এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • ললিত কলা

    Sabita Sen লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ জুন ২০২৪ | ১৩১ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • বাসু চৌধুরির বসার ঘর থেকে তুমুল হাসির হট্টগোল শোনা যাচ্ছে। সেখানে এক ঘর মহিলা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বসে আছে, বিভিন্ন বয়সী। বাসু চৌধুরীর বউ সুমিত্রা, ওদের ছেলের বউ কেতকী, তার বোন সোনা। এছাড়া সুমিত্রার দুই বান্ধবী – ইরা আর বনলতা। আরও একজন আছেন যিনি আধঘণ্টা আগেই কলকাতা থেকে এসে পৌঁছেছেন। তিনি সুমিত্রার স্কুল জীবনের অতি ঘনিষ্ঠ বন্ধু – রুচিরা। একদা অতীব সুন্দরী এবং সপ্রতিভ। তিনিই আজকের আড্ডার মধ্যমণি। ওকে উপলক্ষ্য করেই আজকের জমায়েত।
    রুচিরা একে একে সব পুরোনো বন্ধুদের খবরাখবর নিতে লাগলো। অনেকদিন বাদে পুরোনো বন্ধুদের সঙ্গে দেখা। যাদের সঙ্গে দেখা হোলো না তাদের কথা মনের মধ্যে ভীড় করে আসছে। সুমিত্রাকে প্রশ্ন করে, ‘‘তপতীর কি খবর? ও কি এখনও বিদেশেই আছে? অসীমের তো ক্যান্সার হয়েছিলো, এখন কেমন আছে?’’
    সুমিত্রা জানালো, ‘‘বিদেশে চিকিৎসার পর এখন ভালো আছি।’’ এবার ইরা মুখ খুললো, – ‘‘রুচিরা, একটা কথা বলবো, কিছু মনে করবি না তো? তোর তো অনেক হতাশ প্রেমিক ছিলো। সবাইকে টপকে তুই তো অমিতাভকেই বিয়ে করলি। সেই তারা সব কেমন আছে? দেখা হয় তাদের সঙ্গে?’’
    ‘‘ – নারে, কারো সঙ্গেই দেখা হয় না। লোকমুখে কারো কারো খবর পাই। রথীন তো আমেরিকায় পাকাপাকি ভাবে বাস করছে, মেমসায়েব বিয়ে করেছে। আমাদের সেই রথীন – চাকদার গণ্ডগ্রামের ছেলে, এখন পাক্কা সাহেব। শুনেছি, অতীনের প্রথম বিয়েটা ভেঙ্গে গেছে। আবার বিয়ে করেছে। দুই পক্ষ মিলিয়ে ওর ছয়টা বাচ্চা।’’
    ‘‘সেকিরে, ছয়, ছটি বাচ্চা!’’ হেসে গড়িয়ে পড়লো বনলতা। আমরা তো, একটি দুটিতেই হয়রান!’’
    মেয়েদের কলতানে আকৃষ্ট হয়ে ড্রইংরুমে এবার বাসু চৌধুরীর প্রবেশ। ‘‘কি ব্যাপার? এতো হাসি কিসের?’’
    ‘‘বাসুদা, আমরা রুচিরার পুরোনো হতাশ প্রেমিকদের কথা বলছিলাম।’’
    ‘‘আরে একসময় তো আমিও সেই দলে ছিলাম। আমার বৌ কোথায় রে? শুনতে পায়নি তো?’’
    মেয়ে দঙ্গলের মধ্যে থেকে বৌ চেঁচিয়ে বললো, ‘‘না না, আমি কিছু শুনতে পাইনি।’’ আর এক প্রস্থ হাসির রোল উঠলো। বাসুদার বেশ মুড এসে গেছে মনে হয়। - ‘‘কি বলবো আর, একদিন জানতে পারলাম, আমার ছোটভাই, হতচ্ছাড়া ললিতটাও নাকি সেই লাইনে আছে। অগত্যা জায়গা ছেড়ে বেরিয়ে এলাম।’’
    রুচিরার হঠাৎই মনে পড়লো ললিতের কথা। বললো, ‘‘বাসুদা, ললিতের খবর কি? কোথায় আছে? কেমন আছে?’’
    বাসুদা – ‘‘ভালো আছে। বিয়ে করে কাচ্চাবাচ্চা নিয়ে সুখে ঘরসংসার করছে।’’
    রুচিরা – ‘‘ও কি চাকরী করে? কোথায় করে?’’
    বাসুদা – ‘‘না, ও স্বাধীনভাবে নিজে ব্যবসা করে।’’
    রুচিরা – ‘কিসের ব্যবসা?’’
    বাসুদা – ‘‘বাজারের সবচেয়ে বড় মুদি দোকানটার মালিক হচ্ছে ললিত।’’
    ইরা – ‘‘রুচিরা, আমরা তো ললিত সম্পর্কে কিছুই জানি না। তুই কিছু বল ওর সম্পর্কে।’’
    - ‘‘তোমরা বলাবলি করো, আমি ততক্ষণে একটা দরকারী কাজ সেরে আসি’’ - বলে বাসুদা চলে গেলো।
    অগত্যা রুচিরা গল্পের ঝাঁপি খুললো। ‘‘যতোদূর মনে পড়ছে, ললিত এই বাড়ীর ছোট ছেলে, বাসুদার সবচেয়ে ছোট ভাই, একটু আদরে বাঁদর, বিদ্যে ক্লাশ টেন পর্য্যন্ত। আমার সঙ্গে আলাপ সুমিত্রার বিয়ের সময়। আমি সুমিত্রার বন্ধু, তাই আমার যত্নআত্তির দায়িত্বটা ও নিজেই নিয়ে নিলো। পরিবেশনের সময় নিজে দাঁড়িয়ে থেকে আমার খাওয়ার তদারক করলো। মিষ্টি লাল দইএর হাঁড়ি থেকে সরটুকু উঠিয়ে আমার পাতে দিলো।
    আমি যতো বলি – ‘‘না, না, আমি এতো খেতে পারবো না – কে শোনে কার কথা। সুমিত্রা, বাকিটা তুই বল।’’
    সুমিত্রা একটু এগিয়ে এসে বসলো। - ‘‘আমার দেওরটা বুঝলি, একটু রোমান্টিক গোছের। ওর গায়ের রঙটা একটু চাপা – কিন্তু চোখে মুখে বুদ্ধির ছাপ, কথাবার্তায় চৌখস। পোষাকে ছিলো খুবই সৌখীন। পায়ের চটি থেকে মাথার ক্যাপটি পর্য্যন্ত সব ঝকঝকে সাদা। সুন্দরী মেয়েদের বড়ই পছন্দ করে। হৃদয়ে চিরবসন্ত।
    ‘‘যাই হোক, আমার বিয়ে শেষ হোলো, কিন্তু ললিতের মনে রুচিরাকে নিয়ে আগ্রহ শেষ হোলো না।
    ‘‘ততোদিনে রুচিরার বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, অমিতাভর সঙ্গে। ঘটা করে আশীর্বাদ অনুষ্ঠান করছেন রুচিরার বাবা মা। সেখানে নিমন্ত্রিত হয়ে এলো রুচিরা আর অমিতাভ, সঙ্গে ললিত। আনুষ্ঠানিক ভাবে আশীর্বাদপর্ব শেষ হলে, চলতে লাগলো খাওয়া দাওয়া, গল্প, গান। এরই মধ্যে ললিত রুচিরার সঙ্গে একান্তে একটু কথা বলে নিলো।
    ‘‘আমাকে কি আপনার খুব অযোগ্য বলে মনে হয়? আমি কিন্তু আপনাকে ভালোবাসি – প্রথম দিন থেকেই।’’
    রুচিরার হতভম্ব ভাবটা কাটতে একটু সময় লাগলো। তারপর গলা ঝেড়ে বললো, ‘‘ইয়ে, মানে – আপনার একটু দেরী হয়ে গেছে। আমার বিয়ের পাত্র এবং দিনক্ষণও স্থির হয়ে গেছে। দেখছেন তো সবকিছু।’’
    ‘‘আমি দেরীতে এসেছি এটা আমার অপরাধ নয়। আমি এগিয়ে আছি ভালোবাসা আর একনিষ্ঠতার জোরে। আপনি আমাকে ফিরিয়ে দিলে, আমার জীবনটা শেষ হয়ে যাবে।’’
    রুচিরা একটু মুচকি হেসে বললো, ‘‘কিচ্ছু শেষ হবে না। আপনার দিব্যি একটি লাল টুকটুকে বউ হবে। সুখে জীবন কাটবে। এখন ওদিকে চলুন। কে যেন গান গাইছে, শুনতে হবে।’’ ললিতের দিবাস্বপ্ন ভেঙ্গে খান খান।
    সোনা বাচ্চা মেয়ে, কৌতুহল বেশী – ‘‘রুচিরাদি, তোমার সঙ্গে ওর আর কখনো দেখা হয়নি?’’
    উত্তরটা দিলো সুমিত্রা – ‘‘হয়নি আবার! বিয়ের আগে রুচিরা একটা স্কুলে পড়াতো। রিক্সা করে স্কুলে যাবার সময় প্রত্যেকদিন ও দেখতে পেতো, ললিত কয়েকজন বন্ধু নিয়ে লীচুতলার মোড়ে দাঁড়িয়ে আছে – ওর দিকে তাকিয়ে আছে অনিমেষ নয়নে। বন্ধুগুলো মাঝে মাঝে কিছু সরস মন্তব্য ছুঁড়ে দিতো।
    এভাবে চলতে চলতে একদিন রুচিরার বিয়ের দিনটি এসে গেলো। বিয়ে হয়ে গেলো অমিতাভর সঙ্গে – যে ছিলো ওর বন্ধু, সহপাঠী এবং প্রেমিক। ওরা সংসার পাতলো বোম্বাই, মানে আজকের মুম্বাইতে।
    তারপর সংসারের জটিল আবর্তে কে যে কোথায় ছিটকে গেলো – সেই খবর আর রাখা হয়নি।
    এতো বছর বাদে – সবার চুলে রূপোলী রেখা, মুখে চোখে অভিজ্ঞতার ছাপ। পুরোনো দিনের কথা, পুরোনো বন্ধুদের স্মৃতি – মনে হলে বুকের মধ্যে এক অচিন সুর বাজতে থাকে।
    সবাই চুপচাপ রুচিরার কথা শুনলো। বনলতা নীরবতা ভঙ্গ করলো – ‘‘সুমিত্রা, তোমার ছোট দেওরের সঙ্গে আমরা পরিচিত হতে চাই। ওকে এখানে ডাকলে কেমন হয়?’’ সব মেয়েরা সমস্বরে প্রস্তাবটি সমর্থন করলো। সুমিত্রার মুখে চোখে একটু দুষ্টুমি। বললো, - ‘‘ডাক পাঠাই। দেখি আসে কিনা।’’ এবং ডাক পাঠানো হোলো।
    ততক্ষণে মহিলারা সবাই একথা সেকথা – তারপর চা সহযোগে চালতার আচারের জটিল রেসিপি নিয়ে আলোচনা করতে লাগলো। কারণ সুমিত্রার বাড়ীতে একটি ফলবতী চালতা গাছ আছে – ও সব বন্ধুদেরকে একটা করে চালতা উপহার দেবে বলেছে।
    এই সময় ভেজানো দরজার পেছনে চটির শব্দ হোলো। ঘরের সবাই সচকিত। একজন মাঝবয়সী ভদ্রলোকের প্রবেশ ঘটলো। গায়ে একটা চকরাবকরা হাওয়াই শার্ট, আধময়লা পাজামা, মাথায় মৃদু টাকের আভাস। চোখে মুখে অবশ্য সেই পুরোনো সপ্রতিভ ভাবটি এখনও বজায় আছে। প্রথমটায় একঘর মহিলা এবং একটি নতুন মুখ দেখে একটু হকচকিয়ে গিয়েছিলো বটে, তারপরেই সামলে নিলো।
    সুমিত্রা খুশী মনে ডাকলো, - ‘‘এসো ললিত, ভেতরে এসো। আজ তোমাকে আমরা একজন নতুন মানুষের সঙ্গে আলাপ করাবো বলে ডেকেছি।’’
    ললিত নতুন মানুষটির দিকে ভালো করে তাকালো – মাথায় রুপোলী ছোপের সঙ্গে চওড়া সিঁদুর, হাতে শাঁখাপলা, পরনে দামী জামদানী শাড়ী, ফরসা মুখে হালকা লিপষ্টিক। ভাবলো, কে এই বয়স্কা সুন্দরী? ওর অবস্থা দেখে সুমিত্রার দয়া হোলো – বললো, - ‘‘ইনি আমার স্কুলবেলার বন্ধু। অনেকবার এসেছেন আমাদের বাড়ীতে।’’ এবার রুচিরার দিকে বললো, ‘‘ও হচ্ছে ললিত, আমার ছোট দেওর।’’
    এসব শুনে ললিত আর দেরী না করে রুচিরার কাছে এসে, নম্রভাবে ওর পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলো। সারা ঘর নিশ্চুপ ... কয়েক মুহূর্ত সময় নিলো, হাসির বোমাটা ফাটতে। তারপর হাসির অট্টরোল। এর মধ্যেই সদা সপ্রতিভ ললিত বোকা মুখ করে দাঁড়িয়ে আছে। ভাবছে গোলমালটা কোথায়?
    সুমিত্রা হাসি সামলে বললো, ‘‘ললিত ও তো আমার বন্ধু রুচিরা। যার বিয়ের পরে তুমি গলায় দড়ি দেবে ঠিক করেছিলে। চিনতে পারলে না তো?’’
    আবার হাসির ঝর্ণা – সে হাসি আর থামতেই চায় না। ললিত আস্তে আস্তে ঘর ছেড়ে লাগোয়া বারান্দায় চলে গেলো, মনে পড়ে গেলো সব পুরোনো কথা। এই বোকা বোকা কাণ্ডটা কিভাবে যে সামাল দেবে ভেবে পাচ্ছে না।
    এবার এইসব আনন্দিত মহিলারা আড্ডা শেষ করে উঠতে শুরু করলো। বিদায় পর্বে যথারীতি আবার দেখা হবার প্রতিশ্রুতি। বারান্দা পার হয়ে সবাই পাঁচধাপ সিঁড়ি দিয়ে রাস্তায় নেমে আসছে। সব শেষে আসছিলো রুচিরা। বারান্দার গ্রীল ধরে দাঁড়িয়ে থাকা উদাস ললিত এবার এগিয়ে এলো ‘‘রুচিরা, আমি কিন্তু আজও তোমায় ভালোবাসি। তোমার মোবাইল নাম্বারটা আমাকে দেবে?’’ কথাটা সবার কানেই গেলো – সবাই স্তম্ভিত। হাসির ঝর্ণাটা শুকিয়ে গেছে মনে হচ্ছে। কারো মুখে কোন কথা নেই। একটা রূদ্ধশ্বাস পরিবেশ।
    এর মধ্যে দমকা ঝোড়ো বাতাসের মতো এক সুন্দরী নারীর প্রবেশ। বাজখাঁই কণ্ঠস্বর সপ্তমে – ‘‘আচ্ছা, তুমি তাহলে এখানে – সুযোগ পেয়েই একপাল মহিলার মধ্যে সেঁটে গেছো। বাড়ী চলো।’’ ললিত একবার রুচিরার দিকে কাতর চোখে তাকিয়ে, বউ এর পেছন পেছন প্রস্থান।
    মহিলারা সবাই একটু মুচকি হাসলো।
    - সবিতা সেন
    ২০.০৫.২০২৪
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে প্রতিক্রিয়া দিন