বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  লঘুগুরু

  • সাঁলো

    ঝর্না বিশ্বাস লেখকের গ্রাহক হোন
    লঘুগুরু | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৩১০ বার পঠিত
  • সাঁলো
    সেলুন এখন বদলে গেছে সাঁলো-তে...বদলেছে তার চেহারা ও সাজসজ্জাও।
    সেই ঝাঁ চকচকে সাঁলো-তে বসলেই আজকাল আমার মনটা বেশ ফুরফুরে হয়ে যায়। বেশ কিছুদিনের হ্যাঙওভার কাটাতে তাই মাঝে মাঝেই ঘুরে আসি ওখানে। 
     
    প্রথম যেদিন যাই বাইরে থেকে দেখছিলাম সাঁলোর একটি ছেলেকে সবাই ঘুরে ঘুরে দেখছে। স্বচ্ছ কাঁচের ওপার থেকেই ওকে দেখা যাচ্ছিল। বয়স বেশি না, তবে ওর চুলের কায়দাটাই ছিল আকর্ষনের বস্তু। কানের ওপর দিকটা মিলিটারি ছাট হলেও মধ্য তালুতে গুচ্ছ চুল আর তাতে একটা পুচকে ঝুঁটি ঠায় উঁচু পানে মুখ তুলে আছে। ছেলেটা ফোনালাপে ব্যস্ত ছিল। তাই আমি ঢুকতেই অন্য ডেস্ক থেকে একটা মেয়ে এগিয়ে এলো...
    ইয়েস ম্যাম...

    ওদের হেয়ারকাটের ডিটেইলস জানতে চাওয়াতে একটা মোটা ক্যাটালগ আমার হাতে ধরিয়ে বসতে বলল। আমিও নরম গদিতে তখন ধুপ করে বসে গেছি তবে চোখ আটকে গেছে দাম গুলোতেই। পাতা ওল্টাতেই খয়েরী চুলের মেয়েদের ছবিতে কী দারুন সব কাটিং...তবে এসব আমার চলবে?

    প্রশ্নটা উশখুশ করতেই মেয়েটা লেয়ার্স এর ছবি খুলে বলল,
    দিস ওয়ান উইল স্যুটস ইউ ম্যাম।

    আমি নিজেকে একবার বইয়ের গোলাপী মুখের মেয়েটার সাথে মেলাতে চাইলেও হলো না...যদিও শেষমেশ ওতেই রাজি হলাম। আমাকে বসতে বলে মেয়েটা ভেতরে গেল। ভেতরে অন্য চেয়ারে তখন বাকিরা চুল কাটছে। পাশের চেয়ারে ছোট একটা মেয়ে, তাঁর মা খুব যত্ন নিয়ে বুঝিয়ে দিচ্ছেন যেন ঠিকঠাক কাটা হয়।

    ওকে দেখে আমার ছোটবেলার কথা মনে পড়ে গেল। মনে পড়ল, পাড়ার সেই নাপিত কাকুকে যার হাতে থাকত একটা ভাঙাচোরা কাঠের বাক্স। তার ভেতরে নোংরা দু তিন চিরুনি, পুরনো কাঁচি, ক্ষুর সাথে একটা প্লাস্টিকের বাটিও। আর একটা কৌটোয় পাউডার পাশে পাউডার পাফ যার অবশিষ্ট টুকু শুধু ছিল। এইসব নিয়েই রবিবার সকালবেলা সে ঘুরে যেত সব বাড়িতে।

    ঐ কাকুকে দেখলেই খুব রাগ হত, কারণ কতবার যে সে আমাদের দুই বোনকে ন্যাড়া করে দিয়ে গেছে তার গুনতিটাও আজ মনে নেই। তাঁর মতে, যত বেশি ন্যাড়া, তত ভালো চুল। আর তখন মেয়েদের ভালো চুল মানে বিশাল ব্যাপার। এসব শুনে মা, ঠাকুমাও আর না করতেন না। কিন্তু মুশকিল হত আমাদের। তাই গরমের ছুটিতেই এই মহান কাজটি করা হত। তখন আমাদের না-এর কোন কদর ছিল না। সেন্টিমেন্ট কী বস্তু জানতামই না। বড়রা বলেছে তাই করতেই হবে।  তাই যথারীতি উঠোনে একটা পিঁড়ি পেতে বসতাম। নাপিত কাকু ঠাকুমার সঙ্গে গল্পে ঝুপ ঝুপ করে আমাদের চুলগুলো কেটে মহা আনন্দ পেত। তারপর পুরো সাফ হয়ে গেলে ফটকিরি ঘষে দিত টাকে। আমি পিঁড়ি থেকে উঠলে বোনের পালা। যদিও আমার নজর তখন ছেঁটে ফেলা চুলগুলোতে। দেখতাম সাবানের চিকিচিকি তখনও ওতে স্পষ্ট।

    কালো পোশাকের মেয়েটা ততক্ষণে আমাকে ফ্ল্যাশব্যাক থেকে টেনে বার করে পাশে এসে দাঁড়িয়েছে। হাতে ছোট্ট বিসলারি ধরিয়ে বলল,
    টি অর কফি ম্যাম?

    আমিও হাসিটি দিয়ে বললাম...  
    টি

    ও আমাকে বসিয়ে চলে গেল। ঐ ঠান্ডা ঘরে কী একটা ইংরাজিতে গান বাজছে। গায়ক কে চিনিনা, তবে শুনতে বেশ লাগছে। ঘরের আলো, গান সব মিলিয়ে আরো কিছুটা সময় গেল। চা খাওয়া হলো...
    এরপর দেখি একটা ছেলে এগিয়ে আসছে। নাম বলল, আফজল। ওই আমার হেয়ার কাট অ্যান্ড স্পা করবে।
    ছোটবেলা থেকেই চুল কাটা মানে এক অস্বস্তি তবে এবার সেটা হলো না। আমাকে ডিম্বাকৃতি কারুকাজের একটা বড় আয়নার সামনে বসিয়ে ও চুলের লেন্থ কতটা হবে জানতে চাইল।
    বললাম, দেখ এমন কাটো যে ইচ্ছে হলে যেন একটা ঝুঁটি হয়। হোক ছোট ক্ষতি নেই।

    আফজল বুঝে গেল। সামনের ড্রয়ার খুলে সাদা অ্যাপ্রন আমার গলায় এঁটে বলল,
    ম্যাম প্লিজ কাম দিস সাইড।
     
    ওর ইশারাতে দেখি বেসিনে লাগোয়া একটা কাত হওয়া চেয়ার যাতে আমাকে বসতে হবে আর মাথাটা ঢুকে যাবে বেসিনে।
    ও চুলের ওলোট পালট করে এক সুগন্ধী শ্যাম্পু দিয়ে কল চালিয়ে দিল। সুরসুর করে তার জল আমার মাথা ধুয়ে দিচ্ছে। আফজল মাঝে মাঝে কথাও বলছিল তবে আমি চলে গেছি অন্য জগতে...বেশ বুঝতে পারছিলাম, গত কদিনের কাজের বোঝা এই ঠান্ডা জলে কেমন ধুয়ে চলে যাচ্ছে।

    ও মাথার ওপর একটা সাদা তোয়ালে জড়িয়ে উঠে বসতে বলল চেয়ারে। এরপরেই দেখি অর্ধগোলাকার এক হেয়ার স্পা মেশিনে আমার মাথাটা ঢুকে গেছে। এভাবেই বসতে হলো কিছুক্ষণ...
    এরপর মেশিন সরিয়ে চুল আলুথালু করে দিল। এবার হেয়ার ড্রায়ারের পালা। সাঁইসাঁই আওয়াজ তুলে আমার চুল শুকোলো নিমেষে।
    এবার চলল আফজলের কাঁচি। এক এক পার্ট করে কাটছে আর মাঝে মধ্যে ক্লিপ গুঁজে দিচ্ছে মাথায়, সেও এক বিশাল কায়দার ক্লিপ একেবারে কাঠঠোকরার ঠোঁটের মত ব্যাঁকানো। একটা সময় গানের তালে তালে চুলে কাঁচির আওয়াজ আরও জোরে হলো।
    কিছু পরে মনে হলো মাথাটা বেশ হাল্কা লাগছে। চুলের এপাশ ওপাশ বেয়ে কিছু লেয়ার্স চোখে পড়ছে।
    আফজাল চুল সেট করে একটা বড় আয়না মাথার পেছনে নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল। বুঝলাম আমার চুল কাটা শেষ, এবার মিলিয়ে নিতে হবে।

    যদিও দূর দূরান্ত অবধি বইয়ের মেয়েটার সাথে কোন মিল পেলাম না তবে হেয়ার কাট-টা বেশ পছন্দ হলো। আফজলকে ধন্যবাদ দিয়ে কাউন্টারে এসে বিল মেটালাম। আর সাঁলোর বাইরে আসতেই একটা আলাদা ভালোলাগা...
    বুঝলাম মন ভালো রাখার এ এক নতুন পন্থা আবিষ্কার করে ফেলেছি।
     
    ধন্যবাদ প্রিয় আর্ন্তজালকেও যে সেদিন আমায় এই সাঁলোর ঠিকানাটা দিয়েছে...
     
    [ছবি - আর্ন্তজাল ]

     
  • লঘুগুরু | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৩১০ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নেতা - Nirmalya Nag
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :|: | 174.251.161.224 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২২:৩৭512058
  • এটা পবর ঘটনা? সবাই আজকাল ওখানে ইঞ্জিরিতেই কথা বলে? 
  • এগিয়ে বাংলা | 14.102.71.122 | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২২ ২২:৫৬512059
  • হেহে দেকলে হবে ? খচ্চা আছে।
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০০:২২512061
  • কলকাতা তো এখন লন্ডন। সেখানে সবাই সাহেব। তারা ইংরেজীতে কথা বলে।
  • র২হ | 2607:fb90:ac9d:d7e4:b8a0:17b2:3a1f:78ce | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:৪৪512067
  • কলকাতা শুধু না, সর্বত্রই এখন একটু কেতাদুরস্ত দামি জায়গায় ইংরেজি বেশি চলে।
     
    অথবা হিন্দি। এবার অহিন্দিভাষী অনেকে নিজের ভাষায় কথা বলার সুযোগ না পেলে হিন্দির বদলে ইংরেজি পছন্দ করেন।
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:25f3:e915:d8e0:413a | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৪০512068
  • কিন্তু এটা শুধু 'এখন' নাকি? আমরা ছোটবেলায় যেখানে চুল কাটতে যেতাম সেখানেও সবাই ইংরেজীই বলতো তো। তাও কলকাতা বা কোনো মেট্রো শহর নয়। আসানসোলের মত মফস্বল শহর। অবশ্য এমনি চা- কফি- জলের বোতল এসব কিছু দিতোনা। একবার শুধু ক্রিসমাসের সময় ছোটছোট গুডিব্যাগস দিয়েছিলো।
  • :|: | 174.251.161.224 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৫:৫৪512069
  • কি জানি! আমাদের সময়ে তেমন ছিলো না। লোকাল মেয়েরাই কাজ করতো। কালোকুলো রোগাসোগা বাঙালী মেয়ে। চাট্টি সুখ দুঃখের গপ্প করতে করতে চুল কেটে দিতো। গসিপ করে আনন্দ পাবার মতো ইংরিজি কখনও শিখতে পারিনি। 
  • মফস্বল | 14.102.71.122 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:০২512070
  • আসানসোল ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া। অনেক ভাষা , অঞ্চলের লোক থাকে , সেখানে ইংরেজি বলতেই পারে, জলপাইগুড়ি বা কাঁথিতে বললে  যুক্তিটা দাঁড়াত। 
  • &/ | 151.141.85.8 | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:১২512071
  • আমাদের অজপাড়াগাঁয়ে ছিল ইটালিয়ান ব্যবস্থা। রাস্তার ধারে ইঁটের উপরে বসে চুলকাটার ব্যবস্থা। ভাষা যা চলত একেবারে সাদা বাংলা। না কফি, না চা। কোনোরকম খাওয়া বারণ, কুচি কুচি চুল খাবারে পড়ে কেলেঙ্কারি হতে পারে। স্নানের আগে চুল কাটিয়ে আসতে হত, বাড়ি এসেই হুড়মুড় স্নান। ঃ-)
  • kk | 2601:448:c400:9fe0:25f3:e915:d8e0:413a | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৬:২৩512072
  • মফস্বল,
    হ্যাঁ, আপনার কথা ঠিক। ইন্ডাস্ট্রিয়াল এরিয়া ইত্যাদি। তবে আমার কোনো যুক্তি দেবার নেই। শুধু অভিজ্ঞতার কথা বললাম।
  • ঝর্না বিশ্বাস | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২ ১৯:০৩512104
  • কলকাতা ও অন্যত্র সবার অভিজ্ঞতা জেনে ভালোলাগলো...আমি গত পনেরো বছর মুম্বাইতে আর সেখানেই বদলটা এত দ্রুত যে চোখে পড়ে। 
    অসংখ্য ধন্যবাদ সবাই্কে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন