জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচন গতকাল.....?.... সাঙ্গ হলো। রাজনৈতিক দল ও ভোট দানকারী র তুলনায় অনেকটাই ফ্যাকাশে আলোয় ভোট কর্মীরা যাঁদের অমানুষিক পরিশ্রম ছাড়া এই রঙ্গ সম্ভবই হতনা। এদের মধ্যে একটা বড় অংশ মহিলা। পিঠে নিজেদের প্রয়োজনীয় সামগ্রীর ব্যাগ,সাথে ভারী ভারী ভোট মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম নিয়ে এদের হেঁটে যেতে দেখা গেছে, অপেক্ষা করতে দেখা গেছে, খবরের কাগজের ছবিতে খুব ছোট্ট ... ...
রাত্রি বেশ তাড়াতাড়ি পা চালাচ্ছিল। বাড়িতে বাবা একা আছে। রান্নাও কিছু করতে হবে। অমল তো আশা করা যায় নিখিল স্যারের সঙ্গে দেখা করে কথাবার্তা বলবে। সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই তো সামঞ্জস্যপূর্ণ একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছন যাবে। সাগরের বাড়িতে প্রত্যেক রবিবারই যায় রাত্রি। এই রবিবার যাওয়া হল না বাড়িতে লোক আসায়। এক মাসতুতো ভাই এসেছিল সস্ত্রীক। অনেকদিন ... ...
অনেক বিয়ার গেলা হয়েছিল। ফলে যা হয় সবাই খুব হাসছিলাম। হাসতে হাসতে মুখ লাল হয়ে গিয়েছিল। একটা পুরোনো বাড়ির অন্ধকাচ্ছন্ন ঘরে বিয়ারের আড্ডা। আমি ছাড়া বাকীদের তেমন চিনি না। একজন ছোলা ব্যবসায়ী ছিলেন এবছর যিনি ছোলা ডাবল দামে বিক্রি করে লাল হয়ে গেছেন। একজন মানুষের মাংস বিক্রেতা, ডাক্তার, প্রকৌশলী আর রাজনীতিবিদ। আলাদা আলাদা টেবিলে বিয়ার খেতে খেতে কি করে যেন একটা টেবিলে কখন ... ...
প্রতিটা ঘরের একটা আলাদা গন্ধ আছে,সেটা সেই ঘরের লোকে হয়তো বুঝতে পারে না,কিন্তু আমি পারি,আর পারে,যারা ওই ঘরের বাসিন্দা নয়।এই গন্ধ ওই ঘরের লোক,ঝরে পড়া পানির পরিমাণ,আনাচে কানাচে লুকিয়ে থাকা কীট-পতঙ্গ,এমনকি ঘরের আয়তন,বাতাস সবাই মিলে নির্ধারণ করে।প্রতিদিন পাল্টে যায় একটু,কিন্তু তাতেও মিল থাকে আগের দিনের সাথে।তখন মনে হয়,ঘরটা মানুষের মতো।ওরও নিজস্ব সত্ত্বা আছে,ওরও প্রাণ আছে হয়তো,আমরা জানতে পারিনি।ও কী খায়?মানুষের প্রাণ? ... ...
গর্বের মাস?- এই যে এই বিপুল পৃথিবী, নানা জায়গায় নানা মানুষ, নানা ধর্ম-সংস্কৃতি, নানা ধরনের মন মানসিকতা, সেই মিশ্রণে মিশে আছি আমি, আমরা; দিকে দিকে মানুষের দিগন্ত, জীবের চেতনার দিগন্ত নিয়ত উন্মোচিত হচ্ছে, আলো-অন্ধকার-ছায়ার খেলা চলেছে নিরন্তর আমাদের চিত্তলোকে। এখন পৃথিবীতে বড়ো সুখের সময় নয় সত্যি। জরতী পৃথিবীর অন্নপাত্র নিঃশেষপ্রায়, দিকে দিকে চিতার আগুনের হল্কা মুখে এসে লাগে, পোড়া মাংসের গন্ধে শ্বাস ... ...
অগত্যা রুচিরা গল্পের ঝাঁপি খুললো। ‘‘যতোদূর মনে পড়ছে, ললিত এই বাড়ীর ছোট ছেলে, বাসুদার সবচেয়ে ছোট ভাই, একটু আদরে বাঁদর, বিদ্যে ক্লাশ টেন পর্য্যন্ত। আমার সঙ্গে আলাপ সুমিত্রার বিয়ের সময়। আমি সুমিত্রার বন্ধু, তাই আমার যত্নআত্তির দায়িত্বটা ও নিজেই নিয়ে নিলো। পরিবেশনের সময় নিজে দাঁড়িয়ে থেকে আমার খাওয়ার তদারক করলো। মিষ্টি লাল দইএর হাঁড়ি থেকে সরটুকু উঠিয়ে আমার পাতে দিলো। ... ...
কাঁটাতারে কি সেতার তৈরী হয় সঙ্গীত এক ছন্দোবদ্ধ কোলাহল সাম্যের আধারে জীবন অকুতোভয় মৌন পাহাড়ে বেজে উঠছে দৃপ্ত মাদল। পরতে পরতে জীবন রয়েছে
একদিন বিকেলবেলা, ১৯৮৯ সালের সেদিন বুধবার, আমাদের পাড়া দিয়ে একটা মিছিল যাচ্ছিল। একজন লেখককের ফাঁসি চায়। কেউ তার সম্পর্কে জানে না। কিন্তু নামটা আমাদের কাছে অচেনা বিদেশী মনে হয় না। তো মিছিলটায় এমন পায়ের ধুলোর ঝড় উঠেছিল, আমি আর চোখে কিচ্ছু দেখতে পাচ্ছিলাম না। চোখ ডলতে ডলতে চেনা রাস্তা ছেড়ে বেপাড়ায় চলে গিয়েছিলাম আর সেখান থেকে শহরের বাইরে লোকালয় ছেড়ে জনবিরল একটা জায়গায় চলে আসি। আর তখন একটা ভাল্লুক ... ...
সুপ্রিয় খানিকক্ষণ চুপচাপ তাকিয়ে থাকল অমলের দিকে। তারপর বলল, ' অমল, তোর কি কোন ইনভলভমেন্ট আছে কোথাও? তাহলে আর কথাটা বাড়াব না ... ' ----- ' আরে না না ... আমার আবার কি ইনভলভমেন্ট ... ওসব কোন ব্যাপার নেই ... ' অমল কথাটা উড়িয়ে দিল। সুপ্রিয় মাথা নেড়ে বলল, ' তা বললে হবে না ... ব্যাপার একটা আছেই। সে যাই হোক ... পার্সোনাল ব্যাপারে আমি ঢুকতে চাই ... ...
আমাদের মেসবাড়িতে যদি কেউ আমার খোঁজ করতে এসে সিঁড়িঘরে একটা চিতাবাঘকে দেখতে পান তো ভড়কে যাবেন না যেন। একটা তোষকের উপর চিতাটা পড়ে পড়ে ঘুমায়। কেউ এলে চোখ মেলে কুটিল চোখে একপলক চেয়ে দেখে কেবল। তারপরই মৃদু নাকডাকার শব্দ পাওয়া যায়। আজ পর্যন্ত কাউকে কামড়ে দিয়েছে এমন রেকর্ড নেই।আমাদের বাড়িওয়ালা এখানে থাকেন না। কোথায় থাকেন আমরা কেউ জানি না। তার অবর্তমানে চিতাটাই বাড়ির মালিক। আমাদের ধারণা ... ...
১ লরিটা চলে যাওয়ার অনেকক্ষণ পর অবধি ধূলোগুলো থাকলো। রোদ্দুর মাখল। তারপর আর থাকল না। সবাই কি মাটিতে ঝরে পড়ল? কিছু পড়ল ইন্দ্রনীলের কালো চশমার উপর। ইন্দ্রনীল মুছল না। ইন্দ্রনীল কোনদিন মুছবেও না। অরুপ যেখান থেকে বাইকের গতি বাড়াল ইন্দ্রনীল খুব কাছেই ছিল তার। কাদা ছিটকে পড়ল ইন্দ্রনীলের কালো চশমায়। আগের দিন বৃষ্টি পড়েছে। তিনদিন হয়ে গেল, ইন্দ্রনীল নড়েনি, পড়েই আছে ওখানে। অরুপ দেখতে ... ...
যদি ভালোবাসা আর বেদনা বিক্রি করা যেতো, তাহলে আমিই সবচেয়ে ধনী হতাম। কিন্তু বিক্রি সম্ভব নয় বলে ;আমি আরো ধনী হয়ে গেছি। যেমন করে গণতন্ত্র বিক্রি হয়!..আমরা সে'ভাবে বিক্রিত পণ্য না... কিন্তু সেই আমি ছাড়া ; সেটা আর কেউ
".... কোন মেল দেখতে না চাইলে এই লাইনগুলিতে ক্লিক করুন !" অন্যমনস্কতায় বmওইখানটাতেই আঙুল ছুঁইয়ে ফেললাম। ব্যস ! "আপনার এই ইমেইল আইডিতে আর কোন নোটিফিকেশন যাবে না "। বার্তা এসে গেল ! জমে থাকা নোটিফিকেশনগুলো পড়া শুরু করেছিলাম। এবার কি হবে ! দেখুন না কিছু কায়দা কানুন করা যায় কিনা ! ... ...
গল্প ## পুঁজিবাদী পেরেক আর ৩য় বিশ্বের যীশু ## দেবাশিস সরকার। । এক। । রূপম বললো,"নোয়া হারারি'র লেখা ' একুশ শতকের জন্যে একুশটি উপদেশ' বইটা পড়েছিস ? তুই তো লিখিস টিখিস, তাই এই কৌতূহল।"ভ্রূক্ষেপ না করে নির্ঝর ব্যাজার মুখে টুম্পাকে বলল,"দেখলি টুম্পা! রাস্তায় আসতে আসতে তোকে এই স্টাইলটার কথাই ... ...
জনসংখ্যার প্রশ্নে কিছু নতুন চিন্তা উকিঝুঁকি মারছে। দ্বিতীয় দফার তিনমাসের মধ্যেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী জনসংখ্যা নিয়ে চিন্তা প্রকাশ করেছেন। লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে তিনি জানান 'আমাদের জনসংখ্যার যে বিস্ফোরণ তা নিয়ে চিন্তা করতেই হবে।' তিনি আরও বলেন যে এটি আমাদের উন্নতির পথে প্রধানতম বাধা। কথা হলো যে, এই চিন্তাধারা আসামে ভ্রুন অবস্থায় ছিলো দুবছর আগে। এখন এটি পূর্ণবয়স্ক যুবকের আকার নিয়েছে উত্তরপ্রদেশে, যেখানে যোগী ... ...
লন্ডনে হেস্টিংসের অনাচার, অত্যাচার নিয়ে বিচার সভা বসেছে। হেস্টিংসের বিপক্ষে ৪৮ ঘন্টা ধরে বক্তৃতা করেছেন প্রখ্যাত বাগ্মী এডমন্ড বার্ক। বক্তৃতায় সবাই হেস্টিংসের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এমন সময় হেস্টিংসের উকিল উঠে বললেন, আমি শুধু সামান্য একটা কথাই বলব। হেস্টিংস যদি এত খারাপ, তবে ভারতের সেরা জায়গা বারাণসী-- সেখানকার ব্রাহ্মণরা কেন হেস্টিংসের নামে মন্দির গড়েছেন? সবাই চুপ। অকাট্য যুক্তি। এডমন্ড বার্ক বললেন, এই বক্তৃতার জন্য আমি গত দু বছর ধরে ভারতের জনজাতি, ধর্ম, লোকাচার, সংস্কৃতি ... ...
আজকাল প্রচুর ছেলেমেয়ে প্রথম চাকরি পেয়ে হাতে কিছু টাকা আসতেই একটা শেয়ার ট্রেডিং একাউন্ট খুলে ফেলে। মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সহজেই খুলে ফেলা যায়, তারপর এদিক ওদিক থেকে টিপ্সের সাহায্যে শেয়ার ট্রেডিং করে। বুল মার্কেট থাকলে টুকটাক প্রফিটও হয়ে যায়, কিন্তু মজার ব্যাপার হল শেয়ার বাজারে প্রচুর ট্যাক্স! ওই দশ কুড়ি পঞ্চাশ হাজার দিয়ে ট্রেডিং করলে কাজের কাজ কিছু হয়না। এমনি কেনাবেচার ওপর ট্যাক্স, দিনের দিন কিনে বেচলে আলাদা ট্যাক্স ... ...
ময়ূর সিংহাসন বা তখত তাউস মোগল বাদশাহ শাহ জাহান কর্তৃক নির্মিত একটি সিংহাসন। একে দুনিয়ার সবচেয়ে দামী সিংহাসন হিসাবে দাবি করা হয়। বাদশাহ শাহজাহানের সিংহাসনের সংখ্যা ছিল ৭টি এবং এগুলোর মধ্যে ময়ূর সিংহাসনই ছিল সবচেয়ে দামী ও জমকালো। প্রায় আট বছর ধরে তখনকার আট কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়। আগ্রার তাজমহলের চেয়েও বেশী অর্থ ব্যয়ে নির্মাণ করা হয় সিংহাসনটি। এটি ছিল স্বর্ণ, দুর্লভ হীরা ও মরকত মণিখচিত। বিশ্ব ... ...