• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • নারীদিবস ও একটি ফুটো পাইপের গল্প

    Aniket Pathik ফলো করুন
    ব্লগ | ০৯ মার্চ ২০১৯ | ৯০ বার পঠিত

  • হ্যাঁ আমি নারীদিবস পালনে বিশ্বাস করি। আরো নানারকম দিবসের পালনেও বিশ্বাস করি তবে সে কথায় পরে আসছি। আগে একটা গল্প বলি, একটা মেয়ের গল্প। জন্মসূত্রে মেয়েটি ভারতীয় নারী সমাজের সেই ‘ক্রিমি লেয়ার’ এর সদস্য যারা জন্ম ইস্তক পরিবারের সম্পদ হিসেবেই গণ্য হয়েছে, বোঝা নয়। যাদের ১৮, ২০, ২২ এমনকি ২৫ বছরেও শুধুমাত্র ‘বিয়ের জন্য’ অপেক্ষায় থাকতে হয় নি, যারা যদ্দুর সম্ভব যেমন ইচ্ছে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছে, আর্থিক ও পারমার্থিক (আহ্‌ সব কথা ধরতে হয় নাকি !) দিক থেকে স্বয়ম্ভর হবার সুযোগ পেয়েছে, এ হল সেই দলের মেয়ে।

    এই মেয়েটি যখন নারীদিবসের ‘এক্সপোজার’ পেয়েছিল, তখন সে যথেষ্ট পরিণত। তাই ‘নারীদিবস নয়, আমি ‘মানবদিবসে’ বিশ্বাস করি’ এহেন কথা সে কোনোদিনই বলেনি। কিন্তু যাদের জন্য নারীদিবস তার ধারণা ছিল সে নিজে তাদের মধ্যে পড়ে না কারণ নারী হিসেবে কিছু অসুবিধের মুখোমুখি হলেও সে একটা সময় পর্যন্ত তেমন কোনো বৈষম্যের শিকার হয় নি।

    তারপর একসময় সে মা হল মহানন্দেই। নতুন বাবাটির সহযোগিতায় নতুন মায়ের যাবতীয় দায়িত্ব ও কর্তব্য সামলে, শারীরিক ও মানসিক ধকলকে প্রায় ফুঁয়ে উড়িয়ে সামান্য প্রলম্বিত মাতৃত্বজনিত ছুটির পর নতুন কর্মক্ষেত্রে যোগদান করল। বিখ্যাত বিজ্ঞানীর গবেষণাগারে ‘রিসার্চ অ্যাসোসিয়েট’ হয়ে। একদল সদ্য-স্নাতকোত্তর গবেষকের দলে একজন অ্যাসোসিয়েট, যে পদটা কিছুটা ‘সিনিয়র’ গবেষকের জন্যই রাখা থাকে। আর সেই সময় থেকে শুরু হল তার ‘অন্যরকম’ হয়ে পড়া। তার শিশুটি তখনও রাতে বার বার ওঠে, ব্যাহত ঘুমের ধারাবাহিকতায় ক্লান্ত, মাঝে মাঝেই মাইগ্রেনের অসহনীয় যন্ত্রণায় বিপর্যস্ত, সকালে আয়া না আসা, দেরীতে আসা, শিশুটির খেতে না চাওয়া বা জ্বরে ভোগা এই নানারকম ধকল সামলে ল্যাবে পৌঁছতে কোনোদিন কিছুটা দেরী হলে ‘সহকর্মীদের’ তাচ্ছিল্যের দৃষ্টি, আর বিজ্ঞানী ‘বস’এর ঠাণ্ডা তিরস্কার ঃ ‘তোমার কি মনে হয় তুমি নিজের কাজটার দিকে যথেষ্ট মনোযোগ দিতে পারছ !’

    মজা হল এই পর্যন্ত এসেও মেয়েটি কিন্তু কাউকে দোষ দেয় নি, নিজেকে ছাড়া। নিজের অপারগতায় নিজের ওপরই বিরক্ত হয়ে উঠেছে, মাইগ্রেনের ব্যাথায় মুঠো মুঠো পেইন-কিলার খেয়েছে, সামান্য দেরীতে ল্যাবে পৌঁছনোর খামতি পুরোতে থেকেছে দেরী অবধি আর তারপর আয়া চলে যাওয়ার আগে বাড়ি পৌঁছতে পারা-না-পারার প্রচন্ড টেনশনে / অপরাধবোধে ভুগেছে প্রায় রোজ। মনে রাখবেন এই মেয়েটির চাকরীটা কিন্তু কর্পোরেট জব নয়, দশটা-পাঁচটার বাঁধাধরা কাজও নয়, স্থায়ী চাকরীও নয়, এমনকি কিছু শেষ করার তাড়াও (যেমন পি এইচ ডি ডিগ্রী) নেই। এমন একটা কাজে, এমন একটা পদে হাজিরাটা ততটা জরুরী নয়, মনঃসংযোগ যতটা। বিশেষতঃ এই মেয়েটি যে প্রজেক্টে কাজ করত সেখানে হাতে-কলমে কাজের চেয়ে পড়াশোনাটাই বেশি দরকারী ছিল, যে কাজটার জন্য ‘ফ্লেক্সিবল আওয়ার’ এমনকি বাড়ি থেকে কাজ করাও চলতে পারত, নির্দিষ্ট সময়ে কাজটুকু হচ্ছে কিনা সেটা দেখাই যথেষ্ট ছিল। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটা হয়নি, তাই সে কি পারছে তার চেয়ে কি পারছে না সেটা জরুরী হয়ে উঠছিল, কেন পারছে না সেটার অঘোষিত ব্যাখ্যা ছিল যে সে অসমর্থ। তার তুলনা হচ্ছিল বয়সে দশ বছরের ছোট (পুরুষ) সহকর্মীদের সঙ্গে, যারা প্রায় সবাই অবিবাহিত এবং হোস্টেল বাসী। ওদের বয়সে মেয়েটাও যে সেই রকমই ছিল সেটা মেয়েটার নিজেরই অবিশ্বাস হত।

    মেয়েটি জানিয়েছে, ‘এটা অত্যাচারের গল্প নয়, বৈষম্যের, যে কাঁটাটা অনেক সময়ই গোপন থাকে, এমনকি যখন প্রকাশ পায়, তখনও এতই সূক্ষ্ম যে যে আহত হয়, শুধু সে-ই অনুভব করে’। অর্থাৎ মাঝে মাঝে আহত হলেও তরুণ সহকর্মীরা ও মুখ্য বিজ্ঞানীর সঙ্গে রোজকার ওঠাবসায় মোটের ওপর এমন একটা চলনসই সম্পর্ক ছিল যাকে মেয়েটাও ‘প্রফেশনাল রিলেশন’ বলে মেনে নিতে পারত। হ্যাঁ, কর্মস্থলের নিষ্ঠুরতা ও উদাসীনতাকে মেয়েটি ‘প্রফেশনালিজ্‌ম’ বলেই মেনে নিতে চাইত। নিজেকেই বোঝাতো তোমার বাচ্চা ছোট কিনা, তুমি রাতে ঘু্মোও কিনা সে কথা অফিস শুনবে কেন ! বস্তুতঃ অফিস কোনোদিনই সে সব কথা শোনেনি কারণ ও শোনায়নি। দেরী হবার বা কামাই হবার কারণ হিসেবে সে কোনদিন বাচ্চার দোহাই দেয় নি, শুধু ‘দুঃখিত’ বলে চেষ্টা করেছে শুধরে নেবার।

    আজকে এই লেখা সেই মেয়েটির ‘দোহাই’ না দেবার বা ‘শুধ্‌রে’ নেবার কথা নিয়েই। আচ্ছা বলুন তো, মা হওয়ার পর শিশু সন্তানের দেখভাল কি কোনো অপরাধ যাকে ‘দোহাই’ বলতে হবে, যে অপরাধকে ‘শুধ্‌রে’ নিতে হবে প্রাণের ওপর উঠে, অথবা নিঃশব্দে সরে যেতে হবে ! প্রতিযোগিতামূলক পেশায় (গবেষণাও তার মধ্যে একটা) যারা থাকে ছ’মাস ছুটিতে থাকা ও তারপর নানারকম সমস্যায় তারা কিছুটা পিছিয়েই যায়, কিন্তু এই পিছিয়ে যাওয়াটাকে সমাজ কেন তার ব্যাক্তিগত ব্যর্থতা বলে দেখবে প্রশ্নটা সেখানেই। তাহলে কি ‘কেরিয়ার’ বজায় রাখতে গেলে মেয়েদের ‘পুরুষ’ হয়ে উঠতে হবে, মাতৃত্বকে বাদ দিতে হবে জীবন থেকে ! নাকি মাতৃত্বের পর প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়া / বাদ পড়াটাকেই স্বাভাবিক বলে মেনে নিতে হবে ?

    গল্পটা অবশ্য শেষ হয়নি। কিছুদিনের মধ্যে একটি চাকরীর আবেদনপত্রে মেয়েটির সেই মুখ্য বিজ্ঞানীর ‘রেকমেন্ডেশন লেটার’ দরকার হয়। ওপরের দিকে গেলে যেকোনো পেশার জগতই খুব ছোট হয়ে যায়, জানাশোনা হয়ে যায় অনেক তথ্য। মেয়েটি জানতে পারে সেই চিঠিতে তার ‘মেন্টর’ সেই বিজ্ঞানী যাঁর জ্ঞান-বুদ্ধি-ব্যাক্তিত্বের ছটায় সে তখনও মুগ্ধ ছিল, তিনি লিখেছেন যে ‘ও (মেয়েটা) ল্যাবে বিশেষ সময় দিতে পারে না, হয়তো বাড়িতে বাচ্চা আছে বলেই।।।’। মেয়েটি অবাক হয়ে ভেবেছিল, যে সময় ও প্রাণপণে নিজেকে ‘সকলের মত’ করে তোলার চেষ্টা করছে, বাচ্চা থাকার ‘অ্যাডভান্টেজ না নেওয়ার’ চেষ্টা করছে, ওর কর্মক্ষেত্রে ওকে তখন সবাই নীচের ধাপেই দেখতে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে । যে ‘প্রফেশনালিজ্‌ম’ বজায় রাখতে গিয়ে ও কোনোদিন ওর শিশুটি ছেলে না মেয়ে সেই কথাটুকুও বস কে জানায় নি (তিনিও জানতে চান নি), সেই ‘পেশাদারীত্বে’র চাপ সহন আদৌ কোনো কাজে লাগেনি। ধাক্কাটা সইতে সময় লেগেছিল মেয়েটার।

    এটা কোনো ফিল্মের বা রূপকথার গল্প নয় যে কোনো জাদুমন্ত্রে মেয়েটি বিশাল সাফল্য পাবে আর তাকে দেখে সকলের মাথা নত হয়ে যাবে, কিম্বা হতাশায় মেয়েটি পাগল হয়ে যাবে বা আত্মহত্যা করবে, যা শেষ অবধি লোককে ভাবাবে। সেসব কিছুই হল না। প্রথিতযশা সেই বিজ্ঞানীর দলে সেভাবে কাজ করার সুযোগ না পাওয়ায় মেয়েটি গবেষণার জীবনে বেশ কিছুটা পিছিয়ে গিয়ে অন্য পেশায় চলে গেল, এইটুকুই। তিন সন্তানের গর্বিত জনক এই বিজ্ঞানী দাবী করেন সন্তানের ক্ষেত্রে তিনি ‘মাতৃত্ব পালন’ করেছেন, পিতৃত্বও। নিশ্চই করেছেন, কিন্তু যে কারণেই হোক সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে এসেছেন, যেভাবে সবাই আসে। আর সেই জায়গায় ফিরতে হবে না, ওঁর কন্যাকে কেউ প্রশ্ন করবে না যে ‘তুমি কি পারছ ?’ কারণ ওঁর তিনটিই ছেলে, মেয়ে নেই।

    এইখানে এসে নারীদিবসের গল্প আর মাতৃদিবসের গল্প মিলে-মিশে যায়। এইখানে এসে পরিচারিকার-যৌনকর্মীর-মুখচোরা গৃহবধূর সঙ্গে এক আসনে বসে পড়ে উজ্জ্বল মেয়েটির গল্প যে আসলে হাত বাড়িয়ে দিতে চেয়েছিল টেনে তোলার জন্য ধরে ওঠার জন্য নয়। ইঁটভাঁটায়-রাজমিস্ত্রীর কাজে-আয়া সেন্টারে-সোনাগাছিতে কাজ করা মেয়েদের রগ্‌রগে গল্পের পাশে, পাহাড়ে চড়া-বাইক-চালানো-লাফিয়ে-ঝাঁপিয়ে-গুলি চালানো-দশভূজা-বীরাঙ্গনাদের ঝক্‌ঝকে গল্পের পাশে এই ফুলটুসি রিসার্চ স্কলার যে নাকি নিজের ফুলের মত সন্তানের ঘায়েই মূর্ছা গেছিল তার কথা এই নারীদিবস ছাড়া সারাবছরের বাকি ৩৬৪ দিন শোনার সময় কই আমাদের ! মাতৃত্বকে যে জীবনের আর পাঁচটা ঘটনার মতই একটা ঘটনা হিসেবে দেখেছিল, সেও শেষ অবধি সেই ফাঁদেই আটকে গেল আর তার জন্য তার যে ক্ষতি হল সেটা ‘ফুটো পাইপ’ এর পরিসংখ্যান কিছু বাড়ালো। এইটুকুই, ব্যস।

    পুনশ্চ ঃ মাতৃত্বের কারণে মেয়েদের বিভিন্ন জায়গায় পিছিয়ে যাওয়ার সমস্যা শুধু আমাদের দেশের নয়। ফুটো (লিকিং) পাইপ প্রতিশব্দও আমার আমদানী করা নয়। সুতরাঙ এই লেখা কোনোভাবেই মেয়েদের জড়িয়ে পড়াকে জাস্টিফাই-গ্লোরিফাই বা নাল্লিফাই করা নয়, সম্পূর্ণ বাস্তব একটা কোন থেকে দেখা। গতকাল এই লেখা ফেসবুকে প্রকাশিত হবার পর বিভিন্ন পেশার অনেকে জানিয়েছেন যে এই গল্প তাঁদেরও। মাতৃত্ব ও সেই সম্পর্কিত নানা কারণে জীবনের কোথাও কোথাও কোনো মেয়ের একটু সময় দরকার হয়। তার কোনো ফর্মূলা নেই, সেই সময়টুকু তাকে চাপ না দিয়ে একটু সহানুভূতির সঙ্গে পাশে থাকলে জগতের, সমাজের এমনকি পেশাদারীত্বেরও বিশেষ কিছু ক্ষতি হয় না, বরং মেয়েটি সহজে সামলে নিতে পারে। এইটুকুই বলার ছিল।
  • বিভাগ : ব্লগ | ০৯ মার্চ ২০১৯ | ৯০ বার পঠিত
আরও পড়ুন
ক্ষমা - Rumela Saha
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা

  • পাতা : 1
  • i | 230123.159.898912.130 (*) | ০৯ মার্চ ২০১৯ ১০:৪৮49426
  • আমাদের অনেকেরই গল্প। একটু এদিক ওদিক এই যা। অনেক পুরোনো কথা মনে পড়ে গেল।
    ধন্যবাদ অনিকেত।
  • কিছু একটা | 340112.218.127812.175 (*) | ১১ মার্চ ২০১৯ ০২:১৫49427
  • এই লেখাটি পড়তে পড়তে চট করে প্রথমেই মনে আসে, যদি কেরিয়ার চাও তাহলে বাপু ওসব সংসার ছেলে মেয়ে(মা ডাক শোনা) ইত্যাদি বাদ দাও। যদি বাদ নাও দিতে পারো তাহলে সেটা ম্যানেজ করো, তোমার ট্যালেন্ট থাকলে তুমি দাঁড়াবে। আর এই সাম্প্রতিকতকম HRI-এর ভাটনগর প্রাপ্ত বিজ্ঞানী থেকে হয়ত ইন্দিরা গান্ধী অবধি সেই তুলনা টানা চলবে।
    টানাটানিতে শক্তিক্ষয়।

    কিন্তু একথা সত্যি অনেক ছোটখাটো সমস্যা(আপাতদৃষ্টিতে) ছোটখাটো মানুষের থাকে আর সেগুলোকে যদি একটু গুরুত্ব দেওয়া যায় তাহলে হয়ত হলেও হতে পারে কিছু সুরাহা।

    একটা কাহিনী মনে এল, বিনায়ক বন্দোপাধ্যায় লিখেছিলেন, তাঁর কথাতেই লিখি। রোবাবারের সকাল এক বয়স্ক কবির বাড়িতে অনেকে ভীড় করেছেন; কবিতা, বাঁক বদল, ছন্দ, সাহিত্যের নানা দিকটিক নিয়ে গভীর আলোচনা চলছে। তা এক ভদ্রমহিলা, গৃহবধূ, কবিকে এক অদ্ভুত সমস্যার কথা বললেন। তার শ্বশুরবাড়িতে কেউ তার রান্না পছন্দ করেনা, কারণ রান্নায় খুব ঝাল হয়; খুব মন দিয়ে শুনলেন বয়স্ক কবি, বললেন তুমি কি লঙ্কা বেটে দাও, সে উত্তরে হ্যাঁ বলল।
    এ হেন অকিঞ্চিতকর প্রশ্ন বা আলোচনায় অন্যরা বিরক্ত, একজন তো বলেই বসল, এইসব হেঁশেলের গাল গল্প এখানে করছেন কেন! এসব কী কোনো সমস্যা না আলোচনার বিষয়?
    বয়স্ক কবি খুব মৃদু কন্ঠে বললেন, তোমার কেন মনে হচ্ছে এটা কোনো সমস্যা নয়, তারপর ভদ্রমহিলার দিকে তাকিয়ে বললেন তুমি লংকা বেটে না দিয়ে, ভেঙে দিও, ঝোলের মধ্যে, স্বাদ পাবে কিন্তু হয়ত অতটা ঝাল হবেনা।

    কবির নাম শঙ্খ ঘোষ।

    সমস্যা শোনার-বোঝার জন্য এরকম একটা 'মন' বড় প্রয়োজন। না হলে একটি থেকে দুটি, দুটি থেকে তিনটি ফুটো পাইপের গল্পটি বেড়েই চলবে। ক্রমাগত...
  • Kaktarua | 900900.245.341212.44 (*) | ১১ মার্চ ২০১৯ ০৩:৫৫49429
  • আমাদের সবার গল্প। যেখানে চান্স পাই লিখতে থাকি যে ম্যাক্সিমাম প্রফেশন এই বাড়ি থেকে কাজ বা flexible hour এ কোনো ক্ষতি হয় না। কিন্তু অদ্ভুত চাপ থাকে specially meyeder ওপর। সবার কিরকম বিশ্বাস যে “mother means she is not committed to work । এই নিয়ে এতো কম discussion হয় যে কোম্পানি গুলোর ও কোনো সদিচ্ছা নেই। Maternity লিভ নিয়ে অনেক কথা হয় কিন্তু after that ? কেউ কথা বলতে রাজি নয়।
  • de | 4512.139.9001212.175 (*) | ১১ মার্চ ২০১৯ ০৬:৩৫49428
  • এতো সবারই গল্প - কেরিয়ারিস্ট বাবার "বাবা" ডাক শুনতে কোন অসুবিধে নেই, মায়ের "মা" ডাক শুনতে চাওয়া ছাড়তে হবে!
  • করোনা

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত