• হরিদাস পাল  বইপত্তর

  • পুস্তকালোচনা — এবং ইনকুইজিশন — অভীক সরকার

    AritraSudan Sengupta লেখকের গ্রাহক হোন
    বইপত্তর | ২৪ জানুয়ারি ২০২১ | ৭০৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • #পুস্তকালোচনা — #এবং_ইনকুইজিশন — #অভীক_সরকার



    বই = এবং ইনকুইজিশন (Thriller গল্প সঙ্কলন)
    লেখক = অভীক সরকার
    প্রকাশক = দ্য কাফে টেবিল
    পৃষ্ঠা সংখ্যা = ২৩৯
    মুদ্রিত মূল্য = ২৫০ টাকা (দ্বিতীয় সংস্করণ - তৃতীয় প্রকাশ)



    ক) শোধ —— ঊনবিংশশত খ্রীষ্টাব্দের মাঝামাঝি সময়ে ঠগীদের সাহায্যে এক তান্ত্রিকের শব সংগ্রহ করে শবসাধনা করার অলৌকিক গল্প।
    এই গল্পে তৈরী হওয়া সঙ্কট থেকে ভাগ্যের জোরে মুক্তি পাওয়া দেখানো হয়েছে (Deus ex machina), এবং কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশ চরিত্রটির দ্বারা আদৌ কোন তন্ত্র প্রয়োগের ফলে বিপদ থেকে মুক্তি পাওয়া গেছে কিনা সেটা পরিষ্কার করে লেখা হয় নি (লিখলে ভালো হতো), এমনকি শেষের লড়াইতেও তিনি অনুপস্থিত।
    দুর্গাশঙ্কর পন্ডিতের অভীষ্ট সর্বশেষ শবসাধনার আগের বারের শবসাধনাটি করার পরে তার পিছু পিছু কে লাকরাদৌনের রাস্তা ধরেছিলো সেটা গল্পে আর জানানো হয়নি।
    গল্পে ভোপালের নবাব ঘাউস মহম্মদ খানের কথা বলা হয়েছে যিনি লর্ড বেন্টিঙ্ককের প্রতিনিধিকে টাকা পাঠাচ্ছিলেন, কিন্তু বাস্তবে তিনি ১৮২৬ অবধি নবাব ছিলেন ও লর্ড বেন্টিঙ্ক ১৮২৮ সালে গর্ভনর জেনারেল পদে আসীন হন। ফলে সেই সময়ে ভোপালের নবাব হিসেবে মুইজ মহম্মদ খানের থাকার কথা। (যদিও এর জন্য গল্পের কোনো সমস্যা তৈরী হয় নি, এটি শুধুমাত্র একজন আগ্রহী পাঠকের পর্যবেক্ষণ। আমাদের মাথায় রাখা উচিৎ যে এটি একটি কাল্পনিক জগতের গল্প, তাই এখানের ইতিহাস বাস্তব থেকে আলাদা হতেই পারে।)
    সব মিলিয়ে গল্পটি ভালোই লেগেছে তবে ভাগ্যের জায়গায় কোনো চরিত্র বিশেষত কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের হাতে সঙ্কটমোচন হলে আরো ভালো লাগতো।


    খ) রক্তফলক —— একটি অভিশপ্ত ফলকের হাজার বছর পরে অভিশাপ মোচনের অলৌকিক কাহিনী।
    অতীশ দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞান বাস্তবে ১০৪০ খ্রীষ্টাব্দ নাগাদ তিব্বত যান এবং সেখানে গিয়ে তার প্রতিষ্ঠা পেতে তার এক - দুই বছর লাগার কথা। এরপরে সেখান থেকে বারুদ (গল্পে "চৈনিক অগ্নিমশালা" হিসেবে উল্লিখিত ) সোমবিহার মঠে পাঠাতে আরো একবছর লাগার কথা। ফলে গল্পে উল্লেখিত অভিশাপ দেওয়ার সময় ১০৪২-১০৪৩ খ্রীষ্টাব্দ। এরপরে বজ্রকেতু নির্বাসিত হয়ে সমগ্র বঙ্গ ও অঙ্গ প্রদেশের বাইরে চলে যান, সেখানে গিয়ে সংসার ধর্ম শুরু করে বংশ শুরু করে অভিশাপের ফল শুরু করতে কম করে আরও দুই বছর সময় লাগার কথা। অর্থাৎ অভিশাপটি কাজ করা শুরু করছে কমপক্ষে ১০৪৪ থেকে ১০৪৫ নাগাদ। সেখান থেকে হাজার বছর ধরে অভিশাপ চললে গল্পে উল্লিখিত অভিশাপ মোচনের কাল হওয়া উচিৎ ২০৪৪ - ২০৪৫ নাগাদ।
    তবে অভিশাপটি কোন সালে শেষ হয়েছে সেটি গল্পে লেখা নেই, এছাড়া এটি একটি কাল্পনিক জগতের গল্প, তাই এতে সমস্যার কিছু নেই।
    কৃষ্ণানন্দ মৈত্র / আগমবাগীশ এর পুরো নাম না জেনেই লেকের ধারে আড্ডা চলাটা একটু অবাস্তব লেগেছে।
    আড্ডা চলাকালীন শেষের দিকে কৃষ্ণানন্দ জানান যে প্রফেসর তথাগত দত্তগুপ্তের ঘরে সেদিন রাত থেকে পরের দিন দুপুর অবধি তার থাকার আশু প্রয়োজন। এদিকে সেদিন রাতে পুজোর পরে বা পরের দিন সকাল নাগাদ তিনি তার ঘর ছেড়ে চলে যান অর্থাৎ দুপুর পর্যন্ত তিনি তার ঘরে ছিলেন না।
    আড্ডা চলাকালীন কৃষ্ণানন্দের তন্ত্র ও বৌদ্ধ ধর্মের ব্যাপারে জ্ঞান দেওয়া যথাযথ হলেও, তথাগত দত্তগুপ্তের বাড়ি আসার পরে অতো সুদীর্ঘ আলোচনা না করে শুধু মাত্র ফলকের দেবীর ব্যাপারে জানালেই চলতো। এই দীর্ঘ আলোচনার জন্য কাহিনীর গতি কমে গেছে।
    কৃষ্ণানন্দ ঐ আলোচনার সময় দেবতার রূপবর্ণনা করতে গিয়ে "যুগনদ্ধ" শব্দটি ব্যবহার করেছেন, এই শবটির অর্থ যে সঙ্গমরত সেটি বলার প্রয়োজন ছিলো কারণ তথাগত দত্তগুপ্ত অধ্যাপক হওয়ার এই শব্দের অর্থ বুঝতেই পারেন কিন্তু তার স্ত্রী উর্মিমালার পক্ষে বোঝা একটু মুশকিল। এছাড়া যেখানে খেচর শব্দের অর্থ জানানো হয়েছে সেখানে তার সাথে সামঞ্জস্য রেখে যুগনদ্ধ শব্দের অর্থ জানানোই উচিৎ ছিলো।
    বালুরঘাট থেকে রেলপথে শেয়ালদার দূরত্ব বাস্তবে ৪৫৫ কিলোমিটারের মতো। তিতলি ভোর ছয়টার প্রথম ট্রেনটি ধরে বিকেলে শেয়ালদায় পৌঁছায় অর্থাৎ কম করে ১০ - ১১ ঘন্টা মতো সময় লেগেছিলো। তারপর তাদের শেয়ালদায় স্টেশনে সন্দেহজনক ভাবে ঘোরাঘুরি করতে দেখে পুলিশে ধরে (কখন ধরে বলা নেই, আন্দাজ করছি যে একঘন্টা, মানে বিকাল ছয়টা নাগাদ তাদের পাকড়াও করে জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে সত্যিটা জানতে পারে।) । তারপরে সাথে সাথে ট্রেন পেলেও বালুরঘাট স্টেশনে পৌঁছাতে আবার সেই ১০-১১ ঘন্টা লাগার কথা, অর্থাৎ পরের দিন ভোর চারটা - পাঁচটা নাগাদ ঢোকার কথা। তাহলে পুলিশ তথাগত দত্তগুপ্তের ঘরে রাত একটার সময়ে কীভাবে ঢোকে তার যৌক্তিক ব্যাখ্যা থাকছে না। এই জায়গাটা একদম বাজে ভাবে ছড়িয়েছে।
    এছাড়া দেবী স্বয়ং তার দুই সঙ্গিনীকে নিয়ে এসেছিলো না কারোর শরীর আধার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে সেটাও স্পষ্টভাবে লেখা নেই। এখানে যদি ধরা যায় যে কারোর শরীর আধার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিলো, তাহলে ঐ রাত এটায় ফেরার ব্যাপারটা আরো বাজেভাবে ঘেঁটে যায়।
    তিনটে Timeline কে এগিয়ে-পিছিয়ে এনে লেখা হয়েছে যেটা ভালো লাগেনি।
    সব মিলিয়ে গল্পটি মোটামুটি লেগেছে তবে দেবীর হাতে অশুভ শক্তির পরাজয়ের ব্যাপারটা আরো বিস্তারিত ভাবে ভালো হতো।



    গ) ভোগ —— দুষ্প্রাপ্য শিল্পবস্তুর দোকান (Curio shop) থেকে একটি অজানা দেবী মূর্তি নিয়ে এসে অলৌকিক অভিজ্ঞতা লাভের গল্প।
    গল্পে একজায়গায় আছে পুষ্পদি নিরুদ্দেশ হওয়ার পরের দিনের "মাসখানেক বাদে একদিন সকালের দিকে অতীনের বাড়ি আসেন ভবেশবাবু।", আবার অন্য একটি জায়গায় আছে যে পুষ্পদি ঘর থেকে নেই হয়ে যাওয়ার প্রায় একমাস পরে কৃষ্ণানন্দ আগমবাগীশের সাথে অতীনের দেখা হয় এবং তার দিন পনেরো আগে ভবেশবাবু তার ঘরে এসেছিলেন। কাজেই ঐ দুটি দাবি পরষ্পর বিরোধী হয়ে গেছে।
    চন্দ্র মল্লের রাজত্ব থেকে দনুজদমন মিশ্র কেন "পালিয়ে" আসেন সেটা গল্পে উল্লেখ না থাকায় ঐ শব্দটির জায়গায় "চলে" আসেন লিখলে ভালো হতো।
    গল্পে উল্লিখিত কর্মা সেন্তেন (Karma Tseten) বাস্তবে রাজা হন ১৫৬৫ খ্রীষ্টাব্দে। ফলে রাজাকে না জানিয়ে সহস্রাক্ষের তিব্বত থেকে পালিয়ে বনগাঁয় আসার সময়টা ১৫৬৭-১৫৬৮ খ্রীষ্টাব্দ হওয়ার কথা। বিশ্বেশ্বর চক্রবর্তীর বয়স ৬৫ বছর অর্থাৎ তার জন্ম ১৫০২ - ১৫০৩ খ্রীষ্টাব্দে। অন্যদিকে চন্দ্র মল্লের রাজত্বকাল ১৪৬০ থেকে ১৫০১, কাজেই দনুজদমন মিশ্রের বনগাঁয় আগমনকাল খুব বেশী হলে ১৫০০ খ্রীষ্টাব্দ হওয়ার কথা (অথবা তারও আগে)। ফলে বিশ্বেশ্বর চক্রবর্তী জমিদার হওয়ার আগেই দনুজদমনের আসার কথা।
    এছাড়া গল্পে দেবী মূর্তি তৈরীর সময়ে যে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের কথা বলা হলেও বাস্তবে ঐ অঞ্চলে সেই সময়ে কোনও পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণ হয় নি।
    (যদিও, বাস্তবের সাথে এই অমিলগুলি থাকার জন্য গল্পের কোনো সমস্যা তৈরী হয় নি, এটি শুধুমাত্র একজন আগ্রহী পাঠকের পর্যবেক্ষণ। আমাদের মাথায় রাখা উচিৎ যে এটি একটি কাল্পনিক জগতের গল্প, তাই এখানের ইতিহাস বাস্তব থেকে আলাদা হতেই পারে।)।
    এরপরেও গল্পটি বেশ ভালো লেগেছে।


    ঘ) ইনকুইজিশন —— খ্রীষ্টীয় ষোড়শ শতকের মাঝামাঝি সময়ে গোয়ার একটি গ্রামে মন্দিরের প্রধান পুরোহিতের পরিবারটিকে Inquisition এর নামে অন্যায় হত্যা করা ফলে তার দেওয়া অভিশাপ থেকে মুক্তির অলৌকিক বড়গল্প।
    মিগুয়েল ভাজ গোয়াতে ১৫৬০ খ্রীষ্টাব্দে খোঁজ নেওয়ার দশ বছর আগে অর্থাৎ ১৫৫০ খ্রীষ্টাব্দে পোপ চতুর্থ পোপ তাকে ঐ কাজের দায়িত্ব দিয়েছিলেন বলে উল্লেখ আছে। কিন্তু বাস্তবে Giovanni Angelo Medici ১৫৫৯ খ্রীষ্টাব্দে পোপ চতুর্থ পায়াস হিসেবে কাজ শুরু করেন।
    আফগানিস্তানের কার্য-অভিযানের সময় যেভাবে দুজনের সাহায্য ফাঁপা দন্ডের (পোলের) সাহায্যে দেওয়াল বেয়ে ওঠা হয়েছে, তাতে দেওয়াল বেয়ে ওঠার জন্য যে দন্ডটি ধরা হয়ছিলো তার জন্য নীচে দুইজন সবসময় থাকার কথা, কিন্তু কাহিনীতে শেষে মাত্র একজনই নীচে রয়ে গেছে, বাকি সবাই উঠে গেছে।
    মার্ক তেইশের বুলেটের দৈর্ঘ্য আধ ইঞ্চি বলে উল্লেখ করা হয়েছে, যদিও বাস্তবে ওর বুলেটের (.৪৫ ACP) দৈর্ঘ্য 1.275 ইঞ্চি।
    বাস্তবে মাইক্রওয়েভ বন্দুক বা ম্যাগনেট্রনের অস্তিত্ব নেই।
    আফগানিস্তানে উদ্ধারকার্যের অতো দীর্ঘ আলোচনা করায় কাহিনীর গতি মার খেয়েছে।
    মিগুয়েলের লেখা ডাইরি সাধু বাংলা ভাষায় ফার্নান্দো কীভাবে পড়তে শুরু করলেন কে জানে, ইংরেজি বা পর্তুগীজ ভাষার বাংলা অনুবাদে সাধু-চলিতের পার্থক্য করা যায় না।
    আইল্যান্ডের হোলার (Hólar) অঞ্চলটি উত্তরমেরুর কাছে বলে লেখক জানিয়েছেন, কিন্তু ঐ অঞ্চলটি ৬৫ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত যেটা উত্তরমেরু থেকে বেশ দুরেই ("উত্তরমেরুর আরো কাছে"বলে আক্ষরিক অর্থ ধরলেও মুশকিল কারণ আইসল্যান্ডিক অঞ্চলে তার থেকেও উত্তরদিকে ভূখন্ড আছে।) ।
    ১৭৫৫ খ্রীষ্টাব্দের দুই বছর আগে অর্থাৎ ১৭৫৩ খ্রীষ্টাব্দে পর্তুগালের রাজা পঞ্চম জন মারা গেছেন বলে লেখা হয়েছে যদিও বাস্তবে তার মৃত্যু একত্রিশে জুলাই ১৭৫০ খ্রীষ্টাব্দে হয়েছিলো।
    আগের বারের মতোই আবার জানাতে হচ্ছে, যেখানে ইংরেজি বা পর্তুগীজ ভাষার বাংলা অনুবাদে সাধু-চলিতের পার্থক্য করা যায় না সেখানে লিওনার্দোর লেখা ডাইরি সাধু বাংলা ভাষায় বিবৃত হওয়া সম্ভব নয়।
    কাহিনী অনুযায়ী, ১৭৫৫ খ্রীষ্টাব্দের সেপ্টেম্বর মাসে গটস্কলক গ্রিমি নিকুলসনের (Gottskálk grimmi Nikulásson) আত্মা জানান - "অদ্য হতে আনুমানিক তিনশত বছর পশ্চাৎ তোমার পরিবারে এক অসীম সাহসী, জিতেন্দ্রিয়, পরোপকারী, অদ্ভুতকর্মা বীরশ্রেষ্ঠের আবির্ভাব হইবে।" ; অর্থাৎ ২০৫৫ খ্রীষ্টাব্দের কাছাকাছি সেই মানুষটির জন্ম হওয়ার কথা। সেখানে মার্টিনেজের সাহায্যে অভিশাপ খন্ডনের ঘটনাটি ঘটছে ২০১৬ খ্রীষ্টাব্দে, যার সেই সময়ে বয়স চল্লিশ বছরের বেশী বলে জানানো হয়েছে। অর্থাৎ মার্টিনেজ ভাজের জন্ম ১৯৭৬ খ্রীষ্টাব্দের আগে। অর্থাৎ পরষ্পরবিরোধী তথ্য দেওয়া হয়েছে।
    বাস্তবের সাথে গল্পের পার্থক্য থাকলেও তাতে গল্পের কোনো ক্ষতি হয় নি।
    এখানেও তিনটে Timeline কে এগিয়ে-পিছিয়ে এনে লেখা হয়েছে যেটা ভালো লাগেনি।
    গল্পটি মোটামুটি ভালো লেগেছে কারণ মাঝপথে অযথা আফগানিস্তান অভিযানের বর্ণনা দেওয়াতে রসভঙ্গ হয়েছে।

    সবমিলিয়ে বইটি ভালো।

  • বিভাগ : বইপত্তর | ২৪ জানুয়ারি ২০২১ | ৭০৭ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
ছায়া - Debayan Chatterjee
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে প্রতিক্রিয়া দিন