এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • মতামত | ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২৩:৪২738217
  • আরেব্বাস। দারুণ তো!
  • %% | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০০:০০738218
  • ধন্যবাদ @মতামত
  • kk | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৫:১৭738219
  • খুব ইন্টারেস্টিং লাগলো।
  • %% | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:০২738221
  • ধন্যবাদ কেকে
  • dc | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:১৫738223
  • এই বইটা (বা তিনটে বই) অনেকদিন আগে পড়েছিলাম, %% কে ধন্যবাদ এটার রিভিউ লেখার জন্য। প্রথম আর তৃতীয় ভাগ নিয়ে %% লিখেছেন, দ্বিতীয় ভাগে রেনেঁ মূলত অন্যান্য দেশের মিথোলজি আর বাইবেলের মধ্যে তফাত দেখিয়েছেন। সেখানে তিনি একটু বাইবেলকে টেনে খেলেছেন, বলেছেন যে অন্যান্য মিথ শাসকের কথা বেশী বলে আর বাইবেল সাধারন মানুষের কথা বেশী বলে। আর বাইবেলে যীশুবাবার ক্রুসিফিকশান হলো গিয়ে ঐ স্কেপগোটিং এর উদাহরন, যা %% লিখেছেন। কলেজে পড়ার সময়ে বইটা পড়েছিলাম বলে অনেক কিছু ভুলে গেছি :-)
     
    আর মার্জিন কল খুব ভালো উদাহরন বেছেছেন। এই সিনেমাটা আমার খুব প্রিয়, অন্যান্য অনেক কারন আছে, তবে আমার ভাল্লেগেছে লেয়ারিং এর জন্য, যেটা পুরোটা বুঝতে হলে সিনেমাটা কয়েকবার দেখতে হবে। প্রথমবার দেখলে মনে হবে কোম্পানির মর্টগেজ ক্রাইসিস প্রথম ঠিকমতো বুঝতে পেরেছে রকেট সায়েন্টিস্ট পিটার সালিভান, যার পুরষ্কার হিসেবে সিনেমার শেষে সি স্যুটে তাকে লাঞ্চ খেতে ডাকা হলো। আরেকবার দেখলে বুঝবেন তা নয়, কোম্পানির রিস্ক ম্যানেজমেন্ট হেড আর ডিভিশান হেড জ্যারেডও অনেকটা আন্দাজ করেছিলেন। আরও একবার সিনেমাটা দেখলে বুঝবেন কোম্পানির সিইও জন টুল্ডও জানতেন, কিন্তু তিনি একজন বলির পাঁঠা খুঁজছিলেন। পুরো বোর্ড মিটিং কাজে লাগিয়ে টুল্ড অবশেষে বলির পাঁঠা পেয়ে গেলেন - রিস্ক ম্যানেজমেন্ট হেড সারা রবার্টসন। আর তারপর বিজনেস অ্যাজ ইউসুয়াল।
  • Anirban M | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৪৯738227
  • এনার বিষয়ে কিছু জানতাম না। জেনে ভাল লাগল। একটা প্রশ্ন। এই দর্শন পরিবর্তন কে ব্যাখ্যা করে কীভাবে। মানে সবাই বেলবটম পড়ছে, আমিও তাই পড়ছি। কিন্তু ফ্যাশন বেলবটম থেকে ব্যাগি তে পাল্টাবে কী করে? প্রথম কারা ব্যাগি পড়বে ও কেন? একটু বিশদে জানালে ভালো লাগবে.
  • dc | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৩৫738228
  • প্রথম ব্যাগি পড়বে ইনফ্লুয়েন্সাররা। রেঁনের থিওরি অনুসারে, অনেকে মিলে কোন একটা জিনিস বা ফ্যাশান কপি করে, ফলে সোশ্যাল রাইভালরি তৈরি হয়। তখন কেউ কেউ ঐ অবজেক্টটার বদলে অন্য কোন একটা অবজেক্ট সিলেক্ট করে, অন্যরা তাকে কপি করে, ইত্যাদি।
  • %% | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:৫২738232
  • ডিসি, হ্যাঁ জিরার ভিডিও দেখেছি ইউটিউবে যে তিনি মনে করেন এটিই একমাত্র ধর্ম যেখানে সমাজ সৃষ্টি আর ধ্বংস কীভাবে মিমেসিসের মাধ্যমে হবে সেটাও এপোক্যালিপ্স ইত্যাদি গসপেল দিয়ে বোঝানো আছে।
     
    Anirban M, জিরার তত্ত্ব অনুযায়ী নকল ব্যাপারটা আসলে প্রত্যক্ষ নয় পরোক্ষ। মানে অমিতাভ বচ্চন বেলবটম পড়লে সে সময়ের মেয়েরা পছন্দ করতেন, তাই ছেলেরাও বেলবটম পড়তেন। ওর পরের প্রজন্মের মেয়েরা অন্য কিছু পছন্দ করলে ছেলেরা সেই পছন্দে শিফট করে যাবে। মানে ব্যাপারটা যেকোনো লিঙ্গের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সরাসরি অনুপ্রাণিত হবার বদলে বিপরীত লিঙ্গের মাধ্যমে অনুকরণ আসছে এবং এভাবে একটা চাহিদার ত্রিভুজ তৈরী হচ্ছে।
  • &/ | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০৩738233
  • কভারে ওইরকম ছবি কেন ?
  • %% | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০৪738234
  • সবাই বেল বটম পরাতে মিমেটিক ক্রাইসিস যখন চরমে উঠল তখন অমিতাভ বচ্চনের ছবি আর কেউ দেখতে যেত না। ফলে বলিদানের মাধ্যমে তিনি ফ্লপ হিরো হয়ে গেলেন এবং একইসঙ্গে নস্টালজিয়ার মাধ্যমে একজন পুজো করার আইকন হয়ে উঠলেন।
  • kk | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০৪738235
  • "কভারে ওইরকম ছবি কেন ?"
     
    গিরগিটি প্রকৃতির মধ্যেই থাকে কিন্তু লুকিয়ে থাকে না? গোপন।
  • &/ | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:০৮738236
  • ইশ, এইরকম একটা গিরগিটির ছবি আবোলতাবোল এ দেখেছিলাম যদ্দূর মনে পড়ে, ওটা একটু কার্টুন মতন করা
  • &/ | ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:১৪738237
  • অথবা অন্য কোথাও ছিল এ গিরগিটির ছবি . কেন এত চেনা চেনা লাগছে গিরগিটিটা র ছবিটা ?
  • Anirban M | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:২৯738242
  • তার মানে somaje দু ধরণের লোক থাকবে। এক ধরণ যারা ট্রেন্ড সেট করবেন (ধরা যাক era নেতা) ar অন্যরা তা অনুকরণ করবেন (জনতা )। আমার আগ্রহ প্রথম দল নিয়ে। এই দল কীভাবে নির্ধারিত হয় বা অনেক নেতা থাকলে জনতা kake নেতা বাছবেন এ বিষয়ে উনি কী বলছেন? আমি প্রস্নটা এই জন্য করছি কারণ আমি ভাবছিলাম এই নেতার ধারণা নীৎসের সুপারম্যানের ধারণার সমগোত্র্রীয় কিনা।
  • %% | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৯:৪৮738243
  • নীৎসের লেখা আলাদা করে পড়িনি তাই এটা বলতে পারব না। আমার মনে হয়েছে নেতা ঠিক নয় মিমেটিক থিওরি ডিজায়ারের সঙ্গে যুক্ত। জিরার থিওরি পলিটিক্যাল থিওরি নয়। এই ডিজায়ারের মডেল নির্ধারণের ব্যাপারটা অটোমেটিক। মানে একজায়গায় পাঁচজন বন্ধু বসে আছে, তাদের মধ্যে একজন হঠাৎ করে মডেল হয়ে গেল। উল্টোদিকে পলিটিক্যাল লিডারদের পিছনে লোকে ৱ্যালি করে, তাদের মডেল করে না। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের স্কেপগোট করা হয়।
     
  • %% | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:৩৪738244
  • ৱ্যালি = অনুসরণ
     
    রাজনৈতিক নেতাদের অটোমেটিক মডেলের বদলে সরাসরি ক্ষমতা দখলের জন্য উদগ্রীব চেঞ্জ এজেন্ট বলা যায় যারা ইচ্ছাকৃত বলির পাঁঠা খোঁজে। কোটি কোটি বাংলাদেশিরা ঢুকে বসে আছে তাই তাদের বের না করলে বিকশিত ভারত বানানো সম্ভব না। এখানে মডেল/অবজেক্ট অফ ডিজায়ার বিকশিত ভারত। উনিজি নন। লেনিন মাও চেঞ্জ এজেন্ট হলে বলির পাঁঠা বুর্জোয়ারা, অবজেক্ট অফ ডিজায়ার সাম্যবাদী রাষ্ট্র।
  • dc | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১১:৫৫738251
  • অনির্বাণ, %% অনেকটা উত্তর দিয়ে দিয়েছেন। আমি যোগ করতে পারি, রেঁনের মিমেটিক থিওরি আর নীৎসের সুপারম্যান থিওরির মধ্যে কোন মিল নেই। তার কারন রেঁনের ট্রেন্ডসেটাররা ভিড়ের মধ্যেই থাকেন, নীৎসের সুপারম্যানদের মতো ভিড়ের থেকে আলাদা হন না। ইন ফ্যাক্ট একই লোক কখনো হার্ড মেন্টালিটি ফলো করে অন্যের ডিজায়ার কপি করতে পারেন, আবার অন্য কোথাও নিজেকে ডিফারেনশিয়েট করবার জন্য নতুন ট্রেন্ড শুরু করতে পারেন। অর্থাত ট্রেন্ড সেটার আর ট্রেন্ড ফলোয়ার, এই দুটো মিউচুয়ালি এক্সক্লুসিভ সেট না। কিন্তু নীৎসের সুপারম্যান হলো গিয়ে একেবারেই আলাদা, ট্র‌্যাডিশনাল নর্মস ফলো করে না, ইত্যাদি।
     
    "এই দল কীভাবে নির্ধারিত হয় বা অনেক নেতা থাকলে জনতা kake নেতা বাছবেন এ বিষয়ে উনি কী বলছেন? "
     
    এ নিয়ে রেঁনে খুব বেশী কিছু বলেন নি, তবে ওনার লজিক মোটামুটি এই যে ট্রেন্ডসেটাররা অর্গানিকালি আত্মপ্রকাশ করেন, কেউ তাদের বেছে নেয় না, কেউ নেতা হন না। যেকোন অবজেক্ট নিয়ে একদলের মধ্যে সারাক্ষন টানাপোড়েন চলতে থাকে, তার মধ্যে কেউ হয়তো নিজেকে ডিফারেনশিয়েট করে নতুন ট্রেন্ড বানাতে সক্ষম হন, সবাই সেই নতুন ট্রেন্ড ফলো করে।
  • Anirban M | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৪:৪৪738254
  • বুঝলাম। ব্যাপারটা অনেকটা স্পাইডারম্যানের মত। Mane স্পাইডারম্যান হতে সুপারম্যানের মতো অ -মানুষ হতে হবে না। হঠাৎ করে যাকে পোকা কামড়াবে সেই স্পাইডারম্যান। কী পোকা, কখন কামড়াবে সেটা ঠিক নেই। নেতা বলতে আমি রাজনৈতিক নেতা বলিনি। সাংস্কৃতিক নেতাও ​​​​​​​হতে ​​​​​​​পারেন। ​​​​​​​
  • | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৮:৫৮738258
  • ভারী ইন্টারেস্টিং তো।
  • MP | ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২২:৪৯738263
  • ব্যাপক লেখা হয়েছে l চিন্তার অনেক খোরাক পাওয়া গেলো l আচ্ছা consumerism বা FOMO এই কন্সেপ্টগুলোও কি রেঁনের মিমেটিক থিওরি দিয়ে explain করা যাবে ?
  • যদুবাবু | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৬:২৪738265
  • লেখাটা ভালো লাগলো, তবে আরও বিস্তারিত হলে আরও মজা পেতাম। রেনে জিরা(র্দ) খুব প্রিয় দার্শনিক। যদিও প্রিয় বললাম, কিন্তু বুঝি তো মাথা আর মুণ্ডু।

    অনেকদিন আগে এর মিমেটিক ডিজায়ার নিয়ে ব্লগে লিখেছিলাম, https://praptobayasko.blogspot.com/2024/05/blog-post.html - খুব-ই ছোট্ট লেখা অবশ্যি, কিছু প্রোফাউণ্ড নেই, তবে ঐ কী করে মিমেটিক ডিজ়ায়ারের তত্ত্বে উপনীত হয়েছিলেন, সেই সম্বন্ধে, খুব সম্ভবত apocryphal, গপটা ইন্টারেস্টিং লেগেছিল।
  • dc | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৪৬738266
  • যদুবাবুর লেখাটা পড়ে ফেললাম, গল্পটাও :-)
     
    গল্পটা পড়ে মনে হলো, মিমেটিক ডিজায়ারএর একটা খুব ভালো উদাহরন বোধায় হতে পারে সারা পৃথিবীর ডায়মন্ড মার্কেট। একশো বছর আগে হীরের চাহিদা অতোটা ছিল না, কিন্তু তারপর ডি বিয়ার্স কোম্পানি হীরের যোগান কমিয়ে দিল আর তাদের মার্কেটিং ক্যাম্পেন শুরু করল, ফলে সাধারন মানুষও কিনতে শুরু করল আর একজনকে দেখে আরেকজন ভাবলো আমাকেও কিনতে হবে। সেই থেকে ডায়মন্ড হয়ে গেল প্রায় ইউনিভার্সাল অবজেক্ট অফ ডিজায়ার। (তবে এখন ল্যাবের হীরে এসে এই সাইকেলটা বোধায় ভাঙতে শুরু করেছে)।
  • Anirban M | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৭:৫৫738267
  • মিমেটিক থিওরির ধারণাটা খুব নতুন নয় বোধহয়। অর্থনীতিতে ডেমন্সট্রেশন এফেক্ট বলে একটা ধারণা আছে। সেটা পঞ্চাশের দশকে আসে। সেখান থেকে রিলেতিভ ইনকাম প্রতিপাদ্যের জন্ম যা দেখায় মানুষ অসাম্য নিয়ে কেন রেগে থাকে। আমার আয় এক থেকে পাশের বাড়ির মদুসূদনের আয় বাড়লে তাতে অসাম্য বাড়ছে কিন্তু আমার আয় তো কমছে না। আমার ভোগও পাল্টাচ্ছে না। তাহলে আমি এতে রেগে যাই কেন? অর্থনীতির যে মূল ধারা তাতে অসাম্যের সমস্যা বোঝা যায় না। মূলধারার অর্থনীতিতে বরং প্যারেটো উন্নতি বলে একটা ধারণার মাধ্যমে ওপরে বলা পরিস্থিতির উদ্ভব হলে তাকে সমাজের জন্য ভাল বলে চিহ্নিত করা হয়।
     
    মিমেটিক থিওরির মূল ধারণাটা ডেমন্সট্রেশন এফেক্ট-এর কাছাকাছি। কিন্তু যেটা নতুন সেটা সম্ভবত এই স্কেপগোটের ধারণাটা। সবাই যদি এক জিনিষ চায় এবং তার যোগান কম থাকে তাহলে কী হবে? অর্থনীতি যেহেতু বাজারের কথা বলে তাই সে বলবে দাম এর সমাধান করবে। সেই সমাধান শান্তিপূর্ণ। কিন্তু ইতিহাসের শিক্ষা হল সমাজ এত শান্তিপূর্ণ ভাবে তার অপ্রাপ্তি কে মেনে নিতে পারে না। তাই অসাম্য ব্যাপক হলে তার সমাপ্তি হয় হিংসায়। স্কেপগোটে অনেক ক্ষেত্রেই একটা সমাধান আনে (যেমন ইমিগ্রান্ট বা মুসলিম ঠ্যাঙ্গানো) কিন্তু সবক্ষেত্রে নয়। ফরাসী বিপ্লব বা বলশেভিক বিপ্লবে ভয়ঙ্কর হিংসা দেখেছি। কিন্তু এক্ষেত্রে রাজপরিবার বা সামন্ত প্রভুদের ঠিক স্কেপগোট বলা ঠিক হবে না বোধহয়। বা যদুবাবুর বলা গল্পের সূত্র ধরে বলা যায় রাম এবং রাবণ দুজনেই সীতাকে চান,হিংসা দিয়েই সেই সমস্যার উদ্ভব (সীতাহরণ) এবং সমাধান (যুদ্ধ) হয়। কিন্তু সেখানে স্কেপগোট নেই বোধহয়।
    (লেখার শেষে একটু ডিসক্লেমারঃ আমি জিরার্ডের দর্শন এই সবে জানলাম। গভীর চিন্তার সুযোগ হয় নি। সবচেয়ে বড় কথা আমি মূল লেখাটা পড়িনি। তাই জিরার্ডকে উড়িয়ে দেওয়ার প্রশ্ন নেই। কথার পৃষ্ঠে কথা হল ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রক্রিয়া।)
  • যদুবাবু | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৩৫738268
  • @dc আমাদের ১১-১২ ক্লাসের ইংরেজি পাঠ্যের কোনো একটা গদ্যের লাইন ছিল, if diamonds were as plenty as pebbles, people wouldn't stoop to pick them up ... লাইনটা মনে আছে, কোন গল্পের মনে নেই।
     
    @অনির্বাণ দা, "কথার পৃষ্ঠে কথা হল ভাবনাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার একটি প্রক্রিয়া।" -- একদম! এইজন্যেই গুরুতে ভাট করতে মজা লাগে। প্লাস আমি ঘোর Bayesian ... সবসময়ই পোস্টেরিওর আপডেট করছি।
  • dc | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ০৮:৫১738269
  • অনির্বাণবাবু, ঠিক, ডেমনস্ট্রেশান এফেক্টও মানুষের প্রেফারেন্সের কথা বলে, কনস্পিকুয়াস কনসাম্পশান থিওরিও তাই। আমি দুয়েক জায়গায় পড়েছি যে মিমেটিক থিওরি দিয়ে ডেমনস্ট্রেশান এফেক্ট এক্সপ্লেইন করা যায়, প্রেফারেন্স বা ডিজায়ার পাল্টানোর কারন (গ্রুপের মধ্যে বা সমাজের মধ্যে রেষারেষি, টানাপোড়েন) মিমেটিক থিওরি ব্যাখ্যা করে। ইন ফ্যাক্ট ডেভেলপমেন্টাল বা বিহেভিয়রাল ইকোনমিক্সে অনেক সময়েই মিমেটিক থিওরির রেফারেন্স পেয়েছি। অনেক বছর আগে এ নিয়ে কয়েকটা বই পড়েছিলাম, নাম মনে পড়লে পোস্ট করে দেবো।
  • সিএস  | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১০:২১738270
  • ফ্রয়েডের লিবিডো -- জিরার ডিজায়ার
    ফ্রয়েডের ইডিপাল কমপ্লেক্স -- জিরার সামাজিক প্রতিদ্বন্দিতা
    ফ্রয়েডের স্কেপগোট ও আদি হত্যা -- জিরার সামাজিক হিংসাতত্ত্ব ও ইকুইলিব্রিয়ামে আসা

    মিল আছে কিন্তু ফ্রয়েডের মূল তত্ত্ব গুলোকে বদল ঘটিয়ে সামাজিক অবস্থার বিশ্লেষণ করা হয়েছে। কিন্তু ফ্রয়েডের লেখায় এই দিক তো ছিল, নিজেই করেছিলেন যে ওনার তত্ত্বর মূল ব্যাপারগুলো দিয়ে সামাজিক সংঘর্ষ বা সামাজিক সংগঠনের ব্যাখ্যা। ফলে ফ্রয়েডের তত্ত্বকে এক্সটেণ্ড করে সামাজিক ব্যবস্থার ব্যাখ্যা জিরা করতে পেরেছেন।

    মার্ক্সের তত্ত্বরও মনে হয় ক্রিটিক আছে জিরা তত্ত্বে, মার্ক্স অনুযায়ী সামাজিক অস্থিরতার মূল কারণ হল, রিসোর্স কিছু লোকের কাছে, তারাই কন্ট্রোল করে কিন্তু জিরারে মূল ব্যাপারটাই হল ঐ ডিজায়ার, রিসোর্স কন্ট্রোল ও তজ্জনিত অসাম্য নয়। এরকম মনে হল। ডিজায়ার কেন পূরণ হচ্ছে না কারণ কিছু লোকে রিসোর্স কন্ট্রোল করছে সেরকম বললে ব্যাপারটা মার্কসিস্ট হয়ে যাবে। তবে এখানেও মনে হয়, মার্ক্সের লেখায় রিসোর্স আর মানুষের চাহিদা সম্বন্ধে যা বলা হয়েছিল, সেসবকে সম্প্রসারিত করা হয়েছে।

    ১৯৬০- ৭০ এর দশকে ফ্রয়েড (এবং মার্ক্সের, এবং নীৎসের) তত্ত্বর বেসিক দিকগুলোকে ব্যবহার করে, সেগুলো ভাল করে পড়ে কিন্তু সেগুলোকে এক্সটেণ্ড করে ফরাসী দেশে তত্ত্ব তৈরী হয়েছিল। জিরার রাস্তা কিছুটা সেটা, ফ্রয়েড ও মার্ক্স ক্রিটিক করে এক্সটেন্ড করেছেন।
  • %% | ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২০:৫৬738279
  • হ্যাঁ জিরা মূলত ধর্ম সাহিত্য নৃতত্ব এবং সাইকোলজি কাটাছেঁড়া করে, এগুলির নানা জিনিস জুড়ে মিমেটিক থিওরি বানিয়েছিলেন। এখন সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে সবথেকে বেশি ব্যবহার হয় সেলস আর মার্কেটিংয়ে। স্কেপগোট নিয়ে একটা আলাদা বই আছে। আর একটা বই আছে মনে হয় ধর্মে হিংসার ভূমিকা নিয়ে। এগুলো আরো আগে লেখা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে মতামত দিন