• বুলবুলভাজা  আলোচনা  শিক্ষা

  • নিম্ন মধ্যবিত্ত, মিড ডে মিল এবং

    সূর্যদীপ্ত নাগ
    আলোচনা | শিক্ষা | ২১ জুলাই ২০২১ | ৯৭০ বার পঠিত
  • বিগত দুদশক ধরে ইন্টারনেট প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষণের বিকাশ আমরা দেখেছি। বিগত কয়েকবছরে MOOC (Massive Open Online Course) একটি জনপ্রিয় শিক্ষামাধ্যম হয়ে উঠেছে, বিশেষ করে কলেক বিশবিদ্যালয়ের শিক্ষার ক্ষেত্রে। এবং বিগত দিনগুলিতে আমরা বহু মঞ্চে এই বিতর্ক দেখেছি যে অনলাইন ক্লাস কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রতিস্থাপিত করতে পারবে কি না? শিক্ষা কি তার গুরুমুখাপেক্ষী চেহারাটা সম্পূর্ণ ঝেড়ে ফেলে প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠতে পারবে। কিন্তু, এও দেখেছি যে এই সমস্ত বিতর্কের শেষে সভার মত এই থেকেছে যে অনলাইন শিক্ষা চমৎকার জিনিস, কিন্তু তা প্রথাগত ক্লাসরুমের প্রতিস্থাপক নয়, পরিপূরক বড়জোর। এই আবহে এল করোনা অতিমারী, যার প্রেক্ষিতে এই চলমান বিতর্কটা সরিয়ে ফেলে সমস্বরে নীতিনির্ধারকেরা ঘোষণা করে দিলেন- ভারত পড়ে অনলাইন। আর, শেষ দেড়বছর, অন্ততঃ আমাদের দেশে পড়াশুনো মানেই অনলাইন। মজার ব্যপার, প্রথম বিশ্বের দেশগুলি, অনলাইন পড়ানোর প্রকৌশল ও রেস্তঁ যাদের বেশি, তারা কিন্তু যেভাবে হোক ক্লাসরুমে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করছে। বিশেষতঃ প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্তরে স্কুল সেভাবে অনেকে বন্ধ হতেই দেয় নি। আমাদের দেশে শিশুশিক্ষাও ক্লাসরুম বন্ধ রেখে চলছে, উল্টোদিকে। যেখানে তর্কাতীত ভাবে এইদেশে সর্বস্তরে অনলাইন পড়াশুনোর প্রযুক্তি-পরিকাঠামো নেই। এবং তর্কাতীত ভাবে ইস্কুলের পড়াশুনো স্কুল বন্ধ রেখে চালানোর মূল ধাঁচাটাই এখনও তৈরি হয় নি। ফলে, যে প্রশ্নটা সবার আগে জাগে, যে কী হতে যাচ্ছে? ইস্কুল-কলেজের পড়াশুনোকেই আমরা দেশের ভবিষ্যৎ গঠনের মূল স্তম্ভ হিসেবে এতদিন জেনে এসেছি, সেইখানে এই বিপর্যয়ের ফল কী হবে? নাকি বিপর্যয়ই দেখিয়ে দেবে নতুন ভবিষ্যত? সেইসব প্রশ্ন নিয়েই রইল করোনাকালের লেখাপড়া নিয়ে এই আলোচনাগুলি।

    যে স্কুলটাতে আমি পড়াই সেটা অবস্থিত একটা কলোনি এলাকায়। বাংলাদেশি উদ্বাস্তুদের যে অংশটা সত্তর সালের পর বর্ডার ক্রস করে এদেশে পালিয়ে আসেন তাঁদেরই সন্তান-সন্ততি অথবা নাতি-নাতনিরা আমার ছাত্র হয়। বলাই বাহুল্য যে অর্থনৈতিকভাবে এঁরা সমাজের একেবারে নিচের তলার মানুষ। তাদের বাবাদের কেউ ভ্যান টানেন, কেউ লেবার খাটেন, কেউ রিক্সা চালাযন, আর মায়েরা হামেশাই এখানে ওখানে ঠিকে কাজ করেন। তবে স্কুলের সিনিয়র টিচারদের মুখে শুনেছি, বর্তমানে নাকি এসব অঞ্চলের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার প্রচুর উন্নতি হয়েছে। আগে প্রতিদিন দলে দলে ভিখারি বের হতো ভিক্ষা করতে। কিন্তু, আমি স্কুলে যোগ দেওয়া ইস্তক সেসব দেখিনি।

    যাইহোক, আমার বর্ণনা থেকে এটা আশা করি ইতিমধ্যে বুঝে গিয়েছেন যে এরকম অঞ্চলের জন্য মিড-ডে-মিল একটি অতি প্রয়োজনীয় জিনিস। ওটা চালু হবার আগে ছেলে মেয়েদের একটা বড় অংশ অপুষ্টিতে ভুগতো। স্কুল চলাকালীন হামেশাই একটি-দুটি ছেলেমেয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়তো। এখন সেসব অনেকটাই কমেছে। তবে, কোভিডের কারণে গতবছর থেকে স্কুল বন্ধ বলে ছেলেমেয়েদের মিড-ডে-মিলে দেওয়ার সিস্টেম একটা পরিবর্তন এসেছে। ছাত্র-ছাত্রীদের প্রতিদিন রান্না করা খাবার দেওয়ার বদলে প্রত্যেকের জন্য বরাদ্দ চাল-ডাল-আলু-চিনি ইত্যাদি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অভিভাবকদের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্রতিমাসের নির্দিষ্ট কয়েকটি দিনে। আর, এই কাজটার পরিচালনা এবং নথিভুক্তির দায়িত্বে থাকেন ক্লাস টিচাররা। তবে, একা একজনের পক্ষে তো এত কাজ করা সম্ভব নয় - একজন সাহায্যকারীরও দরকার পড়ে প্রত্যেক ক্লাস টিচারের।

    যেদিনের কথা বলছি সেদিন এরকম সাহায্যকারীর ভূমিকাতেই ছিলাম আমি।

    সেদিনও অভিভাবকরা লাইন দিয়ে টোকেন নিচ্ছিলেন আর আমরা প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টগুলিতে এন্ট্রি করছিলাম, এমন সময় এক ভদ্রমহিলা এলেন। মোটামুটি ভদ্রসভ্য জামাকাপড় পরা। আগেই বলেছি যে, আমার স্কুলে সাধারণত সমাজের একেবারে নিচের তলার মানুষজনের ছেলেমেয়েরা পড়তে আসে। ফলে অনেক অভিভাবকরাই স্কুলে চলে আসেন একটু ময়লা ময়লা পোশাকআশাক পরে। আর সেই কারণেই কাউকে বাইরের পোশাকে (এর দ্বারা কিন্তু মোটেই দামি পোশাক বোঝানো হচ্ছে না) আসতে দেখলে সেটা আমাদের নজরে পড়ে। যাই হোক, ওঁকে টোকেন দেবার পর আমার সহকর্মী জিজ্ঞাসা করলেন যে উনি বা ওঁর বাড়ির কেউ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন কিনা। খুব শিগগিরই নিচের ক্লাসের ছেলেমেয়েদের জন্য অনলাইন ক্লাস শুরু হতে চলেছে আমাদের। সেজন্য প্রত্যেক অভিভাবককে বলা হচ্ছে যে তাঁরা যেন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে ক্লাস টিচারকে মেসেজ পাঠান, যাতে নম্বরটা ওই ক্লাসের স্টুডেন্টদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে অ্যাড করে নেওয়া যায়। ভদ্রমহিলা বললেন, 'আমি পারি না, আর যে পারতো সে তো আর নেই।' আমার কলিগ বোকার মত জিজ্ঞেস করে ফেলেছিল, 'কে পারত?' ভদ্রমহিলা বললেন, 'আমার মেয়ে।'

    একের পর এক মৃত্যুর খবর পাচ্ছি চারপাশ থেকে। কিন্তু, এই ভদ্রমহিলাকে চোখের সামনে দেখে যেন কিরকম একটা ধাক্কা লাগল। বোঝা গেল যে উনি নিম্নবিত্ত নন, নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির। সেই জন্য স্কুলে আসতে হলে একটু নতুন দেখতে পোশাক পরে আসেন। কিন্তু, একই সঙ্গে আর্থিকভাবে তিনি এতটাই সংকটাপন্ন যে সন্তান হারানোর শোক মনে চেপে তাঁকে মিড ডে মিলের চাল-ডালের ভাগ পেতে লাইনে দাঁড়াতে হয়েছে।

    আমার মতে এই কোভিড সংকটের সবথেকে বড় শিকার যদি কেউ হয়ে থাকেন তা হল এই নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ। অর্থনৈতিক অবস্থার দিক থেকে দেখলে নিম্নবিত্ত এবং নিম্ন মধ্যবিত্তের মধ্যে পার্থক্য প্রায় থাকেই না (নিম্নবিত্ত/মধ্যবিত্ত জাতীয় শব্দগুলি দ্বারা অর্থনৈতিক অবস্থার দ্বারা প্রভাবিত সাংস্কৃতিক পরিচয়ও কিন্তু বোঝায়, অর্থনীতির কঠোর অনুশাসিত সংজ্ঞার বাইরে - মানে, ঠিক যে অর্থে আমরা 'middle-class values' বলি - এখানে 'মধ্যবিত্ত' শব্দটাও সেই অর্থেই ব্যবহার করছি)। বরং, কিছু ক্ষেত্রে তো নিম্নবিত্তের অবস্থা নিম্নমধ্যবিত্তের তুলনায় ভাল হয়। একমাত্র পার্থক্য থাকে কেবল দুই শ্রেণির মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে। নিম্নবিত্ত মানুষের মধ্যে এক ধরনের ফ্লেক্সিবিলিটি থাকে। অনেক সহজে তাঁরা এক পেশা থেকে অন্য পেশায় চলে যেতে পারেন। অতিমারীতে কাজ হারানো ড্রাইভার খুব সহজে ভ্যানে করে আনাজপাতি বা ফল বিক্রি করতে পারেন (এটা নিজের চোখে দেখেছি)। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে হয়তো সে ভিক্ষাবৃত্তি পর্যন্ত অবলম্বন করতে পারেন নিজের সঙ্গে খুব বেশি লড়াই না করেই। কারণ, দারিদ্র জিনিসটার সঙ্গে তিনি স্বচ্ছন্দ। সামাজিক সম্মান বজায় রাখার কোনো দায় তাঁর নেই। নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের সঙ্গে নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের পার্থক্য ঠিক এখানেই। নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের মধ্যে সেই ফ্লেক্সিবিলিটিটা নেই। সামাজিক সম্মান বজায় রাখার একটা চাপ তাঁর উপরে আছে। সে আধপেটা খেয়ে থাকবে, না খেয়ে থাকবে, বাড়িঘর বন্ধক রেখে চড়া সুদে টাকা ধার নেবে - কিন্তু কখনো ফেরত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি না দিয়ে সরাসরি ভিক্ষা করার জন্য হাত সে পাতবে না।

    নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষের দারিদ্র জিনিসটা যেন প্রায় হাইলাইটার দিয়ে চিহ্নিত করা। তার পোশাকআশাক দেখে তৎক্ষণাৎ আপনি বুঝে যাবেন যে মানুষটা গরিব। সেজন্য আপনি মানুষ হিসেবে মোটামুটি ভালো হলে তাঁর প্রতি কিছুটা অতিরিক্ত সহানুভূতিশীলও হবেন। অর্থনৈতিক সংকটের সময় আপনি নিজে এবং বৃহত্তর অর্থে সরকার স্বয়ং চেষ্টা করবে তাঁর পাশে থাকার। ঠিক এই কারণেই প্রকট দারিদ্র অনেকের ক্ষেত্রে একটা ক্যামোফ্লাজও বটে। তিনি হয়তো ততটাও গরিব নন যতটা তিনি দেখাচ্ছেন। অন্যদিকে, নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা ঠিক তার উল্টো। সে আসলে যতটা গরিব তার তুলনায় নিজেকে তিনি সম্পন্ন দেখাতে চান। দারিদ্র তাঁর কাছে লজ্জার। দরিদ্রনারায়ণ সেবার খিচুড়ির লাইনে তিনি দাঁড়াতে পারেন না। সেজন্য সমস্ত রকম সরকারি এবং বেসরকারি রিলিফ এবং অন্যান্য সুযোগসুবিধা থেকে হামেশাই তিনি হন বঞ্চিত।

    সেদিন সামনে দাঁড়িয়ে থাকা ওই ভদ্রমহিলাকে দেখে মনে হল যেন একটা ঝড়ে বিধ্বস্ত হয়ে যাওয়া জাহাজকে দেখছি! অ্যারিস্টটল ট্র্যাজিক নাটকের ইমোশনাল অ্যাপিল সম্পর্কে বলতে গিয়ে যে গ্রিক শব্দদুটির ব্যবহার করেছেন তার বাংলা করলে দাঁড়ায় 'সমানুভূতি থেকে শোকভোগ' ও 'আতঙ্ক'। অর্থাৎ, দর্শক এখানে দূরে দাঁড়িয়ে কেবলমাত্র 'আহা বেচারা' বলে না, সে নাটকের কুশীলবের সাথে আংশিক অথবা সম্পূর্ণরূপে নিজেকে আইডেন্টিফাই করে, চরিত্রগুলির দুর্ভাগ্যের কথা ভেবে আতঙ্কিত হয়, এবং তাদের শোকভার কিছুটা হলেও নিজের মধ্যে গ্রহণ করে। এই ভদ্রমহিলাকে দেখে আমার মধ্যেও সেরকমই একটা অনুভুতি হল। আমি নিজে অর্থনৈতিকভাবে যে শ্রেণিটির অন্তর্ভুক্ত তিনিও তারই একজন লেস প্রিভিলেজড সদস্য। অর্থাৎ, ওঁর মতো পরিস্থিতিতে পড়লে হয়তো আমাকে নিজেকেও হয়তো আবিষ্কার করতে হতো ওঁরই মতো কোন একটা অবস্থায়। বলা যায় না, হয়তো আমাকেও দাঁড়িয়ে থাকতে হতো সন্তান হারানোর শোক বুকে চেপে কোনও একটা মিড ডে মিলের লাইনে...

     

  • বিভাগ : আলোচনা | ২১ জুলাই ২০২১ | ৯৭০ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক প্রতিক্রিয়া দিন