• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • রক্তের ধারা পেছনে যায় না...

    বিপ্লব রহমান
    বিভাগ : ব্লগ | ২৭ নভেম্বর ২০১৭ | ৫২ বার পঠিত
  • জেনারেল এরশাদ সরকার বিরোধী ছাত্র-গণআণ্দোলনের উত্তাল দিন। প্রতিদিনই ছাত্র মিছিলে পুলিশী হামলা হচ্ছে, গুলি হচ্ছে। ঢাকায় ও ঢাকার বাইরে প্রতিদিনই ঝরছে রক্ত। এরকমই একটি দিন ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বরের সকাল সাড়ে ৯টা। স্থান মধুর ক্যান্টিন প্রাঙ্গণ।

    বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার প্রবেশপথগুলোতে কড়া দাগা-পুলিশী প্রহরা। ঘোষিত ছাত্র-গণসমাবেশ যেন কিছুতেই সফল হতে না পারে, সে জন্য ঢাবি’র ছাত্র-ছাত্রীদের পরিচয়পত্র দেখে তবেই ক্যাম্পাসে ঢোকার অনুমতি মিলছে। বুয়েট, ইডেন কলেজ, ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ, তেঁজগা কলেজ, আইডিয়াল কলেজ, বদরুন্নেসা কলেজসহ পুরনো ঢাকার আরো অনেক কলেজ, সে সময়ের কৃষি কলেজ ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ [এখন বিশ্ববিদ্যালয়]সহ আরো বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে একে একে বিশাল সব ছাত্র মিছিল সবদলীয় ছাত্র এক্য’র ব্যানারে ঢাবি ক্যাম্পাস মুখি হতে থাকে। মিছিলের সবার হাতে হাতে লাঠিশোটা।

    এক সময় পুলিশী বেস্টনী ভেঙে পড়ে। আমরা আজিমপুর থেকে ঢাকা মহানগর কমিটির একটি খণ্ড মিছিল নিয়ে পলাশী হয়ে ঢাবি’তে মধুর ক্যান্টিনের সামনে জড়ো হই। সেখানে তখন ছাত্র-জনতার হাজারো জ্বলজ্বলে মুখ। ছাত্র নেতারা জানালেন, মিছিল ঢাকার বিশ্ববিধ্যালয় ক্যাম্পাস ঘুরে লাইব্রেরির দক্ষিণ দিকের গেট হয়ে টিএসসি হয়ে প্রেসক্লাবের সামনে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করবে। সেখান থেকে আবারো শুরু হবে ঢাকার রাজপথে স্বৈরাচার এরশাদ শাহী পতনের মিছিল।

    সকাল সাড়ে ১০টার দিকে হাজারো ছাত্র জনতার মিছিল শুরু হয়ে যায়। মিছিলটি ঢাবির লাইব্রেরি সংলগ্ন মাঠ [তখন সেটি হাকিম ভাইয়ের চায়ের দোকানের নামে ‘হাকিম চত্বর’ হিসেবে পরিচিত] ঘেঁষে দক্ষিনদিকের গেটের দিকে নানা শ্লোগান দিতে দিতে এগুচ্ছে, ঠিক তখন আমরা শুনতে পাই অবিরাম গুলির শব্দ। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিক থেকে গুলির শব্দ ভেসে আসছে। মুহূর্র্তেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে মিছিল। কলেজ ছাত্ররা বেশীরভাগই ভীত সন্ত্রস্ত। তারা ব্যাগ-বইপত্র নিয়ে দিশেহারা হয়। বেশীরভাগেরই এমন সহিংস আন্দোলনের অভিজ্ঞতা নেই।

    ছাত্র নেতারা চিৎকার করে আমাদের মাটিতে শুয়ে পড়তে বলেন। সকলেই তাৎক্ষণিকভাবে তাই করে। আমরা কয়েকজন মোটা মোটা কড়ই গাছগুলোর গুড়িঘেঁসে বসে পড়ি। মাথার ওপর দিয়ে সাঁই সাঁই শব্দে বাতাস কেটে যায় অসংখ্য বুলেট। ভাষা তত্ত্ব ইন্সটিটউটের দেওয়ালে বিদ্ধ হয় বেশ কয়েকটি বুলেট। গুলির এসব শব্দে আমরা নিশ্চিত হই, এগুলো পুলিশের ছোঁড়া বুলেট নয়। কারণ তাদের বুলেটের শব্দ এতো তীক্ষ্ণ নয়, বরং বেশ কিছুটা ভোঁতা।

    আমাদের মধ্য থেকে দু-একজন শার্টের নীচ থেকে টেনে বের করে পিস্তল, রিভলবার, কাটা রাইফেল। এ পক্ষ থেকেও আকাশে ফাঁকা বুলেট ছুঁড়ে জানান দেওয়া হয়, আমরাও তৈরি!

    গোলাগুলি থামলে একজন দৌড়ে এসে খবর দেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের দিকে একটি অ্যাবুলেন্সে করে এসেছে এরশাদের শ্যুটার বাহিনী অভি-নিরু। তারাই এতোক্ষণ গুলি ছুঁড়ে পালিয়েছে।

    আমরা আবার সংগঠিত হয়ে আগের ঘোষণা অনুযায়ী মিছিল নিয়ে টিএসসির দিকে রওনা হই। শ্লোগান ওঠে:
    "হইহই, রইরই/ অভি-নিরু গেলো কই?"

    "একটা গুলি চললে/ পাল্টা গুলি চলবে।"

    "পুলিশ তুমি যতোই মারো/ বেতন তোমার ৫১২।"

    "গুলি করে আন্দোলন/ বন্ধ করা যাবে না।
    মাস্তান দিয়ে আন্দোলন/ বন্ধ করা যাবে না।"…

    এরই মধ্যে আমাদের মিছিলের ভেতরে খবর পৌঁছায় টিএসসির মোড়েই চিকিৎসক নেতা ডা. শামসুল আলম খান মিলন মিছিলে যোগ দিতে এসে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন [এখন যেখানে শহীদ মিলন স্মৃতি সৌধ]। ছাত্র কর্মীরা একটি রিকশায় ধরাধরি করে রক্তাক্ত মিলন ভাইকে ঢাকা মিডিকেলের জরুরি বিভাগে নিয়ে যায়। আমরাও রিকশার পেছন পেছন মিছিল নিয়ে যাই। জরুরি বিভাগে মিছিল পৌঁছাতে না পৌঁছাতেই খবর পাই, মিলন ভাই আর নেই। চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেছেন।

    হাজারো ছাত্র-জনতা ক্ষোভে ফেটে পড়ে। ঢাকার বুকে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ে লাটি-শোটায় সশস্ত্র মিছিল। সবার মুখে মুখে জ্বালাময়ী শ্লোগান:

    "আর নয় প্রতিবাদ/এবার নেবো প্রতিশোধ।"

    "খুন হয়েছে আমার ভাই/ খুনী এরশাদ রক্ষা নাই।
    খুন হয়েছে মিলন ভাই/ এবার হত্যার প্রতিশোধ চাই।"

    "আমাদের ধমনীতে শহীদের রক্ত/ এই রক্ত কোনোদিন/ পরাভব মানে না…"

    উপসংহারের বদলে:

    সেলিম-দেলোয়ার, বসুনিয়া, তাজুল ইসলাম, নূর হোসেন, দীপালি সাহা, ডা. মিলনসহ আরো অসংখ্য রক্তের বিনিময়ে ১৯৯০ এর ০৪ ডিসেম্বর পতন হয় এরশাদ সরকারের। এরপর দুর্নীতির মামলায় তার কারাবাস ও আরো পরে রাজনীতিতে আবারো তার পুনঃবহালের ইতিহাস সকলেরই জানা।

    আর এখন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারে এরশাদই তো প্রধান কান্ডারি। তার নেতৃত্বেই তো হলো প্রধান বিরোধী দল! …

    সত্যিই রাজনীতিতে শেষ কথা বলে কিছু নেই?
    ---
    মূল লেখাটি এখানে : http://biplobcht.blogspot.com/2013/11/blog-post_26.html?spref=tw&m=1
  • বিভাগ : ব্লগ | ২৭ নভেম্বর ২০১৭ | ৫২ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • পাই | 24.139.221.129 (*) | ২৮ নভেম্বর ২০১৭ ০৩:৩৫60067
  • ছোটবেলায় একসময় এরশাদ নিয়ে কী চর্চাই হত ! ভাবার চেষ্টা করছিলাম, সেটা কি বাংলাদেশ টিভির কারণে নাকি এপারেই চর্চা হত ?
    এরশাদের দ্বিতীয় ইনিংসেরই বরং সেরকম খবর রাখিনা, এত চর্চাও দেখিনা। উনি বিরোধী থেকেও কীকরে সরকারেরও জোটে, ক্যাবিনেটে ওঁর দলের মন্ত্রীও ? এই ফেজটা নিয়ে আরেকটু লেখেন না। আর জামাতি টামাতিদের সাথে কেমন সম্পর্ক, ধর্ম নিয়েই কেমন স্টান্ড ?

    ওদিকে ওপারেও পুলিশ তুমি যতই মারো স্লোগান ছিল ? ৯০ এর দশকে বাংলাদেশে পুলিশের মাইনে ঐ ৫১২ র রেন্জে থাকত ?
  • রুখসানা কাজল | 37.147.204.250 (*) | ২৮ নভেম্বর ২০১৭ ০৪:৩০60068
  • একটা একটা ঠোলা ধরো / সকাল বিকেল নাস্তা করো।
    কাহিনী কিছুটা অধুরা রয়ে গেলো কি! শুনেছি কার্জন হল -হাইকোর্টের মাজারে ছাত্র- ঠোলা সংঘর্ষে আহত ছাত্রদের গভির রাতে পেট্রল ঢেলে পুড়িয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল । সেই সময়ের রমনা থানার অফিসার ইন চার্জ এখনো বেঁচে আছে।
  • বিপ্লব রহমান | 129.30.47.20 (*) | ৩০ নভেম্বর ২০১৭ ০১:৩১60069
  • পাই,

    এরশাদের দ্বিতীয় ইনিংস তেমন বলার কিছু নেই। সে এক ইতিহাসের প্রহসন।

    যেহেতু তার দল জাতীয় পার্টির কিছু ভোট আছে, তাই তার সমর্থন আদায়ে আওয়ামীলীগ জাপার সংগে জোট বেধে সরকার গঠন করে, মন্ত্রী সভাতেও জাপার সংসদ সদস্য ছিলেন, এরশাদ শুধু সংসদের বিরোধী দলীয় নেতাই নন, তার স্ত্রী রওশন এরশাদও সংসদ সদস্য, বিরোধী দলীয় নেত্রী!

    নানান দুর্নীতি ও নারী কেলেংকারীতে জেরবার এরশাদের এইসব আপোষ ছাড়াই বা উপায় কী? আর যাই হোক, ক্ষমতার স্বাদ!

    আর হ্যাঁ, ২৭ বছর আগে সেই সময় পুলিশ কন্সটেবলের মূল বেতন ( রেশন ও অন্যান্য ভাতা বাদে) ৫১২ টাকাই ছিল, সেও তখন নিম্নবিত্তর জন্য যথেষ্ট টাকা, এখন সে অবস্থা অনেক পাল্টেছে।

    রুখসানা আপা,

    ঠিক তেমন নয়, সে সময় এরকম একটা শ্লোগান ছিল:

    "ডিসি সাউথ আমিরুলকে/ দেখা মাত্র ধোলাই কর!"

    সে সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আমিরুলের নির্দেশ ছাত্র মিছিলে লাঠি, গুলি, টিয়ার শেল চার্জ করা হত।

    আগ্রহের জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।
  • aranya | 83.197.98.233 (*) | ৩০ নভেম্বর ২০১৭ ০১:৩৭60070
  • 'একটা একটা ঠোলা ধরো / সকাল বিকেল নাস্তা করো' - এটা কিন্তু হুমায়ুন আহমেদ-এর লেখাতেও পেয়েছি।

    বিপ্লব, এবার কলকাতা বইমেলায় চলে আসুন। গুরু ভাই-বোনদের সাথে একটা লাইভ ভাট হয়ে যাক
  • বিপ্লব রহমান | 129.30.47.20 (*) | ৩০ নভেম্বর ২০১৭ ০২:০১60071
  • অরণ্য,

    ওরকম খুচরো শ্লোগান হতেই পারে। আমি কিন্তু বলছি গুরুতর শ্লোগানের কথা। ওই শ্লোগানটিই আমরা এভাবে বলতাম:

    " একটা দুইটা শিবির ধরো/সকাল বিকাল নাস্তা করো"!

    এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের ভেতর মৌলবাদী জামাত-ছাত্র শিবির বিরোধী আন্দোলনও চলছিল।

    নিমন্ত্রণের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত