এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | ১১ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:১৮70428
  • হোক।হোক। হোক কলরব।

    ১৩ তারিখ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় খুলছে। সারা পশ্চিমবঙ্গ তাকিয়ে আছে তার দিকে। দেশ তাকিয়ে আছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের হোককলরবের বন্ধুরা তাকিয়ে আছেন।

    সব থেকে বেশী তাকিয়ে বোধহয় শত্রুরা।

    মাথার চুল তো খাঁড়া হয়ে গেছে তাদের এতদিনে। তারা ভাবতেও পারেননি একদিন এ শহরের রাজপথ দখল করে নেবে প্রায় ১ লক্ষ ছাত্রছাত্রী। কোনও সংগঠন ছাড়া।কোনও রাজনৈতিক দলের পতাকা ছাড়া,কোনও বিরিয়ানি খাইয়ে ব্রিগেড চলো ছাড়াই হাজারে হাজারে মানুষ ভিত কাঁপিয়ে দিয়ে চলে গেছে রাজপ্রাসাদের। গ্রাম গঞ্জে শহরে মফঃস্বলে ছড়িয়ে পড়ছে নতুন বাঁচার স্বপ্ন।

    এর ব্যাতিক্রম নয় উত্তরপাড়া এবং এর সংলগ্ন অঞ্চলও। হোক কলরবের মিছিল এর আগেও এই শহরের বুক দিয়ে হেঁটেছে ৪০০ এর অধিক মানুষ নিয়ে।

    শাসক এখন চূড়ান্ত কামড় দেবার চেষ্টা করছে।স্কটিশের বন্ধুর পায়ের উপর দিয়ে চালিয়ে দিয়েছে বাইক। রাজাবাজারে আটকে রেখে মেরেছে।বর্ধমানে মেরেছে। কলেজে কলেজে,বাড়িতে বাড়িতে চলে গেছে নরমে গরমে হুমকির বার্তা।রাস্তায় অচেনা চোখ বারবার মেপেছে মিছিলে হাঁটবার জন্য।

    অন্যদিকে তাঁবেদার মিডিয়া,কাগজ কুৎসা করছে। যাদবপুরকে মদের ঠেক বলে প্রচার করছে নির্লজ্জরা। ছাত্র পেটানো vc কে স্থায়ী করা হয়েছে। এখনো একটাও নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি। জুটেছে ম্যাডক্সে লালবাজার থেকে ভয় দেখিয়ে চিঠি। লাবনীতে গ্রেপ্তার।

    একটা কথা জানিয়ে দিতে চাই জনাব ... !

    এই VC স্থায়ী হলে, আন্দোলনও স্থায়ী হবে। পাশে ছিলাম।আছি। থাকব।

    আমাদের দাবী -

    ১। অভিযোগকারিণী ছাত্রীটির অভিযোগ কে যথাযথ গুরুত্ব দিয়ে একটি দ্রুত,পক্ষপাত বিহীন,নিরপেক্ষ তদন্ত পক্রিয়া,এবং বিশাখা গাইডলাইন মেনে একটি পক্ষপাত বিহীন তদন্তকারী দল গঠন।

    ২। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের অবিলম্বে পদত্যাগ।

    ৩। ছাত্রছাত্রীদের উপর বর্বর পুলিশি আক্রমণ এবং গেঞ্জি পুলিশ এবং পুলিশ এর দ্বারা ছাত্রীদের উপর হওয়া যৌনহেনস্থার এর সুবিচার।

    ৪। হোককলরব আন্দোলনের সমর্থনে পথে নামা ছাত্রছাত্রীদের উপর সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে যে আক্রমণ নেমে এসেছে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ। আমরা চাই ফিরিয়ে দেওয়া হোক গনতন্ত্রের পরিবেশ। চাই বাক স্বাধীনতার অধিকার।

    তাই রবিবার, ১২ তারিখ,উত্তরপাড়া স্টেশনের, মেন টিকিট কাউন্টারের সামনে জড়ো হয়ে আমরা সাংস্কৃতিক প্রতিবাদ জানাব কিছুক্ষণ। নিয়ে আসব নিজের লেখা পোস্টার,আঁকা ছবি। নতুন দিনের গান গাইব, কবিতা পড়ব। পথনাটিকা হবে। শেষে মিছিল করে উত্তরপাড়া প্যারীমোহন কলেজ পর্যন্ত পথ হাঁটবো।

    আপনিও আসুন। চলুন একসাথে গাই নতুন গান। গিটার নিয়ে,কবিতা নিয়ে, পোস্টার নিয়ে।

    একটা কথা- না, কোন সংগঠনের পতাকা আনা চলবে না। চলবে না সংগঠনের নাম লেখা ব্যানার,পোস্টার।

    যে কোনও প্রয়োজনে যোগাযোগ - ৮০১৩৮২৭৮৪৯,৮৯৮১৫৬৩২৪৯,৭২৭৮৪১৩৯৯৬
    https://www.facebook.com/events/792260737505309/?ref_dashboard_filter=upcoming
  • π | ১২ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৫৩70429
  • pi | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:০৮70431
  • 'শিক্ষাঙ্গনে পুলিশি অনুপ্রবেশ ও নজরদারির প্রতিবাদে নাগরিক কনভেনশন...আগামি ২১ অক্টোবর ২০১৪, মঙ্গলবার...বিকাল ৪.৩০...ভারত সভা হলে (কলকাতা)...বক্তা ঃ- বিভাস চক্রবর্তী,প্রতুল মুখোপাধ্যায়, সুজাত ভদ্র, তুষার চক্রবর্তী, ছোটন দাস এবং আরও অনেক সুধীজন ...আয়োজনে ঃ ফ্রেন্ডস অফ ডেমোক্রেসি ..'>
  • pi | ১৪ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:১১70432
  • 'হোক কলরব একসাথে' - কাল এই প্রস্তাবনা নিয়ে কর্মসূচী তৈরির জন্য একটি মিটিং শিয়ালদা প্রাচীর কাছে ইস্ট লাইব্রেরিতে, বিকেল ৫ঃ৩০ থেকে।

    'ছাত্র ও অধ্যাপক সাথীরা, গণআন্দোলনের বন্ধুরা, আপনারা সবাই আসুন, মতামত দিন, কর্মসূচী ঠিক করুন। আসুন, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে আমরা যাদবপুরের এই লড়াইকে বৃহত্তর লড়াইতে প্রতিষ্ঠিত করি। হোক কলরব একসাথে।
    '
    https://www.facebook.com/events/1477634452511780/?ref_dashboard_filter=upcoming
  • pi | ১৫ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৫১70433
  • কাল পুলিশ পেটানোর একমাস হতে চলেছে। সারাদিন প্রোগ্রাম।
    1. Black badging
    2. Postering
    3. Mass convention
    4. Torch rally
    5. Token MASS hunger strike for 24 hours(from 6 pm)
    6. Peaceful cultural demonstration
    7. Screening of HOKKOLOROB videos
  • pi | ১৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৫০70434
  • pi | ১৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৫১70435
  • একমাস হচ্ছে।
  • pi | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৫৯70475
  • আর যে ছেলেটি ( লিখতে গিয়ে মনে হল, এইসব জেনেরাল স্টেটমেন্ট দেবার সময় আমরা কিন্তু মেয়েটি বা ছেলেটি কিম্বা মেয়েটি কখনো বলিইনা, যাকগে সে অন্য কথা ঃ)) যাদবপুরের কেউ নয়, এমনকি ছাত্রও নয়, সেও যখন আন্দোলনে এসেছে (এবং এরকম বহু বহু লোক এসেছেন), তাঁরা শুধু যাদবপুরের ভিসি পুলিশ ডেকেছে বলেই আন্দোলনে এসেছে, এমনটা মনে করার কারণই বা কী ?

    এগুলো বলতে গিয়ে সৈকতদার লেখাটার কথা মনে পড়লো, যার প্রতিটি লাইনের সাথে সহমত।

    'পৃথিবী গোলাকার, তাই কলরবের কোনো কিনারা নেই। সমুদ্রগর্জনের মতো কলরবেরও কোনো কপিরাইট নেই। যাদবপুরে পুলিশি হামলার কয়েক মুহূর্তের মধ্যে কলরব ছড়িয়ে যায় ইন্টারনেটে। কয়েক ঘন্টার মধ্যে শুরু হয় কাউন্টার অ্যাটাক যাদবপুর। কয়েক দিনের মধ্যে রাজাবাজার থেকে বর্ধমান হয়ে উত্তরবঙ্গ বিশ্বভারতী, মেদিনীপুর, বাঁকুড়ায় শোনা যায় ঢেউএর শব্দ। এক সপ্তাহের মধ্যে হয়ে যায় আন্তর্জাতিক প্রতিবাদ সপ্তাহ। বিশ্বব্যাপী শোনা যায় কলরবের ক্যাকোফনি।

    পৃথিবী গোল, তাই কলরবের কোনো পরিসীমা নেই। বৃষ্টির শব্দের মতো কলরবেরও কোনো কপিরাইট নেই। দিল্লীর কলরবে চলে আসেন মারুতির শ্রমিক, লাবণিতে প্রেসিডেন্সির ছেলেমেরা। উত্তরপাড়ায় বন্ধ হওয়া হিন্দমোটরের শ্রইকরা গলা মেলান। আইওয়া সিটিতে এলজিবিটি অ্যাকটিভিস্টরা নামছেন কলরবে। কলকাতার মহামিছিলে যাঁরা এসেছিলেন, তত ছাত্র যাদপুরে পড়েন না। দিল্লী ব্যাঙ্গালোর মুম্বাই আর বিশ্বজুড়ে যাঁরা রাস্তায় নেমেছেন, তাঁদের অনেকেই কস্মিনকালেই যাদবপুরে পড়েননি।

    কেন এত লোক রাস্তায়? কেন এত মানুষ দুনিয়া জুড়ে পোস্টার লিখছেন? কেন বিশ্বভারতীর ছাত্রী লিখেছেন "হোক কলরব"এর পর এই আন্দোলনের সবচেয়ে জনপ্রিয় স্লোগানটি? কেন এলজিবিটি, পরিবেশ, শ্রমিক আন্দোলনের মানুষরা, কেন ঘোষিত অরাজনৈতিক মানুষরা কোনো সংগঠন ছাড়াই নিজেদের উদ্যোগে বলে যাচ্ছেন "হোক কলরব"? শুধু যাদবপুরের সঙ্গে সহমর্মিতায়? শুধু সেটুকুই কারণ নয়। প্রতিটি মানুষ, নিজের অভিজ্ঞতায় যাদবপুরের সঙ্গে নিজেকে রিলেট করছেন, একাত্মবোধ করছেন। শ্লীলতাহানির অভিযোগ এবং তার বিচারে গড়িমসির ঘটনা শুধু যাদবপুরের না, কামদুনিরও, যার জেরে মার খেয়েছেন আমাদের বন্ধুরা। দলদাস প্রশানের মাথা শুধু যাদবপুরের সমস্যা নয়, মহামিছিল যখন কলকাতা কাঁপাচ্ছে, শিক্ষক থেকে সর্বস্তরের মানুষ একযোগে নিন্দায় মুখর, সাতজন উপাচার্য তখন যাদবপুরের প্রশাসনিক কর্তার পক্ষে দাঁড়িয়ে বিবৃতি দিচ্ছেন, দলতন্ত্রের শিকড় কতদূরে চারিয়েছে বোধগম্য না হবার কিছু নেই। রাতের অন্ধকারে পুলিশি হিংস্রতা শুধু যাদবপুরে না, সন্ত্রাসের বলি হচ্ছেন রাজাবাজারের ছাত্রছাত্রীরা, সন্ত্রাসের শিকার বর্ধমান। যাদবপুরের পক্ষে বলতে গিয়ে মার খাচ্ছেন, মাথা ফাটাচ্ছেন, পায়ের উপর দিয়ে মোটর সাইকেল চালিয়ে দেওয়া হচ্ছে স্কটিশের ছাত্রদের। উঠে আসছে আরও কত টুকতো-টাকরা। পুলিশ ক্যাম্পাসে এই প্রথম ঢুকলো তা নয়, শিবপুর বেসুর ছাত্রদের একটি ক্লাসরুমে আটকে রেখে বাইরে অপেক্ষায় ছিল পুলিশ, ক্লাসরুমে নাকি বিপজ্জনক মাওবাদীরা বসে আছে। আমরা আজ সেকথা জেনে শিহরিত হচ্ছি, কিন্তু এসব চলছিল, চলছে, নতুন কিছু নয়। কলরব শুধু একটি বিন্দু, যেখানে এগুলোর বিরুদ্ধে পুঞ্জিভূত ক্ষোভ বেরিয়ে এসেছে। সেই নবারুণের উপন্যাসে যেমন, তোশকের নিচে জমিয়ে রাখা গ্রেনেড ফেটে যায় চিতার আগুনে।

    পৃথিবীর আকার গোল, তাই কলরবের কোনো সীমারেখা নেই, কলরবে কোনো বহিরাগত নেই। লাবণিতে পুলিশের সামনে দাঁড়ান শুধু যাদবপুর না, প্রেসেডিন্সির ছেলেমেয়েরা, প্রাক্তনীরা। বিশ্বভারতী-বর্ধমান-স্কটিশ-হিন্দমোটর, মুম্বাই-দিল্লী-বেঙ্গালুরু, লড়ে যায় শুধু যাদবপুরের জন্য না। "ইউরোপ ও আমেরিকার গহন অঞ্চল থেকে বুকে পোস্টার বেঁধে সংহতির ছবি ইন্টারনেটে তুলে দিচ্ছেন মুষ্টিমেয় মানুষরা, সেও শুধুই যাদবপুরের জন্য নয়।এঁরা হাত বাড়াচ্ছেন অগণতান্ত্রিকতার বিরুদ্ধে একটি জেহাদের অংশীদার হবার জন্য। অজস্র কণ্ঠের গুঞ্জন এভাবেই হয়ে উঠছে কলরব। কলরব তো কোনো স্লোগান নয়, অনেক গলা, হয়তো অনবধানেই, যখন নীরবতা ভেঙে কথা বলে ওঠে, তাকেই তো কলরব বলে। এই কলরবের কোনো সীমারেখা হয়না। কলরবেও তাই কোনো বহিরাগত নেই।

    এটা আমাদের অনুভব। আমরা যারা বাইরে দাঁড়িয়ে দেখেছি, সাধ্যমতো গলা তুলেছি। ছাত্রদের অনুভূতি ঠিক কী তার তোয়াক্কা না করেই আমরা হোক কলরবকে নিজেদের মতো ভালোবেসেছি। এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছড়িয়ে দিয়েছি গলার আওয়াজ। আমাদের আওয়াজ দাদাগিরির বিরুদ্ধে। আমাদের আওয়াজ বিশ্ববিদ্যালয়কে পুলিশি খাঁচা বানানোর বিরুদ্ধে। আমাদের আওয়াজ নেতা ও দাদাদের লুটে-পুটে খাবার বিরুদ্ধে, আমাদের আওয়াজ "আচ্ছে দিন" এর খোয়াবের বিরুদ্ধে। সে আওয়াজ একরকম করে তোলা হয়েছে। এই আওয়াজ স্বতঃস্ফূর্ত। কেন্দ্রহীন। কলরবে কোনো বহিরাগত নেই, হয়না।
    '
  • তাপস | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০২:০৭70476
  • কেউ কেউ খুব স্বাভাবিকভাবেই মনে করেন ছাত্র ছাত্রীরা কেবল নিজেদের সমস্যা নিয়েই মাথা ঘামাবে এবং অন্য ব্যাপারে তাদের জড়িয়ে যাওয়া তাদের কেরিয়ার্ বা হোয়াটএভারের জন্যে খুব ভালো না। এই রকম ভাবে ভাবতে থাকলে - ছাত্রীটি তার ব্যক্তিগত সমস্যা নিজেই মিটিয়ে নিক, এরকম জায়গাতেও পৌঁছে যাওয়া যেতে পারে। সেদিক থেকে দেখলে 'ভিসির অপসারণের জন্য আন্দোলন জরুরী' থাকে না আর। আর যদি তা না হয়, যদি ইউনিভার্সিটির সহপাঠিনীর প্রতি জেগে ওঠা বোধ থেকে আন্দোলন হয়, তখন সে বোধ তো আর একটু বৃহত্তরও হতে পারে। তখন তো চটকল শ্রমিক বা অন্যদের তত দূরবর্তী মনে হবে না। আর নিজেদের আন্দোলনকে বৃহত্তর ক্ষেত্রে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিপ্রায় যদি থাকে, তাহলে, সে ডাকে সাড়া দিচ্ছেন যাঁরা, তাঁরাও তো প্রত্যাশা করতেই পারেন, তাঁদের বাড়ানো হাত শুধু নিজেদের কাজ মিটলেই যেন আলগা না হয়ে যায়। স্পর্শ যেন লেগেই থাকে।
    এবার সকলের তেমন আগ্রহ না থাকতেই পারে। মাঠে ঘটে ঘোরার আগ্রহ বা অভিপ্রায় কজনেরই বা থাকে? তবে সেক্ষেত্রে, নিজেদের আন্দোলনকে ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ হবে কেন? সেও তো মাঠ ঘাটেই নামা।
  • আলম | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৪৪70477
  • আমার উদ্যোগ বা সাজেশন জানতে চেয়েছেন দেখলাম। আমি একেবারেই ক্ষুদ্র একটি বামপন্থী দলে কাজ করি, তাই আমার সাজেশন আপনাদের কাজে নাও লাগতে পারে। হ্যাঁ আমিও মিটিং মিছিল করি, কিন্তু আমার রাজনৈতিক দর্শন আলাদা। আমি ফেসবুক টুইটারকে সাম্রাজ্যবাদীদের খেলনা ছাড়া আর কিছু মনে করিনা, যে খেলনা ওরা দিয়ে রেখেছে শহুরে মধ্যবিত্ত শ্রেনীকে ভুলিয়ে রাখার জন্য - কারন গনতন্ত্রে আবার এই শ্রেণীর গলার জোরই আজ সবচেয়ে বেশী। আর সেইজন্যই এই ফেসবুক টুইটার ফটোশপ সম্বলিত আন্দোলন প্রত্যেকটা ব্যর্থ হতে বাধ্য, কিন্তু এই আন্দোলনগুলোর কাজ হলো প্রকৃত আন্দোলনের স্পেসটাকেই ঘুলিয়ে দেওয়া যাতে প্রান্তিক মানুষগুলোর মধ্যেও আন্দোলন বিমুখতা গড়ে ওঠে। যে তথাকথিক যাদবপুরের ছাত্রটির মাঠেঘাটে ঘুরে আন্দোলনের অনীহার কথা এখানে বলা হয়েছে ঠিক সেটাই হলো আসল আন্দোলন। সেটাই হলো কোটি কোটি প্রান্তিক পিছিয়ে পড়া মানুষের আন্দোলন যারা কোনদিন ফেসবুক আর টুইটারের নামও শোনেনি। এদের মধ্যে থেকে কাজ করলে তখনই এই ফেসবুক আর টুইটারের আসল রূপ ধরা পড়ে, তখনই বুঝতে পারা যায় কেন এই আন্দোলনগুলোয় একদিন চল্লিশ হাজার মানুষ জড়ো হলেও পরেরসিন একশো জনও আসেনা, আর এক মাসের মধ্যে আন্দোলনটাও চুপসে যায়। আন্না হাজারের আন্দোলন, কলরব, এগুলো আন্দোলনের নামে মধ্যবিত্তশ্রেনীর খেলা মাত্র।
  • সিকি | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫১70478
  • আলোকিত হলাম। :)
  • pi | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৫৩70479
  • সাম্রাজ্যবাদীদের খেলনা বয়কট করেন নিশ্চয়? ইন্টারনেট ?
  • তাপস | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:০০70480
  • পিছিয়ে পড়া প্রান্তিক মানুষের আন্দোলনের কথা আর অভিজ্ঞতা - সেগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় বয়কট? কিন্তু আপনি তো নিজেও সেইরকম একটা স্পেসেই কথা বলছেন আলম ! নাকি শুধু ফেসবুক আর টুইটার নিয়েই আপনার আপত্তি? এইরকম ব্লগে আপত্তি নেই? কিন্তু এরকম ব্লগ কার টাকায়, কীভাবে চলে, সে-ও তো নিশ্চিত না-জেনেই আপনি এখানে আসছেন, মতামত শেয়ার করছেন ! আর কোটি কোটি প্রান্তিক পিছিয়ে পড়া মানুষের আন্দোলন তো খুবই পিছিয়ে পড়েছে বোধহয়, না হলে 'সঠিক' মতাদর্শ থাকা সত্ত্বেও ওই বামপন্থী দল একেবারেই ক্ষুদ্র হয়ে উঠবে কেন? অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে বলে নয়তো? একটু খতিয়ে দেখার সুযোগ আছে কি? নাকি দেখা ও বিশ্লেষণ মোটামুটি সারা?

    * সঠিক মতাদর্শ - আমার নিজের ইনফারেন্স, অভিজ্ঞতাপ্রসূত। এইরকমই ভাবা হয়ে থাকে আর কী! ভুল হলে ধরিয়ে দেবেন কিন্তু
  • sch | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৪১70481
  • তাপস-বাবু "স্বাভাবিকভাবেই মনে করেন ছাত্র ছাত্রীরা কেবল নিজেদের সমস্যা নিয়েই মাথা ঘামাবে এবং অন্য ব্যাপারে তাদের জড়িয়ে যাওয়া তাদের কেরিয়ার্ বা হোয়াটএভারের জন্যে খুব ভালো না" - এটা ঠিক কেরিয়ারের প্রশ্ন না - এটা প্রায়োরিটির প্রশ্ন।

    পৃথিবীতে সবাই তো আন্দোলন করতে আগ্রহী না-ও হতে পারে তাই না? কারুর হয়তো মনে হবে পিছিয়ে পড়া মানুষদের অন্য কোনো ভাবে সাহায্য করা যেতে পারে। যে মানুষটি হাত পা ছুঁড়ে মিছিলে না গিয়ে সাম্রাজ্যবাদী দেশে চাকরী করে অর্জিত অর্থের অনেকটাই প্রান্তিক মানুষদের জন্য ব্যয় করেন তাঁকে আমি শ্রদ্ধা করি। সবার পদ্ধতিটা তো এক হয় না। কাজেই যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনা করতে আগ্রহী, শুধু সেখানের সমস্যায় আগ্রহী, চটকল শ্রমিকের জন্য আন্দোলনে আগ্রহী না তাকে আত্মকেন্দ্রিক ভাবার কারণ দেখি না।

    আর আমার মনে হয় যে কোনো জিনিসের অব্জেক্টিভিটি থাকা প্রয়োজন। যাদবপুরের আন্দোলনের দুটি অব্জেক্টিভ

    ১) নির্যাতিতা ছাত্রীটির অত্যাচারকারীদের শাস্তি দেওয়া
    ২) ভিসির অপসারণ এবং শাস্তিদান

    এর সাথে সারা দেশের সমস্যা - নারী নির্যাতন থেকে আচ্ছে দিন - মোদী থেকে দিদি, সব জড়িয়ে ফেললে ওই পশ্চিম্বঙ্গের বামপন্থীদের নিকারাগুয়ার জন্যে মিছিলের মতো হবে। বিশ্বের সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামিয়ে শেষে নিজেদের অস্তিত্বের সঙ্কট হবে।

    বাইরের মানুষ আন্দোলনে সাড়া দিলে খুব ভালো - কিন্তু না দিলেও কিছু আসে যায় না। তাই প্রতিবাদের মাত্রা মাপার জন্যে জনসংখ্যা গোণার দরকার দেখি না। আলম - আপনি একটি বিশেষ রাজনৈতিক ধারায় বিশ্বাসী - তাই ফেসবুক, টুইটারের আন্দোলনে বিশ্বাস রাখেন না - তবে সমস্যা হল এখন পৃথিবীতে নিজেকে ring fence করে রাখা যায় না। যে দেশে টয়লেটের থেকে মোবাইলের সংখ্যা বেশী সেখানে ফেসবুক টুইটারের আন্দোলন গণ-আন্দোলন বই কি।

    আর পাই দিদি Student শব্দটার মানে ছাত্র - সেটা বোধহয় লিংগহীন শব্দ। অভিনেতা যেমন। কাজেই .........
  • pi | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৪৮70482
  • ছাত্র নিয়ে বলিনি তো, ' যে ছেলেটি' নিয়ে বলেছিলাম ঃ)
  • pinaki | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:১২70483
  • বাসু নাকি?
  • তাপস | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:২২70484
  • sch, সে অবজেক্টিভ নিয়ে প্রশ্ন নেই তো ! তবে আমি যদি আমার প্রয়োজনে অন্যের সমর্থন চাই, তাহলে অন্যের প্রয়োজনে আমার সমর্থন প্রত্যাশিত। যাঁরা তেমন প্রত্যাশা করছেন - এবং যাঁরা তেমন প্রত্যাশায় সমর্থন করছেন, তাঁরা সবাই ঘোলা জলে মাছ ধরছেন এমন না-ও হতে পারে !
    "বাইরের মানুষ আন্দোলনে সাড়া দিলে খুব ভালো - কিন্তু না দিলেও কিছু আসে যায় না।" - সত্যি কি? একদম কিছু যায় আসে না? তাহলে এই চাপান-উতোর, তর্ক-বিতর্ক হত? আলমের মত মানুষ - যাঁরা ফেসবুক টুইটারের তোয়াক্কা করেন না, এবং একে ঘৃণ্য জ্ঞান করেন, তাঁরাও এই আলোচনায় ঢুকে পড়তেন? পড়ছেন, কারণ ওই অনেক ধরনের 'বাইরের মানুষের' চাপ। যে চাপ বোধ করছেন ভিসি কিম্বা রাজ্যপালও। তবে বলা যেতেই পারে, তাতে লাভ কী হ'ল? আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস - আশু লাভ এখনও না হলেও, এর সুদূরপ্রসারী ফল আছে। হয়ত অনেকরকম ফল। নানা মুখী ফল। একটা দিস্কার্সিভ স্পেস, একটা আন্দোলনের স্পেস, প্রশাসনিক স্তরে হেলদোল, এরকম বেশ কিছু। যেটা জরুরি। আর যার জন্যে, ওই 'বাইরের মানুষের' মানে বহিরাগতদের সাহচর্য জরুরি ছিল। তার জন্যই ক্যাম্পাসের বাইরে কলরব জরুরি হয়ে উঠলো। উঠছে।
  • আলম | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৪৩70436
  • হোককলরব তো একেবারে চুপসে গেল! শুরু হলো তিরিশ চল্লিশ হাজার লোকে মিছিল দিয়ে, তারপর তো এক হাজারেরও একটা জমায়েত করা গেল না। রিভোলিউশনের কি হলো তাই বা কে জানে। এখন তো যাদবপুরে ক্লাসও শুরু হয়ে গেছে, নিয়মমাফিক কিছু অন্দোলন হচ্ছে, ভিসি যদি সরে তো সরলো। আর প্রথমদিকে শুনলাম ছাত্র আন্দোলনের সাথে শ্রমিক আন্দোলন, সর্বোন আন্দোলন আরো কতো কি। বুঝতে পারছি, টুইটার আর ফেসবুকের জমানায় আন্দোলনও পাঁচ মিনিটের। কোন একটা তাত্ক্ষনিক ইস্যুতে ফেসবুকে আর চ্যাটে হুজুগ ছড়িয়ে দাও, নানান ব্লগে রুদ্ধশ্বাস উত্তেজনায় একগাদা থ্রেড খুলে একগাদা পোস্ট করো, অনেক লোক জড়ো করে একটা বড়ো মিছিল নামিয়ে দাও, আঃ শান্তি। স্টিম বেরিয়ে গেল, শাসক দল মুচকি হেসে নিল, যে যার নিজের কাজে ফিরে গেল। ফটোশপ বিপ্লবীরাও পরের আরেকটা ইস্যুর অপেক্ষায় থাকল।
  • সিকি | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৫৫70437
  • হয় তো সমস্ত খবর পান নি, আলম। খবর রাখুন। গুরুর ফেসবুক গ্রুপে চোখ রাখুন।
  • ন্যাড়া | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:০৯70438
  • বোঝ! কলরব শুনতে গুরুর ফেসবুক পেজেই যেতে হবে, তার এতই তীব্রতা?

    আমার মতন লোকেরাও কিন্তু আস্তে আস্তে আলমের মতনই ভাবছে।
  • a | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:১৫70439
  • খবরের জন্য গুরু র ফেইসবুক পড়তে হবে। খবরের কাগজ গুলোতে তো বিশেষ কিছু পরছে না। সাধারণ মানুষ তো খবরের কাগজ ই পারবে নাকি। গুরু র ফেইসবুক কে কি খবর লিখল তাতে কার কি এসে গেল?
  • আলম | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:১৮70440
  • দাদা আমি ফেসবুক আর টুইটার আন্দোলনে একেবারেই বিশ্বাস করি না। আমি জানি আন্দোলন মাঠে ঘাটে নেমে করতে হয়, তবেই সেটা মাস বেসড আন্দোলন হয়। ফেসবুকে স্ট্যাটাস আপডেট দিয়ে, ছড়া লিখে আর চাট্টি পোস্টার এঁকে সেই আন্দোলন থেমে থাকে না। আর যে আন্দোলন বড়ো করে টিভি বা খবরের কাগজে আসে না সে আর কিসের আন্দোলন। সেটা ফেসবুক আন্দোলন হতে পারে, তার বেশী কিছু না।
  • তাপস | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:২৬70441
  • যাদবপুরে আগের মতই ক্লাস হচেছ? মানে নিশ্চিত? এটা কি কাগজে বেরিয়েছে? মানে সাধারণ কাগজে? একটু বলবেন?
  • d | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:৩০70442
  • যাদবপুরে ক্লাস শুরু হয়ে গেছে? কাল টিভিতে যে অন্যরকম বলল?
    দেখেছ! দুই দুইখান চ্যানেল এমন ভুল খবর প্রচার করছে!
  • সিকি | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:৫৩70443
  • আলম বোধ হয় ভুল বুঝছেন। আন্দোলনটা ফেসবুক আর টুইটারে হচ্ছে না। মাঠে-রাস্তায় নেমে যে আন্দোলনটা চলছে, তার নিয়মিত আপডেট এবং ইনভিটেশন ফেসবুকে দেওয়া হচ্ছে। তাতে যোগ দিচ্ছেন অনেকে।

    লোকসংখ্যা দিয়ে আন্দোলনের সফলতা বিচার করবেন না দয়া করে। হ্যাঁ, হয় তো হাজার হাজার লোক হচ্ছে না প্রতিদিন, কমই হচ্ছে, কিন্তু হচ্ছে। হোককলরব চুপসে যায় নি।

    দ্বিতীয়ত, ক্লাস শুরু হচ্ছে, হয়েছে প্রতিবাদ বজায় রেখে। আলম ক্লাস শুরু হবার খবরটুকু পড়েছেন, এইটা বোধ হয় পড়েন নি যে ছাত্রছাত্রীরা ক্লাস করছেন অ্যাটেনডেন্স রেজিস্টারে সই না করে। পড়াশোনার ক্ষতি করে তাঁরা আন্দোলন চাইছেন না, অন্যদিকে পড়াশোনার জন্য প্রতিবাদটাও থামিয়ে দিচ্ছেন না। গত সপ্তাহে এবং এ সপ্তাহেও একাধিকবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকতে এবং বেরোতে গিয়ে বিরোধিতার সম্মুখীন হয়েছেন উপাচার্য। মুখের সামনে শ্লোগান দেওয়া হয়েছে, জিজ্ঞেস করা হয়েছে আপনি পদত্যাগ করছেন না কেন। জুটার শিক্ষকেরাও এই প্রতিবাদে শামিল হয়েছেন, তাঁরাও একনাগাড়ে দোষীদের শাস্তি এবং উপাচার্যের পদত্যাগ দাবি করেচলেছেন। মুখে কালো কাপড় বেঁধে উপাচার্যের যাওয়া-আসার পথে দাঁড়িয়ে থাকছেন। প্রতিবাদ চলছে, প্রতিদিনই।

    হ্যাঁ, খবরগুলো এখন কাগজের প্রথম পাতায় নেই, কারণ অন্যান্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ খবর দখল করে নিয়েছে প্রথম পাতাদের। আর, স্ট্যান্ডার্ড মিডিয়া কোনও খবরকে গুরুত্ব না দিলে সেই সংক্রান্ত খবর পাবার জন্য ফেসবুক জাতীয় প্যারালাল মিডিয়াতে একটু ঘাঁটাঘাঁটি করতে হয় বৈকি। গুরুচন্ডালির পাতা খুলে "আন্দোলনটা তো চুপসে গেল" বলা অনেক সোজা, কিন্তু আন্দোলনে সত্যি যাদের ইন্টারেস্ট আছে, তারা কিন্তু ঠিকই জেনে যাচ্ছে পরের দিনের হোককলরব কোথায় হচ্ছে, কবে হচ্ছে। সম্ভব হলে পৌঁছেও যাচ্ছে জায়গামতো। আর দেশবিদেশ থেকে অনেক নামেদামী শিক্ষাবিদও লাগাতার বলে চলেছেন ক্লাস শুরু হওয়া মানেই যাদবপুরে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরে আসা নয় - এই উপাচার্য না সরলে ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে স্থিতাবস্থা আসবে না। এগুলো কিন্তু রোজদিনের কাগজেই লিখছে, নিশ্চয়ই পড়েছেন।
  • সিকি | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:৫৬70444
  • আর হ্যাঁ, হোককলরবের আন্দোলন "বড় করে" টিভির পর্দায় বা খবরের কাগজে আসবে না - তার অনেক কারণ আছে, একটা বড় কারণ হল টিভির চ্যানেল বা খবরের কাগজ, অন্য অনেক কিছুর মতই, কোনও হোমোজিনিয়াস এনটিটি নয়। কোন খবর সামনের পাতায় আসবে, কোন খবর প্রাইম টাইমেদেখানো হবে, তার পেছনে অনেক ক্যালকুলেশন কাজ করে।

    তো, এর বেসিসে যদি আপনার মনে হয় এটা শুধুই ফেসবুকিশ আন্দোলন, তবে আপনার সে মনে হওয়াকে আমি সম্মান জানাই।
  • a | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:১৩70445
  • নাও ভারতের কত মানুষের কাছে ইন্টারনেট এক্সেস আছে যে তারা কষ্ট করে ফেইসবুক এ গিয়ে তাতে আবার একটা বিশেষ পেজ এ গিয়ে আন্দোলন নিয়ে পড়বে। কার এত সময় আছে? পেপার/মিডিয়া এ যা আসে তাই মানুষ দেখে।
    আর ক্লাস করব কিন্তু অ্যাটেনডেন্স দেব না। মানে জেনুইন যারা ক্লাস করতে চায় তাদের আর আটকানো যাচ্ছে না নাকি ?
  • সিকি | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:২৩70446
  • নাঃ। নেই। অনেকের কাছেই ইন্টারনেট অ্যাক্সেস নেই। কী আর করা যাবে। কিছু ইন্টারনেটের মাধ্যমে খবর ছড়ায়, কিছু ছড়ায় তারপর মুখে মুখে। মিডিয়ার হাইলাইটের আশায় বসে থাকলে হয় তো সত্যিই আন্দোলনটা চুপসে যেত।

    একটা ঘটনা। ছেলেমেয়েরা ক্লাস করছে, কিন্তু অ্যাটেনডেন্স দিচ্ছে না। কেউ বলছে, এটার মাধ্যমেই ওরা ওদের প্রতীকি প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছে, কেউ বলছে, জেনুইন যারা ক্লাস করতে চায়, তাদের আর আটকে রাখা যাচ্ছে না।

    একটাই ঘটনা। বিভিন্ন অ্যাঙ্গেল থেকে দেখা। যে যেমন দেখে আর কি :)
  • . | ২২ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:২৬70447
  • ভিসির সঙ্গে প্রশাসনগত সমস্ত ব্যাপারে অসহযোগিতা চলবে - এরকমই শুনেছি। অ্যাটেন্দেন্স না দেওয়ার একটা অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ ইমপ্যাক্ট আছে - একটু তলিয়ে ভাবুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন