• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ ০২:০৭50430
  • ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে শুরু হতে চলেছে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মের ২০০ বছরের অনুষ্ঠান। এক বছর ধরে চলবে। শেষ হবে ২০২০ সালের সেপ্টেম্বরে। পশ্চিমবঙ্গ সরকার এই বিশাল কর্মকাণ্ডের উদ্যোক্তা। এ দিকে এ রাজ্যে ইংরেজি শিক্ষার প্রয়োজনীয়তার গুরুত্ব অনুধাবন করে রাজ্য সরকার ১০০টি বাংলা মাধ্যম স্কুলে ইংরেজি মাধ্যম চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সংবাদপত্রের মাধ্যমে জানা গেল, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন বড়বাজার ব্রাঞ্চ স্কুলটিতে ইংরেজি মাধ্যম চালু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিদ্যাসাগর মহাশয় কলকাতায় প্রথম যে স্কুলটি প্রতিষ্ঠা করেন, সেটির নাম মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন (মেন) (যার বর্তমান ঠিকানা ৩৯ শংকর ঘোষ লেন, কলকাতা-৬, বিদ্যাসাগর কলেজ সংলগ্ন)। প্রতিষ্ঠাকাল ১৮৬৪ সাল। এর বেশ কয়েক বছর পরে, ঊনবিংশ শতকে আশির দশকে, বিদ্যাসাগর মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন বড়বাজার ব্রাঞ্চ (যার বর্তমান ঠিকানা ১০ প্রসন্নকুমার ঠাকুর স্ট্রিট) ও মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন বৌবাজার ব্রাঞ্চ (ঠিকানা ৩৯ ক্রিক রো) প্রতিষ্ঠা করেন।

    জেনে রাখা ভাল, বেশ কয়েক বছর আগেই বড়বাজার ব্রাঞ্চের দিবা বিভাগের ছেলেদের স্কুলটি ছাত্রাভাবে উঠে গিয়েছে (ডিরেকগনাইজ়ড)। শিক্ষকদের কেউ বা অবসর নিয়েছেন। অন্যরা দু’তিনটি বিদ্যালয়ে স্থানান্তরিত হয়ে বর্তমানে কর্মরত। বৌবাজারের স্কুলটিরও বাংলা মাধ্যমে ছাত্রাভাব। কয়েক বছর আগেই হিন্দি মাধ্যমে পড়ানোর ব্যবস্থা হয়েছে। কিন্তু মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন (মেন)— যেখানে স্বামী বিবেকানন্দের মতো মনীষী পড়াশোনা করেছেন, কবি হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়, মোহিতলাল মজুমদারের মতো খ্যাতকীর্তিরা শিক্ষকতা করেছেন— সেখানে আজ উচ্চ মাধ্যমিকে শিক্ষকের অভাবে বিজ্ঞান বিভাগ, বাণিজ্য বিভাগ বন্ধ হতে চলেছে।

    কলকাতার বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলির দুই-তৃতীয়াংশ ছাত্রাভাবে ধুঁকছে। অথচ কলকাতা-সহ রাজ্যের শহরাঞ্চলের বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলিকে বাঁচিয়ে রাখার তেমন কোনও সদর্থক প্রয়াস পরিলক্ষিত হচ্ছে না। বিদ্যাসাগর প্রতিষ্ঠিত মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন (মেন)-এ ২৪ বছর শিক্ষকতার পর মনে হচ্ছে, আমরা বিদ্যাসাগরের জন্মের ২০০ বছর উদ্‌যাপন করতে যাচ্ছি, কিন্তু বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলি বাঁচবে কী ভাবে, তা ভাবছি না?

    মেট্রোপলিটান ইনস্টিটিউশন (মেন) ২০১৪ সালে ১৫০ বছর অতিক্রম করেছে। সমাপ্তি অনুষ্ঠানে স্টার প্রেক্ষাগৃহে উপস্থিত ছিলেন ভারতের তদানীন্তন রাষ্ট্রপতি প্রণবকুমার মুখোপাধ্যায়। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মাননীয় রাজ্যপাল, রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী মাননীয় পার্থ চট্টোপাধ্যায়, স্থানীয় সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ আরও অনেকে। দেড়শো বছর অতিক্রান্ত এই ঐতিহ্যপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি এখনও শহরের হেরিটেজ প্রতিষ্ঠানের মর্যাদা পায়নি। কলকাতা জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের উদাসীনতায় এই স্কুলে উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগে কোনও শিক্ষক অবসর নিলে পরিবর্তে কোনও শিক্ষক পাওয়া যায় না। ফলে উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ সঙ্কটের মুখে। আর উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ যদি কাঙ্ক্ষিত মান ধরে রাখতে না পারে, তা হলে মাধ্যমিক বিভাগেও ছাত্রসংখ্যা কমতে বাধ্য। ঠিক তা-ই হয়েছে। আজ এই বিদ্যালয়ে ছাত্রসংখ্যা পাঁচশোর কম। উচ্চ মাধ্যমিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষকের সংখ্যা কম। মাধ্যমিক বিভাগের অনুমোদিত শিক্ষক পদ বর্তমান প্রয়োজনের তুলনায় বেশি। এই বিদ্যালয়কে রক্ষা করতে যদি মাধ্যমিক বিভাগের পদসমূহকে উচ্চ মাধ্যমিকে কনভার্ট করা যায় তা হলে উচ্চ মাধ্যমিক বিভাগ বাঁচে, এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রাণ ফিরে পায়। বিদ্যাসাগরের আত্মা শান্তি পায়।

    নবকুমার কর্মকার

    কলকাতা-৬৭
  • sm | 2345.110.675612.151 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:১৪50431
  • নবকুমার বাবু সব ঠিক লিখেছেন,খালি শেষ প্যারাটা মনগড়া লিখেছেন। যেখানে দুই তৃতীয়াংশ বামি স্কুল ছাত্রভাবে ভোগে,সেখানের যতই ইনিয়ে বিনিয়ে পরিকাঠামোর অভাব,স্টাফের অভাব ইত্যাদি কীর্তন গাওয়া হোক;মূল ব্যাপার হলো, মধ্যবিত্ত বাবা মা,বা মি থেকে মুখ সরিয়ে ইমির দিকে ঝুঁকেছে।
    এটাই বর্তমানের বাস্তব সম্মত চাহিদা।
    প্রাইভেট ইমির মোকাবিলা একমাত্র সরকারি ইমি ই পারে।
  • PT | 340123.110.234523.7 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ ০৩:৪০50432
  • মনগড়া কেন? আপনার সঙ্গে মতে মিলল না বলে?
  • sm | 2345.110.675612.151 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ ০৪:১৮50433
  • এতে না বোঝার কি আছে!নিজেই লিখেছেন কলকাতার দুই তৃতীয়াংশ স্কুল ছাত্রভাবে ভুগছে। নিশ্চয় দুই তৃতীয়াংশ স্কুল জুড়ে পরিকাঠামো আর স্টাফের অভাব কে দাগিয়ে দেওয়া যায় না।
    উনি বারবার কলকাতা সহ শহরাঞ্চলের কথা উল্লেখ করেছেন।গ্রামাঞ্চলে এই প্রবলেম এতো প্রকট হয়নি ধরেই নেওয়া যায়।
    গ্রামাঞ্চলের স্কুল গুলোতে কলকাতা ও শহরাঞ্চলের স্কুল গুলোর তুলনায় স্টাফ বেশি ও পরিকাঠামো উন্নত এমন ও নয়।
    সুতরাং,ধরে নেওয়া যেতে পারে, কলকাতা ও শহরাঞ্চলে অপেক্ষাকৃত বেশি ইমি স্কুল রয়েছে ও লোকজনের আর্থিক স্বচ্ছলতাও বেশি।তাই ছাত্রভাবে এই সব এলাকার স্কুল গুলোতে বেশি প্রকট।এটা বুঝতে এতো কষ্ট!
  • PT | 340123.110.234523.10 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:২২50434
  • "গ্রামাঞ্চলে এই প্রবলেম এতো প্রকট হয়নি ধরেই নেওয়া যায়।"
    কি করে ধর্লেন?
  • sm | 2345.110.675612.151 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ ০৫:৪১50435
  • প্রথমত গ্রামাঞ্চলে ইমির প্রসার চোখে পড়ার মতো বেড়েছে,এমন কোন রিপোর্ট চোখে পড়ে নি।
    দুই, গ্রামাঞ্চলে প্রচুর ইমি রয়েছে,এটা পাগলেও বিশ্বাস করবে না।
    আপনার কাছে অজানা তথ্য থাকলে,জলদি সরবরাহ করুন।
  • ন্যাড়া | 1278.202.5634.85 (*) | ২৪ জানুয়ারি ২০১৯ ০৬:১১50436
  • ওই 'গর্ভস্রাব' কথাটা গালাগালি হিসেবে ব্যবহার হয়নি। তবে কথাটা ব্যবহার না করলেই ভাল হয়ত।

    আইআইটি সব সোনার টুকরো ছেলেদের কব্জা করে ঘষা মাল করে ছেড়ে দেয়। আগে তাও কিছু বুদ্ধি-টুদ্ধি রিটেইনড হত। আজকাল সব 'হুঁ হুঁ বাওয়া, আমি আইআইটি' এমত হাওয়া ভরে ছেড়ে দেয়। তবে আমার কথা নুন-সহযোগে নেবেন। তিরিশ বছর পরেও কিছু 'দ্রাক্ষাফল' কেস থাকতে পারে। আমি আইআইটি-জেইই-তে ফেল্টু মাল।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। কল্পনাতীত প্রতিক্রিয়া দিন