমার হাত চলত নিজের গতিতে, নিজের মত করে, আমি তাকে কন্ট্রোল করতাম না, তবে কেমন হত ব্যাপারটা? চেষ্টা করে দেখেছে কয়েকবার, হাত কে নিজের মস্তিষ্কের কন্ট্রোল থেকে মুক্তি দিতে পারি নি।
  • অমর মিত্র | 127.194.59.162 (*) | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৬:১০65815
  • গানের ছবি মনের ভিতরে তৈরি হয়। গানের সঙ্গে মিশে থাকে স্মৃতি। পূরব জন্মের স্মৃতি। খুব ভাল লেখা।
  • i | 134.171.13.42 (*) | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১২:২৩65816
  • পাইএর লেখায় সে আমার গোপন কথা, শুনে যা ও সখী ব্যাপারটা আছে। শুরুতে যেন তানপুরো বাঁধার আওয়াজ , তারপর একান্ত অনুভূতি অসম্ভব স্বতঃস্ফূর্ততায় লিখে যাওয়া যে কারণে পাঠক একাত্ম হয় আর শেষ অবধি যেটা হওয়ার কথা , সেটাই হয়-লেখাটা গান হয়ে যায়।
  • keu-na | 122.79.35.63 (*) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৯:২৪65819
  • লেখাটা বড্ড ভালো l
    গানটা তো লাইভ শুনেছি :) রেকর্ডেড শুনতে গেলেও সেই মুখের পাল্টে পাল্টে যাওয়া রেখাগুলো মনে পড়ে...
  • ranjan roy | 132.162.103.42 (*) | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৮:০২65820
  • ক্যা বাৎ, পাই! ক্যা বাৎ!
    এক মায়াবী লেখা। আর ইন্দ্রাণী যেমন বলেছেন।
    তবে পাইয়ের গলায় কোন গান প্রথম শুনলাম, অসম্ভব ভালো লেগেছে। কাবলিদার আড্ডায় ছাড়বো না।
    শুনবো আমার প্রিয় ইমন--এরি আলি, পিয়া বিনা--!
  • PM | 53.251.91.135 (*) | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৯:১৯65821
  • বেজায় ভালো লেখা। পাইয়ের গান আমি আগেও শুনেছি। অনেকদিন আগে কেউ ইস্নিপসে লিন্ক দিয়েছিলেন--তাতে অনেক গান ছিলো। অদ্ভুত ভালো গলা
  • cb | 213.0.215.3 (*) | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৯:৫৮65822
  • আমি আবার ইউটিউবে লিং ফলো করে গিয়ে পাইয়ের গান শুনে নিলাম

    দুর্ধর্ষ!!!
  • 0 | 132.163.62.5 (*) | ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ১০:৪০65823
  • হুম্‌, আম্মো শুনিচি। লাইভ্‌ :-) বোধয় ২০১০, কাবলিদার বাসায়,পোস্ট্‌বইমেলাপার্টিতে, তবে বেশি না, একটাই :-( যদ্দুর মনে পচ্ছে সেদিন গলার অবস্থা ভালো ছিলনা। ইস্নিপ্‌সেরগুলো তারও আগে ডাউনলোডানো ছিল, কিন্তু হায়, আর নাই, হার্ড্ডিস্ক্‌ক্র্যাশে বিলীন :-( নতুন ক'রে শুনছি। লেখাটা ভালোই, তবে সেই ছবি-ক্যামেরা নিয়ে সেই লেখাটা - ওটা আরেট্টু বেশী ভাল্লেগেছিল।
  • pi | 192.66.71.210 (*) | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৯:১৫65824
  • সবাইকে আবারো ধন্যবাদ। তবে এটা ঠিক লেখা নয়, খুব এলোমেলো ক'রে কিছু কথা বলে যাওয়া। যখন যা মনে হয়েছে এখানে ওখানে আগে পিছে খাবলে খুবলে দু চার লাইন লিখে রাখা।

    সে যা হোক, কেউ না আর শূন্য কে তাইলে চিনি ? কিন্তু কারা কিছুই বুঝলাম না ঃ(
    আর ঐ সময় বইমেলায় নিয়ম ক'রে গলায় ব্যাঙ বাসা বাঁধতো। তাই ওটাকে আর গান না বলাই ভাল ঃ(
  • paps | 340112.218.673423.94 (*) | ০৭ জুন ২০১৮ ০৯:৪৪65825
  • তুললাম
  • π | 7845.15.12.90 (*) | ১২ জুন ২০১৮ ০৩:৪৫65826
  • Kই অসধরন গো।।।তন্বি দি
  • π | 7845.15.5678.96 (*) | ১২ জুন ২০১৮ ০৩:৪৫65827
  • Kই অসধরন গো।।।তন্বি দি
  • π | 7845.15.12.90 (*) | ১২ জুন ২০১৮ ০৩:৪৫65828
  • Kই অসধরন গো।।।তন্বি দি
  • π | 7845.15.5678.96 (*) | ১২ জুন ২০১৮ ০৩:৪৫65829
  • Kই অসধরন গো।।।তন্বি দি
  • π | 7845.15.5678.96 (*) | ১২ জুন ২০১৮ ০৩:৪৫65830
  • Kই অসধরন গো।।।তন্বি দি
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • গুরুর মোবাইল অ্যাপ চান? খুব সহজ, অ্যাপ ডাউনলোড/ইনস্টল কিস্যু করার দরকার নেই । ফোনের ব্রাউজারে সাইট খুলুন, Add to Home Screen করুন, ইন্সট্রাকশন ফলো করুন, অ্যাপ-এর আইকন তৈরী হবে । খেয়াল রাখবেন, গুরুর মোবাইল অ্যাপ ব্যবহার করতে হলে গুরুতে লগইন করা বাঞ্ছনীয়।
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত