• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • হ্যালোউইনের ভূত

    ন্যাড়া লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২০২ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • হ্যালোউইন চলে গেল। আমাদের বাড়িতে হ্যালোউইনের রীতি হল মেয়েরা বন্ধুদের সঙ্গে ট্রিক-অর-ট্রিট করতে বেরোয় দল বেঁধে। পেছনে পেছনে চলে মায়েদের দল। আর আমি বাড়িতে থাকি ক্যান্ডি বিতরণ করব বলে। মুহূর্মুহূ কলিং বেল বাজে, আমি হাসি-হাসি মুখে ক্যান্ডির গামলা নিয়ে দরজা খুলি। নানা সাইজের বাচ্চা। তাদের ক্যান্ডি দিই। দেখেছি আমি নিজের হাতে না দিয়ে বাচ্চাদের গামলা থেকে ক্যান্ডি তুলে নিতে বললে তারা বেশি খুশি হয়। খুব ছোট মেয়েদের পরী সাজার চল বেশি। ছেলেদের মধ্যে ব্যাটম্যান-সুপারম্যান। একটু বড় হলেই ভ্যাম্পায়ার, ব্যাটম্যানের ভিলেন ক্লাউন এসবের সাজ বেড়ে যায়। ছটা-সাড়ে ছটা বাজতেই অনেকে বেরিয়ে পড়ে। ততক্ষণে অন্ধকারও নেবে যায়, ডে-লাইট সেভিং-এর দিন পিছিয়ে যাবার পরেও। তবে বাচ্চার স্রোত আসে সাতটা আর আটটার মধ্যে। আটটার পর থেকেই ভিড় পাতলা হতে শুরু করে। সাড়ে আটটার পরে সন্নাটা। ন'টা নাগাদ আমিও বাইরের আলো নিবিয়ে দিই। ওটাই দোকান বন্ধ হবার সিগনাল। এবারও ন'টা নাগাদ আলো নিবিয়ে দিয়েছি। তার মিনিট পাঁচেক পরে দরজায় বেল। ভাবলাম মেয়েরা ফিরেছে, তাই বাইরের আলোটাও আর জ্বালাইনি। খুললাম। দেখি একটা ছেলে। এলিয়েন সেজেছে। খুব চেনা চেনা পোষাক, অনেকটা ইটির মতন, কিন্তু ঠিক ইটিও নয়। মুখোসটাও দারুণ। আমি ক্যান্ডি দিতে গিয়ে থমকে গেলাম। গামলাটা সামনে ধরলাম। হাত বের করতে গিয়েও বের না করে ঝুড়িটা ইঙ্গিত করল। আমিই কটা ক্যান্ডি তুলে ঝুড়িতে ফেলে দিলাম। বললাম, "দারুণ সাজ হয়েছে। কিনেছ না নিজে বানিয়েছ?" ছেলেটি গলা দিয়ে একটা হাল্কা আওয়াজ করল।

    কান পেতে শুনি বলছে, "বেঙ্গলি, বেঙ্গলি? আর ইউ বেঙ্গলি?" এতদিন এই প্রশ্ন শুনে এমন অভ্যেস হয়ে গেছে যে প্রতিবর্তে মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেছে, "ইয়েস, অ্যান্ড ইউ?" সে বলল, "না, বাঙালি নই। আমি ক্রেনিয়াস গ্রহের অ্যাং?" চড়াক করে এক-ডজন-গল্পে আঁকা ছবিটা মনে পড়ে গেল। হুবহু এক চেহারা। আমার হাঁটু কেঁপে গেল। মাথা বনবন করে ঘুরতে লাগল। পেটের ভেতর খালি। প্রায় পড়ে যাচ্ছিলাম। কিন্তু আমিও উত্তর কলকাতার ঘটিবাড়ির ছেলে। ভাঙব, কিন্তু মচকাব না। মুখে বললাম, "নমস্কার, অ্যাংবাবু। আমি আপনার গল্প পড়েছি।" অ্যাংবাবু বললেন, "নমস্কার। নামটা অ্যাং নয়, ক্রেনিয়াসও নয়। তবে বাংলা ভাষায় ওর থেকে বেশি কাছাকাছি উচ্চারণ করা যাবে না বলে ওটাই বললাম। তাছাড়া তোমার স্মৃতি স্ক্যান করে দেখলাম তুমি গল্পটাও পড়েছ।" আমি বললাম, "নাইস টু মিট ইউ স্যার। কিন্তু আপনার যানটিকে তো দেখছি না!" অ্যাংবাবু বললেন, "এসেছিলাম ১৯৬২ সালে। যখন বংকুর সঙ্গে দেখা হয়েছিল। সে আজ থেকে সাতান্ন বছর আগে। এই চুয়ান্ন বছরে তোমাদের প্রযুক্তি কত এগিয়েছে ভাব। তোমাদের প্রযুক্তিই যদি এতটা এগিয়ে যায়, তাহলে আমাদের প্রযুক্তি, যা তোমাদের থেকে কয়েক হাজার বছর এগিয়ে, কত বেশি এগিয়ে যাবে, সেটা ভেবে দেখেছ! তোমাদের হিসেবমতন বলতে গেলে এই সাতান্ন বছরে আমাদের প্রযুক্তি তিরিশ সাতান্ন সতেরোশ দশ বছর এগিয়েছে। ঘুরে বেড়াতে আমাদের আর যানবাহন লাগে না।" আমি বললাম, "তবে কি টেলিপোর্টেশন?" অ্যাংবাবু গলার পেছন দিয়ে একটা হেঁচকির মতন আওয়াজ করলেন, মনে হল তাচ্ছিল্যের হাসি। বললেন, "অনেকটা সেরকমই। তবে আসলে সেটা যে কী তা বোঝার মতন অবস্থায় তোমাদের বিজ্ঞান এখনও আসেনি।"

    আমি বললাম, "খবর কী বলুন।" অ্যাংবাবু বললেন, "খবর ভাল নয়। খুব বোরিং। কাজকম্ম কিছু করতে হয়না, তাই ঘুরে ঘুরে বেড়াই। এই তো পরশু শনির তিননম্বর বলয়ে একটা অ্যাস্টেরয়েডের ওপর চারটে সভ্যতার ইয়েদের কম্পিটিশন হল, কে কত ভাল স্পেসশিপ ল্যান্ড করাতে পারে। আমাকে জাজ হতে হয়েছিল। আমরা তো আর স্পেসশিপ-টিপ ব্যবহার করিনা। তাই আমাদের কোন পক্ষপাতিত্ব নেই।" আমি জিগেস করলাম, "কাজকম্ম করতে হয়না কেন?" অ্যাংবাবু আবার সেই তাচ্ছিল্যের হাসি হেসে বললেন, "আজ থেকে পনেরো হাজার বছর আগে, প্রযুক্তির উন্নতিতে আমাদের উৎপাদনক্ষমতা এত বেড়ে যায় যে তখন থেকে জীবনধারণের জন্যে আমাদের আর কিছু করতে হয়না। জীবনের একটা অংশে অভ্যেস বজায় রাখতে সবাই নিয়মমাফিক কিছু কাজ করি। কেউ বিজ্ঞান করে, ওটাই সব থেকে সোজা বলে, কেউ ইতিহাস করে, কেউ সাহিত্য করে। সবই শখের। কারণ একটা বয়েস হলে সবাইকার মধ্যে যাবতীয় জ্ঞানবুদ্ধি বাইরে থেকে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। তারপর থেকে অফুরন্ত ছুটি। মৃত্যু-টিত্যুরও তো বালাই নেই। সে অনেকদিন চুকে গেছে। তবে বিয়েটা করতে হয়।" অ্যাংবাবু চুপ করলেন। তারপরে আবার শুরু করলেন, "সে যাকগে। শোন, আমার একটা মিশন আছে। যখনই আসি, যার সঙ্গে দেখা হয়, তার একটা সুপ্ত ক্ষমতা জাগিয়ে দিয়ে যাই। বংকুর মনে সত্যি বলার সাহস এনে দিয়েছিলাম। এই তো গেল বছর চীনদেশে একটা বাচ্চার সঙ্গে দেখা হল। তাকে বড় হয়ে পলিটব্যুরোকে শক্ত প্রশ্ন করে প্যাঁচে ফেলার ক্ষমতা দিয়ে এলাম। বছর কুড়ির মধ্যেই তার ফল ফলতে দেখবে। বল, তোমার কী চাই?"

    সকালেই বউয়ের সঙ্গে তুমুল ঝগড়া হয়েছে ঘর গুছোন নিয়ে। আমার কাজের জায়গাপত্র একটু আগোছালই থাকে। তাতে বেশ একটা স্বস্তি পাওয়া যায়, কাজে মন বসে। নইলে মনে হয় এই বুঝি জায়গাটা নোংরা হয়ে গেল। বউ বেশ কয়েকদিন ধরেই বলছে গোছগাছ করতে। আমি আজ-করছি কাল-করছি বলে কালক্ষেপ করছিলাম। আজ তিনি একেবারে রণচণ্ডী মূর্তি ধারণ করলেন। সেই নিয়ে খুব একচোট হয়ে গেল। বউ বলে গেছে মেয়েদের নিয়ে ফিরে যেন ঘর পরিষ্কার দেখে। নইলে একটা হেস্তনেস্ত করেই ছাড়বে। তাই এই হ্যালোউইনের সন্ধ্যেয় ক্যান্ডি বিতরণের মাঝে ঘর পরিষ্কার করতে কোমর ভেঙে যাচ্ছে। অ্যাংবাবুকে বললাম, "স্যার আর তো পারা যাচ্ছে না। বউকে ভয় না পাওয়ার, পুরুষসিংহের মতন বউয়ের কথা অগ্রাহ্য করার ক্ষমতা একটু চাগিয়ে দিন না।" বলামাত্র দেখলাম অ্যাংবাবুর মূর্তি আস্তে আস্তে ঝাপসা হয়ে মিলিয়ে যেতে লাগল। যেতে যেতে ক্ষীণ কণ্ঠ শুনতে পেলাম, "বউকে ভয় না পাওয়ার টেকনোলজি এখনও আবিষ্কার হয়নি। আমরাও বউকে ..."। কথা শেষ হল না। অ্যাংবাবুর মুর্তি মিলিয়ে গেল। রাস্তায় দেখলাম মেয়েরা মার সঙ্গে আসছে। আমি তাড়াতাড়ি দরজা বন্ধ করে ঘর পরিষ্কারে লেগে পড়লাম।
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৩ নভেম্বর ২০১৯ | ২০২ বার পঠিত
  • জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
আরও পড়ুন
আয়না - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
বদল - ন্যাড়া
আরও পড়ুন
কাঠাম - Rumela Saha
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ন্যাড়া | 236712.158.565623.141 (*) | ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:২৭48585
  • #
  • b | 236712.158.676712.134 (*) | ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:৩৪48586
  • হো হো হো। মুজতবা আলির গল্পটা মনে পড়ে গেলো।
  • রঞ্জন | 236712.158.895612.162 (*) | ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:১০48587
  • বেড়ে!
  • অরিন | 8990012.41.893423.99 (*) | ২৩ নভেম্বর ২০১৯ ০৭:৫০48588
  • হ্যালোইনের ভূতের কথায় মনে পড়ল, জ্যাক কর্নফিল্ড ওনাদের ম্যাসাচুসেটস এর বারে নামে একটি জায়গাতে বৌদ্ধদের একটি "ধ্যানকেন্দ্র" আছে, সেখানকার একটা গল্প শুনিয়েছিলেন।

    প্রায় দশ বছর আগের কথা, হ্যালোইনের দিন। সেই সময় ওনাদের ওখানে তিব্বত থেকে একদল বৌদ্ধ লামা এসেছিলেন। হ্যালোইনের দিন জ্যাকরা জায়গাটাকে নকল কাটা কুমড়ো, তারপর আলো টালো দিয়ে সাজাচ্ছেন, লামারা জিজ্ঞাসা করলেন, কি কারণ।

    হ্যালোইন পালন করার কারণ শোনার পর লামারা দারুণ খুশী! তাঁরাও তাঁদের বাক্স থেকে আশ্চর্য ভয়ের সব মুখোশ, তারপর কংকালের ছাপ দেওয়া জামাটামা বের করে বললেন, আমরাও আপনাদের সঙ্গে সেলিব্রেট করব। বৌদ্ধ ধ্যানে মৃত্যুর সাংঘাতিক গুরুত্ব , কাজেই এঁরা ওইসব নিয়ে ঘুরে বেড়ান ।
    এর পর জ্যাক কর্নফিল্ডের ব্যাখ্যায়:

    সন্ধ্যে নেমেছে, চারদিকটা অন্ধকার । ছেলেপিলের দল এবার আসবে, আমরা সব ক্যান্ডি নিয়ে তৈরী। হঠাত দেখলাম তিব্বতি সাধুরা কস্টিউম পরে সেন্টারের সামনের মাঠটায় নেমে অদ্ভুত নাচ নাচছে, আর জলদগম্ভীর গলায় করতাল বাজিয়ে মন্ত্র গাইছে। (এখন সেই তিব্বতি বৌদ্ধ মন্ত্রপাঠ যাঁরা শুনেছেন, তাঁরা জানেন সে কি সাংঘাতিক শুনতে লাগে, হাড় হিম করা জলদগম্ভীর আাওয়াজ (পালদেম লামো মন্ত্র ইউটিউবে শুনেন দেখুন
    )
    ) |

    ছেলেপিলেরা হ্যালোইনের ক্যান্ডি চাইবে কি, সেই দৃশ্য দেখেশুনে চোঁ-চাঁ দৌড়!
  • aranya | 347812.245.2356.194 (*) | ২৪ নভেম্বর ২০১৯ ০২:৩৬48589
  • সুন্দর :-) , অরিন-এর গপ্পোটাও।

    একবার হ্যালো উইনে মাঝ রাত্তিরে আমরা গাড়ী নিয়ে ঘুরতে বেরিয়েছি, অন্য শহরে একটা কবরখানার সামনে গিয়ে পড়েছি। তার পর প্রায় ঘন্টাখানেক ধরে বাড়ী ফেরার চেষ্টা করছি, যেদিকেই যেতে চাই, ঘুরে ফিরে আবার সেই কবরখানায় গিয়ে হাজির হই - সে এক অদ্ভুত নিশির ডাকের মত ব্যাপার

    জিপিএস জমানার আগের কথা
  • সুকি | 237812.69.453412.116 (*) | ২৪ নভেম্বর ২০১৯ ০৪:২০48590
  • জিও ন্যাড়াদা।

    বউকে না ভয় পাবার মতন শুধু টেকনোলজি কেন, বেসিক সায়েন্সেও কোন কিছুর হদিস নেই।
  • lcm | 237812.68.344512.137 (*) | ২৪ নভেম্বর ২০১৯ ০৬:০৯48592
  • হা হা, ন্যাড়া-র এই লেখাগুলো কিছু বইতে, আর কিছু মনে হয় ফেসবুকে পড়েছি, বার বার পড়ি, হেব্বি।
    হ্যালোউইনে একবার এক বাচ্চা আমার সঙ্গে ডিল করেছিল, তার অপছ্ন্দের কয়েকটি ক্যান্ডি আমায় দিয়ে দিয়েছিল, আর তার বদলে আমাদের ঝুড়ি থেকে তার পছন্দেরটি সবকটা নিয়ে নিয়েছিল, বলা বাহুল্য বাড়িতে আমি একাই ছিলা, আর বাচ্চাটির বাবা-মা দরজা অবধি আসেন নি।
  • Atoz | 236712.158.678912.29 (*) | ২৪ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:১১48593
  • ভালো লেখা। অরিন এর গল্পটা আরো চমৎকার। পরে ভিডিওটা দেখবো।
  • শঙ্খ | 236712.158.786712.9 (*) | ২৪ নভেম্বর ২০১৯ ০৮:২৬48591
  • সাধু সাধু। একটানে পড়ে ফেললুম, তারপরে শেষে এসে মোক্ষম একটি এন্ডিং।
  • বিপ্লব রহমান | 237812.68.454512.210 (*) | ২৬ নভেম্বর ২০১৯ ০৩:১৭48594
  • কস্কী মমিন? :ডি
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত