তুমি তো বিজ্ঞান পড়ো একমনে ওরা মন্ত্রপড়ে চিৎকার করে তুমি বলবে এ বিশ্ব স্থির নয় ঘোরে ওরা হেমলক নিয়ে তৈরি। ব্রহ্মান্ডের রহস্য উন্মোচনে তোমার সাধনাওদের হাঁড়িতে শুধু ধর্মই সেদ্ধ হচ্ছে তুমি জ্যোর্তি বিঞ্জানের কথা বললে ওরা জ্যোতিষ বিদ্যার কথা আওড়ায়। তবু তোমার আবিষ্কার যুদ্ধাস্ত্র হয়ে
কাট মানি না তোষণ কিসের ভিত্তিতে OBC?তৃণমূল জমানায় দেওয়া রাজ্যের সমস্ত ওবিসি সার্টিফিকেট বাতিল করে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি ভুক্তদের সংরক্ষণের সুবিধা দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারের তরফে যে শংসাপত্র দেওয়া হয়, তা-ই হল ওবিসি সার্টিফিকেট। বুধবার কলকাতা হাই কোর্ট জানিয়েছে, এই রায় ঘোষণার পর থেকেই বাতিল হওয়া শংসাপত্র আর কোনও চাকরি প্রক্রিয়ায় ব্যবহার করা যাবে না। হাই কোর্টের এই নির্দেশের ফলে ... ...
এখন কেমন মন খারাপের কথা ম্লেচ্ছ টেচ্ছ ছোঁয়াচ বাঁচানো ঘৃনা ধর্মের নামে শ্মশান ধোঁয়ানো লাশ প্রশ্নটা ছিল মন ভালো হবে কবে? মন ভালো হওয়ার জন্য চাই এক পশলা হাস্নুহানা বৃষ্টি, এক পলাশ বসন্ত দামাল হাওয়া আর একমুঠো শিউলি রোদ্দুর! এসব এখন স্বপ্ন! আমরা এখন আমাদের চারিদিকে ছড়িয়ে থাকা জালে নিত্য নতুন ফাঁদে ... ...
- চিনির সাথে জল মিশিয়ে গরম করি। - একটু গাঢ় হলে বাসী ভাত মিশাই। - শক্ত হলে বাটিতে ভরি। গোল বাটিতে। - সকালে কেকের মত লাগে। - ছেয়েটো খুব পসন্দ করে। চটের হাটের স্টেশনে নেমে কিছুদূর হাঁটলেই গঙ্গা চা বাগান। তেরো বছরের
কথামৃতের প্রথম সংস্করণ বেরিয়ে যাবার পর উনিজি তখন হেবি বিখ্যাত। নানা জায়গায় ডাক পাচ্ছেন। কখনও হিন্দুমতে সাধনা করছেন, কখনও সেকুলার অবতারে। পাঞ্জাবে গিয়ে পাজি হলেন, পাকিস্তানে গেলে গাজিও হয়ে যেতে পারেন। বেনারসে ভক্তিমার্গ, হোয়াটস্যাপে জ্ঞানমার্গ। কিন্তু ভক্তদের ঠিক শান্তি হচ্ছেনা। এত সাধনা, কিন্তু মানুষের মনে তেমন প্রভাব নেই। কেউ আর ল্যাজ লাগিয়ে হুপহাপ করছেনা। মানুষকেই যদি উদ্বুদ্ধ করা না যায়, তো লাভ কী। উনিজি এসব শোনেন ... ...
গুরুচণ্ডা৯-র অসম্পাদিত বিভাগে (খেরোর খাতা বা হরিদাস পাল) ধর্মীয় মেরুকরণের প্রচারণামূলক, হিংসায় উস্কানি ও স্প্যাম সম্বলিত পোস্ট করবেন না।
মানুষ কেন নিরুদ্দেশ হয়ে যায়, বলা কঠিন। অনেক দুঃখকষ্ট, অনেক অভিমান বুকের মধ্যে সে পুষে রাখে। তারপর এক দিন কোথায় যেন চলে যায়। দূর থেকে সুদূরে। হয়তো দিকচক্রবাল ছাড়িয়ে কোনো অজানা জায়গা তার গন্তব্য। বাড়ির লোক কিছু দিন খোঁজে। পুলিসের কাছে যায়। মিসিং পার্সনস স্কোয়াড সক্রিয় হয়ে ওঠে। কাউকে কাউকে বাড়ি ফেরানো যায়। কাউকে কাউকে কোনো দিনও খুঁজে পাওয়া যায় না। বাড়ির লোক এক সময় হাল ছেড়ে দেয়। মিসিং পার্সনস স্কোয়াডে গিয়ে আর খোঁজ নেয় না। ফাইলে ধুলো জমে। সবাই তাকে ভুলে যায়। শুধু ভুলতে পারে না হারিয়ে যাওয়া মানুষটির সবচেয়ে প্রিয়জন। রাতে শুয়ে শুয়ে বিনিদ্র মা অপেক্ষা করে, দরজায় ... ...
অল্পেতে খুশি হবে অর্জুন সিং কি?চাই তার ছাতু আর ঘিয়ে ভাজা নিমকিসারাদিন খাই খাই সকালে লিট্টি চাইদুকেজি জিলিপি খেয়ে উনিজিকে বলে ভাইজোগাড় করতে পার অশ্বের ডিম কি?সবকিছু পারি আমি, বলল জুমলাবাজমাঠে যে গোমাতা চরে, তারাই পক্ষীরাজগোবরই ঘোড়ার ডিম, দেখছনা শিং কি?সে ঘোড়ার ডিম তার পেটে আর সইলনাসেই দিন থেকে মনে সুখ আর রইলনাসবই হজম হবে এত বড় ভিম কি?সাথে ছিল ছোলাভাজা আর ... ...
রাত্রি যাদবপুরের দিকে একটা স্কুলে চাকরি পেয়েছে। সামনের সোমবার জয়েনিং। রাত্রি রবিবার সকালে সাগরের বাড়িতে গিয়ে খবরটা দিল। সরযূদেবী তো আহ্লাদে আটখানা। সাগর বলল, ' প্রথমদিন আমি পৌঁছে দিয়ে আসব কিন্তু ... যাদবপুর অনেকটা রাস্তা ... ' ----- ' আচ্ছা ঠিক আছে, তাতে যদি তোমার শান্তি
২০ মে দিনটি সারা দুনিয়া জুড়ে বিশ্ব মৌমাছি দিবস হিসেবে পালন করা হয়। পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রে এই ডানাওয়ালা ছোট্ট নায়কের গৌরবজনক ভূমিকা রয়েছে। এই নিবন্ধটি সেই সমস্ত আন সাঙ্ হিরোদের উদ্দেশ্যে এক বিনম্র শ্রদ্ধাঞ্জলি। কোথা যাও নাচি নাচি ওপরের লাইনটা আজ সকালে হঠাৎই মনটাকে নাড়িয়ে দিয়ে গেল। সেই স্কুলবেলায় পড়া কবিতা। বেশ মনে পড়ে স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে এই ছড়াটির নৃত্যরূপ দিয়ে পরিবেশন করেছিল স্কুলের ... ...
১) হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরীতে চারখানা বই আছে যা মানুষের চামড়া দিয়ে বাঁধাই করা। ২) মাথাপিছু বই পাঠের শীর্ষে হলো আইসল্যান্ড। ৩) ব্রাজিলের কারাগারে একটি অদ্ভুত নিয়ম আছে! একখানা বই পড়লে হাজত বাসের মেয়াদ চার দিন কমে যাবে। ৪) যে সমস্ত মানুষেরা নিয়মিত বই
সুজাতা কাঁদে। কেন কাঁদে, জানে না। কাঁদার কি কারণ থাকতে পারে, কেঁদে কিই বা হবে, আদৌ কি এটা কান্না না কোনো নিশ্চুপ আর্তনাদ, সুজাতা জানে না। এটুকু জানে, মাঝে মাঝে খুব কষ্ট হয়। গলা শুকিয়ে আসে, নিঃশ্বাস স্তব্ধ হয়ে যায়। তখন চোখ ঠিকরে বেরিয়ে আসে জল, কোনো কারণ ছাড়াই হয়তো। কান্না অত যুক্তি মানে না। সুজাতা কাঁদে। নিঃশব্দে। রাতের কোলে, সবার অলক্ষ্যে। পাশ ফিরে দেখে ... ...
বিবাহ বিচ্ছেদ লেখক :- শংকর হালদার শৈলবালা। ◆ রানাঘাট শহরের কোলাহল মুক্ত এক নিরিবিলি পরিবেশে চূর্ণী নদীর তীরে মনোরম পরিবেশ তৈরি বিনোদিনী পার্কের বৃক্ষের ছায়া তলে ঘাসের উপর একজন যুবতী বসে ভাবে, অনীশ এখনো আসছে না কেন! কোন বিপদ হয়নি তো? ◆ একজন যুবক কালো রঙের একটি ব্যাগ কাঁধে নিয়ে হেলতে দুলতে যুবতীর পিছনে এসে বলে :- ঊর্বশী; দেরি করে আসার জন্য দুঃখিত, ব্যক্তিগত ... ...
মাদাদায়ো (Not yet) উল্লিখিত জাপানি শব্দটির অর্থ - না, এখনই নয়। আপনি কি প্রস্তুত? "লুকোচুরি খেলা চলে ষাট ছুঁলে খেলা চলতেই থাকে প্রত্যেক মৃত্যুর সংবাদ ডেকে বলে, রেডি? লুকোতে লুকোতে সে বলে
শুধু দুটি পিঠে, ছিল মোর মিঠে, বাকি দিয়েছিনু বেচে বাবু কহিলেন, বুঝেছ নরেন, ওটাও লইব চেঁছে। বলিলাম বেশ, এত সন্দেশ, আনন্দে খেল সবে তবু কেন পেটে, চাই আরও পিঠে, থামবে কোথায় তবে?রাজা বলিলেন, গোটা দুই তিন, খাবে তো রাজ্যপালই তাঁর তিন ভাই, সকলেরই চাই, কিছু কিছু পিঠেপুলি। ফ্রিতে কীবা মেলে, চ্যানেলে ... ...
বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ি। শ্বশুর শ্বাশুড়ি ননদ কিংবা দেওর মিলিয়ে ব্যস্ত পরিবারের অংশ।অথবা পরমাণু পরিবার। স্বামী স্ত্রী আর একটি সন্তান। স্বামী অফিসে। সন্তান স্কুলে। তাই সারাটা দিন একাকিনী। বাবার বাড়ি, ভাইবোনের সঙ্গ। স্কুল কলেজের বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা। সবই অতীতের সুখস্বপ্ন।অনেক পরিশ্রম করার পর চাকরি পেয়েছিলেন। সকাল আটটায় কোনক্রমে নাকে মুখে গুঁজে বেরিয়ে পড়েন। বাড়ি ফেরার কোনো নির্দিষ্ট সময় নেই। অক্লান্ত পরিশ্রমে ... ...
শীতকাল এসে পড়ল। নিতাইবাবু ভাবলেন সেবারের মতো সিঁথির বাড়িতে গিয়ে একদিন পিকনিক করলে হয়। আগের দুবার, একবার বর্ষাকালে, একবার শীতকালে, দুবারই খুব আনন্দ হয়েছিল। সেসব দু বছর আগের কথা। এর মধ্যে অবশ্য অনেক কিছু বদলে গেছে। তার ছেলেমেয়ে খানিকটা বড় হয়ে গেছে। শ্রীলেখার ওপর আগের মতো নিয়ন্ত্রণ আর নেই অঞ্জলির। তার একটা কারণ, নিতাইবাবু ... ...
*সানন্দ বনাম সিঙ্গুর প্রকৃত চাষিরা টাটার কারখানার বিরোধিতা চালিয়ে যাবার পক্ষে ছিল। এমনি এমনি হয়নি প্রতিরোধ। শুধু নেট ঘেঁটে সানন্দের সাফল্যের ডেটা অনেক পাওয়া যাবে কিন্তু তৃণমূল স্তরের বাস্তবতা বুঝতে হবে। রাজনৈতিক পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকলে কী হবে? কুড়ি হাজার পুলিশ কারখানা বানাবে, না চালাবে? কোনোদিন সরকারি ডেটা বেরোলে দেখা যাবে হয়ত অন্যত্র কোন অনুকূল পরিবেশে টাটার কারখানা ... ...
যেভাবেই হোক প্লিজপ্রেমে পড়ো তুমি, যদি মনের মতন পুরুষ বা নারী খুঁজে না পাও কোনো ক্ষতি নেই। মনের মতন কবিতার প্রেমে পড়ো গানের প্রেমে পড়ো, নাটকের প্রেমে পড়ো, নৃত্যের প্রেমে পড়ো, মনের মতন বাদ্যযন্ত্রের প্রেমে পড়ো, চিত্রকলার প্রেমে পড়ো, একটা জলভরা টলটলে নদীর প্রেমে পড়ো, একটা জলহীন শুকনো গাঙের প্রেমে পড়ো, একটা বাঘের মতো গর্জালোসমুদ্রের প্রেমে পড়ো একটা ঠাণ্ডা বরফ
*প্রচুর ভালো চাকরির ঢপশোনা গিয়েছিল মূল ন্যানো কারখানায় ৭২৯ টা চাকরি হচ্ছে। তেরোটা ভেন্ডার ছিল ন্যানো গাড়ির। তারা টায়ার ওয়ান আর তাদের তলায় আরো তিনটে করে স্তর। শেষের স্তরে আমার বাড়ির পাশের একটা ছোট কারখানা ছিল টায়ার ফোর ভেন্ডার। তাদের ছেলেগুলো এখন সাত আট হাজার মজুরি পায়। সতেরো বছর আগে পেত তিন চার হাজার। এই হল শিল্পায়নের ছক। বড় কারখানা মানে লাখ লাখ ... ...