“De omnibus dubitandum”, অর্থাৎ “doubt everything”, সবকিছুকেই সন্দেহের চোখে দেখতে হবে। তাঁর প্রিয় আদর্শ ছিলো দেকার্তের সন্দেহবাদ। আজ থেকে একশো বছরের-ও বেশী আগে তিনি শিখিয়েছিলেন, সমাজে ‘নারীর মর্যাদা কতখানি সেইটিই মাপকাঠি সমাজ কতখানি এগিয়েছে তা বোঝার’। এ কথা নিশ্চিতভাবেই বলা যায় যে তিনি বিশ্বাস করতেন আমাদের সমাজব্যবস্থা এমন-ই ঘুণধরা যাতে একজন লোক স্রেফ আরেকজনকে খাটিয়ে সবটুকু মুনাফা শুষে নিতে পারে, আর সেই চক্রটিকে চালু রাখার জন্য মাঝে মাঝে দরকার হয় যুদ্ধের, দরকার হয় বেকারিত্ব, কর্মহীনতার সঙ্কট। তবুও তার মধ্যে কী করে যেন আশাবাদ ছিলো ধ্বংসস্তূপে চারার মতো, তিনিই ভাবতে পেরেছিলেন, ‘শিশুরাই পারবে তাদের বাপমাকে মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে’।সভ্যতার যে ইতিহাস পাণ্ডিত্যের চাপে ... ...
বাঙালি লেখক সংসদ : এক সৃজনশীল পথচলার ইতিবৃত্ত কলমে : বিষ্ণুপদ ভৌমিক ( বাঙালি লেখক সংসদ : সহ সম্পাদক) ◆ ভূমিকা : বাংলা সাহিত্যের অবিনাশী যাত্রায় শব্দ ও ছন্দের আলপনায় এক অনন্য মাইলফলক হলো ‘কবিকণ্ঠ’। শংকর হালদার শৈলবালা-এর সূক্ষ্ম পর্যালোচনা ও সুযোগ্য সম্পাদনায় এই সংকলনটি আজ নবম ভাগে পদার্পণ করল। ‘বাঙালি লেখক সংসদ’-এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ২০২০ সাল থেকে শুরু হওয়া এই সাহিত্যিক আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় আমরা আজ এক গর্বিত সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে। সাহিত্যের বাতিঘর 'বাঙালি লেখক সংসদ' সৃষ্টিশীলতা যেখানে প্রাণের স্পন্দন এবং শব্দ যেখানে অজেয় শক্তি, সেখানেই জন্ম নেয় নতুন কোনো ইতিবৃত্ত। বাংলা সাহিত্যের সেই শাশ্বত উত্তরাধিকারকে সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে ... ...
আমি এখন রক্ত চাই। আমি আগুনের মেয়ে, কিন্তু আগুন নিভে গেছে। নিভিয়েছে তারা, যারা বলে ‘ধর্ম’, ‘ন্যায়’, ‘কর্তব্য’। আমি সেই শব্দগুলো চিবিয়ে খেয়েছি, গিলেছি, বমি করেছি, আবার খেয়েছি, এখন আমি শুধু রক্ত চাই, গরম, সজীব, ধমকানো রক্ত, যা আমার ঠোঁটে লেগে আমাকে জাগায়, আমাকে বলে, “তুই আর রাজ্ঞী নই, তুই শিকারিনী, তুই রাতের বাঘিনী, তুই শূন্যতার দেবী, যার পূজা হয় মৃতদেহের ওপর, যার মন্ত্র হয় আর্তনাদ, যার প্রসাদ হয় মাংস।”সে মরে গেছে। আমি দেখেছি। আমি দাঁড়িয়েছিলাম রথের উপরে, দূর থেকে, আমার চোখে ধুলো, আমার মুখে রক্তের গন্ধ, আমার কানে তার শেষ নিঃশ্বাসের শব্দ – একটি ক্ষীণ “হা”, যেন সে বলতে ... ...
তাকিয়ে আমার মুখের দিকে ছড়িয়ে দিল আলোঅভিজ্ঞতা বলছে এখন, ‘প্রেম এমনিতে ভাল’ জাগিয়ে আমার মনের দিকে ভরিয়ে দিল চাওয়াঅপেক্ষার মৌলিকতায় দৃশ্যবাতাস পাওয়া... তাকিয়ে আমার মুখের দিকে ছড়িয়ে গেল আলো–এসব দেখে পালিয়ে যাবে বিচিত্র কঙ্কালও!
তৃণমূল হারল কেন? হারা উচিত তাই হেরেছে। কেন বলছি, জানার জন্য পুরোটা পড়তে হবে, ধৈর্য না থাকলে ছেড়ে দিন। ভোটের প্রাথমিক ফলাফল গিয়ে শুরু করি। প্রাথমিক ভাবে খুব সোজা ব্যাপার, বিজেপির পক্ষে ৭% সুইং হয়েছে। তৃণমূল ৪৮% থেকে কমে ৪১%। আর বিজেপি ৩৮% থেকে বেড়ে ৪৫%। ভগ্নাংশের সামান্য এদিক-ওদিকে আছে। বাম কংগ্রেসের ভোট বদলায়নি। বাম মোটামুটি ৫% আর কংগ্রেস ৩%, মোটের উপর যোগ করলে ২০২১ এরই শতাংশ। আইএসএফ আর আমজনতা পার্টির ভোট শেয়ার পাইনি, অন্যান্যরা ৪% দেখলাম, তার মধ্যেই থাকবে। ২১ সালে আইএসএফ+ অন্যান্য ভোট ছিল (৩%), সেটা ভয়ানক কিছু বদলায়নি, ১% মতো বেড়েছে। ফলে তৃণমূলের ভোটব্যাংকের খুব স্পষ্ট ৭% ভাঙন ধরেছে এবং সেটা বিজেপিতে গেছে। আমি ভোটের ... ...
এবিপি আনন্দ টিভি ৯ নিউজ ১৮ জি ২৪ ঘন্টা ডিবি লাইভ
চলো বন্ধু নৌকো নিয়ে ডুবি আমরা তিনজনযার করছো প্রীতিচর্চা, তার কিছুতে নেই মন...এসো বন্ধু খেলি আমরা কিছু কাব্য ভৌতিকতুমি চাইলে মেঘ হাসবে, আর বৃষ্টি হবে তৌফিক... শোনো বন্ধু বিলাসিতা ছাড়া বদনাম পায় নিন্দেরাত ব’লে চলে ‘আমাকে একটা কম দামে কোনও দিন দে...’পারো বন্ধু যদি তো হিংসাকে ছেড়ে ভালবেসে যাও রোজদিনতবে দেখবে তুমিও বদলে গিয়েছ, কীভাবে কোথায় কোনও মুহূর্তে একদিন... ... ...
নৈঋতের স্নানঘরটির সৌন্দর্য বরাবরই অপরূপ। ক্রিম রঙের মার্বেলের অবস্থান ছাড়াও তার দেয়ালজোড়া পূর্ণদৈর্ঘ্যের বেলজিয়াম কাঁচের আয়নাগুলিও অনেকাংশে দায়ী তার নার্সিসিজমের জন্য। আজকের মনোভাব অবশ্য তার অন্যদিনগুলির মতো নয়। তাই ল্যাভেন্ডার সুরভিত পরিবেশে নৈঋত অন্যান্য দিনগুলির মতো আজ মুগ্ধ হয়ে নিজেকে পরিদর্শন করলো না। বরং তার গভীর চোখের গহন খাতে তীক্ষ্ণ হয়েছে দৃষ্টি নিজেকে পর্যবেক্ষণ করার জন্য। তাই নিজের তিন চারটি প্রতিবিম্ব একসঙ্গেই রহস্যহাস্যে তাকে উত্তর দেয়, "সময় রয়েছে বাকি / সময়েরে দিতে ফাঁকি / ভাবনা রেখো না মনে কোনো।" যতোবার ... ...
একটা পাড়া আলোয় ভরা সারাটা দিন হাসতে থাকে। রাস্তা দিয়ে হাঁটলে মানুষ হাত বাড়িয়ে ডাকবে তাকে। আর এক পাড়া গোমড়ামুখো, কারণ ছাড়াই যায় সে রেগে! সারাটা দিন ঘুমিয়ে কাটায় রাত গড়ালে উঠবে জেগে!
I want to say something. As my phone Changed so write post in bengali is problematic. There is no other way of installing bengali key bord so I apologize to ময় fellow writer of that app may considerMy condition. Thank you every body.
মনের ভাগ্য আকাশ শোনে বিপুল এলোমেলোবৃষ্টি যেন আগের থেকেইওড়ার সময় পেলসুখের ভাগ্য বাতাস জানেধোঁয়ায় মরণশখ মেঘের যেন প্রথম থেকেইঅদৃশ্যমান ত্বকপ্রেমের ভাগ্য স্বপ্নে আসে ডানায় ডানায় চুল অনুভাবক বুঝতে পারেন, কোনটা ঠিক আর ভুল
পেনিসিলিন আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসের অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ এবং নাটকীয় ঘটনা। এটি মূলত একটি 'আকস্মিক আবিষ্কার' (Serendipity) হিসেবে পরিচিত। ১৯২৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে স্কটিশ বিজ্ঞানী আলেকজান্ডার ফ্লেমিং তার গবেষণাগার অগোছালো জানালা ভুল করে খোলা রেখে ছুটিতে গিয়েছিলেন। তিনি লন্ডনের সেন্ট মেরি’স হাসপাতালে স্ট্যাফিলোকক্কাস (Staphylococcus) নামক এক ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিয়ে গবেষণা করছিলেন। ছুটি কাটিয়ে গবেষণাগারে ফিরে ফ্লেমিং লক্ষ্য করেন, তার রেখে যাওয়া একটি পেট্রিডিশে (Petridish) নীল সবুজ রঙের এক ধরনের ছত্রাক বা মোল্ড জন্মেছে। অবাক করার মতো বিষয় ছিল যে, ওই ছত্রাকের চারপাশের অংশে কোনো ব্যাকটেরিয়া বেঁচে নেই। ছত্রাকটি কিভাবে যেন ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করেছে। ফ্লেমিং সেই বিশেষ ছত্রাকটিকে শনাক্ত করেন 'পেনিসিলিয়াম নোটেটাম' (Penicillium ... ...
সে এখনো দাঁড়িয়ে আছে নাকি সে কখনো দাঁড়ায় নি আমি নিশ্চিত নই কারণ আমার ঘড়িতে সময় নেই ঘড়ির কাঁটা দুটো একে অপরকে অতিক্রম করেছে বারবার তৈরি করেছে অসংখ্য ছেদ আমি সেই ছেদগুলোর ভিতর হাঁটছি এক ছেদ থেকে আরেক ছেদে পা ফেলছি আর প্রতিবার দেখছি একই দৃশ্য ভিন্ন ক্রমে ভিন্ন সাজে যেন কেউ একটি ছবির টুকরো গুলিয়ে দিয়েছে আমি সেই টুকরো জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করছি অথচ জোড়া লাগাতে চাইছি না আমি কেবল টুকরোগুলোর দিকে তাকিয়ে আছি উদাসীন চোখেআমার বাম হাতের তালুতে পানের দাগটি ছিল ছিল মানে একসময় ছিল এখন নেই এখন আমার তালু ফাঁকা আমি দাগটির স্মৃতি খুঁজি কোন ক্রমে দাগটি ... ...
আজ আগ্রায় স্মার্ট মিটারের বিরুদ্ধে বড় বিক্ষোভ হয়েছে। স্থানীয় জনগণ বাড়ি থেকে স্মার্ট মিটার খুলে এনে বিদ্যুৎ দফতরের অফিসে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।পুরো উত্তরপ্রদেশেই চলছে বিরোধিতা শুধু আগ্রা নয়, এর আগে লখনউ, কানপুর, হামিরপুর, বান্দা, হাপুর, মেরঠ সহ আরও অনেক জেলায় একই ধরনের প্রতিবাদ হয়েছে। সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে যে তারা টেকনোলজির অপব্যবহার করে প্রিপেইড স্মার্ট মিটারের নামে বিদ্যুতে দুর্নীতি ও লুটপাট চালাচ্ছে। এখন জনগণ ... ...
১সুসময় ঘুমোচ্ছে। ডাকার কেউ নেই। অস্থিরতা বাড়ছে। কাকে ডেকে শোনাব? নেই, নেই কেউ। ২একলাবিকেল আসে পুড়ে যাওয়া মন নিয়ে। কী লিখছি? কোন ভাষায় লিখছি? কাকে লিখছি এতসব কথা? শুনছে কি কেউ? আমি লিখছি, একা একা ব’সে... ৩মেঘ উড়ে আসছে! বিরক্তি, আবার বিরক্তি। দ্যাখো গঠন নেই। শুধু স্মৃতিবিষ ছড়িয়ে রয়েছে এই মেঘে ... ...
২০২৬ সালের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফল যাই হোক, ইতিহাসের পাতায় তা বাঙালি জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ হয়ে থাকবে। সময় পাল্টায়, শাসক পাল্টায়, কিন্তু জাতির বিপদের দিনে "ভদ্দরলোক" শ্রেণির সুবিধাবাদী চরিত্র বদলায় না। হ্যাঁ, ব্যঙ্গার্থেই শব্দটিকে ‘ভদ্রলোক’ না লিখে ‘ভদ্দরলোক’ লেখা হয়েছে। কারণ এদের ভদ্রতার নিচে লুকিয়ে থাকে প্রবল জাতি ও শ্রেণি বিদ্বেষ।বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (SIR) এর নাম করে বাঙালির ওপর যে সরাসরি আক্রমণ নেমে আসছে, তা বোঝার জন্য বিরাট পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন ছিল না। মাত্র কয়েকমাস আগেই বিহারে এই প্রক্রিয়ায় কী করা হয়েছে তা জানা ছিল। আসামে এই পদ্ধতিতেই ... ...
বালি দ্বীপ ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম ট্যুরিজম গন্তব্য। বালি দ্বীপে পরিষ্কারভাবে হিন্দু সভ্যতার প্রাধান্য রয়েছে। বালির হিন্দুধর্ম ভারত থেকে আসা শাস্ত্রীয় হিন্দুধর্মের সাথে স্থানীয় ঐতিহ্যের এক চমৎকার মিশেল। তারা তাদের ধর্মকে 'আগামা হিন্দু ধর্ম' হিসেবে পরিচিতি দিয়েছে।ইন্দোনেশিয়ার বিশাল মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ জনসংখ্যার মাঝে বালি দ্বীপের হিন্দু ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখার বিষয়টি ইতিহাসের এক অনন্য অধ্যায়। এর পেছনে ভৌগোলিক, রাজনৈতিক এবং সামাজিক—তিনটি প্রধান কারণ কাজ করেছে।১৫শ শতাব্দীর শেষভাগে জাভা দ্বীপে শক্তিশালী হিন্দু-বৌদ্ধ সাম্রাজ্য মাজাপাহিত (Majapahit)-এর পতন ঘটে। তখন উদীয়মান মুসলিম সুলতানদের ভয়ে জাভার রাজপরিবার, পুরোহিত, শিল্পী এবং বুদ্ধিজীবীরা বালি দ্বীপে আশ্রয় নেন। তারা তাদের সাথে প্রাচীন ধর্মীয় গ্রন্থ, সংস্কৃতি এবং শাসন ব্যবস্থা নিয়ে আসেন, যা ... ...
কোনো একটা ক্যাম্পে বেশ কিছু মেয়েকে অপহরণ করে রাখা হয়েছিল। তাদের চোখ বাঁধা থাকত। বাংক থেকে নামিয়ে তাদের বাথরুমে নিয়ে যাওয়ার সময় স্লিপার পরতে দেওয়া হত। সেই স্লিপার এর স্ট্র্যাপগুলিতে ছিল একটা করে সূর্যমুখী। অন্য কোনো ফুল হয়তো বা। মেয়েগুলি এক পায়ের পাতা দিয়ে অন্য পায়ের স্ট্যাপএর সেই ফুল গুলি ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখতো। তাদের ভালো লাগতো খুব। ভালো লাগার এই ছিরির কথা শুনে অনেকেই নাক তুলবেন, বেঁকা কথা বলবেন। ওই অবস্থায় ভালো লাগে কী করে! তাই না? আসলে সব অবস্থাতো আমাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে না! অথচ অনেক সময় তার থেকে বেরোবার পথটিও অন্ধকারে ঢাকা থাকে সাময়িকভাবে। এমত অবস্থায় ধৈর্য ধরতে হয়। পরিস্থিতিটা থেকে নিষ্কৃতি ... ...
বিদ্রোহী শাসক: মমতা মডেলের রাজনৈতিক রসায়ন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ২০২৬ সালের নির্বাচনী কৌশলটি রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রচলিত কোনো তত্ত্বে ধরা পড়ে না, কারণ তিনি এখানে 'সেলফ-ক্যানিবালাইজেশন' বা নিজের তৈরি করা ব্যবস্থাকে নিজেই গ্রাস করার এক অকল্পনীয় সাহস দেখিয়েছেন। সাধারণত কোনো শাসক তাঁর প্রশাসনকে নিজের শক্তির উৎস মনে করেন, কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই নির্বাচনে এক অভূতপূর্ব কৌশল অবলম্বন করেছেন। নির্বাচন কমিশন যখন একের পর এক প্রশাসনিক রদবদল ঘটালো — ডিজিপি থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্র সচিব পর্যন্ত সরিয়ে দিল — মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই মুহূর্তটিকে নিজের প্রশাসনিক দায়মুক্তির হাতিয়ার হিসেবে ... ...
পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬- প্রত্যক্ষদর্শীর বয়ান