• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • ‘মে’ হওয়া কি মুখের কথা?

    সুমিতা
    বিভাগ : অন্য যৌনতা | ১০ মার্চ ২০১৪ | ৬৭ বার পঠিত
  • ‘আমি এক মে। আমি গল পাকে থাকি। আমার দু চখ, দু কান, দু হাত, এক বুক, এক পেট আছে।’ মেয়েত্বের এই অপূর্ব ঘোষণার সামনে স্তব্ধ হয়ে ভাবি হয়তো অপাপবিদ্ধা বালিকারাই এমন আশ্চর্য কনভিকশন দেখাতে পারে - আমরা পাপী-তাপী দড়কচা বৃদ্ধ ভাম, আমরা হাতড়েই মরি কেবল। 

    গোল পার্কের বাসিন্দা এই ছ’ বছরের বালিকার আত্মউপলব্ধির পরতে পরতে রয়েছে নিজের সম্পর্কে স্বচ্ছতা, দৃঢ়তা ও বিশ্বাস। সে শুরুই করে এই বিশ্বাস থেকে যে সে একটি মেয়ে। এবং এই মেয়ের নিজের মেয়ে হয়ে ওঠা বিষয়ে স্বচ্ছ ও দৃঢ়। তার দুটি চোখ, দুটি কান ও দুটি হাতের সমাবেশ তাকে মেয়ে করেছে তো বটেই, এমনকি তার যে একটি বুক ও একটি পেট আছে যা তাকে ফারদার মেয়ে করে তুলেছে, এটাও সে জানে। হৃদয়, মস্তিস্ক, শরীর ও আত্মার এ এক অনন্য সাযুজ্য! 

    এখান থেকে আসি পাপী-তাপীদের কথায়। মেয়ে আমি, এই যে আমার পরিচয়, তা পেয়েছিলাম কোথা থেকে? যতদূর পেছিয়ে ভাবতে পারি তাতে মনে হয় খেলার মাঠে আমাকে প্রথম মেয়ে বলা হয়েছিল। সমবয়সী বা একটু ছোটো ছেলেদের ক্রমাগত পিটিয়ে যাবার ফলে একদিন তারা মোক্ষম ঘোষণা করেছিল, ও মেয়ে - ওকে আমাদের দলে খেলতে নেব না। দল থেকে বাদ পড়ার সেই মুহূর্ত, আমার সেলফ রিয়ালাইজেশনের পথে সম্ভবত প্রথম পদক্ষেপ। 

    তারপর তো সব মেয়ের অর্থাৎ বায়োলজিক্যাল মেয়ের শরীরে যা ঘটে সেই অমোঘ নারীত্ব আমাকে আবার মেয়ে করল। মানে রজস্বলা হওয়ার সাথে সাথে তাকে কেন্দ্র করে যা কিছু ঘটতে থাকে তাতে আর মেয়ে না হয়ে কারো উপায় থাকে কী? আমিও সেই আঁশটে ন্যাকড়া কাচতে কাচতে, পাঁচিলের কোনায় লুকিয়ে শুকোতে দিতে দিতে, স্কুল ড্রেসে দাগ লুকোনোর জন্যে কালির ছোপ ফেলতে ফেলতে, ঠাকুর না ছোঁয়া, খেলতে না যাওয়া, ছেলেদের সঙ্গে ধিঙ্গিপনা না করা - ইত্যাদি অনর্গল বকুনি শুনতে শুনতে পুরোপুরি মেয়ে হয়ে গেছিলাম। 

    এই সময় থেকেই দুই চোখ, কান, হাত ও এক বুক, পেটের সরল হিসাবের সঙ্গে একটা কঠিন ক্যালকুলেশনও জুড়ে গেছিল যা এই ছ’ বছুরেটির জানার কথা নয়। জরায়ু প্লাস ডিম্বাশয় - আমার সুখের মূল এবং দুখেরও। 

    ১২/১৩ বছর নাগাদ যখন শরীর জুড়ে হরমোনেরা খেলা করতে শুরু করে তখন সে খুবই জটিল সময়। সরলা বালিকারা তখন থেকেই জটিলা-কুটিলা টাইপ হয়ে যায়। মা’র কথা শোনে না, ছোটো ছোটো জিনিস নিয়ে তোল মাটি ঘোল, বন্ধুরাই তখন সব, তাদের সঙ্গে দিবারাত্রি গুজুর-গুজুর ফুসুর-ফুসুর, ছেলে চাটা শুরু হয়ে যায়, তাদের মধ্যে আরও নচ্ছার যেগুলো তারা ম্যাসটারবেশনও শিখে ফেলে – মানে জঘন্য! 

    যদিয়ও এই জঘন্য পথেই সবার আনাগোনা ছিল একদিন, মানে ১২-১৩র পথে না চলে তো কেউ ৫২-৫৩ তে পৌছয় না, তবু কনভিনিয়েন্টলি আমরা তা ভুলে যাই। ওসব আমাদের কক্ষনো হয় নি, ওসব আমরা কক্ষনো করিনি! অথচ আমাদের সবার জরায়ু ও ডিম্বকোষ থেকে (ডাক্তার ও বিজ্ঞানীরা মাফ করবেন, খুব অ্যাকিউরেট বর্ণনা নয় এটা) মেয়ে হরমোন বেরিয়ে বিকট বাঙলা ডান্স করে, করতে বাধ্য! মেয়ে হরমোনের এই তাতা থইথই আমাকে আবারও মেয়ে করেছিল – আমার কামনার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল। 

    এইখানে একটা স্লাইট গোলযোগ আছে। একটু আগের ব্যাখ্যায় ছেলে-চাটা বলে একটা কথা লিখেছি যা মেয়ে হয়ে ওঠার প্রয়োজনীয় উপাদানগুলির মধ্যে একটি। কিন্তু কারো কারো মেয়ে হয়ে ওঠার মধ্যে ছেলে চাটা ছাড়াও আরও নানা কিছু থাকে, মানে নানা কিছু চাটা থাকে। আমি মেয়েদেরও চাইতাম কিন্তু স্পষ্টত জানতাম না সেটা ঠিক কীরকম ভাবে হতে পারে। ছেলেরা যেভাবে মেয়েদের চায় আমি নিজের মধ্যে সেই কামনার ছায়া দেখতে পাইনি, মেয়েদের চাইছি বলে যে আমি নিজে মেয়ে নাও হতে পারি এ সংশয় কখনো মনের মধ্যে আসেনি। এও সেই ছ’ বছুরের অনড় বিশ্বাস, আমি মেয়ে, তবু মেয়েকে কামনা করছি-র ক্ল্যারিটি। 

    এইভাবে মেয়ে বলে একটা বিশেষ শারীরিক-মানসিক অবস্থানের মধ্যে ঢুকে পড়েছিলাম। মেয়েদের মতো শরীরের গড়ন আমার, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ইন্টারনাল ও এক্সটারনাল সমাবেশ (যোনি-জরায়ু- ডিম্বাশয় কম্বিনেশন) মেয়েদের শরীরের নিয়ম মেনেই ঘটেছে, সেই শরীরকে যেভাবে সাজাচ্ছি তাও বেশ কিছুদুর অবধি সমাজ মেয়ে বলতে যা বোঝায় সেই নিয়মের সঙ্গে খাপ খেয়ে গেছে। নিজের মনের মধ্যেও নিজেকে মেয়ে ছাড়া আর কিছু বলেই ভাবছি না। কেবল কামনার বস্তু হিসাবে পুরুষকে দেখার বদলে মেয়েকে দেখছি। কিম্বা পুরুষের সঙ্গে মেয়েকেও কামনার বস্তু বলে দেখছি। তাহলে কামনাটাই কি আমাকে মেয়ে হওয়ার থেকে সরিয়ে দিচ্ছে? 

    যত সময় যাচ্ছে ততই মেয়ে হওয়াটা জটিল হয়ে পড়ছে – শরীরে মেয়ে, সমাজে মেয়ে আর কামনায় মেয়ে, মেয়ে হবার এই তিনটে মাত্রা দেখতে পেতাম আগে। এখন তার সঙ্গে যোগ হয়েছে ফোর্থ     ডাইমেনশন - উপলব্ধিতে মেয়ে। শরীরে মেয়ে ব্যাপারটা সহজ, মেয়েদের শরীর আর অঙ্গ সংস্থাপন থাকলেই হল। জীবনের শুরুতে সেগুলো দেখেই আমার প্রাইমারি মেয়েত্ব স্থির হয়েছিল। তারপর সমাজে মেয়ে হলাম সামাজিক অনুশাসন মেনে, কিছু কিছু ক্ষেত্রে সমাজের চাওয়া আর আমার চাওয়া মিলে গেল বলে মানাটা সহজ হল আর কোথাও মানতে বাধ্য হলাম তেতো বড়ি গিলে। আবার কখনো বুঝেই উঠতে পারলাম না আমার চাওয়া কি আমারই চাওয়া, নাকি আসলে সমাজই ঘুর পথে আমাকে গিয়ে এমন কিছু চাইয়ে নিচ্ছে যাতে আমি সমাজের মেয়ে হয়ে উঠতে পারি। 

    কামনায় মেয়ে মানে ঠিক কী তা আমি জানি না - মেয়ের কামনা যেমন হবে নাকি যেমন কামনা হলে মেয়ে বলা হবে? যদি প্রথমটা হয় তাহলে শরীরে মেয়ে আমি যে কামনা করব সেটাকেই মেয়ের কামনা বলে ধরে নিতে হবে। কাজেই আমার মেয়েকে কামনা করাও তাহলে মেয়ের কামনা, যা আমাকে কামনায় মেয়ে করে তুলতে পারে। কিন্তু যদি দ্বিতীয়টা হয় তাহলে ছেলেদের কামনা না করলে আমি কামনায় মেয়ে হব না। আবার দ্বিতীয়টাকে বেঞ্চ মার্ক হিসাবে ধরলে যেসব শারীরে পুরুষ পুরুষদের কামনা করে তাদেরও মেয়ে বলতে হয়। আমার আপত্তি নেই এ ব্যবস্থায়, কিন্তু বাকি সবাই রাজি কী? ফোর্থ ডাইমেনশনের হিসাবটাও এখানে এক্কেবারে ফিট করে যাচ্ছে, যে নিজেকে মেয়ে বলে উপলব্ধি করেছে সেই মেয়ে। যে পুরুষ (শরীরে) নিজেকে মেয়ে বলে উপলব্ধি করে পুরুষকে কামনা করেছে সেও মেয়ে, আবার যে পুরুষ (শরীরে) নিজেকে মেয়ে বলে উপলব্ধি করে মেয়েকে কামনা করেছে সেও মেয়েই। এর উল্টোটাও সত্যি, তবে সেটা ছেলে হবার গল্প, সেটা এখন বলছি না।                                   

    সিসজেন্ডার বলে একটা শব্দ খুবই ওড়াউড়ি করছে ইদানীং, সে এমন এক মানুষ যার জন্ম মুহূর্তের অঙ্গসংস্থাপনগত পরিচয়ের সঙ্গে পরবর্তীকালের উপলব্ধিগত জেন্ডার আইডেন্টিটির কোনও বিরোধ নেই। আর যার সে বিরোধ আছে সে হল ট্রান্সস্টার। শুনতে সহজ বলে আমরা ঝাঁপিয়ে পড়ি, এই ব্যাখ্যায় ব্যাখ্যাত হয়ে স্বস্তি চাই। পাপী-তাপী আমার মনে এতেও কুচিন্তা আসে – বিরোধ থাকা মানে কী? বিরোধ না থাকা মানেই বা কী? আমি তো গভীর প্রত্যয়ে নিজেকে মেয়ে বলে জানি আর জন্মমুহূর্তে সেই খারাপ জায়গাটা দেখেও পিজি হাসপাতালের ভারপ্রাপ্তেরা আমাকে মেয়ে বলে ঘোষণা করেছিলেন, তাবলে কি আমার জেন্ডার আইডেন্টিটির সঙ্গে আমার কোনও বিরোধ নেই? টোটাল বিরোধ আছে, আমি দেখতে পাচ্ছি! আমার জেন্ডার আইডেন্টিটি গড়েছে সমাজ, যে আমাকে তার নিয়মে মেয়ে হতে বলেছে। আর আমার উপলব্ধিতে নিজেকে আমি যে মেয়ে বলি সে মোটেই সমাজের মেয়ে নয়। সমাজে মেয়ে হলে আমি কামনায় মেয়ে হতে পারব না। উপলব্ধির মেয়ে আর কামনার মেয়ে এককাট্টা হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এপারে, আর ওপারে সমাজ শরীরকে নিয়ে জোট বেঁধেছে। 

    এতো কাণ্ডের মধ্যে যেটা কন্সট্যান্ট বলে ভেবেছিলাম অর্থাৎ সেই জরায়ু অ্যান্ড ডিম্বকোষ, যাদের হাত ধরে একদিন মেয়ে হতে শুরু করেছিলাম তারা অপারেশন টেবিলে জবাব দিয়ে গেল কদিন আগে। সে আরেক আশ্চর্য উপলব্ধি! শুভার্থীরা নানাকিছু বোঝাতে চেয়েছিলেন, নানাভাবে সাহায্য করতে চেয়েছিলেন, সাহস যোগাচ্ছিলেন যে আসলে এটা একটা শারীরিক প্রক্রিয়া কেবল। ত্যাঁদড় জরায়ু–ডিম্বকোষকে চিরজব্দ বা চিরস্তব্ধ করার একটা প্রসেস। এতে আমার কোনও সমস্যা হবার কথাই নয়! আমি যে আমি ছিলাম তাই থাকব, বরং বেটার থাকবো, বদ-যন্ত্র বাদ দিয়ে। আর এখানটাতেই যাকিছু হবার তাই হতে শুরু করল - যে আমি সেই আমি মানে কী? আমি তো নিজেকে মেয়ে বলেই জানি আর সেই মেয়ে হয়ে ওঠার একটা বেশ বড়ো অংশ কি জরায়ু-ডিম্বকোষের সমাহার নয়? সেটা থাকা আর বাদ যাওয়া কি একই? তাহলে যাদের এসব বালাই নেই তাদের মেয়ে বলে মানতে সবার এতো অসুবিধা কিসের? আমি যে মেয়ে থেকে অন্য কিছু হয়ে যাবো পুরোপুরি এমনটা ভাবিনি, কিন্তু পুরোপুরি মেয়েই থাকব কি - এটা মনে হয়েছিল! স্বীকার করছি!

    এক চমৎকার মানুষ আমার ডাক্তারবাবু/বন্ধুটি, এই চান্সে তাঁকে ধন্যবাদ দিয়ে নিচ্ছি। অপারেশন টেবিলে চিতপাত (কোমরের তলা থেকে অসাড়) আমাকে তিনি সুযোগ দিয়েছিলেন গোটা প্রক্রিয়াটা চাক্ষুষ করবার। সাদা চাদরের আড়াল সরিয়ে নিজের পেটের ভেতর থেকে নিজেকে বেরিয়ে আসতে দেখেছি নিজেই – প্রায় সুফি ক্যাটেগরির একটি অভিজ্ঞতা! এবং সে প্রক্রিয়া পুরো ঘটে যাবার পর, নিজের মেয়েত্বের এতোখানি জরুরি একটা অংশ ডাক্তারবাবুর হাতে ঝুলন্ত-দুলন্ত দেখার পরও জ্ঞান হারাইনি। আমি সম্পূর্ণ সজ্ঞানে বুঝেছিলাম সেই মুহূর্তে যে এরপরেও আমার হাতে রয়েছে পেন্সিল উইথ দু চখ, দু কান, দু হাত, এক বুক, এক পেট ও সেই কনভিকশন! এই নিয়েই ‘মে’ ছিলাম, আছি থাকব – তোরা যে যা পারিস করে নেগে যা! 

     
    ( লেখাটি আংশিক ভাবে 'স্বকণ্ঠে' তে প্রকাশিত)
     
  • বিভাগ : অন্য যৌনতা | ১০ মার্চ ২০১৪ | ৬৭ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • sosen | 111.63.197.189 (*) | ১০ মার্চ ২০১৪ ০৩:২৩88693
  • :-O
  • সিকি | 132.177.167.122 (*) | ১০ মার্চ ২০১৪ ০৩:৩১88694
  • তুমুল।
  • born free | 113.21.126.60 (*) | ১০ মার্চ ২০১৪ ০৪:১৩88695
  • এই নিয়েই ‘মে’ ছিলাম, আছি থাকব – তোরা যে যা পারিস করে নেগে যা!

    অপূর্ব। ফাটাফাটি, একেবারে বাপি বাড়ি যা লেখা।
  • সে | 203.108.233.65 (*) | ১০ মার্চ ২০১৪ ০৪:১৯88696
  • অসাধারণ লিখেছেন।
  • nina | 22.149.39.84 (*) | ১০ মার্চ ২০১৪ ০৫:৪৬88697
  • দুরন্ত !
  • Biplob Rahman | 212.164.212.61 (*) | ১২ মার্চ ২০১৪ ০১:৪০88698
  • সেল্যুট!
  • Pubদা | 202.193.171.151 (*) | ০৯ এপ্রিল ২০১৪ ০৯:১৯88699
  • অসাধারন লেখা !
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত