এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  রাজনীতি

  • রাম্মিডিয়া

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৬ মে ২০২৪ | ৪৬২ বার পঠিত
  • বিখ্যাত ঐতিহাসিক রঙ্গনা রানাকৌতের মতে, মিডিয়া আবিষ্কার হয় ভারত স্বাধীন হবার কুড়ি বছর আগে। তার আগে ছিল প্রস্তরযুগ। লোকে শিকার করে আমিষ খেত। ইন্টারনেট এবং কেবল টিভি আবিষ্কার করার উদ্দেশ্য ছিল, এই অন্ধকার থেকে মানুষকে আলোর দিকে নিয়ে আসা। কিন্তু তৎকালীন কেন্দ্রীয় সরকারের অপদার্থতার ফলে, কাজটা করা যায়নি। ইন্টারনেট আবিষ্কারের পরও দেখা যায় মানুষকে কষ্ট করে ভেবে-ভেবে গুগল সার্চ করতে হচ্ছে। এমনকি টিভি চালালেও উঠে উঠে চ্যানেল বদলাতে হচ্ছে। বনে বনে ঘুরে শিকার করার থেকে কাজটা কম কষ্টের নয়।

    সেই সময়ের সরকার এই কষ্ট লাঘবে একেবারেই আগ্রহী ছিলনা। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে মার্কিন দেশে জুকু নামে এক মহাপুরুষের জন্ম হয় এই সময়। তিনি ভারতের গুজরাতে এসে এক গভীর জঙ্গলে বোধিবৃক্ষের তলায় বসে সাধন করছিলেন। এমন সময় তাঁর মাথায়  জ্ঞানবৃক্ষের এক আধখাওয়া আপেল এসে পড়ে এবং তিনি সোশাল মিডিয়া, হোয়াটস্যাপ এইসব জিনিস আবিষ্কার করে ফেলেন। তারপরই পৃথিবী বদলে যায়। দেখা যায়, মানুষকে কষ্ট করে আর কিছু খুঁজতে হচ্ছেনা। সবই ফিড নামে নাকের ডগায় এসে হচ্ছে। কষ্ট করে মত দিতে হচ্ছেনা, লাইক নামক এক যাদুদৈত্য সেই কাজ করে দিতে হাজির। পৃথিবীতে বিপ্লব হয়ে যায়, লোকে এতদিন কী ভ্যান্তরা করছিলাম ভেবে কেন্দ্রীয় সরকারকে গাল দিতে থাকে। সেই থেকে জংগলটার নামই হয়ে যায় ভ্যান্তারা। এখন সেটা একটা আশ্রম। সেখানে হাতি, ঘোড়া, খচ্চোর ইত্যাদিদের চিকিৎসা হয়।

    এই সময়, ওই গুজরাতেই জন্মান ভারতের সর্বশ্রেষ্ঠ স্বাধীনতা সংগ্রামী তথা সাধক, যাঁর নাম উনিজি। জীবনের গোড়ায় তাঁকে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে। তাঁর সঙ্গে অস্পৃশ্যের মতো আচরণ করা হয়েছে। একবার  আমেরিকায় ঢুকতে চেয়েছিলেন বলে ঘাড়ধাক্ক দিয়ে বার করে দেওয়া হয়। কিন্তু তাতে তিনি দমেননি। ওই গুজরাতের জঙ্গলে বসেই তিনি বুঝতে পারেন, জুকুর আবিষ্কারের মাহাত্ম্য। এবং ওখানেই তিনি এক বিশ্ববিদ্যালয়ের সূচনা করেন, যা পরে ভূভারতে ছড়িয়ে যাবে, যার নাম হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটি।

    কিন্তু এসব একদিনে হয়নি। কারণ কেন্দ্রীয় সরকার তাঁকে ওই জঙ্গল থেকে বেরোতে দিতনা। ফলে কূটকৌশল নিয়ে দেশবাসীকে পারহেড ১৫ লক্ষ টাকা দেবেন প্রতিশ্রুতি দিয়ে তিনি স্বাধীনতা সংগ্রাম শুরু করেন এবং ভারতবর্ষকে স্বাধীন কর ফেলেন। সেখানেই শেষ নয়, স্বাধীন হবার পরেও তাঁর কাজ শেষ হয়নি। একমাত্র তিনিই বোঝেন, যে, জুকুর আবিষ্কার খুব বড়ো হলেও, মানুষকে এখনও পরিশ্রম কর চলতে হচ্ছে। ইন্টারনেটে হয়তো চাপ কিছুটা কমেছে, কিন্তু টিভিতে তাদের এখনও ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে চ্যানেল বদলাতে হচ্ছে। তাতে কারো হাতে ব্যথা হচ্ছে। কারো পক্ষাঘাত। এছাড়াও এক এক জায়গায় এক এক রকম খবর। এই সমস্যার সমাধানে উনিজি নিজেই এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করে ফেলেন, যার নাম গোদীমিডিয়া। এই মিডিয়ার দুটি বৈশিষ্ট্য আছে। এক, এখানে অনেক চ্যানেল থাকলেও সর্বত্রই এক জিনিস দেখানো হয়। ফলে দর্শকদের পরিশ্রম বাঁচে, তাঁরা পক্ষাঘাত এবং মাথা-ঘামানো এই দুই ব্যামো থেকেই মুক্ত থাকেন। দুই, সঞ্চালকরা একাই কথা বলেন এবং ভীষণ জোরে চেঁচান। এর সুবিধেটা হল, আলাদা করে টিভি চালানোরও দরকার পড়েনা। পাড়ায় একটা বাড়িতে টিভি চললেই বাজার পর্যন্ত সবই শোনা যায়। পরিশ্রমের সঙ্গে ইলেকট্রিসিটির খরচও বাঁচে। এই অতিরিক্র বিদ্যুৎ দিয়ে মোবাইল চার্জ করা হয়, যাতে হোয়াটস্যাপ ইউনিভার্সিটির পড়াশুনোয় লোকে মন দিতে পারে। 

    এই আবিষ্কারের পর জগতে ধন্য ধন্য পড়ে যায়। কিন্তু পৃথিবীতে কোনো কিছুই নিখুঁত নয়। কিছুদিন পরে দেখা যায়, গোদী মিডিয়াতেও  কিছু সমস্যা আছে। লোকে দেখতে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে, তারা আরও দেখতে চাইছে, কিন্তু ভালো খবরের জোগান তেমন নেই।এই ম্যাদামারা জীবনে আপাতদৃষ্টিতে কোনো সমস্যা না থাকলেও, কালে-কালে দেখা যায়, রোজ হেরোইন নিয়ে হঠাৎ বন্ধ করে দিলে যেমন হয়, তেমনই বহু লোকে উইথড্রয়াল সিম্পটমে ভুগছেন। তাঁদের রিহ্যাবে নিয়ে যেতে হচ্ছে। ব্যাপার ক্রমশ গুরুতর আকার ধারণ করে। ইসরো থেকে ইসকন, নানা জায়গার বিজ্ঞানীরা ব্যাপারটা নিয়ে গবেষণা করেও কিছু বার করতে পারেননি। 

    কিন্তু উনিজি হাল ছেড়ে দেবার লোক নন। উৎসাহ দিয়েই চলেন। গুজরাত থেকে বঙ্গাল পর্যন্ত, সর্বত্র। বঙ্গালকে অবশ্য খরচার খাতায়ই ধরা  হয়েছিল। স্বাধীনতা সংগ্রামে তাদের ভূমিকা খুব খারাপ, তাছাড়া ওরা একদম কর্মপটুও না। কিন্তু কী আশ্চর্য, হঠাৎ করে সমাধান চলে আসে সেই বঙ্গাল থেকেই। বাপন নামক এক বাঙালি বিজ্ঞানী  হঠাৎই আবিষ্কার করেন, যে, খবর দেখাতে গেলে কিছু ঘটার আদৌ দরকারই নেই। শুট করে নিলেই হয়। এমনকি বাজেট কম থাকলে স্রেফ মুখে বলে দিলেও হয়। শুটিং এবং ডাবিং সেই মান্ধাতার আমলের প্রযুক্তি, ফলে ব্যবহার না করার কোনো কারণ নেই। ব্যাপারটা শুনে এখন খুবই সহজ মনে হলেও, ভাবতে আশ্চর্য লাগে, এতকাল ধরে কারো মাথায় আসেনি। মহৎ আবিষ্কারে অবশ্য এরকমই হয়। শূন্য সবাই দেখতে পায়, কিন্তু বেদে 'শূন্যস্থানে ভয়েবচ' মন্ত্র পড়ার আগে কেউ জানতই না, শূন্য ব্যাপারটা কী।

    যাহোক, এই একদম সাম্প্রতিক আবিষ্কারের  পর পৃথিবীতে হইচই পড়ে গেছে। উনিজির অনুপ্রেরণায় এই বৃহৎ প্রচেষ্টার প্রথম ধাপ সাফল্যের মুখ দেখেছে। এ তো শুধু খবর নয়, খবরের চেয়েও বড়। এ তো শুধু মিডিয়া নয়, মিডিয়ার চেয়েও বড়। বাংলায় বড়কে বলা হয় রাম। সবচেয়ে বড় দেবতা, রাম। সবচেয়ে বড় ছাগল রামছাগল। সেই প্রথা অনুসরণ করে এই মিডিয়াকে অনেকে বলছেন রাম্মিডিয়া। কিন্তু নামটা এখনও পাকা হয়নি। কী হবে জানতে গেলে আমাদের সঙ্গে থাকুন। প্রসঙ্গত আপনারা এতক্ষণ শুনলেন রাম্মিডিয়ার সম্প্রচার। ব্যাপারটা কী দারুণ নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন। এবার ঝপ করে উপরের 'অনুসরণ করুন'  বাটনটা টিপে ফেলুন। খবরের জন্য অন্য কোথাও যেতেই হবেনা। ডিং ডং।

    সঙ্গের ছবিঃ যদুবাবু (আপলোড করা গেলনা। লিংক এখানেঃ https://imgur.com/a/7PyI7Nh


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • আলোচনা | ০৬ মে ২০২৪ | ৪৬২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:15d3:fd29:b8e2:7a79 | ০৬ মে ২০২৪ ০৮:৫৬531433
  • "সবচেয়ে বড় দেবতা, রাম।" বাকার্ডি রাম। 
  • Prabhas Sen | ০৬ মে ২০২৪ ১৫:০৯531453
  • উনি আবিষ্কারের আগেই  " e mail" করেছিলেন  বলে জানিয়েছেন!  ওটাকে " রাম্মিমেইল " বলা যায়! 
  • debanjan banerjee | 115.187.51.40 | ০৬ মে ২০২৪ ১৬:০৩531454
  • আচ্ছা সৈকতবাবু তিব্বতে তথাগত বইটি কি আপনার লেখা শেষ হয়েছে ? ৪ বছর হয়ে গেলো এই নিয়ে আর কিছু তো দেখছিনা |
     
     
  • | ০৬ মে ২০২৪ ১৬:১৫531456
  • @debanjan banerjee 
    সে তো সৈকত ভট্টাচার্য্যর লেখা ছিল বলে মনে হচ্ছে। বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞেস করলে কি আর বলতে পারবে! 
  • debanjan banerjee | 115.187.51.40 | ০৬ মে ২০২৪ ১৬:২৫531458
  • @ দিদি 
     
                     ঠিকই | আমারই ভুল হয়েছিল | আচ্ছা এই বইটা কি পাবলিশ হয়েছিলো গুরু থেকে ? আমি কিন্তু দেখতে পাইনি অন্য কোথাও এই বইটা এবারের বইমেলাতে |
     
     
  • | ০৬ মে ২০২৪ ১৬:৫২531459
  • না গুরু থেকে বেরোয় নি। দেবাশীস দেবের প্রচ্ছদ দিয়ে লেখক পোস্ট দিয়েছিলেন। তাতে একটা নাম্বার দেওয়া ছিল  প্রি বুকিঙের। সেখানে একবার মেসেজ করে দেখুন। 
     
  • guru | 115.187.51.40 | ০৯ মে ২০২৪ ১৬:১৬531529
  • @ দিদি 
     
             অনেক ধন্যবাদ |
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন