• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • বিঝু ফেগ ডাকে, বিঝু বিঝু...

    বিপ্লব রহমান
    বিভাগ : ব্লগ | ০১ এপ্রিল ২০১৭ | ৩০৩ বার পঠিত
  • [তুরু তুরু তুরুরু বাজি বাজেনেই, পারায় পারায় বেরেবং বেক্কুন মিলিনেই...এচ্চ্যা বিঝু...বিঝু...বিঝু....এচ্চ্যা বিঝু..বিঝু বিঝু..বেক্কুনরে বিঝুর পাত্তুরুতুরু...]

    চাকমা ভাষায় ‘ফেগ’ কথাটির মানে হচ্ছে পাখি। বিঝু পাখি আমি কখনো দেখিনি, তবে শুনেছি, ছোট্ট এই রঙিন পাখিটি নাকি বিঝুর সময় অবিকল ‘বিঝু-বিঝু’ করে ডেকে ওঠে। তাই চাকমা লোকগানে গুনবন্দনা করা হয়েছে এই পাখির। তখন নাকি দূর পাহাড়ে পাপড়ি মেলে বিঝু ফুল।

    ওহ, বলতে ভুলে গেছি, বিঝু হচ্ছে চাকমাদের সবচেয়ে বড় সামাজিক উৎসব। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান– এই তিন জেলা নিয়ে গড়ে ওঠা পার্বত্য চট্টগ্রাম বিঝুকে ঘিরে যেনো নতুন করে সাজে প্রতিবছর অন্য রকম এক আনন্দে।

    বাংলা মাসের চৈত্র সংক্রান্তি শেষ দুদিন ও পহেলা বৈশাখ–এই তিনদিন ধরে চলে বিঝু উৎসব। বিঝুকে ঘিরে পুরনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে সবুজ পাহাড়ে চলে নানা আয়োজন। চাকমারা বৌদ্ধ ধর্মালম্বি হলেও এখনো তারা উৎসব, বিয়ে, নতুন বাড়ি করা বা জুমের (পাহাড়ের ঢালে বিশেষ ধরণের চাষাবাদ) ফসল তোলার ক্ষেত্রে আদিধর্ম ‘প্রকৃতি পূজার’ বেশ কিছু বিষয়-আশয় বংশপরম্পরায় পালন করেন।

    তাই ফুল বিঝু, মূল বিঝু ও গইজ্জা-পইজ্জা বিঝু–এই তিনদিনের বিঝু উৎসবে আদিধর্মের বেশ কিছু রীতি এখনো পালন করা হয়।

    ফুল বিঝু হচ্ছে, বিঝুর প্রথম দিন। এ দিন পাহাড়িদের বাড়ি-ঘর ধুয়ে-মুছে ফুল ও লতাপাতা দিয়ে সাজানো হয়। শিশু-কিশোররা খুব ভোরে পাহাড়ি ছোট নদী বা ছড়ায় গিয়ে স্নান সেরে নেয়। তারপর সূর্যোদয়ের লগ্নে পানির দেবতার উদ্দেশ্যে কলাপাতায় আতপচাল, ফল-মুল, চিনি বা গুড়, ফুল, প্রজ্জ্বলিত মোম বা প্রদীপ–ইত্যাদি নৈবেদ্য সাজিয়ে পূজা দেয়া হয়। এর পর বৌদ্ধ মন্দিরে গিয়ে পূজা-অর্চণা চলে। ছোট্ট ছেলে-মেয়েরা এ বাড়ি-সে বাড়ি ঘুরে বড়দের আশির্বাদ নেয়। বৌদ্ধ পুরোহিত বা ভান্তেরা এ দিন পাবেন নতুন গেরুয়া বস্র। গৃহ-পালিত পশু-পাখিকে এ দিন সকালে স্নান করানো হয়।

    পরদিন মূল বিঝুতে বাড়ির সকলে নতুন জামা-কাপাড় পরেন। দল বেধে চলে এ পাড়া সে পাড়া ঘুরে নানান ধরণের পাহাড়ি খাবার, পিঠে আর মদ খাওয়া। বিঝু উৎসবের আন্যতম আকর্ষণ ‘পাজন’ নামে একধরণের তরকারি। ৩৬ রকমের পদ দিয়ে বানানো হয় এই খাবার। পাজনে নূন্যতম ২০ রকমের পদ থাকতে হয়। বুনো আলু, হাঙরের শুটকি, চিংড়ি মাছ, কাঁচা কাঁঠাল, মটর ছোলা, সিমের বিচি, কচি বেত, ও বাঁশের ডগাসহ অন্যান্য গ্রীস্মকালীন তরি-তরকারি এবং ‘সিদোল’ নামে এক ধরণের শুটকি মাছের পেস্ট মিলিয়ে রান্না করা হয় সুস্বাদু পাজন। যে বাড়িতে সবচেয়ে বেশি পদের খাবার দিয়ে পাজান বানানো হয়, সে বাড়ির সুনাম বাড়ে বিঝুর সময়।

    বিঝুকে কেন্দ্রে করে ভাত থেকে এ সময় বানানো হয় দু’ধরণের উৎকৃষ্ট মানের মদ। একটি হচ্ছে দো-চোয়ানি, আরেকটি হচ্ছে ভাত পঁচিয়ে বানানো ভাতের রস–জগরা বা কাঞ্জি। দো-চোয়ানির রঙ একেবারে পানির মতো স্বচ্ছ। এটি ভাত পঁচিয়ে তার রস ডিস্টিল করে বানানো হয়। দুবার ডিস্টিল বা চোয়ানো হয় বলে এর এমন নামকরণ। খুবই কড়া ধরণের মদ। বিন্নি চালের ভাত থেকে তৈরি ভাল মানের দোচায়ানিতে ৭০ থেকে ৭৫ শতাংশ অ্যালকোহল থাকে।

    তবে জগরা অতোটা কড়া নয়। এটি দেখতে ফ্যাকাশে সাদা রঙের, খেতে একটু টক টক, মিষ্টি মিষ্টি। এতে অ্যালকোহলের পরিমান থাকে খুবই কম। আমার চাকমা বন্ধুরা জগরাকে দুষ্টুমি করে বলেন ‘চাকমা বিয়ার’!

    বিঝুর দিনগুলোতে ছেলেমেয়ে, বুড়ো-বুড়ির মদ খেতে কোনো বাধা নেই। তবে মদ খেয়ে মাতলামি করা চাকমা সমাজে গর্হিত অপরাধ। মদ খাবার জন্য সিনিয়র-জুনিয়ররা আলাদা আলাদা আসর বসায়। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত চলে পানাহার।

    বাংলা নববর্ষের দিন হচ্ছে বিঝুর শেষ দিন, গইজ্জা-পইজ্জা বিঝু। চাকমা ভাষায়, গইজ্জা-পইজ্জা কথার অর্থ হচ্ছে–গড়াগড়ি। এর আগের দুদিন উৎসবের ধকল সেরে সবাই নিজ নিজ বাড়িতে আয়েশ করা গড়িগড়ি দিয়ে বিশ্রাম নেবেন, তাই বুঝি এমন নামকরণ।

    আমি শুনেছি, পাঁচ-ছয় দশক আগেও ছেলে-মেয়েদের খেলার জন্য বিঝুর দিনগুলোতে গ্রামের বড় বড় গাছে দোলনা বাঁধা হতো। ‘গিলা’ খেলা, লাটিম খেলা, তৈলাক্ত বাঁশ বেয়ে ওঠার প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি ও ফানুস ওড়ানো, গেংগুলি গীত, যাত্রার পালা–এসব ছিল প্রায় ধূসর হওয়া বিঝুর অন্যতম আকর্ষন।

    কিন্তু শান্তিবাহিনী-সেনা বাহিনীর আড়াই দশকের রক্তক্ষয়ী বন্দুক যুদ্ধ, অসংখ্য গণহত্যা, গণধর্ষণ, গ্রামের পর গ্রাম পুড়িয়ে ৭০ হাজার আদিবাসী পাহাড়িকে ভারতের ত্রিপুরায় একযুগের বেশি সময় ধরে গ্লানিময় শরণার্থির জীবন বেছে নিতে বাধ্য করা–এমনই অস্থির-অশান্ত সময়ে হারিয়ে গেছে বিঝুর সেই বর্ণিল আনন্দ। এখন টেপ/সিডি রেকর্ডার, কিংবা এমপি-থ্রি, মোবাইলের রিংটোনের শব্দে বুঝি চুপ করে গেছেন ‘গেংগুলি গীতের’ বুড়ো শিল্পী; তার ‘রাধমন-ধনপুদি’ পালাগানের খাতা, প্রিয় পুরনো বেহালা, গামছায় ঝোলানো সিঙ্গেল রিডের হারমোনিয়াম তো খোয়া গেছে সেই কবেই!…
    ---
    একটি দূর্লভ চাকমা লোকগান, গেংখুলি/ গেংগুলি গীত:
  • বিভাগ : ব্লগ | ০১ এপ্রিল ২০১৭ | ৩০৩ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • বিপ্লব রহমান | 133.108.246.153 (*) | ০১ এপ্রিল ২০১৭ ০৮:০২59513
  • "তুরু তুরু তুরুরু বাজি বাজেনেই, পারায় পারায় বেরেবং বেক্কুন মিলিনেই...এচ্চ্যা বিঝু...বিঝু...বিঝু....এচ্চ্যা বিঝু..বিঝু বিঝু..বেক্কুনরে বিঝুর পাত্তুরুতুরু..."

    আদিবাসী চাকমা ভাষায় একটি বিঝুর প্রচলিত গান। এর ভাবার্থ অনেকটা এরকম:

    তরু তরু তুরুরু বাজনা বাজছে, পাড়ায় পাড়ায় সবাই মিলে ঘুরে বেড়াবো, বিঝু এসেছে, বিঝু, বিঝু, বিঝু এসেছে, সবাইকে বিঝুতে সাগতম।...
  • রৌহিন | 113.214.137.106 (*) | ০২ এপ্রিল ২০১৭ ০৫:২৮59514
  • চমৎকার। চাকমা সমাজ নিয়ে এই লেখাগুল আরো বেশী বেশী করে চাই। চাকমা সাহিত্য সম্বন্ধেও কিছু লিখবেন
  • বিপ্লব রহমান | 53.243.207.145 (*) | ১৭ এপ্রিল ২০১৭ ০১:৩৯59515
  • রৌহিন,

    আপনার আগ্রহের জন্যে ধন্যবাদ। আসলে বাংলাদেশের চাকমাসহ পাহাড়িদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতেই স্বাধীন বাংলায় প্রায় তিন দশক সশস্র লড়াই করতে হয়েছে, এমন যুদ্ধ পরিস্হিতি পেরিয়ে নিজ সাহিত্য খুব বেশি বিকশিত করার সুযোগ নেই।

    পাহাড়ে পাকিপনা এখনো বিদ্যমান। তবু সেখানে সীমিত পরিসরে চলছে সাহিত্য চর্চা। চাকমা উপন্যাস এখনো সেভাবে লেখা না হলেও ছোট গল্প, কবিতা লেখা চলছে, লেখা হচ্ছে অনেক গান, হলে চাকমা নাটকও লেখা হয়েছে।

    তবে ব্যবহারের অভাবে নিজস্ব বর্ণমালার অভাবে বাংলা বা রোমান বর্ণমালায় চলছে চাকমা ভাষার চর্চা। বাংলাদেশের অন্য ক্ষুদ্র আদিবাসী জাতিগোষ্ঠীর অবস্থা আরো শোচনীয়। চাকমারা শিক্ষা-দীক্ষায় কিছুটা এগিয়ে আছে বলে রক্ষা।
  • Ishrat Tania | 172.69.218.139 | ১২ এপ্রিল ২০২০ ২২:৪৪92244
  • লেখাটা ভালো লাগল। তথ্যপূর্ণ লেখা কিন্তু লেখনীর গুণে তথ্যের ভারে ভারাক্রান্ত নয়। আদিবাসীদের জীবনাচারণ, সাহিত্য, সঙ্কট নিয়ে আরও বিশদ পড়তে চাই।
  • বিপ্লব রহমান | 162.158.207.135 | ১৩ এপ্রিল ২০২০ ০২:০৮92249
  • আপনার আগ্রহের জন্য অনেক ধন্যবাদ ইশরাত। কারণ, আদিবাসীর হচ্ছেন প্রান্তজনের ভেতরেও প্রান্ত মানুষ।  

    একই সংগে তাদের ওপর দারিদ্র্য, জাতিগত, ধর্মীয় ও সংস্কৃতিগত নিপীড়ন জারি রয়েছে।         

    তবে "আদিবাসীদের জীবনাচরণ, সাহিত্য ও সংকট   আরও বিশদে পড়তে চাই" কেন? কেন "আদিবাসী জীবন ও সংকট" বাস্তবে বিশদে জানতে চাই না??       

  • আচ্ছা | 162.158.166.116 | ১৩ এপ্রিল ২০২০ ১৭:১৪92274
  • তফাত কী?  পড়লে জানা হয়না?   কীভাবে জানার কথা বলছেন?  সবাই তো আপনার সংগে ঘুরে ওই অঞ্চলে কাজ করতে পারবেন না! 

  • বিপ্লব রহমান | 162.158.207.135 | ১৫ এপ্রিল ২০২০ ০৬:০৪92333
  • @আচ্ছা,  

    সরেজমিনে আদিবাসী জীবন জানা আর পড়ার মধ্যে নিশ্চয়ই কিছু তফাৎ আছে, ইশরাত লেখক হিসেবে সরেজমিন অভিজ্ঞতা থেকে হয়তো লেখারও উপাদান পেয়ে যাবেন। তবে পাঠটিও জরুরি 

    #

    এবার করোনা পরিস্থিতিতে একেবারেই নিরানন্দ গেল বিঝু, বিষু, বৈষুক, সাংগ্রেং আদিবাসী উৎসব। 

    ইউএনডিপি একটি অনলাইন আদিবাসী কনসার্টের চেষ্টা করেছে, কিন্তু সেটি এতো আনাড়ি!                

  • একলহমা | 108.162.237.51 | ১৫ এপ্রিল ২০২০ ১৯:০৪92359
  • আশা করি সামনের বিঝু আনন্দে ফিরবে। আর, পাহাড়ি জীবন তার নিজের অধিকারে - কোনদিনই কি?

  • বিপ্লব রহমান | 162.158.207.135 | ১৬ এপ্রিল ২০২০ ০৭:১৭92371
  • পুরনো লেখাটি আবারও পড়ায় ধন্যবাদ। 

    এবার পহেলা বৈশাখে, বিঝু, বিষু, বৈসুক, সাংগ্রাই স্মরণে বাংলাদেশে ইউএনডিপি আদিবাসী গানের অনলাইন কনসার্টের আয়োজন করে,  কিছু অব্যস্থাপনাসহ ব্যতিক্রমী ছিল এই অনুষ্ঠান। 

    নিশ্চয়ই আবার জমবে মেলা,  বটতলা হাটখোলা...        

  • রৌহিন | 108.162.215.21 | ১৬ এপ্রিল ২০২০ ১২:০১92376
  • ফিরে আসুক। মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা
  • বিপ্লব রহমান | 108.162.215.185 | ১৬ এপ্রিল ২০২০ ২১:০১92379
  • রৌহিন দা, 

    অবশ্যই!  রুদ্র স্নানে সূচি হোক ধরা...।

    অনেক ধন্যবাদ

  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত