• হরিদাস পাল
  • খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে... (হরিদাস পাল কী?)
  • #মারখা_মেমারিজ (পর্ব ৭)

    Biswajit Hazra
    বিভাগ : ব্লগ | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৬৭ বার পঠিত
  • থাচুংসে – কাং ইয়াৎজে বেসক্যাম্প (০৭.০৯.২০১৮)
    -------------------------------------------------------

    ঝকঝকে একটা সকালে ঘুম ভাঙলো থাচুংসে ক্যাম্প-সাইটে। আহা! এরকম আকাশ, এরকম ওয়েদার যদি আরও দু-তিনটে দিন থাকে! আজ আমাদের যাওয়ার কথা ১৬,৫০০ ফুটের কাং-ইয়াৎজে-২ বেসক্যাম্পে। ২,৬০০ ফুটের মতো অল্টিটিউড গেইন হবে। গতকাল হাঙ্কারের ফোনবুথ থেকে আমাদের ক্লাইম্বিং-গাইডের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছিলো। মানালির ছেলে। কিরণ কাপুর। ওকে বলা হয়েছে আগামীকাল বেসক্যাম্পে পৌঁছে যেতে। চোকদো থেকে নিমালিং হয়ে কিরণ সরাসরি বেসক্যাম্পে চলে আসবে। নামার সময় আমরা ওই রাস্তা দিয়েই নামবো। চোকদো হলো রোডহেড। ওখান থেকে গাড়িতে লে।

    আজ শুরুর থেকেই গ্রেডিয়েন্ট বেশী। আগের দিনগুলোর মতো নয়। এমনিতেই লাদাখ হলো রুখা-শুখা জায়গা। আদর করে লোকে ‘কোল্ড ডেজার্ট’ বলে। তার মধ্যে ট্রি-লাইনের ওপরে উঠে এসেছি আমরা। ফলে, ইতি-উতি খানিক ঘাসের প্যাচ আর ঝোপঝাড় ছাড়া সবুজের কোনও সিনই নেই। আছে শুধু গ্রে আর স্লেট কালারের নানান শেড। এই কারনেই লাদাখ অন্যরকম। ডিফারেন্ট।

    সকাল থেকে একটানা চড়াই ভেঙে আমরা উঠে এসেছি ন্যাড়া ছাদের মতো একটা জায়গায়। পাথর সাজিয়ে অসংখ্য কেয়ার্ন করা। কয়েকটা কেয়ার্নের মাথায় আবার ব্যালেন্স করে রাখা আছে ইয়াকের মুণ্ডু থেকে যত্ন করে আলাদা করা শিং-জোড়া। বাবারে! কেমন একটা বধ্যভূমি-বধ্যভূমি টাইপ লুক্‌। জায়গাটার তিনদিক খোলা। দূরে দূরে রং-বেরঙের ঢেউ খেলানো পাহাড়ের চূড়ো। একটাদিক উঠে গেছে আরও ওপরে। এই ওপরে যাওয়ার রাস্তাটার আবার দুটো ভাগ। বাঁদিকেরটা স্টিফ, কিন্তু শর্ট। ডানদিকেরটা গ্র্যাজুয়ালি আপ্‌, তবে একটু লম্বা। আমরা ডানদিকের রাস্তাটাই ধরলাম। ঘন্টা খানেক উঠেই ... আরিব্বাস! সারপ্রাইজ হো তো অ্যায়সা! পাহাড়ের কোলে দু-দুটো লেক! একটা নীচে। অন্যটা একটু ওপরে। যে রুটে শুকনো পাহাড়ের গায়ে এই চারদিনে একটা জিরো-ফিগারের ঝর্না পর্যন্ত চোখে পড়লো না, সেখানে একেবারে জোড়া-সরোবর! ভাবা যায়! নীচেরটা ছোটো হলেও জাস্ট চুমু। ওপরেরটার টলটলে জলে আবার স্নো-ক্যাপড্‌ কাং-ইয়াৎজের রিফ্লেকশন। হালকা হাওয়ায় তিরতির করে কাঁপছে। কি ভালো, কি ভালো! দেখে-টেখে মাইরি বলছি ... ফট্‌ করে মরে যেতে ইচ্ছে করবে!

    এইরকম রোম্যান্টিক একটা স্পটে রিশভের গপ্পোটা না বললে অন্যায় হবে। আমাদের টিমের একমাত্র অবাঙ্গালি সদস্য রিশভ। দৈত্যকূলে প্রহ্লাদ টাইপের। পরিবারের বাকীরা যখন ফুলে-ফেঁপে ওঠা ইম্পোর্ট-এক্সপোর্টের ব্যবসায় বুঁদ, এ’ছেলে তখন কি করে যেন পাহাড়ের নেশায় ভরপুর আউট। ব্যবসা-বানিজ্যে মন নেই। বিয়ে-শাদীর ব্যাপারেও নির্লিপ্ত। উদাসীন। কারন জিজ্ঞেস করলে মাথা-টাথা চুলকে একটা কথাই বলে, “দাদা, ওহ্‌-ভি কোই লাইফ হ্যায়? বোরিং! বোরিং! ম্যায় পাহাড়মে-হি ঠিক হুঁ।” এ’হেন রিশভ দেখি দুই তরুণীর সাথে হেসে হেসে খুব গপ্পো করছে। কাছে যেতে আলাপ করিয়ে দিলো। খুবই সপ্রতিভ দুটি মেয়ে। লাদাখি। লে থেকে ঘন্টাখানেক দুরের একটা গ্রামে থাকে। দুজনেই প্রফেশনাল গাইড। ট্রেন্ড মাউন্টেনিয়র। বিদেশী একটা টিমকে নিয়ে মারখা ভ্যালি ট্রেকে এসেছে এজেন্সির হয়ে। রিশভ ওদের লজেন্স অফার করায় বড়টি আবার মিস্টি হেসে তার প্যাকড্‌ লাঞ্চ থেকে খানিক ভাগও দিলো। মিনিট পনেরোর ইন্টারঅ্যাক্‌শন। তার মধ্যেই ওদের ফোন-নাম্বার বিনিময় হয়েছে। “লাদাখ ইজ গুড। ম্যায় ফির আউঙ্গা। আগর এক সোলো ট্রেক-মে যায়ে, তো কেয়া আপ গাইড কর্‌ স্যাকেঙ্গে?” পিঠে স্যাক তুলতে তুলতে নীল আকাশের দিকে চেয়ে জানতে চেয়েছিল রিশভ। “কিঁউ নেহি? বাস্‌ ফোন কর্‌ দেনা।” আকাশের বুকে মেঘ দেখতে দেখতেই জবাব দিয়েছিলো প্রফেশনাল লাদাখি-কন্যা। হাই অল্টিটিউডের সান-বার্নে পোড় খাওয়া গালদুটো মুহুর্তের জন্যেও একটু রাঙ্গা দেখলাম কি! কে জানে! মাটি থেকে ১৬,০০০ ফুট ওপরে ধূ-ধূ শীতল-মরুভুমির বুকে লুকিয়ে থাকা নাম-না-জানা পাহাড়ি-হ্রদের ধারেই তো এ’সব ম্যাজিক রিয়েলিটি তৈরি হয়!

    জোড়া-লেক থেকে বাঁদিকে গেছে নিমালিং-এর পথ। বিদেশী টিমটা গেলো সেইদিকে। আমরা উঠছি ডানদিকের রাস্তাটা ধরে, যেটা বেসক্যাম্পের দিকে গেছে। এইবার বেশ হাঁফ ধরছে। বাতাসে অক্সিজেনের শর্টেজটা টের পাওয়া যায়। এ’সব ক্ষেত্রে গুড অপশন হলো আড্ডা মারতে মারতে টুক-টুক করে এগোনো। চড়াই ভাঙ্গার কষ্টটা তাতে কিঞ্চিৎ লাঘব হয়। সেরকমই এগোনো হচ্ছিলো। এগোতে এগোতে পাহাড়ের ধারে একটা কার্নিশ মতো জায়গায় পৌঁছে ... এই মেরেছে! আর তো রাস্তা নেই! যাবো কোন্‌দিকে! শ’খানেক ফুট নীচে একটা রোগাপাতলা নদী ডানদিক থেকে বাঁদিকে বইছে। ওপারের ঢালটা উঠে গেছে আর একটা রিজে। হয় রিভার বেড দিয়ে নদী-বরাবর রাস্তা গেছে, কারন ওয়াটার-সোর্সের কাছে বেসক্যাম্প হয়াটাই স্বাভাবিক, আর নয়তো নীচে নেমে আবার ওপারের রিজটা ধরে রাস্তা কন্টিনিউড হয়েছে, যেটা এখান থেকে চোখে পড়ছে না। রজত আর শান্তনুরও কোনও পাত্তা নেই। ওরা এগিয়ে ছিলো। ঘোড়াওয়ালার সাথে। কিন্তু কোন্‌দিকে গেছে কিস্যুই বোঝা যাচ্ছে না। যাই হোক, আগে তো রিভার-বেডে তো নামা যাক। তারপর নাহয় অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করা যাবে।

    নামা হলো নদীর ধারে। কিন্তু তার পাশ দিয়ে রাস্তা-টাস্তার কোনও চিহ্নই নেই। তাহলে কি নদী টপকে ওপারের ঢালটা দিয়ে রিজের মাথায় উঠে দেখা উচিৎ? প্রচুর মাউন্টেনিয়ার্স-দিমাক খাটিয়ে ঠিক করা হলো, রিজের মাথায় উঠেই দেখা যাক। কারন নীচে থেকে ওপরের রাস্তা বোঝা না গেলেও ওপর থেকে নীচের রাস্তা চোখে পড়বেই। সেটা যেদিকেই যাক। আমরা রিজের মাথায় উঠলাম। এবং যথারীতি ভুল রাস্তায় এগোলাম! কানা রিজটা গিয়ে শেষ হয়েছে একটা হাম্পের নীচে। এতটা এগিয়ে ব্যাক করাটাও মুশকিল। সুতরাং চড়ো হাম্পটার টং-এ। ওপর থেকে যদি কিছু দ্যাখ যায়। ওপরে উঠে ... কেলো করেছে! সামনে তো আর একটা হাম্প! সেটার পরে আর একটা! সেটাও টপকে একটা বিরাট ভ্যালি। আর ভ্যালির শেষে একটা স্লোপ উঠে গেছে একটা রিজে, যেটা আবার সোজা উঠে গেছে কাং-ইয়াৎজে পিকের দিকে। হয় ওই রিজটার ওপারে কোথাও একটা বেসক্যাম্প, যেটা এখান থেকে চোখে পড়ছে না, আর নয়তো বিরাট কেলেঙ্কারি আমাদের জন্যে অপেক্ষা করে রয়েছে! রাস্তা-টাস্তা হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে রাত কাটাতে হবে, কারন, টেন্টগুলো সব ঘোড়ার পিঠে। সঙ্গে খাবার নেই। জলও প্রায় শেষ। ঠাণ্ডায় যেমন ক্যামেরার ব্যাটারি হূহূ করে ডাউন হয়, অজানা আশঙ্কায় তেমনি শরীরের ব্যাটারিও ততক্ষনে ডাউন। হাত-পা যেন আর চলছে না! রেস্ট নেওয়ার জন্য সুমন একটা পাথরের ওপর বসেছিলো। অনেক্ষন নড়ছে না দেখে কাছে গিয়ে দেখি ঘুমিয়ে পড়েছে!

    এদিকে বেলা তো প্রায় শেষ হতে চললো। যা করার তাড়াতাড়ি করতে হবে। চয়েস এখন একটাই। সামনের স্লোপটা দিয়ে রিজের মাথায় উঠে দেখা, ওপারে কিছু আছে কিনা। আবার চড়াই ভাঙো। চায়ের কাপে পড়ে থাকা লাস্ট সিপ্‌-টার মতো এনার্জির তলানিটুকু কাজে লাগিয়ে একটু করে উঠছি, আর ভাবছি, রিজের ওপারে যদি এপারের মতই আরও একটা ব্যারেন ভ্যালি থাকে! কি হবে! নাঃ, কু-চিন্তা না করাই ভালো। প্রায় পৌঁছে গেছি। আর একটু। শেষ কয়েক মিটার হাপরের মতো শ্বাস টানতে টানতে আর আশা-নিরাশায় দুলতে দুলতে অবশেষে রিজের মাথায়। ওপারে অনেকটা নীচে ঘাসের প্যাচ-ওয়ালা একটা ছোট্ট উপত্যকার বুকে কাটাকুটি খেলছে একটা নদী। সম্ভবতঃ যে নদীটা আমরা পেরিয়েছিলাম, সেটাই। এঁকে-বেঁকে এখানে এসে পৌঁছেছে। আর সবুজ ঘাসের ওপর একেবারে কালার ম্যাচ করে তিনটে সবুজ ডট্‌। আমাদের টেন্ট! আশে-পাশে হলুদ রঙের আরও কয়েকটা। বাচ্চা লোগ তালি বাজাও। বেস-ক্যাম্প পৌঁছ গ্যায়া!

    (সঙ্গের ছবিগুলোর প্রথমটা ওপরের আর দ্বিতীয়টা নীচের লেকের। তিন নম্বরটা ওই তিনদিক খোলা বধ্যভুমি টাইপ জায়গাটা, ইয়াকের শিং দিয়ে কেয়ার্ন সাজানো। চার নম্বর ছবিটা সেই ধূধূ ভ্যালির, যেখানে আমরা রাস্তা হারিয়েছিলাম। চার নম্বর ছবিটা আমাদের টিম-ম্যানেজার সুমনের। সামনে কাং-ইয়াৎজে-২ পিক্‌ দেখা যাচ্ছে, কিন্তু বেসক্যাম্প খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। ফ্র্যাস্ট্রেশন আর ক্লান্তিতে সুমন ঝিমোচ্ছে! ঘটনাচক্রে, বাঁদিকের রিজটার ওপারেই ছিলো বেসক্যাম্প, এখান থেকে যেটা দেখা যাচ্ছিল না।)









  • বিভাগ : ব্লগ | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ | ৬৭ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • | 453412.159.896712.72 (*) | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০১:২৫49820
  • উফ্ফ এই না হলে বেড়ানো! । দুর্দান্ত, দুর্ধর্ষ ইত্যাদি।
  • সিকি | 894512.168.0145.123 (*) | ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০২:০৬49821
  • আয়ে হায়ে। মেঘবালিকাদের মনে পড়ে গেল।
  • dd | 90045.207.5656.182 (*) | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৩:০৮49822
  • চুড়ান্ত, চুর্ধর্ষ।
  • শঙ্খ | 127812.97.7823.243 (*) | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ০৮:০৭49823
  • তুমুল, তুমুল
  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত