এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pinaki | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৭:৫৪70571
  • দদি, এইটা একটা সমস্যার জায়গা। আমার ধারণা চালু প্র্যাকটিস এটা ছিল না যে অ্যাটেন্ড্যান্স না থাকলে পরীক্ষায় বসতে না দেওয়ার ব্যাপারটা খুব স্ট্রিক্টলি ইমপ্লিমেন্ট করা হবে। হঠাৎ করেই ইউনিভার্সিটি এব্যাপারে খুব কড়া অবস্থান নেয়, যেটা হয়তো ছাত্রছত্রীরা আশা করে নি। আমি যা পড়লাম তাতে প্রথমে ইউনিভার্সিটি বলেছিল ৭৫% এর নিচে থাকলে বসতে দেবে না। তাতে দেখা যায় বেশিরভাগই বসতে পারবে না। তারপর সেটা কমিয়ে ৫০% করা হবে বলা হয়। তাতেও ১৮০ জন বসতে পারছে না। আমার পড়ে মনে হয়েছে নিশ্চয়ই এরকম ঘটনার প্রিসিডেন্স নেই।

    আমার বক্তব্যটা হল আমরা যখন সমস্যাটাকে দেখছি একটা দিকই দেখছি। এটা আশা করার কোনো মানেই হয় না যে ছাত্রদের মধ্যে ফাঁকিবাজি, সুবিধাবাদিতা, সিলেক্টিভলি বিপ্লবী সাজা - এসব প্রবণতা নেই। কিন্তু এটাও ভাবার আছে যে পড়ানোর ব্যবস্থাটা চলছে তাতে কেন ৫০% এর ওপর ছাত্র ছাত্রীর কোনো আস্থা বা ইন্টারেস্ট নেই। সেটাকে না অ্যাড্রেস করে শুধু রুল আর ডিসিপ্লিনের উপর নজর দিলে কেবলই অশ্বডিম্ব প্রসব হবে।
  • pi | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:০৬70572
  • আমার কিন্তু ঐ পিটিদার কথাটা কিছুটা মনে হয়। ঐ সায়েন্সের জন্য অন্ততঃ। ঐ প্রাইভেট টিউশনের রেওয়াজ থাকার জন্য অ্যাটেন্ডেন্স অনেক কম হয়। যাদবপুরেই এই রেওয়াজ ছিল না, ক্লাসের অ্যাটেন্ডেন্স মোটামুটি খারাপ হত না। অনেকেই ভাল পড়াতেন। যদিও তাঁরা যখন ইঞ্জিনীয়ারিং এ পড়াতেন, শুনেছিলাম, অনেকেই নাকি বিভীষিকা ছিলেন। প্রেসিতে এত কম অ্যাটেন্স্ডেন্স দেখে একটু অবাকই হয়েছি। কারণ আমাদের সময় অব্দি অন্ততঃ খুব ই ভালো ভালো শিক্ষক ছিলেন, তাঁদের ক্লাস করতে পারা তো সৌভাগ্যের ব্যাপার মনে হত। প্রাইভেট টিউশন নেবার পরেও লোকজন করতে চাইতো। আর এই রেওয়াজ না থাকলে আরো অনেকে করতো ফর শিওর।
  • sm | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৮:২৩70573
  • পিনাকি, একটা এঙ্গেল থেকে দেখে যুক্তি দিচ্ছেন। মূল বক্তব্য হলো পরীক্ষায় বসতে দেওয়া আর না দেওয়া নিয়ে।
    পরীক্ষার ব্যাপার টাকে, আপনি অযথা ইম্পর্তান্স দিচ্ছেন। পাস ফেল টাকেও খুব বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।
    কিন্তু এখন বাচ্চা ছেলেদের ও সারা বছর ধরে এসেসমেন্ট হয়। সুতরাং ক্লাস না করলে এসেসমেন্ট হবে কি করে?
    ধরা যাক কেউ ডাক্তারি পড়ে। তার ক্লাস করার ইচ্ছে নেই।পরীক্ষার আগে দাদা দিদি দের ধরে কেস দেখে আর চো তা মুখস্থ করে সসম্মানে পাস করে গেল। এই পাস করা কে, কি মূল্য দেবেন?
    আজকাল নিয়ম হয়েছে লগ বুক মেন্টেন করা। অর্থাত সারা বছরে কি কেস দেখলেন, কি কি ইন্তের্ভেন্ষণ করলেন, সেটা ডকুমেন্ট করে রাখতে হবে। যেটা ভবিষ্যতে প্রমান করবে আপনি এই জিনিস গুলি হাতে কলমে করেছিলেন।
    ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রেও ওয়ার্ক শপ না করে বা সায়েন্স এ প্র্যাকটিকাল না করে কি ভাবে প্রমান করবেন আপনি এগুলোর সঙ্গে সম্যক ভাবে অভিহিত।
    আর রঞ্জন বাবু যেমন বলেছেন, অনেক ক্ষেত্রে ছাত্র ক্লাস ব্যাঙ্ক করে স্রেফ ল্যাদে অথবা সিনেমা দেখতে যাবার জন্য বা কন্টিন এ নিখাদ আড্ডা মেরে। শিক্ষক ভালো পড়ালেও এগুলো হয়। এক্ষেত্রে ঠক বাছতে গা উজাড় হয়ে যাবে।
    তবে একটা কথা ঠিক, শিক্ষক বাজে পড়ালে, লেকচার শুনতে গেলে ঘুম পায়, না ঘুমোলে কেমন হাত পা জ্বালা জ্বালা করে, অস্বস্তির এক শেষ! এর থেকে পরিত্রানের উপায় শিক্ষক দের গ্রেড ভিত্তিক পেমেন্ট।
    অর্থাত যার ক্লাসে যত বেশি এটেন্ডেন্স , ও ছাত্র রা যাকে বেশি পয়েন্ট দেবে তার মাইনে তত বেশি হবে।
    আর অধিকাংশ শিক্ষক এর জব ই চুক্তি ভিত্তিক ও পার্ট টাইম হওয়া উচিত।
  • sswarnendu | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০৩70583
  • প্রাইভেট কোচিং ক্লাস নিয়ে একটা কুচো বক্তব্যও ছিল... যাদবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে কোচিং ক্লাসে কেউ যেত বলে শুনিনি, কিন্তু অধিকাংশের ক্লাস করার খুব চল ছিল না একসময়... সেসনাল মানে ল্যাব ড্রয়িং এগুলো যেতে হত ... তাই যেত... কিন্তু বেশিরভাগ জনতা প্রচুর ক্লাস কাটত। অনেকের কাছেই ক্লাসগুলো খুবই বোরিং এই কথা বলতে শুনেছি... অনেককেই ট্রেন-বাস ঠেঙিয়ে আসতে হত, ফলত নিছক ল্যাদে ক্লাস কাটত এটা মনে করা বোধয় অতিসরলীকরণ হবে... ক্লাসগুলো অসম্ভব বোরিং ( কখনো কখনো হাস্যকর ) সেই ব্যাপারটা অস্বীকার করে ছাত্রছাত্রীদের ঘাড়ে দায়টা চাপান সহজ বটে... কিন্তু ঠিকঠাক কাজ বোধহয় নয়।
  • pinaki | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ০৯:০৩70574
  • আমিও কার্যতঃ সেটাই বলছি। একটা কন্টিনুয়াস ইভ্যালুয়েশন পদ্ধতিতে একজন ছাত্র বা ছাত্রীকে সারা কোর্স ধরেই মূল্যায়ন করা হবে। সেখানে প্রতিটা জিনিসেরই মূল্যায়ন হবে। ক্লাস কুইজে একটা পারসেন্ট, এসাইনমেন্টে একটা পারসেন্ট, দুটো বা তিনটে মেইন পরীক্ষায় ভিন্ন ভিন্ন পারসেন্ট, প্লাস অ্যাটেন্ড্যান্সেও একটা পারসেন্ট থাকতে পারে। এবার কেউ যদি সেরকম প্রতিভাবান হয়, যে সে অ্যাটেন্ড্যান্স আর ক্লাস কুইজের পার্সেন্ট স্যাক্রিফাইস করেও শুধু দুটো তিনটে মেইন পরীক্ষায় বসে আর এসাইনমেন্ট টাইমে সাবমিত করে কোর্সের পাশমার্ক তুলে নিল, তাহলে তাকে আটকানোর কোনো মানে নেই। সেটা তার চয়েস। এখানে কী তা হচ্ছে? সিস্টেমটা হল গাঁতিয়ে নোট দেওয়া আর কোর্সের শেষে সেই নোটস থেকে একটা পরীক্ষা নিয়ে ছাত্রের মূল্যায়ন করা। এবার সেই পরীক্ষাতেও তাকে বসতে দেওয়া হবে না। এফেক্টিভলি তার মানে হল ছাত্র বা ছাত্রীটির পুরো মূল্যায়নটাই হচ্ছে তার এটেন্ড্যান্সের উপর দাঁড়িয়ে। এটা কেন হবে? এটা না একটা বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন পদ্ধতি, না এতে মানুষের চয়েসকে কোনো স্পেস দেওয়া হচ্ছে।
  • pinaki | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ১০:১৯70584
  • ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্রদের ট্রমাটা তো আরও অনেকখানি বেশী। ৯০ শতাংশ ছাত্রছাত্রী জানে যে দুদিন পরে বেরিয়ে সেই আইটি/সফটওয়্যারে ঢুকতে হবে। সম্পূর্ণ অন্যরকম একটা স্কিলসেট সেজন্য প্রয়োজন। কেন সে চাপ নিয়ে ইন্ডাকশন মোটর বুঝতে যাবে? ঐ ক্লাসগুলো করার মোটিভেশনটা আসবে কোদ্দিয়ে?
  • adhuli | ২৪ নভেম্বর ২০১৪ ১২:৪৬70565
  • প্রবাসে তো দেখি ক্লাস অ্যাটেনডেন্স নিয়ে কেও ভাবে না। এখানে uni -তে স্টাডি মেটেরিয়াল অনলাইন দিয়ে দেয়, যার ইচ্ছে হয় আসে, বাকি রা ডাউনলোড করে নেয়। ঘাড় ধরে ক্লাস এ বসিয়ে রাখা কি আদৌ দরকার-?
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০১:১১70590
  • ইউরোপ-আম্রিগায় খাজা টিচার নাই? তা শুনুন মহায়, আমার এড্ভাইসরের গল্প। ব্রাউন পিহেচ-ডি, স্ত্রাউস-কন্সটান্টিন-প্রোজেসি দের সাথে কাজ করা লোক। ফাস্ট বেন্চিতে বসে এক লাইন বুঝতে পারতাম না, কেউ পারতনা-উনিও সেটা বুঝতেন। পিহেচ-ডি র সময় এক দশা, সেশে বাধ্য হয়ে বল্লম, দেখুন মিট করে তো কোনো লাভ নেই, বরং কাজ-কম্ম যা করব মেল করে দেবনে, আপ্নি কমেন লিখে বক্সে ফেলে দেবেন, আমি বুঝে নেব! এরকম অনেক দেখেছি, ফার্স্ট রেট রিসার্চার, তুমুল খাজা টিচার কিন্তু তাদের ক্লাস আমরা করতাম কারন না করলে বর্ডারলাইন বি- বি থাকবে বা সি হয়ে যেতে পারে কিন্তু এ হবে না!
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০১:২৩70591
  • তাহলে তো দেখাই যাচ্ছে যে ইয়োরোপে ( দায়িত্ব নিয়ে বলছি) এবং অ্যামেরিকায় (পোটকেবাবুর পোস্ট অনুসারে) অ্যাটেডেন্স দরকারি, তা টিচার যতই ঘুমপাড়ানি গান শোনানো ক্লাস নেন না কেন।
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০১:২৫70592
  • কোর্স-এরায় আমার মেশিন লার্নিং এর হাতে খড়ি। এবার প্রচুর পাব্লিক চিনি যারা কোর্স শুরু করেছে, এসাইনমেন্ট জমা করেনি, পরে এসে বলেছে, অমুক টা একটু বুঝিয়ে দেবেন? তার মানে কি কোর্স গুলো খারাপ? একটা সার্ভে নিলে বোঝা যেত যে ইন্ডিয়ান সাব-কন্টিনেন্টে কতজন এই লার্নিং পোর্টাল গুলোয় এনরোল করে আর তার কত পার্সেন্ট সেশ করে! অথচ এমনি জিগান, কোর্স এরা-কোর্স এরা করে ফাটিয়ে দেবে। সমস্যাটা মানসিকতায়, দেশে একরকম, বিদেশে একরকম। কাজেই অনলাইন পোর্টাল গুলোয় শিখে ফেলছে তাই রেগুলার ক্লাসে যাবার প্রয়োজন নেই এরকম নয় বোধহয়।

    এবার যদুপুর, কম্প-সায়েন্সে বেশ কয়েক জন ফ্যাকাল্টি কে জানি দারুন টিচার ( ওয়ার্ক্শপ/লেকচার শুনেছি) আক্ষেপ করে বলেন, " ক্লাসে ছেলে-মেয়েরা আসেনা, পড়াব কাকে?"

    ক্লাসে যাবনা,এটেন্ডেন্স চাই এবং পরীক্ষায় শক্ত প্রশ্ন এলে, গাড্ডু খাবার ভয় থাকলে তখন আন্দোলন/ঘেরাও করব, প্রফ-দিপ হেড কে পিটিশন দেব--এই তো?
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০১:৩২70593
  • কিছু প্রাক্তন ছাত্র আছে ইটিহেচ-ট্রেন্টো-এডিনবারা-অল্টোয়, বলে " স্যার আপনারা 'সবার' সব ক্লাস (নজরটান) ক্লাস করতে বলতেন বলে আমরা রাগ করতাম, এখানে একটা ক্লাস মিস করলে (গ্র্যাড স্কুল) এক্ষপ্লেন করতে হয় ! "
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০১:৩৪70594
  • নামগুলো সব কটাই ইউরোপ কাজেই সে ঠিক ই বলছেন।
  • pinaki | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০২:৩৭70595
  • সে র কথা বুঝলাম না। ইওরোপে আপনার কথা অনুযায়ী অ্যাটেন্ড্যান্সের রুল আছে। কিন্তু আম্রিকায় সেই রুল একেবারেই অন্যরকম। দুটোকে এক করে দিচ্ছেন কেন? পোটকের নিজের অভিজ্ঞতা থেকে আপনি কী বুঝলেন আমি একেবারেই বুঝলাম না। একজন টীচারের কোর্সে যদি ক্লীয়ারলি ডিফাইনড ইভ্যালুয়েশন পলিসি থাকে, আর তাতে অ্যাটেন্ড্যান্সের জন্য পারসেন্ট নির্দিষ্ট করে দেওয়া থাকে অন্যান্য সবকিছুর মত, তাহলে টীচারের মন রাখার জন্য ক্লাস না করলেও চলে। পোটকের বেলায় আমি যেটা বুঝিনি সেটা হল ওকে ক্লাস করতে বাধ্য হতে হয়েছে কারণ ঐ বিশেষ কোর্সটায় ভালো গ্রেড পাওয়ার জন্য টীচারের 'ইম্প্রেশন' জরুরী ছিল? নাকি রুল অনুযায়ী ক্লাস না করলে এ পাওয়া সম্ভব ছিল না? যদি প্রথমটা কারণ হয়, সেক্ষেত্রে বলার যে একটা 'আদর্শ' বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থায় গ্রেড পাওয়ার পেছনে টীচারের ইম্প্রেশনের কোনো ভূমিকা থাকার কথা নয়। আর যদি দ্বিতীয়টা কারণ হয়, তাহলে পাশাপাশি আমার নিজের আম্রিকার ইউনির অভিজ্ঞতার কথাও রাখা যেতে পারে। একবার স্প্রিং এ এরকম একটা ঘুমপাড়ানি কোর্সে জাস্ট ক্লাসে ঘুমিয়ে পড়া এড়ানোর জন্য প্রায় চল্লিশ শতাংশ ক্লাসে যাই নি। এসাইনমেন্ট টাইমে জমা দিয়েছি। গ্রেড পেতে কোনো সমস্যা হয় নি। টীচার একদিনের জন্যেও প্রশ্ন করে নি। কাজেই আগেই বলেছি আম্রিকায় অনেক ফ্লেক্সিবিলিটি আমি নিজে দেখেছি। দশটা কোর্সের একটাতেও রোলকল ফেস করিনি। রোলকল না হলে ২৫ জনের ক্লাসে টীচারের পক্ষে ট্র্যাক রাখা সম্ভব নয় কে বেশী অ্যাবসেন্ট হচ্ছে আর কে কম।

    সাধারণভাবে ক্লাস করার কোনো প্রয়োজনীয়তা নেই বা ক্লাস ব্যবস্থাটাকে তুলে দিয়ে পুরোটাই অনলাইন লার্নিং দিয়ে রিপ্লেস করে দেওয়া হোক, এরকম দাবী কেউই করে নি। সরাসরি কোর্স ইন্স্ট্রাকটরকে প্রশ্ন করে বুঝে নেওয়ার থেকে ভালো আর কীই বা হতে পারে! কিন্তু তার মানে এই নয় খাজা ক্লাসে মাথায় বন্দুক ঠেকিয়ে ক্লাসে বসিয়ে রাখলে বিশাল কিছু 'শেখা' হয়ে যাবে। প্লাস নিজের ভালোমন্দের দায়িত্ব একজন এডাল্টের বেলায় তার উপরেই ন্যস্ত করা উচিৎ। ক্লাস না করলে যে ক্ষতি হবে সে ক্ষতির দায়িত্ব তার। সে স্বেচ্ছায় সেই দায়িত্ব নিচ্ছে। তার মানে তার কাছে অন্য কিছুর প্রায়োরিটি বেশী। নিজের প্রায়োরিটি যতক্ষণ অন্যের ক্ষতি না করছে ততক্ষণ তা চুজ করার অধিকার একজন এডাল্টের থাকা উচিৎ।

    আর পোটকের শেষ লাইনটা একেবারেই সুইপিং জেনারালাইজেশন। দশ বছর যাদবপুরের সাথে যুক্ত ছিলাম। পরীক্ষায় শক্ত প্রশ্ন এসেছে বলে আন্দোলন হয়েছে - এরকম কখনো দেখি নি। যা পড়ানো হয় নি, যেরকম পড়ানো হয়নি তার ওপর প্রশ্ন এসেছে বলে আন্দোলন দেখেছি। কেমিক্যালের একজন টীচারকে নিয়ে সমস্যা হচ্ছিল। কুড়ি তিরিশ জন করে সাপ্লি খাচ্ছিল তার কোর্সে। যতদূর মনে পড়ছে। তাকে নিয়ে আন্দোলন হয়েছে। এবং সেটা সেই টীচারেরই সমস্যা ছিল। এইসব জায়গার ছাত্ররা তো বোকা নয়। তারা নিজেদের ভালোমন্দ/কেরিয়ার মোটামুটি বোঝে। কিছু ছাত্র নিয়মিত ক্লাস করে। তাদের থেকে বাকিরা ফীডব্যাক পায়। ক্লাসটেস্টের আগে তাদের সাথে বসেই বুঝে নেয়। আমাদের সময়ে অ্যাটেন্ড্যান্সে ১০% ছিল। আমরা ক্লাস না করলে সেই নম্বর পাবোনা জেনেই ক্লাস করি নি। অ্যাটেন্ড্যান্সে এত কম গুরুত্ব সত্ত্বেও নিতান্ত খাজা ক্লাসেও অন্ততঃ ৩০% ছেলেপুলে ক্লাস করত। ভালো ক্লাসে সেটা ৭০-৮০% ও হত। এবং এই সিস্টেম বছরের পর বছর দিব্যি চলেছে। কেউ কেউ ছিলেন যাঁরা সবাইকে অ্যাটেন্ড্যান্সে পুরো নম্বর দিয়ে দিতেন। আপনাদের 'দুষ্টু ছেলে' র থিওরি অনুযায়ী তাঁদের ক্লাস কারুরই করার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবতঃ দেখা যেত ভালো পড়ালে সেরকম ক্লাসেও লোকজন দিব্যি হত।
  • Ishan | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০২:৪৭70585
  • অন্য জায়গায় জানিনা। তবে ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে কোর যাকে বলে সেসব জিনিসে পড়াশুনো, সিলেবাস থেকে শুরু করে পড়ানোর পদ্ধতি, সবই অতি ধুর। এবং আমার কলেজে শিক্ষকদের অ্যাটিটিউড জমিদারদের মতো। ছাত্রদের ইভ্যালুয়েশন চালু থাকলে ডিপার্টমেন্টের অন্তত অর্ধেক শিক্ষককেই দূর করে দিতাম। আর শেখার মতো যেটুকু, সে মনে হয় এক বছরেই শিখিয়ে দেওয়া যেত।

    তবে, বলতে নেই, এই ফুর্তির প্রাণ ছিল বলেই ইঞ্জিনিয়ারিং এক বিন্দু না জানলেও ক বছর আনন্দে সঙ্গীত, সাহিত্য ইত্যাদি চর্চা করতে পেরেছি। এটাকে আপনারা শিক্ষাব্যবস্থার গুণই বলতে পারেন।
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০২:৫৭70596
  • পিনাকি, বুঝিয়ে বলি। গ্রাফ থিওরী ক্লাস, পড়াচ্ছেন বিখ্যাত একজন ( এরডিশ #=১)। এন্রলমেন্ট ফুল! একটি ছেলে বেশ কিছু ক্লাস মিস,ফাইনাল গ্রেড এল ৮৮/১০০, বি পেল। পরে ঘরোয়া আড্ডায় জিগালাম, এ দিতে পারতেন তো? অমুককে দিলেন ৮৯ এয়? বল্লেন যে ঐ অমুকে অতগুলো ক্লাস মিস করেনি আর আমার ক্লাসে এনরোলমেন্ট ফুল থাকে যখন-ই কোর্স অফার করি। ও যদি অতগুলো ক্লাস মিস করবে তো আমি অন্য কাউকে সুযোগ দিতে পারতাম আমার ক্লাস করতে!! বলাই বাহুল্য, দুর্দান্ত পড়াতেন! ২৫, কেন ৪০ র ক্লাসে ও দেখেছি প্রফ রা নজর রাখেন কে মিস করছে ক্লাস বেশী করে।
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:০৩70597
  • জেনারালাইজেশন প্রসঙ্গে, যদুপুরের এক ঘটনা বলি- কম্প সায়েন্স! একি সেমে ম্যাথে প্রবাবিলিটি পড়ানো হয়েছে, সেই সেমে এল্গোর ক্লাসে কুইকসর্ট পড়ানো হয়েছে। প্রশ্ন এসেছিল র‌্যান্ডমাইজ্ড কুইকসর্ট এর ওপরে। গোটা ক্লাস বেজায় খাপ্পা আউট অফ সিলেবাস কোচ্চেন!! প্রফ কে বাধ্য করা হয় সবাইকে ফুল মার্ক্স দিতে, ছাত্ররাই করে, এটা সেই ব্যাচের ছাত্রর কাছ থেকেই শোনা। আরো আছে এরকম।
  • dc | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:২৫70598
  • ইয়ে আমার এখানে বেশী লেখা ঠিক না কারন আমার ইউরোপ আর আমেরিকার কোন ইউনিভার্সিটি সম্বন্ধে কোন আইডিয়া নেই। আমি সিটি কলেজে পড়েছি আর এখানে সবাই জানেন সেটা কি চিড়িয়া :p আর বেশীর ভাগ ক্লাস কেটে নোটস পড়ে পাস করেছি। এমনিতে পিনাকি যেটা বলছেন, ক্লাস অ্যাটেন্ডেন্স বাধ্যতামূলক করা উচিত না, সেটা পুরো সাপোর্ট করছি। তবে আমার নিজের কলেজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, এসব কলেজে পিয়ার প্রেসারের বিরাট বড়ো ভূমিকা থাকে। মানে পিনাকি যেটা বললেন, কলেজের ছাত্ররা অ্যাডাল্ট, তাই নিজেদের ভালোমন্দের পুরো দায়িত্ত্ব তদেরই নেওয়া উচিত, আমাদের সময়ে সেই বোধটা অতোটা ছিলনা। কলেজে ঢুকে থেকে দেখেছি সিনিয়াররাও ক্লাস কাটে, বন্ধুরাও ক্লাস কাটে, তাই আমরাও ক্লাস কেটেছি। ওটাই আমাদের কলেজের কালচার ছিল, তার বাইরে কারুর বেরিয়ে আসা বেশ মুশকিল ছিল। আবার সব ইয়ারেই কিছু 'সুবোধ' ছাত্র থাকবে, তারা ক্লাস করবে আর তাদের নোটস দেখে আমরা পাস করব, এটাও একটা রীতি ছিল।

    এই টইয়ের পোস্টগুলো বেশ ইন্টারেস্টিং লাগলো বলে লিখলাম। আমার মনে হয় ক্লাস করা অপশানাল বা কম্পালসারি করার আগে পিয়ার প্রেসারের কথাটাও মাথায় রাখা উচিত, অন্তত কলকাতার বা ভারতের কলেজগুলোয়।
  • Abhyu | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:২৬70586
  • dc | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:৩৮70599
  • এখন ফিরে তাকালে মনে হয় সব সময়ে ক্লাস না কাটলেও হতো, অন্তত ইকোর ক্লাসগুলো আরো বেশী করে করতেই পারতাম। তবে তখন একেবারেই ম্যাচিওরিটি ছিলনা। অ্যাডাল্ট হিসেবে আমার ভবিষ্যত আমারই হাতে, এসব দায়িত্ত্ববোধ একেবারেই ছিলনা। অবশ্যই সেটা প্রফদের দোষ না, আমাদেরই দোষ, তবে কলেজের অ্যাটমোসফিয়ারটাই ওরকম ছিল।
  • pinaki | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:৩৯70600
  • কিন্তু এই উদাহরণটার সাথে অ্যাটেন্ড্যান্সের সম্পর্ক কী? সাধারণভাবে এধরণের কেসে ক্লাস করা ছাত্রদের ওপিনিয়নের ওপর বেস করেই আন্দোলন টান্দোলন হয়ে থাকে। কারণ যারা ক্লাস করে না তাদের ক্লাসে কি পড়ানো হয়েছে আর কি হয়নি সে নিয়ে ওপিনিয়ন থাকে না বিশেষ। তারা হস্টেলে বা মেসে বসে ক্লাস করা ছাত্রদের থেকেই সবকিছু শেখে। উপরের ঘটনাটায় সংশ্লিষ্ট টীচারের ভার্শনটাকেই যদি সত্যি বলে ধরি, তাহলেও এটা স্পুনফীডিং এর সংস্কৃতির উদাহরণ হতে পারে। সেটা নিয়ে খুব একটা আপত্তির জায়গা নেই। আবার সেজন্যও পুরো দায়টা ছাত্রদের ওপর চাপানোর পক্ষে নই আমি। কিন্তু সে অন্য আলোচনা।
  • pinaki | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৩:৪০70601
  • পোটকেকে বল্লাম।
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:৩০70602
  • উদাহরণ দিলাম যে, আউট অফ সিলেবাস প্রশ্ন হলে তবেই হই-চই হয় এটাকে একটু নুন দিয়ে নিতে হবে ঃ)
  • PT | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:০১70603
  • এখানে কেউ কেউ লিখছে দেখছি যে তারা ইউনি থেকে বিশেষ কিছুই শেখেনি-সবই ধুর ছিল-মাস্টারেরা ঝুল পড়াত ইত্যাদি ইত্যাদি, ইত্যাদি।
    আসলে বোধহয় একটা বোঝার ভুল হচ্ছে। এইসব স্কুল, কলেজ ইত্যাদি খুব সাধারন মানের ছেলেপুলেদের জন্যে সৃষ্টি হয়েছে-অভিমন্যুদের জন্য নয়।

    JU-তে আমাদের ক্লাশ তো ভর্তি-ই থাকত। ঐ ৭৫ না ৫০ সেসব নিয়ে আলোচনাও হয়নি কখনো!! সেসব অবিশ্যি সত্তরের কথা।

    তবে এই ২০১৩/১৪-তেও আমার ছেলে আর তার বন্ধুরাও তো দেখছি নিয়মিত ক্লাশ করে।

    তো মাঝের সময়ের এত শত শত অভিমন্যুরা সব গেল কোথায়?
  • . | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:০৯70604
  • যাদব্পুরেরে ছেলেপুলেদের মুশকিল তারা ভাবে তারা সবজান্তা, শিক্ষকরা গরু। আই আইটি কিন্তু এই সব প্রবলেম নেই আর সবজান্তাও কম।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:১১70605
  • মূলতঃ যেটা বুঝতে পারছি যারা ক্লাস কাটছে অধিকাংশই খুব ইন্টেলিজেন্ট। মজা হচ্ছে এই যে এই গুরুর পাতাতেই আবার এরকম লেখা পড়েছি, যে পরীক্ষার আগের দিন কোনোমতে রাত জেগে পড়ে বা প্রোজেক্ট জমা দিয়ে ডিফেন্ড করতে গিয়ে ভুলভাল উত্তর দেয়, হয়ত হুবহু এই শব্দগুলো নয় কিন্তু ধাঁচটা এইরমই। তারাও যে অভিমন্যু সেটাও আর বলে দিতে হবে না।
    প্রেসিডেন্সী, যাদবপুর, বিইকলেজ, সমস্তই সরকারী পয়সায় চলে। সাবসিডাইজড। সেখানে ছাত্রদের নামমাত্র ফিস দিয়ে পড়তে হয়। একেকজন ছাত্রের পেছনে সরকারকে যে পরিমান অর্থব্যয় করতে হয়, সেটা যদি দিতে হতো, তখন হয়ত ক্লাস কাটবার আগে অল্প ভাবনাচিন্তা করত।
  • সে | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:২১70606
  • অবশ্য এখানে একটা সুবিধে আছে, সেটা হচ্ছে যে কোর্স শেষ করবার সময়ের ঊর্ধসীমা শিথিল। এর দরুন অনেকেই চাকরী করতে করতে পড়ে, সব দিন ক্লাস নেয় না, সপ্তাহে হয়ত দুটো কি তিনটে দিন ক্লাস করল, বাকি দিন চাকরি করছে। এদের পাশ করতে অনেক দেরি হয়। এরা তিরিশ পঁয়ত্রিশ বছর বয়স অবধি দেখা যায় তখনো পিএইচ্‌ডি করেই চলেছে করেই চলেছে। কিন্তু যটা ক্লাসই নিক না কেন, ক্লাস না করলে আউট করে দেবে মডিউল থেকে। কিছু কিছু লাইন আছে যেখানে ফার্স্ট ইয়ারে ফেল করলে আরেকবার বোধহয় চান্স দেয়, তারপরে দরজা দেখিয়ে দেয়। এর কারন, সরকার অনেক অর্থ ব্যয় করে স্টুডেন্টপিছু। সেই অর্থ অপচয়ের জন্যে নয়।
  • potke | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:২২70607
  • সে, এটাই হচ্ছে কথা। ঐ যে পিটি দা বল্লেন না, সায়েন্সে ক্লাসে ছাত্তর নাই,টিউশন কেলাস ভর্তি! মজা হল, ক্লাসে যাকে গরু মনে হয়, টিউশন ক্লাসে সেই প্রবাদ্প্রতিম টিচার!
  • quark | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:২৬70608
  • সে'র সঙ্গে একমত। পয়সা দিয়ে পড়লে পচাদাও হেব্বি পড়ায়। আর ১৩ টাকার কলেজের মাস্টার, সেতো ধুরই হবে।
  • sm | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:৩২70609
  • পিটি, আপনার অভিজ্ঞতা অন্য হতে পারে, কিন্তু অধিকাংশ মাস্টার মশাই ঝুল পড়ায়; কোনো সন্দেহ নেই।ইন্জিনিয়ারিং মেকানিক্স এর মত সাবজেক্টে পর্যন্ত্য দেখেছি যত্ন করে কতটা আন ইন্টারেস্টিং করতে পারে। বছরের পর বছর কয়েকটা সেম অঙ্ক কষে আর সেটাই পরীক্ষায় দেয়।এই প্রলোভনের পরেও হতচ্ছাড়া স্টুডেন্ট গুলো, ক্লাস করে না; এ সি তে গ্যাজায়। কারণ জানে তো সেমি তে কয়েক টা অঙ্কের মধ্য থেকেই আসবে।
    আর্টস ফার্ত্স এ তো বছরের পর বছর এক ই নত বন্টন চলছে।
    কোনো ইন্টার একটিভ সেশন নেই, অডিও ভিজ্যুয়াল ব্যাপার নেই।কালী বক্তিমে; শোনা ইস্তক মাথা ঝিম ঝিম করে, ঘুম পায়।ছাত্রদের কতটা দোষ আছে বলুন। তবে কিছু ভালো শিক্ষকের উপর ইন জাস্টিস হয়; বলাই বাহুল্য।
  • PT | ২৫ নভেম্বর ২০১৪ ০৫:৪১70610
  • ইন্জিনিয়ারিং-এর কথা জানিনা সেটা আগেই বলেছি। কিন্তু "আর্টস ফার্ত্স এ তো বছরের পর বছর এক ই নত বন্টন চলছে" সেতা কেমনে জানা গেল?

    আর এক নোট যদি হয়ও-আমি যখন ছাত্র হিসেবে পাণিপথের যুদ্ধের নোটটা পাচ্ছি সেটা তো প্রথম বারের মতই পাচ্ছি। আমার আগের ব্যাচের কেউ সেটা পড়লেও তো আর আমার পড়া হয়নি। আমি তো প্রথম বারের মতই পড়লাম। আর পাণিপথের যুদ্ধের ইতিহাস বছরে বছরে তেমন খুব বদলায়ও না। কাজেই প্রতি বছরেই পাণিপথের যুদ্ধের ওপরে নতুন নোট বানানোর দরকার নাও থাকতে পারে।

    অবিশ্যি তাতে তো আর আমার আত্মীয়া (ইতিহাসের) ছাত্রীটির কোচিং ক্লাসের একই নোট পড়ে হজম করতে কোন আপুত্তি দেখছি না!!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন