• হরিদাস পাল  ধারাবাহিক  শরৎ ২০২১

  • শাড়ি চেনার রাফখাতা পর্ব ৩ঃ গরদ শাড়ি 

    Pubali Datta লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৭৪০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • পর্ব ১ | পর্ব ২ | পর্ব ৩
    পুজোর বাছাই হরিদাস পাল - পুপের খাতা!


    দশমীর বিকেল - জেম্মার হাত ধরে আমি চলেছি পাড়ার মোড়ে। ঢাকিরা কুড়কুড় শব্দ তুলেছে ঢাকে, কেমন যেন একটা অন্যরকম সুর কাঠির আগায় সেদিন- শুনলে নাচতে ইচ্ছে করবে, আবার মনও খারাপ করবে...। ঐ ওপরের বেদীটা থেকে নামিয়ে এনেছে দুর্গা ঠাকুর কে। জেম্মা উঠছে মইতে করে - যাতে সিংহ অসুর পেরিয়ে ও-ই উঁচুতে মেয়ের চিবুকখানি ছুঁতে পারে। হাতে থালায় সিঁদুর মিষ্টি, এক টুকরো মিষ্টি ভেঙ্গে মেয়ের মুখে ছুঁইয়ে দিল জেম্মা। আটপৌরে করে পরা শাড়িটা সামলাতে সামলাতে জেম্মা নেমে আসছে একটু দুঃখ দুঃখ মুখ নিয়ে। লাল টকটকে পাড়, ঢালা সাদা জমি - গরদ। পাড়ার মোড়ে দুর্গাপুজো হোক কি ঘরোয়া লক্ষ্মী পুজো, সেই বিশেষ বিশেষ দিনে ওই গরদ শাড়ি বেরোতে দেখি আলমারি থেকে। পুজো মানেই গরদ, গরদ মানেই পুজো - এই এমন একটা ধারণা নিয়ে কচি থেকে বড় হয়ে ওঠা আমি একদিন শুধু শুধুই গরদ কিনতে চাইলাম, এমনি এমনি পরবো বলে। খোঁজ মিলল - আমাদের পশ্চিমবাংলার রেশমের প্রাণকেন্দ্র মুর্শিদাবাদে- গনকড়ের কাছে গ্রাম মির্জাপুর।

     

    কীভাবে কোথা থেকে খোঁজ পেয়েছিলাম সে আর এখন মনে নেই। শুধু মনে আছে গুগল পর্দায় ভাসিয়ে তুলেছিল  মির্জাপুর হ্যান্ডলুম ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি- সাদামাটা একটি একতলা বাড়ি - কালো হলুদে লেখা "গরদ শাড়ি উৎপাদন ও বিক্রয় কেন্দ্র"। আরও কিছু সার্চ রেজাল্ট পাওয়া গেল যেখানে কিছু হ্যান্ডলুম এবং হ্যান্ডিক্রাফটস ওয়েবসাইট (যাদের কথা আগের পর্বে উল্লেখ করেছিলাম, যেমন - gocoop.com ) এই মির্জাপুরের সিল্ক বিক্রি করছে। আজকাল একটা সুবিধে হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া হয়ে - তা হলো কান টানলেই মাথা আসার মত একটা সুতো পেলেই সেটা টেনে টেনে অনেক কিছু খুঁজে পাওয়া যায়। এর কুফলও প্রচুর, তবে সেটা আজকের আলোচ্য বিষয় নয়। সে যাই হোক - এভাবেই অনলাইনে আমার আলাপ হলো এক অমায়িক মানুষের সাথে - সুব্রত কৈল্‌ঠ্যা । ইন্সটাগ্রামের মাধ্যমে আজকাল অনেক হস্তশিল্পী সরাসরি অনলাইনে তাঁদের শিল্পকলার প্রচার এবং বিক্রি করেন। ভাগ্যক্রমে সুব্রতবাবুর ইন্সটাগ্রাম হ্যান্ডলটি আমি খুঁজে পাই- উনি মির্জাপুর হ্যান্ডলুম ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির সাথে জড়িত এবং মির্জাপুর হ্যান্ডলুম সিল্ক প্রোডিউসার কোম্পানি লিমিটেডের ডিরেক্টর।

     

    প্রথম যোগাযোগ ইনস্টাগ্রামের মাধ্যমে হলেও বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই অনলাইনে হ্যান্ডলুমের কোন জিনিস কিনতে গেলে পরবর্তী কথোপকথন সচরাচর হোয়াটস্যাপের মাধ্যমে হয়। সুব্রত বাবুর সাথে এভাবেই হোয়াটস্যাপে কথাবার্তা শুরু হল একদম সাধারণ ক্রেতা হিসেবে- তখন এপ্রিলের গোড়ার দিক। তখন আমি সবে সবে আমার শাড়ির সিরিজটা ধরেছি - অসংখ্য প্রশ্ন মাথায় কিলবিল করছে। সুব্রতবাবুর পাঠানো ছবিগুলোর মধ্যে থেকে একটা দুটো শাড়ি পছন্দ করে দাম জানতে চাইলাম আর কিন্তু কিন্তু করে ওনাকে জিজ্ঞেস করেই ফেললাম যে- গরদ মানে আসলে কী জিনিস? কড়িয়াল গরদই বা কী বস্তু? ইত্যাদি। সুব্রতবাবু প্রশ্নের আতিশয্যে বিরক্ত তো হননিই - উপরন্তু উনি উৎসাহের সঙ্গে আমাকে জানাতে শুরু করলেন কয়েকশো বছরের পুরনো এই শিল্পের ইতিবৃত্ত। 

     

    প্রথমত গরদ শাড়ি হতেই হবে খাঁটি রেশম সুতোয় বোনা। আমাদের ভারতবর্ষে চার রকমের প্রাকৃতিক সিল্ক মেলে - মালবেরী সিল্ক যা রেশম চাষ করে আহরণ করা যায়;  এছাড়া তিন রকমের বন্য রেশম - তসর, এরি এবং মুগা। গরদ শাড়ির টানা পোড়েন (আড়ে বহরে) দুদিকেই থাকবে মালবেরী সুতো। মোদ্দা কথা গরদ হল বাঙালিদের আপন হাতে তৈরী "পিওর সিল্ক"। সেই বৈদিক যুগ থেকেই হিন্দুদের মধ্যে একদম খাঁটী রেশমবস্ত্র পরে পুজোআর্চার চল ২,৩। এবার আদিকাল থেকে, ব্রিটিশ আসারও অনেক আগেই রেশম চাষ থেকে শুরু করে সুতো পাকানো, রং করা, কাপড়-ধুতি-উত্তরীয়-রুমাল বোনা ইত্যাদি সমস্তই হত আমাদের অবিভক্ত বঙ্গদেশে; মূলত তৎকালীন মুর্শিদাবাদ-মালদা-বগুড়া-রাজশাহী অঞ্চলে। সে অবশ্য ভারতের আরও কিছু জায়গাতে হত। কিন্তু মুর্শিদাবাদের ক্ষেত্রে বিশেষ ব্যাপার ছিল ঐ অঞ্চলের রেশম বয়নশিল্পীদের মধ্যে হিন্দু প্রাধান্য আর জলপথে যোগাযোগের সুবিধা। ইসলাম ধর্মে খাঁটী রেশম পরা নিষেধ; কাজেই দেশের অন্য রেশম বয়নকেন্দ্র গুলিতে মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যা বেশী থাকায় সেখানে পিওর সিল্ক বোনার পরিমাণ ছিল কম, অন্য সুতোর মিশেলে বোনা হত। ফলে মুর্শিদাবাদের বোনা গরদের চাহিদা ছিল দেশজুড়ে এবং দেশের বাইরেও। ১৬০০ সালের আশেপাশে ওলন্দাজ ব্যবসায়ীরা প্রথম বাংলার রেশম এশিয়া আর ইউরোপে বিক্রি করতে শুরু করে, তার কিছুদিন পরেই যোগ দেয় ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি। এইসবই পাই ১৯০৩ সালের এক রিপোর্টে। বর্তমানে মুর্শিদাবাদ অঞ্চলে হিন্দু তাঁতির সংখ্যা বেশী হলেও তাঁদের পাশাপাশি রেশমগুটি থেকে সুতো বের করার কাজে অক্লান্ত পরিশ্রম করেন অজস্র মুসলিম ধর্মাবলম্বী মানুষ।  

     

    সুব্রতবাবু জানালেন পিওর মালবেরী সিল্ক ছাড়াও আজকালকার গরদ শাড়ির আরেকটি বৈশিষ্ট্য হল ভেলভেট পাড় - সামনের দিকে জেল্লাদার, উল্টোদিকে সামান্য ম্যাট ফিনিশ। এইরকম পাড় বুনতে গেলে ব্যবহার করতে হয় ৪*১ ট্যুইল টেকনিক। মজার কথা হল কোভিড পূর্ব সময়ে যা আমার এবং আরও অনেক মেয়ের প্রায় জাতীয় পোশাক ছিল অর্থাৎ ডেনিম জিন্স- তা বোনা হয় এই ট্যুইল পদ্ধতিতে; আবার পুজোর সময় যখন হাজার আলসেমি অনায়াসে কাটিয়ে আলমারিতে মা-জেঠিমার গরদের দিকে চোখ যায়- সেখানেও এই একই বয়নপদ্ধতির ছোঁয়া! আর আজ বলে নয়, ব্রিটিশ যুগে ১৯০৩ সালের এক নথিতেও উল্লেখ পাচ্ছি মুর্শিদাবাদে ট্যুইল উইভিং-এ বোনা গাউনের (ছবি ১, বাঁদিকে)। হালফ্যাশনের জিন্স আর একশো বছরেরও বেশী আগের গাউন- দুটিতেই দেখা যাবে সরু সরু কোণাকুণি দাগ - এই ডায়াগনাল রেখা দেখে চেনা যাবে ট্যুইল উইভিং। ডানদিকে দেখা যাচ্ছে ২*১ ট্যুইল - "ক" সারিতে আড়াআড়ি সুতো গেছে ১-২ এর তলা দিয়ে, আবার ৩ ছেড়ে ৪-৫ এর তলা দিয়ে। আবার "খ" সারিতে পুরো জিনিসটা একঘর শিফট করে গেছে - ২-৩, তারপর ৫-৬ - এইভাবে চলেছে। যার ফলে কোণাকুণি পর পর রেখা তৈরী হচ্ছে কাপড়ে যা নীল দাগ দিয়ে দেখানো হয়েছে। তাহলে যা দেখা যাচ্ছে মুর্শিদাবাদের রেশমশিল্পীদের সেই কবে থেকেই ভারতের হ্যান্ডলুমের ম্যাপে উজ্জ্বল উপস্থিতি।     

     

     

    পুজোর অনুষঙ্গের কারণেই ঐতিহ্যগতভাবে গরদ হয় সাদা। ছেলেদের সাদা গরদের ধুতি; মেয়েদের জন্য সাদা ঢালা জমির শাড়ি, তাতে টকটকে লাল পাড়। এই টকটকে লাল রঙের পাড় হল মির্জাপুরি "কড়িয়াল" গরদের স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য - এই কড়িয়াল গরদ অন্যান্যদের থেকে আরও একটু আলাদা, আরও বেশী স্পেশাল। আমি আগে  কড়িয়াল বেনারসির কথা শুনেছিলাম, কিন্তু কড়িয়াল গরদের কথা আমি সুব্রতবাবুর কাছেই প্রথম জানতে পারি। কড়িয়াল হলো এক ধরণের বয়নপদ্ধতি। সুবিধের জন্য সঙ্গের ২ নম্বর ছবি দেয়া হল। 

     

    ছবির বাঁদিকে রয়েছে একটি কাল্পনিক শাড়ি। শাড়ির উপরের অংশে দেখা যাচ্ছে প্লেইন উইভিং-এ পোড়েনের সাদা সুতো শাড়ির পাড়েও উপস্থিত, ফলে লাল-সাদায় মিশে পাড় ফ্যাকাসে লাল। তার একটু নিচে দেখছি যে টানা পোড়েন দুটিতেই লাল সুতো থাকলে পাড় টকটকে লাল, কিন্তু সে ক্ষেত্রে শাড়ির জমিতেও লাল সুতো থাকছে। এইবার ডানদিকে দেখানো হয়েছে কিভাবে ধবধবে সাদা জমিতে টকটকে লাল পাড় হবে? পোড়েনে থাকবে তিনটে সুতো, পাড় আর জমির সীমারেখায় তারা শিকলের মত করে সংযুক্ত থাকবে। ফলে জমির সাদা বা আর যে রঙেরই সুতো হোক - তা পাড়ে মিশবে না - এই হল কড়িয়াল বোনার গোড়ার কথা। দক্ষিণভারতে, তামিলনাড়ুর থাঞ্জাভুরের দিকেও এই ধরণের বয়নপদ্ধতির খোঁজ পেলাম, সেখানে এর নাম কোরভাই। 

    কোরভাইয়ের ভিডিও - 

     

    মির্জাপুরের কড়িয়ালের ভিডিও -

     

     

    দক্ষিণভারতে যেখানে নিদেনপক্ষে দুইজন শিল্পীর দরকার পড়ছে পোড়েনের তিনটে সুতো সামলাতে, সেখানে আমাদের বাংলার কড়িয়াল গরদ বুনতে একজনাই যথেষ্ট! কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে মুনশিয়ানার সাথে এইরকম গরদ বুনতে পারেন এমন আর চারজন কারিগরই অবশিষ্ট আছেন মির্জাপুরে- গোরাচাঁদ বৈদপুর আর গোপাল দত্ত এমনই দুই কড়িয়াল শিল্পীর নাম। কোরভাইয়ের মতই বিলুপ্তির পথে পা বাড়িয়েছে বাংলার বয়নশিল্পের এই সম্পদ৬, ৮ । এরই মধ্যে সুব্রতবাবুর মত কিছু মানুষ চেষ্টা করে চলেছেন নানাভাবে - মডেল দিয়ে শাড়ির ফোটোশ্যুট করিয়ে বা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করে বিক্রি বাড়ানোর চেষ্টা, মির্জাপুরের তাঁতশিল্পের উন্নতিকল্পে সরকারি সাহায্য এবং বিনিয়োগের ব্যবস্থাপনা, কড়িয়াল বয়নপদ্ধতির জি. আই ট্যাগের আবেদনের জন্য কাঠখড় পোড়ানো ইত্যাদি। এই জি. আই ট্যাগ বা জিওগ্রাফিকাল ইন্ডিকেশন ট্যাগ হলো কোন বিশেষ দ্রব্য বা শিল্পকে একটি ভৌগোলিক অঞ্চলের বৈশিষ্ট্য হিসেবে নথিভুক্ত করা, যেমন ধরা যাক- দার্জিলিং চা কিংবা বাংলার নকশিকাঁথার জি আই ট্যাগ আছে। এই অঞ্চলের বাইরে তৈরী অনুকরণকে এই নামে ডাকা বেআইনি। সুব্রত বাবু যে মুশকিলে পড়েছেন তা হল বংশপরম্পরায় চলে আসা এই কড়িয়াল পদ্ধতির কোন প্রামাণ্য ইতিহাসের হদিশ দিতে পারছেন না কেউ। জনশ্রুতি আছে যে মুঘল দরবারেও এই কড়িয়াল গরদের খ্যাতি ছিল, কিন্তু জি আই ট্যাগের জন্য কেবল জনশ্রুতি যথেষ্ট নয়।

     

    লাল-সাদা কড়িয়াল ছাড়াও গরদের অন্য আরও কতগুল নক্সা হল - আঁচলবুটি, টিকি সাটিন, জামদানি, ফাঁকি ইত্যাদি। এখন রঙ্গিন গরদ বোনা শুরু হয়েছে যুগের চাহিদার সাথে তাল মেলাতে। কয়েক বছর হল ঢুকেছে সিংগল  জাকার্ড এবং ডাবল জাকার্ড লুম, মিহি সূক্ষ্ম কারুকাজ আর মিনাকারীর কাজ রেশমের ওপর ফুটিয়ে তুলতে। সুব্রতবাবুকে প্রশ্ন করে করে ওনার মাথা ধরিয়ে দেবার পর আমি ওনার থেকে কিনেছিলাম দুটি শাড়ি যা খুব যত্ন সহকারে প্যাক করে উনি পাঠিয়েছিলেন রিষড়ার বাড়িতে। একটি লাল সাদা সাবেকী কড়িয়াল গরদ আমার এবং অন্যটি ডাবল জাকার্ডে বোনা মিনাকারী কাজের একটি নীল আধুনিক গরদ মায়ের জন্য।

    নীচে রইলো তার ছবি- 

     

     


    জাকার্ড লুমে কিভাবে কাপড় বোনা হয়, আর মির্জাপুরের রেশমশিল্প নিয়ে পুরনো দিনের পুঁথিপত্র আর কী চমক লুকিয়ে রেখেছে সে গল্প হবে আরেকদিন। 

     

    সুব্রত বাবুর ইনস্টাগ্রাম এবং ফেসবুক পেজ :

    https://www.instagram.com/kailthyahandloom/

    https://www.facebook.com/kailthyahandloom

    Whatsapp যোগাযোগ- +91 79087 53198



    তথ্যসূত্রঃ 

    ১। মির্জাপুর হ্যান্ডলুম ক্লাস্টার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি

    ২। Mookerji, Baboo Nitya Gopal, “The Silk Industries Of Moorshedabad”. The Journal of Indian Art, 1886-1916; Jan 1894; 5, 38-45. 

    ৩। Mukerji, Nitya Gopal. A Monograph on the Silk Fabrics of Bengal. India: Bengal secretariat Press, 1903. 

    ৪। Guha, S. C., ‘Silk Industry of Malda and Murshidabad from 1660 to 1833’, N.L. Publishers, Siliguri, 2003. 

    ৫। “The story of revival of Korvai silk saris”, August 2020  

    ৬। “ফুলিয়া থেকে বিষ্ণুপুর, সর্বত্রই শাড়িতে নতুনত্ব”,  17 October 2015  

    ৭। "Understanding Raw Denim: Warp, Weft and Twill", August 2011  

    ৮।লুপ্ত গরদ করিয়াল শাড়ি, Oct 17 2018. 

     

     

     

    পর্ব ১ | পর্ব ২ | পর্ব ৩
  • আরও পড়ুন
    রণছোড় - Chayan Samaddar
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ২৬ অক্টোবর ২০২১ | ৭৪০ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • santosh banerjee | ২৬ অক্টোবর ২০২১ ১৩:৪৫500223
  • ছোট যখন , তখন না বুঝে গরদ কে "গারদ" বলতাম আর মা বলতেন "গারদ" না ওটা "গরদ"!! জিগ্যেস করি এই গরদ কথা টার মানে কি ?
  • Pubali Datta | ২৬ অক্টোবর ২০২১ ১৪:৪৮500225
  • সংসদ অভিধানে বলছে 
    গরদ garada বি. (সচ. ঘি রঙের) রেশমি কাপড়বিশেষ। [দেশি]।
    কিন্তু এর বাইরে এই শব্দের ব্যুৎপত্তি নিয়ে আমার কিছুই জানা নেই। 
  • | ২৬ অক্টোবর ২০২১ ১৮:৫৬500235
  • খুব ভাল হয়েছে  এই লেখাটা পুপে। বেশ অনেক তথ্য নির্ভার গদ্যে দেওয়া, দিব্বি উপযোগী আবার পড়তেও ভাল। 
  • রমিত চট্টোপাধ্যায় | ২৬ অক্টোবর ২০২১ ২৩:০৯500258
  • এই লেখাটা ভীষণ জরুরি। আজকাল শাড়ির এমন লোকঠকানো কারবার শুরু হয়েছে যে বলার মতো নয়।
  • Pubali Datta | ২৭ অক্টোবর ২০২১ ০০:০৩500263
  • থ্যাঙ্কু দমদি। অনেকগুলো পুরনো বই পেয়েছি।বাংলার সিল্ক ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে লেখা। খুব ইন্টারেস্টিং। 
    রমিতবাবুকেও ধন্যবাদ। এই গরদ ব্যবসায়ীদের থেকেই শুনছিলাম যে সুরাটে সস্তার নকল বানিয়ে বানিয়ে হ্যান্ডলুম ইন্ডাস্ট্রিকে শেষ করে দিচ্ছে।  
  • hu | 2603:6011:6506:4600:8419:6c2c:cd95:d68a | ২৭ অক্টোবর ২০২১ ০৩:১৯500264
  • এই সিরিজটি অত্যন্ত ভালো হচ্ছে। অনেকদিন পরে পরে আসছে, কিন্তু প্রতিটি পর্বই জমিয়ে রাখার মত। টেকনিকাল বিষয়গুলি এত সহজ ভাবে বোঝানো হয়েছে যা বিশেষ প্রশংসার দাবী রাখে।
  • স্বাতী রায় | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০০:৩৯500295
  • দক্ষিণভারতে গিয়ে কলাক্ষেত্রতে দেখেছিলাম একই সঙ্গে শাড়ী বোনা হচ্চে,তৈরি হচ্ছে  আবার বিক্রি হচ্ছে। মনে হয়েছিল লোকের কৌতূহল তৈরি আর অর্থ উপার্জন দুয়ের জন্য ভারি ভাল ব্যবস্থা। আমাদের রাজ্যে  পর্যটক বান্ধব এমন কোন ব্যবস্থা আমি দেখিনি।  হলে মন্দ হত না।   ...পর্ব ৩ পড়তে গিয়ে ১ আর ২ ও আবার পড়ে এলাম। খুব সুন্দর লেখা। 
  • প্রশ্ন | 151.197.224.113 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৫:০৬500299
  • "লাল-সাদা কড়িয়াল ছাড়াও গরদের অন্য আরও কতগুল নক্সা হল - আঁচলবুটি, টিকি সাটিন, জামদানি, ফাঁকি ইত্যাদি। এখন রঙ্গিন গরদ বোনা শুরু হয়েছে যুগের চাহিদার সাথে তাল মেলাতে। কয়েক বছর হল ঢুকেছে সিংগল  জাকার্ড এবং ডাবল জাকার্ড লুম, মিহি সূক্ষ্ম কারুকাজ আর মিনাকারীর কাজ রেশমের ওপর ফুটিয়ে তুলতে।"
    ইসে, বলছিলুম কি, ​​​​​​​মেয়েরা ​​​​​​​নয় ​​​​​​​জন্মসূত্রেই ​​​​​​​এই ​​​​​​​সব ​​​​​​​নক্সার ​​​​​​​কথা ​​​​​​​জানে, ছেলেরা ​​​​​​​বেচারা ​​​​​​​কি ​​​​​​​করে? ​​​​​​​সংসদ ​​​​​​​অভিধানে ​​​​​​​কি ​​​​​​​পাওয়া ​​​​​​​যাবে? 
    অবশ্য এরকম খেটেখুটে এত ভাল লেখা নামাবার পরে আমায় কেউ এমন কোশ্চেন করলে খচেই যেতাম। 
     
  • Pubali Datta | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৫:১১500300
  • ধন্যবাদ স্বাতীদি। আমাদের রাজ্যে এরকম কোন উদ্যোগের খোঁজ আমিও পাইনি। তবে প্রতিবেশী ওড়িশাতে বেসরকারি উদ্যোগে কিছু কিছু কাজ হচ্ছে এরকম, যেমন এই ট্রাভেল কোম্পানিটি - https://m.facebook.com/TreasuredHolidays/?ref=page_internal&mt_nav=0 
  • Pubali Datta | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৫:১৬500301
  • আচ্ছা, শুধু ওড়িশা নয়, সারা ভারতেই ওঁরা এমন ট্যুর করান। এই মহিলার কোম্পানি - 
  • Pubali Datta | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৫:৪১500302
  • @প্রশ্ন, না না প্রশ্ন অবশ্যই করুন। খচে যাবার কিছু নেই। ছেলে মেয়ের ব্যাপার তো নয়ই (আর জেন্ডার ব্যাপারটা তো এরকম বাইনারিও নয়, তাই না?), আগ্রহের উৎসাহের ব্যাপার। প্রসঙ্গত মাত্র ছয় মাস আগেই হ্যান্ডলুম কাকে বলে তাইই আমি জানতাম না :-( । আমার লেখায় উল্লেখ করা নক্সাগুলোর মধ্যে মিনাকারী, জাকার্ড আর জামদানি বাদে বাকিগুলো আমিও জানি না। ওগুলো সুব্রতবাবুর থেকে যেমন শুনেছি তেমন লিখেছি। সময় করে দেখতে হবে খুঁজে যে এই নক্সা গুলো কেমন দেখতে।
    নীল শাড়ির ছবিতে কলকার মাঝে দেখুন ছোট্ট ছোট্ট অন্য রং দিয়ে কাজ করা আছে, ওগুলো মিনাকারী। শাড়ির ক্ষেত্রে কথাটা ব্যবহার হচ্ছে বটে, কিন্তু অরিজিন অন্য- https://en.m.wikipedia.org/wiki/M%C4%ABn%C4%81k%C4%81r%C4%AB 
    জামদানি ডিজাইন - 
    জাকার্ড লুম - 
  • hu | 174.102.66.127 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৬:১০500304
  • মেয়েদের জেনেটিক কোডে শাড়ির নকশা ভরা থাকে বুঝি? বায়োলজিতে আমি খুবই কাঁচা। 
     
    পূবালীর লেখাটা পড়ে প্রথমবারে লিখব ভেবেছিলাম - আশা করি এই লেখাটা দেখে গুরু কি সানন্দা হয়ে গেল জাতীয় তির্যক মন্তব্য আসবে না। তারপর ভাবলাম কেন শুধু শুধু বাইনারীতে ঢুকবো! সেই এসেই গেল।
  • প্রশ্ন | 151.197.224.113 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৬:২৬500308
  • পূবালি/ পুপেকে অনেকানেক ধন্যবাদ। 
     
    ধন্যবাদ একারণে আরো বেশি যে মেয়েদের জেনেটিক কোডে না থাকলেও কালচারাল কোডে এসব লেখা থাকে। তাদের নিজস্ব সোর্স ঢের ঢের বেশি এসব জানার জন্য। আর বাঙ্গালি ছেলেরা  মেয়েদের কাছে এসব নিয়ে জানতে গেলে যা প্রেসার সামলাতে হবে - তা নিশ্চয়ই জানেন। তো, এই যে মাছ ধরার পদ্ধতিটা শিখিয়ে দিলেন তা কাজে লাগবে। 
     
  • Pubali Datta | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৭:০০500310
  • সত্যি কথা বলতে গত ক'মাসে আমি যা শিখেছি সবকিছুরই সূত্র ইন্টারনেট। পুরনো নথি, বই, নানারকম ব্লগ, ইন্সটাগ্রাম ইত্যাদি। এবং সুব্রতবাবুর খোঁজ পাবার পরে একটি ঘণ্টা দেড়েকের ফোনকল - সেটিও হোয়াতস্যাপ কল, কাজেই আবারো ইন্টারনেট। এই সিরিজের লেখা গুলোর কোন তথ্যই আমি আমার মা-জ্যেঠিমা-ঠাকুমা দের থেকে পাইনি (যদি "নিজস্ব সোর্স" বলতে তাই হয়, তবে মা-জেঠিমা তো ছেলেদের-ও থাকে)। তাঁরা আমার থেকে এখন শাড়ির গল্প শুনতে চান, ভালবাসেন শুনতে; কারণ তাঁরা নিজেরা আর ৫ জনের মত শাড়ি কিনেছেন পরেছেন, কোনদিন তার ইতিহাস ভূগোল জানার চেষ্টা করেন নি, উপায়ও (ইন্টারনেট) ছিল না। বরং আমার বাবার কাছ থেকে আমি জাঙ্গিপাড়া ক্লাস্টারের তাঁতশিল্প নিয়ে অনেক কিছু জানতে পেরেছি, কারণ আমার বাবা কর্মসূত্রে ঐ অঞ্চলে রোজ যাতায়াত করতেন। এমনকি সুতোর কাউন্ট, মোটিফ হুগলী জেলার কোন ক্লাস্টারে কিভাবে আলাদা - তাও বাবা গল্প করে বলেছেন বিভিন্ন সময়ে। 
     
    এবার বাবার সহকর্মীরা অনেকেই এই বিষয়ে কিচ্ছুটি জানেন না, হয়তো ওনারা "মেয়েদের কালচারাল কোড" ইত্যাদি ভেবে বসে আছেন। বাবা জেনেছেন নিজের কৌতূহলের বশে - যেমন আমি জেনেছি। আমার লেখাগুলিতে তথ্যসূত্র থাকে, যে কোন মানুষই সেইসব খুঁজে পেতে পড়লে আমি যা যা জানি সেসবই জানতে পারবেন। এখানে কালচারাল কোড আর নিজস্ব সোর্সের ভূমিকা নগণ্য। 
  • Pubali Datta | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৭:০২500311
  • "আর বাঙ্গালি ছেলেরা  মেয়েদের কাছে এসব নিয়ে জানতে গেলে যা প্রেসার সামলাতে হবে - তা নিশ্চয়ই জানেন।" - হ্যান্ডলুম নিয়ে অল্প স্বল্প জানলেও এই বিষয়ে আমি সত্যিই কিচ্ছু জানি না! 
  • প্রশ্ন | 151.197.224.113 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৭:০৬500312
  • এই তথ্যগুলো অবশ্যই কনফি দিল 
  • | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ০৯:৪৫500319
  • স্বাতী আর পুপে, 
    ক্রেজি নেচার আনলিমিটেড এরকম ট্যুর করানোর চেষ্টায় আছে। শুধু শাড়ি নয় অন্যান্য হস্তশিল্প ও ক্ষুদ্রশিল্প নিয়েও  প্ল্যান আছে। প্যান্ডেমিক ও সদস্যদের নানাবিধ ব্যস্ততাতে ঘেঁটে যাচ্ছে, কিন্তু হবে। 
     
    ওরঙ্গাবাদে  পৈঠানির কাজ এরকম দেখে পাশ থেকে কেনা যায়। 
  • | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১১:০৫500322
  • মেয়েদের কালচারাল কোডে শাড়ির বুননতত্ত্ব লেখা থাকে! বাপস! 
    (কতরকমের যে অন্ধত্ব আর গোঁড়ামি হয়!)
  • প্রশ্ন | 151.197.224.113 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১৭:৩৯500348
  • এটাকে শাড়ির টেকনিকাল টই হিসেবে দেখছি। জেন্ডার স্টাডিস,  শাড়ি,  ছেলেরা ও মল্লিকা সেনগুপ্ত নিয়ে ভাটে শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব - একটু শুধু সময় পাই। 
     
    কিন্তু পৈঠানি কি? মেটিরিয়াল, না বুননের রকমফের? 
  • প্রশ্ন | 151.197.224.113 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১৮:৩৩500351
  • আচ্ছা, উইকি বলছে পৈঠানি হল ডিজাইন - মানে, বুননের কায়দা - এমনই ধরা যায়। কিন্তু নাম এসেছে জায়গার নাম থেকে। 
     
    কিন্তু এখন তো ডিজাইনের গ্লোবালাইজেসান। এবার ইউ পির কোন তাঁতি ঐ ডিজাইনে কাজ করলে তাকেও কি পৈঠানিই বলব? পৈঠানি প্লেসহোল্ডার ধরে নিন। 
  • | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১৯:০৬500352
  • ফেসবুক থাকলে এখানে দেখতে পারেন। পৈঠানি হিমরু আর মশরু সামান্য কিছু তথ্য আছে। ল্যাদ খেয়ে বাকীটা আর লেখা হয় নি। 
     
    এগুলো জিগ্যেস করেই জেনেছি। জিনকোড কালচারকোড কোত্থাও কিস্যু ছিল না। :-) 
     
     
  • প্রশ্ন | 151.197.224.113 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১৯:২৯500353
  • অতি ভাল লেখা। 
    কিন্তু দাবি হচ্ছে, ও লেখা এখানে কেন থাকবে না?! 
     
    পুপে দিদিমনি যখন পৈঠানিতে আসবেন (উহা যদি উনার স্কোপে থাকে) তখন আরো তথ্য পাওয়া যাবে। 
  • প্রশ্ন | 151.197.224.113 | ২৮ অক্টোবর ২০২১ ১৯:৫৯500354
  • পুপে দিদি যখন কাজ করছেই, আরো প্রশ্ন রেখে যাইঃ মেশিনে বোনা আর হাতে বোনা - ফারাক করব কিভাবে? 
     
    পৈঠানির একটা ভিডিও দেখ্লাম - মেশিনে বোনা, এবং সেমি মেশিনে বোনা, হলে দুদিকে একই রকম কাজ হবে না। উল্টো দিকে সুতো বেরিয়ে থাকবে।  কিন্তু, হাতে বোনা হলে, দেড় থেকে সাড়ে তিন মাস অবধি সময় নিতে পারে, উল্টোপিঠেও একই রকম ডিজাইন থাকবে। 
     
    তো, এইটে কি সব মেটিরিয়াল বা সব ধরনের ডিজাইনের জন্য সত্য? 
  • Pubali Datta | ২৯ অক্টোবর ২০২১ ১০:৫৯500378
  • @প্রশ্ন, এই সিরিজের ২ নম্বর পর্বে সংক্ষেপে মেশিনে বোনা আর হাতে বোনার ফারাকের ব্যাপারটা লেখা আছে। পৈঠানির জন্যে যেভাবে চেনা যাবে, অন্য ডিজাইনের জন্য সেটা প্রযোজ্য না-ও হতে পারে। ওটা নির্ভর করবে কী নক্সা তার ওপর। মেটিরিয়াল চেনার ক্ষেত্রেও ফারাক থাকার কথা। যেমন আমি ইউটিউবে দেখেছি যে সিল্ক পরখ করার জন্য আঁচলের শেষে যে সুতো বেরিয়ে থাকে সেই একটু কেটে নিয়ে পুড়িয়ে দেখে যে একদম ভুস করে জ্বলে ছাই হয়ে গেল কি না। অবশেষ থাকলে পিওর সিল্ক নয়। তবে এটা আমি নিজে পরীক্ষা করে দেখি নি।  
  • Sara Man | ২৯ অক্টোবর ২০২১ ২৩:৪০500398
  • আপনার সিরিজটি আগ্রহ নিয়ে পড়ছি। আমি বিষ্ণুপুরের বালুচরী শাড়ি নিয়ে ডক্টরেট করেছিলাম, সে অনেকদিন হয়ে গেল। হ‍্যান্ডলুম, মেশিন লুমের কাজিয়া পড়লাম। তবে থার্ড পার্টি খাদিকেও ধরবেন। গরদে টানা, পোড়েন দু দিকে মালবেরি সিল্ক সুতো থাকে, তবে সেটা single thread. নতুন রঙীন গরদের যে ছবি দিয়েছেন, তা যদি জ‍্যাকার্ডে বোনা হয়, তবে তা twined thread হওয়া উচিত। সেটা হলে শাড়িটা আর ট্রাডিশনাল গরদ বলা যায়না। ওটা হল গরদ শিল্পীর হাতে বোনা বাহারি সিল্ক শাড়ি। রেশম গুটি গরম জলে সেদ্ধ করে পায়ের ঊরুতে ঘষে ঘষে মেয়েরা সুতো বানান, রঙ করেন, রিলিং করেন। সেই হাতে তৈরি সুতোয় হস্তচালিত তাঁতে বোনা শাড়ি হল খাদি সিল্ক। মেশিনে তৈরি সুতো হস্তচালিত তাঁতে বোনা হলে, তাকে বলে হ‍্যান্ডলুম শাড়ি। মেশিনে তৈরি সুতো মেশিনে বোনা হলে তাকে বলে পাওয়ার লুম শাড়ি। শাড়ি নিয়ে কাজ করছেন, তাই আপনাকে ধন‍্যবাদ।
  • Pubali Datta | ৩০ অক্টোবর ২০২১ ০০:০০500400
  • @sara man আপনার মন্তব্য খুব ভালো লাগলো, নতুন কিছু শিখলাম। আমি শাড়ি নিয়ে কাজ ঠিক করছিনা, কিছুটা শখের পড়াশোনা আর কিছুটা শাড়ির সংগ্রহ তৈরী করা বলতে পারেন। আপনার ডক্টরেট থিসিসটি পড়তে পাওয়া গেলে খুব ভালো হয়। ধন্যবাদ জানবেন। 
  • Sara Man | ৩০ অক্টোবর ২০২১ ০০:০৩500401
  • কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে শোধ গঙ্গায় আছে।  Author Sarada Mandal 
  • Pubali Datta | ৩০ অক্টোবর ২০২১ ০০:৪২500402
  • খুঁজে পেয়েছি। থ্যাঙ্কিউ! 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খারাপ-ভাল মতামত দিন