এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • ইসকুল-টিসকুল

    Rana Alam লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ০৭ মার্চ ২০১৫ | ৩১১০ বার পঠিত
  • প্রথমেই একটা কথা সগর্বে বলে নেওয়া দরকার যে আমি হচ্ছি সেই অবলুপ্তপ্রায় ছাত্র সমাজের যোগ্য প্রতিনিধি যারা ইসকুল লাইফে মাস্টার মশাইদের নিরন্তর ঠ্যাঙ্গানি খেয়ে বড় হয়েছে এবং মাথা নামিয়ে স্বীকার করি যে সেইসব মাস্টার মশাইরা আমার এবং আমার মতন অনেক গাধার জীবনে না এলে আজ হয়ত এই জায়গায় থাকতুম না।

    প্রলোভন কি ছিলনা,ছিল সার,দস্তুরমতন ছিল।ইসকুলের মাস্টারমশাইরা যখন বাবা বাছা করে মাথায় হাত বুলিয়ে কড়া কড়া ট্রানস্লেশন কি হোয়াংহো নদী কোথায় গোছের টাস্ক করিয়ে নিয়েছেন,তখনই বুঝেছি যে সাধকের পথে কত বাধা,কত বিপত্তি।লাস্ট বেঞ্চ থেকে আমাদের তোলার যাবতীয় অপচেষ্টা সারেরা করে গিয়েছেন গোটা ইসকুল লাইফ।

    মাধ্যমিকের টেস্টে ভূগোলে তিনের ঘরে নাম্বার ছিল। আমার স্প্যাশিয়াল ইন্টেলিজেন্স এম্নিতেই হেব্বি খারাপ।তার উপরে কোন বাতাস কোথায় বইলে কিরম বৃষ্টি হয়, অমুক দ্যাশের তমুক মালভূমি কি তমুক নদীর নাম কি গোছের বাক্যবাণগুলো চিরকালই মাথার উপর দিয়ে ট্যান থিটা হয়ে বেরিয়ে যেত।ভাবুন দেখি,চীনের চেয়ারম্যান আমাগো দ্যাশের চেয়ার-টেবিল কি সিলিং ফ্যান ম্যান হল কিংবা হতেও পারে,তাই বলে চীনের কোন নদী’র নামও জানতে হবে,এটা কি অত্যাচার নয়?

    কিন্তু বুঝছিলাম যে ভূগোলের যে হাল তাতে মাধ্যমিকে পাশ করা অসম্ভব।ভূগোল পড়াতেন বদ্যিনাথ সার।খুব কড়া লোক।বাঘকেও তার থেকে আমরা কম ভয় পেতুম।একদিন গুটি গুটি পায়ে আমি এবং আরো কয়েকজন ফেলু ছাত্তর সারের কাছে হাজির হলুম। ইসকুল টাইমের বাইরে সার নিজেই আলাদা করে দেখাতে শুরু করলেন।

    মাধ্যমিকে ভূগোলে লেটার পেয়েছিলুম।পুরো ক্রেডিট সারের।নইলে আমার মতন গাধার সাধ্যি ছিলনা।সার এখন নেই।সারের জুতোটা বয়ে নিয়ে যাওয়ার অক্ষম চেষ্টায় রত আছি আমি এবং আমার মতন আরো অনেকে।

    অনেক পরে যখন ইসকুলে পড়াতে এলুম এবং পড়াতে ঢুকেই ইসকুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষকের দায়িত্ব নিতে হল তখন বুঝলুম যে আমাদের মাস্টার মশাইরা আদতে কি কঠিন কাজ করে গিয়েছেন দিনের পর দিন।

    আরেকটা পাতি সত্য কই।অনেকের কাছে শুনি যে ইসকুলের ছেলে মেয়েদের গায়ে হাত তোলা উচিত না। তাদের নাকি বুঝিয়ে সুঝিয়ে পড়াশুনো করানো যায় ইত্যাদি ইত্যাদি।এই সব পন্ডিতেরা দয়া করে পশ্চিমবঙ্গের সেইসব ইসকুলে একটু যাবেন যেখানে শিক্ষক পিছু ছাত্র ছাত্রী একশোর কাছাকাছি। কোনো অফেন্স নেবেন না সার,আমার ইসকুলে সাড়ে তিনশো ছাত্র ছাত্রী।তিনজন পার্মানেন্ট টিচিং স্টাফ।চারটে ক্লাস।ছড়ি হাতে না বেরোলে ইস্কুল আর গরুর হাটের কোনো পার্থক্য থাকে না। আমাদের জুনিয়র হাই স্কুল।ক্লাস এইট অব্দি ক্লাস হয়। সরকারী পরিভাষায় নিউ সেট আপ স্কুল বলে।যেখানে যেখানে ইস্কুলের চাহিদা আছে সেখানে এরম একটা ইস্কুল খুলে এসএসসি থেকে আমাদের মতন কিছু হতভাগ্য কে পাঠিয়ে সরকার বাহাদুর হাত ধুয়ে ফেলেছেন।
    কাঁদুনি গাইছিনা।বিশ্বাস না হলে ফ্যাক্টগুলো মিলিয়ে নেবেন।গোটা পশ্চিমবঙ্গে এরম হাজারের বেশি ইস্কুল আছে।কোনো কোনো ইস্কুলে ছাত্র ছাত্রী সংখ্যা কুড়ি বাইশ।টিচার সেই তিন জন।অনেক ইস্কুলের নিজস্ব জমি নেই।প্রাইমারী ইস্কুলের ঘরে ক্লাস হয়। পরিকাঠামোর কোনো বালাই নেই।আমার ইস্কুলের জমি ছিল।মোটামুটি একটা বলার মতন পরিকাঠামো গড়া গেছে।বেশিরভাগ ইস্কুলের তাও হয়নি।

    এই ইস্কুলগুলো শুরু হয় রিটায়ার্ড টিচারদের হাতে।পরে এসএসসি থেকে আসা টিচাররা দায়িত্ব নেয়।এসএসসি তে নিয়োগের গপ্পো আপাতত নেই।অনেক কটা ইস্কুল,যেগুলোতে রিটায়ার্ড টিচাররাই আছেন,তারা বয়সজনিত কারণে ( ৬৫ বছর অব্দি থাকা যায়) সরে যাচ্ছেন।নতুন টিচার আসেননি।ফলে বেশ কিছু ইস্কুল বন্ধ হবার মুখে।মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘিতেই এরম একটা ইস্কুল বন্ধ হয়ে গেলো,সেখানে তিনশোর উপর ছাত্র ছাত্রী ছিল।

    এসএসসি থেকে আসেন শুরুতে ল্যাঙ্গুয়েজের ( ইংরেজি),সোসাল সায়েন্স( ইতিহাস বা ভূগোল) আর ম্যাথামেটিকসের একজন।পরে যুক্ত হয় বাংলা আর বায়ো সায়েন্সের পোস্ট।বেশিরভাগ নিউ সেট ইস্কুলে টিমটিম করে ওই তিনজন টিচাররাই আছেন।অনেক ইস্কুলে তো একজন টিচারও আছেন।

    তাও ইসকুল চলছে।ওই সরকার চলার মতনই। বোঝেনই তো।

    আমি ইংরেজি পড়াই।একই সাথে ইস্কুলের দায়িত্বে আছি। মাঝে মধ্যেই সরকারী মিটিং আর গুচ্ছের পেপার ওয়ার্ক থাকে।আমি না পড়ালে ইংরেজি পড়াবার লোক নেই।তিনটে মাস্টার,চারটে ক্লাস।একইসাথে দুটো করে ক্লাস নিতে হয়।
    আমি মাস্টারদের কথা বলছিনা।কিন্তু যে ছাত্র ছাত্রীগুলো ইসকুলে ভর্তি হল,তাদের কি ঠকানো হচ্ছেনা? দায় কার?
    ইতিহাসের মাস্টার দিয়ে ভূগোলের ক্লাসে ঠেকা দেওয়া চলে,তাতে ক্লাস হয়না।আমি বারো ক্লাসের পর বাংলা পড়িনি।আমিও সেই ঠেকাই দিয়ে যাচ্ছি।

    আমি একটা প্রত্যন্ত গ্রামের ইস্কুলে পড়াই।সেখানে প্রায় সবাই ফার্স্ট জেনারেশন লার্নার।অনেকে ক্লাস ফাইভে ভর্তি হয় যারা একটুও ইংরেজি জানেনা।এবছরই ফাইভে অন্তত পাঁচ জন আমার ইসকুলে ভর্তি হয়েছে যারা ইংরেজি বা বাংলা কোনোটাই পড়তে পারেনা।কোনোরকমে আঁচড় কাটার মতন নামটা লিখতে পারে।

    বিএড এ পড়ে এসেছিলাম যে একটা ক্লাসে তিন শ্রেণীর লার্নার থাকে- অ্যাডভান্স লার্নার,নর্মাল লার্নার আর স্লো লার্নার।নর্মাল লার্নারের সংখ্যাটা বেশি হয়। এখন এই সব থিওরি মনে পড়লে হাসি আসে।আমার ইসকুলেই একটা ক্লাসে লার্নারদের মধ্যে একাধিক সাব গ্রুপ আছে। একটা চল্লিশ মিনিটের ক্লাসে একশো জনের ক্লাসে কিই পড়াব আর কাকেই বা পড়াবো তা নিয়ে ধাঁধা লেগে যায়।

    ক্লাস ফাইভের একটা নির্ধারিত সিলেবাস আছে।প্রতিবছরই ক্লাস ফাইভের কম করেও ষাট সত্তর জনকে ইংরেজিতি হাতে খড়ি দিতে হয়। ফাইভের সিলেবাস মাথায় ওঠে।এদের বাবা-মা ডে-লেবার।বাড়িতে পড়াশুনো দেখাবার কেউ নেই।চাইল্ড লেবার বেল্টে গতর খাটিয়ে টাকা পাওয়ার পথ প্রচুর।যে ছেলে গুলোকে খেটেখুটে হয়ত আমরা একটু গতে নিয়ে এলাম,সেভেনে উঠলেই তারা বিদেশে বা প্লাস্টিক কারখানায় কাজ করতে চলে যায়।স্বপ্নগুলো খান খান হয়ে ভেঙ্গে পড়ে।

    এর সাথে যুক্ত হয়েছে এক শ্রেণীর শিক্ষকদের অসহ্য স্নবিশ মেন্টালিটি যারা স্টাফরুমে বসেই সিদ্ধান্ত নিয়ে ফ্যালেন যে এই গরিবগুর্বোদের কি আর লেখা পড়া হয়? নিম্নবর্গের এবং খেটে খাওয়া হিন্দু-মুসলমান ছাত্র ছাত্রীদের প্রতি এক শ্রেণীর শিক্ষক-শিক্ষিকা রীতিমত সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ আর ঘেন্না পোষণ করেন।এ আমার নিজের চোখে দেখা।

    একটা বড় অংশের শিক্ষক নিরন্তর চেষ্টা করে যাচ্ছেন।কিন্তু পরিকাঠামোগত উন্নতি না হলে এরাই বা কি করবেন? স্কুলে স্কুলে কম্পিউটার-প্রোজেক্টর দেওয়া হয়েছে।খুব কম স্কুলেই তা ব্যবহার হয়। ব্যবহারের জন্য ট্রেনিং দেওয়া দরকার।তা কতটা ঠিকঠাক হয় তা নিয়ে সংশয় আছে। যারা সরকারী উদ্যোগে ট্রেনিং ক্যাম্প বা ওয়ার্কশপগুলোতে যান তারা এই বাস্তবটা জানেন।
    বছরখানেক আগে গুরুচন্ডালী ওয়েবসাইট থেকে একজন সাহায্যে এগিয়ে এসেছিলেন কিছু ছেলে মেয়েকে যদি ভালো কোনো জায়গায় নিয়ে যাওয়া যায়।কথা বার্তা কিছুদূর এগিয়েছিল।কিন্তু স্থানীয় সমস্যায় তা আর করা গেলনা।

    নিউ সেট আপ স্কুল গুলোকে নিয়ে আদৌ সরকার বাহাদুর কিছু ভাবছেন কিনা জানিনা।প্রতিদিন ছেলে মেয়েগুলোর মুখ দেখি আর নিজেরই হতাশ লাগে।

    যে বাচ্চাটা আজ হাসি মুখে খালি পায়ে আমার ইস্কুলে ভর্তি হল জানি তিন বছর পর হাওড়া কি কেরালাতে লেবার খাটতে যাবে।যে ফুটফুটে মেয়েটা স্কুলে ঢোকার মুখে রোজ আমাকে ‘গুড মর্নিং সার’ বলে সম্বোধন করে সে ক্লাস এইটের পর আমার ইস্কুল ছাড়লেই বিয়ের পিঁড়িতে বসবে।সে দুবেলা বিড়ি বাঁধে।মাস্ক ছাড়াই বিষ বাস্পে শ্বাস নেয়।

    যতদিন না সঠিক পরিকাঠামো আর পর্যাপ্ত শিক্ষক দিয়ে স্কুল শিক্ষাকে কর্মসংস্থানের সাথে জড়িত না করা যাবে তদ্দিন একটা বিপুল পরিমাণ মানব সম্পদ এভাবেই নষ্ট হবে।সস্তা শ্রমের দেশ বলে সরকারী প্রচারযন্ত্রে গুচ্ছের শিল্পপতির হাসিমুখ ফুটে উঠতে পারে কিন্তু পিছনের সুদীর্ঘ অবহেলা আর বঞ্চনার ইতিহাসটা মিথ্যে হয়ে যায়না।

    আপাতত কসাইখানার দারোয়ান হয়ে মেয়াদ কাটাচ্ছি সার।মাসকাবারি বেতন পাই,এই আগাছার পাল গরিবগুর্বোদের কথা ভেবে কি হবে বলুন?
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ০৭ মার্চ ২০১৫ | ৩১১০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • Biplob Rahman | 212.164.212.20 (*) | ১০ মার্চ ২০১৫ ১২:৩৪68632
  • "নিম্নবর্গের এবং খেটে খাওয়া হিন্দু-মুসলমান ছাত্র ছাত্রীদের প্রতি এক শ্রেণীর শিক্ষক-শিক্ষিকা রীতিমত সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ আর ঘেন্না পোষণ করেন।এ আমার নিজের চোখে দেখা।"

    গুরুতর বিষয়। এপারেও অনেক শিক্ষক এমন হীন মত পোষণ করেন, নিম্ন বর্গের শিখ্খার্থীদের টয়লেট পরিনকার করতে হুকুম দিয়েছেন, এমনও হয়েছে।

    শিহ্ককদের আগে শিক্ষা দরকার।
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন