ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  গান

  • গভীরে যাও, আরো গভীরে যাও - ২ 

    সুকান্ত ঘোষ লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | গান | ২৬ মার্চ ২০২২ | ৩৬২ বার পঠিত
  • পর্ব ১ | পর্ব ২
    কি পাবার আশা নিয়ে গ্যাঁটের পয়সা খরচ করে কেউ ফেলিওর অ্যানালিসিস করবে যদি না কেউ সেই কোম্পানীকে বাধ্য করে? বড় মাপের ফেলিওর হলে আইনী মারপ্যাঁচের জটিলতা ঢুকে যায় – তো সেই ক্ষেত্রে কোম্পানীর কোন চয়েস থাকে না, ফেলিওর অ্যানালিসিস করতেই হয় অনিচ্ছা সত্ত্বেও।  ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায়, যাই হোক না কেন, ফেলিওর অ্যানালিসিস করলে নীচের বিষয়গুলিতে আরো বেশী সাহায্য পাওয়া যাবে, আরো ভালো করে পারফর্ম করা যাবে, এমন একটা টার্গেট থেকেই যায়ঃ
     
    • সেফটি পারফর্মমেন্স আরো ভালো হবে
    • রিলায়েবিলিটি বাড়বে
    • যন্ত্রের বা কারখানার এফিসিয়েন্সি এবং পারফর্মমেন্স এর উন্নতি হবে
    • মেনটেনেন্স সহজ হবে
    • লাইফ সাইকেল কস্ট কমবে  
    • পরিবেশের উপর আরো সহনশীল হয়ে ওঠা যাবে

    উপরের প্রতিটা বুলেট পয়েন্ট নিয়ে এক একটা বিশাল লেখা ফেঁদে ফেলা যায়। কিন্তু আপনি পাঠক বুদ্ধিমান, নিজের কমন সেন্স ব্যবহার করেই মোটামুটি একটা ধারণা করে নিন।  এর মধ্যে যেটা নিয়ে দুই খান কথা বলতে চাই তা হল “লাইফ সাইকেল কস্ট”।  এই জিনিসটা নিয়ে অনেকের ভালো ধারণা থাকে না বলে নানাবিধ মনুষ্য সৃষ্টির সমস্যার সৃষ্টি হয় যা পরবর্তিকালে ফেলিওর এর জন্ম দেয় যা একটু ভালো করে ভেবে কাজ করলে হয়ত এড়ানো যেত।

    একটু বলে নেওয়া যাক এই লাইফ সাইকেল কস্ট জিনিসটি কি – এটাও খুবই সিধে ব্যাপারঃ

    লাইফ সাইকেল কস্ট = ইক্যুইপমেন্টদের দাম + সেটাকে ইন্সটল করার খরচ + সেটাকে মেনটেন করার খরচ

    এবার একটা ছোট্ট এবং খুব সহজ উদাহরণ দিই ‘লাইফ সাইকেল কস্ট’ নিয়ে।  ধরুণ আপনি বারান্দায় গ্রীল বসাবেন – আপনার হাতে চয়েস আছে,

    ১) পাতি লোহার গ্রীল রঙ করে বসাতে পারেন রঙ করিয়ে
    ২) অ্যালুমিনিয়ামের গ্রীল – রঙ করা লাগবে না
    ৩) স্টেনলেস স্টিলের গ্রীল – এতেও রঙ করা লাগবে না
      
    লোহার গ্রীলের দাম কম হবে – কিন্তু আপনাকে চার পাঁচ বছর লোক ডেকে শিরিষ কাগজ দিয়ে ঘষিয়ে জঙ তুলে রঙ করাতে হবে। তা সত্ত্বেও গ্রীল ক্ষয়ে যাবে দেখবেন জল পেয়ে পেয়ে।  অ্যালুমিনিয়াম বা স্টেনলেস স্টীল কোনটাই ক্ষয়ে যাবে না, আর আপনাকে রঙ করতেও হবে না – মানে যাকে বলে মেনটেনেন্স ফ্রী ব্যাপার একেবারে।  স্টেনলেস স্টীল হয়ত আরো বেশী কিছুদিন চলবে অ্যালুমিনিয়ামের থেকে, এবং তার জন্য দামেও হালকা বেশী হবে।  কিন্তু বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই পাবলিক স্টিল বা অ্যালুমিনিয়াম নিয়ে আলোচনায় ঢোকে না – প্রাথমিক ইনভেষ্টমেন্ট কম হয় বলে পাতি লোহার রঙ করা গ্রীল বসিয়েই খালাস।  এখানে কিন্তু আপনি বাকি চল্লিশ বছরে ধরে সেই গ্রীল রঙ করে মেনটেন করার খরচটাই ধরলেন না! ঠিক মত উপরের সূত্র মেনে লাইফ সাইকেল খরচের এষ্টিমেট করলে দেখবেন অ্যালুমিনিয়াম বা স্টীলের গ্রীল সস্তায় পড়ছে।  তাও তো হিসেবের মধ্যে রিপ্লেসমেন্ট খরচা ধরি নি – লোহার গ্রীল লাগালে হয়ত আপনাকে কুড়ি বছর বাদে একবার পাল্টাতে হবে, যে সমস্যাটা আপনার স্টেনলেস স্টীল বা অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহার করলে হত না।

    এই যে উপরে যেটা লিখলাম, সেটা কি খুব জটিল কিছু ব্যাপার? কমন সেন্স থাকলেই ব্যাপারটা বুঝে নেওয়া যায় অনেক সময়।  এবং অনেকে এই সব জেনেও পাতি লোহার গ্রীল ব্যবহার করেন প্রথম বার? কেন? এর মূল কারণ আপনি বেশী ক্যাপিটাল নিয়ে বাড়ি করতে নামেন নি। এবং হয়ত ভেবে নিয়েছেন, বাড়ি করে মাথা গোঁজার ঠাঁই তো হোক আগে – পরে গ্রীলে রঙ বা পাল্টাবার দরকার হলে ছেলে পাল্টাবে! আমি তো আর থাকছি না তখন।  ঠিক এই মাইন্ড সেটটাই কাজ করে বেশীর ভাগ সময় প্রোজেক্টে – প্রোজেক্ট ম্যানেজার এর কে পি আই (KPI) এ ‘লাইফ সাইকেল কস্ট’ এষ্টিমেট থাকে না, থাকে কেবল ‘ক্যাপিটাল কস্ট’ ইনভেষ্টমেন্ট।  আমি প্রোজেক্ট ম্যানেজার হয়ে কম খরচে মাল ইন্সটল করে নিজের ভালো পারফর্মেন্স অ্যাপ্রেজাল নিয়ে বেরিয়ে গেলাম।  বাকি দশ বছর পরে কি হবে, সেটা তোদের ব্যাপার – আমি এর মধ্যে নেই!  

    আর একটা ব্যাপার হয় – হয়ত আপনি তিরিশ বছর বয়েসে বাড়ি করছেন, মানে জানেন যে পরের কুড়ি বছর পরে কি পাল্টাতে হলে তখনো আপনাকেই পাল্টাতে হবে। কিন্তু ব্যস্ততার জন্য আপনি দিয়েছেন বাড়ি বানাতে ফুল কনট্র্যাক্ট –এবার না জেনেই হোক, বা অত গভীরে ঢুকে না দেখার জন্যই হোক – আপনি গ্রীলের স্পেসিফিকেশন লিখে দেন নি। ফলে কি মনে হয় আপনার? কনট্রাকটর বাড়তি খরচা করে স্টেনলেস স্টিলের গ্রীল লাগাবে আপনার জন্য?

    উপরের ব্যাপারটা হালকা ভাবে লিখছি বলে বিষয়টার গুরুত্বকে হেলাফেলা করবেন না।  কত যে ছোট বড় ফেলিওর হয়েছে এর জন্য, বা এখনো হয়ে চলেছে এই বেসিক জিনিসটা স্থির করতে পারি না বলে আমরা – সেই সব নিয়ে লিখতে গেলে মহাভারত হয়ে যাবে। 

    এবার আগে যেটা লিখেছি, একটু ভেবে দেখলে টের পাবেন অনেক কিছু আপাত জানা বিষয় যা কিনা সাধারণ বুদ্ধি প্রয়োগ করেই সমাধান করা যায়, সেগুলো নিয়েও সংস্থাগুলি বছরের পর বছর ধরে হিমসিম খাচ্ছে – এর মূলে তাহলে কি আছে? “আশায় বাঁচে চাষা” এই প্রবাদ বাক্যের যদি সম্প্রসারণ করি এই প্রেক্ষিতে তাহলে দেখব কতকগুলি ভাবনার বা কৃতকর্মের পুনরাবৃত্তি হয়ে চলে –
     
    • সমস্যা দেখা দিচ্ছে জেনেও কিছু করব না এই ভাবে যে সমস্যা নিজে থেকেই কিছুদিন পরে চলে যাবে
    • অনেকে আবার সমস্যা আছে এটাই স্বীকার করতে চান না।  হয়ত গ্রাউন্ড লেভেলের টেকনিক্যাল লোক কেউ পয়েন্ট আউট করল, কিন্তু হায়ার ম্যানেজমেন্ট সেটা উড়িয়ে দিল “তুমি বাপু কিছু জানো না”, “এমন তো হয়েই থাকে, এই নিয়ে ভাবার কি আছে” বা “তুমি সর্ষের মধ্যে ভূত দেখছ” বা “তোমার আসল ধান্দাটা কি বলত বাপু?” এই সবের মাধ্যমে
    • সমাধানের চেষ্টা হয়ত হল, কিন্তু সেটা কোন স্ট্রাকচারড ভাবে নয়।  ভারতীয় বিশেষ টেকনিক ‘যুগাড়’ অ্যাপ্রোচে খামচাখামচি করে চটপট ট্রাবলশ্যুটিং টাইপের কিছু করা হল।  
    • ফালতু বা অলীক সমাধানের পিছনে ছোটা – যাকে ‘রেড হেরিং’ চেজ করা বলা হয় আর কি  

    তো বলাই বাহুল্য, সমস্যা সমাধানে একটা স্ট্রাকচারড পদ্ধতি থাকলে ভালো হয় – এমনকি এই ‘স্ট্রাকচারড’ জিনিস খাড়া করাটাকে একটা অবশ্য কর্তব্য বলেই মনে করা হয় আজকাল। এখন হয় কি, ‘স্ট্রাকচারড’ জিনিস খাড়া করা যায় অনেক ভাবে – এই খানেই আবার অনেক সময় ঢুকে যায় ম্যানেজমেন্টিয় চালবাজী, নানা টার্ম ব্যবহার করে।  তবে যে পদ্ধতিই অবলম্বন করুন না কেন, দেখবেন তার ভিত্তিতে আছে ‘কমন সেন্স’।  এই সব পদ্ধতি আসলে কি করে - আপনার হাতে অনেক অস্ত্র তুলে দেয় যা দিয়ে আপনি নিজের ভাবনায় ‘স্ট্রাকচার’ আনতে পারবেন।  আর কি করে আপনার হাতে অনেক সহজলভ্য এবং বহু পরীক্ষিত অন্যালিটিক্যাল এবং স্ট্যাটিসটিক্যাল ‘টুল’ তুলে দেয়।  হয় কি, আমাদের মতন অনেক ইঞ্জিনিয়ারেরই, এমনকি আমি তো এমনও দাবী করব যে বেশীর ভাগ ইঞ্জনিয়ারেরই ‘স্ট্যাটিসটিকস্‌’ এর ব্যাপারে ভাঁড়ে মা ভবানী! ‘স্ট্যাটিসটিক্যালি স্পিকিং’ বলা ছাড়া এর ভিতরের ব্যাপারে আমাদের খুব একটা ফান্ডা থাকে না।  স্ট্যাটিসটিক্সের কম জ্ঞান থাকার জন্য আমরা অনেক অনেক ভালো অ্যানালিসিসের সুযোগ হারাই।  আমার তো মনে হয় ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে গেলে মিনিমাম এক বছর স্ট্যাটিসটিক্স অবশ্য পাঠ্য করে দেওয়া উচিত।  তবে মন্দের ভালো হয়েছে এই যে উপরে যে ‘স্ট্রাকচারড’ পদ্ধতির কথা বললাম তাদের প্রায় সব কটাতেই প্যাকেজ হিসেবে কিছু স্ট্যাটিসটিক্স টুল চলে আসে – সে ‘মিনিট্যাব’ ই বলুন বা অন্য কিছু। ফলে হয় কি, স্ট্যাটিসটিক্সে বিশাল ফান্ডা না থাকলেও কাজ চালানোর মতন অ্যানালিসিস করে নিয়েই পারবেন চাইলে।  প্রশ্ন হচ্ছে সেটা করে কয়জন??

    আমি যে সমস্ত প্রবলেম সলভিং মডেল নিয়ে কাজ করেছি তার মধ্যে সিক্স-সিগমা পদ্ধতিতে ব্যবহৃত DMAIC খুব কাজের মনে হয়েছে প্ল্যান্ট বা ফিল্ডে প্রয়োগ করতে।  D = Define, M = Measure, A = Analuze, I = Improve, C = Control নীচের ছবিটি দেখে এই সামগ্রিক পদ্ধতি সমন্ধে একটা ধারণা পাওয়া যাবে।   




     
    এই ব্যাপারটা অনেকটা “চক্রাকার পরিবর্তন্তে সুখানি চ সুখানি চ” কেস।  দেখা গেছে আমরা অনেক সময় ছাড়াই ‘কনট্রোল’ স্টেপটায়।  এই স্টেপটা সিরিয়াসলি না নিয়ে, এক বার কিছুর একটা সমাধান বা আপাত উন্নতি করেই আমরা হাল ছেড়ে দিই। ফলে এই সমগ্র চক্রটায় একটা বিচ্ছেদ চলে আসে।  এবার দেখা যাক এর প্রতিটা স্টেপে কি কি সাব-স্টেপ আছে – সেটাও মোটামুটি বোঝা যাবে নীচের ছবিটি থেকেঃ



    পরে এই নিয়ে আরো বিস্তারে ঢোকা যাবে।  এখন কেবল হালকা করে হয়ে যাক ‘অ্যানালাইজ’ স্টেপটা নিয়ে আলোচনা যেখানে লেখা আছে এর একটা সাব স্টেপ হল ‘আইডেনটিফাই রুট কজ’।  আর আগের পর্বেই তো লিখেছি রুট কজ অ্যানালিসিসের ভিতর একটা গুরুত্বপূর্ণ স্টেপ হল ‘ফেলিওর অ্যানালিসিস’। 

    আচ্ছা আর একটা ব্যাপার ক্লীয়ার করে নেওয়া যাক।  এখানে ফেলিওর মানে শুধু কোন জিনিস ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে যাওয়া নয় – বরং আমরা এই আলোচনায় ‘ফেলিওর’ শব্দটি দিয়ে চিহ্নিত করব “কোন এক অকাঙ্খিত ঘটনা বা অবস্থা”।  তো সেই হিসেবে ফেলিওর অ্যানালিসিস হিসেবে বোঝায় সেই যন্ত্রাংশ-কে নিয়ে নাড়াঘাঁটা করা যা তার কাঙ্খিত কাজ পর্যাপ্ত ভাবে করতে পারে নি।  এই ফেলিওর-কে আবার নানা ধাপে ভাগ করা যায়-
     
    • লস অফ ফাংশন – এটা সবচেয়ে বেসিক ফেলিওর এর মধ্যে আসে।  এই ক্ষেত্রে কোন কম্পোনেন্ট (যন্ত্রাংশ) বা সিষ্টেম চলছে, কিন্তু সে তার থেকে কাঙ্খিত সার্ভিস দিতে পারছে না।  মানে ধরুন একটা প্লেনের জেট ইঞ্জিন চলছে, কিন্তু তার থ্রাষ্ট এত কম যে প্লেন টেক-অফ করতে পারছে না।  আবার ধরুণ আপনার ঘরের এ সি চলছে, কিন্তু ঘর ঠান্ডা হচ্ছে না! এটা হল লস অফ ফাংশন। 
    • লস অফ সার্ভিস লাইফ -  এই ক্ষেত্রে হয় কি কম্পোনেন্ট বা সিষ্টেম তার থেকে কাঙ্খিত কাজ করে চলেছে, কিন্তু অনিরাপদ এবং অবিশ্বস্ত ভাবে।  এর উদাহরণ আমাদের চারিদিকে ভুরিভুরি – কলকাতার বুকে চলতে থাকা হলুদ ট্যাক্সি বা স্টেটবাস। বা ধরুণ আপনার বাড়ির বা অফিস বিল্ডিং-এর লিফট চলে তার সেই লোহার মোটা তার গুলি – আমরা বলি এই তার গুলি তার সার্ভিস লাইফ লস করেছে যখন সেই তার গুচ্ছের কোন কোনটা ফ্যাটিগ ফ্র্যাকচার এর মুখোমুখি হয়েছে। যদিও তারটা পুরোপুরি কেটে ঝুলে যায় নি, আপনাকে লিফটে নিয়ে টেনে তুলছে – কিন্তু যে কোন দিন টুক করে ছিঁড়ে যেতে পারে।
    • সবচেয়ে টপ লেভেলের ফেলিওর হচ্ছে যেখানে কম্পোনেন্ট বা সিষ্টেম আর কাজই করছে না! যেমন ধরুণ, কোন দুটো জিনিস নাট-বল্টু দিয়ে টাইট করা ছিল, কিন্তু যেকোন কারণেই হোক সেই বল্টু ভেঙে গেছে!    

    এই যে এত সব টাইপের ফেলিওর নিয়ে আলোচনা করলাম, তা যদি আমরা ‘ফেলিওর রেট’ কে ওয়াই অ্যাক্সিস এ রেখে এক্স অ্যাক্সিসে সেই কম্পোনেন্ট বা সিষ্টেম কতটা ‘সময়’ ধরে কাজ করছিল, তা প্লট করি, তাহলে সেই গ্রাফটি কেমন দেখতে লাগবে? দেখতে লাগবে ‘বাথটাব’ এর মত – আর যেই জন্য ‘ফেলিওর রেট’ ভার্সেস ‘টাইম’ এর এই গ্রাফকে বলা হয় ‘বাথটাব গ্রাফ’।  পরের পর্বে আলোচনা সেই নিয়ে

    [ক্রমশঃ]
     
    পর্ব ১ | পর্ব ২
  • | বিভাগ : আলোচনা | ২৬ মার্চ ২০২২ | ৩৬২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ৩১ মার্চ ২০২২ ০৯:১৩505830
  • খুবই ভালো লাগছে এই সিরিজটা। পরের পর্বের জন্য মুখিয়ে রইলাম।
  • একক | ৩১ মার্চ ২০২২ ০৯:৫৬505833
  • হমম ভাল্লাগচে
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন