এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বিজেপি জিতল কেন? 

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৫ মে ২০২৬ | ১৪৬৩ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • তৃণমূল হারল কেন? হারা উচিত তাই হেরেছে। কেন বলছি, জানার জন্য পুরোটা পড়তে হবে, ধৈর্য না থাকলে ছেড়ে দিন। ভোটের প্রাথমিক ফলাফল গিয়ে শুরু করি। প্রাথমিক ভাবে খুব সোজা ব্যাপার, বিজেপির পক্ষে ৭% সুইং হয়েছে। তৃণমূল ৪৮% থেকে কমে ৪১%। আর বিজেপি ৩৮% থেকে বেড়ে ৪৫%। ভগ্নাংশের সামান্য এদিক-ওদিকে আছে। বাম কংগ্রেসের ভোট বদলায়নি। বাম মোটামুটি ৫% আর কংগ্রেস ৩%, মোটের উপর যোগ করলে ২০২১ এরই শতাংশ। আইএসএফ আর আমজনতা পার্টির ভোট শেয়ার পাইনি, অন্যান্যরা ৪% দেখলাম, তার মধ্যেই থাকবে। ২১ সালে আইএসএফ+ অন্যান্য ভোট ছিল (৩%), সেটা ভয়ানক কিছু বদলায়নি, ১% মতো বেড়েছে। ফলে তৃণমূলের ভোটব্যাংকের খুব স্পষ্ট ৭% ভাঙন ধরেছে এবং সেটা বিজেপিতে গেছে। আমি ভোটের ঠিক আগে লিখেছিলাম তৃণমূল খুব খারাপ করলে এই সুইং ৪% হতে পারে। স্পষ্টতই আন্দাজটা ভুল ছিল, ওটা সর্বোচ্চ মানের চেয়েও আরও ৩% বেশি হয়েছে।

    কথা হল, ​​​​​​​এই ​​​​​​​৭% ​​​​​​​সুইং ​​​​​​​হল ​​​​​​​কেন? ​​​​​​​কিছু ​​​​​​​চেনা ​​​​​​​কারণ ​​​​​​​সব্বাই জানেন। ​​​​​​​তবু ​​​​​​​একবার ​​​​​​​বলি।
    এক, এসআইআর। ৫% বৈধ ভোটার বাদ গিয়েছিলেন, এখনও বাদ। তার একটা বড় অংশ তৃণমূলের ভোটার।

    দুই, প্রতিষ্ঠান-বিরোধিতা। তৃণমূলের দাদাগিরি-গুন্ডামি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ছিল। অপদার্থতা এবং দুর্নীতি নিয়ে ক্ষোভ ছিল, বিশেষ করে শিক্ষাক্ষেত্রে। বহিরাগত তোষণ নিয়ে ক্ষোভ ছিল। আরজিকর কান্ড ছিল। তালিকা লম্বা করা যায়। সেগুলো অতি অবশ্যই কাজে লেগেছে।

    তিন, তীব্র ধর্মীয় মেরুকরণ হয়েছে। শুভেন্দু স্পষ্টই বললেন হিন্দু ইভিএম হিন্দুর, মুসলমান ইভিএম তৃণমূলের। ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি বাংলায় আনতে বিজেপি সফল।

    চার, তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটে কিছুটা ভাঙন ধরেছে। হুমায়ুন কবীরের জয়, তার একটা ইঙ্গিত।

    পাঁচ, মহিলা ভোটব্যাংকে ফাটল ধরেছে। বিজেপি প্রকাশ্যে ৩০০০ টাকা ভাতা দেবে বলে রীতিমতো ফর্ম ফিলআপ করিয়েছে মহিলাদের দিয়ে। প্রচার ছিল, ফর্ম ভোটের আগেই ফিল-আপ করতে হবে। নির্বাচন কমিশন এই নিয়ে চোখ বুজে থেকেছে, এমনকি তৃণমূলও।

    ছয়, শুধু এই একটা নয়, এই প্রতিটা ভাঙন থেকে তৃণমূলের একটা অংশ চোখ বুজে থেকেছে। যতবার এসআইআর নিয়ে বলা হয়েছে, তারা বলেছে প্যানিক করবেন না। এমনকি শেষবেলার আইপ্যাক-দখল অবধি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা সংযোগ-হীনতা, নাকি সত্যিই কোনো জায়গায় কোনো স্তরে কাউকে কিনে ফেলা হয়েছে, বোঝা কঠিন। কারণ, তৃণমূলের থিংক-ট্যাংক আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেপ্তার হলেন, তারপর ভোটের ঠিক পরেই ছাড়া পেয়ে গেলেন, এমনি এমনি এ হওয়া কঠিন।

    সাত, মধ্যবিত্ত প্রগতিশীল অংশের বিজেপি-বিরোধিতায় অনীহা এবং অনেক ক্ষেত্রে গোদি-মিডিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়ে কার্যত বিজেপির পক্ষে থাকা। এই কারণেই এই যুদ্ধটা বাংলা বনাম বিজেপি না হয়ে, স্রেফ তৃণমূল বনাম বিজেপিতে পরিণত হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গেও জোট করতে আগ্রহী ছিলনা। আর বামরা শেষবেলা পর্যন্ত তৃণমূলকেই মূল শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করে গেছে. একদম অন্তিম লগ্নে চিত্রটা কিছুটা বদলায়, কিন্তু তখন দেরি হয়ে গেছে।

    আট, বিজেপির মেশিনারি বাধাহীন এবং মসৃণভাবে কাজ করেছে। ৫% বৈধ ভোটারকে বাদ দেওয়া গেছে, প্রায় কোনো ঝামেলা ছাড়াই। আই-প্যাককে বসিয়ে দেওয়া গেছে, প্রায় কোনো সমস্যা ছাড়াই। কোনোটাতেই কোনো প্রতিরোধ হয়নি। খুব সুনির্দিষ্টভাবে আইটি-পরিকাঠামোকে কাজে লাগিয়ে হোয়াটস্যাপ গ্রুপ তৈরি করে প্রচার হয়েছে। কায়দাটা আমেরিকা ওবামার প্রথম নির্বাচনে প্রয়োগ করা হয়। বিজেপির এবারের কায়দাটা তার চেয়েও সফিস্টিকেটেড ছিল। এর পাল্টা কোনো কিছুতে কোনো দলই আগ্রহী ছিলনা। ভয়ানক খরচসাপেক্ষ না হওয়া সত্ত্বেও, এবং বহুবার বলা সত্ত্বেও। এই জায়গায় বিজেপিকে কুর্নিশ করতেই হয়। যাতে সনাতনী হলে কী হবে, আধুনিকতম প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে কার্যসিদ্ধি করায় তাদের কোনো জুড়ি নেই। কখনও সেটা এ-আই নির্ভর অ্যানালিটিক্স হতে পারে, কখনও এ-আই নির্ভর নাম বাদ দেওয়া। বিশেষ করে মুগ্ধ হয়েছি গণনা এবং মিডিয়ার ব্যবহারে। লক্ষ্য করে দেখবেন শুভেন্দু একদম বলে বলে ফল মিলিয়েছেন। কোন বুথের পর কোন বুথ গণনা হবে, কোনটায় জিতবেন, হিসেব ছিল। এবং গণনা পদ্ধতিতে প্রথমেই এমন একটা হাওয়া তোলা হল, যে, বিজেপি জিতেই গেছে। এতে করে কিছু মার্জিনাল কেন্দ্রে বিপক্ষের এজেন্টকে ধমকি দিয়ে ফল নিজের দিকে নিয়ে আসার পথ পরিষ্কার হল। নিরঙ্কুশ ক্ষমতা না থাকলে এটা করা যায়না, যেমন ঠিক, তেমনই নিখুঁত পরিকল্পনা না থাকলেও এটা অসম্ভব। উল্টোদিকের দলগুলো যদি কখনও কিছু করতে চায়, তবে এই জায়গাটা তাদের ধরতেই হবে। মানে, শুধু গণনা নয়, ওতে ফল ওল্টানো যায়না, পুরোটা। যদিও সে কবে তাঁরা ধরবেন, কেউ জানেনা।

    এই আটটা কারণ দিয়ে ভোট সুইং ৭% হওয়া কি সম্ভব? অঙ্কের হিসেবে কঠিন, কারণ তাহলে ৬৫% হিন্দু ভোটারকে বিজেপির পক্ষে ভোট দিতে হবে, যেটা সারা ভারতে কোথাও কখনও হয়নি। আবার হতেও পারে, কারণ এইখানেই একটা টুইস্ট আছে, বিশেষ করে আট নম্বর পয়েন্টে। সেটা একটু বিশদে বলি। প্রথম থেকেই দেখুন, অন্তত ৫% বৈধ ভোটারকে বাদ দেওয়া হল, প্রায় গায়ের জোরে। সেগুলো খুবই টার্গেট করে করা হয়েছিল। ওটা ছিল বাজিয়ে দেখা। এবং সেই নিয়ে বিরাট কোনো জনবিক্ষোভ হলনা, কোনো দল ভোট-বয়কটের হুমকি অবধি দিলনা। তাই এল পরের ধাপ, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ইডি-সিবিআই। ভোটের আগেই তৃণমূলের থিংক-ট্যাংক আইপ্যাকের অফিসে হামলা হল। সে নিয়েও জনমানসে তেমন ক্ষোভ দেখা গেলনা। এবং তারপর, কী আশ্চর্য, আইপ্যাকের ডিরেক্টর গ্রেপ্তার অবধি হয়ে গেলন। এবং ভোটের পর ছাড়া পেয়ে গেলেন। আইপ্যাক কমপ্রোমাইজড কিনা, সে নিয়েও কারো মনে কোনো সন্দেহ দেখা দিলনা। অতঃপর হল ভোট। সেখানে কোনো জালিয়াতির অভিযোগ এখনও কেউ করেননি, সমস্ত মিডিয়ার স্ক্রুটিনিও ছিল। তারপরই এল এক্সিট পোল, যেখানে কোনো স্ক্রুটিনি নেই। বিজেপি সেখানে জিততে শুরু করল। তারপর এল সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিচালনায় গণনা। যেখানে মাছি গলার উপায় নেই, মিডিয়া স্ক্রুটিনির তো প্রশ্নই নেই। গণনার পদ্ধতি বদলানো হল এবার। প্রথমে পোস্টাল ব্যালট নয়, নির্দিষ্ট একটা পদ্ধতি অবলম্বন করা হল। কোন পদ্ধতিতে হবে সেই খবর ছিল বিজেপির কাছে। শুভেন্দু বারংবার বলেছেন, কোনটার পর কোনটা হবে। এবং গণনা হল অত্যন্ত ধীর লয়ে। দুপুর নাগাদ কার্যত বন্ধও হয়ে গেল বহু গণনা।

    এ পর্যন্ত গোলমেলে কিছু ব্যাপার নেই। সন্দেহজনক, কিন্তু অভিযোগ করার কিছু নেই। তাহলে এত কান্ড করে লাভ কী হল? অভিযোগ উঠছে এর পর থেকেই। এরপর থেকেই বাজারে ছড়িয়ে গেল খবর, যে, বিজেপি জিতছেই। শমীক শুভেন্দুরা প্রেসের সামনে জানিয়েও দিলেন, কিন্তু কার্যত বহু কেন্দ্রেই তখনও দু রাউন্ডও গণনা এগোয়নি। বুথ বেছে-বেছে গণনা শুরু করে বিজেপির জেতার এই ট্রেন্ড তৈরি করা খুবই সম্ভব। বুথ বেছে যে গণনা হচ্ছিল, সেটা নিয়ে তো কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু তাতেই বা লাভ কী? একসময়ে তো পুরোটা গণনা করতেই হবে। মজা হল, লাভটা দেখা গেল এর পরেই। বহু জায়গায় তৃণমূল নেতা, কর্মী এবং কাউন্টিং এজেন্টরা হাল ছেড়ে দিলেন। মমতা এবং মহুয়া মৈত্রের দুটো বিবৃতি এল হাল না ছাড়তে। কিন্তু তৃণমূল নেতারা কস্মিনকালেও দলের কথা মেনে কিছু করেছেন এ অপবাদ কেউ তাঁদের দেবেন না। এ পর্যন্তও ভয়ানক সমস্যা কিছু নেই। এজেন্টরা হাল ছেড়ে দিলেই বা কী, যোগ-বিয়োগ তো ঠিকই হবার কথা। কিন্তু এর পরের ধাপ নিয়েই আসছে অভিযোগ। বিজেপি জিতেই গেছে বলে বিপক্ষের এজেন্টদের উপর হামলা শুরু হল গণনা কেন্দ্রেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সামনেই। সেখানে আর কেউ ছিলনা, ফলে স্ক্রুটিনি করার কোনো উপায় নেই। স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, তাঁকে মারা হয়েছে বলে। তাঁর এজেন্টরা অভিযোগ করেছেন বার করে দেওয়া হয়েছে বলে। এরকম একাধিক অভিযোগ আসছে এবং এসে চলেছে।

    এবার, এগুলো অভিযোগই। সত্য-মিথ্যা জানার আপাতত কোনো উপায় নেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর ত্রিস্তরীয় পাহারায়, গণনা কেন্দ্রে কী হয়েছে তো আমরা জানিনা। কোনো সংবাদ-ক্যামেরা ছিলনা সেখানে। হতেই পারে কিচ্ছু হয়নি। ৬৫% হিন্দুই আসলে বিজেপিকে ভোট দিয়েছেন। আবার উল্টোটাও হতে পারে। আবার এও হতে পারে, এক-আধটা কেন্দ্রে এরকম হয়েছে, কিন্তু মূলত প্রতিষ্ঠানবিরোধী ভোটেই হেরেছে তৃণমূল। একমাত্র উপায় হল যদি গণনাকেন্দ্রের সিসিটিভি ফুটেজ উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। কিন্তু নির্বাচন কমিশন নির্ঘাত সেটা করবেনা। স্বচ্ছতার ব্যাপারে তাদের কোনো সুনাম আছে, এই অপবাদ তাদেরও কেউ দেবেনা।

    এর মধ্যে তৃণমূলের হারা উচিতই ছিল কেন বলছি? কারণ এর কোনোটা নিয়েই তাদের কোনো হেলদোল ছিলনা। গুন্ডামি-তোলাবাজি নিয়ে কোনো বক্তব্য নেই, এসআইআর নিয়েও 'ও কোনো ব্যাপার না', আইপ্যাক নিয়েও 'সব ঠিক আছে', এবং কাউন্টিংএর দিনও দুপুর থেকেই 'হেরে গেছি' ভাব। কেন এগুলো জানিনা, তবে চোখের সামনে তো দেখলাম, যে তৃণমূলের বাঘা নেতারা কখনই কিসু বলেন-লেখেন না। সিপিএমকেও দেখলাম ভয়ানক গা ছাড়া, কিন্তু সেটা ঠিকই আছে, তারা তো এত বড় স্টেক নিয়ে লড়ছিলও না। সব মিলিয়ে এই কেস। এটা হবারই ছিল। এরকম দমবন্ধ করা পরিস্থিতি আগে দেখিনি। লোকে বস্তুত সমাজমাধ্যমে লিখতেই ভয় পাচ্ছে। বামরা শূন্য হয়েছিল একুশ সালে, তারা ভয়ে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিল দেখিনি। এখন কার্যত মনে হচ্ছে 'জয় শ্রীরাম' ছাড়া আর কিছু বলাই বন্ধ। শুধু কয়েকজন রাম-বাম অবাধে লিখছেন, হুঁহুঁ বাওয়া, আগেই বলেছিলাম, তৃণমূল বিজেপিকে আটকাতে পারবে না। তাঁদের অনুরোধ, এবার পথ দেখান, আমরা পিছনে পিছনে যাই।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • :) | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৫ মে ২০২৬ ০৮:৪১740519
  • ভোট সুইং শব্দটা নতুন লাগলো, ভোট ট্রান্সফার বলতো আগে। যাই হোক যুগের সঙ্গে ভাষা বদলে যায়।
  • uff | 2001:*:*:*:*:*:*:* | ০৫ মে ২০২৬ ০৯:১৪740520
  • একদিন বিজেপি জিতবে না কেন, পরেরদিন বিজেপি জিতল কেন। বক্কাবাজি থামান না কেন আপনারা? ভ্যাড়ভ্যাড়ভ্যাড়ভ্যাড় করে কিবোর্ডে ডাইরিয়া জাহির করা খুব দরকার?
  • গেছো | ০৫ মে ২০২৬ ১০:০৬740522
  • একটা কথা যেটা বললেন না সেটা হল হিন্দি আধিপত্য এবং অনুপ্রবেশকারী ন্যারেটিভ। আমার বন্ধুবান্ধবরা - আমেরিকানদের থেকে ধার করে যাদের আজ gen Z বলে - তারা ছোটবেলা থেকে হিন্দি কার্টুন দেখে বড় হয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় হিন্দি ভাষায় কথা বলে, তাদের কাছে তৃণমূলের বহিরাগত ন্যারেটিভ ফেল করেছে।
     
    অন্যদিকে, তারা এটাও মনে করে বাংলায় নাকি বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীরা আসছে - যারা নাকি আবার টিএমসির ভোটব্যাঙ্ক!
  • ss | 2a09:*:*:*:*:*:*:* | ০৫ মে ২০২৬ ১১:৫০740526
  • এই গনণা কেন্দ্রের ভিতরের গন্ডগোলটা নিয়ে সন্দেহটা রয়েই গেল, রয়েই যাবে। সমস্যাটা হল মমতার অবস্থা হল সেই রূপকথার রাখালের মত, বাঘ এসেছে বলে এতবার হল্ল করেছে যে যখন সত্যি এল তখন আর কেউ বিশ্বাস করতে রাজি হল না। অসম্ভব একা, অসম্ভব অসহায় দেখাল দিনের শেষে।
  • গেছো | ০৫ মে ২০২৬ ১৩:০৩740527
  • মমতার প্রশাসনিক অদক্ষতাই এর জন্য দায়ী। গ্রামে গ্রামে, শহরতলিতে এত দূর্নীতি। প্রায় একট সাঙাততন্ত্র গড়ে উঠেছিল। সব জেনেও কিচ্ছু করেননি। এখন কেঁদে কি হবে? জলসাঘরের একটা লাইন ছিল: বাবু, একটু যদি খেয়াল রাখতেন, তাহলে এতটা হয়তো হত না। ওনার অবস্থা দেখে এটাই মনে আসছে বারবার।
  • যদি | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৫ মে ২০২৬ ১৫:০৮740528
  • যদি সত্যি বিজেপি আরএসএস বিরোধী হতো তাহলে সেক্যুলার দলকে বিরোধী পরিসর ছেড়ে রাখার চেষ্টা করতো, সিপিএমকে না পোষালে অধীরের কংগ্রেসকে। বিরোধী পরিসরে সেক্যুলার দলের অন্তত কিছু উপস্থিতি থাকলে এইটা ঘটত না। পরিকল্পিত ভাবেই সেটা করা হয় নি, যাতে আরএসএস এর পথে কোনো কাঁটা না থাকে।
  • Bratin Das | ০৫ মে ২০২৬ ১৫:৩১740529
  • "তুমি আকাশ এখান যদি হতে আমি বলাকার মত পাখা মেলাতাম .."
     
    ইত্যাদি প্রভৃতি
  • b | 42.*.*.* | ০৫ মে ২০২৬ ১৯:১৮740530
  • আজ টেলিগ্রাফে জহর সরকারের লেখাটা ব্যালান্সড লেগেছে .
  • +=- | 208.*.*.* | ০৬ মে ২০২৬ ১৯:২৫740540
  • চটি চাটা টার কি অবস্থা রে ভাই।এতো খিস্তি খেয়েছে যে এখন ফেবুতে ফলোয়ার না হলে কমেন্ট অফ করে রাখতে হচ্ছে। সক্কলের শুধু ভক্তই চাই - দোষ শুধু মাছরাঙার থুড়ি বিজেপির।
    :) ;)
  • দীপ | 42.*.*.* | ১১ মে ২০২৬ ১৬:০৯740617
  • এসএসসি এর OMR সব নাকি এখন জনসমক্ষে। বলছি WBCS এর বিগত ১২-১৩ বছরের সব OMR ও একটু প্রকাশ্যে আসুক। দুর্নীতির অভিযোগ ওখানেও কম আসেনি। ২০১৬ তার মধ্যে তো লিজেন্ডারি। ইচ্ছে ছিল সিভিল সার্ভেন্ট হয়ে গ্রামে ফিরে দেশনির্মানের কাজ করব। আইটির চাকরিতে ৯-১০ ঘণ্টা মগজের বলিদান দেওয়ার পরে ঘরে এসে প্রিপারেশন নিতাম। চাকরি ছেড়ে ঘরে বসে প্রিপারেশন নেওয়ার আর্থিক বিলাসিতা আমার ছিলনা। এক্সিকিউটিভ ইন্টার্ভিউ অব্দি পৌঁছেও তালিকায় নাম আসেনি। বোকা ছিলাম। ২০১৮ অব্দি খুব চেষ্টা করেছি। নিজের আইটি কেরিয়ারে প্রভাব পড়ছিল। নিয়োগ দুর্নীতির খবর পড়তে পড়তে বিরক্তি এসে গেছিল। বইপত্র তারপর তাকে তুলে দিয়েছি, কোড লেখায় মন দিয়েছি। তবে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ গুলো একটাও ভুলিনি। আশায় আছি, একদিন এর বিচার হবে।
     
    ভুক্তভোগীর অভিজ্ঞতা!
  • বিপ্লব রহমান | ২০ মে ২০২৬ ০৭:৩৭740731
  • হীরকের রাণী ঠেকাও ভোটে তৃণমূল হেরেছে। তবে গেরুয়াদের বিরুদ্ধে লড়াই এখন আরও কঠিন হয়েছে।
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৮ মে ২০২৬ ১৯:৩০740886
  • "তৃণমূলের এক এক নেতা এক এক অবতার।সবাই কিন্তু তোলা তোলে নি।কেউ কেউ সায়েন্টিফিক ভাবে সরকারি ফান্ড ঝেড়েছে। এতটাই সূক্ষ্ম ভাবে ঝেড়েছে যে কেউ টেরও পায়নি।
     
    আজকে বলব আপনাদের ব্রাত্য বসুর এবং তার স্ত্রী এর কথা। সবাই জানেন ব্রাত্য বাবুর একটি নাটকের গ্রুপ আছে/ছিল নাম ব্রাত্যজন।অভিযোগ উঠেছে যে এই ব্রাত্যজনের নাম দিয়ে সেন্ট্রাল গভ: এর Reportory Grant (Guru shishya Parampara) scheme থেকে ভাতা নেওয়া হত।এই স্কিম এর সিস্টেম হচ্ছে জিনি ডিরেক্টর মানে গুরু তিনি পাবেন ১০-১৫ হাজার আর শিষ্যরা পাবে ২-১০ হাজার যে যার যোগ্যতা অনুযায়ী। এই স্কিমের আন্ডারে ২০১৩ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত ব্রাত্য বসুর নাট্যদল ব্রাত্য জন ২০ জন শিষ্যের ৬ হাজার করে এবং গুরু হিসেবে উনি নিজে ১০ হাজার করে প্রত্যেক মাসে স্টাইপেন্ড পেয়েছেন।২০ জনের ৬ হাজার করে মানে মাসে ১ লক্ষ ২০ হাজার আর ওনার নিজের ১০ হাজার মোট এক লক্ষ ত্রিশ হাজার টাকা করে স্টাইপেন্ড নিয়েছেন।স্টাইপেন্ড নিয়েছেন ঠিক ই করেছেন কিন্তু সমস্যা হল যে কুড়ি জনকে প্রত্যেক মাসে ছলে বলে কৌশলে সই করিয়ে নেওয়া হত সেই ২০ জনের এক জনকেও এক টাকাও দেওয়া হয়নি কোনোদিন।আর যেহেতু ট্রেজারার হিসেবে ব্রাত্য বসুর স্ত্রী র নাম রেজিস্টার্ড ছিলো তাই ব্রাত্য জন নাট্যদলের একাউন্ট থেকে টাকা উইথড্র করতে কোনো অসুবিধাও হয়নি।প্রত্যেকে মাসে ১ লক্ষ ৩০ হাজার মানে বছরে ১৫ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা আর ৬ বছরে ৯৩ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা এভাবেই হাতিয়ে নিয়েছেন ঐ প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী। একবার ভাবুন এরা যেখানে সুযোগ পেয়েছে ঝেপে দিয়েছে সাধারণ মানুষ থেকে কেন্দ্রীয় সরকারি তহবিল কোনোকিছুই ছাড়ে নি।"
     
    ফেসবুক
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৯ মে ২০২৬ ০০:১৬740894
  • সলমন খানের বাড়ির নামেই গ্যালাক্সি হাউস, নামের সঙ্গে মিলিয়ে জুড়েছিল 'P', উপ-প্রধান প্রসেনজিতের রাজপ্রাসাদ দেখে চমকে উঠছেন সকলে

    বাড়ি নয় যেন কোনও ফাইভ স্টার হোটেল! প্রসেনজিৎ সাহার এই আলিশান বাড়ির নাম গ্যালাক্সি, মুম্বইয়ের সলমন খানের বাড়ির নামেই৷

    বলিউড সুপারস্টার সলমন খানের বাড়ি হিসেবে গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্ট বহু মানুষের কাছে পরিচিত হলেও জেলায় এই গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টকে ঘিরেই এখন চর্চা তুঙ্গে। আলিশান এই প্রাসাদের ছবি ভাইরাল হতেই রীতিমত চক্ষু চরক গাছ সকলের। কী নেই এই বাড়ির অন্দরে!

    খড়দহে তোলাবাজি ও হুমকির অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন বন্দিপুর পঞ্চায়েতের উপপ্রধান তথা তৃণমূল নেতা প্রসেনজিৎ সাহা। রহড়া থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে। আর সেই গ্রেফতারির পর থেকেই নতুন করে চর্চায় উঠে এসেছে তাঁর বিলাসবহুল বাড়ি গ্যালাক্সি হাউস। এলাকাবাসীর একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরেই প্রসেনজিৎ সাহার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রভাব খাটিয়ে বিভিন্ন বেআইনি কাজের অভিযোগ ছিল। অভিযোগ, পঞ্চায়েতে পদের ব্যবহার করে এলাকায় দাপট দেখাতেন তিনি। কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের ধারে বিস্তীর্ণ জলাজমি ভরাট করে, তা চড়া দামে বিক্রির অভিযোগও উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

    সূত্র : নিউজ ১৮ বাংলা।
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৯ মে ২০২৬ ১৯:২৫740905
  • খবর পাচ্ছি জেলায় প্র‍্যাক্টিস না করেও কোনো এক জনপ্রিয় তৃণমূল নেতার বাড়ির মেয়ে কেবল MBBS এর ডিগ্রির ভিত্তিতে নাকি প্রিমিয়াম সরকারি হাসপাতালে ছাত্র পড়ানোর কাজে নিযুক্ত আছেন। দুটি ভ্যাকেন্সি নোটিফিকেশন বেরিয়েছিল, দুজন ব্যক্তিকে রিক্রুট করা হয় ঘাপলা করে একজন উত্তরবঙ্গ লবির ছাত্র আরেকজন এই তৃণমূল নেতার মেয়ে। ভদ্রভাবে যদি সে কেটে পড়ে তাহলে ভালো নাহলে কাগজপত্র জোগাড় করছি, রিসার্চ শেষ করে প্রেসের হাতে তুলে দেবো। সমস্ত জায়গায় সকলে এলার্ট থাকুন, বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূলের বাড়ির অযোগ্য লোকেরা ঘাপটি মেরে আছে চাকরি করছে, গর্ত থেকে এদের বের করতে হবে। যে যেখানে যা তথ্য পাচ্ছেন প্রেসকে জানান।
     
    লিখেছেন অরিত্র দত্ত বণিক।
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ২৯ মে ২০২৬ ২০:০১740906
  • শিল্পী ঋদ্ধি বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর এবার রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ আনলেন বিশিষ্ট ইভেন্ট ম্যানেজার তোচন ঘোষ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেন, রবীন্দ্রসদনের যাবতীয় অনুষ্ঠান চলত সম্পূর্ণ ইন্দ্রনীল সেনের আঙুলের ইশারায়। শুধু তাই নয়, তাঁর বিরুদ্ধে গড়িয়াহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগও দায়ের করেছেন তোচন ঘোষ।
     
    তাঁর সবচেয়ে মারাত্মক অভিযোগ, অন্যান্য শিল্পীদের জোর করে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা এবং ইন্দ্রনীলের সুরে গান গাইতে বাধ্য করা হতো। এই প্রসঙ্গে তোচন ঘোষ বলেন, "তিনদিন আগে আমি প্রখ্যাত শিল্পী শ্রীরাধা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তিনি কেন এই গান গাইলেন? জবাবে শ্রীরাধাদি আমাকে স্পষ্ট জানান, প্রচণ্ড মানসিক চাপ তৈরি করে ইন্দ্রনীল সেন তাঁকে দিয়ে জোর খাটাতেন। শুধু শ্রীরাধা নন, এমন অত্যাচার ও ক্ষোভের শিকার আরও অনেক শিল্পীই হয়েছেন, যা এবার একে একে প্রকাশ্যে আসবে।"
     
    #indiahood
  • দীপ | 42.*.*.* | ৩১ মে ২০২৬ ১৪:১০740942
  • "বিমান বোসের মাথা লাঠি মেরে ফাটিয়েছেন।
    নবান্ন অভিযানে মেয়ো রোডে আমাদের রাস্তায় ফেলে লাঠি, বুটের লাথি মেরেছেন গান্ধীমূর্তির নীচে। গায়ে পিঠে হাতে পায়ে কালশিটে ক্ষত আজও লুকিয়ে রেখেছি।
    কার্জন পার্কের মুখে লাঠি মেরে জেলার এক কমরেডের
    হাঁটু ফাটিয়ে দিয়েছেন। তার সাথে তার বোন ছিল, তাকেও ছাড়েননি। প্রচণ্ড কাঁদানে গ্যাসে চোখ মুখ জ্বলছে সবার তার মধ্যেও তাকে জল দিয়েছি। তিনি হাউহাউ করে কেঁদে উঠেছেন। হেস্টিংসে চোখ উপড়ে নিয়েছেন, ধর্মতলায় প্রেসক্লাবের সামনে পিটিয়ে কত মানুষের না হাড় ভেঙেছেন! এই শিবপুরে ফরশোর রোডের দোতলা বাড়ি
    র ছাদ থেকে তৃণমূলবাহিনী ইঁট পাথর স্টোনচিপ ছুঁড়েছে মিছিলে নিরপরাধ মানুষের ওপর। এমনকি এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে ঢুকে রেহাই পায়নি স্কুলফেরতা শিশু ছাত্ররাও।
    লালবাজার অভিযানে বৌবাজারে ঢুকতেই রাস্তার দুধারে গলি থেকে তৃণমূলের মহিলারা গেরিলা কায়দায় বিভিন্ন আকারের ধারালো পাথর, আধলা ইঁট ছু্ঁড়েছে অবাধে।
    ফিরিঙ্গী কালীবাড়ির মোড়ে সেই পাথরে চোখের সামনে একজনের ভুরুর মাংস খুলে ঝুলে পড়েছে। আমরাই পানের দোকান থেকে বরফ এনে ধরেছি তার কপালে। পরে পার্টিনেতৃত্ব তাঁকে নিয়ে যায় মেডিকেল কলেজে।
    জামায় সেই রক্তের ছিটে আমাদের'ও লেগে আছে।
    না।
    আমরা কেউ মাথায় হেলমেট পরে ছিলাম না।
    যতটা পেরেছি একে অপরকে আগলে রেখেছি।
     
    পোষা গুণ্ডা লেলিয়ে পাড়ায় পাড়ায় চমকেছেন,
    শ্মশান করে তুলেছেন প্রতিটা গ্রাম থেকে শহর।
    মানুষের দৈনন্দিন জীবনে নরকযন্ত্রণা দিয়েছেন।
    মানুষ চুপ করে থেকেছে, মনে মনে ভেবেছে রোজ
    একদিন এই চূড়ান্ত নৈরাজ্য, স্বৈরাচার, জঙ্গলরাজের
    শেষ দেখবে এই অসহায় আশায়।
     
    মানুষের কষ্ট-দুঃখ দেখেননি। রাগ-ক্ষোভ-বঞ্চনার কথা শোনেননি। অপমান করেছেন চরম তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে ক্ষমতার অসহ্য দম্ভে।
     
    এখন, সামনে পিছনে ডানে বাঁয়ে পুলিশি পাহারা নেই। প্রশাসনিক ঘেরাটোপ উধাও। এমনকি গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় বিরোধী হিসাবে সাধারণ মানুষের কাছে নূন্যতম সম্মানটুকু পর্যন্ত ধুলোয় কাদায় মিশে গেছে।
     
    আজ, ভাইপোকে দেখুন।"
     
    জনৈক বামপন্থী কর্মীর আলোচনা।
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ১৬:৪৫740943
  • দীর্ঘদিন ধরে ফ্ল্যাট দখল ও ঘর না ছাড়ার অভিযোগকে কেন্দ্র করে বিবাদের জেরে তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদারের স্ত্রীকে চড় মারার ঘটনা ঘটল। সেই চড়ের ভিডিও বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যদিও স্ত্রীকে চড় মারার ঘটনায় সংবাদমাধ্যমে কিছু বলতে চাননি জয়প্রকাশ মজুমদার। জানা গিয়েছে, সল্টলেক এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়ে থাকেন তৃণমূল নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগ, ফ্ল্যাটের জন্য নামমাত্র ভাড়া দিচ্ছিলেন তিনি। এই নিয়ে বাড়িওয়ালার সঙ্গে জয়প্রকাশের বিরোধ চলছিল। মালিকের অভিযোগ, ১৪ বছর ধরে ফ্ল্যাট আটকে রেখেছেন ওই তৃণমূল নেতা। ফ্ল্যাট ছেড়ে দিতে বলা সত্ত্বেও রাজনৈতিক ক্ষমতার জেরে তিনি সেটি খালি করছিলেন না। সম্প্রতি ফ্ল্যাটের মালিকের স্ত্রী লোকজন নিয়ে এসে ফ্ল্যাট খালি করার দাবি জানালে তুমুল উত্তেজনা তৈরি হয়। বচসা ও ঝামেলার মধ্যেই জয়প্রকাশের স্ত্রীর সঙ্গে মালিকের স্ত্রীর হাতাহাতি হয়। তখনই তাঁকে চড় মেরে দেন মালিকের স্ত্রী। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, একটি সোফাতে বসে আছেন জয়প্রকাশের স্ত্রী। সেই সময় ফ্ল্যাটের মালিকের স্ত্রী উত্তেজিত হয়ে বা হাতে তাঁকে চড় মারেন। সঙ্গে সঙ্গে মাকে বাঁচাতে ঝাপিয়ে পড়েন জয়প্রকাশের ছেলে। বাড়িওয়ালার একটিই দাবি, তাঁদের অবিলম্বে বাড়ি ছেড়ে দিতে হবে। সম্প্রতি এই ভিডিওটিই ভাইরাল হয়েছে।উল্লেখ্য, রাজ্যে পালাবদলের পর বেআইনি নির্মাণ, দখল রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে রাজ্য সরকার। দখলদারি সরাতে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। রাজ্যজুড়ে একাধিক বেআইনি নির্মাণ বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে ভাঙা হয়েছে একের পর একে তৃণমূল কার্যালয়ও। ক্ষমতা দেখিয়ে জোর করে দখল করে রাখা একাধিক পার্টি অফিস, ঘর দখলমুক্ত করা হচ্ছে। এরপরই দীর্ঘদিন ধরে আটকে রাখা ফ্ল্যাট পুনরুদ্ধার করতে মাঠে নামেন জয়প্রকাশ মজুমদারের বাড়িওয়ালা। এই নিয়েই দুই পক্ষের মধ্যে চরম অশান্তি হয়। #AajBangla #AajBanglaNews #BengaliNews #BanglaNews #aajbanglanews
  • দীপ | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ৩১ মে ২০২৬ ২২:৪৭740947
  • "Sajalkumar Bhattacharya, আমার পরম শ্রদ্ধেয় শিক্ষক। আমি কোনোদিকে না তাকিয়ে কাজী নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটা আনকোরা প্রতিষ্ঠানে ছুটে গিয়েছিলাম স্রেফ সজলদার কাছে গবেষণা করব বলে।
     
    সজলদা, যিনি বিশ্ববিদ্যালয় যাবার জন্য গাড়ি তো নিতেনই না, এমনকী ব্ল্যাক ডায়মণ্ডে যাবার সময় টিকিট রিজার্ভ অবধি করতেন না, জায়গা না পেলে অন্যদের সাথে দাঁড়িয়ে যেতেন। সহজ সরল জীবনযাত্রা বলে যদি কিছু শিখে থাকি, তার সবচেয়ে বেশি কৃতিত্ব এই মানুষটার। সেই সজলদাকে বিশ্ববিদ্যালয় যাবার পথে অটো থেকে হিঁচড়ে টেনে নামিয়ে কলার ধরে প্রকাশ্য রাস্তায় হেনস্থা করেছিল দিদিমণির পার্টির লুম্পেনরা। সব মনে আছে।
     
    ধর্মের কল, টাইমে দেয় জল।"
     
    জনৈক ছাত্রের আলোচনা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে প্রতিক্রিয়া দিন