ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  লিঙ্গরাজনীতি

  • এখন প্রাপ্তবয়স্কদের সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    লিঙ্গরাজনীতি | ০২ মে ২০২২ | ৫৯১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৩ (৬ জন)
  • ক্রমশ কত কিছু শিখলাম। আমরা মফঃস্বল গঞ্জের ছেলেপুলেরা বুলি বলতে বুঝতাম মুখে যা ফোটে বা ফোটেনা। ওর মানে যে দলবদ্ধভাবে পিছনে লাগা, সে জানতে বহুদিন সময় লেগেছিল। কানাকে কানা খোঁড়াকে খোঁড়া বলিওনা, এ অবশ্য জানা ছিল, কিন্তু তারপরেও এলাকায় তিনজন বাপির একজন ছিল কালা-বাপি, আরেকজন মোটা-বাপি, তৃতীয়জন ল্যাংড়া-বাপি (নাম বদলে দিলাম, কী দরকার)। এ সবই শারীরিক বৈশিষ্ট্যসূচক। কালার শ্রবণযন্ত্রে একটু সমস্যা ছিল, ল্যাংড়া ঠিকঠাকই হাঁটত, কিন্তু কোনো সময়ে খেলতে গিয়ে মনে হয় চোট পেয়েছিল। তখন এশিয়াডের ম্যাসকট বাচ্চা হাতি আপ্পু খুব হিট। প্রত্যেক ক্লাসেই থাকত নিজস্ব একটি আপ্পু। আমাদেরও ছিল। এই দুর্মর রাজনৈতিক সঠিকত্বের যুগে বোঝা কঠিন, যে, ওগুলো কেবলমাত্র বৈশিষ্ট্যবাচক ব্যাপার ছিল। রোগা-মোটা-কালো-ফরসা-কালা-টেকো -- এই সব নিয়েই পৃথিবী, যে যেমন, সবাই, যাকে বলে, ডিফারেন্টলি কেপেবল। 

    তা বলে সব কিছু ভারি নিষ্পাপ ছিল এমন না। বুলির সবচেয়ে কাছাকাছি প্রতিশব্দ ছিল ক্ষ্যাপানো। সেও হত বিস্তর। পচা (আবারও নাম পরিবর্তিত) বলে একটি লোক, কেন কে জানে পুই-পুই শব্দটা শুনলেই খুব রেগে যেত। ইট-পাটকেল অবধি ছুঁড়ে মারত। তাকে দলবেঁধে ছেলেপুলে "পচা পুই পুই" বলবেই। অনুচিত জেনেও বলবে। বদামি যাকে বলে। এর চেয়ে ছোটো আকারেও "ক্ষ্যাপানো" হত। "লেডিস" ছিল ছেলেদের ক্ষ্যাপানোর একটা মূল মন্ত্র। মানে, ব্যাটা মেয়েলি। আরেকটা ছিল "লেডিস ফিংগার"। এর সঙ্গে মেয়েদের কোনো সম্পর্ক নেই, কিন্তু ঢ্যাঁড়োশ না বলে যে কেন ইংরিজিতে বলা হত, জানা নেই।এরকম করে ক্ষ্যাপানো যে অনুচিত, ছেলেপুলে বিলক্ষণ জানত। বাড়াবাড়ি হলে নিজেরাই থামা হত। বা বড়দের হস্তক্ষেপ হত। কিন্তু একেই যে বুলি বলে কেউ জানতনা। সেটা জানতে কলেজ পর্যন্ত যেতে হয়েছিল। না, কলেজে এসব পড়াতনা, খবরের কাগজে তখনই প্রথম আসে শব্দটা।

    ট্রোল শব্দটা অবশ্য তখনও কেউ জানতনা। সেই ধারণাটাই ছিলনা কারো। কলেজে খিস্তিখাস্তা হত বিস্তর। পড়তাম বিই কলেজে, সে তো খিস্তির জন্য ভুবনখ্যাত। কিন্তু তার কিছু প্রকরণ ছিল। কোথায় এবং কাকে খিস্তি দেওয়া যায়। কিন্তু "চল, দলবেঁধে অমুককে গিয়ে খিস্তিয়ে আসি" এই ধারণাটাই ছিলনা। আসলে ওটার জন্য একটা আড়াল লাগে। মুখোমুখি করা বেশ মুশকিল। একটা কাছাকাছি জিনিস ছিল, যার নাম "আওয়াজ দেওয়া"। সেটা আড়াল থেকে দেওয়া হত। তাতে অবাধ খিস্তি-টিস্তি ছিল। কিন্তু ওটাও ঠিক ট্রোল নয়। ব্যাপারটা নিষ্পাপ অবশ্যই ছিলনা। বিশেষ করে মেয়েদের জন্য তো খুবই অস্বস্তিকর ছিল। কলেজে অবশ্য জেন্ডার-রিলেশন এমনিই খুব খারাপ ছিল, তবে সেটা শুধুই বিই-কলেজের গপ্পো, কাজেই এখানে বাদ থাক।

    ট্রোল ব্যাপারটা বেশ মহাসমারোহে বাজারে এল সামাজিক মাধ্যম আসার পর। একটা গণপিটুনির আনন্দ, কিন্তু ভার্চুয়াল, একটু আড়ালও আছে, আবার যা-খুশি বলার স্বাধীনতাও আছে, সামাজিক মাধ্যম হল ট্রোল চাষবাসের আদর্শ জায়গা। কিন্তু গণপিটুনির মতই, ব্যাপারটা স্বতস্ফূর্ত একেবারেই নয়। অন্যত্র জানিনা, কিন্তু সেই অর্কুট থেকে বঙ্গসমাজের কমিউনিটি গুলোতে ঘুরঘুর করছি, নিজের চোখে দেখা, যে, "যেখানে যা খুশি বলব এবং যে ভাষায় খুশি" এই ব্যাপারটাকে "সচেতন" লোকজন রীতিমতো থিয়োরাইজ করে গেছে বছরের পর বছর। এবং, এই কাজে সবচেয়ে বেশি নৈতিক যুক্তি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে নবারুণ ভট্টাচার্যের রচনাকে। নবারুণ শুনলে কী বলতেন কে জানে, কিন্তু এই সেদিনও শুনলাম এক ছাত্রনেতা উপাচার্যকে হুমকি দেবার পক্ষে সাফাই গেয়েছেন, যে, তিনি ফ্যাতাড়ুপনা করছিলেন। এটা  একেবারেই বিচ্ছিন্ন কিছু না, দীর্ঘদিনের চর্চার ফসল। সমাজমাধ্যম আসার পর, রীতিমতো তত্ত্ব কষে, দুনিয়ায় সবাই ফ্যাতাড়ু, যার যখন সুবিধে। আবার অসুবিধে হলেই সুবোধ বালক। এই অদ্ভুত ঝুঁকিহীন ফ্যাতাড়ুপনায় বাধা দেওয়া হয়েছে, গুরুর সাইটেই ব্যক্তি আক্রমণ, লেখকরা মিলে একরকম নিষিদ্ধই করেছিলেন, কিন্তু ওই আর কি, একজন "ফ্যাতাড়ু"ই ট্রোল সংস্কৃতি চালু করে দেবার জন্য যথেষ্ট। তত্ত্বচর্চায় ফ্যাতাড়ুপনার সঙ্গে দ্বিতীয় আরেকটা বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে অবশ্য। বাকস্বাধীনতা। সব মিলিয়ে ইন্টারনেট একদম সংগঠিত প্রয়াসে ট্রোলের আখড়া হয়ে দাঁড়িয়েছে। এটা অবশ্য দক্ষিণপন্থীদের দিকটা ধরেনা, তাঁরা ঠিক কোন কৌশলে লোক তাতান বিশদে জানা নেই। ফ্যাতাড়ুর জায়গায় পরশুরাম-টাম থাকবে। কিন্তু গপ্পোটা একই। সব মিলিয়ে ইন্টারনেট, ফ্রি আর নেই। দায়িত্বজ্ঞানহীন ট্রোলের জঙ্গলে পরিণত হয়েছে। সোশাল মিডিয়া যখন মিডিয়াই, তখন মিডিয়ার যা দায়িত্ব বলা হয়, সেটাও সোশাল মিডিয়ার প্রতিটি ব্যবহারকারীর থাকা উচিত -- এই ধারণাটাই কখনও কোনো পক্ষ থেকে থিয়োরাইজ করার চেষ্টা হয়নি। ফলে এটা একটা সিস্টেম হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা, কলেজে আওয়াজ দেওয়ার মধ্যে কখনও ছিলনা। 

    একই ব্যাপার বুলি নিয়েও। যত বেশি "সচেতনতা", যত বেশি "সঠিকত্ব", তত বেশি ফস্কা গেরো। বস্তুত ধেড়েরাও যে উৎসাহ নিয়ে বুলি করে চলতে পারে, সেটাকে জাস্টিফাই করতে পারে, এবং ওটাকেই একটা দস্তুর বা বা ব্যবস্থা হিসেবে চালু করতে পারে, সেটা "সচেতন" এবং "অসচেতন" লোকজনকে না দেখলে বিশ্বাসই হতনা। এটা শুরু হয় কিছু বাঁধা বুলি দিয়ে। তারপর ক্রমশ ব্যক্তি আলোচনা এবং রসালো খেউড়ে নেমে আসে। প্রকাশ্যেই। যাতে অন্যপক্ষের নজরে পড়ে। এই ব্যাপারে দক্ষিণপন্থীদের বুলির একটা বাঁধা বুলি আছে, সেটারও আবার একটা ইংরিজি নাম আছে, যার নাম হোয়াটাবাউটারি। "কাশ্মীরের নামে নিন্দে করেছিস, বাংলাদেশের ব্যাপারে কোথায় ছিলি?" বা "রামকৃষ্ণের নিন্দে করলি মহম্মদের পারবি?" ইত্যাদি থেকে শুরু হয়ে অ্যান্টিন্যাশানাল হয়ে কে কার সঙ্গে শুয়েছেতে চলে যায়।  আর "সচেতন" মানুষদের আছে থান-ইটের মতো কিছু টার্মিনোলজি। একটু মতের অমিল হলেই গ্যাসলাইটিং। তক্কো হলে ম্যানসপ্লেনিং। ভুল ধরিয়েছে মানেই "টক্সিক ম্যাসকুলিনিটি", এবং অতঃপর ব্যক্তিগত আক্রমণ -- এ ব্যাটা নির্ঘাত হিংসা করে। অতএব মেরে দাও গুঁড়িয়ে দাও। কালো হাত মুচড়ে দাও। এবং কুচ্ছো রটনা। এঁদের কৃতকৌশল হল থিয়োরিতে। ফ্যাতাড়ুতে যেমন সাবভার্সন, এখানে তেমন ব্যক্তি আক্রমণই রাজনৈতিক। কিন্তু থিয়োরি থাক বা না থাক, ফলাফল এবং কর্মপদ্ধতি একই। অন্যের মতকে যুক্তি নয়, বুলি দিয়ে গুঁড়িয়ে দাও। ইহাই রাজনৈতিক সংগ্রাম। 

    এই নিয়ে গুচ্ছের অভিজ্ঞতা আছে। সব ছাই মনেও নেই। আমার পরিচিত এক লেখকের কথা মনে আছে। তাঁর রামকৃষ্ণ-নিবেদিতা নিয়ে একটি ঠাট্টাচ্ছলে বলা বক্তব্যকে নিয়ে প্রথমে খাপের বন্যা, তারপর গণহারে পাবলিক কুচ্ছো। সে ছিল রাজনৈতিক সংগ্রাম। আমার পরিচিত এক মহিলা, তিনি একটি রাজনৈতিক কমিউনিটিতে কিছু লিখলেই শরীর তুলে পাল্টা জবাব দেওয়া হত। কী বলা হত, সে আর লিখলামনা, এতদিন পরেও রুচিতে বাধছে। সেও ছিল রাজনৈতিক সংগ্রাম। 

    আমার নিজের অভিজ্ঞতাও কিছু কম নেই। হাত-পা ভেঙে দেওয়া হবে-টবে তো আখছার। দেয়ালে দেয়ালে কুচ্ছো হয়েছে গুচ্ছের। হয়ও। মাঝে-মধ্যে চোখে পড়ে। এখনই যেটা মনে পড়ছে, সেটা অবশ্য মজার। কিছুদিন আগে একটা খুব ফ্যাশান হয়েছিল, হাশআপ বা ওই জাতীয় জিনিস খুলে অ্যাননিমাস মেসেজ আহ্বান করা। এক দারুণ সচেতন মহিলা সেরকম একটি জিনিস খুলেছিলেন। গুচ্ছের অ্যাননিমাস মেসেজ পেতেন নির্ঘাত। সে বেশ করতেন। তা, এক সুন্দর সকালে তিনি হঠাৎই এরকম একটি মেসেজ পোস্ট করে আকারে ইঙ্গিতে দাবী করলেন, সেটা আমার লেখা। এবং সেই নিয়ে প্রায় খাপ বসিয়ে ফেললেন। স্বকপোলকল্পিত বুলিবাজির আখড়া যাকে বলে। বলাবাহুল্য, আমার ওই অ্যাপ নেইও, লেখার কোনো প্রশ্নই নেই। তিনি নিজে লিখেছিলেন না অন্য কেউ ক্যাওড়ামি করেছিল, জানা নেই, তাতে কিছু অশালীন কথা লেখাও ছিলনা, থাকলে অবশ্য আমার মেসেজ বলে চালানো অসম্ভব ছিল। কিন্তু তাতে কী। বুলিবাজি তো ওইভাবেই হয়। কাকে কান নিয়ে গেছে বলেও হতে পারে। নিজে ইচ্ছাকৃতভাবে অ্যাননিমাস মেসেজ আহ্বান করে, জেনেবুঝেই, যে, সেটা  কার বোঝার কোনো উপায় নেই,  তারপর সেই নিয়ে খিল্লি চালিয়েও হতে পারে।

    তো, পয়েন্ট হল, এইগুলো যাঁরা করেছেন, যাঁরা মদত এবং প্রশ্রয় দিয়েছেন, এবং দিয়ে চলেন, তাঁরা কিন্তু কোথাও তিরস্কৃত নন। বরং গরম-গরম থিয়োরাইজ করেছেন, এবং করেই চলেছেন। আমাদের ছোটোবেলায় বুলি, ট্রোল এসব নিয়ে কোনো জানাবোঝা ছিলনা। তবুও, এর চেয়ে অনেক ছোটো কান্ড ঘটালেও, বাচ্চাদের কান মলে দিতেন। এঁরা বাচ্চা নন। এবং এঁদের থিয়োরিকে সুউচ্চে তুলে ধরার লোকেরও কোনো অভাব নেই। কারণ, এখন প্রাপ্তবয়স্কদের সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। মাঝে-মাঝে মনে হয়, এই তথাকথিত সেনসিভিটি, এই "সচেতনতা", এসব না এলেই কি ভালো হত? কে জানে।  
  • লিঙ্গরাজনীতি | ০২ মে ২০২২ | ৫৯১ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    নাইটো - একক
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • একক | 2409:4060:40e:2c81:73ab:3a4:b1:225e | ০২ মে ২০২২ ১২:৫৭507107
  • লেডিস বলার চল ছিল। একজন মানুষের বিহেভিয়ার দেখে তাকে সরাসরি এফেমিনেট বলে চালিয়ে দেওয়ার স্টিরিওটাইপ।
     
    কিন্তু,  লেডিজ চলে গিয়ে,  যেটা হল,  তথাকথিত অশিক্ষিত  সমাজে আঙুল তুলে দেখানো " ও ত হোমো ",  আর লিবারাল রা ফিস ফিস করে কামারাদোরি গলায় ঢেলে  বলেন,  মাস্ট বী ক্যুয়ের,  রাইট ?  ঃ) 
     
    দুটোই অনেক বেশি ইনভেসিভ বাই নেচার। কেও হাত নাড়িয়ে কথা কইচে তাকে তোরা মেয়েলি বললে সে তোদের সীমাবদ্ধতা,  জাজমেন্ট না। কিন্তু,  যে মানুষ নিজে থেকে আইডেন্টিটি কার্ড গলায় ঝুলিয়ে ঘুরচে না,  তার জেন্ডার এজিউম করার রাইট তোদের কে দিয়েচে র‍্যা!!!  
  • Sobuj Chatterjee | ০২ মে ২০২২ ১৬:২১507114
  • উপায় কি গোলাম হোসেন!  
  • Somnath | ০২ মে ২০২২ ১৭:৩৬507116
  • আজকেই ভাবছিলাম, এইযুগের কোনও লেখক যদি সৎপাত্র টাইপের কবিতা লিখে ফেসবুকে দিতেন, কী কী নিয়ে খাপ বসত!
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন