কুন্দেরা বলছেন ''কমিউনিজম আমাকে মুগ্ধ করেছিল স্ত্রাভিনস্কির সুরের মতো, পিকাসোর ছবির মতো, সুররিয়ালিজমের মতো। তা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মহান, জাদুকরী রূপান্তরের (মেটামরফোসিস), এক্কেবারে নতুন আর আলাদা এক জগতের।'' বাস্তবের রূঢ় অভিঘাতে কমিউনিস্ট রাষ্ট্রিক পরিবর্তন যখন রূপান্তরের বা মেটামরফোসিসের সমার্থক হল না তখন কাফকার মতো কুন্দেরার টেক্সটও কি পোকা হতে চাওয়ার মেটামরফোসিস প্রতক্ষ্য ... ...
সোমবার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ এরদোয়ান "তুরস্ক অবশেষে সুইডেনকে ব্লকে প্রবেশ করতে দেবে" - এই ঘোষণা দিয়ে ন্যাটোকে চমকে দিয়েছিলেন। এই আর্টিকেলে এরদোয়ান কী বলেছিলেন, কেন তিনি সুইডেনকে ন্যাটোতে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন এবং এর অর্থ তুরস্ক ইইউতে যোগ দিতে চলেছে কিনা তা দেখতে যাচ্ছি। সেই সাথে তুরস্কের রাশিয়ার থেকে দূরে সরে আসা ও পশ্চিমের দিকে সরে আসা নিয়ে, এবং তুরস্ক আসলেই ইইউতে যোগ দিতে পারবে কিনা তা নিয়ে আলোচনা হবে।সুইডেনকে ন্যাটোতে প্রবেশে তুরস্কের এতদিনের অস্বীকৃতি গত এক বছর ধরে তুরস্ক সুইডেনকে ন্যাটোতে যোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছে। গত জুনে ফিনল্যান্ড সহ দুই দেশ ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করে, যেখানে মূলত বলা হয়, ... ...
মঙ্গলবার এবং বুধবার ন্যাটো এবং তার মিত্ররা জোটের ৭৪ তম বার্ষিক শীর্ষ সম্মেলনের জন্য ভিলনিয়াস লিথুয়ানিয়ায় মিলিত হয়েছিল। আলোচ্যসূচির মূল বিষয় ছিল আশ্চর্যজনকভাবে ইউক্রেন, আরও সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে ন্যাটো ইউক্রেনের সদস্যপদের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট পথ সরবরাহ করবে কিনা সেটা। মঙ্গলবার বিকেলে ন্যাটোর যৌথ বিবৃতিতে মূলত ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, ইউক্রেন শীঘ্রই ন্যাটোতে যোগ দেবে না এবং তারা এ বিষয়ে কিছুই করতে পারবে না। সুতরাং এই আর্টিকেলে, ইউক্রেইন-ন্যাটো সম্পর্কের ইতিহাস, ন্যাটোর বিবৃতি, ইউক্রেন কেন ক্ষুব্ধ এবং পরবর্তীতে কী ঘটতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হবে।ইউক্রেইন-ন্যাটো সম্পর্কের ইতিহাসন্যাটোর প্রতি ইউক্রেনের মনোভাব প্রশাসনের উপর নির্ভর করে ওঠানামা করেছে। ইউক্রেনের রাজনীতি তুলনামূলকভাবে রাশিয়াপন্থী রাষ্ট্রপতিদের ... ...
ছাব্বিশ বেগে লাফালে,তিন খানা জলে -লুকোলে; দুটো নিলে একটা ফ্রি, লিজিয়েঁ ;একেতো মা-মনসা,তায় মাঁকড়া ধুনো দিলেআরো বেগে লাফালে মেডেল দেবে পুষিয়ে। মাঁকড়া জানে না হেথা ফণীর মাথায়-মণি; কোথায় মহান ম্যান্ডেলাআর কোথায় শ্রীমান ঘোটালা -মুক্তোর মালা ঝুলিয়ে দিলো গলায়!!
চাঁদে কি আপনি কখনও জমি কিনবেন? না। সোনা-রুপো-তামা-প্লাটিনাম তুলে এনে আপনার ব্যাঙ্কের লকারে জমা করা হবে? না। চন্দ্রাভিযানে বিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত খুলে যাবে? না। অন্যের মহাকাশযান আকাশে পাঠিয়ে কিছু রোজগার নিশ্চয়ই হয়, কিন্তু সে তো চন্দ্রযান না পাঠিয়েও হয়। এতে নতুন যা হবে, তা হল গুচ্ছের টাকা খরচা হবে, কে জানে ঠিকাদারিতে কার কপাল খুলবে। যারই খুলুক, আপনার না। কিন্তু তাতে কি, আপনার কাজ হাততালি দেওয়া, দেবেন, ব্যস।আপনি কি পাকিস্তানে গিয়ে, নিদেনপক্ষে কাশ্মীরে, কখনও জমি কিনবেন? না। ঘোড়াড্ডিমের একটা সীমান্তে দুই দেশের প্রচুর সৈন্য জড়ো করে, এদিক সেদিক সার্জিকাল-স্ট্রাইক করলে বাজার-দোকান-দেশ-বিদেশ কোথাও কি আপনাকে কেউ একটাও সেলাম ঠুকবে? না। গুচ্ছের ... ...
বিজ্ঞানের ইতিহাসে অনেক সময়ই দেখা যায়, একই আবিষ্কার একাধিক সূত্রে উঠে আসছে। আদি মধ্যযুগে শূন্যের ধারণা একই সঙ্গে ভারতে ও চিনে জন্ম নিয়েছিল। নিউটনের কালে নিউটনের সঙ্গেই জার্মানির গটফ্রিড হ্বিলহেল্ম লাইবনিৎস-এর নাম উত্থাপিত হয় কলন গণিতের উদ্ভাবক হিসাবে। অক্সিজেন খুব কাছাকাছি সময়ে তিনজন বিজ্ঞানী আবিষ্কার করেছিলেন: ইংল্যান্ডে প্রিস্টলি, সুইডেনে শিলি এবং ফ্রান্সে ল্যাভোয়াশিয়। চার্লস ডারউইনের মতোই বিশ্ব ভ্রমণ করে কয়েক বছরের মধ্যেই আলফ্রেড রাশেল ওয়ালেসও বিবর্তন এবং প্রাকৃতিক নির্বাচনের তত্ত্ব সংজ্ঞায়িত করে ফেলেছিলেন। তেমনই পর্যায়সারণির ক্ষেত্রেও মেন্দেলিয়েভের প্রায় পেছন পেছনেই ছিলেন জুলিয়াস লোঠার মেয়ার। বস্তুত তিনি কয়েক বছর আগেই, ১৮৬৪ ও ১৮৬৬ সালে, দুবার দুটো টেবিল বানিয়ে বিজ্ঞানী মহলে দিয়েছিলেন। ... ...
শুভমস্তু ———— সুপ্রিয়া চৌধুরী ———————পুরুষতন্ত্রের জাল ছিঁড়ে ফেলে, নারীর মুখে উচ্চারিত আজ বৈদিক মন্ত্রধ্বনি !বিবাহের চিরাচরিত প্রথা কেজানিয়ে বিদায়, যারা এগিয়ে এলেন কান্ডারী হয়ে,-তাদের গাও জয়ধ্বনি। হিন্দু বিবাহে কন্যা সম্প্রদান ? তাই ত হয়েছে এত যুগ ধরে, এর হয়নি কোনো প্রতিবাদ !পুরুষ শাষিত সমাজে, কেন নারীই শুধু বস্তু সামগ্রী, কি ছিল তার অপরাধ ?আর নয় এই কুসংস্কার, এবার নারী কন্ঠের মন্ত্রোচ্চারণে, ঋকবেদ্ হলো সহজবোধ্য,সঙ্গীত ময়, -বিবাহ মঞ্চ, পরিবর্তিত বিবাহ বিধি-প্রত্যাক্ষিত হলো, নানান্ কু-প্রথা ও আচার।আধুনিক সমাজে পড়ে যায় সাড়া ! এ পরিবর্তন সাগ্রহে গ্রহণ করেন, সমাজের প্রগতিশীলেরা, যারা বিশ্বাস করেন, সমমর্যাদায়-নেই ভেদাভেদ নারীপুরুষের, শুধু বিশ্বাস, বিবাহের পবিত্রতায়। বহুযুগ পরে বিবাহ পেলো সঠিক অর্থ, যেখানে কেউ নয় কোনো পণ্য সামগ্রী, কেউ নয় কারো প্রভু,—জীবন যাত্রায় বৈষম্য নয়, হাতে হাত ধরে চলা, শ্রদ্ধা ভালবাসা অটুট থাকবে, এটাই লক্ষ্য শুধু।এ পরিবর্তন সহজ ছিল না, সমাজ যেখানে প্রতিকুল,—এ অসাধ্য সাধন তুমিই করেছো ! নারী শক্তি ! কুর্ণিশ তোমায় ! ভেঙেছো সমাজের ভ্রান্তি ও ভুল !বিধি- নিষেধের লৌহকপাট ছিন্ন করে, পৌরহিত্যে সসম্মানে প্রতিষ্ঠিত -হে নারী !তুমি আজ বাধা হীন, তুমি আজ মুক্ত—একটাই কাজ, এগিয়ে চলা,মঙ্গল হোক জনগণের,মঙ্গল হোক্- তোমার, আমার,-সুস্বাগতম্ — শুভমস্তু। ——————————— ... ...
মুজতবা আলির পঞ্চতন্ত্রে বাংলার শাক্ত আর বৈষ্ণবদের 'বিবাদ' নিয়ে একটা চমৎকার চুটকি আছে। গপ্পোটা ছোট্টো। জনৈক শাক্তকে এক বৈষ্ণব বললেন, এই যে আপনারা বলি দেন, এতে পশুর ভিতরের 'শক্তি'টাকেই বলি দেওয়া হয় না কি? শুনে শাক্ত একটু হেসে বললেন, পশুটাকে যখন ধরে হাড়িকাঠে বাঁধা হয়, তখন আর তার 'শক্তি' কোথায়? পড়ে থাকে তো শুধু 'চৈতন্য'টুকু। ওটাকেই বলি দিই।গপ্পোটা ছোট্টো হলেও অসাধারণ, কারণ, এতে বাস্তবতাটা খুব সহজে ধরা পড়ে, যে, বাংলায় শাক্ত আর বৈষ্ণবদের তথাকথিত যে বিরোধ, তা ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান সমর্থকদের ছদ্ম বিবাদের চেয়ে বেশি কিছু ছিল না। এমনই বিবাদ, যে, তা নিয়ে চুটকি তৈরি হয়, এবং এক সৈয়দের ব্যাটা সেটা ঝপ ... ...
“মরে যেতে কখনও ভালো লাগবে না আমার। কারণ জীবন চমৎকার, জীবন ফ্যাসিনেটিং। মরে যাবার কথা ভাবলেই আমি প্রথম ভাবি আর কি আমার পুনর্বার দেখা হবে না...” যিনি এই কথাগুলো লিখেছিলেন সেই ডাঃ প্রজ্ঞাদীপা হালদার আত্মহত্যা করেন ২০শে জুন ২০২৩, আজ থেকে তিন সপ্তাহ আগে। রেখে গেছেন একটি সুইসাইড নোট। ভুল বানানে লিখিত মর্মান্তিক শেষ ফেসবুক পোষ্টটি আমার এই প্রবন্ধের শিরোনাম। মাটি থেকে প্রায় এগারো ফুট উঁচু ফ্যানের থেকে ঝুলন্ত নিথর ক্ষতবিক্ষত প্রজ্ঞাদীপার মৃত্যু হত্যা না আত্মহত্যা তা ভবিষ্যতে আদালতে প্রমাণ হবে। চমক লাগে, যখন দেখি, আত্মহত্যাবিলাসিনী প্রজ্ঞাদীপা উক্ত প্রথম প্যারাটি লিখেছিলেন আত্মহত্যার ... ...
৯৪ বছর বয়সে হয়ত একরাশ আক্ষেপ নিয়ে ১১ই জুলাই পৃথিবী ছাড়লেন মিলান কুন্দেরা। ১লা এপ্রিল ১৯২৯ সালে চেকোস্লোভাকিয়ায় জন্ম। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উত্তাল সময়ে বড় হয়েছিলেন। সেই কারণে শাসক বিরোধী আবহাওয়া ছিল তাঁর নিত্যসঙ্গী। তাই মাত্র উনিশ বছর বয়সে কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য হয়েছিলেন। সেই পার্টিই আবার তাঁর সদস্য পদ কেড়েও নিয়েছিল। কারণ তিনি নাকি বিভিন্ন সভা সমিতিতে পার্টি বিরোধী মত প্রকাশ করছিলেন। ততদিনে তাঁর কলম আগুন ছড়াতে শুরু করেছে। স্বয়ং সলমন রুশদির প্রিয় সাহিত্যিক ছিলেন মিলান কুন্দেরা। ৪০টিরও বেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে তাঁর বইগুলি।প্রথম উপন্যাসেই মুখ্য চরিত্রে ফুটিয়ে তুলে ছিলেন নিজেরই প্রতিচ্ছবি। পাঠকদের নজর কাড়তে সক্ষম হয়েছিল তাঁর লেখাগুলো। পার্টি বিরোধী ... ...
কে ডাকে কাতর প্রাণে, মধুর তানেআয় চলে আয় --ওরে আয় চলে আয়, আমার পাশেমহা সিন্ধুর ওপার থেকেকি সঙ্গীত ভেসে আসে।ঐ মহাসিন্ধুর ওপার থেকে কি সঙ্গীত ভেসে আসে। আজকাল সত্যিই ভেসে আসে সেই সুর। মধুর তানে কেউ যেনো কানের কাছে এসে বলে, হেথা নাইকো মৃত্যু, নাইকো জরা। হেথা বাতাস গীতি গন্ধভরা, চির স্নিগ্ধ মধুমাসে। হেথা চির শ্যামল বসুন্ধরা, চির জ্যোৎস্না নীল আকাশে। মনটা উচাটন হয়ে ওঠে, এই পৃথিবী যে বড়ই রুক্ষ, বড়ই নিষ্ঠুর, একাকীত্বে ভরা এই পৃথিবী। কবিগুরু কেনো যে বলেছিলেন, "মরিতে চাহিনা আমি সুন্দর ভুবনে"। যৌবনে কবিগুরুর কথা মনে দাগ টানলেও এখন সেই দাগ আর খুঁজে পাওয়া যায় না। অস্পষ্ট হয়ে ... ...
উৎসব হয়েছে যখন, এবার পুরস্কার বিতরণ তো করতেই হবে। ফল-বেরোক না-বেরোক, দেখে নিন, কোন বিভাগে কে কী পেলেন। সেরা নায়ক। এই বিভাগে প্রবল প্রতিযোগিতা। কোনো নায়ক প্রশ্ন করলে চড় মারার মতো আলফা-মেল, কেউ দৌড়ে উসেইন ব্যালট। কিন্তু তার মধ্যেই পুরস্কার ছিনিয়ে নিলেন মহদেব মাটি। কাঁচা ব্যালট চিবিয়ে খেলেন, কোনো রকম নুন-লঙ্কা-তেল ছাড়াই। কীকরে খেলেন? খেতে কেমন? অত জানার আগ্রহ হলে বাংলা সিনেমার পাশে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকুন।সেরা নায়িকা।মিমি চক্রবর্তী। নিজে তৃণমূল সাংসদ হলে কী হবে, তাঁর তিন মামী তিনটি দল থেকে দাঁড়িয়েছিলেন পঞ্চায়েত ভোটে। একজন জিতেছেন, বাকি দুজন হেরে গেছেন, কিন্তু জয় থেকে গেছে পরিবারেই। গোটা রাজ্য যখন মেরে-ফেলব-কেটে-ফেলব করে চলেছে, তার ... ...
একটি সুপার লেট রিভিউহিমাদ্রি শেখর দত্ত২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসে, 'ইকো ফিল্ম' এর পরিবেশনায়, এই ছায়াছবিটি নির্মিত হয় এবং মুক্তি পায়। আমি গতকাল ছবিটি, মুক্তি পাওয়ার নয় বছর পরে, ইউটিউবে প্রথমবার দেখি। বাংলায় আজকাল যে সব ছবি হচ্ছে, তার সংখ্যা নগণ্য এবং যা হচ্ছে তা দক্ষিণী অনুকরনের ব্যার্থ প্রয়াস। অবশ্য এই ছবিতেও তার রেশ থেকে পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায় একেবারে মুক্ত হতে পারেন নি। পুলিশ অফিসারের নাম রজনীকান্ত রেখেছেন। নায়ক এক সাথে দশজনকে মেরে তক্তাপাট করার পরে, 'বাংলা ছবির দেবের মত' একদম, এ কথাও ডায়ালগে রেখেছেন। আর অমন মারামারি শুধু দক্ষিণেই সম্ভব হয়। তবুও এই ছবি একটু ট্র্যাডিশনাল।যাই হোক, গল্পের প্লট পুরোন ... ...
তোমার মতো নৃত্যকলা জানিনা-চিত্রাঙ্গদা; আমি তান্ডব লীলা করি; না বললে একটি পাতাও নড়ে না-জ্ঞানেশ্বরী; আমরা নিজের কবর খুঁড়ি।'যো জীতা ওহী সিকান্দর...মানুষ ভুলে যায়;স্তালিন আর হিটলার-ঠিক,তফাৎ টা কোথায়!?
আজকে চোখে পড়ল, খবরের সাইটে, মিলান কুন্দেরা মারা গেছেন। গতকালের, ১১ই জুলাই তারিখ দেখছি। ১৯৯০ এর শেষের দিক থেকে মনে হয় বইগুলো পড়া শুরু করি, উপন্যাস সবকটিই ও উপন্যাস বা উপন্যসের আর্ট নিয়ে লেখা প্রবন্ধের বইগুলো। নিজস্বতা বড় লেখকের গুণ যেহেতু, কুন্দেরা বড় লেখক। অন্তত তিনটে উপন্যাসে (দ্য জোক, দ্য বুক অফ লাফটার অ্যাণ্ড ফরগেটিং, দ্য আনবিয়ারেবল লাইটনেস অফ বিয়ইং )এই নিজস্বতা ছড়িয়ে আছে। নিজস্বতা শুধু এইজন্য নয় যে মানব অস্তিত্বের রহস্য আর চোরাফাঁদের অনুসন্ধান করেছেন অথবা ব্যক্তি জীবন আর ক্ষমতার মধ্যে সম্পর্কের কথা লিখেছেন, নিজস্বতা এই জন্যই যে এইসবই করে গেছেন লেখার প্রকরণ দিয়ে, চরিত্র -গল্প -ঘটনার পাশে লেখকের বক্তব্য বা ইতিহাস - দর্শনের আলোচনা করেছেন । গল্প বলেছেন কিন্তু ক্রমাগত ডাইগ্রেশন ... ...
জ্যোতি বসু, সোনিয়া গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হবেন কিনা জানতে চাইলে, না করে বলেছিলেন, ভারত হিংসাপ্রবণ দেশ। সং**ঘ পরিবার একে ঘিরে হিংসা ছড়াবে। ভারত জুড়ে কেন এই হিংসার চাষ?অথচ আমরা তো মুখে লেখায় বলি, ভারত শান্তিপ্রিয় দেশ। জীবনে পরিবারে সমাজে দপ্তরে চোরা হিংসাআর রাজনীতিতে খুনোখুনি ।কেন? ভাবা জরুরি। এমন সব সাহিত্যকে চিরায়ত বলে ... ...
কবি ও কবিতার আসর (এক্রোস্টিক কবিতা)——————সুপ্রিয়া চৌধুরী——————কবিতার আসরে সব কবিদের রইলো নিমন্ত্রণ !বিনা তোমাদের, আসর শূণ্য - নিশ্চল,নিষ্প্রাণ !ওই দেখো ! ওরা প্রতীক্ষারত ! শোনাও জীবন বাণীকবি! তুমি প্রাণ সঞ্চারো জীবনে,মুছে দাও যত গ্লানিবিরতি নেই হে বিদগ্ধ কবি ! এযেন অমোঘ নিয়তি!তারুণ্য তোমার মনের ভাষায়, শব্দে তোমার গতি। রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রেম প্রতিবাদ সোচ্চার হয়ে উঠুক !আমরণ এই সংকল্পে ব্রতী - সংগ্রাম তাই চলুক !সত্যের সাথে, মসী নিয়ে হাতে, লেখালিখি চলবেই,রয়ে যাবে শুধু কিছু লেখা - কাগজের পাতাতেই !——————----------------------------- প্রতি টি লাইনের আদ্যক্ষর একত্র করলে এক্রোস্টিক কবিতার নিয়মানুযায়ী"কবি ও কবিতার আসর" করা হয়েছে। ... ...
।। ১। ।স্থান রাশিয়া, কাল উনিশ শতকের মাঝামাঝি। পাত্র ক্রমশ প্রকাশ্য। আপাতত পায়ে চলার এক অনবদ্য গল্প দিয়ে শুরু করি এই কথালিপি। সে এক অনন্য অনন্ত যাত্রা। অশ্রুতপূর্ব কাহিনি। প্রথম শুনলে বা পড়লে একেবারে শিশু সাহিত্য রূপকথার মতোই লাগে। ১৮৪৮ সালের এক বসন্তে চোদ্দ বছরের এক পুত্র আর ষোল বছরের এক কন্যাকে সঙ্গে নিয়ে কোন সুদূর এক অনির্দিষ্ট গন্তব্যের উদ্দেশ্যে পায়ে হেঁটে চলেছেন সদ্য বিধবা এক মা। সুদূর সাইবেরিয়া থেকে এসেছেন প্রথমে মস্কোতে, তারপর সেখানে মনস্কামনা পূর্ণ না হওয়ায় আবার রওনা দিয়েছেন সন্ত পিতার্সবুর্গের দিকে। দূরত্বটা এই সুযোগে জেনে রাখা দরকার: সাইবেরিয়া থেকে মস্কো ২১৯০ কিলোমিটার মাত্র; আর মস্কো থেকে ... ...
গণতন্ত্র কীসের উপর টিকে থাকে? মেরুকরণের উপরে? না। ধরুন, ক্লাসে দুটো ছেলে আছে, যাদের দুটো দল আছে, যারা মাঝেমধ্যে কোন্দলও করে থাকে। এবার, এই মারপিট কতদূর এগোবে, তর্কাতর্কি, ঝগড়া, হাতাহাতি, না খুনোখুনি, তার উপর নির্ভর করছে, ওটা গণতন্ত্র, না জঙ্গলের রাজত্ব। আমরা গণাতান্ত্রিক সমাজে মোটামুটি যা দেখে অভ্যস্ত, সেটা হল, ঝগড়াঝাঁটি হলে মোটামুটি সবাই একটা করে দল নিয়ে ফেলে। কিন্তু ধরুন, একটা ছেলে যদি আরেকজনের ঘাড়ে উঠে গলা টিপে ধরে, তখন দলমত-নির্বিশেষে দুই-পক্ষের ছেলেরাই 'এই কী হচ্ছে' বলে একযোগে ছাড়িয়ে দেয়। দলমত-নির্বিশেষে, এই যে পরিসর, এটাই গণতন্ত্রের সঙ্গে জঙ্গলের রাজত্বের তফাত। এইটাকেই বলে গণপরিসর বা জনসমাজ, মেরুকরণ সত্ত্বেও যারা ক্ষেত্রবিশেষে ... ...
বাবুরাম চাচা রে, কেন যাস ফ্রান্সে ?আয় চাচা দেখে যা, দুদন্ড থেকে যা-মৈ তৈ থৈ থৈ চিত্রাঙ্গদা রেগীর্জার ঘন্টা মাটিতে লুটায় রে! মণিহারা