এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • সা রে গা মা পা ধা নি (ষষ্ঠ সুর)

    Somnath mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ৩০ মে ২০২৬ | ৪৪২ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ধা …….. (ষষ্ঠ সুর)

    ধানুয়াআআআআআআ….নিকল আ বেটা, জলদি নিকল আ। হাইড্রেনের সিমেন্টের ঢাকনা খুলে গর্তের গভীরে গলে গেছে ধানুয়া। বর্ষা এগিয়ে আসছে, তার আগেই ড্রেনের মধ্যে জমে থাকা সারা বছরের ময়লা, আবর্জনা তুলে ফেলতে হবে। নাহলেই বর্ষার জল উপচে পড়ে বানভাসি হবে শহর। তেমন কিছু হলে মানুষজন আর ভালো কথার ধার ধারবে না – ‘কোনো কাজ করবে না, খালি বসে বসে মাইনে নেবে আর সন্ধ্যা হলেই মাল টেনে আউট হয়ে যাবে। শালাদের দেশছাড়া করা দরকার।’ এমন সব কথা কানে গেলে মনে মনে ভারি কষ্ট পায় ধানুয়া। সে অবাক হয় এই ভেবে যে কেনো এতো লোক থাকতে লোকজন ধানুয়াদের‌ই গালমন্দ করে।’

    ধানুয়া ধাঙড়।নাম জিজ্ঞেস করলেই সপাটে উত্তর দেয় সে। খাল ধারের ৩১ নম্বর বস্তিতে থাকে। কর্পোরেশনের ক্যাজুয়াল লেবার। এই পরিচয় নিয়েই দশটা বছর কাটিয়ে দিলো। এখন তার বয়স ২৬। বাপ ধনঞ্জয়ের হাত ধরে যেদিন প্রথম এই শহরে পা রেখেছিল সেদিন থেকেই ৩১ নম্বর বস্তির বাসিন্দা সে। সুঠাম চেহারা। এসব ধকলের কাজে শরীরের গড়ন পিটন শক্ত পোক্ত না হলে টিকে থাকা মোটেই সম্ভব নয়। প্রথম প্রথম বাপ ধনঞ্জয় ড্রেনের ঢাকনা খুলে ধীরে সুস্থে নিচে নামতো। ওপরে দড়ি ধরে থাকতো দুই ব্যাটা – ধানুয়া আর মানুয়া। মানুয়া তখন খুব ছোট, বছর দশেকের হবে। নর্দমার নোংরা পচা জলে শরীর ভিজিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা কাটিয়ে ধনঞ্জয় যখন ওপরে উঠে আসতো তখন তাকে অতিমানব বলে মনে হতো ধানুয়ার। ধনঞ্জয়‌ই হলো ধানুয়ার আইডল। বাপুকে দেখে তার‌ও কেবলই মনে হতো কবে সে নীলকন্ঠ হয়ে নিচে নেমে বাপুর মতো শহরকে কলুষ মুক্ত করবে।

    সুযোগ মিলে যায়। বাড়ির সামনের ফাঁকা জমিতে বসে গরম গরম চায়ের কাপে চুমুক দিচ্ছিল ধানুয়া। হঠাৎ সেখানে এসে হাজির হয় ভাদের এলাকার কাউন্সিলর কার্তিক দা। “এ্যাই ছেলে ! ধনঞ্জয়ের বাড়িটা কোথায় রে? ওকে ডেকে নিয়ে আয় তো! বল কার্তিক দা ডাকছে।”-- ব্যস্ত গলায় বলে কার্তিক। “বাপু তো ঘরে নাই। পাশের ওয়ার্ডে কাজে গেছে। কী দরকার আমাকে বলুন। আমি ওনার বড়ো ছেলে ধানুয়া ধাঙড়।”-- ধানুয়া উত্তর দেয়। “ ও ধাঙড় তো? তাহলেই হবে।চল তো আমার সঙ্গে। একটা জরুরি কাজ আছে। এই কানু,তুই ওকে সাইকেলে চাপিয়ে নিয়ে আয়। আমি যাচ্ছি।”-- কথাকটি বলে নিজের সাদা স্করপিয়ো গাড়িতে উঠে পড়ে কার্তিক। শত হলেও জনগণের প্রতিনিধি, তাঁকে কি আর পায়ে হেঁটে বা সাইকেলে চড়ে চলে বেড়ানো মানায়?

    ধানুয়াকে নিয়ে কানু সোজা কার্তিকের বাড়িতে গিয়ে হাজির হয়। বাব্বা, কি পেল্লায় বাড়ি! সামনে কেয়ারি করা সুন্দর বাগান। কানু ধানুয়াকে নিয়ে বাড়ির পিছনের দিকে যায়। সেখানেই দেখা হয়ে যায় শেফালি মানে কার্তিক দার ব‌উয়ের সঙ্গে। “এই যে বোদি, ধানুয়া ধাঙড়কে ধরে নিয়ে এসেছি। ওকে দেখিয়ে দাও তোমার জিনিসটা কোথায় পড়েছে? এই ধানুয়া! তুই কাজটা কর,আমি ততক্ষণে চাঁপা দিকে ম্যানেজ করে একটু চায়ের ব্যবস্থা করি। কাউন্সিলরের চামচা বলে কোনো খাতির নেই নাকি!” – কার্তিক চায়ের জোগাড় করতে চলে যায়।

    বেত্তান্তটা শেফালির কাছ থেকে ভালো করে শুনে নেয় ধানুয়া। স্নান করতে গিয়েছিল শেফালি বৌদি। কানের দুল দুটো খুলে রেখেছিল মেঝের একপাশে। তার‌ই একটা জলের তোড়ে নর্দমা গলে ভেসে গেছে। ধানুয়া ধাঙড়কে সেটাই উদ্ধার করে দিতে হবে। বড়ো বড়ো বাড়ির নর্দমায় গালি পিট করা থাকে। ধানুয়া সেটাকে খুঁজে বের করে। তারপর হাত ঢুকিয়ে কিছুটা সময় ময়লা ঘাঁটাঘাঁটি করতেই খুঁজে পাওয়া গেল সেই হারানিধিটিকে। ধানুয়ার মুখে বিজয়ীর হাসি। হারানো জিনিসটা খুঁজে পেয়ে শেফালিও বেজায় খুশি। কাজের জন্য ধানুয়াকে পঞ্চাশ টাকা বকশিস দেয় শেফালি। ধানুয়ার প্রথম রোজগার।

    বর্ষার আগে থেকেই ধনঞ্জয়, ধানুয়া,গিরিধারি, পবন - এদের ব্যস্ততা বাড়তে থাকে। তাগিদ একটাই, বর্ষার দিনগুলোতে যেন শহরের কোথাও জল না জমে। অবশ্য কলকাতার মতো একটা নদী লাগোয়া শহরে জল জমাটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। এমনিতেই মধ্য কলকাতার একটা অংশ একেবারে চ্যাটালো, ফলে চারিদিক থেকে জল গড়িয়ে এখানেই জমা হয়ে অবস্থা ঘোরালো হয়ে ওঠে। তিনশো বছরেরও বেশি পুরনো একটা শহরের পয়:প্রণালি ব্যবস্থাও অনেক সাবেকি হয়ে গেছে।এসব কথা ধানুয়া কাজ করতে করতেই শুনেছে।আর শুনতে শুনতেই শিখেছে। সে জানে এসব তথ্য না জানলে অনেক সময় সমস্যার সমাধান করা মুশকিল হয়ে যায়।

    ধনঞ্জয়ের বয়স হচ্ছে তাই এখন ধানুয়াকেই কাজের ঝক্কি সামলাতে হয় আগের চেয়ে অনেক বেশি। মাঝে মাঝে নিজেকে নিয়ে কাটাছেঁড়া করে ধানুয়া। নিজের এই ময়লা তোলার জীবনের প্রতি এক ধরনের ক্ষোভ জমা হতে থাকে। একথা কেবল দুলারী জানে।পবন কাকার মেয়ে দুলারীকে বেশ পছন্দ করে ধানুয়া। ওদের কয়েকটা ঘর পরেই দুলারীদের ঘর। বছর কয়েক আগে লম্বা দুটো বেণী দুলিয়ে দুলারী যখন স্কুলে যেতো তখন থেকেই এই পছন্দের পর্বের শুরু। তারপর ওরা দুজনে পরস্পরের আরও অনেকটাই কাছাকাছি এসেছে। দুলারীর দিদিমণিগিরির দৌলতে অঙ্গুঠাছাপ ধানুয়া এখন কর্পোরেশনের রেজিস্টারে কলম বাগিয়ে স‌ই করে হপ্তার কাজের পয়সা তোলে। ছোটো ছোটো এই বদলগুলো ধানুয়া ধাঙড়কে ভেতরে ভেতরে অনেক বদলে দিয়েছে। ধানুয়া তা টের পায়। দুলারীর ইচ্ছে ধানুয়া এই কাজ ছেড়ে অন্য কিছু কাজ করুক। জঞ্জালের জঙ্গল থেকে ধানুয়াকে বের করে আনতে চায় দুলারী। সে কি পারবে?

    বর্ষার আর দেরি নেই। ধনঞ্জয়, ধানুয়াদের ঝাড়াইয়ের কাজ প্রায় শেষের মুখে। এই সময় যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ করতে হয়। দিনের তপ্ত পরিবেশে কাজ করতে অসুবিধা হয় বলে রাতেও কাজ চলে। কর্পোরেশন নতুন মেশিন এনেছে নর্দমার ভেতর থেকে পলি তোলার জন্য। তবে শুধুতো পলি নয় - নর্দমার গভীরে জমা থাকে সভ্য সমাজের অফুরান বর্জ্য, আবর্জনা। কি নেই সেই তালিকায়! ধানুয়ার ইচ্ছে, এইসব তুলে আনা জিনিসপত্র সাজিয়ে একটা প্রদর্শনী করতে।এসব দেখে ধানুয়ার বিস্ময় জাগে।

    অনেকক্ষণ হয়ে গেছে, ছেলের কোনো সাড়া নেই। ঝুঁকে পড়ে ম্যানহোলের মধ্যে মুখ ঢুকিয়ে চিৎকার করে ধানুয়াকে ডাকতে থাকে ধনঞ্জয়। অভিজ্ঞ মানুষ ধনঞ্জয়ের মনে কু ডাকতে শুরু করে। তার আর্তচিৎকার শুনে লোকজন ছুটে আসে সেখানে। ধানুয়াআআআআ….. প্রাণপণে হাঁক দেয় ধনঞ্জয়। বেশ খানিকক্ষণ বাদে একটা ক্ষীণ কন্ঠস্বর যেন ভেসে আসে নর্দমার গর্তের ভেতর থেকে - “ বা.….পু ! তাগড়া রশি লাও।” “ধানুয়া জিন্দা হ্যায়।”– আবেগে গলা বুজে আসে ধনঞ্জয়ের। মোটা দড়ি ধরে তরতর করে নেমে যায় ধনঞ্জয়। নর্দমার ভেতর জমে থাকা বিষাক্ত গ্যাসে দম বন্ধ হয়ে আসে। গভীর অন্ধকার। হাতড়ে হাতড়ে খুঁজে পায় বেটা ধানুয়াকে। প্রাণপণে দুহাতে জড়িয়ে সে ধানুয়াকে টেনে নিয়ে আসে খানিকটা খোলা জায়গায়। ততক্ষণে মানুয়া ভজাই ইলেকট্রিশিয়ানের দোকান থেকে লম্বা একখানা ম‌ই নিয়ে এসে নামিয়ে দিয়েছে গর্তের ভেতর। ধানুয়া শরীরের সমস্ত শক্তিকে জড়ো করে ধীরে ধীরে সিঁড়ি বেয়ে ওপরে উঠে আসতে থাকে। খবর পেয়ে ছুটে এসেছে দুলারী। কাদা মাখা ধানুয়াকে সবাই মিলে ধরে এ্যাম্বুলেন্সে তোলে। নিজের ভেজা ওড়না দিয়ে ধানুয়ার শরীরটাকে মুছতে মুছতে দুলারী বিড়বিড় করে বলে – মেরে লিয়ে তুঝে জিন্দা রহনা পড়েগা ধানুয়া। জরুর জিন্দা রহনা পড়েগা। এ্যাম্বুলেন্স হুটার বাজিয়ে ছুটে চলে ……।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ৩০ মে ২০২৬ | ৪৪২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    ভূমি - Srimallar Speaks
    আরও পড়ুন
    খেদ - Srimallar Speaks
    আরও পড়ুন
    শাওন  - Srimallar Speaks
    আরও পড়ুন
    উনুন - upal mukhopadhyay
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সৌমেন রায় | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ৩০ মে ২০২৬ ১০:১২740913
  • দুলারির স্বপ্ন সত্য হোক। সেই সঙ্গে হিউম্যান স্ক্যাভেনজিং পুরোপুরি বন্ধ হোক।
  • Somnath mukhopadhyay | ৩০ মে ২০২৬ ১৯:৩৮740922
  • ধন্যবাদ সৌমেন, আপনাকে। সমাজের এই প্রান্তিক স্তরের মানুষদের সুখ দুঃখের কিছুটা পাঠকদের কাছে তুলে ধরতে পেরে ভালো লাগছে। পাঠকদের ভালো লাগাটাই সবথেকে বড়ো পুরস্কার।
  • পৌলমী | 2409:*:*:*:*:*:*:* | ৩০ মে ২০২৬ ২০:১৬740925
  • একদম অন্যরকম মানুষদের কথা। শেষ পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।
  • Somnath mukhopadhyay | ০১ জুন ২০২৬ ২৩:২৮740957
  • শেষ পর্বের জন্য অপেক্ষা করে আছেন জেনে খুশি হলাম। শেষ পর্ব এসেছে। মতামত জানানোর অনুরোধ রইলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভেবেচিন্তে মতামত দিন