• বুলবুলভাজা  বিতর্ক  সিরিয়াস৯

  • ভোট দেওয়া বড় দায়! ঠিক থাকার কী উপায়?

    আনোয়ার হোসেন
    বিতর্ক | ১৩ জানুয়ারি ২০২১ | ৫৯৯ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • নো ভোট টু বিজেপি। অতি সম্প্রতি বাংলায় তৈরি হওয়া এই মঞ্চটি বেশ ভাল সাড়া ফেলে দিয়েছে, তা বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া থেকে স্পষ্ট। এই মঞ্চটি নিয়ে, তার আহ্বান নিয়ে, স্লোগান নিয়ে, দাবিসনদ নিয়ে মতান্তর রয়েছে অনেকই। ভিন্নমতের শতপুষ্প বিকশিত হোক! শত আগাছা নির্মূল করার জন্যই যে তা অতীব জরুরি, এ আমাদের অভিজ্ঞতালব্ধ উপলব্ধি। সিরিয়াস৯-র এবারের সংখ্যা সেই সংক্রান্ত শতপুষ্পের বিকাশের কথা ভেবে। এ সংখ্যায় মঞ্চের অবস্থান ব্যাখ্যা করেছেন অনিকেত চট্টোপাধ্যায়, বিজেপি বিরোধী মহাজোটের প্রসঙ্গ আলোচনা করেছেন প্রদীপ বসু, এ জোটের স্লোগান অন্তর্বস্তুতে কেন বালখিল্য মাত্র, সে নিয়ে সওয়াল করেছেন আনোয়ার হোসেন এবং মঞ্চের সভায় উপস্থিত থেকেও শেষ পর্যন্ত কেন তাতে যোগদান করলেন না তাঁরা, ব্যাখ্যা করেছেন অগ্নীশ্বর চক্রবর্তী।

    ফ্যাসিবাদ এই মুহূর্তের প্রধানতম বিপদ, সুতরাং তাকে রুখতে হবেই। এই অবধি কারোরই কোনো দ্বিমত নেই। প্রশ্নটা হলো সেই রুখবার কাজটা চালু সংসদীয় বৃত্তের মধ্যে থেকেই, অথবা সংসদ বহির্ভূত প্রতিরোধের লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে। অনেকেই বলবেন জানি, "দুটোই"। আর কেউ কেউ বলবেন "উফ! সেই আমরা ওঁরা! ফ্যাসিবাদকে রুখতে গিয়ে এত কূটকচালি আর বিতর্ক দেখে ফ্যাসিবাদ নিজেই পালাবে!" অর্থাৎ আমরা যদি মনেও করি, কোনো আহ্বান জনগণের সামনে ভুল দিশা নিয়ে হাজির হচ্ছে যার ফলে মানুষ বিভ্রান্ত হতে পারেন , তা সত্ত্বেও সেই সব বিতর্ককে কম্বলচাপা দিয়ে একটা ঐক্য ঐক্য ভাব করতে হবে! আর সেই অসমাধিত, নড়বড়ে পথের উপর দাঁড়িয়ে আরএসএস-বিজেপি-র মতো একটা সুসংহত রেজিমেন্টেড মতাদর্শভিত্তিক দলের পরাজয় নিশ্চিত করব! মাফ করবেন, এতটা "আপাতত শান্তিকল্যাণ হয়ে আছে"-তে আমাদের বিশ্বাস নেই।

    আমাদের কিছু বন্ধু ফ্যাসিস্ট আর এস এস - বিজেপি'র বিরুদ্ধে বাংলা' নামে একটি মঞ্চ গঠন করেছেন। তাঁরা স্লোগান দিয়েছেন: No Vote to BJP (বিজেপিকে ভোট নয়)। কিন্তু বিজেপি'র বিরুদ্ধে কাকে ভোট দিতে হবে, সেই একান্ত প্রযোজনীয় প্রশ্নটির স্পষ্ট কোনো উত্তর তারা দিচ্ছেন না। এর ফলে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। স্লোগানটির মধ্যে একধরনের 'পপুলিজম' রয়েছে, চটজলদি ডিজিট্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয় হওয়ার উপাদানও কিছু কম নেই। ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের মন্ত্রী ব্রাত্য বসু No Vote to BJP-র উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি এমনকি বলেছেন, তৃণমূল কংগ্রেসের 'ভাই' রা দলের পতাকা ছেড়ে No Vote to BJP-র উদ্যোক্তাদের ডাকা ১০-ই মার্চের মিছিলে যোগ দেবেন। ব্রাত্য তৃণমূল সরকারের মন্ত্রী। দলের সুপ্রিমো মমতা ব্যানার্জির অনুপ্রেরনা ছাড়া তিনি এমন কথা বলতে পারতেন না। গত ১০ বছরে বিরোধী দলের পার্টি অফিসগুলি ভেঙ্গে গুঁড়িয়ে দেওয়া, দখল করে নেওয়ায় অভ্যস্ত তৃণমূলের এ হেন বদান্যতা অভাবনীয়! আরও আশ্চর্যের বিষয় হল, ব্রাত্যর বক্তব্য নিয়ে No Vote to BJP-র উদ্যক্তাদের নীরবতা। তারা তৃণমূলের সমর্থন নেবেন কিনা তা তারা আজ পর্যন্ত বলেন নি। মুখে কুলুপ এঁটে রয়েছেন। তাদের এই মৌনতা আসলে সম্মতির লক্ষণ কিনা, পর্দার আড়ালে কোনও গড়াপেটা খেলা চলছে কিনা, আমাদের জানা নেই। তাই আমরা নিস্পৃহভাবেই No Vote to BJP- এই স্লোগানটির কার্যকারিতা খতিয়ে দেখতে চাইছি, তা এই মঞ্চ এ' রাজ্যের কত শতাংশ ভোটারকে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখেন সে প্রশ্নটিকে উহ্য রেখেই।

    বিজেপিকে ভোট না দিলে তৃণমূলকে ভোট দিতে হয়। নাহলে সিপিআই(এম)-কংগ্রেস জোটকে ভোট দিতে হয়। নাকি এসইউসিআই কে বা লিবারেশনকে ভোট দেব? অথবা যে কোনও দলের মধ্যে থাকা "সৎ" কোনও প্রার্থীকে বেছে নিয়ে ভোট দেব? আসুন, সম্ভাবনাগুলিকে একে একে খতিয়ে দেখা যাক।

    ১) তৃণমূলকে ভোট দেব?

    ধরা যাক বিজেপিকে ঠেকাতে আমার এলাকার তৃণমূল প্রার্থীকে ভোট দিলাম। কিন্তু দল বদলের যা হিড়িক পড়েছে, তাতে আমার ভোটে জিতে আসা তৃণমূল প্রার্থীটি যে ভোটের পরেই বিজেপিতে চলে যাবেন না, এমন গ্যারান্টি কি No Vote to BJP-র উদ্যোক্তারা দিতে পারবেন? স্বয়ং মমতা ব্যানার্জিও তো এমন গ্যারান্টি দিতে পারবেন না! তাহলে বিজেপিকে ঠেকাতে তৃণমূলকে ভোট দিয়ে লাভ কি হবে? তাছাড়া গত দশ বছরে তৃণমূলের দুর্নীতি, দাদাগিরির ফলে রাজ্যের এক বিরাট অংশের মানুষ চরম ক্ষুব্ধ। No Vote to BJP'র উদ্যোক্তাদের অনুরোধ/নির্দেশ মেনে তারা আবার সেই তৃণমূলকেই ভোট দেবেন? এটা কষ্ট কল্পনা নয় কি?

    ২) সিপিআই(এম)-কংগ্রেস জোটকে ভোট দেব?

    ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে সিপিআই(এম)-এর প্রায় ২২ শতাংশ ভোট বিজেপিতে চলে গেছিল। ‘মুখে বাম, ভোটে রাম’- এমন যে হয়েছিল তা সীতারাম, বুদ্ধদেবরাও স্বীকার করেছিলেন। এবারও যে তেমন হবে না, এমন গ্যারান্টি কি No Vote to BJP-র উদ্যক্তারা দিচ্ছেন? দেওয়া যায় কি? তাহলে সিপিআই(এম)-কংগ্রেস জোটকে ভোট দিয়ে লাভ কি?

    ৩) নাকি এসইউসিআই বা লিবারেশন?

    ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এসইউসিআই ভোট পেয়েছিল ০.৭ শতাংশ। লিবারেশন তার চেয়েও কম। এদের ভোট দিয়ে বিজেপিকে ঠেকানো যাবে, এমন কথা শুনলে ঘোড়াতেও হাসবে!

    ৪) যে কোনও দলের "সৎ" প্রার্থীকে ভোট?

    সংসদীয় দলগুলির মধ্য থেকে "সৎ" প্রার্থী খুঁজে বার করার চেয়ে খড়ের গাদায় ছুঁচ খুঁজে বার করা সহজ। তবু যুক্তির খাতিরে যদি মেনেও নেওয়া হয় যে এমন কয়েকজন "সৎ" প্রার্থী আছেন, তাহলেও হাতে গোনা, মুষ্টিমেয় এমন কয়েকজন ব্যক্তিকে ভোট দিলেই বিজেপি হেরে যাবে?

    ৫) ভোট ভাগাভাগির সম্ভাবনা? তাও কি নেই?

    No Vote to BJP-র উদ্যোক্তারা বলেছেন, বিজেপির বিরুদ্ধে যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে। ফলে এমন হওয়াই স্বাভাবিক যে বিজেপি'র বিরুদ্ধে কেউ তৃণমূলকে ভোট দেবেন, কেউ সিপিআই(এম) কে। কেউ বা আবার কংগ্রেস বা এসইউসিকে। এমন ঘটলে বিজেপি বিরোধী ভোট ভাগাভাগি হবে। আর উদ্যোক্তা সংগঠনগুলির নিজেদের মধ্যে ভোটের লড়াই হলে ভোট ভাগাভাগি তো আরও বাড়বে। এই সব সম্ভাবনার কথা No Vote to BJP-র উদ্যোক্তারা ভেবে দেখেন নি?

    আসলে No Vote to BJP - এই স্লোগানের মধ্যে চমক আছে। ভাবনার গভীরতা নেই। বাস্তববুদ্ধি নেই। No Vote to BJP'র উদ্যোক্তারা আবেগের স্রোতে ভেসে গিয়েছেন। কোনও কিছুই তলিয়ে ভাবেন নি। তাই "বিজেপিকে ভোট নয়"- এই স্লোগান বিজেপি বিরোধী শিবিরে একরাশ বিভ্রান্তির জন্ম দিয়েছে। ৪ জানুয়ারির সভাতেও এই বিভ্রান্তির আঁচ পড়েছে। ভোট যত এগিয়ে আসবে, এই বিভ্রান্তি তত বাড়বে। আর No Vote to BJP-র উদ্যোক্তারা যদি তৃণমূলের বিরোধিতা না করেন, বিশেষত ব্রাত্য বসুর বক্তব্যের পর, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে এমনকি তৃণমূলের সঙ্গে গোপন 'ডিল' করার অভিযোগও উঠতে পারে।

    সত্যি কথা বলব? আমরা কিন্তু সত্যিই চাই না এরকম কোনো অভিযোগ উঠুক। যে সৎ মানুষেরা যান্ত্রিক ফ্যাসিবাদবিরোধী-চেতনা থেকে এই স্লোগানটিকে সমর্থন করেছেন, তারা কিন্তু বড্ড প্রতারিত বোধ করবেন তা'হলে।

    তাহলে ফ্যাসিবাদের বিরোধিতা কীভাবে হবে?

    ভোট দিয়ে ফ্যাসিবাদকে ঠেকানো যাবে না। আমরা যদি ভুলে যাই যে দেশি-বিদেশি কিছু বড় কর্পোরেট সংস্থা দেশীয় বড় ভূস্বামীদের সঙ্গে জোট বেঁধে বিজেপিকে আর্থিক এবং অন্যান্য সাহায্য দিয়ে তাদের অর্থনৈতিক লাভের স্বার্থেই দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন কায়েম করতে চাইছে, তবে সেই ভুল হবে অমার্জনীয়। বিজেপি যে আদানি- আম্বানিদের মদত করছে না, বরং আদানি- আম্বানিরাই যে বিজেপিকে পোষে, এই কঠিন সত্যটি ভুলে গেলে No Vote to BJP'র মত চমকদার কিন্তু অন্তর্বস্তুতে বালখিল্য স্লোগান মাথায় আসবে।

    তাই ফ্যাসিবাদকে প্রতিরোধ করার লড়াই আসলে ফ্যাসিবাদের অর্থনৈতিক ভিত্তির বিরুদ্ধে লড়াই।

    তাই আমরা বলছি:

    ১.Jio এবং Fortune সহ আম্বানি, আদানিদের সমস্ত পণ্য ও পরিষেবা বয়কট করতে জনমত গড়ে তোলার কাজ শুরু করুন। ফ্যাসিবাদের অর্থনৈতিক ভিতে আঘাত হানতে আর যা যা করা দরকার, তাই করতে মানুষকে সংগঠিত করুন।

    ২. বিজেপি'র প্রার্থীরা যাতে এলাকায় ঢুকে তাদের বিষাক্ত প্রচার না করতে পারে তা বোঝাতে গ্রামে, শ্রমিক বসতিতে, পাড়ায় পাড়ায় জনগনের সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার কাজে অবিলম্বে হাত লাগান। (ফ্যাসিবাদকেও "গণতান্ত্রিক স্পেস" দিতে হবে, এমন কথা যাঁরা বলবেন, তাঁদের জন্য রইল অকুন্ঠ করুণা!)

    ৩. এর মাধ্যমে যে অগণিত মানুষ আকণ্ঠ দুর্নীতিগ্রস্ত, জনবিরোধী সংসদীয় দলগুলির থেকে পরিত্রাণ চাইছেন, একটি প্রকৃত বিকল্প খুঁজছেন, তাঁদের সংগ্রামের পক্ষে জয় করে আনুন।

    আপাতত আমরা এটুকুই বলছি।




    গ্রাফিক্স: মনোনীতা কাঁড়ার
  • বিভাগ : বিতর্ক | ১৩ জানুয়ারি ২০২১ | ৫৯৯ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 162.115.44.102 | ১৫ জানুয়ারি ২০২১ ০১:২১101709
  • 'বিজেপি যে আদানি- আম্বানিদের মদত করছে না, বরং আদানি- আম্বানিরাই যে বিজেপিকে পোষে'


    - এটা বোধহয় ​​​​​​​পারস্পরিক দেওয়া-নেওয়ার ​​​​​​​ব্যাপার, ​​​​​​​কেউ ​​​​​​​কাউকে ​​​​​​​পোষে ​​​​​​​এমন ​​​​​​​নয়। ​​​​​​​দু ​​​​​​​পক্ষই পরস্পরকে ​​​​​​​মদত ​​​​​​​দেয় 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। বুদ্ধি করে প্রতিক্রিয়া দিন