• হরিদাস পাল  ভ্রমণ  ঘুমক্কড়

  • নামদাফা এবং – ২  

    লেখকের গ্রাহক হোন
    ভ্রমণ | ঘুমক্কড় | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ | ৩৬৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • | | |
    নামদাফা টাইগার রিজার্ভ - অভয়ারণ্যের নাম এটাই। ব্যপ্তি মিশমি পাহাড়ের দাফা-বাম রেঞ্জ আর পাটকাই রেঞ্জের মাঝের পুব পশ্চিমে বিস্তৃত প্রায় দুই হাজার কিলোমিটার এলাকা। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উচ্চতা ৬৫৬ ফুট (২০০ মিটার) থেকে ধাপে ধাপে  বেড়ে প্রায় ১৫০০০ হাজার ফিট (৪৫৭১ মিটার) অবধি উঠেছে। বলা হয় যে এই অঞ্চলের উদ্ভিদসম্পদের  পূর্ণাঙ্গ সমীক্ষা করতে কমবেশী ৫০ বছর সময় লাগবে, এত বহুল ব্যপ্ত এর উদ্ভিদবৈচিত্র। মিশমি-তিতা বা কপতি-তিতা নামের ভেষজ উদ্ভিদ নামদাফার গহীনেই একমাত্র পাওয়া যায়। স্থানীয় জনজাতির মানুষেরা  এই ভেষজ উদ্ভিদ তাঁদের প্রায় সবরকম অসুখ বিসুখেই ব্যবহার করেন। এই উদ্ভিদের রপ্তানী সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।  এখানে বলে রাখি ডিব্রুগড়ে নেমে ঈপ্সিতার সাথে কথা বলার সময় ঈপ্সিতা বলেছিল নামদাফায় গিয়ে লোকজনকে জিগ্যেস করতে যে জ্বর টর হয় কিনা। তা,আমি জিগ্যেসও  করেছিলাম, শুনলাম না না জ্বর হয় না তো। হলে ঐ লতা পাতা বেটে খেলেই কমে যায়। কী পাতা? শুনলাম জংলী পাতা এই জঙ্গলেই পাওয়া যায়।  পাতা মানে তাহলে হয়ত  মিশমি-তিতার কথাই বলছিলেন ওঁরা। ‘নামদাফা’ শব্দটা দুটো সিংফো শব্দের মিশ্রণে তৈরী। নাম হল জল আর দাফা মানে উৎস। দুইয়ে মিলে দাফা-বাম হিমবাহে উৎপন্ন নদীকে বোঝানো হয়। নদীর নামটাও ভারী মিষ্টি – নোয়া ডিহিং’ 
     
    মিয়াওতে আমাদের রাতের আস্তানা ‘দাফা জাঙ্গল ক্যাম্প’, নদীর কাছাকাছি বেশ অনেকটা জমিতে ছড়ানো ছিটানো অরুণাচলের ঐতিহ্য মেনে তৈরী কটি বাঁশ ও কাঠের কটেজ,  ভারী অমায়িক কিছু কর্মী। আমার ছ্যাঁচা ভারী স্যুটকেশটা টেনে আনতে আনতে একজন একগাল হাসিমুখে বলেন ‘আহা এইটেই সবচেয়ে হালকা দেখি’। তাঁর রসবোধে লজ্জিত ও মুগ্ধ হই। ঘড়িতে বাজে ৫টা ২০, চারপাশ এমন ঘুটঘুটে অন্ধকার যে কটেজের কাঠের সিঁড়ি  বেয়ে নামলেই  একটা টর্চ লাগে প্রায়।  সেই ভোর ৫টায় বেরিয়েছিলাম বাড়ি থেকে, তাড়াতাড়ি বাথরুমে ঢুকে হাতে মুখে জল দিয়ে ঘরে বসি। রূপমের ব্যবস্থাপনায় আমার সাথে ভাস্বতীদি,  তাঁর স্বামী আর দেবাশীষ আরেক ঘরে। তৃতীয়  ঘরে আর একজোড়া স্বামী স্ত্রী। চতুর্থ ঘরে আরো দুজন ভদ্রলোক ও রূপম নিজে।  এই ব্যবস্থা চলেছে প্রায় গোটা ট্রিপে, তার জন্য উদ্ভুত অসন্তোষ ফেটে পড়েছিল প্রায় শেষের দিকে দিবাং ভ্যালী জাঙ্গল ক্যাম্পে গিয়ে।  বলব সে গল্প পড়ে। আপাতত এইটুকু লিখে রাখি রূপমের ব্যবস্থাপনা বেশ ভাল লেগেছে।  রূপমের সংস্থা মাইলস ট্যু গো দেবাশীসের সংস্থার পার্টনার। শুনলাম আমাদের সিল্ক রুট ট্রিপের লিংতাম, নাথান ইত্যাদির বুকিংও রূপমই করে দিয়েছিলেন। 
     
    ঘরে বসে দেখি ফ্লিসও গায়ে রাখা যাচ্ছে না, বেশ গরম লাগছে। কাল থেকে দুইদিন মোবাইল নেটওয়ার্কের সম্পূর্ণ বাইরে থাকবো, এখানে নেটওয়ার্ক চমৎকার দেখে বসে বসে টুকটাক খবর টবর দেখি, সূর্যাস্তের ছবি পাঠাই মীনাক্ষীকে। ভাস্বতীদি বলেন নেটওয়ার্ক যেহেতু পাওয়া যাচ্ছে উনি একঘন্টার একটা অনলাইন ক্লাস করবেন। আমি পায়ে পায়ে রওনা দিই  খাবার ঘর লাগোয়া বসার ঘরের দিকে। সেখানে চা ও পেঁয়াজি  সহযোগে  দিব্বি আড্ডা জমে উঠেছে। এইসময়ই সহযাত্রীদের সাথে ভাল করে আলাপ হয়।  হাসি ও গল্পে কেটে যায় দুই আড়াই ঘন্টা। ইতিমধ্যে অল্প অল্প শীত লাগতে শুরু করেছে।  এক এক করে সবাই ঘর থেকে ঘুরে গায়ে কিছু চাপিয়ে আসেন।  খাওয়া দাওয়ার আয়োজন ভালই ছিল, রান্নাও ভালই। জম্পেশ খেয়েদেয়ে পরের দিনের প্রাতরাশের কথা বলে যেই কটেজে ফেরার জন্য ঘাসে পা দিই অমনি ম্যাজিক! মাথার উপরে তারায় তারায় ছয়লাপ আকাশ। আমরা দুয়েকজন দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে একে অন্যকে আঙুল দিয়ে দেখাই কালপুরুষ, লুব্ধক। সপ্তর্ষিমন্ডল খুঁজে পাই না। আর তো বিশেষ  কোন তারা চিনিও না। কতদিন পরে লুব্ধকের সাথে দেখা হল! হাঁ করে তাকিয়ে থাকতে দেখে লুব্ধক মুচকি হাসে, শিশির পড়ছে সুক্ষ্ম মিহি। ধীরে ধীরে ঘরে যাই, আঃ ঘুম। 
     

     
    খুব সকালে ঘুম ভাঙে শৈলেনদার ডাকাডাকিতে, ভাস্বতীদিকে ডাকছেন পাখি খুঁজতে যাবার জন্য। সকালটা রোদ্দুরে ঝকমক করে। স্নান টান সেরে চত্বরটা ঘুরে ঘুরে দেখি। প্রাতরাশে  ছিল পুরি তরকারি ডিমসেদ্ধ, কলা। এটাই মোটামুটি অরুণাচলে যে কটা জায়গায় গেলাম তাদের প্রাতরাশের তালিকায় প্রধান খাবার। রুটি, পাঁউরুটি, পরোটা ইত্যাদি প্রায় থাকেই না। খেয়েদেয়ে রওনা দেবান ফরেস্ট বাঙলোর উদ্দেশ্যে। মিয়াও থেকে দূরত্ব মাত্র ২৫ কিলোমিটার। আমাদের ট্রিপের প্রস্তুতিতে লেখা ছিল মিয়াওতে কোনো ওষুধের দোকান নেই, যদিও কাল দেখে মনে হয়েছিল মোটামুটি সদর মফস্বল। সেখানে ওষুধের দোকান না থাকাটা একটু আশ্চর্য।  সকালবেলা তাই আশেপাশে নজর রেখে চলি, কিন্তু নাহ একটা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র, প্রাইমারি ও সেকেন্ডারি স্কুল আর টুকিটাকি এটাসেটা জিনিষের দোকান চোখে পড়লেও ওষুধের দোকান সত্যিই চোখে পড়ে না। কিন্তু সত্যি নেই! নিশ্চিত হতে পারি না,  সহযাত্রীদের যাঁকেই জিগ্যেস করি তিনিই বলেন ‘কেন তোমার কী ওষুধ লাগবে?’ বাঙালি তো যেখানেই যায় বেশ  গুছিয়ে একটি ওষুধের বাক্স সঙ্গে নিয়ে যায়, কাজেই ...। মনে মনে ঠিক করি নাহ আবার এসে মিয়াওতে দুই তিনদিন থাকতে হবে। নোয়া ডিহিঙ নদীতে পা ভিজিয়ে হেঁটে বেড়াবো এদিক ওদিক। ইস্কুলে আসা বাচ্চা মেয়েগুলোর সাথে ভাব জমিয়ে গল্প করতে হবে।  ক্লাস ফাঁকি দিয়ে খাতার নীচে লুকিয়ে  গল্পের বই পড়ে কি ওরা? 
     
    মিয়াও ছেড়ে একটু এগিয়েই দেখা যায় নদীর উপরে নতুন ব্রিজ তৈরী হচ্ছে।  ব্রিজ আর তাতে ওঠার রাস্তা তৈরীর জন্য রাস্তা বন্ধ। গাড়ি দুটো দিব্বি একটু পিছিয়ে এসে গড়গড়িয়ে নেমে পড়ে নদীখাতে। ছোট বড় গোল লম্বাটে পাথরের উপর দিয়ে চলতে চলতে জল আসে, অল্প স্রোত দেখি। কিছু স্থানীয় মানুষ পিঠে বেতের ঝুড়িতে জিনিষপত্র নিয়ে ছপাৎ ছপাৎ করে হেঁটে পেরোচ্ছেন।  আমি আর দেবাশীস জল্পনা করি হেঁটে পেরোলে কেমন হয় এইটুকু। করিমভাই, আমাদের গাড়ির চালক জানান  জল খুব বেশী হলে কোমর পর্যন্ত  তবে স্রোতের টান আছে তাই অভ্যাস না থাকলে জলে  নেমে হেঁটে পেরোনর চেষ্টা না করাই ভাল। নদী পেরিয়ে রাস্তা ধরতে জঙ্গল কিছুটা  ঘন হয়ে আসে, এক জায়গায় সরু পায়েচলা রাস্তার পাশে বোর্ড দেখি ‘মতিঝিল’, তখন খুব গুরুত্ব দিই নি। এখন ঘেঁটে  দেখছি সেও এক ভারী সুন্দর জায়গা, একটু ঘুরে গেলেই হত। আবার জঙ্গল পাতলা হয়ে এসে  ছোট এক একতলা বাড়ি আর রাস্তাজুড়ে  বন্ধ গেটের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ে। ‘নামদাফা টাইগার রিজার্ভ’ অভয়ারণ্যের বনদপ্তরের  অফিস।  এখানে পার্মিট দেখিয়ে বিস্তারিত তথ্য লিখিয়ে অভয়ারণ্যের ফী দিয়ে ঢুকতে হবে। সঙ্গে DSLR ক্যামেরা থাকলে প্রতি ক্যামেরা দিনপিছু ৫০০/- আর ভিডিও ক্যামেরা হলে প্রতি ক্যামেরা দিনপিছু ১০০০/- টাকা জমা দিয়ে রসিদ নিয়ে ঢুকতে হয়। 
     

     
     

     
    করিমভাই, রমিজ , দুই চালক  আর দেবাশীস, রূপম  গেল সেসব আনুষ্ঠানিকতা সেরে আসতে।  আমি জানতাম না এখানেই ক্যামেরার ফি দিতে হয় ফলে অন্যদের মত এদিক ওদিক ফোনে ছবি তুলে বেড়াচ্ছিলাম, ক্যামেরার ব্যাগ  গাড়িতে সীটের নীচে শোয়ানো। ছোট একমেটে দপ্তরের  মস্ত জাবদা খাতায় সব লেখা হয়, একজন এসে তুলে দেন রাস্তার গেট। আমরা হুড়োহুড়ি করে গাড়িতে  উঠে রওনা দিই।  পরে জানতে পেরেছিলাম দেবাশীস আর শৈলেনদার ক্যামেরা গলায় ঝোলানো ছিল তাই দুটো ক্যামেরার ফি নিয়েছে। আমার ক্যামেরার কথা দেবাশীসের মনে ছিল না, অন্যরা জানতই না। আমার তারপরে  বাকী দুইদিন চিন্তা রইল হঠাৎ  বনরক্ষীরা ধরলে কী বলব? ফাইন নাহয় দিলাম কিন্তু কি লজ্জার ব্যপার বলুন দিকি! কেউ অবশ্য ধরে নি, একজন ছাড়া আর কোনও বনরক্ষীর দেখাও পাই নি। এরপরে রাস্তা পাহাড়ে উঠতে শুরু করল ঘুরে ঘুরে, জঙ্গলও তেমনি ঘন। এক জায়গায় রাস্তা দুইভাগ হয়ে একটা আরো একটু উপরের দিকে গেল, আমরা বাঁয়ে একটু নীচের রাস্তা ধরলাম। জিগ্যেস করে জানলাম  উপরের রাস্তাটা সোজা বিজয়নগর গেছে। দেখতে দেখতে এসে যায় দেবান ফরেস্ট বাংলো। নোয়া ডিহিং নদীর ধারে গোল দোতলা বাড়ি। উপরের তলায় ট্যুরিস্টদের থাকতে দেওয়া হয় না। আমাদের একটা নাকি দুটো ঘর এখানে, আর দুটো একটু পাশে ফরেস্ট ইকো হাট’এ।
     
    নামতে নামতে শুনি বেজায় ঘ্যাঁচাম্যাচা আওয়াজ করে ফরেস্ট বাংলোতে টাইলস বসানো কিংবা মোজেইকের কাজ হচ্ছে। রূপম তৎক্ষণাত সিদ্ধান্ত  নিয়ে ফ্যালেন যে এই আওয়াজে থাকা যাবে না।  ইকোহাটে চারটি ঘর, সবকটাই আমাদের দিতে বলেন। উপস্থিত  কেয়ারটেকার অল্প গাঁইগুই করে, আমাদের বুকিং তো নেই ওখানে। ঠিক হয় ১২ টা নাগাদ ফোনে হেড অফিসের সাথে কথা বলে ঘর পরিবর্তন হবে। একটা ঘর খুলে দেয় ওরা, কিন্তু আমরা কেউই ঢুকি না, এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াই।  এই ইকোহাট বনদপ্তরের অধীন হলেও অন্য একজন ইজারা নিয়ে চালান। রূপম ডাকাডাকি করেন অমিতদা ও অমিতদা, অমিত গগৈ।  চায়ের কথা বলতে বলতে জানা যায় অমিত ওঁর ছেলে, ওঁর নাম অনিল গগৈ। এই অনিলদাই দুইদিন আমাদের খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি দেখভাল করেছেন।  মানুষটা খুবই ভাল। শুধু এঁর র্যা ম (RAM ) একটু কম আছে সম্ভবতঃ। ইকোহাটের ঘরগুলো পাকা মাথায় ঢেউখেলানো টিনের চাল। এই ইকোহাট আর ফরেস্ট বাংলো একেবারে জঙ্গলের মধ্যে, ফরেস্ট বাংলোর মাঠটা তাও সমান করে ঘাসছাঁটা চারপাশে ফুলের গাছ টাছ বসানো। কিন্তু ইকোহাটের সামনের জমিও সম্পূর্ণ অসমান, একপাশে ডর্মিটরি,  আরো একটু এগিয়ে রান্না ও খাওয়ার জায়গা। তার পাশেই  একটু ফাঁক ফাঁক দিয়ে  অরূণাচলের ঐতিহ্যবাহী খড়ছাওয়া ঘর কয়েকটা। 
     
    রূপম জানান উনি ওই নদীর ধারের ঘরেই থাকবেন, বুকিং যেখানেই থাকুক না কেন। ওঁর জন্য ওই একটা ঘর খুলে দিতে। নদী? কই নদী কই? দেখি তো ... ঘরগুলোও ভারী লোভনীয় দেখতে বাইরে থেকে।   আমি আর মধুমিতা এগোই ঘরগুলো ভাল করে দেখতে। আমাদের কথাবার্তা ছাড়া আর কোন আওয়াজ নেই। চারিদিক এত নিস্তব্ধ যে নিজের স্বাভাবিক গলার  আওয়াজও নিজের কানেই অতি বেখাপ্পা জোরালো মনে হয়।  খানিকটা  এগিয়েই একেবারে স্থাণু হয়ে  যাই, একেই বলে শ্বাসরোধকারী  দৃশ্য। সেই কোন ছোটবেলায় কটক থেকে বাবা মায়ের সাথে পুরী গেছিলাম, ‘সমুদ্র দেখবি সমুদ্র দেখবি’  শুনতে শুনতে একগাদা দোকানপাটের মধ্যে দিয়ে প্যাঁকপ্যাঁকে হর্ন দেওয়া রিকশায় চেপে যেতে যেতে হঠাৎ মোড় ঘুরেই সে কি মঅস্ত নীল  বিশাল বিস্তীর্ণ একটা ব্যপার। অবিকল সেই বিপুল বিস্ময় বিমূঢ় অনুভূতি আবারও। যতদূর চোখ যায় পাথরভরা নদীখাত, নীল জল, দূরে মস্ত লম্বা লম্বা হলদেটে ঘাস, নদীর দুইপাড়ে ঘন সবুজ জঙ্গল আরো দূরে পর্বতশ্রেণি, খেয়াল করে দেখলে বরফচুড়োও দেখা যায়,  খুব  পরিস্কার চকচকে নীল আকাশ। চোখ কোথাও বাধা পায় না,  কি অপার অগাধ বিস্ময়! নদীর বুকে আলোছায়ার চিকিমিকি।    
     

     

     

    | | |
  • বিভাগ : ভ্রমণ | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ | ৩৬৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:b0b1:9445:165:70e4 | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ০০:৪২502670
  • পড়ছি। দারুণ লেখা + ছবি 
  • R.K | 120.20.91.145 | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ০৭:১৩502672
  • আপনার সাথে ঘুরে এলাম। 
    লিখতে থাকুন। 
     
  • Sara Man | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ২২:০৯502692
  • আমিও ঘুরছি সঙ্গে। 
  • reeta bandyopadhyay | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ২২:৫৪502695
  • ওরে বাবা....হঠাৎ দেখি শেষ, অপূর্ব তো.....পরের কিস্তির অপেক্ষায় রইলাম ।
  • kk | 68.184.243.198 | ১৫ জানুয়ারি ২০২২ ২৩:৪৩502699
  • নোয়া ডিহিং, বাঃ।
  • জয় | 82.1.126.236 | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ১০:১০502704
  • এই মিশমি-তিতাই কি প্রফেসর শঙ্কুর স্বর্ণপর্ণী গাছ- মিরাকিউরল বানান যা থেকে? 
    লেখারগুনে সত্যি মনে হচ্ছে পৌঁছে গেছি ওখানে। দারুন!
  • aranya | 2601:84:4600:5410:7955:1fa6:38b9:ccb8 | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ১২:৩১502708
  • অরুণাচলের জঙ্গল শুনেছি অনেকাংশেই ভার্জিন ফরেস্ট, তথাকথিত সভ্য মানুষের পা পড়ে নি এখনো । রোমাঞ্চকর 
  • dc | 122.164.73.203 | ১৬ জানুয়ারি ২০২২ ১৩:২২502709
  • ভালো লাগছে পড়তে। আর ছবিগুলো অসাধারন! এই সব জায়গায় ঘুরতে যাওয়ার মজাই আলাদা। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত মতামত দিন