• হরিদাস পাল  ব্লগ

  • "শূন্যে দিলাম উড়া, যাইতে চান্দের চর"

    Tim লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ৬৯৫ বার পঠিত
  • হাওয়াই চটির স্ট্র্যাপ সেফটিপিনে লাগানো হয়েছে। উঠোনের ঝাঁটপাট শেষ হয়ে বেড়ার কঞ্চি মেরামত সেরে কলতলায় হাত পা ধুয়ে আসেন নগেনবাবু। জামগাছের তলাটা আজ আর পরিষ্কার করা হলোনা, সন্ধ্যে নেমে আসছে। কলতলায় আলো নেই, সেখানে জোনাকি ওড়াউড়ি করে, অন্ধকার জাঁকিয়ে বসার আগে সামান্য কিছু সরলরেখা তৈরী হয়। শাঁখ বাজে, পাশের বাড়িতে হারমোনিয়াম বেরোয়, আর অলকেন্দু মাইতি বাড়ির ঠিক বাইরেই, দেওয়াল ঘেঁষে পেচ্ছাপ করতে বসেন, প্রায় একইসঙ্গে। নগেনবাবু ঘরে আসেন, পরনের গামছাটাতেই হাত মুছে লুঙ্গি পরে মেঝেতে বসে হাতপাখায় হাওয়া খান, এবং অনতিবিলম্বে পরিশ্রমে ঘাম বেড়ে উঠলে হাল ছেড়ে তাসের প্যাকেট নেন। অ্যাসবেস্টনের চালে মড়মড় শব্দ হয়, চাঁদ উঠছে কিন্তু এ তার পদধ্বণি নয়, ভামের উৎপাত হবে। কোনের ঘরে পায়রা আছে খানকতক, তারাও, জোনাকিদের মত আলোকিত না হয়েও, ওড়ে।

    নগেনবাবুর চুল বেশিরভাগই কাঁচা, সামান্য পাক ধরেছে। রোগা হাড্ডিসার চেহারা, তবে মজবুত। অসুখ করেনা তেমন আর ডকে মাল খালাসের কাজ দিয়ে জীবন শুরু করেছেন বলে বেবাক খাটতে পারেন। নারকেল তেলের একটু শখ থাকায় চুল রাতের টিমটিমে আলোয় ঝকমক করে। যদিও হলদে আলোর প্লবতায় আমোদিত যেসব মানুষ জমা গুঁজে আপিস যান, নগেনবাবু তাঁদের মধ্যে পড়েন না। সে যা হোক, এইসব করতে না করতেই বাইরে ঝোড়ো হাওয়া দেয়, তা সে যে মাসই হোক, দিয়েই থেমে যায়। মানুষ, সুখবোধ, অনটন এবং সর্বোপরি মহৎ রাজনীতি ভেপে ওঠে। ভামটা নড়াচড়া করে, সন্তর্পণে পায়রা খেতে এগোয়। পায়রাগুলো এতক্ষণে কাঠের খাঁজে খোঁজে লুকিয়েছে, হয়ত। চাঁদ সত্যিই উঠেছে, পায়ের আওয়াজ না পেলেও বোঝা যায়। রেডিওটা ছেড়ে যাত্রার বিজ্ঞাপণ শোনেন নগেনবাবু। আজকাল আর যাত্রা হয়না। হিম পড়ে খুব, মাঠঘাট রাতের দিকে টুপটুপে হয়ে থাকে, ফুলের গন্ধ বেরোয়, নিজ হাতে লাগানো ফুলের গাছ সব, হবেনা? যাত্রা শুনতে হলে যেতে হবে সেই দক্ষিণে। সময় কোথা, চাঁদ উঠেছে দূর্বিষহ, তন্মধ্যে চরকা কাটেন বুড়ি। গজুর চা-পাতার দোকান জুরিয়ে আসবে, ফটিকের দোকানে বাকি রাখা আছে। মোটে ভালো কাজ না, এসব ছেড়ে যাত্রা? হোঃ।

    ফি দিন ট্রামে ফেরেন নগেনবাবু। পাশ কাটা আছে, খিদিরপুর থেকে টালিগঞ্জ। ঝুলিয়ে শার্ট পরে, নস্যি রঙের ট্রাউজার আর কালো চশমা পরে ঘুমিয়ে নেন অনেকক্ষণ। ট্রামে লোডশেডিং হয়, কখনও বা আউটলাইন। নগেনবাবুর তাড়া থাকেনা, বাড়িতে কীই বা আছে? যৌবনবতী স্ত্রী, সুশীল ছেলে, এইসব এবং একটা বুড়ো ভাম, কোনদিন আধখানা কোনদিন একটা গোটা চাঁদ, আর একপাল পোষ্য ফুল ও মানুষ। কারো নাম অশোক, কারো চন্দ্রমল্লিকা, কারো এখনও নাম গজায়নি, দুধের শিশুটি। এইসব মায়াটানে ফিরে যেতে, এত তাড়া কিসের?

    রাতের যা নিয়ম, সেসব সারা হলে সকাল হয়। বাজার বসে, নানাবিধ। নগেনবাবু বাঁশের সাঁকো পেরিয়ে থলে হাতে যান, একই দোকানীর কাছে প্রতিদিন খরিদারি করেন, যেন বা প্রেমের সম্পর্ক, কথা রাখার্কথা আছে। জোলো হাওয়া দেয়, বর্ষাকাল হলে। অঙ্ক কষা বাতিক নেই বলে নগেনবাবু দাড়ি কাটেন কি কাটেন না, ছেলের জ্যামিতি বাক্স কিনে দিতে দেরি হয় কিন্তু কেনেন। অন্যদিকে বউটি কথা কয়না, বা কইলেও অস্ফুটে। এমন সময়, কখনও কখনও সন্ধ্যেও হয়, কিন্তু চাঁদ উঠবেনা আজ, আজ গল্ফ ক্লাবে একটা লাশ পড়েছে, নকশালি কাজ যত। গজুর দোকানের আড্ডাটা আর, যা কিনা চাঁদের তিরিশ ডিগ্রি পার করার আগেই কোন কোনদিন শেষ হয়ে যায়, বসেনা। হরতালও হয়, সাধুভাষায় স্ট্রাইক। আরো দুটি আপিস বন্ধ হয়, নগেনবাবুর পয়সা কমে আসে, যদিও কেসচা করেন, তবু, কতই বা মাইনে, আর ভামও কি নেই?

    তো, একদিন যাত্রাপালা আসে পাড়ায়। মাঠে ম্যারাপ পড়ে, ডেকচিতে আলুর দম, মুখে মেকাপ করে নাঙ্গা তলোয়ার করতে আসেন শিল্পীরা। নগেনবাবু সারারাত যাত্রা দেখেন, ভোরের দিকে কাশি হয়, সামান্য। আবার সেরেও যায়, স্যান্ড গেঞ্জি পরে বৃষ্টির মধ্যেই পাতা কুড়িয়ে উঠোন সাফ করতে ব্যস্ততাজনিত কাশি বাড়তে পায়না। কব্জিতে কালো ব্যান্ডের একটা ঘড়ি আছে, সেইটে ঘোলাটে হয়ে এলে একটু ভয় ভয় করে নগেনবাবুর। বিয়ের ঘড়ি, ছেলেটা তো ভালোই করছে, একবারো ফেল করেনি, বরং অঙ্কে যেন মাথাটা ভালোই শুনছিলাম। এক বুড়ো মাষ্টার আসেন পড়াতে, রিটায়ার্ড মানুষ, সুদের ব্যবসা আর টিউশনি করে চারটি মেয়ের বিয়ে দিয়েছেন। তিনি টাক চুলকে বলেন, ভাবিস না নগা, ওর হবে। বলে দন্তহীন হাসেন, কুৎসিত কিন্তু নিষ্পাপ হাসি। পানের কষ গড়ায়, আলগোছে মুছতে ইয়ে চাদরে লাগে। কিশোরটি শশব্যস্ত হয়, কিন্তু হলদে আলো নেই, তায় ভাম সুদূরপরাহত, তাই বাকিরা গা করেনা। ঝুপ করে অন্ধকার নেমে আসে, পরে। আর লোডশেডিঙে ফাটল ধরা সিমেন্টের রকে বসে লোকে কথা বলে। সমুর মা পিঠকাট ব্লাইজ করেছে, বাপ্পার মাসীর ফিটের ব্যামো, ঐ ওধারে সবুজ বাড়ির ভদ্রলোক সেদিন দুপুরে... ইত্যাদি। কোন কোনদিন অন্ধকারে শিউলি গাছটা দেখা যায়। নগেনবাবু একটা বিড়ি ধরিয়ে আকাশের দিকে চেয়ে থাকেন। রগের কাছটা ব্যথা করে। আজকাল একটা কি বাম বেরিয়েছে, জ্বালা ধরিয়ে দেয়। ঐটে লাগিয়ে এই শিউলিতলায় চুপ করে খানিক শুয়ে থাকতে ইচ্ছে করে। ভেজা মাটিতে সরসর করে সাপ চরে। অনতিদূরেই বয়ে যাওয়ার চেষ্টায় নর্দমা, কিন্তু তবু ভালো লাগে। পেছনের জমিতে শুয়োর চরে, জলা জায়গার ভারি গন্ধ বুকে চেপে বসে, কিন্তু তবু বাড়ি তো। একে একে কতবাড়িই বদলালো জন্ম ইস্তক। মাঝে মাঝে লোকে বলে বটে, দেশভাগ, রিফিউজি এইসব। শক্ত কথা, নগেনবাবু বিড়ি খাওয়া লোক, গামছা পরে গাছের জঙ্গল সাফ করেন আর বস্তা বয়ে স্টীমারে তোলেন। সাফাই আর বহন, এর মধ্যে অন্য বাতাস নাই। ঐ যা একটু চাঁদ ওঠে, নোয়াখালির চাঁদ। উফ যেন হাসপাতালে না যেতে হয় ঠাকুর। নগেনবাবুর মা, স্পষ্টতই অশীতিপর, সব মনে করতে পারতেন। যদিও করপাড়া, চৌধুরি বাড়ি, হ্যাঁগো তোমাদের অনেক জমি ছিলো নাকি, এইসব প্রশ্নে উত্তর করতে পারেন না। কিন্তু সে অন্য কথা।

    এইভাবে দিন যায়। নগেনবাবুর দিন কাটে, নৈমিত্তিক, আর একদিন ভামটা আসা বন্ধ করে দেয়। স্ত্রী পারুল শান্তই থেকে যান, নববধূ। ছেলেও শান্ত, বউমা নয়, নাতি, বড়ো আদরের, মায়ার। যদিও ট্রাম লেট করে হামেশাই, আর লাইনের চকচকে রুপোর পাতের দিকে চেয়ে থেকে থেকে নগেনবাবু ঘুমিয়ে পড়েন কিনা কেউ বোঝেনা। কন্ডাক্টর তাড়া দেয়না, ভালোই তো, একটা লোক থাকলে তবু দরকারে লাগবে। খাকি ফুলশার্টের হাতায় ঘাম মুছে সে ট্রামের পাদানিতে বসে। হয়ত বা সিগারেট খায়। নগেনবাবুর জানার কথা না।

    এইরকম দিন কাটে। সকাল সন্ধ্যে রাত দুপুর চক্রাকারে। যেমনটি হওয়ার কথা আর যেমনটি হওয়ার কথা মোটেই নয়, সবই হয়। নিয়মের রাজত্ব। নগেনবাবুর চেনা লোকেরা ক্রমশ সরে যেতে থাকে। শিউলি গাছের তলাটাও ফরসা হয়ে আসে, চুপ করে অন্ধকার মেখে ঘুমিয়ে পড়ার ইচ্ছেটা চাগাড় দেয়, কিন্তু হয়ে ওঠেনা নগেনবাবুর। তার বদলে হাসপাতালে শুতে হয়, তাও শীতের শেষে, যখন পাতা ঝরে স্তূপ হয়েছে সরাবার লোক নেই। নারকেলপাতার কাঠি বের করে ঝাঁটা বাঁধা দরকার, বেড়ার ফোকর হয়েছে আর উই, সেই তখনই। জামগাছের গায়ে আগাছার জঙ্গল, আর এখন শীতেও নিম্নচাপে বড়ো জল জমে উঠোনে তদুপরি নাতিটা ডাগর হচ্ছে ক্রমশ। হলদে আলোর রহস্যটা নগেনবাবুর বোঝা হয়্না। পেশেন্সের অনেক কিছুই হয়ত অধরা থেকে যাবে, তাসের প্যাকেটটা যদিও বেডসাইড টেবিলেই রেখে গেছে বাড়ির লোক। ঘুম পায়, বুকে জ্বালা করে, সেইসব বিয়েবাড়ি মনে পড়ে যা ভালো করে দেখা হয়নি কর্তব্যে, সেইসব সম্প্রদান। এমন সময় চাঁদ ওঠে, ভামটা আবার আসে, শিউলিগন্ধে হাসপাতাল চত্বর ম ম করতে থাকে। নগেনবাবু চোখ বন্ধ করে জলের কথা ভাবেন। স্টীমার, নদী, বৈঠা, আর ভাঙা ডানার কথা। শিউলিগাছটা অন্ধকার হয়ে আসে, আগের মত। অন্ধকারেও একটু হেসে, পাশ ফেরেন নগেনবাবু। সেফটিপিনটা ল্যাগব্যাগে স্ট্র্যাপে জড়িয়ে থাকে।

     

  • বিভাগ : ব্লগ | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ | ৬৯৫ বার পঠিত
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sosen | 177.96.90.7 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৭:৩৭57436
  • শান্তি? আমার কষ্ট হল বেজায়
  • d | 144.159.168.72 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৭:৩৯57432
  • কিছুটা চেনা অনেকটা অচেনা ......
  • achintyarup | 125.187.53.68 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৭:৫৯57437
  • ভাল লাগল
  • 0 | 120.227.77.105 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৯:০২57433
  • আহ্‌, বড় শান্তির, মনপ্রাণ জুড়নো মায়ালেখা।
  • aka | 34.96.82.109 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৯:২৬57438
  • কিরকম কবিতা কবিতা, নরম সরম। ভালো।
  • de | 24.139.119.172 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১০:২১57434
  • টিমের কবিতার মতো - একদম!
  • b | 135.20.82.164 (*) | ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ১২:২৬57435
  • ভাল্লেগেছে।
  • ranjan roy | 24.99.132.94 (*) | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০১:৪৭57439
  • টিম কবিতা লেখে , আঁকে। অনেকদিন পর। বেশ ভালো লাগল।
  • rabaahuta | 215.174.22.20 (*) | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০২:০৪57440
  • খুব ভালো লাগলো। হলুদ আলো শহরের ধারে কাঁচা রাস্তা এইসব।
    অনেকদিন পর টিমের লেখাপত্র পড়ছি আবার।
  • Robu | 11.39.36.154 (*) | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৫:৪০57442
  • খুব ভাল লাগল।
  • T | 165.69.191.254 (*) | ১২ ফেব্রুয়ারি ২০১৬ ০৬:২০57441
  • কবিতার মতো। ভালো লাগল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন