এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বাঙালি "ভদ্দরলোক"-এর হিসেব তোলা থাক

    দাশু লেখকের গ্রাহক হোন
    ০১ মে ২০২৬ | ১২৭১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৮ (৫ জন)
  • ২০২৬ সালের বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের ফল যাই হোক, ইতিহাসের পাতায় তা বাঙালি জাতির জন্য এক ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণ হয়ে থাকবে। সময় পাল্টায়, শাসক পাল্টায়, কিন্তু জাতির বিপদের দিনে "ভদ্দরলোক" শ্রেণির সুবিধাবাদী চরিত্র বদলায় না। হ্যাঁ, ব্যঙ্গার্থেই শব্দটিকে ‘ভদ্রলোক’ না লিখে ‘ভদ্দরলোক’ লেখা হয়েছে। কারণ এদের ভদ্রতার নিচে লুকিয়ে থাকে প্রবল জাতি ও শ্রেণি বিদ্বেষ।

    বিশেষ নিবিড় সংশোধনী (SIR) এর নাম করে বাঙালির ওপর যে সরাসরি আক্রমণ নেমে আসছে, তা বোঝার জন্য বিরাট পাণ্ডিত্যের প্রয়োজন ছিল না। মাত্র কয়েকমাস আগেই বিহারে এই প্রক্রিয়ায় কী করা হয়েছে তা জানা ছিল। আসামে এই পদ্ধতিতেই ডি-ভোটার করে মানুষের নাগরিকত্ব কেড়ে ডিটেনশন ক্যাম্পে পাঠানো হয়েছে। বাংলায় এই প্রক্রিয়া শুরু হতেই দেখা গেল এক বিভীষিকাময় মৃত্যুমিছিল, হয়রানি আর ডি-ভোটার হওয়ার তীব্র আতঙ্ক। তা সত্ত্বেও বাংলার ভদ্রলোক সমাজের একাংশকে দেখা গেল "রোহিঙ্গা" তাড়ানোর এক পৈশাচিক ও অশ্লীল উদ্‌যাপনে মেতে উঠতে। দিল্লির তৈরি করা এই "রোহিঙ্গা" বা "অনুপ্রবেশকারী" ন্যারেটিভের আড়ালে আসলে যে কোনো সাধারণ বাঙালিই - বিশেষ করে মুসলিম বা নিম্নবর্গীয় মানুষ আক্রমণের শিকার হচ্ছে, সেটা ভদ্রলোকরা বুঝেও বুঝলো না।

    মণিপুর যখন জ্বলছে এবং কেন্দ্র যখন সেখানে নীরব দর্শক, তখন বাংলার রাজপথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর সাঁজোয়া গাড়ি দেখে যারা ‘হিংসাহীন’ ভোটের স্বপ্নে বিভোর হয়, তারা আসলে সাংস্কৃতিক হীনম্মন্যতায় ভুগছে। লুঙ্গি পরে আসা ভোটারকে ভোটকেন্দ্রে ঢুকতে বাধা দেওয়া কিংবা পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর হুমকি দেওয়াকে এরা ‘শৃঙ্খলা’ হিসেবে দেখে। এই শ্রেণিটি যখন পহলগামে বাঙালি পরিযায়ী শ্রমিকদের ‘বাংলাদেশি’ তকমা দিয়ে পিটিয়ে মারা বা অন্তঃসত্ত্বা মহিলাকে পুশ-ব্যাক করার ঘটনায় বলে যে নিশ্চয়ই কোনো গোলমাল আছে—কই আমার তো কিছু হয়নি, তখনই বোঝা যায় এদের "মেরুদণ্ড" আগেই দিল্লির কাছে বন্ধক দেওয়া।

    কারা এই বাঙালি ভদ্রলোক? ঐতিহাসিকভাবে দেখলে বাংলার নবজাগরণের লিবারেল ধারার বিপ্রতীপে দাঁড়িয়েছিল সমাজের এক প্রভাবশালী স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী। স্রেফ হিন্দুত্বের গন্ডিতে এদের মাপা ভুল হবে। রাধাকান্ত দেব থেকে শুরু করে পরবর্তীতে যদুনাথ সরকার বা রমেশচন্দ্র সেনের মতো বুদ্ধিজীবীদের একাংশ সবসময়ই এক ধরণের গোঁড়া ও রক্ষণশীল আধিপত্য বজায় রাখতে চেয়েছেন। দেশভাগের সময় এদের ভূমিকা ছিল ন্যক্কারজনক। শরৎ বসু ও সোহরাওয়ার্দীর "স্বাধীন অখণ্ড বাংলা"র প্রস্তাব যখন এল, তখন হিন্দু মহাসভার ছাতার তলায় জুটে গেলেন একদল শিক্ষিত ভদ্রলোক। এদেরই নেতা বিজেপির আরাধ্য শ্যামাপ্রসাদ। এদের বিরোধিতার মূলে ধর্মীয় বিদ্বেষ যতটা ছিল, তার চেয়েও বেশি ছিল শ্রেণিবিদ্বেষ। তারা ভয় পেয়েছিলেন যে অবিভক্ত বাংলায় ক্ষমতা উচ্চবর্ণের হাত থেকে নিম্নবর্গীয় ও মুসলিমদের হাতে চলে যাবে। যোগেন মণ্ডলের মতো হিন্দু দলিত নেতাদের পিষে দিতে এরা দু'বার ভাবেননি। দেশভাগ-পরবর্তী বামপন্থী জমানাতেও মরিচঝাঁপির ঘটনায় এই ভদ্রলোকদের ‘হিরন্ময় নীরবতা’ প্রমাণ করে দিয়েছিল যে যুগ বদলালেও এদের শ্রেণি-চরিত্র বদলায় না। আজ এরা বিজেপি কিংবা সিপিএম সহ বিভিন্ন দলে ছড়িয়ে থাকলেও মানসিকতায় এরা সেই পুরনো ‘দিল্লিপন্থী’ শোষক।

    এদের সন্তানরা আজ হয় বিদেশে নতুবা ভিনরাজ্যে করপোরেট চাকরিতে প্রতিষ্ঠিত। বাংলার অর্থনীতি বা সমাজ নিয়ে এদের কোনো প্রকৃত দায়বদ্ধতা নেই। এরা কলকাতাকে স্রেফ একটি 'বৃদ্ধাশ্রম' হিসেবে দেখাতে চায়। এদের নিজেদের "সেফটি নেট" তৈরি আছে বলেই বাংলার সাধারণ মানুষের ওপর নেমে আসা এনআরসি বা জাতিবিদ্বেষের খাঁড়া এদের বিচলিত করে না।

    এই আপাত তৃণমূল-বিদ্বেষ আসলে একটি মোড়ক মাত্র। একটু খুঁড়লেই দেখা যাবে এর তলায় জমে আছে কয়েক স্তরের কুৎসিত ঘৃণা।

    আরজিকরের ঘটনা নিঃসন্দেহে অত্যন্ত দুঃখজনক এবং গর্হিত অপরাধ। কিন্তু এই ট্র্যাজেডিকে কেন্দ্র করে যে ‘নারী নিরাপত্তার’ ন্যারেটিভ মিডিয়া এবং বিজেপি তৈরি করল, তাতে বাঙালি ভদ্রলোক শ্রেণি বুঝে বা না বুঝে পা দিল। এই ইস্যুটিকে ব্যবহার করে চিকিৎসকদের একটি বড় অংশ যেভাবে তৃণমূল-বিরোধী থেকে প্রকারান্তরে ‘বাঙালি-বিরোধী’ অবস্থানে চলে গেলেন, তা দেখার মতো। অথচ তথ্য বলছে অন্য কথা। এনসিআরবি (NCRB) তথ্য অনুযায়ী কলকাতা এখনও ভারতের নিরাপদতম শহরগুলির তালিকায় শীর্ষে। কিন্তু এই তথ্যকে ধামাচাপা দিয়ে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হলো যাতে দিল্লির শাসনকে মুক্তির একমাত্র পথ হিসেবে দেখানো যায়।

    বাঙালি মুসলমান ছিল মূলত হিন্দু ব্রাহ্মণ জমিদারের অধীনস্থ প্রজা। আজ যখন প্রান্তিক মানুষের হাতে সরাসরি ভাতার অর্থ পৌঁছায় বা তাদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন ঘটে, তখন ‘ভদ্দরলোক’ সমাজের আতে লাগে। ‘ভাতা বনাম কর্মসংস্থান’-এর মেরুকরণের যে ন্যারেটিভ বামপন্থীরা তৈরি করেছেন, তা আসলে এক ধরণের প্রচ্ছন্ন দক্ষিণপন্থা। এরা মনে করে উন্নয়ন মানেই কেবল চকমকে আইটি পার্ক আর শপিং মল। তাই সাধারণ মানুষের হাতে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা পৌঁছালে এরা তাকে 'অপচয়' বলে গালমন্দ করে। মেহনতি বাঙালির নুন-ভাতের সংস্থান এদের চোখে 'খয়রাতি', কারণ এদের করপোরেট মগজ বাংলার কৃষিভিত্তিক বা ক্ষুদ্র শিল্পের স্বাবলম্বনকে স্বীকার করতে চায় না। উদারীকরণের সুযোগ নিতে না পারার যাবতীয় হতাশা এই মধ্যবিত্ত শ্রেণিটি উগরে দিচ্ছে সেই প্রান্তিক বাঙালির ওপর যারা তৃণমূলের ভোটার।

    হিন্দি-হিন্দু-হিন্দুস্তানি ন্যারেটিভ প্রচারের সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র আজ বাংলা মিডিয়া। অন্য কোনো অ-বিজেপি রাজ্যে নিজের ভাষার মিডিয়াকে এমন আত্মঘাতী ভূমিকা নিতে দেখা যায় না। এই মিডিয়াই শিক্ষিত বাঙালির ড্রয়িংরুমে বসে থাকা সাম্প্রদায়িকতাকে ‘বৈধতা’ দিচ্ছে।

    এই লেখাটি তৃণমূলের কোনো ‘রিপোর্ট কার্ড’ নয়। তৃণমূলের দুর্নীতি, সিন্ডিকেটরাজ বা স্থানীয় মাস্তানি নিয়ে প্রতিবাদ করা প্রত্যেক বাঙালির অধিকার ও কর্তব্য। কিন্তু সেই দুর্নীতির বিরোধিতার নামে যারা বাঙালির জাতিসত্তাকে দিল্লির আধিপত্যবাদের কাছে বিকিয়ে দিতে চায়, তারা আসলে জাতির শত্রু। যে ভদ্রলোক শ্রেণি আজ হিন্দি সাম্রাজ্যবাদের জয়ধ্বনি দিচ্ছে, তারা ভুলে যাচ্ছে যে ইতিহাস কোনো বিশ্বাসঘাতককে ক্ষমা করে না। বাঙালির ওপর আক্রমণের দিনে যারা তথাকথিত ‘ভদ্রতা’র দোহাই দিয়ে নীরব থেকেছেন বা আক্রমণকারীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানিয়েছেন, তাদের বিচার হবে ইতিহাসের কাঠগড়ায়।

    মেহনতি বাঙালির খাতায় হিসেব তোলা থাকল।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • পাতা :
  • r2h | 134.*.*.* | ০৫ মে ২০২৬ ০৫:৪৭740517
  • আহা আমি চোখ রাঙাই কই। আমি তো চুনোপুঁটি নিরীহ প্রশ্ন করেছিলাম, উত্তর না থাকলে কি ওটাকে চোখ রাঙানো বলে মনে করতে হয়? চোখ তো রাঙাবেন আপনারা, আপনেদের থেকে সার্টিফিকেট পেলেই না অমর্ত্য সেন, হীরেনবাবু, হুতো, ডাইনোসর, জেলিফিশ, চুনী, পান্না, এদের মধ্য কেউ বিজ্ঞবিচি, কেউ প্রাজ্ঞ, কেউ ইডিয়ট, কেউ রক্তচোষা, কেউ চামচা, কেউ বুদ্ধিজীবি, কেউ প্রকৃত বিজ্ঞান, কেউ সত্যসাধন, কেউ নন্দদুলাল, কেউ রাঙা, কেউ সবুজ হয়ে উঠবে।

    আমার পড়াশুনো নেই বলে একটা প্রশ্ন নিয়ে প্রাজ্ঞজনের দোরে দোরে ঘুরেছিলাম, তার জন্য এত মাইন্ড করলেন? আমি তো ভেবেছিলাম কেউ পাত্তা দেয়নি, ওটা যে এতদিন হৃদয়ে নিয়ে বসে থাকবেন জানলে কী আর করতাম? প্রাজ্ঞ হৃদয়ে ব্যথা দেবো, এমন ধৃষ্টতা আমি সজ্ঞানে করতে পারি কখনো? বড় দুঃখু পেলাম যাই বলুন।
  • dc | 2402:*:*:*:*:*:*:* | ০৫ মে ২০২৬ ০৭:৪০740518
  • অ্যাঁ, গুরুচন্ডালিই তাহলে বাংলায় বামপন্থাকে খুন করেছে আর বিজেপিকে এনেছে? তাহলে কি গুরুতে যারা রেগুলার পোস্ট করে তারা কি এবার পনেরো লাখ করে পাবে?
  • Sambuddha Bisi | ১৬ মে ২০২৬ ১১:১১740671
  • দুর্দান্ত হয়েছে। পড়তে দেরি হলো
  • পাতা :
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন