নচিকেতা অনেকক্ষণ ধরেই খেয়াল করছিল ব্যাপারটা। ছোট ছেলে, কিন্ত কী টনটনে জ্ঞান তার। অনুভূতির সূক্ষতায় বুঝে নিয়েছিল, এটা ভাল দেখায় না। ঋগ্বেদে দানের প্রশংসা করে এত কথা বলেছে, আর এখানে কী না এই! কী অন্যায় কথা।
ইচ্ছে তোমায় ছুঁতে / মন দৌড়ে
প্রশ্নটা হচ্ছে, কফি হাউসের ভেতরেও কি পোস্টার গুলো মারা ছিল। কিছুদিন আগেই গিয়েছিলাম। দেখলাম না তো। অদৃশ্য হয়ে ছিল বোধহয় বা চোখ খারাপ ছিল। তাই কাল চশমা নিয়েছি। পাহাড়ী বাবু বলেছেন গত ছাব্বিশ বছরে এরকম তান্ডব তিনি দেখেননি কফি হাউসে। প্রথমে বিদ্যাসাগর, তারপর একে একে বিবেকানন্দ থেকে শুরু করে দাঁড়ি বাড়িয়ে রবীন্দ্রনাথ সব প্রচেষ্টা কি বিফলে তাহলে? তাই এবার কফি হাউসে শক্তি প্রদর্শন। আহা, গোবর ভরা মাথায় খালি প্রশ্নগুলো আসছে। উত্তর কে দেবে? ওদিকে কাকে যেন নিজের গাড়ির দরজা চেপে দিয়েছে। ভগবান, এত অনাচার, অত্যাচার কেবল মানুষের সেবা করার ইচ্ছা নিয়ে থাকা মানুষগুলোর উপর কেন? রক্ষে করো রঘুবীর। বিষ্ণুমাতা একটু দেখো। আর ... ...
আজ সুমনের জন্মদিন। তাঁর সঙ্গে আমার ব্যক্তিগত আলাপ নেই, স্রেফ শ্রোতা ও শিল্পীর সম্পর্ক। কর্মী সুমন, শিল্পী সুমনের আমি একনিষ্ঠ ভক্ত। সেই জায়গা থেকে একটি গান নিয়ে কিছু কথা এখানে লিখতে ইচ্ছা করলো। আশির দশকের মাঝামাঝি বা শুরুর দিকে থেকে নব্বই অবধি বাংলা বাজারের শিল্প-সাহিত্য সর্ব ক্ষেত্রেই একটা ভ্যাকুয়াম ছিলো। হচ্ছিলো অনেক কিছুই, কিন্তু তা শুধুমাত্র হওয়ার জন্যই। হতে হয় তাই হচ্ছে, না হলেও খুব একটা কিছু ক্ষতি হবে না। এই অবস্থায় বিরানব্বই সালে 'তোমাকে চাই' বেরোলো, এবং যাকে বলে একটা সাংস্কৃতিক বিস্ফোরণ ঘটলো। 'সুমনের গান' নামক একটা আপাত জঁর, তৈরী হলো এই ভাষায়। সুমনের গান হলো আমাদের আবেগের উচ্চারণ। ... ...
জলে বুদবুদ আওয়াজ / পাতাদের শিরশিরানি
সালটা ১৭৫২।ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল শহরের আকাশের মুখ সেদিন গম্ভীর।রাত থেকে অবিশ্রান্ত ভাবে কেঁদে চলেছে সে।এমনকি সকালেও সে কান্নার বিরাম নেই। এমনই এক দিনে ব্রিস্টল শহরের এক প্রান্তে এক বস্তিতে জন্ম টমাস চ্যাটাটর্নের।জন্মের পরে বাবাকে দেখেনি সে,মা সামান্য রোজগারে সংসার - সীমান্তে নিত্যদিন এক অসম লড়াই চালাতেন।যার একমাত্র সাক্ষী ছিল ছোট্ট টমাস। ১৭৫৯ সাল। টমাসের বয়স যখন মাত্র সাত বছর,মায়ের হাত ছেড়ে সে বেড়িয়ে পড়লো ভাগ্য অন্বেষণে।আশ্রয় মিললো সেন্ট মেরী চার্চে।অর্থাভাবে পড়াশোনা হয়নি টমাসের। চার্চের ফাদারের উৎসাহেই পড়াশোনার প্রথম পাঠ শুরু হলো তার।এই চার্চের মধ্যেই ছিল এক লাইব্রেরী।যেখানে টমাস খুঁজে পেলো তার নিজস্ব জগৎকে।চার্চের কাজে আর মন বসে না তার।সারাদিন বসে থাকে হাতে ... ...
স্বাধীনতার পরে ভারতসরকারকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তার মধ্যে অন্যতম প্রধান ছিল প্রায় ৮০ শতাংশ কৃষিজীবি মানুযের অর্থনৈতিক উন্নয়ন। এটি বাস্তবায়িত করতে গেলে দরকার ব্যপক হারে ভূমি সংস্কার, চাষের জন্য লোন দেওয়া, চাষীকে জমির মালিকানা দেওয়া, উন্নতমানের বীজ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন করা। বলাবাহুল্য সেই উন্নয়নের অফিসিয়াল নাম সবুজ বিপ্লবে, যা মূলত পাঞ্জাব, হরিয়ানা আর পশ্চিম উত্তর প্রদেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে। গোটা দেশের চিত্র অনেকটাই আলাদা ছিল। ... ...
নদীটা আর বয় না তেমন করে; পলির পরত স্রোতকে টেনে রাখে
মেষরাশি - তিনমুখী রুদ্রাক্ষ / বৃষরাশি - সপ্তমুখী রুদ্রাক্ষ
হকিক - মাথা ঠান্ডা রাখে, মানসিক প্রশান্তি আনে, কাজকর্মে মনোযোগী করে তোলে, মনে বিশুদ্ধ চিন্তার উদয় হয়। ভালো কাজের প্রতি আগ্রহ বৃদ্ধি পায়। স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে মনের মিল হয়, পরকীয়া প্রবণতা থেকে রাখা করে। হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে হকিক বিশেষ ভাবে গ্রহণীয়। রক্তচলাচল স্বাভাবিক রাখে, দুর্ঘটনা, ব্ল্যাক ম্যাজিক ও নানারকম বিপদ আপদ থেকে রক্ষা করে। ... ...
রবি-চন্দ্র : রবি চন্দ্র কর্তৃক দৃশ্য হলে জাতক ধনী, প্রিয়দর্শন, ভোগী, গর্বিত, পুত্র, কলোহযুক্ত ও সর্বজনপ্রিয় হয়ে থাকে।
চররাশি - মেষ, কর্কট, তুলা ও মকররাশি
সপ্তমভাব ও ভাবপতি শুভ ও বলবান হয়ে শুভ বৃহস্পতি ও শুক্রের সঙ্গে যোগ সম্মন্ধ তুললে।
মেষরাশি - জাতকের প্রকৃতিতে হঠকারিতা ও স্বাধীনতাপ্রীতি দেখা দেবে। জাতক প্রায়শই নিজের মতে কাজ করবে। অন্যের পরামর্শের বিরুদ্ধে চলবে। জাতকের মেজাজ মাঝেমাঝেই খিটখিটে হবে। সহজেই রেগে যাবে, তার মধ্যে খেয়ালি ভাব থাকবে। জাতক বন্ধন ভালোবাসবে না। ধরাবাঁধা কাজ তার পছন্দের হবে না। একটা বিতৃষ্ণা ভাব থাকবে। কর্তৃত্ব করা পছন্দ করবে। তার কাজকর্মে কোনোরকম গোপনীয়তা বা রহস্য থাকা সম্ভব। তার উন্নতির পাশাপাশি পতন অসম্ভব নয়। লোকনিন্দা ও মিথ্যা অপবাদের সম্ভাবনা রয়েছে। খাওয়ার ব্যাপারে তীব্র ও রুক্ষ আহার পছন্দ করবে, বিশেষত শুষ্ক ও ভাজা জিনিস তার পছন্দের হবে। ডিম, মাংস প্রভৃতি উত্তেজক খাদ্য বর্জনীয়। তার মাথার কোনো অসুখ বা মাথায় কোনোরকম আঘাত লাগার সম্ভাবনা আছে। ... ...
ধর্ম টর্ম নিয়ে লেখালেখি করে একটুআধটু সুনাম অর্জন করব ভাবছিলাম। কিন্তু এ বাজারে সেটাও সম্ভব নয়। রামশ্যাম কে এ দল তাদের সম্পত্তি তে পরিণত করেছে, বাদবাকি যা ছিল সন্তোষী মাতা থেকে বিষ্ণুমাতা সব কিছু এখন আবার অন্যপক্ষের দখলে। প্রসঙ্গত বলি কথা যদিও আমার না - বাঙলায় একটা কথা আছে নিজের ঢাক নিজেই পাঠান। এ বছর সিংহাসন বেঁচে গেলে নিজেকে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পুরস্কার হয়ত তিনি দিয়ে দেবেন। ... ...