ভোট বড়ো বালাই / রামনবমীর অপেক্ষায় থাকা গেল না তাই / শীতের মরশুমে হল প্রাণপ্রতিষ্ঠা / হায় রে পাপিষ্ঠ এই কী তবে নিষ্ঠা !
নির্গুণ স্বগুণ দো সে ন্যারা কহে কবীর সো রাম হামারা নির্গুণ স্বগুণ যে কোনটাই নয় বলে কবীর সে রামই মোর হয় আচার্য প্রশান্ত বলছেন বেদান্ত অবলম্বনে রামায়ন মহাভারত পুরাণাদি পড়তে। কাহিনীর ইঙ্গিতের আড়ালে
পাই না পাই না করে কি পাচ্ছি সেটা আর বুঝে ওঠা হয় নাচাই চাই করে কত কিছু পা মারিয়ে চলে যাই বুঝে ওঠা হয় না ভাল্লাগেনা ভাল্লাগেনা বলতে বলতে ভাল লাগার আরামটা কেমন বুঝে ওঠা হয় না
কে কে মুহম্মদ এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন মুসলিমদের বারানসি - মথুরা মসজিদ হিন্দুদের দিয়ে দিতে। তাঁর বক্তব্য আইন সম্মত নয়। উনি বোধহয় আইন ভাঙার কথাও বলছেন না। এ তর্কে নাক না গলিয়ে ওই সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় বিষয়টা নিয়ে কথা হোক আপাতত। ওনার প্রতিপাদ্য হল সনাতন হিন্দু ধর্মের
কলম্বাস যখন আমেরিকা পৌঁছালেন তখন ইউরোপ থেকে তিনি ৩টা জিনিস গিফ্ট হিসেবে নিয়ে গিয়েছেন। ১/ গান পাউডার২/ বাইবেল৩/ রোগজীবাণু ১৪৯২ থেকে ১৫৩৮ এই ৪৬ বছরে ইউরোপিয়ানরা যেখানেই গেছে সেখানকারই নেটিভরা মরে সাফ হয়ে গেছে। এই মৃত্যুর কারন যতোটা না গান পাউডার বা আর্টিলারি, তার চাইতেও বেশি সংক্রামক রোগ।
রাত্রি আর জি কর হাসপাতালে ঢুকে ইমার্জেন্সিতে খোঁজখবর করে সাগর যেখানে ভর্তি আছে, মানে সেই সার্জিকাল ওয়ার্ডের বিল্ডিং - এর সামনে এসে পড়ল। এখন তিনটে বাজে। ভিতরে ঢুকতে গেলে এখনও একঘন্টা অপেক্ষা করতে হবে। দু চারজন এদিকে ওদিকে দাঁড়িয়ে নিজেদের মধ্যে কি সব আলোচনা করছে। হয়ত আরও
রামবাবুর শ্রী চৌবাচ্চায় জলের ধর্ম উল্টো ওপর থেকে ওপরেই যায়,আছে অলীক ছিদ্র!-দশাননে জল নেই তাই রাগে আলবার্ট পিন্টো কেশব নাগের চৌবাচ্চায় নল গুলো দীন দরিদ্র!!
যে লোক নিজেকে বর্তমানের কবি বলে ঘোষণা করে, উচ্চকিত হুল্লোড়ে জীবন বাঁচে, কোনো দলে না থেকে ঠিক মাঝের সীমানায় দাঁড়িয়ে জীবন কাটাতে চায়, যে সচেতনভাবে নিজের ইমেজ তৈরিতে সময় দেয় না, যার শিল্পের মূল মাধ্যম শব্দ অথচ জীবনের শেষ তিরিশ বছর যার সঙ্গী নৈঃশব্দ্য — তার কথা, লেখা, গান, কবিতা, দর্শন মনে রাখার ক্ষমতা কোনো দরিদ্র, হুজুগে জাতির নেই। তবু, মৃত্যুর প্রায় অর্ধ-শতাব্দী পরে তার গানের সুরারোপ নিয়েই তরজায় নামে বাঙালি। তিনিও 'মিম' হন। ... ...
গণেশ পাত্র বিড়ি বাঁধা বন্ধ করে দোকানে ঝাঁপ ফেলার তোড়জোড় করছিল। সাগর কোনরকমে নিজেকে এনে ফেলল সেখানে। গণেশ চমকে উঠলেও অভ্যস্ত চোখে নিমেষে বুঝে ফেলল সবকিছু। কোন সময় নষ্ট করল না। ডাকাডাকি করে পনেরটা ছেলে জড়ো করে ফেলল তিন মিনিটের মধ্যে। কানু, মাণিক আর শম্ভু যখন খবর পেল সাগর ততক্ষণে অপারেশন টেবিলে। চল্লিশটা ছেলে ... ...
সশব্দে যেই পড়ে পাদুকার পাটি, থর থর ওঠে কেঁপে অযোধ্যা মাটি। দারোয়ান গেটে বসে ঢুলছিল টুলে, ত্রাহি রবে দেয় ছুট, লাঠিগাছা ভুলে। সচকিত জনতারা দেখে ছাদে বসে, দশানন বিড়ি জ্বালে কে জি এফ পোজে। হাঁক দেয় ধোঁয়া ছেড়ে বাজারের ভিড়ে, "রিভেঞ্জটা নিতে খালি এলাম যে ফিরে। রাজা হয়ে বিভীষণ বাঁধাল ক্যাচাল, রেশনেতে গুঁজে দিত যত ভুষিমাল। তাহাতে মন্দোদরি গুসসার চোটে ... ...
ছিল যখন সুখসাগরে ভাটার টান ঘুম পাড়াতে রক ব্যান্ড এর সেরা অ্যালবাম জিদ তখনও একই ছিল - জিততে হবে আবছা আলো ফুটলে শুরু সস্তা দর দিনের বাজার ব্যাগ ফুরোলেই বিকেল জ্বর এরপর জানি রাতের আসর বেশ জমবে জমতে জমতে জমাট যুগের ব্যর্থ প্রেম শ্রীজাত লেখে - বুকের ভেতর পাতালরেল... আমরা পড়ি, হিংসে করি, দূর্বা হতে থার্ড-কপি এক পা দুপা সন্ধ্যে রাখি ... ...
আড্ডা জমে বাউণ্ডুলের তল্লাটে কাব্য নয়, হাওয়ায় ভাসে খিস্তি-খেউড় কক্ষনো ঐ আড়াল পেতে নেশার মেঘ উল্টোডাঙার ন্যাঙটো ক্ষেপীর আমরা দেওর। কথা চাট্টি বেশ ক্যাজুয়াল তবুও কেমন রাত জেগে জমে ধুকপুকুনি একলা একলা থাকার এই বাওয়ালচাঁদনী রাতে চোখের জলে নাকানিচুবুনি। তোমার তখন কলেজ ক্লাস, রোজ দশটা উইকডে গুলো তাই বেঁধে নিই
দেখি চাঁদু ছাড়ো তো ওয়ালেট - ঘাবড়ে বুকে উঠছে পড়ছে ঢেঁকিপাঁচ ফুট পাঁচ কচ্চি বয়েস চকচকে পাত ছুরি হাতে দুজন সাথী। কি হোলো কি ছাড়ুন তো বাপু আমাদের কি কামধান্ধা নাই আর - মাথার মধ্যে বাজছে ভেঁপুহে ভগবান লজ্জায় হই শরমসার। দুদিন শুধু প্লেন সাদা ভাত তরকারি নাই থালার কোনায় ধারের বিড়ি প্রাণের নেশা কানা পকেট ... ...
চিলেকোঠার দুঃখগুলো হারিয়ে যাবে সীমিত ফ্ল্যাটে মনখারাপের সূক্ষ ধুলো পর্দা ছুঁয়েই ফিরবে পথে সন্ধ্যেবেলায় ঘরমুখো মন দিকভ্রান্তির শিকার হবে আমরা সবাই শহর হবো গেঁয়ো নামের দাগ ঘুঁচবে আঁধার বেছে জোনাক তবু জাদুর খেলায় ঠিক জ্বলবে আমরা সবাই শহর হবো নিয়ন আলোয় মুখ
সমাজতন্ত্র বা কমিউনিজম নিয়ে আমাদের ভালো না লাগা থাকতে পারে, মনের কোণে ঘৃনা থাকতে পারে, পছন্দ না করতে পারি কমিউনিজমকে, কিন্তু কোনো এক জাদুবলে লেনিন আপামর পৃথিবীবাসীর মনে চিরস্থায়ী হয়ে আছেন। যারা লেনিনকে বোঝেন তাদেরও আবার যারা লেনিনকে বোঝেন না তাদেরও। যারা 'লেনিন' বলেন তাদেরও আবার যারা 'লেলিন' বলেন তাদেরও। আজ থেকে একশো বছর আগে তিনি এই পৃথিবী ছেড়ে ... ...
জীবন যদি দুরন্ত বাইপাস প্রেম নিশ্চিত স্পিডব্রেকার হোঁচট মনে শিশিরভেজা ঘাসে ফালতু কথার গনগনে আঁচঘুম হয়েছে ষোলোয় ফারার ফুড়ুৎ ওড়া টিনেজে অভ্যেসে মনে হয় সব
ছদ্মনামের বিশেষত্ব খুঁজছি ঘড়ির কাঁটায় গুনছি ব্যস্ততা টোপরের সব মেটাফরে মূর্খামি বেকারত্বে সময়ের শঠতা.. আর যত রোম্যান্টিসিজম। হাতের পাঁচে পাঁচ হাত দুঃখ সমপরিমাণ ঘুম, গঞ্জনা। ক্রিটিসিজম এড়াতে একাত্ব.. আর রোজের প্রেম, ধাক্কাকত বা এড়ানো
চিঁড়েচ্যাপ্টা ভীড়েধাক্কা সয়ে গেছে সব প্রেমিকার তবু প্রেমিকের গায়ে জেলাসি তবু কিচ্ছুটি নাই করার... কি করবে ফক্কা পকেট..বাপের নাম হারাধন সয়ে গেছে সব, মিলেও যাবে উপোসী অঙ্কের সমীকরণ ক'বার লড়বেও